Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    কড়িখেলা – সঙ্গীতা বন্দ্যোপাধ্যায়

    August 7, 2026

    নীললোহিতের চোখের সামনে – নীললোহিত (সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়)

    August 7, 2026

    নীললোহিতের অন্তরঙ্গ – নীললোহিত (সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়)

    August 7, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    কড়িখেলা – সঙ্গীতা বন্দ্যোপাধ্যায়

    সঙ্গীতা বন্দ্যোপাধ্যায় এক পাতা গল্প139 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    কড়িখেলা – ৩

    ॥ ৩ ॥

    একটা বাসন্তী রঙা কমদামি সুতির সালোয়ার-কামিজের উপর নীল ওড়না জড়িয়ে যে কুড়ি-একুশ বছরের মেয়েটা দরজা খুলে দিল শর্মিলাকে, তার বেশ কয়েক মুহূর্ত সময় লাগল তাকে চিনে নিতে! জামাটা কমদামি হলে কী হবে, খুব যত্ন করে কেচে পরা। বোওয়া চুল পিঠের উপর ছড়ানো। পিছনে ক্লিপ আটকানো। এই ক্লিপগুলো হাতিবাগান মার্কেটের ফুটপাতে থরে থরে বিক্রি হয়, এইটুকু লক্ষ করতে না-করতেই মেয়েটা বলে উঠল, “ভানুদি? তুমি? কতদিন পর এলে! ভানুদি এসেছে মা!”

    দোতলার টানা বারান্দায় গায়ত্রীকে দেখা গেল, “কে? ও মা, ভানু তুই? আমি ভাবছি, এই ভরদুপুরে কে এল?”

    সানগ্লাস ব্যাগে ঢোকাতে ঢোকাতে শর্মিলা ঢুকে এল সদর পার করে বাড়ির মধ্যবর্তী চাতালে। দুপুরের এই সময় চাতালের উপর এসে পড়া রোদের রং আর রেখা অপরিবর্তিত। একতলাটা নতুন চুনকাম করা হয়েছে। জানলা দরজাতেও লাগানো হয়েছে বটল-গ্রিন তেলরং। অবশ্য একতলার সব ঘরের দরজায় ঝুলছে তালা। ঢুকে এসে শর্মিলা বলল, “আমি তো ডালিয়াকে দেখে প্রথমে চিনতেই পারিনি মামি! ভেবেছি, নতুন ভাড়াটে টাড়াটে এসেছে হয়তো!” যতটা উচ্ছ্বাস সে ফোটাতে চাইল গলায়, ততটা ফুটল না। সে নিজেও ঠিক জানে না, আজ অনাদি ঘোষাল স্ট্রিটে ছ’বছর পর সে কেন এসেছে!

    গায়ত্রী উপর থেকে বলল, “আয়, আয় ভানু, তা তোর মুখটা এমন লাগছে কেন রে? রোদ লাগল কী করে? গাড়ি চড়ে আসিসনি? তোর বর তোকে ছাড়ল? বাবাঃ! এলি তা হলে? মনে পড়ল আমাদের?”

    সে বুঝতে পারল, সিঁড়ি দিয়ে তার পিছন পিছন উঠে আসতে আসতে ডালিয়া তাকে আপাদমস্তক খুঁটিয়ে খুঁটিয়ে দেখে নিচ্ছে। তার হাইট বেশ ভাল, পাঁচ পাঁচ। তার উপর পেনসিল হিল পরেছে। ছ’ বছর পর এই বাড়িতে ঢুকে তার মনে হচ্ছে, বাড়িটা কী ছোট, ঠাসা ঠাসা ঘর, মাত্র এক কাঠা ছ’ ছটাক জমির উপর কী করে এতগুলো ঘর, রোয়াক, চাতাল, কলতলা, রান্নাঘর, সিঁড়ি সব বেরোল? আগে যখন এবাড়িতে সে থাকত, তখন এই প্রশ্ন তার কখনও মনে আসেনি। এখন আসাটা স্বাভাবিক। কারণ, এখন সে সারাক্ষণ জমি, বাড়ি, প্রপার্টি সংক্রান্ত নানা আলোচনা শুনছে। আদিত্যকে এটা কিনতে, ওটা বিক্রি করতে দেখছে। তা ছাড়া ‘ইস্ট সিটি’তে তাদের বাসস্থানই তো প্রায় তিন হাজার স্কোয়্যার ফুটের। আঠাশ তলার উপর একটা খোলা ছাদও আছে, যেখানে অনায়াসে কুড়ি-পঁচিশ জনের জন্য একটা পার্টি থ্রো করা যায়! সত্যি, এত বড় বাড়িতে সে এখন থাকে, কিন্তু বাড়িটার একটা ছোট্ট কোণও কখনও তার একাকিত্বের আশ্রয় হয়ে উঠতে পারে না! এত বড় বাড়ি, অথচ লুকোনোর একটা অন্ধকার স্থান নেই। আর এবাড়িতে কত যে গোপন জায়গা ছিল! চোখের জল ফেলার, রাগ করে সকলের চোখের আড়ালে থাকার, চুপচাপ বসে মোটা মোটা বই সারা বেলা ধরে পড়ে ফেলার কত ছোট ছোট অমোঘ সব ঠাঁই, যেখানে আত্মলীন হয়ে যাওয়া যেত! শর্মিলা ভাবল, তখন তো অনেক কিছুই মনে হত বড় কষ্টের, বড় দুর্ভোগের। আজ এত বছর পর একটা কমফর্টেবল লাইফে থেকেও, এত আরাম-ঐশ্বর্যের মধ্যে থেকেও তার কেন যে অনাদি ঘোষাল স্ট্রিটের স্মৃতিকে, সমস্ত স্মৃতিকে বড় প্রিয়, বড় মধুর লাগে, কে জানে!

    এত কাল পরে আসা হল, প্রথম মিনিটপনেরো কে কী বলছে, কোনও ঠিক রইল না। গায়ত্রী গায়ত্রীর মতো বলে যাচ্ছে, শর্মিলা শর্মিলার মতো বলে যাচ্ছে, ডালিয়াও প্রশ্ন করছে! তিনজনই একটু হাঁপিয়ে গিয়ে বসল দোতলার ডালিয়ার ঘরে। ছোটমামা অফিসে, ফিরতে বিকেল।

    গায়ত্রী বলল, “ও ভানু, তুই দুটো ভাত খা? দুপুরে এলি যখন? গরিব মামার বাড়িতে শুধু ভাত, ডাল চচ্চড়ি, খাবি?”

    শর্মিলা কপট রাগ দেখিয়ে বলল, “মামি, তুমি আর গরিব সেজো না। আজকাল সরকারি চাকরির মাইনে অনেক। তার উপর মামা তো কত বছর চাকরি করছে!”

    গায়ত্রী ফিক করে হেসে বলল, “তোর মামাকে বুড়ো বললে রেগে যায়! তা ও বুড়ো নয়, বল?”

    সে বলল, “তুমি কিন্তু একদম ইয়ং আছ। ফিগার সেই আগের মতো, পান খাওয়াটা ছাড়োনি এখনও মামি?”

    ডালিয়া বলল, “ভানুদি, তুমি এখন আরও সুন্দরী হয়েছ। কী দারুণ দেখাচ্ছে তোমায়!”

    শর্মিলা ঘুরে বসল ডালিয়ার দিকে, “দাঁড়া, দাঁড়া, তোকে আগে দেখি! বাবা, এ তো বিউটি কুইন! পাড়া কাঁপিয়ে দিচ্ছে নাকি? মামার চোখে ঘুম নেই?”

    মামি বলল, “ও ভানু শোন, এবার দুর্গাপুজোয় ডালিয়া তো লাল পাড় শাড়ি টাড়ি পরে অঞ্জলি দিতে গেছে। আর কারা সব এসেছিল টুরিস্ট, তারা ডালিয়াকে দাঁড় করিয়ে একের পর এক ছবি তুলছে! আয়েষার বড় মেয়েটাকে সবাই বলে অপূর্ব সুন্দরী। তার ছবি কেউ তোলেনি। তাই আয়েষা তো রেগে কাঁই! তুই তো জানিস, আয়েষার কী অহংকার! তা তুমি বিশ্বম্ভর ঘোষের ছেলের বউ সে পাড়ায়, বেপাড়ার লোক তোমায় পাত্তা দেবে কেন, তারা জাপানি টুরিস্ট বুঝলি…”

    “আঃ মা, চুপ করো তো!” বলে উঠল ডালিয়া।

    “তুই থাম, বলতে দে।”

    শর্মিলা দেখল, তার শরীরটা বেশ গরম হয়ে উঠছে। চনমন চনমন করে উঠছে মনটা। আঃ, পাড়াটা ছ’বছরে কিছুই বদলায়নি। বদলালে সে বেশ দুঃখ পেত। এসব কাসুন্দির স্বাদ সে কত দিন পায়নি! তার মনে হচ্ছে, মামি আরও বলুক এসব, এপাড়ার হাল হকিকত। তার কথা কেউ বলে? বলে না?

    সে বলল, “ও, আয়েষার বড় মেয়েটা বুঝি খুব সুন্দরী? কত বয়স হল গো?”

    মামি বলল, “ডালিয়ার চেয়ে ছোট, আঠারো-উনিশ হবে। সুন্দরী ঠিকই, কিন্তু স্কিনটা ভাল না। মুখে ব্রণ হয় খুব, আয়েষার মতো রূপ পায়নি। আয়েষা তো রূপের জোরে তরে গেল বল?”

    ডালিয়া বলল, “আয়েষাদিকে দেখলে তুমি চিনতেই পারবে না। মাড়োয়ারি বউদের মতো মোটা। থপথপ করে হাঁটে!”

    “তুই কিন্তু একদম মোটা হোসনি ভানু!”

    সে বলল, “আয়েষা তো আমার চেয়ে অনেক বড় মামি। সাত-আট বছরের বড়।”

    “হ্যাঁ, অভীক আর আয়েষা তো একই বয়সি, না? তোর আর অভীকের ম্যাচটাই বেশি ভাল ছিল। বাবা, আয়েষা কী বউই না হয়েছে, সারাদিন পাড়া বেড়াচ্ছে, বাজখাঁই গলায় চেঁচিয়ে চেঁচিয়ে রাস্তায় দাঁড়িয়ে সকলের সঙ্গে গল্প করছে। অত বড় বাড়ির বউ, ম্যাক্সি পরে রাস্তায় বেরোয়। সে বেলা কিন্তু কেউ কিছু বলে না। অন্য বউরা কেউ কিছু করুক, সকলে অমনই সমালোচনা করা শুরু করে দেবে! হ্যাঁরে ভানু, তোর বরের তো কতগুলো গাড়ি, একটা বেশ বড় গাড়ি চড়ে এসেছিস তো?”

    সে বলল, “না মামি। আদিত্যকে না বলে এসেছি, মনটা খুব টানছিল। পাড়ার মোড়ে এসে ট্যাক্সিটা ছেড়ে দিলাম। আজ ভোরে স্বপ্ন দেখলাম, তুমি নিম-বেগুন ভাজা করেছ আর আমাকে কুণ্ডুদের পাঁচিলের এপাশ থেকে ডাকছ ভাত খাওয়ার জন্য!”

    “মাছ না, মাংস না, নিম-বেগুন ভাজা? আশ্চর্য! আজ নিম-বেগুন তো ভেজেছি। চল, খাবি চল।”

    “তোমরা এখনও খাওনি?”

    “না, এবার বসব। ‘ভাইবোন’ সিরিয়ালটা দেখেই বসতাম, আয়।”

    “না, না, মামি, আমি খাব না। আমি লাঞ্চ করে বেরিয়েছি।”

    “আবার কথা বলে!”

    “ভানুদি, তুমি না খেলে আমি খাবই না!”

    ডালিয়ার মধ্যে সেই নেতিপেতি ভাবটা এখনও রয়ে গেছে। এই বোনটাকে সে খুবই ভালবাসত। শর্মিলা ভাবল, এত বছর ধরে আদিত্যর বাধাদানের ফলে এবাড়িতে যাতায়াতটা বন্ধ করে সে অন্যায়ই করেছে, ভুলই করেছে। কই আদিত্য তো নিজের কোনও কিছু বন্ধ করেনি? বাড়ি, বাবা-মা, আত্মীয়পরিজন, মায় প্রাক্তন স্ত্রী, সকলের সঙ্গেই লোকটার অবারিত যোগাযোগ। আর তার বেলা যত শাসন! হ্যাঁ, এটা ঠিক যে, ছোটমামা আদিত্যর সঙ্গে তার বিয়েটা মেনে নেয়নি। সে প্রায় বাড়ি থেকে বেরিয়ে গিয়েই বিয়েটা করেছিল এবং বিয়ে করে আদিত্যকে নিয়ে সে প্রণাম করতে এলে ছোটমামা প্রণাম গ্রহণ করেনি, তেমন কথাও বলেনি। তাই আদিত্যর রাগ থাকতেই পারে। কিন্তু সে তো আদিত্যর বাবা-মাও তাকে সেভাবে মেনে নেননি। তা বলে কি সে আদিত্যকে ওদের সঙ্গে সম্পর্ক রাখতে বাধা দিচ্ছে? আর নর্থ ক্যালকাটার সব কিছু যদি অতই খারাপ, আদিত্যর ভাষায়, ‘ঝুরঝুরে ড্যাম্প লাগা তোশকের মতোই হয়ে থাকে, তা হলে সে-ও তো নর্থের মেয়ে, তাকে আদিত্যর এত পছন্দ হল কেন?

    ডালিয়া যে ছোটবেলায় তার খুব হাতধরা ছিল, তা নয়। পনেরো বছরের ছোট বোন, কলেজে পড়া দিদির সঙ্গে একটা দূরত্ব তো থাকেই। তারপর চাকরিতে ঢোকার পর শর্মিলা তো বাড়ির বাইরেই থাকত গোটা দিন। আদিত্যর সঙ্গে প্রেম পর্বে তো রাতে এসে শোওয়াটুকু এবং বাইরেই খেয়ে আসত। ফলে ডালিয়ার ক্রমশ বড় হয়ে ওঠা তার নজর একরকম এড়িয়েই গেছে। তবে ডালিয়া খুব শান্তশিষ্ট ছিল, মনে পড়ে শর্মিলার। আজ ডালিয়ার মুখের দিকে তাকিয়ে তার নতুন করে মায়া জন্মাল যেন। শর্মিলার তো কোনও বন্ধু নেই। ডালিয়া হোক ছোট, তবু বোন তো। তাই ডালিয়া তার বন্ধুও তো হতে পারে, সে ভাবল। এবার আদিত্য টুরে গেলে সে ডালিয়াকে নিয়ে ঘুরে বেড়াবে, শপিং করবে, বড় রেস্তরাঁয় খাবে। এই ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা তাকে আনন্দ দিল এখনই। এমন স্পষ্ট আনন্দ সে অনেক দিন অনুভব করেনি! সে সেই আতিশয্যে বোনকে তিরস্কারও করল একটু, “ওঃ, এখন দরদ উথলে পড়ছে দিদির উপরে? কই একবার তো একটা ফোনও করিস না দিদিকে?”

    ডালিয়া বলল, “বাবা তো দেয় না করতে! জানোই তো বাবা কেমন!”

    “তুই পার্ক স্ট্রিটের দিকে যাস না কখনও? আমার অফিসে আসতে পারিস তো?”

    “পার্ক স্ট্রিট! আমি জীবনে দু’বার গেছি! বাবা নিয়ে গেছিল, পঁচিশে ডিসেম্বর।”

    “পঁচিশে ডিসেম্বর যাবি না। যাবি ক্রিসমাস ইভে, চব্বিশের সন্ধেবেলা, তা হলে অনেক কিছু দেখতে পাবি।”

    “তাই?”

    গায়ত্রী বলল, “তুই কেন এখনও তেতেপুড়ে চাকরিটা করছিস ভানু? তোর কি টাকার অভাব? কোথায় পায়ের উপর পা তুলে খাবি আর দামি দামি শাড়ি-গয়না কিনবি, তা না, রোজ অফিসে যাওয়ার ঝঞ্ঝাট পোহাচ্ছিস!”

    সে বলল, “বাড়িতে বসে থাকার কথা আমি তো ভাবতেই পারি না মামি! সে এক যদি খুব অল্প বয়সে বিয়ে হয়ে যেত, সংসারে ঢুকে যেতাম, তা হলে হত। একবার বাইরের জগৎটা দেখে নিয়ে আর সম্ভব নয়।”

    মনে মনে একথা বলে শর্মিলা হাসল। হাঃ! কী বাইরের জগৎই না দেখছে। ওই অফিসে আসে-যায় সেজেগুজে, ওই পর্যন্তই। সবটাই তো আদিত্যর দ্বারা নিয়ন্ত্রিত। চাকরি তো আদিত্যই ব্যবস্থা করে দিয়েছে। বন্ধুর কোম্পানিতে। কারণ, বিয়ের পর তাকে আর নিজের কোম্পানিতে রাখতে চায়নি।

    হঠাৎ মামি বলল, “তা তুই একটা বাচ্চা টাচ্চা নিলি না? তোর তো সন্তান-সুখ হল না, ওঁর না হয় ছেলে আছে।”

    সে বলল, “ছাড়ো, চলো, দুটো ভাত খাই তোমার সঙ্গে।”

    দোতলার রান্নাঘরটা খুব বড়। রান্নাঘরেরই এক কোণে খাবার টেবিল পাতা আছে। টেবিলও সেরকমই টেবিল! অ্যালুমিনিয়াম পাত দিয়ে উপরটা মোড়া।

    গায়ত্রী বলল, “এখানে তোর খুব গরম লাগবে ভানু। বরং আমার ঘরের মেঝেতে বসে খাবি? আমার ঘরে নতুন ফ্যান লাগানো হয়েছে। হাওয়াটাও বড় মিষ্টি!”

    মেঝেতে বসে খাওয়া অসম্ভব! পেট চেপে বসতে হলে সে মরে যাবে। আবার এখানে রান্নাঘরের গরম, শর্মিলা দু’ সেকেন্ডের জন্য মহা ধন্দে পড়ল। আর সত্যি নর্থের লোকেরা বড় কিপটে হয়! জীবনযাপনের ধরনধারণের মধ্যে কোনও শ্রী নেই। আরামপ্রদ জীবনের কী অনুষঙ্গ, তা নিয়ে উত্তরের লোকেরা আজও বড় উদাসীন। নইলে ছোটমামা এই রান্নাঘরটা একটু সারাতে পারে না? একটা ডাইনিং টেবিল কিনতে পারে না, একটা ফ্যান সেখানে দিতে পারে না? বাড়িঘর করতে হয়নি। ছেলে নেই যে, ডাক্তার-ইঞ্জিনিয়ার করতে খরচ হয়েছে। মেয়ের এখনও বিয়ে হয়নি, টাকা নিয়ে মামা করছেটা কী?

    শেষ পর্যন্ত শর্মিলা গায়ত্রীর ঘরের মেঝেতেই আসন পেতে বসল খেতে। তিনজনের কথাবার্তার কোনও বিরতি নেই। মোটা ভারী স্টিলের থালায়, স্টিলের গ্লাসে খেতে দিয়েছে গায়ত্রী তাকে। শর্মিলার সংসারে ছুরি, কাঁটা-চামচ ছাড়া স্টিলের কোনও বাসন নেই। অবশ্য আদপেই যদি ওটাকে কোনও সংসার বলা চলে।

    নিম-বেগুন পাতে পড়তেই শর্মিলার মনটা ভারী হয়ে গেল খুব। সে বলল, “আমার কি কানাই জেঠার বাড়ি একবার যাওয়া উচিত জেঠিমার সঙ্গে দেখা করতে? এসেই পড়েছি যখন?”

    হাতা রয়েছে ডালে, মাছের ঝোলের বাটিতে। গায়ত্রী ভাত তুলে দিচ্ছে হাতে করে, লাউ-চিংড়ি দিল হাতে করে! শর্মিলার একটু ঘেন্না ঘেন্না করল, মেঝেতে বসে খাওয়া, খাটের তলায় ঝুল রয়েছে দেখা যাচ্ছে, একটা-দুটো চুল উড়ছে মাটিতে, সে চোখ সরিয়ে নিতে নিতে ভাবল, নর্থের লোকেরা কখনও বদলায় না। গায়ত্রী তাকে যা ভাত দিয়েছে, সে সারা সপ্তাহে অত ভাত খায় না। সে বারবার অনুনয় করল ভাত তুলে নিতে, লাগলে পরে নেবে। গায়ত্রী আর ডালিয়ার থালাতেও পাহাড়প্রমাণ ভাত, এত ভাত খেয়েও গায়ত্রী বা ডালিয়ার শরীরে কোনও মেদ নেই। আর সে তিনটে দিন যদি একটু রুটিনের বাইরে গিয়ে খায়, তার গাল নাকি টোপা টোপা হয়ে যায়, তলপেট ঝুলে আসে, অবশ্য আদিত্যর উক্তি অনুযায়ী! গায়ত্রীকে ভীষণ হিংসে হল শর্মিলার এই একটা ব্যাপারে। কত ভাত খাচ্ছে গায়ত্রী সপসপ করে গ্রাস তুলে। গায়ত্রীর রান্না বরাবরই খুব ভাল। কিন্তু সেই সকালে রান্না হয়েছে, খেতে বসার আগে সেগুলো নতুন করে গরমও করেনি। শর্মিলার মনে পড়ল, এসব আগে তার কাছে অতি স্বাভাবিক ছিল। নিম-বেগুন খেতে তার বেশ লাগল। কিন্তু কাঁসার পাত্রে রাখা মুগের ডালে সে যেন কেমন ধাতু ধাতু গন্ধ পেল। তবু তার সম্যক টান কম হল না। সে গল্প করতে করতে খেতে লাগল, “ঠিক সাড়ে চারটের সময় বেরিয়ে যাব মামি, গাড়ি আসবে অফিসে ছ’টার মধ্যে।”

    গায়ত্রী বলল, “মাঝে মাঝে এরকম চলে আসিস। আর যাওয়ার সময় চাইলে যেতে পারিস কানাইদার বাড়িতে।”

    এই সময় ডালিয়ার ফোন বেজে উঠল। ফোন ধরে ডালিয়া বলল, “হ্যাঁ খাচ্ছি। খেয়ে যাচ্ছি। আসলে ভানুদি এসেছে তো, খুব গল্প হচ্ছে?”

    সে বলল, “কে রে? কোথায় যাবি?”

    ডালিয়া বলল, “আয়েষাদির বাড়ি। আয়েষাদির বড় মেয়ের পরীক্ষা হয়ে গেছে বলে এখন করার কিছু নেই। আমরা দু’জনে দুপুরে বসে গল্প করি, ফেসবুক করি, সিনেমা দেখি, গান শুনি…ছোট মেয়েটাও আসে মাঝে মাঝে। আর্যদার মেয়ে রুমনিও আসে। খুব মজা হয়। আমি একটু বড় ওদের চেয়ে, কিন্তু আমার ভালই লাগে। আমিই বা আর কী করব বলো ভানুদি? কলেজের বান্ধবীরা কেউ কাছে থাকে না। হয় সিঁথির মোড় না হয় হেদুয়া। বাবা কোথাও যেতে দেবে না। এপাড়ায় এখন আমার বয়সি মেয়ে প্রায় নেই বললেই চলে।”

    “তুই এম এ-টা করলি না কেন?” বলল শর্মিলা।

    “বাবা তো গত বছর থেকেই বিয়ে দেবে বলে উঠেপড়ে লেগেছে! বলে দিয়েছে, এখন আর বাড়ির বাইরে যেতে হবে না। বিয়ে করে মাস্টার ডিগ্রি কোরো, যা খুশি কোরো! কী পাগল, বলো?”

    “ওমা, তোর মতো অপ্সরা, তোর তো পাত্রের লাইন পড়ে যাওয়ার কথা!” গত বছর থেকে পাত্র খোঁজা চলছে আর এখনও পাত্র জোটেনি শুনে সত্যিই অবাক হল শর্মিলা। ডালিয়াকে সত্যিই বড় সুন্দর দেখতে, শুধু ভুরু জোড়া একটু বেশি ঘন। আর ঠোঁটের উপর হালকা একটু রোমের আভাস আছে। আর এই দুটো ফিচারই ডালিয়াকে র‍্যাম্প সুন্দরী, বিজ্ঞাপনের সুন্দরীদের চেয়ে একেবারে আলাদা একটা মাধুর্য দিয়েছে। একেবারে পুরনো ধাঁচের, একালে অমিল, একটা কমনীয়তা, এত রোগা অথচ হাত-পায়ের কী সুন্দর গড়ন! নিটোল, যেন হেমেন মজুমদারের নারী। এ মেয়ে দৌড়ঝাঁপ করে চাকরিবাকরি করবে বলে মনে হয় না। বিয়ে করবে, মেনেই নিয়েছে। তা হলে ডালিয়ার উচিত খুব বড় বনেদি বাড়িতে বিয়ে হওয়া। কেজো বাড়িতে ওকে মোটেও মানাবে না।

    খাওয়াদাওয়ার পর শর্মিলা একতলার কলতলায় গেল আঁচাতে। গায়ত্রীকে জিজ্ঞেস করতে সে বলল, ছোটমামা এখন একতলাটা সারিয়ে-সুরিয়ে রেখেছে ভাড়া দেবে বলে। কিন্তু মনমতো ভাড়াটে পাচ্ছে না। ডালিয়া বড় হওয়ার পর মামা আর অল্পবয়সি ছেলে আছে, এরকম পরিবারকে বাড়ি ভাড়া দেবে না ঠিক করেছে। মামির ধারণা, ডালিয়ার বিয়ে না মিটলে একতলাটা খালিই থাকবে।

    “তোর মামার যত্তসব!” বলে গায়ত্রী মুখ মটকে হাসল, এই বয়সেও গায়ত্রী চোখে কাজল দেয়। পান খেয়ে তাকে বেশ লাস্যময়ী লাগে।

    একতলার বড় ঘরে থাকত দাদু, আমৃত্যু। আর তার পাশের খুব ছোট ঘরটা ছিল শর্মিলার, বাবা-মা’র খাট, একটা আলমারি রাখার পর পড়ার টেবিল ঢুকত না। সারা জীবন সে দাদুর ঘরেই বসে পড়াশোনা করেছে। বুড়ো হতে হতে দাদুর বড় বকবকানি ধরেছিল। খুব মুশকিল হত তখন শর্মিলার। অথচ চামড়া দিয়ে বাঁধানো দাদুর টেবিল ছাড়া পড়ায় মনও বসত না তার। একটা সময় দাদু যখন আর বাইরে বেরোতে পারত না, তখন কেউ বাইরে থেকে ঘুরে বেড়িয়ে এলে, বিয়ে, পইতে বাড়ি থেকে ফিরলে, ঠাকুর দেখে কিংবা ফাংশন শুনে এলে দাদু তাকে প্রশ্নে প্রশ্নে জেরবার করে দিত! দাদুর প্রশ্ন করার ধরনটা ছিল ভারী অদ্ভুত।

    ‘হ্যাঁ, তারপর তোমরা তো গেলে, যেতেই বেয়াইমশাই দরজা খুলে দিলেন?’

    ‘না দাদু, গোপামাসি দরজা খুলে দিল।’

    ‘ও, তা গোপা তো তোমাদের দেখে খুব খুশি হল? হয়ে বলল, তোমরা এত দেরি করে এলে কেন?’

    “হ্যাঁ দাদু, তাই বলল।’

    ‘ওদের কুকুরটা তো নিশ্চয়ই লাফালাফি শুরু করে দিল।’

    ‘হ্যাঁ দাদু, খুব লাফাচ্ছিল।’

    ‘বেশ! বসতে বলল কি একতলায়, নাকি উপরে নিয়ে গেল?’

    ‘না, না, উপরেই নিয়ে গেল সোজা।’

    ‘ও, তখন ওদের পুজো শুরু হয়ে গেছে? নাকি ঠাকুরমশাই এসেই পৌঁছোয়নি?’

    ‘দিব্যি ঠাকুরমশাই এসে গেছেন!’

    ‘বেয়াইমশাই তো আবার শার্ট-প্যান্ট পরা সাহেব মানুষ, চুরুট খান, উনি নিশ্চয়ই পুজো দেখতে এলেন না, বসে বসে টেলিভিশন দেখতে লাগলেন?’

    ‘না, দাদুকে তো দেখলাম না একবার!’

    ‘একবারও দেখলে না? সে কী? ছোট বউমাকে ডাক ভানু। তা হলে কি বেয়াইমশাই রাগ করে বন্ধুর বাড়ি গিয়ে বসে রইলেন?’

    এইরকম আর কী! একবার বাগবাজার সর্বজনীন দুর্গাপুজোয় নতুন ধরনের আলোর কারসাজি করেছিল। ঠাকুর দেখে ফিরে দাদুকে সেই আলোর খেলার বর্ণনা দিতে গিয়ে কালঘাম ছুটে গিয়েছিল শর্মিলার! আহা রে! ভাবল শর্মিলা, দাদুকে সে বড় ভালবাসত। যখন এবাড়িতে পা দিয়েছিল ঘণ্টাদেড়েক আগে, তখন একটা কিন্তু কিন্তু ভাব ছিল তার মধ্যে। এখন সেটা চলে গেছে। মনটা অনেক দ্রব হয়ে এসেছে। সে গায়ত্রীকে বলল, “দাদুর ঘরটা একবার দেখব মামি?”

    “দ্যাখ না, কিন্তু বাবার পালঙ্ক টালঙ্ক সব তত তিনতলায় তুলে দেওয়া হয়েছে।”

    “ওঃ!” বলল সে।

    আবার দোতলায় উঠতে হল তাকে। ব্যাগ থেকে ছোট আয়না আর লিপস্টিকটা বের করে মুখটা একটু ঠিকঠাক করে নিয়ে শর্মিলা গায়ত্রীকে বলল, “এবার উঠি মামি,” বলেই সে বলতে যাচ্ছিল ‘তোমরা একদিন এসো,’ কিন্তু কথাটা গিলে নিয়ে সে বলল, “ডালিয়া চল, একদিন তুই আর আমি কোথাও একটু ঘুরে আসব।”

    ডালিয়া খুব মিষ্টি করে মাথা নাড়ল।

    গায়ত্রী বলল, “আবার আসিস ভানু। তুই হয়তো ভাবিস, মামি ভুলেই গেছে, ডাকে না, পুজো টুজো চলে যায়, একটা শাড়ি টাড়িও দিই না তোকে। আসলে তোর বর আর তোর মামার মধ্যে আমরা পড়ে গেছি রে, দুঃখ হয়!”

    সদর দরজা অবধি এসে মামি বলল, “ও ভানু! ভদ্রলোকের আগের স্ত্রী কি এখনও শ্বশুরবাড়িতেই থাকে?’

    “হুঁ!”

    “ভাল কথা নয় ভানু, ভাল কথা নয়। সাবধানে থাকিস, কবে আবার আমে-দুধে মিলে যাবে, আঁটি হয়ে গড়াগড়ি খাবি!”

    ডালিয়া কিছুটা এল তার সঙ্গে। তারপর চলে গেল আয়েষাদের বাড়িতে। সে বিশ্বম্ভর ঘোষের বাড়ির পাশ দিয়ে কোনওমতেই যাবে না। সে আবার অনাদি ঘোষাল স্ট্রিট দিয়ে বটতলায় এসে ট্যাক্সি ধরল।

    ট্যাক্সিতে বসে তার প্রথম যে কথাটা মনে হল, সেটা বড়ই অদ্ভুত! সে ভাবল, আচ্ছা, ডালিয়ার সঙ্গে যদি মহুলের বিয়ে দেওয়া যায় কেমন হয়? ধুস, কোনওদিন সম্ভব নয়। আদিত্যরা অসম্ভব নাক উঁচু, অহংকারী, আর ওরা খুঁজছে বড় বাড়ির কনভেন্ট এডুকেটেড, চূড়ান্ত স্মার্ট মেয়ে। মহুল আবার তিন বছর লন্ডনে থেকে পড়াশোনা করে এসেছে। এদিক থেকেও সম্ভব নয়। ছোটমামা কোনওদিন ডালিয়ার বিয়ে সেই পরিবারে দেবে? মহুলের বাবা ছোটমামাকে কি কম অপমান করেছিল ফোনে সেই একদিন? যেদিন তাকে একবার আসতে বলেছিল ছোটমামা?

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleনীললোহিতের চোখের সামনে – নীললোহিত (সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়)
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    अनीश दास
    मौलाना शाह वलीउल्लाह
    रेवरेंड के. के. जी. सरकार
    অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত
    অঁতোয়ান দ্য সাঁত-এক্সুপেরি
    অনন্যা পাল
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অনীশ দেব
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অবনীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    অভিজ্ঞান রায়চৌধুরী
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক দত্ত
    অভীক সরকার
    অমরেন্দ্র চক্রবর্তী
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অরিন্দম দেবনাথ
    অর্পিতা সরকার
    অশোককুমার মিত্র
    অসম্পূর্ণ বই
    আখতারুজ্জামান ইলিয়াস
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুর রহমান আল-আরিফি
    আবদুল হালিম
    আব্দুল মালেক আলী আল-কুলাইব
    আব্দুল হামীদ ফাইযী
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    কৌশিক সামন্ত
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোপেন্দ্র বসু
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভট্টাচার্য
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যজ্যোতি মজুমদার
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বাণ রায়
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পরিমল ভট্টাচার্য
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিয়োদর দস্তইয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণু শর্মা
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাসরুর আরেফিন
    মাহতাব উদ্দিন
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রণদীপ নন্দী
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রশীদ করীম
    রাজর্ষি দাশ ভৌমিক
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    রাফিক হারিরি
    রেভারেণ্ড কে. কে. জি. সরকার
    লীলা মজুমদার
    লেইল লোনডেস
    লেখক
    শওকত আলী
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শঙ্কর চ্যাটার্জী
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শহীদুল্লা কায়সার
    শাক্যজিৎ ভট্টাচার্য
    শাক্যজিৎ ভট্টাচাৰ্য্য
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শৈবাল মিত্ৰ
    শ্যামল গঙ্গোপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রীপারাবত
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঙ্গীতা বন্দ্যোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সন্দীপন চট্টোপাধ্যায়
    সন্মাত্রানন্দ
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমীরণ গুহ
    সমুদ্র পাল
    সম্পাদনা : শৈলেন্দ্র হালদার
    সরদার ফজলুল করিম
    সরোজকুমার রায়চৌধুরী
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সায়ক আমান
    সায়ন্তনী পূততুণ্ড
    সায়ন্তনী পূততুন্ড
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুব্রত গুহ
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সেলিনা হোসেন
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৈয়দ মুস্তাফা সিরাজ
    সৈয়দ শামসুল হক
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বপ্নময় চক্রবর্তী
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্মরণজিৎ চক্রবর্তী
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হরিশংকর জলদাস
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    কড়িখেলা – সঙ্গীতা বন্দ্যোপাধ্যায়

    August 7, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    কড়িখেলা – সঙ্গীতা বন্দ্যোপাধ্যায়

    August 7, 2026
    Our Picks

    কড়িখেলা – সঙ্গীতা বন্দ্যোপাধ্যায়

    August 7, 2026

    নীললোহিতের চোখের সামনে – নীললোহিত (সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়)

    August 7, 2026

    নীললোহিতের অন্তরঙ্গ – নীললোহিত (সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়)

    August 7, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }