Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    কড়িখেলা – সঙ্গীতা বন্দ্যোপাধ্যায়

    August 7, 2026

    নীললোহিতের চোখের সামনে – নীললোহিত (সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়)

    August 7, 2026

    নীললোহিতের অন্তরঙ্গ – নীললোহিত (সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়)

    August 7, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    কড়িখেলা – সঙ্গীতা বন্দ্যোপাধ্যায়

    সঙ্গীতা বন্দ্যোপাধ্যায় এক পাতা গল্প139 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    কড়িখেলা – ৮

    ॥ ৮ ॥

    দেড় মাসের মধ্যে এই নিয়ে তৃতীয় বার পাড়ায় এল শর্মিলা। একটু কি বাড়াবাড়ি হয়ে যাচ্ছে? ছ’ বছর এল না, তারপর এত ঘনঘন? গতবারই গায়ত্রী তাকে একবার জিজ্ঞেস করেছে, “ভানু তোর ওদিকে কি গন্ডগোল হচ্ছে? দেখিস! ভয় করে!”

    ভয় কি তারও হচ্ছে না? কিন্তু কত আর ভয় পাবে? সে যে ভিতরে ভিতরে বড্ড একা হয়ে গেছে। আত্মীয় নেই, বন্ধু নেই, সংসারটা ঠিক সংসার নয়। বৈধ স্বামীর কাছে সে যেন ঠিক স্ত্রী নয়, কোথায় যাবে তা হলে সে?

    গাড়িটা বিরাট বড়, বিদেশি। আজ এই ব্যাপারেও সে বেশ সাহস দেখিয়ে ফেলল। তাকে অফিস থেকে আজ অন্য ড্রাইভার নিতে এসেছে। সেটাই সুবিধে। হরিন্দর, বিহারি ছেলে। এর সঙ্গে আদিত্যর অত কথা হয় না। এত বড় গাড়ি বাই লেনে ঢুকবে না। ফলে মোহিনীমোহন লেনে ঢোকার মুখে গাড়ি থেকে নেমে পড়ল শর্মিলা। আর ঠিক তখনই অভীক বেরিয়ে এল ওদের বাড়ির ফটক খুলে। ঘুমিয়ে টুমিয়ে চোখ মুখ ফুলে গেছে অভীকের। মদ খেয়ে খেয়ে একেই তো চোখের তলায় পাউচ। শ্যাম গাত্রবর্ণে লালের প্রলেপ। বিয়াল্লিশ-তেতাল্লিশ বছরের অভীককে দেখাচ্ছে একদম বিশ্বম্ভর ঘোষের মতো! একটা কারুকার্য খচিত পাঞ্জাবি গায়ে, সাদা চটি। গায়ত্রী বলছিল, সেভাবে ব্যাবসাট্যাবসা দেখেই না অভীক আজকাল। এই একটা ব্যাবসা করছে, দু’দিন না যেতেই সেটা তুলে দিচ্ছে। প্রোমোটারিটাই চলছে কোনওমতে।

    অভীকের মুখোমুখি পড়ে গিয়ে শর্মিলা ভেবে পেল না কথা বলবে নাকি বলবে না।

    অভীক তাকে ভুরু কুঁচকে দেখছে। যেন চিনতে টিনতে পারছে না। তারপর দাঁড়িয়ে পড়ল, “ভানু, তুই?”

    “হ্যাঁ অভীকদা।”

    “অনেক বদলে গিয়েছিস। আয়েষা বলছিল, তুই পাড়ায় আসিস আজকাল। খবরটবর সব ভাল তো?”

    সত্যি কথা বলতে, অনেক বড়লোকের ছেলে হলেও অভীকদা খুব ডাউন টু আর্থ চিরদিনই। একটা সময় খুব রটেছিল তার আর অভীকদার মধ্যে প্রেম চলছে। অভীকদাকে সে পছন্দ করত। প্রেমে কদাচ পড়েনি। তার কারণটা সম্পূর্ণ অন্য। তার খুব ইচ্ছে ছিল, একজন উচ্চশিক্ষিত ছেলের সঙ্গে বিয়ে হবে তার। ব্যবসায়ী-ট্যাবসায়ী সে অত পাত্তা দিত না। ভাগ্যের ফের দেখো!

    “খবর, ওই চলছে,” মৃদু হেসে বলল শর্মিলা।

    “শোন, তোদের বাড়িতে একদিন যেতাম আমি। আয়েষা ডালিয়ার সঙ্গে খুব খারাপ ব্যবহার করেছে। খুব অন্যায়, খুব অন্যায়।”

    “খারাপ ব্যবহার? ডালিয়ার সঙ্গে? কেন?”

    “পয়লা বৈশাখের দিন মেয়েটা না খেয়ে চলে গেছে। আমি যাব। আয়েষা কেমন যেন হয়ে গেছে। মানুষকে মানুষ জ্ঞান করে না। কাজের লোক, ড্রাইভার, পাড়া-প্রতিবেশী, সকলের সঙ্গে দুর্ব্যবহার করে। পাড়ায় আমার বেরোতে ভয় হয়। কে এসে বলবে আয়েষার এই দোষ হয়েছে।”

    দু’জনে পাশাপাশি হাঁটতে হাঁটতে বাইলেনের মুখে চলে এসেছে। অভীকদা একটু গলা নামিয়ে দিল, “এই রাধাদিরা, সলিলের বউ, আরও কয়েকজন আছে, যারা আয়েষাকে তোল্লাই দেয়। আয়েষা তাদের নিয়ে মাল্টিপ্লেক্সে যায়, রেস্তরাঁয় যায় আর তারা ‘আয়েষা আমাদের নয়নের মণি’ ভাব দেখায়! আয়েষা ভাবে, এরাই বোধহয় পুরো পৃথিবী! তুই জানিস, আমি আয়েষার সঙ্গে কোনও সম্পর্ক রাখি না?”

    সে বলল, “থাক না অভীকদা। ঘরে ঘরে সব একই ব্যাপার। বাইরেটা সকলেই ঠিক রেখে চলে।”

    “তোকে দেখে মনে হয় সুখী।”

    “তা এক রকম।”

    “এটা একটা উত্তর হল?”

    “আমরা যে যার পথ বেছে নিয়েছি অভীকদা। তার দায় তো আমাদের উপরই বর্তায়।”

    “তুই কি এখনও চাকরি করছিস?”

    “হ্যাঁ।”

    “কেন রে? মেয়েদের চাকরি করা আমি পছন্দ করি না। স্কুল টিচার, অধ্যাপিকা, এসব ঠিক আছে।”

    “ওসব বললে চলবে? সংসারে মেয়েদের টাকার প্রয়োজন আছে।”

    ‘তাও ভাল যে, তুই বললি না মেয়েদের আর্থিক স্বাধীনতার প্রয়োজন।”

    “ওটা বাসি কথা। সকলেরই প্রয়োজন।”

    হঠাৎ সে বলল, “অভীকদা, জ্যোতিষ্মানদার ক্যান্সার হয়েছে। কেউ তো নেই মানুষটার, কী করে চিকিৎসা হবে?”

    অভীকদা এদিকওদিক তাকাল, “শোন, মকাইদের বাড়িটা আমি কেনার চেষ্টায় আছি। যদি কিনতে পারি, একতলায় একটা বুক স্টোর করব। সঙ্গে কফি শপ, লাইব্রেরিটাও থাকবে।”

    “পাড়ার ভিতরে কফি শপ? চলবে? তার উপর এই আদ্যিকালের পাড়ায়?”

    “নর্থ ক্যালকাটাকে একটু বদলাতে হবে বুঝলি?”

    “তোমার ঠাকুরমার নামে বাসস্ট্যান্ডটা তো খুব সুন্দর হয়েছে!”

    “গমের গুদামের ওখানে আমিই তো পাবলিক টয়লেট করালাম।”

    “তুমি কি এবার ইলেকশনে দাঁড়াবে অভীকদা?”

    গলির মুখে ঝিম ধরা সূর্যালোক, বিকেল শেষ। অভীকদা বলল, “দাঁড়াতেই পারি।”

    গায়ত্রীর কাছে চা-টা খেয়ে সে যখন পাড়ায় বেরোল, তখন কত লোকের সঙ্গে যে দেখা হল তার…সকলের সঙ্গে দু’ দণ্ড দাঁড়িয়ে কথা বলে বলে এগোতেই শর্মিলার এক ঘণ্টা লেগে গেল। শেষ পর্যন্ত লাইব্রেরির দরজার সামনে পৌঁছে সে ডাকল, “জ্যোতিষ্মানদা?”

    কাঁচা-পাকা এক রাশ দাড়ি, ঝাঁকড়া চুলের মানুষটা একটা জাবদা কাগজের কাটিং আঠা দিয়ে আটকাচ্ছিল। শর্মিলা দেখল, সেই রংচটা শত পুরনো পাঞ্জাবি। এপাড়ায় কে যে কার জেঠা, কে যে মামা আর কে যে সাত বুড়োটে হয়েও দাদা, তার কোনও সম্পর্ক সূত্র নেই। জ্যোতিষ্মানদা তো বয়সে ছোটমামার চেয়েও বড়। বড়মামার বন্ধু। বড়মামা অবশ্য খুব অল্প বয়সে ম্যালেরিয়া হয়ে মারা গিয়েছিল। শর্মিলার বড়মামাকে মনেই পড়ে না।

    এপাড়ায় মুখে মুখে অনেকের ইতিহাসই ঘোরে ফেরে। সবাই বলে জ্যোতিষ্মান নকশাল ছিল। আসলে তা নয়। এই অনাদি ঘোষাল স্ট্রিটটা জ্যোতিষ্মান ঘোষালের খোদ ঠাকুরদার বাবার নামে। ঘোষালরা বনেদি লোক। জ্যোতিষ্মান পড়াশোনা করেছিল দার্জিলিং-এর সেন্ট পলস স্কুলে। ছুটিছাটায় এলেও পাড়ার লোকজনদের সঙ্গে বেশি মিশত না। পারতও না মিশতে। জ্যোতিষ্মানের কাছে এপাড়ার লোকজন ছিল এলিয়েন! এ পাড়ার লোকদের কাছেও জ্যোতিষ্মান ছিল তাই। জ্যোতিষ্মানকে নিয়ে নানা মুখরোচক গল্প ছিল পাড়ায়। ছেলেটা নাকি নিউ মার্কেট থেকে শুয়োর কিনে এনে খায়! গোরুও খেয়েছে। সন্ধেবেলা একটু ব্র্যান্ডি পান না করলে ছেলের ঘুম আসে না! চাকরবাকরদের সঙ্গেও ইংলিশে কথা বলে! কাঁটা-চামচ দিয়ে ভাত খায়। অনেক অ্যাংলো মেয়েদের সঙ্গে ওঠা বসা আছে। ফলে এপাড়ার ছেলে হয়েও জ্যোতিষ্মানকে কেউ কখনও নিজের বলে ভাবতে পারেনি। এসব রটনার অনেকটাই সত্যিও ছিল। ব্রাহ্মণসন্তান হয়েও জ্যোতিষ্মান নিজের ঘরের দেয়ালে যিশুর পোর্সেলিনের মূর্তি টাঙিয়েছিল। সকাল-সন্ধে মোমবাতি হাতে ‘প্রে’ও করত! সেই জ্যোতিষ্মান কলকাতায় ফিরে ভর্তি হল প্রেসিডেন্সিতে।

    জ্যোতিষ্মানের সঙ্গে কলকাতার সেই সময়ের বাস্তবতার কোনও যোগই ছিল না কোনও৷ সে তখন সন্ধেবেলা থিয়েটার রোডে আড্ডা দিতে যায়, পার্ক স্ট্রিটে মদ খায়। ব্রেকফাস্ট সারে হ্যাম দিয়ে। সিনে ক্লাবের মেম্বার। বাড়িতে গুচ্ছের বিদেশি গান শোনে, স্যাক্সোফোন বাজাতে চেষ্টা করে। তার তখন বছরখানেকের মধ্যেই বিদেশ যাওয়ার ব্যবস্থা পাকা। সেই অবস্থায় একদিন মাঝরাতে পুলিশ এসে জ্যোতিষ্মান ঘোষালকে তুলে নিয়ে যায় স্রেফ নাম বিভ্রাটের কারণে!

    অচিরেই পুলিশের ভুল ভাঙে। কিন্তু প্রোটোকলে আটকে জ্যোতিষ্মান ছাড়া পেতে পেতে চলে যায় বাইশটা মাস! বাইশ মাস পরে ছাড়া পেয়ে সে যখন এপাড়ায় ফেরে, তখন তার খোলনলচে বদলে গেছে। কেউ জানে না, এই বাইশ মাসের হিসেব। কিন্তু ধরেই নেওয়া যায়, ধরা পড়ার পর তাকে যথেষ্ট পুলিশি অত্যাচার সহ্য করতে হয়েছিল। কারণ, যে জ্যোতিষ্মান ঘোষালকে ধরতে চেয়েছিল পুলিশ সেই জ্যোতিষ্মান ঘোষাল লালবাজারের এক সিনিয়ার অফিসারকে সামনে থেকে গুলি করে মেরেছিল! ওই অফিসার তখন ভোরবেলা কুকুর নিয়ে মর্নিংওয়াক করতে বেরিয়েছিলেন।

    একটা আধপাগল ছেলেকে বাড়ি ফিরিয়ে এনে মহা মুশকিলে পড়েন জ্যোতিষ্মানের বাবা অর্ধেন্দু ঘোষাল। ছেলের মা নেই। শরিকি বাড়িতে রমণীর অভাব নেই, যুবতী বউরা, মেয়েরা। গ্যারাজটা খালি ছিল। সেখানে দেওয়াল তুলে দরজা বের করে দেওয়া হল। শিক বসানো একটা জানলা, জানলার লম্বালম্বি একটা খাট। জ্যোতিষ্মানের ঠাঁই হল সেই ঘরে। ভিতরের বাড়িতে আর কোনওদিন ফিরে যাওয়া হল না। একটু সুস্থ-স্বাভাবিক হওয়ার পর দেখা গেল জ্যোতিষ্মান দিনরাত বই পড়ে। ওটাই তার একমাত্র আশ্রয়। যেতে-আসতে সকলেই দেখে, জ্যোতিষ্মান শিক দেওয়া জানলার পাশে বসে বই পড়ে যাচ্ছে! এরও অনেক বছর পরে বাবার কাছে জ্যোতিষ্মান একটাই জিনিস চেয়েছিল, একটা লাইব্রেরি। গ্যারাজের পাশেই একটা বড়, লম্বা অংশ অব্যবহৃত পড়ে ছিল ঘোষাল বাড়িতে। অর্ধেন্দু ঘোষাল মৃত্যুর আগে এই লাইব্রেরিটা তৈরি করে দিয়ে গেলেন ছেলেকে। পরবর্তী সময়ে একটা গ্রান্টও পেয়ে গেল লাইব্রেরিটা, সরকারের কাছ থেকে। ত্রিশ বছর আগে বেশ রমরমাই ছিল ‘কল্লোলিনী পাঠাগার’-এর। তখন মানুষ বই পড়ত। একটু বেলার দিকে আসত পাড়ার মেয়ে-বউরা। বিকেলে ভিড় জমাত পাড়ার অল্পবয়সি ছেলেমেয়েরা। অফিসফেরত বাবুরা আসত খবরের কাগজ পড়তে। মেম্বারশিপ ফি ছিল তিন টাকা মাসে। জ্যোতিষ্মান একটা জীবন পেল। খুব একটা কথাবার্তায় যেত না, কিন্তু মানুষের উত্তাপের মধ্যে তো থাকত। এখন বছর সাত-আট হল সকালে লাইব্রেরি আর খোলা হয় না। বিকেলেও শুধু কিছু কিপটে বুড়োর দল জড়ো হয় খবরের কাগজ পড়তে। এ ছাড়া সারাদিন চারটে বইও ছাড়তে হয় না জ্যোতিষ্মানকে। গত দু’বছরে মাত্র সাতটা নতুন মেম্বারশিপ হয়েছে। চাঁদা বেড়ে বেড়ে হয়েছে মাসে সতেরো টাকা। অনেক সভ্যর চাঁদাই বছরের পর বছর বাকি রয়ে গেছে।

    জ্যোতিষ্মানদা তাকাল মুখ তুলে। খুব কষ্ট করে একটা ঢোক গিলে বলতে গেল, “তুই? কত দিন পরে এলি ভানু!” কিন্তু কথাগুলো কেমন ফ্যাঁসফ্যাঁসে শোনাল শর্মিলার কানে।

    “হ্যাঁ, জ্যোতিষ্মানদা, তোমার খবর নিতে এলাম।”

    “আয় বোস,” সেই এক ফাঁসা গলা। একটা কাঠের চেয়ার দেখিয়ে দিল জ্যোতিষ্মান।

    দু’জনেই কিছুক্ষণ চুপ করে তাকিয়ে থাকল দু’জনের মুখের দিকে। সে ভাবল আজ এক ফাঁকে সে বলে যাবে, ‘জ্যোতিষ্মানদা, তুমিই কিন্তু আমার প্রথম প্রেম,’ শর্মিলার বোধহয় বাপের বয়সি লোকেদের প্রেমে পড়ার একটা বাতিক ছিল অল্প বয়স থেকে। খুব ছোটবেলায় বাবা মারা গেলেই কি এমনটা হয়? হাতের আঙুল দিয়ে জ্যোতিষ্মান একটা মুদ্রা করল, যার মানে অনেক কিছু হতে পারে। কিন্তু শর্মিলার মনে হল, ‘আর কী!’

    সে বলল, “তুমি ভীষণ রোগা হয়ে গেছ জ্যোতিষ্মানদা। তোমাকে খুব দুর্বল দেখাচ্ছে।”

    জ্যোতিষ্মানদা বলল, “খেতে পারি না। গলায় ব্যথা।”

    এত গরমেও জ্যোতিষ্মানদার গলায় একটা মাফলার জড়ানো। সে বলল, “এটা দিয়ে রেখেছ কেন?”

    “আরাম হয়।”

    “খুব কষ্ট পাচ্ছ?”

    জ্যোতিষ্মান মাথা নাড়ল, “নাঃ, বেড়ে আছি। দিন ফুরিয়ে এল। ভানু, আমার কথা বলতে কষ্ট হয়। আর প্রশ্ন করিস না। বরং তুই বল যা খুশি। আমি শুনি।”

    হঠাৎ তার সেই দাদুর প্রশ্ন করার ভঙ্গিটা মনে পড়ে গেল। সে মনে মনে বলল, “তুমি হয়তো ভাবছ, আমি বিয়ে করে চলে গিয়েছিলাম আর আসতাম না। তা হলে হঠাৎ আবার এসেছি কেন? একটা টান রয়েই গেছে গো জ্যোতিষ্মানদা! মামাবাড়িতে মানুষ হয়েছিলাম, তখন বেশ অনটনের সংসার, বাড়িভর্তি ভাড়াটে, নিজস্ব একটু সময়ের বড় অকুলান ছিল। প্রাইভেসি ছিল না। বন্ধুদের আনতে পারতাম না। দাদুর ঘরে বসে পড়তাম, দাদুকে কথায় কথায় কফ ফেলার ডাবর এগিয়ে দিতে হত। মামিও তখন খুব কথা শোনাত। সব মিলিয়ে ভাল লাগত না। মনে হত, কীভাবে মুক্তি পাব। পড়াশোনা করতাম খুব। চাকরি করব বড়, ফ্ল্যাট কিনব, হাত-পা ছড়িয়ে থাকব, যা ইচ্ছে হয় খাব, নিজে নিয়ে খাব, তিন পিস-চার পিস মাছ খাব একসঙ্গে! বাথরুমে আয়না থাকবে। বিছানার পাশে বেডসাইড ল্যাম্প জ্বেলে থ্রিলার পড়ব, একা-একা গান শুনে কাঁদব, এইরকম কাঁচা ইচ্ছে ছিল! ঠিকই এগোচ্ছিল সব, কিন্তু কোথা থেকে কী হয়ে গেল জ্যোতিষ্মানদা। বিবাহিত পুরুষের প্রেমে পড়লাম। শুধু প্রেম হলে অসুবিধে ছিল না। বিবাহিত পুরুষের সঙ্গে প্রেম করলে না অবধারিতভাবে ওই ইগো প্রবলেমটা চলে আসে, আমি না সে? পুরুষ কাকে বেছে নেবে? প্রেম কতটা নিখাদ? কতটা মরিয়া? মুখে বললে তো হবে না, প্রমাণ চাই, প্রমাণ ঘর ভাঙো। তবু বিশ্বাস করো, আমি ওকে ঘর ভাঙতে বলিনি। ওই-ই এগিয়ে গিয়ে করল সেটা। আসলে বড় বিজনেসম্যান তো, ও জানত, দু’দিকই রাখতে গেলে প্রথমে ভাঙতে হবে, তারপর আবার জোড়া লাগাতে হবে। ছ’বছর পর এই ছবিটা খুব পরিষ্কার। এখন আমার বেডরুমে বিছানার পাশে পোর্সেলিনের ল্যাম্পশেড, এখন ক্রমশ চুপ মেরে গেলে আদিত্য আমাকে সঙ্গ দিতে বালি দ্বীপে নিয়ে যায়, মায়ামি নিয়ে যায়। গতবার আমার জন্মদিন পালিত হল টোকিওতে। এখন আমাকে উজ্জীবিত করতে উইক এন্ডে আদিত্য আমার সঙ্গে রান্নাঘরে ঢোকে। চিজ় দেওয়া বেকড ইলিশ মাছ বানায়, আমি খেতে পারি না। তা ছাড়া এক টুকরোর বেশি আমার খাওয়ার অধিকার নেই। আমি যে কী পেয়েছি, আমি নিজেই ঠিক জানি না জ্যোতিষ্মানদা! আমার সুখও নেই, অসুখও নেই। আমার গুরুত্বও নেই, আমি নেগলেক্টেডও নই। আমার প্রয়োজনও নেই, অপ্রয়োজনীয়ও নই। আমার ফ্লাটটা কী সাজানো, কিন্তু সেখানে আমি বড় সন্তর্পণে থাকি! আদিত্যর নিয়মের বাইরে আমার একটা পা-ও পাতার উপায় নেই! কী হল আমার সেই মুক্তির জ্যোতিষ্মানদা? একটু একটু করে আদিত্য ওর পরিবারের কাছে ফিরে যাচ্ছে। এখন হয়তো কিছুটা ঢাকা চাপা আছে, এর পর আর তাও থাকবে না। আমাদের আঠাশ তলার আস্তানাটা কী বলো তো? ভুঁইফোড়! সল্টলেকের বাড়িতে কখনও যাইনি৷ সেখানে সকালে আদিত্যর বাবা-মা বারান্দায় বসে চা খায়, সেখানে আদিত্যর পরিবারের সবাই আসছে-যাচ্ছে। চার মামা, চার মামি, ছেলেপুলে, মাসি, মাসতুতো বোনেরা, পিসিরা, পিসতুতো দুই ভাই, তাদের বউরা, পরমা, ওর প্রাক্তন স্ত্রী-র বাপের বাড়ির লোকজন, ছেলের বন্ধুবান্ধব। সব সময় হইহই ব্যাপার! এক ব্যাটেলিয়ন ফোর্স। আর এদিকে আমি একা, কত রকমের বন্ধন, কত রকমের পরিচয়ের বোধ, কত রকমের আশ্রয়, এই সবকিছুর বিরুদ্ধে কতদিন লড়তে পারব? হেরে যাবই। একটা মেয়ের মন আর শরীরে এত রকমের আনন্দ সম্ভার থাকে না! আজকাল আমার বড্ড একা লাগে জ্যোতিষ্মানদা! চরম একা! এই পাড়ায় সেই একাকিত্ব নেই। এখানে বোধহয় কেউই চাইলেও একা হতে পারবে না। এই উত্তাপটা আমার আজ খুব দরকার। হতে পারে, হ্যাঁ হতেই পারে আদিত্যর সঙ্গে, শুধু ওর সঙ্গে থাকতে থাকতে আমার একঘেয়ে লাগতে শুরু করেছে। যতই সমৃদ্ধির হোক, ওর দেওয়া জীবনটার মধ্যে আমি আর কোনও নতুনত্ব পাই না। এটা তো ঠিক…’ হঠাৎই সংবিৎ ফিরে পেয়ে শর্মিলা দেখল আয়েষাদি দাঁড়িয়ে আছে লাইব্রেরির দরজার সামনে। উফ, ভাগ্যিস কথাগুলো সে সত্যি সত্যি জ্যোতিষ্মানদাকে বলেনি!

    তার দিকে একবার তীক্ষ্ম দৃষ্টি হানল আয়েষাদি, তারপর জ্যোতিষ্মানদাকে বলল, “এই যে জ্যোতিষ্মানদা, তোমার তো গরম কিছু খাওয়া বারণ। তুমি নাকি আজ আবার গঙ্গাধরের ছেলের কাছে চায়ের বায়না করেছ?” |

    আধা ইশারায় জ্যোতিষ্মানদা বলল, “চা ছাড়া সম্ভব নয়।”

    “যা ডাক্তার বলবে, তাই তো করতে হবে? শনিবার আবার ডাক্তার দেখবে। তখন নিজেই জিজ্ঞেস করে নিয়ো। চা খাবে, সিগারেট খাবে, মামদোবাজি? আমি তা হলে এত চেষ্টা করছি কেন? চা, সিগারেট এ পাড়ায় তোমায় কেউ দেবে না, আয়েষা ঘোষ থাকতে।”

    “চলবে না, চলবে না।”

    “মরে যাবে তুমি,” চিৎকার করল আয়েষা, “অভীক এই লাইব্রেরিটা বাঁচানোর চেষ্টা করছে, নতুন করে সব সেজে উঠবে, বুক স্টোর হবে, তোমার দেখার ইচ্ছে নেই?”

    “হবে না, হবে না! চাউমিনের দোকান হবে। বুক স্টোর হবে না ছাই। আমাকে বোকা পেয়েছে! আমার সইটার জন্য বোকা বোঝাচ্ছে আমাকে!” জ্যোতিষ্মানদা হাঁফাতে লাগল।

    আয়েষাদি কোমরে হাত দিয়ে বলল, “আমি তোমাকে কিচ্ছু বোঝাতে আসিনি। বুঝেছ? আমার এখানে কোনও লেনাদেনা নেই। এ পাড়ার কারও সঙ্গে আমার কোনও স্বার্থ নেই। কাউকে আমি পুঁছি না। যেটা ঠিক মনে হয়, করি। যা বুঝি, তখনই বলি। বিনা চিকিৎসায় মারা যাবে একটা লোক তাই আসি…”

    হঠাৎ জ্যোতিষ্মানদা খবরের কাগজ দিয়ে নিজের মুখটা আয়েষার কাছ থেকে আড়াল করে নিল।

    আয়েষাদি বলল, “বাঃ, বাঃ, বেশ, বেশ!”

    জ্যোতিষ্মানদা বলল, “বিনয় বিনয়! বিনয় বলে কিছু আছে তোর আয়েষা?”

    “আমি কারও খাই-পরি না যে, বিনীত হতে হবে!”

    “ওইটুকুই তো সার শিখেছ।”

    শর্মিলা তো এসব শুনে হতভম্ব! আয়েষাদি একটু চুপ করে থেকে এবার সরাসরি তাকে বলল, “নিজের দুঃখের সাতকাহন না গেয়ে পাগলকে একটু বোঝা, গরম চা কোনওমতে খাওয়া চলবে না।”

    আয়েষাদি চলে যাওয়ার পর শর্মিলা বলল, “তোমার ভালর জন্যই বলছে কিন্তু।”

    জ্যোতিষ্মানদার চোখ দুটো হঠাৎ কেমন ঘোরালো হয়ে উঠল, “আমি এদের কাউকে বিশ্বাস করি না। কোনও মানুষকে আমি বিশ্বাস করি না।”

    শর্মিলা উঠে দাঁড়াল আস্তে আস্তে।

    জ্যোতিষ্মান বলল, “উঠছিস, আমাকেও একবার বেরোতে হবে।”

    “কোথায় যাবে? আমি যাব সঙ্গে?”

    “সঞ্জয় নিয়োগীর বাড়ি থেকে দুটো বই আনতে যাব। এক মাস হল নিয়েছে। ফেরত দেয়নি, দশ টাকা ফাইন হয়ে গেছে!” ঘড়ঘড়ি উঠছে জ্যোতিষ্মানদার কথার সঙ্গে।

    সে বেরিয়ে এল বাইরে, জ্যোতিষ্মান সমস্ত আলো নেভাল লাইব্রেরির, দরজার হুড়কো টেনে তালা দিল। শর্মিলা দেখল, কী ভীষণ হাত কাঁপছে লোকটার। গায়ত্রীকে একেবারে বলেই বেরিয়েছিল শর্মিলা। তাই আর ফিরল না মামার বাড়িতে। তিন মাথার মোড়ের দিকে হাঁটতে লাগল সে। হঠাৎ তাকে কেউ একটা ডাকল পাশ থেকে, “অ্যাই ভানু, ভানু?”

    বাঁ দিকে তাকাতে সে দেখল, অনু-রুণু দুই বোন বসে রয়েছে বাড়ির রকে। অনু-রুণু দুই বোনের মধ্যে অনু বছরখানেকের বড়। দু’জনেই তার বন্ধু এককালের, একই স্কুলে পড়ত তারা। যদিও দুই বোনই মাধ্যমিকের পর আর পড়াশোনা করেনি।

    সে দাঁড়াল, এগিয়ে গেল ওদের দিকে। অনু-রুণু দু’জনেই খুব হাসল তাকে দেখে, “বাবাঃ, চলে যাচ্ছে। দেখেই না তাকিয়ে, বাবা!”

    সে বলল, “না, না, চিনব না কেন? কেমন আছিস তোরা?”

    “যেমন দেখছিস!” দুজনেই বলল, “তোর কথা বলছিল অরুণদা। বলছিল ভানুকে একদিন দুপুরবেলা আসতে দেখলাম।”

    এই অরুণদা অনু-রুণুর দু’জনেরই প্রেমিক! দু’জনেই অরুণদাকে ভালবাসে। দু’জনেই কেউ বিয়ে করেনি। গায়ত্রী বলছিল, এখনও ওরা তিনজনে সিনেমায় যায় একসঙ্গে। দু’জনের হাতেই রুপোর বালা, গলায় রুপোর হার, দু’জনের কানেই দুটো সোনার রিং। দু’জনেই কালো টিপ পরে। সে দেখল অনু-রুণুর মধ্যে অনুর চুল পেকেছে।

    অনু বলল, “তা তোর বরকে একদিন আন। দেখি!”

    “তোর বরকে দ্যাখা ভানু। আরে, নিয়ে নেব না। শুধু দেখব!” বলল রুণু।

    আশ্চর্য! দুই বোনেরই এতটা সায়া বেরিয়ে আছে শাড়ির নীচ থেকে। ছেঁড়া সায়া। অনু-রুণুদের অবস্থা খুব খারাপ। অরুণদার সঙ্গে প্রেমটাই বোধহয় ওদের জীবনের একমাত্র ভাল জিনিস। দু’জনেই তাই সেটাকে পরস্পরের মধ্যে ভাগাভাগি করে নিয়েছে।

    রুণু শাড়ি তুলে পায়ের গোছ চুলকাল, “তুই এখন আসবি মাঝে মাঝে?”

    “ভাল তো! আসবি মাঝে মাঝে,” অনু বলল, “তুই তো অনেক ফরেন টুর করিস, আমার জন্য একটা ফ্রিল দেওয়া ছাতা আনিস তো পারলে?”

    “ধুর, ছাতা দিয়ে কী হবে? একটা ভাল সেন্ট এনে দিবি?” রুণু বলল।

    হরিন্দর তাকে দেখতে পেয়েছিল। গাড়ি নিয়ে নিঃশব্দে এসে দাঁড়াল পাশে, সে অনু-রুণুকে বলল, “চলি রে, একটু দেরি হয়ে গেছে।”

    গাড়িতে বসে সে ভাবল অনু-রুণু দুই বোন জীবনে কী পেয়েছে? তারই তো বয়সি। চাওয়াপাওয়ার কোনও সার্থকতা থাকা সত্ত্বেও দু’জনের তা নিয়ে কোনও অভিযোগ নেই। সারাক্ষণ হাসছে। এই তো অনু-রুণু একটা কাঁসার সানকিতে মুড়ি-চপ খাচ্ছিল। একবার কলেজ থেকে বন্ধুদের সঙ্গে একটা রেস্তরাঁয় খেতে গিয়ে শর্মিলা দেখেছিল, অরুণদা আর অনু-রুণুও সেখানে গেছে। অনেকের ভিড়ে ওরা তাকে লক্ষ করেনি। সে দেখেছিল, অরুণদা এক প্লেট পরোটা আর কষা মাংস খাচ্ছিল। আর এক প্লেট চাউমিন থেকেই অনু-রুণু দুটো চামচে করে খাবার তুলে নিচ্ছিল মুখে। এত বছরে ওরা একই রয়ে গেল, বদলাল না।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleনীললোহিতের চোখের সামনে – নীললোহিত (সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়)
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    अनीश दास
    मौलाना शाह वलीउल्लाह
    रेवरेंड के. के. जी. सरकार
    অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত
    অঁতোয়ান দ্য সাঁত-এক্সুপেরি
    অনন্যা পাল
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অনীশ দেব
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অবনীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    অভিজ্ঞান রায়চৌধুরী
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক দত্ত
    অভীক সরকার
    অমরেন্দ্র চক্রবর্তী
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অরিন্দম দেবনাথ
    অর্পিতা সরকার
    অশোককুমার মিত্র
    অসম্পূর্ণ বই
    আখতারুজ্জামান ইলিয়াস
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুর রহমান আল-আরিফি
    আবদুল হালিম
    আব্দুল মালেক আলী আল-কুলাইব
    আব্দুল হামীদ ফাইযী
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    কৌশিক সামন্ত
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোপেন্দ্র বসু
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভট্টাচার্য
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যজ্যোতি মজুমদার
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বাণ রায়
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পরিমল ভট্টাচার্য
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিয়োদর দস্তইয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণু শর্মা
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাসরুর আরেফিন
    মাহতাব উদ্দিন
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রণদীপ নন্দী
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রশীদ করীম
    রাজর্ষি দাশ ভৌমিক
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    রাফিক হারিরি
    রেভারেণ্ড কে. কে. জি. সরকার
    লীলা মজুমদার
    লেইল লোনডেস
    লেখক
    শওকত আলী
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শঙ্কর চ্যাটার্জী
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শহীদুল্লা কায়সার
    শাক্যজিৎ ভট্টাচার্য
    শাক্যজিৎ ভট্টাচাৰ্য্য
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শৈবাল মিত্ৰ
    শ্যামল গঙ্গোপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রীপারাবত
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঙ্গীতা বন্দ্যোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সন্দীপন চট্টোপাধ্যায়
    সন্মাত্রানন্দ
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমীরণ গুহ
    সমুদ্র পাল
    সম্পাদনা : শৈলেন্দ্র হালদার
    সরদার ফজলুল করিম
    সরোজকুমার রায়চৌধুরী
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সায়ক আমান
    সায়ন্তনী পূততুণ্ড
    সায়ন্তনী পূততুন্ড
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুব্রত গুহ
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সেলিনা হোসেন
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৈয়দ মুস্তাফা সিরাজ
    সৈয়দ শামসুল হক
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বপ্নময় চক্রবর্তী
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্মরণজিৎ চক্রবর্তী
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হরিশংকর জলদাস
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    কড়িখেলা – সঙ্গীতা বন্দ্যোপাধ্যায়

    August 7, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    কড়িখেলা – সঙ্গীতা বন্দ্যোপাধ্যায়

    August 7, 2026
    Our Picks

    কড়িখেলা – সঙ্গীতা বন্দ্যোপাধ্যায়

    August 7, 2026

    নীললোহিতের চোখের সামনে – নীললোহিত (সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়)

    August 7, 2026

    নীললোহিতের অন্তরঙ্গ – নীললোহিত (সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়)

    August 7, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }