Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    ইতি স্মৃতিগন্ধা – সাদাত হোসাইন

    September 5, 2026

    অশ্বত্থামা হত – ড. পার্থ চট্টোপাধ্যায়

    September 5, 2026

    ঈশ্বরপুরের প্রেমকথা – দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য

    September 5, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    গা-ছমছমে ভৌতিক অলৌকিক – হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত এক পাতা গল্প169 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    বাঘু সর্দারের নৌকা

    বাঘু সর্দারের বাড়ির সামনে এসে বেশ অবাক হয়ে গেল নিখিল। কোথায় সেই খড়ে ছাওড়া সুন্দর বাড়িটা? ঝকঝকে-তকতকে নিকানো মাটির দেওয়াল-উঠোন? যে বাড়ির দাওয়ায় বসে বাঘু মণ্ডল বলেছিল, — এই সোঁদর বনের প্রতিটা গাং-খাড়ি-বাদাবন আমি হাতের তালুর মতন চিনি। সামনের বার আসবেন কত্তা। আমি আপনাকে ঠিক বনবিবির বড় পুষ্যিকে দেখাব। এখানে যারা বেড়াতে আসে, লাখে একজন দেখতে পায় তাকে, শুধু গল্প শোনে। বাকিরা

    বাঘুর কথা সমর্থন করে তার শাকরেদ হারান বলেছিল, –হ্যাঁ, সামনের বার আসবেন। তবে, শীতে নয়, বর্ষার মুখে। শীতে এত লঞ্চ আসে, এত হইচই হয় যে, তারা কেউ নদীর চরে আসে না। বাদাবনেই সেঁদিয়ে থাকেন। বাঘু সর্দার কাউকে কথা দিলে তাকে বাঘ দেখাবেই। লঞ্চ আর পারমিট নিয়ে এখানে এসে খুঁজবেন আমাদের।

    তাদের কথার ভরসাতেই লঞ্চ-পারমিট জোগাড় করে বাঘু মণ্ডলের বাড়ির দরজায় হাজির হয়েছে নিখিল। সঙ্গে এনেছে বিজনকেও। কিন্তু কোথায় বাঘুর বাড়ির দরজা? তাদের সামনে রয়েছে চালহীন ধসে পড়া কয়েকটা মাটির দেওয়াল। আশপাশের বাড়ি-ঘরগুলোও সেই অবস্থা।

    আর এখানে-ওখানে দাঁড়িয়ে থাকা গাছগুলোকেও দেখে মনে হচ্ছে, কোনো মহাদানব যেন তাদের মাথার ঝুঁটিগুলো টেনে ছিঁড়ে নিয়েছে। হ্যাঁ, দানবই বটে। তার নাম, আয়লা। যে ঝড় নিশ্চিহ্ন করে দিয়েছে সুন্দরবনের বহু গ্রাম আর বাদাবনবেষ্টিত দ্বীপ। তার হাত থেকে নিস্তার পায়নি বাঘুর ডেরা এই ছোট গ্রাম বনবিবিপুরও।

    বাঘু সর্দারের বাড়ির সামনে হতবাক হয়ে দাঁড়িয়ে ছিল নিখিলরা। ঠিক সেই সময় কাছেই একটা ভাঙা বাড়ির পাশে একটা প্লাস্টিকের ছাউনির আড়াল থেকে বেরিয়ে এল একজন বৃদ্ধা৷ তার কোলে একটা বাচ্চা। সে নিখিলদের এক ঝলক দেখে নিয়ে জানতে চাইল, – কাকে খুঁজছেন বাবুরা?

    নিখিল বলল,—বাঘু মণ্ডলকে। এটাই তো তার বাড়ি?

    বৃদ্ধা জবাব দিল,—হ্যাঁ, কিন্তু সে তো নেই?

    —কোথায় গেছে?

    সে বলল,— সাত দিন হল, সে একদল বাবুকে নিয়ে বাঘ দেখাতে গেছে। বলে গেল তিন দিনের মধ্যে ফিরবে। এখনও ফিরল না।

    নিখিল জিগ্যেস করল,—আপনি কি বাঘু মণ্ডলের কেউ হন? সে আমাদের বাঘ দেখাবে বলেছিল তাই এসেছিলাম। আচ্ছা তার শাকরেদ হারান মাঝিকে পাওয়া যাবে?

    বৃদ্ধা বলল, –হারানের খোঁজ আমি জানি না। হয়তো সে-ও বাঘুর সঙ্গে আছে। আমি হলাম বাঘুর মা। আর এই তার ছেলে। আয়লা আমাদের সব নিল, ঘর নিল, জমি নিল, এই বাচ্চাটার মা-কেও নিল। বাঘুও এখন নেই, এই বাচ্চাটা নিয়ে তাঁবুর তলায় খুব কষ্টে আছি আমি। বাঘু যাদের বাঘ দেখাতে নিয়ে গেছে, তারা নাকি বাঘ দেখাতে পারলে অনেক টাকা দেবে বলেছে। সেই টাকা নিয়ে ফিরে এসে বাঘুর আমাদের সামসেরগঞ্জে নিয়ে যাওয়ার কথা। আমার সেখানে গিয়ে ঘর তুলব। আর এখানে থাকব না।

    কথাগুলো বলে সে একটু ইতস্তত করে বলল, – আমাকে দশটা টাকা দেবেন? যা চাল ছিল সব শেষ। অথচ বাঘুর খোঁজ নেই।

    তার কথা শোনার পর নিখিল পঞ্চাশটা টাকা পকেট থেকে বার করে এগিয়ে দিল তার দিকে। প্রকৃতি আজ এ মানুষগুলোকে সত্যি কত অসহায় করে তুলেছে। এদের সব কিছু কেড়ে নিয়েছে আয়লা।

    – বৃদ্ধা টাকাটা নিল। তারপর বলল, – আপনাদের ভালো হোক। কত কষ্ট করে আপনারা এখানে এসেছেন বাঘ দেখতে। বাবা কালুরায়-দক্ষিণরায়রা যেন তাঁদের পুষ্যিদের সঙ্গে আপনাদের দেখা করিয়ে দেন। আর গাঙে তো নিশ্চই যাবেন আপনারা, যদি বাঘুর সঙ্গে দেখা হয়, তবে তাকে বলবেন, সে যেন তাড়াতাড়ি ফিরে আসে। বড় কষ্টে আছি আমরা।’

    শেষ কথাগুলো ছলোছলো চোখে বলে বাঘুর মা বাচ্চা কোলে এগোল তার তাঁবুর দিকে। সে চলে যাওয়ার পর নিখিল বেশ হতাশ ভাবে বিজনকে বলল, এবারও মনে হয় বাঘ দেখা হল না। কত খরচ করে নিজেরাই লঞ্চ ভাড়া করলাম, কত আশা করে তোকে এখানে বাঘ দেখাব বলে আনলাম, সব কিছুই ব্যর্থ হল।

    বিজন তাকে সান্ত্বনা দিয়ে বলল, – ‘ব্যর্থ হবে কেন? আমরা সুন্দরবনের প্রকৃতি দেখব। এখানে ক’টা টুরিস্টই বাঘের দেখা পায় বল? ভূত দেখার গল্পর মতো সবাই বলে, এ দেখেছে-সে দেখেছে, কিন্তু ভূতের মতোই নিজেরা কেউ বাঘের দেখা পায় না। এখন কী করবি বল?’

    নিখিল বলল, —আর কী করব! এখান থেকে লঞ্চে ফিরে যাই, তারপর যাব সজনেখালিতে, সেখানে রাত কাটিয়ে কাল ভোরে যাব দোবাঁকি, বুড়িডাবড়ি ওই সব জায়গায়। সাধারণ টুরিস্টরা যেমন যায়।

    বেলা বাড়ছে। নিখিলরা আর সেখানে না দাঁড়িয়ে এগোল জেটির দিকে। যেখানে রয়েছে তাদের লঞ্চ। ছোট লঞ্চ। নিখিলরা ছাড়া আর মাত্র দুজন লোক লঞ্চে। সারেং আর তার হেল্পার। কিছুক্ষণের মধ্যে লঞ্চে এল নিখিলরা। লঞ্চ তাঁদের নিয়ে যাত্রা শুরু করল সজনেখালির উদ্দেশে। বেলা থাকতেই, সূর্য ডোবার আগে সেখানে পৌঁছে গেল তারা – সজনেখালির জেটিতে বসে গল্প করছিল নিখিল আর বিজন। এটা টুরিস্ট সিজিন নয়, জেটিতে লোকজন নেই, লঞ্চের ভিড়ও নেই। কিছুটা তফাতে জলের ওপর শুধু একলা দাঁড়িয়ে আছে নিখিলদের ছোট লঞ্চটা। জেটির থামের সঙ্গে কাছি দিয়ে বাঁধা আছে লঞ্চ। একটা টিমটিমে বাতি শুধু জ্বলছে লঞ্চে। তার লোক দুজন নামার পর পরই খাওয়া সেরে খোলে ঘুমোতে গেছে। কোনো সাড়া নেই তাদের। নিখিল আর বিজন অবশ্য থাকার ব্যবস্থা করে নিয়েছে টুরিস্ট লজে। সে জায়গা জেটি থেকে বেশি দূরে নয়। সেখানেও তেমন কোনো লোকজন নেই। সেখানে খাওয়া সেরে হাঁটতে হাঁটতে জেটিতে এসে গল্প করতে বসেছে তারা। বেশ সুন্দর লাগছে তাদের এ জায়গাটা। নদীর ঠান্ডা বাতাস গায়ে এসে লাগছে। নদীর জল জেটির কংক্রিটের থামে ধাক্কা খেয়ে মৃদু ছলাৎছল-ছলাৎছল শব্দ তুলছে। আকাশে সোনার থালার মতো বেশ বড় চাঁদ উঠেছে। পূর্ণিমার চাঁদ। তার প্রতিবিম্ব মাঝে মাঝে ঝিলিক দিচ্ছে নদীর কালো জলের মাথায়। দূরে চাঁদের আলোতে দেখা যাচ্ছে কালো কালো সব বিন্দু। নদীর গায়ে জেগে থাকা সব দ্বীপ। সেখানে ডেরা বাঁধে বাবা দক্ষিণরায়ের পুষ্যিরা। গায়ে যাদের ডোরাকাটা দাগ, চোখ যাদের ভাঁটার মতো জ্বলে। নিঃশব্দে যারা ঘুরে বেড়ায় এই নদীবেষ্টিত বাদা বনের রাজ্যে।

    বেশ রাত হয়েছে। চারপাশের জ্যোৎস্না আলোকিত চরাচরের দিকে তাকিয়ে নিখিল এক সময় বলল, – তুই ঠিকই বলেছিস বিজন, বাঘ দেখা যদি নাও হয়, এই প্রকৃতির সৌন্দর্যই বা কম কী? দেখেছিস চাঁদের আলোতে কী অপূর্ব সুন্দর দেখাচ্ছে চারদিক!

    বিজন বলল, —হ্যাঁ, ঠিক তাই। বাঘ তো চিড়িয়াখানাতেও দেখা যায় কিন্তু এরকম সুন্দর পরিবেশ আর কোথাও পাওয়া যাবে কি?

    ঠিক এই সময় তাদের পিছন থেকে কে যেন হঠাৎ বলে উঠল,—না, এরকম সুন্দর পরিবেশ অন্য কোথাও পাবেন না। তবে এখানকার বাঘের সঙ্গে চিড়িয়াখানার বাঘেরও বিস্তর ফারাক। বাদা বনের বাঘ হল সব বাঘের রাজা।

    কে বলল কথাটা? পিছনে ফিরে তাকাতেই অবাক হয়ে গেল নিখিল চাঁদের আলোতে কয়েক হাত তফাতে দাঁড়িয়ে আছে বাঘু সর্দার। তার পরনে মালকোঁচা দেওয়া সাদা ধুতি, হাতে একটা হেঁতালের লাঠি। কালো সুঠাম অঙ্গ বেয়ে যেন চাঁদের আলো চুঁইয়ে পড়ছে। সে আলোতে ঝিলিক দিচ্ছে তার গলায় ঝোলা রুপোর মাদুলিটা। তাদের দিকে তাকিয়ে মিটিমিটি হাসছে বাঘু সর্দার।

    তাকে দেখেই নিখিল উঠে দাঁড়িয়ে বলল, বাঘু সর্দার তুমি এখানে আছ! তোমাকে খুঁজতে আজ তো তোমার গ্রামে গেছিলাম আমরা। তোমার মা বলল, তুমি কাদের বাঘ দেখাবে বলে সেখান থেকে সেই যে বেরিয়েছ আর ফেরোনি! তুমি তো গতবার আমাকে বাঘ দেখাবে বলেছিলে? সে ভরসাতেই সব জোগাড়যন্ত্র করে আমার এই বন্ধুকে নিয়ে বাঘ দেখতে এসেছি। ওই তো আমাদের লঞ্চ।

    বাঘু সর্দার তার কথা শুনে ঝকঝকে সাদা দাঁত বার করে হেসে বলল, –সে জন্যই তো আপনাদের কাছে চলে এলাম।

    নিখিল বেশ উৎসাহিত হয়ে বলল, –তোমাকে আমাদের খবর কে দিল? নিশ্চয়ই তুমি আজ বাড়ি ফিরেছিলে! তা তুমি আমাদের কবে বাঘ দেখাতে নিয়ে যাবে?

    তার প্রশ্নের জবাব না দিয়ে বাঘু এবার একটু ইতস্তত করে বলল, —হ্যাঁ, দেখাব বই কী। কিন্তু তার জন্য আমাকে হাজার টাকা দিতে হবে, আগে আমি টাকার কথা কাউকে বলতাম না। বাঘ দেখার পর খুশি হয়ে যে যা দিত, তাই হাত পেতে নিতাম। কিন্তু এখন আমার টাকা বড় দরকার। আয়লা আমার সব কেড়ে নিয়েছে…।

    বিজন বলল,–তোমার ঘরবাড়ির অবস্থা আমরা নিজের চোখে দেখে এসেছি। তোমার মা-র মুখে কিছুটা শুনেওছি। তোমাকে এ ব্যাপারে আর কিছু বলতে হবে না। তোমাকে হাজার টাকাই দেব।

    –সত্যি হাজার টাকা দেবেন। চকচক করে উঠল বাঘু সর্দারের চোখ।

    —হ্যাঁ, সত্যি দেব। তুমি কাল কখন আমাদের বাঘ দেখাতে নিয়ে যাবে বলো? নিখিল জানতে চাইল।

    বাঘু কয়েক মুহূর্ত চুপ করে থেকে বলল, – আজই, এখন।

    —এই রাতের বেলা। এখনই। বিস্মিত কণ্ঠে নিখিল বলল।

    বাঘু সর্দার হেসে বলল, – হ্যাঁ, এখনই। নদীর ধারে বাঘ আসে সকাল-সাঁঝের গোধূলি বেলায়, আর গভীর রাতে। এক জায়গাতে নদীর চরে বাঘের খোঁচ অর্থাৎ পায়ের ছাপ দেখে এসেছি আমি। বিরাট মদ্দা বাঘ একটা।

    নিখিল বলল, – কিন্তু এত রাতে বাঘ দেখতে যাওয়া কি ঠিক হবে? তা ছাড়া সারেং কি সেখানে এখন লঞ্চ নিয়ে যেতে রাজি হবে?

    বাঘু সর্দার বলল,—রাতে লঞ্চ ছাড়ার নিয়ম নেই। জল পুলিশ ধরবে। তা ছাড়া, লঞ্চের শব্দ কানে গেলে বাঘ দুরে সরে যাবে। এই জেটির নীচে আমার নৌকো রাখা আছে। আপনারা যাবেন সে নৌকাতে। জায়গাটা বেশি দূরে নয়, রাত থাকতেই আবার ফিরে আসব আমরা।

    নিখিল কী সিদ্ধান্ত নেবে বুঝতে না পেরে তাকাল বিজনের দিকে। তারা দুজনেই ভাবতে লাগল কী বলবে বাঘু সর্দারকে।

    তাদের অবস্থা বুঝতে পেরে বাঘু সর্দার হেসে ফেলে বলল, –আপনারা শহরের মানুষরা কিন্তু বেশ ভিতু হন বাবু। একটু সাহস না দেখালে দক্ষিণরায়ের ব্যাটা আপনাদের দেখা দেবেন কেন ? আমার ওপর ভরসা রাখুন। গাং আজ শান্ত আছে। আপনারা তো পাড়েও নামবেন না, বনেও ঢুকবেন না, আপনাদের ভয় কী? এ জঙ্গল আমি হাতের তালুর মতো চিনি। কোনো ভয় নেই আপনাদের। কী সুন্দর জোৎস্না দেখেছেন আজ! নৌকায় দাঁড়িয়ে নদীর চরে জঙ্গলের রাজাকে দেখবেন আপনারা। যে দৃশ্য বাঘু সর্দার আজ আপনাদের দেখাবে তা কোনোদিন ভুলতে পারবেন না। আমি নৌকো বার করছি, আপনারা চলে আসুন।

    বাঘু সর্দারের শেষ কথাগুলোতে এমন একটা আহ্বান ছিল যে নিখিলরা আর তাকে না বলতে পারল না। একটা রশি টেনে বাঘু একটা নৌকা বার করে তাতে উঠে বসল। তারা দুজনও উঠল তাতে। ছই আলা ছোট একটা নৌকা, বাঘু দাঁড় ফেলল জলে।

    নদীর বেয়ে এগিয়ে চলেছে নৌকো। নদীর এপাশ-ওপাশ থেকে বেরিয়ে গেছে নাম না জানা সব গহীন খাঁড়ি। দিনের বেলাতেও সূর্যালোক প্রবেশ করে না। তার দু-পাশে ঘন জঙ্গল, গাছগুলো নুইয়ে পড়েছে নদীর জলে। কী গা ছমছমে পরিবেশ! কোথাও আবার চন্দ্রালোকে উদ্ভাসিত বিস্তীর্ণ জনমানবহীন চর। তার ওপাশে আবার ঘন জঙ্গল। অপার্থিব এক পরিবেশ বিরাজ করছে চারপাশে। নিখিলদের মুখে কোনো কথা নেই। বিস্মিত ভাবে তারা তাকিয়ে দেখছে এই অজানা পৃথিবীকে। মাথার ওপর চাঁদ যেন তাদের দিকে তাকিয়ে রহস্যময় ভাবে হাসছে। ছপছপ শব্দে দাঁড় বেয়ে চলেছে বাঘু। চাঁদের আলো এসে পড়েছে তার মুখে। বাঘু সম্ভবত নিখিলদের থেকে বয়সে কিছু বড় হবে। কিন্তু তাকে দেখে আরও বেশি বয়সি মনে হয়। নোনা জল এ তল্লাটের মানুষদের তাড়াতাড়ি বুড়িয়ে দেয়। বাঘুর মুখে এখন কেমন যেন একটা বিষণ্ণ ভাব। সে মুখের দিকে তাকিয়ে নিখিল ভাবল, বেঁচে থাকার প্রয়োজনে সত্যি কত কষ্ট করতে হয়, এই সব অসহায় মানুষগুলোকে।

    বড় নদী ছেড়ে এক সময় খাঁড়িতে প্রবেশ করল নৌকো। তার দু-পাশে হেঁতালের ঝাড়, মায়ের মাঝে ভূতের মতন দাঁড়িয়ে আছে ঝুপসি গরান-গেঁওয়া। এঁকেবেঁকে খাঁড়ি হারিয়ে গেছে আরও গভীর বনে। মাঝে মাঝে নানা বাঁক। সেখানে অন্য খাঁড়ি এসে মিশেছে। এরকমই একটা খাঁড়ির বাঁকে হঠাৎ কিছু দুরে ঝুপ করে একটা শব্দ হল। কিছুটা জল লাফিয়ে উঠল আকাশের দিকে। শব্দ শুনে নিখিল বলল, — ও কীসের শব্দ ?

    বাঘু সর্দার জবাব দিল,—তেমন কিছু ব্যাপার নয়। একটা কুমির চরে শুয়েছিল। নৌকোর শব্দ শুনে জলে নেমে গেল।

    সে কথাটা তাচ্ছিল্যের ঢঙে বললেও একটু আঁতকে উঠে ছই এর আরও একটু ভিতর দিকে ঢুকে বসল তারা দুজন। তাই দেখে যেন মৃদু হাসল বাঘু। আর এর কিছুক্ষণ পরই মুহূর্তের জন্য ঢেকে গেল চাঁদ। কী হল? কোথা থেকে যেন উঠে এসেছে এক খণ্ড মেঘ। বাঘু একবার আকাশের দিকে তাকিয়ে বলল, – বর্ষার মেঘ। তবে আপনারা ঘাবড়াবেন না। আমি মেঘ চিনি, এ মেঘ গর্জাবে, তবে তেমন জল দেবে না। আপনারা নিশ্চিন্তে থাকুন।

    বিজন বলল, – আমরা কোন দিকে যাচ্ছি?

    বাঘু জবাব দিল,–নেতিধোপানির দিকে, সেখানে চাঁদ সদাগরের ডিঙা লেগেছিল। স্রোতের অভিমুখে তরতর করে এরপর এগিয়ে চলল নৌকো। বাঘুকে আর দাঁড় বাইতে হচ্ছে না। আরও বেশ কয়েকটা টুকরো মেঘ এসে জমা হয়েছে আকাশে। মাঝে মাঝে তারা ঢেকে দিচ্ছে চাঁদকে। কয়েক মুহূর্তের জন্য চারপাশে নেমে আসছে নিশ্ছিদ্র অন্ধকার।

    অবশেষে এক সময় তারা এসে উপস্থিত হল নির্দিষ্ট জায়গাতে। দুটো খাঁড়ি এসে মিশেছে সে জায়গাতে। খাঁড়ির পাড়ে বেশ কয়েকটা চর। আর সেই ফাঁকা জায়গার পর শুরু হয়েছে ঘন জঙ্গল। সেখানে চরের কাছে ডাঙা থেকে হাত পঁচিশের তফাতে জলে আঁকশি ফেলে নৌকা দাঁড় করাল বাঘু। ঠিক সেই সময় ঝিরঝির করে বৃষ্টি শুরু হল। বাঘু আমাদের সতর্ক করে দিয়ে বলল,—আপনারা কিন্তু জলে নামবেন না আর শব্দ করবেন না। সে কাছেই আছে। জলে বা ডাঙায় না নামলে আপনাদের কোনো ভয় নেই। আমি আসছি।

    বিস্মিত নিখিল প্রশ্ন করল। কোথায় যাবে তুমি?

    সে শুধু জবাব দিল, – বাঘ দেখাতে।

    আর তারপরই তাদেরকে হতবাক করে দিয়ে হেঁতালের লাঠি নিয়ে ঝাঁপ দিল জলে। কিছুক্ষণের মধ্যেই বাঘু সাঁতরে উঠে গেল পাড়ে। তারপর নৌকার দিকে তাকিয়ে ইশারায় তাদের চুপ থাকতে বলে কাদা জমি পেরিয়ে ঢুকে গেল জঙ্গলের মধ্যে। কিংকর্তব্যবিমূঢ় নিখিলরা তাকিয়ে রইল চর-জঙ্গলের দিকে।

    ঝিরঝির বৃষ্টি হচ্ছে। খাঁড়ির নোনা বাতাস গায়ে এসে লাগছে। বর্ষার মেঘের যাওয়া আসা মাঝে মাঝেই চারপাশে নামিয়ে আনছে অন্ধকার। মেঘের চাপা গুড়গুড় শব্দও যেন শোনা যাচ্ছে এবার। মুহূর্তে-মিনিট করে সময় এগিয়ে চলেছে। বাঘু কিন্তু জঙ্গল থেকে বেরিয়ে আসছে না। কী হল বাঘুর? তাদের ফেলে রেখে সে কোথায় গেল। বাতাস আরও বাড়ছে, মেঘের গর্জনও ক্রমে স্পষ্ট হচ্ছে।

    এভাবে মিনিট দশেক সময় কেটে গেল। ব্যগ্রভাবে তারা দুজন তাকিয়ে আছে চরের দিকে। ক্রমে একটা চাপা আশঙ্কা দানা বাঁধতে শুরু করল তাদের মনে। বাঘু যদি আর না আসে তবে তারা দুজন ফিরবে কীভাবে?

    বিজন চাপা স্বরে বলেই ফেলল, – এ ভাবে এসে আমরা ঠিক করিনি। ঈষৎ কাঁপা-কাঁপা শোনাল তার গলা। নিখিল নিশ্চুপ। আর এরপরই একটা বড় মেঘ ঢেকে দিল চাঁদকে। কিন্তু আগের মুহূর্তেই নিখিল যেন দেখল বাঘু বেরিয়ে আসছে জঙ্গল থেকে!

    সে কি ঠিক দেখল? কিন্তু তা বোঝার উপায় নেই। মেঘটা সরছে না, কালো চাদরে মুড়ে রয়েছে চর। তা আকাশে কয়েকটা রূপালি রেখা মাঝে মাঝে খেলা করছে ঠিকই, কিন্তু তার আলো পৃথিবী স্পর্শ করছে না।

    বাতাস আরও বাড়ল। এবার বেশ জোরে দুলতে শুরু করল নৌকা। বৃষ্টি ভিজিয়ে দিচ্ছে তাদের সর্বাঙ্গ। আপ্রাণ ভাবে তারা দেখার চেষ্টা করছে চরটা। না, এভাবে আর থাকা যাবে না। আতঙ্কিত নিখিল বাঘুর নাম ধরে ডাকতে যাচ্ছিল, ঠিক সেই সময় সারা আকাশ ফালা ফালা করে বিদ্যুৎ চমকে উঠল। কয়েক মুহূর্তের জন্য দিনের আলোর মতো আলোকিত হয়ে উঠল চারপাশ। আর সেই আলোতে এক অদ্ভুত দৃশ্য স্পষ্ট দেখতে পেল নিখিলরা। জলের একদম ধারে নৌকার দিকে পিছন ফিরে হেঁতালের লাঠি হাতে দাঁড়িয়ে আছে বাঘু সর্দার, আর তার হাত পনেরো তফাতে তার দিকে তাকিয়ে দাঁড়িয়ে আছে একটা বিরাটাকার প্রাণী। তার চোখ দুটো আগুনের গোলার মতো জ্বলছে। বিদ্যুতের ঝলকে তার কালো ডোরাকাটা উজ্জ্বল হলুদ দেহ আরও উজ্জ্বল হয়ে উঠেছে। আর এরপরই চরাচর কাঁপিয়ে প্রচণ্ড শব্দে বাজ পড়ল। আর তার সঙ্গে মিশে গেল আরও একটা গর্জন। পর মুহূর্তেই আবার অন্ধকারে ঢেকে গেল সব কিছু। গলার শব্দ হারিয়ে ফেলেছে নিখিলরা। নৌকার ছই ধরে কোনোমতে তারা দাঁড়িয়ে। আতঙ্কিত অসাড় দেহ। কী হল বাঘু সর্দারের?

    আর এরপরই তাদের মনে হল কে যেন সাঁতরে নৌকার দিকে আসছে। বাঘটা নাকি? মনের সব শক্তি এক করে কাঁপা কাঁপা হাতে বৈঠাটা উঠিয়ে নিল নিখিল। বাঁচার একটা শেষ চেষ্টা করার জন্য হাতিয়ারের মতো সে বাগিয়ে ধরল বৈঠাটা। কিন্তু নৌকায় যে উঠে এল সে বাঘ নয়, বাঘু সর্দার। নৌকায় উঠে সে চটপট নোঙর তুলে নিখিলের হাত থেকে বৈঠা নিয়ে চাপা স্বরে বলল চটপট দূরে সরে যেতে হবে। ও এখনও নদীর পাড়ে দাঁড়িয়ে। কথাটা শেষ করেই ছপাছপ শব্দে দাঁড় বইতে লাগল বাঘু।

    পাড় থেকে আরও কিছুটা এগোতেই মেঘটা হঠাৎই চাঁদের থেকে সরে গেল। আবার চাঁদের আলোতে স্পষ্ট হয়ে উঠল চর। সেদিকে আঙুল তুলে বাঘু বলে উঠল ওই দেখুন বাবু, এখনও ওখানে দাঁড়িয়ে। আমি তো জঙ্গলে ঢুকে আমার পিছন পিছন টেনে আনলাম। নিখিলরা চরের দিকে তাকাতেই দেখতে পেল তাকে। ঝিরঝিরে বৃষ্টির মধ্যে জলের পাড়ে চাঁদের আলোতে দাঁড়িয়ে প্রাণীটা। বিরাট একটা বাঘ! জ্বলন্ত দৃষ্টিতে সে তাকিয়ে আছে দ্রুত সরে যাওয়া নৌকাটার দিকে। আর এরপরই নিষ্ফল আক্রোশে গর্জন করে উঠল প্রাণীটা। সে গর্জনে কেঁপে উঠল চরাচর। পরমুহূর্তেই বাঘু সর্দার হেসে উঠে বলল, –ও ব্যাটাকে আজ খুব ঠকালাম ! ব্যাটা মানুষখেকো!

    ক্রমে ক্রমে সেই চর থেকে দূরে সরে গেল নৌকা। মিলিয়ে গেল সেই চর। কিছুটা ধাতস্থ হওয়ার পর নিখিল বলল, –তুমি এই ভয়ঙ্কর কাজটা করতে গেলে কেন? টোপ হয়ে বাঘটাকে টেনে আনলে? ওরকম একটা হিংস্র প্রাণী। যদি কোনো দুর্ঘটনা হত?

    কয়েক মুহূর্ত চুপ করে থেকে বিষণ্ণ হেসে বাঘু সর্দার বলল, –বাঘের থেকেও হিংস্র কে জানেন? আমাদের মতো গরিব মানুষের পেটের খিদে। এর জন্য মানুষ সব কিছু করতে পারে, সব কিছু করে। বাঘ-সাপ- বন্দুক-কামান- সব কিছুর সামনেই পেটের তাগিদে দাঁড়াতে হয় মানুষকে।

    তারপর সে বলল, –আপনাদের একটা কাজ করে দিতে হবে বাবু। টাকাটা আমি হাতে নেব না। ফেরার পথে টাকাটা আপনারা আমার মায়ের হাতে দিয়ে যাবেন। আপনারা তো সে পথেই ফিরবেন। আমার জন্য দয়া করে যদি একটু কষ্ট করেন।

    নিখিল বলল, –তা না হয় করব।। কিন্তু তুমি বাড়ি যাবে না?

    বাঘু সর্দার জবাব দিল,—না এখন ফেরা হবে না। আমার আরও টাকার দরকার। বুড়ি মা-টাকে দেখতে হবে, ছেলেটাকে মানুষ করতে হবে। আমি এখন এদিকেই থাকব। দেখি যদি আবার কেউ বাঘ দেখতে যেতে চায়।

    আর কোনো কথা বলল না বাঘু সর্দার। সে চুপচাপ দাঁড় বাইতে লাগল। সজনেখালির জেটিতে যখন নৌকা এসে ভিড়ল তখন বৃষ্টি থেমে গেছে। চাঁদ আবার হাসছে।

    তার প্রতিবিম্ব ধরা দিচ্ছে জলে, মেঘহীন আকাশে ছড়ানো খইয়ের মতো ফুটে আছে অসংখ্য নক্ষত্র।

    নিখিল আর বিজন নৌকো থেকে নামার পর বাঘু সর্দার তার লাঠিটা নিখিলের দিকে এগিয়ে দিয়ে বলল,—এটা রাখুন। এটা দেখলে আমার কথা মনে পড়বে আপনার। কেউ যদি সুন্দরবনের বাঘ দেখতে আসে, তাকে বলবেন আমার কথা। আমি তাকে ঠিক বাঘ দেখিয়ে দেব। এই গরিব মানুষটাকে আপনারা ভুলবেন না। আমি এখন চলি। বাবু

    নিখিল বলল, – তুমি এখন কোথায় যাচ্ছ?

    প্রশ্নটা যেন কানে গেল না বাঘুর। সে দাঁড় টানতে শুরু করল। তার নৌকা হারিয়ে গেল নদীর বাঁকে। এক আশ্চর্য অভিজ্ঞতার স্মৃতি নিয়ে মাঝরাতে নিখিলরা ফিরে এল টুরিস্ট লজে।

    পরদিন ঘুম ভাঙতে একটু দেরি হল দুজনের। ইতিমধ্যে লোকজন জেটিতে পৌঁছে লঞ্চে উঠে গেছে। নিখিলরা যখন জেটিতে পৌঁছল তখন প্রায় আটটা বাজে। আসল জিনিস দেখিয়ে দিয়েছে বাঘু সর্দার। আজ তারা লঞ্চে সুন্দরবনের দর্শনে বেরোবে। জেটিতে একটা চা-দোকান। লঞ্চে ওঠার আগে তারা চা খাবার জন্য দোকানটাতে ঢুকল। উনোনের সামনে দোকানি ছাড়া দোকানের ভিতর এক কোণে একটা টেবিলে বসে ছিল একজন মাত্র লোক, তাকে দেখে নিখিল বলে উঠল, – আরে তুমি হারান না? বাঘুর সঙ্গে থাকো না? মনে আছে, গত বছর বাঘুর বাড়িতে তোমার সঙ্গে দেখা হয়েছিল।

    হারান কিছুক্ষণ নিখিলের দিকে ফ্যালফ্যাল করে তাকিয়ে থাকার পর বলল,—হ্যাঁ চিনতে পারছি। কিন্তু…

    — কিন্তু কী? জানতে চাইল নিখিল।

    হারান ইশারায় তার পাশে বসতে বলল তাদের। তারা বসার পর সে চাপা স্বরে বলতে শুরু করল,— দিন সাতেক আগে একটা পয়সাওয়ালা পার্টি এসেছিল, বাঘ দেখাতে পারলে অনেক টাকা দেবে বলেছিল তারা। নৌকা নিয়ে তাদের লঞ্চকে পথ দেখিয়ে, নেতিধোপানির কাছে এক চরে নিয়ে গেলাম আমি আর বাঘু সর্দার। আগের দিন বিকালেই সে চরে বাঘের টাটকা পায়ের ছাপ দেখেছি আমরা। যাই হোক চরের কাছাকাছি নদীতে নোঙর করল লঞ্চ। তার পাশে নৌকা নিয়ে আমরা। সময় কাটাতে লাগল, কিন্তু বাঘের দেখা নেই। অথচ আমাদের স্থির বিশ্বাস বাঘটা কাছাকাছি আছে। এক সময় লঞ্চের লোকজন অধৈর্য হয়ে আমাদের গালাগাল করে ফিরে যেতে চাইল। আমি তাই তাদের বোঝাবার জন্য নৌকা ছেড়ে লঞ্চে উঠলাম। তাদের বাঘ দেখাতে না পারলে টাকাগুলো ফস্কে যাবে। হয়তো তাদের আর কিছুক্ষণ আটকে রাখতে পারলে বাঘের দেখা মিলতে পারে। আমি যখন তাদের বোঝাচ্ছি, তখন এক অদ্ভুত কাণ্ড করল বাঘু সর্দার।

    নৌকা পাড়ে ভিড়িয়ে চরে নেমে পড়ল। তার নিশ্চিত ধারণা ছিল বাঘটা কাছাকাছিই কোথাও আছে। শিকার দেখে সে যদি বেরিয়ে আসে তবে সে একছুটে নৌকায় উঠে পড়বে।

    কাদা জমি ধরে জঙ্গলের দিকে এগিয়ে গেল সে। তার অনুমান কিন্তু মিথ্যা ছিল না। একটা গরান গাছের আড়াল থেকে বেরিয়ে এল সেই ভয়ংকর প্রাণীটা, তারপর বিদ্যুৎ গতিতে ছুটল বাঘু সর্দারকে ধরার জন্য। বাঘু সর্দারও নৌকার দিকে ছুটল। কিন্তু পাড়ের কাছাকাছিতে কাদামাটিতে পড়ে গেল সে। লম্বা লাফে হিংস্র প্রাণীটা ধরে ফেলল তাকে। তারপর আমাদের চোখের সামনেই….। বাঘু সর্দারের নৌকোটা এ জেটিতেই নিয়ে এসেছে ফরেস্ট ডিপার্টমেন্টের লোকেরা। আমি সেটা ছাড়িয়ে নিয়ে যেতে এসেছি…।

    আর কথা বলতে পারল না হারান। সে কান্নায় ভেঙে পড়ল। হতবাক নিখিল আর বিজন তাকিয়ে রইল বাঘু সর্দারের শাকরেদের দিকে। নিখিলের হাতে এখনও ধরা আছে বাঘু সর্দারের হেঁতালের লাঠিটা।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleতবু অনন্ত জাগে – ইন্দ্রনীল সান্যাল
    Next Article কলকাতা নুয়া – রাজর্ষি দাশ ভৌমিক

    Related Articles

    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    অ্যাডভেঞ্চার সমগ্র ৩ – হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    July 25, 2026
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    বিষ্ণুলোকে সন্ধ্যা নামে – হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    March 20, 2026
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    সাদা বিড়াল – হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    January 31, 2026
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    নেকড়ে খামার – হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    December 10, 2025
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    অ্যাডভেঞ্চার সমগ্র ১ – হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    December 10, 2025
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    অ্যাডভেঞ্চার সমগ্র ২ – হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    December 9, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    अनीश दास
    मौलाना शाह वलीउल्लाह
    रेवरेंड के. के. जी. सरकार
    অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত
    অঁতোয়ান দ্য সাঁত-এক্সুপেরি
    অনন্যা পাল
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অনীশ দেব
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অবনীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    অভিজ্ঞান রায়চৌধুরী
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক দত্ত
    অভীক সরকার
    অমরেন্দ্র চক্রবর্তী
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অরিন্দম দেবনাথ
    অর্পিতা সরকার
    অশোককুমার মিত্র
    অসম্পূর্ণ বই
    আখতারুজ্জামান ইলিয়াস
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুর রহমান আল-আরিফি
    আবদুল হালিম
    আব্দুল মালেক আলী আল-কুলাইব
    আব্দুল হামীদ ফাইযী
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    কৌশিক সামন্ত
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোপেন্দ্র বসু
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভট্টাচার্য
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ড. পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যজ্যোতি মজুমদার
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বাণ রায়
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পরিমল ভট্টাচার্য
    পরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিয়োদর দস্তইয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণু শর্মা
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাসরুর আরেফিন
    মাহতাব উদ্দিন
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    মোহিত কামাল
    রকিব হাসান
    রজতশুভ্র মজুমদার
    রঞ্জন বন্দ্যোপাধ্যায়
    রণদীপ নন্দী
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রশীদ করীম
    রাজর্ষি দাশ ভৌমিক
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    রাফিক হারিরি
    রেভারেণ্ড কে. কে. জি. সরকার
    লীলা মজুমদার
    লেইল লোনডেস
    লেখক
    শওকত আলী
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শঙ্কর চ্যাটার্জী
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শহীদুল্লা কায়সার
    শাক্যজিৎ ভট্টাচার্য
    শাক্যজিৎ ভট্টাচাৰ্য্য
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শাহীন আখতার
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শৈবাল মিত্ৰ
    শ্যামল গঙ্গোপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রীপারাবত
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঙ্গীতা বন্দ্যোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সন্তোষকুমার ঘোষ
    সন্দীপন চট্টোপাধ্যায়
    সন্মাত্রানন্দ
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমীরণ গুহ
    সমুদ্র পাল
    সম্পাদনা : শৈলেন্দ্র হালদার
    সরদার ফজলুল করিম
    সরোজকুমার রায়চৌধুরী
    সাগরময় ঘোষ
    সাদাত হোসাইন
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সায়ক আমান
    সায়ন্তনী পূততুণ্ড
    সায়ন্তনী পূততুন্ড
    সায়ন্তনী পূততুন্ড
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুপ্রতিম সরকার
    সুব্রত গুহ
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সেলিনা হোসেন
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৈয়দ মুস্তাফা সিরাজ
    সৈয়দ শামসুল হক
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বপ্নময় চক্রবর্তী
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্মরণজিৎ চক্রবর্তী
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হরিশংকর জলদাস
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ইতি স্মৃতিগন্ধা – সাদাত হোসাইন

    September 5, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ইতি স্মৃতিগন্ধা – সাদাত হোসাইন

    September 5, 2026
    Our Picks

    ইতি স্মৃতিগন্ধা – সাদাত হোসাইন

    September 5, 2026

    অশ্বত্থামা হত – ড. পার্থ চট্টোপাধ্যায়

    September 5, 2026

    ঈশ্বরপুরের প্রেমকথা – দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য

    September 5, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }