Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    কড়িখেলা – সঙ্গীতা বন্দ্যোপাধ্যায়

    August 7, 2026

    নীললোহিতের চোখের সামনে – নীললোহিত (সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়)

    August 7, 2026

    নীললোহিতের অন্তরঙ্গ – নীললোহিত (সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়)

    August 7, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    কড়িখেলা – সঙ্গীতা বন্দ্যোপাধ্যায়

    সঙ্গীতা বন্দ্যোপাধ্যায় এক পাতা গল্প139 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    কড়িখেলা – ৯

    ॥ ৯ ॥

    শাঁটুল বেলা আড়াইটে নাগাদ বাড়ি ফিরল বিস্তর ঘোরাঘুরি করে। মোটরবাইকটা রেখে এল ছাতিম তলায়, গলির মুখে। বাড়ি ঢুকল জিন্সটা বদলে বারমুডা পরবে বলে। তখনই ভাইঝি মিনি এসে মোবাইলটা ধরল। এই মাসেই এই দামি ফোনটা কিনেছে শাঁটুল, দশ হাজার টাকা দিয়ে। সে মিনির হাত থেকে ফোনটা কেড়ে নিল সঙ্গে সঙ্গে। ধমকে বলল, “অ্যাই, ফোন নিতে বারণ করেছি না?” ছিঁচকাঁদুনে মিনি কাঁদতে শুরু করে দিল ভ্যাঁ করে।

    অমনই বউদি তড়পাতে লাগল তাকে, “শাঁটুল, তুমি মিনিকে কথায় কথায় ধমকাও কেন? কীসের জন্য? ও তোমার কোন বাড়া ভাতে ছাই দিয়েছে? আজ আমি তোমার দাদা এলে বলব, একটা বাচ্চার পিছনে লাগছে।”

    সে খচে গেল জোর, “আমি ওর পিছনে লাগব? সারাদিন বাড়ি থাকি না, বাড়ি ঢুকলেই তুমি কোনও না-কোনও ইসু নিয়ে ঝগড়া লাগাও বউদি। কেন, সেটা আমি খুব ভাল করে বুঝি।”

    মা বেরিয়ে এল রান্নাঘর থেকে, “ও তোর সঙ্গে ঝগড়া করতে যাবে কেন? তোরই খুব মেজাজ হয়েছে। দুটো টাকা রোজগার করছিস বলে ধরাকে সরা জ্ঞান করছিস? তাও যদি টাকাগুলো বাড়িতে দিতিস। শুধু নিজের পিছনে খরচ করছিস, দামি দামি জিনিস কিনছিস। সংসারে দিস? আমাদের ফ্যামিলিতে বাড়ির বউয়ের সঙ্গে কেউ খারাপ করে কথা বলে না শাঁটুল।”

    “কী আমার ফ্যামিলি রে!”

    মা’র ধারণা সে কোনওদিন মাকে দেখবে না। দাদা-বউদিই দেখবে। তাই মা খুব দাদা-বউদির ধামা ধরে চলে। চলে চলুক, তারই ভাল। আর যে কথাই হোক, মা টাকার কথা তুলবে। মা’র একটা অদৃশ্য শুড় আছে, টাকা শোষার! আজ শিবচরণ মুখার্জি লেনে একটা ফ্ল্যাট দেখে এসেছে শাঁটুল। মালিক ফ্ল্যাটটা ভাড়ায় দেবে। চার কাঠা জমির উপর প্রায় চোখের সামনে পরের পর বাড়ি ভেঙে চারতলা ফ্ল্যাটটা তৈরি হল। এদিকে পুরনো বাড়ি ভেঙে ফ্ল্যাট তৈরি হলে সেগুলো প্রত্যেকটা খুব দম চাপা হয়। গায়ে গায়ে বাড়ি। নতুন ফ্ল্যাটগুলোতে আলো হাওয়ার খুব অভাব। এই ফ্ল্যাটটা তা নয়। হেভি আলো। দক্ষিণে বারান্দা। ভাড়া চাইছে সাত হাজার। মালিক আজ চাবি দিয়ে দিয়েছে তাকে। শাঁটুল জানে, যাকে দেখাবে, তারই পছন্দ হয়ে যাবে ফ্ল্যাটটা। তার খুব ইচ্ছে, এরকম একটা ফ্ল্যাটে থাকে। এখন যা রোজগার দাঁড়িয়েছে, এরকম একটা ফ্ল্যাট সে নিজেই ভাড়া নিতে পারে। কিন্তু এখনও সময় আসেনি। তাকে টাকা জমাতে হবে। ধীরে ধীরে তার কাজ কারবার সে সরিয়ে নিয়ে যাবে অন্য দিকে। সাউথের দিকে। বছর তিন-চারের মধ্যে সে নিজেকে সাউথ ক্যালকাটায় দেখতে চায়। অর্ণব মুখার্জি বলে এক প্রোমোটারের সঙ্গে আলাপ হয়েছে শাঁটুলের। সব পশ এলাকায় কাজ করছেন ভদ্রলোক। আস্তে আস্তে এই লোকটার সঙ্গে র‍্যাপোটা বাড়াতে হবে, যাতে সে সাউথেও কাজ করতে পারে। এই যেমন সল্টলেকেও সে ঢুকে পড়েছে এবার। চারটে দালাল মাঝখানে থাকলেও আলটিমেটলি বি ই ব্লকের ফ্ল্যাটটা তার হাত দিয়েই লিজ হল। পার্টি তার।

    কিন্তু সে অনেক টাকা রোজগার করলেই যে সোহিনী সাউথ সব ছেড়েছুড়ে তার কাছে চলে আসবে, এমনটা সে এখনও ভাবছে না। সব কিছুর সময় লাগে। তাকে অ্যাকসেপ্ট করতে সোহিনীর অনেক সময় লাগবে। ব্রোকারিই করুক আর যাই করুক, শাঁটুল পরিশ্রমী, জেদি। একদিন সে অনেক বড় জায়গায় চলে যাবে, সে জানে। কিন্তু তখনও সে থাকবে এইচ এস। সোহিনীর এখানেই সবচেয়ে বড় বাধা তাকে নিয়ে। এই তো শনিবার পার্ক স্ট্রিটের একটা রেস্তরাঁয় বসে সোহিনী তার ডান হাতটা আলতো করে ছুঁয়েই বলল, ‘তোমার আঙুলগুলো কী সুন্দর, লম্বা লম্বা! নখের শেপটাও ভাল। তোমার তো পড়াশোনা হওয়া উচিত ছিল। ফাইন আর্টসের দিকে যেতে পারতে। কী যে করলে! পড়াশোনাটা করলে না?’ দীর্ঘশ্বাস ফেলেছিল মেয়েটা। তখনই সে বুঝেছিল, নিজের মনের সঙ্গে সারাক্ষণ একটা যুদ্ধ চলছে সোহিনীর। তবে লালুকে বললে লালু বলবে, ‘কোনও যুদ্ধের গল্প নেই। কমলের বউ তোকে থোড়াই সিরিয়াসলি নেয়। ও কি তোকে ‘আই লাভ ইউ’ বলেছে কখনও? ওটা একটা টাইম পাস। যদি তুই ভাবিস, কমলের বউ তোকে ভালবাসে, তা হলে তুই ব্যাটা মহা মূর্খ!’

    শাঁটুল নিজেও কি সোহিনীকে ভালবাসে? বোধহয় না। তবে সোহিনীকে দেখলে আগে যেমন আগুন দাপাত শরীরে, মাথাটা চড়াক চড়াক করত, একবার বাথরুমে ঘুরে আসতে হত, এখন সেটার সঙ্গে একটা ফাল্গুন মাসের চিতি চিতি হাওয়ার মেজাজও এসেছে বুকে! যখন এপাড়ার বাতাসে চামেলির গন্ধ পাওয়া যায়, কদম ফোটে আর তখন গোস্বামীদের দলটা পাড়া মাতাতে আসে প্রতি বছর, ওরা আসে বিকেলে, দূর থেকে মৃদু মৃদু সুরভিত হাওয়ায় মিশে যায় খঞ্জনীর শব্দ। যত কাছে এগিয়ে আসে ঢোল আর খঞ্জনীর বাদ্য ভারী হয়ে দোলে বুকের কাছটায়। ওই গোস্বামীদের কচি বউটা তাকে দেখলেই হাতে একটু চমনবাহার দিয়ে বলে, “চলো না গো, বৃন্দাবন চলো আমার সঙ্গে!’ সে চোখের তারায় হাসে, কান চুলকায়, মাথা চুলকোয়! ওই বউটার জন্য পাড়ায় বন্ধুদের কাছে তাকে ঠাট্টা-তামাশা শুনতে হয়। বউটার নাম উত্তরা। ‘তুমি হলে ওস্তাদ গো, ওস্তাদ!’ বলে উত্তরা, আর বার এসে তোমাকে কী দিই দেখো?’ সে বলেছিল, ‘কী দেবে?’ ‘আমার কোমরের কার!’ ফিসফিস করে বলেছিল উত্তরা। ‘যাঃ!’ শাঁটুল সত্যিই লজ্জা পেয়েছিল। ‘তাতে কড়ি লাগানো। কড়ি মানে কী বোঝো তো? হুঁ?’

    সে যাই হোক, আজকাল সোহিনীর সঙ্গে দেখা করতে যাওয়ার সময় তার মনের মধ্যে যে প্রতিক্রিয়াটা হয়, তাকে বর্ণনা করতে গেলে এই সব কিছু দিয়েই উপমাটা তৈরি করতে হবে। খঞ্জনীর আওয়াজটাও ধরতে হবে, কদম ফুলও ধরতে হবে, উত্তরার পালিশ পরা ছেনালিটাও বাদ দেওয়া যাবে না!

    ছাতিমগাছতলায় চলল শাঁটুল এক বালতি জল নিয়ে, মোটরবাইকটা তার প্রাণ! একদিন ছাড়া ছাড়াই বাইকটা ভাল করে ধোওয়া-মোছা করে সে। নিজের সমস্ত জিনিসের প্রতিই তার অগাধ যত্ন। জল-নেকড়া দিয়ে চাকাগুলো ধুতে লাগল শাঁটুল। এরপর সে জামা-প্যান্ট কাচবে। ছাতে উঠে মেলবে সেগুলো। আরও কাজ আছে। সি ডি প্লেয়ারে ধুলো জমেছে, স্পিরিট দিয়ে পরিষ্কার করবে। শেষে নর্দমা পরিষ্কার করে সে শ্যাম্পু ট্যাম্পু করে স্নান করে খাবে। খেতে খেতে আজ চারটে। ঠিক পাঁচটার সময় এক পার্টিকে উলটোডাঙায় একটা বাড়ি দেখাতে যেতে হবে তাকে। বিকেলে বেরিয়ে আজ তার নানা কাজ আছে। সন্তোষ উকিলের কাছে তিনটে এগ্রিমেন্ট তৈরি করতে দিতে হবে। পাড়ায় ফিরতে ফিরতে রাত দশটা। তখন নিমাই খুড়োর রকে লালু ছাড়া তেমন কেউ থাকবে না। বিকেলে বেরোনোর মুখে সোহিনীকে একবার বারান্দায় দেখতে পেলেই সে খুশি। কিন্তু সোহিনীকে বললেও কখন মেয়েটার মর্জি হবে, কখন হবে না, কে জানে? সোহিনী বলবে, ‘জানো তো, আমার ভীষণ মুড সুইং হয়।’

    তার বাইক ধোওয়া যখন প্রায় হয়ে এসেছে, দরদর ঘামে গেঞ্জি টেঞ্জি ভিজে একা, তখন তার পাশে এসে দাঁড়াল লালু, “হেভি বাওয়াল হচ্ছে মিত্তির বাড়িতে। কমলের বউ ডুকরে ডুকরে কাঁদছিল।”

    ন্যাতাটা চিপে বালতির জলটা ফেলে দিয়ে উঠে দাঁড়াল শাঁটুল, “কাঁদছে? চেঁচিয়ে কাঁদছে?” আশ্চর্য! চেঁচিয়ে ঝগড়া করা, চেঁচিয়ে কাঁদার মেয়ে তো সোহিনী নয়। ও তো সাউথ ক্যালকাটার মেয়ে। নর্থের মেয়েদের সব্বার এই সমস্যাটা আছে।

    “হ্যাঁ, শুনেই তো চলে এলাম তোকে খবরটা দিতে।”

    “কমল নেই বাড়িতে?”

    “তা জানি না। আমি খেয়ে উঠে একটা সিগারেট নিতে বেরোলাম, তখন শুনলাম।”

    “কী নিয়ে চেঁচামিচি কিছু বুঝলি?”

    “না, না!” লালু হাত ঝাড়ল, “তোর দরকার, তুই ফোন করে খবর নে, ফোন কর।”

    শাঁটুল ভাবল, এখনই ফোন করাটা কি ঠিক হবে? সে লালুকে বলল, “তুই যা, আমি দেখছি।”

    লালু বলল, “আবার বেশি নাক গলাতে যাস না। যতই হোক, অন্যের বউ।” এই “অন্যের বউ’টা লালু বার বার ইচ্ছে করে বলে। বলে তার পৌরুষকে হ্যাটা করে। শালা, যাকে আমি চাই, সে রোজ অন্য একটা ছেলের পাশে শোয়! ঠিক! ধিক আমাকে! আমি এটা সহ্য করি কী করে? লালু এভাবে হিড়িক দেয়। তার সঙ্গে এটাও মনে করিয়ে দেয়, তার আর সোহিনীর কেসটা পাতি ‘ফস্টিনস্টি!’ লালুকে না একদিন ঘাড়ে রদ্দা মেরে বসে শাঁটুল।

    সে গলা চড়াল হঠাৎ, “আমি কী করব তুই আমায় বলে দিবি? আমি শালা তোর ধন ধরে বসে আছি?”

    “যা, যা!” বলল লালু, “খেতে যা, তোর খিদে পেয়েছে!”

    “আরে রেখে দে, অভীকের চাকর! তোকে দিয়ে আয়েষাদি এবার নীচের সায়া কাচাবে, দ্যাখ না তোর কী হয়!” লালুর দুর্বলতায় পতাকা পুঁতে দিল শাঁটুল।

    “ওদের তো ওয়াশিং মেশিন আছে। দশ কেজি লোড।”

    “তুই মহা হারামি। তোর নজর এখন কোথায় ঘুরছে আমি জানি না শালা? ঠিক বয়সে বিয়ে হলে বাঁধনের মতো মেয়ে হত তোর লালু!”

    “কী যা তা বলছিস শাঁটুল। বাঁধন তো আমাদের চেয়ে মাত্র দশ-বারো বছরের ছোট। তোর ব্যাপারটা অবশ্য আলাদা, তুই তো তার আগে থেকেই শুরু করে দিয়েছিস।” এসব খারাপ খারাপ কথা ছেলেমাত্রই বলে থাকে। লালু একটু গলাটা নামাল, “শোনো বাপধন, তোমাকে একটা খবর দিই। বাঁধনের সঙ্গে একটা ছেলের প্রেম চলছে, ফেসবুকে আলাপ। ছেলেটা থাকে ভূপেন বোসে। নামটাও বলে দিচ্ছি, কল্পান্ত সিংহ রায়। ডাক নাম তাতার!”

    শাঁটুল বলল, “বাসি খবর, আমাকে খবর বেচতে আসিস না। আমি বহু আগে থেকেই জানি!” মনটা পড়ে আছে সোহিনীর দিকে। পকেটের ফোনে হাতের চাপ দিল শাঁটুল। কমল দুপুরে বাড়িতেই থাকে, তাই দুপুরের দিকে সোহিনীকে কখনও ফোন করে না শাঁটুল। তবু সে আজ একটা ট্রাই মারল। হাত নিশপিশ করছিল তার।

    ফোন ধরল সোহিনী, কেটে দিল না, “হুঁ বলো…”

    “কাঁদছ নাকি?”

    “নাঃ!”

    “কী হয়েছে কেসটা?”

    “তেমন কিচ্ছু নয়।”

    “বলা যাবে কি যাবে না?”

    “আমার এক দিদি থাকে বেঙ্গালুরুতে, ওর হাজব্যান্ড তিন-চার মাসের জন্য বিদেশ যাচ্ছে। আমাকে বলল…দাঁড়াও, দরজাটা বন্ধ করে আসি।”

    “কমল কোথায়?”

    “কোথায় আবার! মা-র ঘরে ঘুমোচ্ছে খোকন।”

    সোহিনীর দরজা বন্ধ করা শুনতে পেল শাঁটুল।

    “তো কী হয়েছে?”

    “আমাকে দিদি বলল, ‘তুই মাসখানেক আমার কাছে এসে থাক। ও সব জানে। মানে, কমল আর আমার ব্যাপারটা।”

    “আর আমাদেরটা?”

    “উঁহু।”

    “সেটা তো বলার মতো নয় নাকি?”

    “শাঁটুল, আমার এখন ফ্যামিলির সাপোর্ট দরকার। নাকি আমি সবাইকে বিপক্ষে করে তুলব?”

    “একদিন তো বলতেই হবে।”

    “কী বলতে হবে?”

    শাঁটুল বলতে পারল না, তার মনটা হঠাৎ খারাপ হয়ে গেল খুব। দীর্ঘশ্বাস ফেলল সে।

    “আমি কমলকে বললাম, আমি বেঙ্গালুরুতে গিয়ে থাকব মাসখানেক। কমল বলল, মাকে জিজ্ঞেস করতে হবে। আমি বললাম, যাও, তা হলে জিজ্ঞেস করে এসো। কমল জিজ্ঞেস করে এসে বলল, কান্তা বাই বলেছে আষাঢ়-শ্রাবণে আত্মীয়স্বজনদের অনেক বিয়ে আছে। এখন কোথাও যাওয়া চলবে না। বাড়ির বউ। একমাত্র ছেলের বউ। হিল্লিদিল্লি ঘুরে বেড়ালেই হবে? কার বউ আমি? কীসের বউ?”

    শাঁটুলের মতো ছেলের রাগ টাগ হয়। আজ কিন্তু শাঁটুলের অভিমানে গলাটা টনটন করে উঠল, “সোহিনী, তুমি আমাকে একবারও জিজ্ঞেস করোনি তো বেঙ্গালুরু যাবে কি না?”

    “হোয়াই? হোয়াই ডু আই নিড টু আস্ক এনিবডি শাঁটুল? আমি তো এদের কাছে, কমলের কাছেও পারমিশন চাইনি। আমি শুধু যেতে চেয়েছি। এখান থেকে অনেক দূরে।”

    সোহিনীকে শাঁটুলের বারবারই অচেনা লাগে, এখনও লাগল।

    “আমার কাছ থেকেও দূরে যেতে চাও তুমি?” এরকম একটা ন্যাকা ন্যাকা কথা বলে ফেলল শাঁটুল।

    সোহিনী চুপ করে থাকল একটু, “মাত্র তো এক মাসের জন্য! আমি আর পারছি না শাঁটুল। বোঝো তো৷”

    “শেষ অবধি কী দাঁড়াল?”

    “আমি কমলকে বললাম, ঠিক আছে, ক’টা দিনের জন্য তুমিই আমাকে বেড়াতে নিয়ে চলো তা হলে? গোয়া টোয়া কোথাও?”

    শাঁটুল কোনও কথা উচ্চারণই করতে পারল না এটা শুনে!

    “কমল বলল, তোমার সঙ্গে বেড়াতে যাব ভাবলে কী করে? হি ইজ় আ চিট ইউ নো? ওকে আমি শায়েস্তা করেই ছাড়ব। তুমি দেখে নিয়ে,” সোহিনী কাঁদছে।

    সে ফোনটা রেখে দিচ্ছিল, সোহিনী খুব নরম করে ডাকল তাকে, “শাঁটুল মিট করবে?”

    এবার নিজেকে ফিরে পেল শাঁটুল! মটকা গরম হল তার। সে বলল, “কীসের জন্য?”

    “একটু ঘুরতাম তোমার বাইকে চড়ে। মনটা ভাল নেই।”

    সাংঘাতিক প্রস্তাব! সে এ পর্যন্ত সোহিনীর সঙ্গে খুব নামী দামি রেস্তরাঁয় দেখা করেছে। তার মোটরবাইকে সোহিনী বসবে, এটা শাঁটুল ভাবেওনি কখনও! মোটরবাইকে চড়বে, দুটো শরীর ঘনিষ্ঠ হবেই। ব্রেক কষলে সোহিনীর বড় বড় দুটো বুক এসে তার পিঠে ধাক্কা খাবে— এ সুযোগ শাঁটুল হারানোর কথা ভাবতেও পারে না। কিন্তু সে বোধহয় প্রেমে পড়েছে মেয়েটার। নইলে তার মধ্যে এসব কী লক্ষণ ফুটে উঠছে? কষ্টের? যন্ত্রণার? সত্যি তার চোখের কোণ দুটো জ্বালা করছে! কমলের সঙ্গে বেড়াতে যাওয়ার কথা কী করে বলল সোহিনী? ফের রেগে উঠল শাঁটুল। খেলাচ্ছে? তাকে খেলাচ্ছে?

    সে বলল, “আমার সময় হবে না।”

    “সময় নেই?”

    “না।”

    “তোমারও সময় নেই?” হাহাকার করে উঠল সোহিনী, “আমার কেউ নেই, কেউ নেই!”

    শাঁটুল দু পা পিছিয়ে গেল, “এই তো বরের সঙ্গে বেড়াতে যাচ্ছিলে।”

    “কোনওদিন যেতাম না। আমি শুধু কমলকে ডিস্টার্ব করে যেতে চাই।”

    “তাতে কী হবে?”

    “শাঁটুল তোমাকে বলিনি, কাউকে বলিনি, হাউ হি হ্যাজ় ট্রিটেড মি, দ্যাট মামাজ় বয়, দ্যাট মাদার ফাকার— কী অন্যায় করেছে আমার সঙ্গে তুমি কি জানো?”

    শাঁটুলের তেজ কমে গেল, “আমি কী করে জানব সোহিনী?”

    “কখন কোথায় ওয়েট করবে বলো?” নাক টানল সোহিনী।

    “প্লিজ সোহিনী, কাল দুপুরে দেখা করি? আজ এক আইপিএস অফিসারকে টাইম দেওয়া হয়ে গেছে। ভদ্রলোক এককথার মানুষ।”

    “ওকে।”

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleনীললোহিতের চোখের সামনে – নীললোহিত (সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়)
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    अनीश दास
    मौलाना शाह वलीउल्लाह
    रेवरेंड के. के. जी. सरकार
    অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত
    অঁতোয়ান দ্য সাঁত-এক্সুপেরি
    অনন্যা পাল
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অনীশ দেব
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অবনীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    অভিজ্ঞান রায়চৌধুরী
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক দত্ত
    অভীক সরকার
    অমরেন্দ্র চক্রবর্তী
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অরিন্দম দেবনাথ
    অর্পিতা সরকার
    অশোককুমার মিত্র
    অসম্পূর্ণ বই
    আখতারুজ্জামান ইলিয়াস
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুর রহমান আল-আরিফি
    আবদুল হালিম
    আব্দুল মালেক আলী আল-কুলাইব
    আব্দুল হামীদ ফাইযী
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    কৌশিক সামন্ত
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোপেন্দ্র বসু
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভট্টাচার্য
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যজ্যোতি মজুমদার
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বাণ রায়
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পরিমল ভট্টাচার্য
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিয়োদর দস্তইয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণু শর্মা
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাসরুর আরেফিন
    মাহতাব উদ্দিন
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রণদীপ নন্দী
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রশীদ করীম
    রাজর্ষি দাশ ভৌমিক
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    রাফিক হারিরি
    রেভারেণ্ড কে. কে. জি. সরকার
    লীলা মজুমদার
    লেইল লোনডেস
    লেখক
    শওকত আলী
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শঙ্কর চ্যাটার্জী
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শহীদুল্লা কায়সার
    শাক্যজিৎ ভট্টাচার্য
    শাক্যজিৎ ভট্টাচাৰ্য্য
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শৈবাল মিত্ৰ
    শ্যামল গঙ্গোপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রীপারাবত
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঙ্গীতা বন্দ্যোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সন্দীপন চট্টোপাধ্যায়
    সন্মাত্রানন্দ
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমীরণ গুহ
    সমুদ্র পাল
    সম্পাদনা : শৈলেন্দ্র হালদার
    সরদার ফজলুল করিম
    সরোজকুমার রায়চৌধুরী
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সায়ক আমান
    সায়ন্তনী পূততুণ্ড
    সায়ন্তনী পূততুন্ড
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুব্রত গুহ
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সেলিনা হোসেন
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৈয়দ মুস্তাফা সিরাজ
    সৈয়দ শামসুল হক
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বপ্নময় চক্রবর্তী
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্মরণজিৎ চক্রবর্তী
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হরিশংকর জলদাস
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    কড়িখেলা – সঙ্গীতা বন্দ্যোপাধ্যায়

    August 7, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    কড়িখেলা – সঙ্গীতা বন্দ্যোপাধ্যায়

    August 7, 2026
    Our Picks

    কড়িখেলা – সঙ্গীতা বন্দ্যোপাধ্যায়

    August 7, 2026

    নীললোহিতের চোখের সামনে – নীললোহিত (সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়)

    August 7, 2026

    নীললোহিতের অন্তরঙ্গ – নীললোহিত (সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়)

    August 7, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }