Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    কড়িখেলা – সঙ্গীতা বন্দ্যোপাধ্যায়

    August 7, 2026

    নীললোহিতের চোখের সামনে – নীললোহিত (সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়)

    August 7, 2026

    নীললোহিতের অন্তরঙ্গ – নীললোহিত (সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়)

    August 7, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    কড়িখেলা – সঙ্গীতা বন্দ্যোপাধ্যায়

    সঙ্গীতা বন্দ্যোপাধ্যায় এক পাতা গল্প139 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    কড়িখেলা – ৫

    ॥ ৫ ॥

    আয়েষা সহজে কিছু ভোলার মেয়ে নয়। কমলের ওই জঙ্গি বউটা আর শাঁটুলের ইশারা-ইঙ্গিত দেখে হজম করার মেয়ে আয়েষা নয়! সে যদি অত নিরীহ টাইপ হত, তা হলে এই শক্ত জমির উপর আজ আর তাকে দাঁড়িয়ে থাকতে হত না। সেই দুপুরেই সে ভেবে নিয়েছিল, কমলের কানে কথাটা তুলতে হবে তাকে। শুধু কমলের কানে কেন, বিকেলে রাধাদিদের রকে বসে একটু রসিয়ে, ঘুরিয়ে ফিরিয়ে কথাটা বলে দিলেই হল। পাড়ায় ঢি-ঢি পড়ে যাবে! কমলের বউটাকে সে দু’চক্ষে সহ্য করতে পারে না। কমল নিজেই নিজের বউকে নিয়ে জেরবার! জিজ্ঞেস করলে কিছু বলে না অবশ্য। কমল মানুষটা তো বড্ড ভাল। সৎ, সাদাসিধে। আসলে আয়েষা এখন চালাক লোকজন একদম দেখতে পারে না। কেউ তার উপর দিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করলেই আয়েষা তাদের বিষদাঁত ভেঙে দিতে চেষ্টা করে। অভীককেই ছাড়ে না আয়েষা।

    পান নিয়ে বাড়ি ফিরতে ফিরতে সে ঠিক করেছিল, কমলকে একটা ছুতোনাতায় রাতে ডেকে পাঠাবে বাড়িতে। কিন্তু বিপত্তি শুরু হল তখনই। তার ছোট মেয়েটা বড়ই দুরন্ত। সারাক্ষণই লাফাচ্ছে। বড় মেয়ে বাঁধন জন্ম থেকে শান্তশিষ্ট, মেয়েলি। যেমন হওয়ার কথা আর কী। পুতুল খেলতে ভালবাসে, ঘর সাজাতে ভালবাসে, কে কোথায় কোন শাড়ি পরল, কোন গয়নাটা পরল, পড়াশোনার চেয়ে এসবেই ওর ন্যাক বেশি। সেই সঙ্গে বাঁধন একটু বোকাও আছে। ষোলো- সতেরো বছর বয়স হল, কিন্তু নিজের ভাল-মন্দ এখনও কিচ্ছু বোঝে না! অনেকটা আয়েষা নিজে যেমন ছিল ছোটবেলায়, গোবেচারা জাতের, সেরকম। লোকে অবশ্য বিশ্বাস করে না সে গোবেচারা ছিল! সকলেই ভাবে, সে জন্ম থেকেই সেয়ানা! নইলে গোলক মাঝি লেনের খোঁয়াড় থেকে সে মোহিনীমোহন লেনের এই অট্টালিকায় নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করতে পারত না! সে যাই হোক, বাঁধন বড়লোকের আদুরে মেয়ের যেমন হওয়া উচিত তেমনই হয়েছে। এখনও বাঁধনের জন্মদিনের কেকের ডিজাইন সেই ঘাগরা পরা পরি। কিন্তু ছোট মেয়ে বাঁধুলির ধরনটা আলাদা। ও রক্তের মধ্যে আধিপত্য করার স্পৃহা নিয়েই জন্মেছে যেন। অনেকটা তার শ্বশুর বিশ্বম্ভর ঘোষের মতো। অনেকটা এখন সে যেমন, সেরকম। বাঁধন যেমন জন্ম থেকে ইংলিশ মিডিয়ামে পড়ল, কিন্তু ইংলিশে কথা প্রায় বলতেই চায় না।

    “বলিস না কেন?”

    “বলি তো। কিন্তু এখানে সকলেই তো বাঙালি, তাদের সঙ্গে ইংলিশ বলতে লজ্জা করবে না?”

    “কষ্ট করে শিখলি, বলবি না?”

    “মা, তুমি না সত্যি! কষ্ট কোথায়?”

    উফ, বাঁধন কী জানবে, কষ্ট কি না! সে কি জানে, কোনও কালে ইংলিশে আয়েষা বত্রিশের বেশি পায়নি! এখন ব্যাগে হাজার হাজার টাকা, ক্রেডিট কার্ড, তবু শপিং মলে ‘ইয়েস ম্যাডাম, হাউ মে আই হেল্প ইউ’ শুনলেই তার কেমন হীনম্মন্যতা হয়, তখন সে খুব রাগী রাগী আচরণ করে ফেলে। এদিকে বাঁধুলি একদম উলটো, ফটর ফটর ইংলিশ বলছে, বাড়িতেও কাঁটা-চামচে খায়, ভাত-ডাল মুখে রোচে না, সারাক্ষণ পিৎজ়া আর বিদেশি ফুড জয়েন্টের স্যান্ডউইচ- স্যালাডের জন্য বায়না। এদিকে সেরকম কোনও দোকানই নেই! ব্যস, গাড়ি পাঠাও সিটি সেন্টার সল্টলেক। মেয়ের পুতুল খেলায় মন নেই। ক্রিকেট খেলবে বলছে, জেদ! হাত-পা ছুড়ে কান্নাকাটি! এগারো বছরের মেয়ে শর্টস আর গেঞ্জি ছাড়া কিচ্ছু পরবে না। সালোয়ার-কামিজ? ‘ম্যা গো, তুমি পরো! ওসব জরি-চুমকি, তুমি পরো। পাথর সেটিং গয়না তুমি পরো না, তুমি পরো। প্লিজ়, ডোন্ট আস্ক মি টু ড্রেস আপ লাইক আ ক্লাউন!’ বাঁধুলি ভীষণ দাম্ভিক, ভীষণ অহংকারী। আর সেই কারণে গোপনে বাঁধুলিকেই বেশি পছন্দ করে আয়েষা। ছেলে হল না? এই তো ছেলে, ব্যাবসা দেখবে! বাঁধন তো তাও এখনও ‘দিদা, দিদা’ করে গোলক মাঝি লেনে ঢোকে, বাঁধুলি পা-ই রাখবে না!

    সেই ছোট মেয়েকে নিয়ে স্কুল থেকে ফিরে গাড়ি থেকে নামছে আয়েষা, মেয়ে লাফ দিয়ে নামল আর পা মচকে পড়ে গেল একেবারে উলটোনো ছাতার মতো! অভীকও তখন বাড়ি ঢুকছে দুপুরের ভাত খেতে। সকাল থেকেই আজকাল অভীক মদ্যপান শুরু করে। ফলে অভীকের চোখ লাল, বেশ একটু শিবাশিস শিবাশিস ভাব, পা সামান্য টলল হয়তো, দেখল, মেয়ে পড়ে গেছে, তাকালই না! চলে গেল সোজা উপরে। ফলকই ভরসা, ধরাধরি করে সে আর ফলক বাঁধুলিকে তিনতলায় তুলে আনল। পড়ে গিয়েও মেয়ে একটুও কাঁদেনি। কিন্তু ক্রমশ ব্যথা বাড়তে ছটফট করতে লাগল। পা ফুলে ঢোল হয়ে গেল, নীল জমাট কালশিটে।

    ব্যথা পেয়েছে বলে বাঁধুলিকে নিজের ঘরে শুইয়েছিল আয়েষা। দেখাশোনা করতে সুবিধে হবে ভেবে। নইলে সে এমন মোটা হয়ে গেছে যে দোতলা তিনতলা করতে কষ্ট হয়। সিঁড়ি ভাঙতে পারে না। বাঁধুলি শুয়ে শুয়ে ‘উঃ আঃ’ করছে…অভীক এসে কী হম্বিতম্বি শুরু করল!

    “নীচে নিয়ে যাও না! এখন আমি একটু খেলা দেখব, ঘুমোব। ওর অসুবিধে হবে।”

    “এখন ও এঘরে থাকবে, আমার কাছে। তোমার যেতে হয়, অন্য ঘরে যাও।”

    “আমার ঘরে আমি থাকব।”

    “এটা আমারও ঘর!”

    “ধুস শালা, যত জঞ্জাল এসে জুটেছে!” বলে অভীক চলে গেল ঘর থেকে। তিনতলায় একটা বসার ঘর আছে, সেখানে সোফা টোফা পাতা, মেঝেতেও গদি পেতে তাকিয়া টাকিয়া দেওয়া আছে, একটা টিভিও আছে বিয়াল্লিশ ইঞ্চির আর আছে শোকেস ভর্তি মদের বোতল, মদের আসর ওখানেই বসায় অভীক। আয়েষাও। তবে আয়েষা কখনও কাউকে মদ খেতে ডাকে না। সে অন্য অন্য উপলক্ষে পাড়ায় নিজের প্রভাব-প্রতিপত্তি বজায় রাখতে লোকজন ডেকে গ্যাদারিং করে। যেমন হোলির দিন, পয়লা বৈশাখে, সরস্বতীপুজোয়, লক্ষ্মীপুজোয়, কালীপুজোয়। তখন কেউ যদি বলে ‘আয়েষাদি একটু বের করো না!’ সে বের করে দেয়, নিজেও খায়। অভীকই তো খাওয়া ধরিয়েছে। অবশ্য আজকাল আয়েষা একদম একা খেতে পারে না, কাউকে লাগে তার। সত্যি কথা বলতে গেলে, এই ঘরটা আজকাল সন্ধের পর তারই দখলে চলে আসে। তার গ্রুপ, অভীকের গ্রুপ আলাদা! অভীক বেশিরভাগ দিনই সন্ধে জমাট বাঁধলে পার্ক স্ট্রিটের পানশালায় গিয়ে ওঠে, প্রচুর টাকা ওড়ায়। সেও টাকা ওড়াচ্ছে। লাগে টাকা দেবে গৌরী সেন! তবে আয়েষা অনেক সৎ কাজেও অর্থ ব্যয় করে।

    জঞ্জাল? হাসি পায় আয়েষার। সে গায়েই মাখে না অভীকের কথা। কিন্তু বাঁধুলি রেগে ওঠে, “চলো, চলো, আমি নীচে যাব। এখানে থাকব না।”

    সে বলে, “চুপ করে শুয়ে থাক। আর উপর-নীচ করতে হবে না।”

    “শোনো মা, আমাকে নীচে নিয়ে চলো। বিকেল হলেই তো তুমি পাড়া বেড়াতে বেরিয়ে পড়বে। আমার জন্য এত ওরিড হতে হবে না। ইউ মাইন্ড ইয়োর ওন বিজনেস।”

    বাঁধুলি কি তাকে আজকাল ভিতর ভিতর ঘৃণা করে? কেন? তা কেন হবে? মেয়েদের তো আয়েষা বুক দিয়ে আগলে বড় করেছে। বিশেষত বাধুলিকে বাঁধনের চেয়েও বেশি যত্ন করেছে। কারণ, কেউ চায়নি তার দ্বিতীয় সন্তান মেয়ে হোক। অভীক আর বিশ্বম্ভর ঘোষ, দু’জনেই পুত্রসন্তান চেয়েছিল। শ্বশুর তো বেনারসে গিয়ে বিশ্বনাথের কাছে মানত করে এসেছিলেন। এই ইতিহাস থেকে তো আয়েষা নিজেই মেয়েকে আড়াল করেছে। সেই মেয়ে যত বড় হচ্ছে, মায়ের বিরুদ্ধাচরণ করছে। হায়, কপাল! কোনও কথাই শুনল না বাঁধুলি, দোতলায় চলে গেল।

    নিজের ঘরে ঢুকে দরজা বন্ধ করে তারস্বরে টিভি চালিয়ে দিল। তাইল্যান্ড থেকে একটা বাম কিনে এনেছিল আয়েষা। মচকানো, ব্যথায় লাগালে খুব কাজ দেয়। সে বারবার দরজা ধাক্কাল মেয়ের ঘরের, “আচ্ছা শোন, এই বামটা লাগিয়ে নে। দ্যাখ, সেরে যাবে ব্যথা?” কোনও ফল হল না। বাঁধন নিজের ঘর থেকে বেরিয়ে এসে বোনকে ডাকল, তা-ও মেয়ে শুনল না। আয়েষা তখন বাঁধনের ঘরে গিয়ে বসল একটু। ডালিয়া ছিল, ডালিয়া রোজই আসে দুপুরের দিকে। অগত্যা মেজাজটা ঠিক করতে আয়েষা ডালিয়ার সঙ্গে গল্প করতে লাগল তখন, “কী রে, ভানু এসেছিল শুনলাম। এতদিন পর হঠাৎ?”

    ডালিয়া পায়ে নেলপলিশ লাগাচ্ছিল একটা নীল রঙের। বাঁধনের বোধহয় এক ক্রেট নেলপালিশ আছে। রোজ লাগাচ্ছে, রোজ তুলছে। মাঝে মাঝে তাকেও লাগিয়ে দেয়। ডালিয়া মুখ তুলে বলল, “এমনিই এসেছিল, ভানুদি তো আসতেই চায়। বরটা আসতে দেয় না। বাবার সঙ্গে একদম আদায় কাঁচকলায়। বাবাকেও তো তুমি জানো, ভীষণ জেদি। ভানুদিকে বাবা ভালইবাসে। কিন্তু ওই, বাবার অমতে বিয়ে করেছে! মা কত বলে ‘ভানুর বাবা-মা নেই, আমরা ছাড়া কেউ নেই। একটু ডাকি, একটু আসতে বলি, পুজোয় একটা শাড়ি পাঠাই’ বাবা কিছুতেই রাজি হবে না!” |

    অভীকের একসময় খুব পছন্দ ছিল ভানুকে। দুজনে একই রাস্তার এমাথা-ওমাথা, একসঙ্গে বড় হয়েছে, সেই বরং সেদিক থেকে ভেবে দেখলে বেপাড়ার মেয়ে। ওদের দু’জনের- দু’জনকে পছন্দ ছিল, আয়েষা মাঝখানে ঢুকে পড়ল কী করে? সে একটু অন্যমনস্ক হয়ে গিয়েছিল, হঠাৎ ডালিয়া বলল, “ভানুদিকে কী দারুণ দেখতে হয়েছে, জানো তো আয়েষাদি? অন্য স্টাইলের দেখতে একদম! আর শাড়িটাও পরে এসেছিল দারুণ, ওরকম শাড়ি তোমার একটাও নেই, আমি শিয়োর!”

    এইটুকু শুনেই গা-পিত্তি জ্বলে গেল আয়েষার। তার নেই, এমন কী শাড়ি আছে ভানুর শুনি? সেটার চেয়েও বেশি তার রাগ হল ডালিয়ার কথা বলার ধরন দেখে। থাকুক না-থাকুক, তুই বলবি কেন? আছে কি নেই, তুই কি জানিস?

    “আমার কত শাড়ি আছে জানিস?” মোটা গোল হাত নেড়ে আয়েষা বলল, “তোর কল্পনাতেও আসবে না রে ডালিয়া।”

    “তা তো বলিনি আয়েষাদি,” ডালিয়া বাঁ হাতে লাল নেলপলিশ লাগাচ্ছে এখন, “বললাম, ওরকম শাড়ি আমি তোমাকে কখনও পরতে দেখিনি! বলল, শাড়িটা সিল্ক মঙ্গলগিরি। তোমার আছে?”

    “আছে কি নেই, সেটা দেখতেই পাবি যখন পরব!” বলল সে।

    বাঁধনটা তত বোকাই, অমনই বলল, “তোমার আছে মা সিল্ক মঙ্গলগিরি? কেমন শাড়ি গো? দেখাও, দেখাও না?”

    সিল্ক মঙ্গলগিরি? সিল্ক মঙ্গলগিরি! কোথায় পাওয়া যাবে সিল্ক মঙ্গলগিরি? বেনারসি কুঠি টুঠি? নাঃ, এদিকে পাওয়া যাবে না। শ্যামবাজার, হাতিবাগান, কলেজ স্ট্রিটে নয়, তা হলে সিটি সেন্টার? নাকি পার্ক স্ট্রিট? গড়িয়াহাট? মোটা শরীর নিয়েও তড়াক করে উঠে দাঁড়াল আয়েষা। বাঁধনকে বলল, “শোন, আমি একটু বেরোচ্ছি। দরকার আছে। বিকেল হলে সাবিত্রী মাসিকে বলবি বোনকে দুধ দিতে। চাউমিন করে দেবে, তোরা খেয়ে নিস।”

    বাঁধন বলল, “মা, আমি আর ডালিয়ামাসি একটু হাঁড়ির গলিতে ফুচকা খেতে যাব? গাড়ি নিয়ে নেব।”

    তার তখন সময় নেই, পারমিশন দিয়ে দিল আয়েষা! তারপর ফলককে ডেকে নামতে লাগল নীচে। ভুলেই গেল বাঁধুলি ব্যথা পেয়েছে।

    গাড়ি ছুটল পার্ক স্ট্রিটে। ‘রং দে’ শাড়ির দোকান থেকে অজস্র শাড়ি কিনেছে আয়েষা জীবনে। কুড়ি হাজার, পঁচিশ হাজার টাকার শাড়িও কিনেছে কত। নেট, জারদৌসি, জরি- চুমকি, প্যাচওয়ার্ক, বাঁধনি, ক্রেপ ট্রেপ তো অগুনতি। ওরা তাকে শাড়ি গছাতে চেষ্টা করল, সিল্ক মঙ্গলগিরি কোথায় পাবে, বলতে পারল না। সম্মানের খাতিরে সে একটা আট হাজার টাকার সালোয়ার সুট কিনে স্টিচ করতে দিয়ে বেরিয়ে এল। তা হলে সিল্ক মঙ্গলগিরির জন্য এবার সে কোথায় যাবে? সন্ধে সাতটা নাগাদ যখন গড়িয়াহাট হয়ে আয়েষা দক্ষিণাপণে ঢুকল, তখন দোকানপাট বন্ধ হওয়ার মুখে। আশ্চর্য, তার শপিং-এর তালিকায় কেন কোনওদিন দক্ষিণাপণ পড়েনি? গোলপার্কের পর এই ঢাকুরিয়ার এদিকটা সে প্রায় কোনওদিনই আসেনি। যখন সাউথ সিটি তৈরি হচ্ছিল, সেই ২০০৩-’০৪ সালে তখন পঁয়ত্রিশ তলা আবাসন তৈরি হচ্ছে, কেমন হচ্ছে দেখতে এসেছিল সে একবার অভীকের সঙ্গে। তখন বাঁধন হয়েছে। অভীক প্রায় রবিবারই দু’-একজন বন্ধুবান্ধব নিয়ে, তাকে নিয়ে, মেয়েকে নিয়ে বেরিয়ে পড়ত গাড়ি ড্রাইভ করে। তারপর সাউথ সিটিতে তারা কত এসেছে। কিন্তু ঢাকুরিয়া দিয়ে আসেনি, এসব জায়গা তার কাছে একদম নতুন!

    একে-ওকে জিজ্ঞেস করে ঠিক দোকানে পৌঁছে যখন সে সিল্ক মঙ্গলগিরি দেখল, তখন নেহাতই নিরাশ হল! ও বাবা, এতে কিচ্ছুই তো নেই। সিল্কের থানের ওপর জড়ির পাড়। ব্যস? হেলায় তিন-চারটে মঙ্গলগিরি কিনে ফেলল সে। এটা দেখি, ওটা দেখি করে আরও কয়েকটা নানা খটমট নামের শাড়ি, তার ফর্সা নধর চেহারা, হাতে মোটা মোটা বালা, ব্যাগে গোছা গোছা নোট, দোকানটার সেলসগার্লরা তাকে দারুণ খাতির করল।

    ওখানে সতেরো-আঠারো হাজার টাকার শাড়ি কিনে বেরিয়ে একতলার চত্বরের দোকানহীন পসরাগুলো থেকেও সে দু’-চারটে জিনিস কিনল।

    সাদা বগল কাটা ঢিলেঢালা ম্যাক্সি দুশো টাকা করে দুটো। লাল, নীল, হলুদ টেবিল ম্যাট ছ’টা, বাঁধন আর বাঁধুলির জন্য দুটো রাজস্থানি জুতি। এসব কিনে যখন বাড়ি ফিরল আয়েষা, তখন রাত সাড়ে ন’টা।

    সে এসে দেখল, বাঁধুলির ঘরে বসে আছেন শাশুড়ি আর বাঁধন। বাঁধুলির বেশ জ্বর এসেছে। অভীক বাড়িতে নেই। বিশ্বম্ভর ঘোষ একতলায় চল্লিশ বছরের পুরনো বোতলের বন্ধুর সঙ্গে দরজা বন্ধ করে পান করছেন।

    তাকে দেখেই বাঁধন বলল, “ফুচকা খেয়ে ফিরে দেখি বোনের জ্বর। ঠাম্মিকে ডাকলাম নীচ থেকে। কমলকাকুকে ফোন করেছি। আসছে!”

    শাশুড়ি তার সঙ্গে কথা বলেন না, বাঁধনকে শাশুড়ি বললেন, “এই তো, মা এসে গেছে। আমি যাই, গোপালকে শুইয়ে আসি।”

    আয়েষা তাড়াতাড়ি উপরে ছুটল জিনিসপত্র রাখতে।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleনীললোহিতের চোখের সামনে – নীললোহিত (সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়)
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    अनीश दास
    मौलाना शाह वलीउल्लाह
    रेवरेंड के. के. जी. सरकार
    অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত
    অঁতোয়ান দ্য সাঁত-এক্সুপেরি
    অনন্যা পাল
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অনীশ দেব
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অবনীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    অভিজ্ঞান রায়চৌধুরী
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক দত্ত
    অভীক সরকার
    অমরেন্দ্র চক্রবর্তী
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অরিন্দম দেবনাথ
    অর্পিতা সরকার
    অশোককুমার মিত্র
    অসম্পূর্ণ বই
    আখতারুজ্জামান ইলিয়াস
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুর রহমান আল-আরিফি
    আবদুল হালিম
    আব্দুল মালেক আলী আল-কুলাইব
    আব্দুল হামীদ ফাইযী
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    কৌশিক সামন্ত
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোপেন্দ্র বসু
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভট্টাচার্য
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যজ্যোতি মজুমদার
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বাণ রায়
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পরিমল ভট্টাচার্য
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিয়োদর দস্তইয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণু শর্মা
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাসরুর আরেফিন
    মাহতাব উদ্দিন
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রণদীপ নন্দী
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রশীদ করীম
    রাজর্ষি দাশ ভৌমিক
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    রাফিক হারিরি
    রেভারেণ্ড কে. কে. জি. সরকার
    লীলা মজুমদার
    লেইল লোনডেস
    লেখক
    শওকত আলী
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শঙ্কর চ্যাটার্জী
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শহীদুল্লা কায়সার
    শাক্যজিৎ ভট্টাচার্য
    শাক্যজিৎ ভট্টাচাৰ্য্য
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শৈবাল মিত্ৰ
    শ্যামল গঙ্গোপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রীপারাবত
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঙ্গীতা বন্দ্যোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সন্দীপন চট্টোপাধ্যায়
    সন্মাত্রানন্দ
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমীরণ গুহ
    সমুদ্র পাল
    সম্পাদনা : শৈলেন্দ্র হালদার
    সরদার ফজলুল করিম
    সরোজকুমার রায়চৌধুরী
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সায়ক আমান
    সায়ন্তনী পূততুণ্ড
    সায়ন্তনী পূততুন্ড
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুব্রত গুহ
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সেলিনা হোসেন
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৈয়দ মুস্তাফা সিরাজ
    সৈয়দ শামসুল হক
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বপ্নময় চক্রবর্তী
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্মরণজিৎ চক্রবর্তী
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হরিশংকর জলদাস
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    কড়িখেলা – সঙ্গীতা বন্দ্যোপাধ্যায়

    August 7, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    কড়িখেলা – সঙ্গীতা বন্দ্যোপাধ্যায়

    August 7, 2026
    Our Picks

    কড়িখেলা – সঙ্গীতা বন্দ্যোপাধ্যায়

    August 7, 2026

    নীললোহিতের চোখের সামনে – নীললোহিত (সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়)

    August 7, 2026

    নীললোহিতের অন্তরঙ্গ – নীললোহিত (সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়)

    August 7, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }