Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    কলকাতা নুয়া – রাজর্ষি দাশ ভৌমিক

    July 27, 2026

    গা-ছমছমে ভৌতিক অলৌকিক – হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    July 27, 2026

    তবু অনন্ত জাগে – ইন্দ্রনীল সান্যাল

    July 25, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    গা-ছমছমে ভৌতিক অলৌকিক – হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত এক পাতা গল্প169 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    হরর হাউস

    বিভাস আবারও ডায়াল করল মিস্টার চৌধুরির নম্বরে। কিন্তু ওপাশে রিং টোনের বদলে সেই একই রকম গোঁ গোঁ শব্দ! কয়েক মুহূর্তের মধ্যেই যান্ত্রিক কণ্ঠস্বর জানিয়ে দিল, ‘আপনি যার সঙ্গে যোগাযোগ করার চেষ্টা করছেন, এই মুহূর্তে তার সঙ্গে যোগাযোগ সম্ভব হচ্ছে না। দয়া করে আবার চেষ্টা করুন।’

    চৌধুরির সঙ্গে কথা বলার চেষ্টাও তো করছে বিভাস। এই নিয়ে বার সাতেক তার নম্বরে ডায়াল করেছে সে। কিন্তু কিছুতেই তাকে মোবাইলে ধরা যাচ্ছে না। বিভাসের মনে হল, বুদ্ধি করে যদি সে অ্যামিউজমেন্ট পার্কের টেলিফোন নম্বরটা তাঁর কাছ থেকে চেয়ে রাখত তবে ভালো হত।

    বিভাস জানলার পর্দা সরিয়ে বাইরের দিকে তাকাল। আকাশে ঘর কালো মেঘ। বৃষ্টি থামারও কোনো লক্ষণ নেই। হোটেলের জানলা দিয়ে অনেক নীচে দেখা যাচ্ছে শুনশান রাস্তা। মাঝ দুপুরেই যেন রাত নেমে এসেছে। উত্তরবঙ্গ থেকে আজ সকালে যখন বিভাস কলকাতায় পা রেখেছে, তখন থেকে সে দেখছে একইরকম বৃষ্টি। হোটেলের রুম সার্ভিসের ছেলেটা কিছুক্ষণ আগে লাঞ্চ দিতে এসে বলে গেল, আবহদপ্তর নাকি বলেছে আরও ২৪ ঘণ্টা দক্ষিণবঙ্গে নিম্নচাপের প্রভাব থাকবে, অর্থাৎ বৃষ্টি হবে।

    মিস্টার চৌধুরিকে না ধরতে পেরে বিভাস এবার ফোন করল শিলিগুড়িতে তাদের কোম্পানির এম. ডি. সান্যাল সাহেবকে। সে সান্যাল সাহেবকে বলল, ‘স্যার, মিস্টার চৌধুরিকে তো কিছুতেই এখন টেলিফোনে ধরতে পারছি না। কাল রাতে আমার সঙ্গে ওনার শেষ কথা হয়েছে। উনি বলেছেন বিকাল চারটে নাগাদ পার্কে পৌঁছতে। কিন্তু কলকাতায় প্রচণ্ড বৃষ্টি …।’ সান্যাল সাহেব জিগ্যেস করলেন, আপনি পার্কে যাওয়ার জন্য গাড়ির ব্যবস্থা করেছেন? বিভাস জবাব দিল, ‘হ্যাঁ, হোটেলের গাড়ি বলে রেখেছি। ওরা বলল ও জায়গাতে পৌঁছতে দু-ঘণ্টার মতো সময় লাগবে।

    সান্যাল সাহেব বললেন, ‘মিস্টার চৌধুরির সঙ্গে কথা তো হয়েই আছে। আপনি বরং বেরিয়ে পড়ুন। কোনো কারণে পার্কে গিয়ে যদি ওর দেখা না পান, তবে সাধারণ দর্শকদের মতো টিকিট কেটে “হরর হাউসটা” দেখবেন। একটা ধারণা হবে আপনার। পরশু বোর্ড মিটিং। আপনার রিপোর্টের ওপর ভিত্তি করে ওই মিটিং-এ কোম্পানি সিদ্ধান্ত নেবে আমাদের পার্কে আমরা ওরকম একটা হরর হাউস বানাব কি না?’ এই বলে ফোনে লাইন কেটে দিলেন এম. ডি. সাহেব।

    এম.ডি সাহেব যখন নির্দেশ দিলেন তখন পার্কটাতে যেতেই হবে বিভাসকে। তাঁর নির্দেশ মতো বিভাস কিছুক্ষণের মধ্যেই গাড়ি নিয়ে বেরিয়ে পড়ল নির্দিষ্ট গন্তব্যে। গাড়িতে ওঠার পর বিভাস ড্রাইভারকে পার্কটার নাম বলে জানতে চাইল, ‘আপনি ওই পার্কে গেছেন কোনোদিন ?”

    ড্রাইভার ভদ্রলোক জবাব দিলেন, ‘হাইওয়ে দিয়ে যাওয়ার সময় বাইরে থেকে পার্কটা দেখেছি। ভিতরে ঢুকিনি। তবে অনেকেই তো বাচ্চাদের নিয়ে বেড়াতে যায় ওখানে। ছুটির দিনে খুব ভিড় হয়। আমার পাড়ার একজন তার ছেলেমেয়েদের নিয়ে ওখানে বেড়াতে গেছিল কিছুদিন আগে। সে ঘুরে এসে বলল, পার্কের ভিতর নাকি একটা ভূতের বাড়ি তৈরি হয়েছে, সেটা দারুণ! বড়রা পর্যন্ত নাকি সেখানে ঢুকলে ভয় পেয়ে যায়!’

    ড্রাইভার ভদ্রলোকের কথা শুনে বিভাস বুঝতে পারল তাহলে মিস্টার চৌধুরি যা বলেছেন তা মিথ্যা নয়, সত্যি তা হলে বাড়িটা মানুষকে আকর্ষণ করছে। গাড়ি চালাতে চালাতে ড্রাইভার ভদ্রলোক এরপর জানতে চাইলেন, ‘আপনি কি কাজে যাচ্ছেন ওখানে? নাকি বেড়াতে?”

    বিভাস মৃদু হেসে জবাব দিল, ‘আমি ওই ভূতের বাড়িটাই দেখতে যাচ্ছি।’ তার কথা শুনে গাড়ি চালাতে চালাতে হাসলেন ভদ্রলোক। এমন ভাবে হাসলেন যে বিভাসের মনে হল তিনি যেন বিশ্বাস করলেন না তার কথা।

    অথচ বিভাস তো সত্যিই বাড়িটা দেখতে যাচ্ছে। বিভাসদের কোম্পানির নানারকম ব্যবসা আছে। রিয়েল এস্টেট, হোটেল, টি গার্ডেন এসব। সম্প্রতি তারা একটা অ্যামিউজমেন্ট পার্কও বানিয়েছে। সেই পার্কের ম্যানেজারের দায়িত্ব পেয়েছে বিভাস। সে এখন যে পার্কে যাচ্ছে সেখানকার হরর হাউজের কথা কানে গেছে বিভাসদের কোম্পানির। ব্যাপারটা যদি লোক টানতে পারে তাহলে বিভাসদের পার্কেও ওরকম একটা ভূতের বাড়ি বানানো হবে। সে কারণেই একটা সূত্র ধরে তাদের কোম্পানি যোগাযোগ করেছে, এখানকার পার্কে যিনি ওই হরর হাউজটা বানিয়েছেন সেই মিস্টার চৌধুরি বলে ইঞ্জিনিয়র ভদ্রলোকের সঙ্গে। মিস্টার চৌধুরির সঙ্গে তাদের কোম্পানির যোগাযোগের ব্যাপারে একটা চাপা গোপনীয়তাও আছে। কারণ কোনো কোম্পানিই চায় না যে তাদের ব্যবসায় অন্য কেউ ভাগ বসাক। বিভাস পার্কে যাচ্ছে মিস্টার চৌধুরির গেস্ট পরিচয়ে, কোম্পানির পরিচয়ে নয়। তেমনই কথা হয়ে আছে মিস্টার চৌধুরির সঙ্গে।

    এ সব ব্যাপার অবশ্য ড্রাইভারের সঙ্গে আলোচনার বিষয় নয়। তাই ভদ্রলোক হাসলেও বিভাস এ প্রসঙ্গে আর কোনো কথা বলল না তার সঙ্গে। কিছু সময়ের মধ্যেই বিভাসদের গাড়ি কলকাতা শহর ছেড়ে বেরিয়ে পড়ল। বৃষ্টি যেন আরও বাড়ছে। পথঘাট যেন ক্রমশ ঝাপসা হয়ে আসছে। তার মধ্যে দিয়ে এগিয়ে চলল গাড়ি।

    বাইরের এক ঘেয়ে বর্ষণসিক্ত অস্পষ্ট দৃশ্যপট দেখতে দেখতে এক সময় ঘুমিয়ে পড়েছিল বিভাস। ড্রাইভারের ডাকে ঘণ্টা দুই পর ঘুম ভাঙল তার। ‘স্যার আমরা এসে গেছি।’

    বিভাস বাইরে তাকিয়ে দেখতে পেল অ্যামিজউমেন্ট পার্কের বিরাট তোরণের কিছুটা তফাতে দাঁড়িয়ে আছে তারা। বিভাসের ঘড়িতে প্রায় পাঁচটা বাজে। বৃষ্টির জন্য ধীরে চালাতে হয়েছে গাড়ি। এক ঘণ্টা বাড়তি সময় লেগেছে আসতে। কয়েক মুহূর্ত মানসিক প্রস্তুতি নিয়ে গাড়ির লুকিং গ্লাসে নিজেকে একবার দেখে নিয়ে গাড়ি থেকে নেমে পড়ল বিভাস।

    ঘন কালো মেঘে ছেয়ে আছে আকাশ। যেন এখনই অন্ধকার নামবে। তবে বৃষ্টিটা কিছুক্ষণের জন্য থেমেছে। এটা একটা ভালো ব্যাপার। গাড়ি থেকে নেমে বিভাস চারদিকে তাকাল। পার্কের প্রবেশ তোরণের শান বাঁধানো বিশাল চত্বরটা একদম ফাঁকা। কোথাও কোনো লোকজন নেই। তোরণের এক পাশে সার বেঁধে দাঁড়িয়ে থাকা ছোট ছোট আইসক্রিম, ফাস্ট ফুডের স্টলগুলোও শাটার নামানো। বৃষ্টির জন্যই সম্ভবত কোনো টুরিস্ট আসেনি। বিভাস এগোল গেটের দিকে।

    গেটের গায়ে একটা বোর্ড ঝুলছে— ‘পার্ক ক্লোজড।’ তার লাগোয়া টিকিট কাউন্টারও বন্ধ। বাইরে থেকে উঁকিঝুঁকি দিয়েও ভিতরে কেউ নজরে পড়ল না। বিভাস হাঁক দিল, ‘ভিতরে কেউ আছেন?’

    বার কয়েক হাঁক দেওয়ার পরও কোনো সাড়া মিলল না। একটু ভয়ই পেয়ে গেল বিভাস পার্কে কেউ নেই নাকি? এত দূর এসে তাকে কি ফিরে যেতে হবে? মিস্টার চৌধুরির তো থাকার কথা ছিল…..

    পকেট থেকে মোবাইল বার করে সে রিং করল মিস্টার চৌধুরির নম্বরে। কয়েক মুহূর্তের মধ্যেই এবার বিভাস শুনতে পেল রিং টোন। উজ্জ্বল হয়ে উঠল তার মুখ। আর একই সঙ্গে সে শুনতে পেল কাছেই কোথায় যেন একটা মোবাইল বাজছে। আর এরপরই সে দেখতে পেল প্ৰবেশ তোরণের থামের আড়াল থেকে হঠাৎই বেরিয়ে এল একজন লোক। তাঁর পরনে পুরোদস্তুর সাহেবি পোশাক। কোট-হ্যাট। তার মাথার টুপিটা মুখটাকে অনেকখানি আড়াল করে রেখেছে। লোকটা জিগ্যেস করল, ‘আপনি কি বিভাস মজুমদার ? নর্থ বেঙ্গল থেকে আসছেন?’

    বিভাস সঙ্গে-সঙ্গে জবাব দিল, ‘হ্যাঁ, আমিই মিস্টার চৌধুরির কাছে এসেছি।’ তার কথা শোনার সঙ্গে সঙ্গে লোকটা আবার থামের আড়ালে অদৃশ্য হয়ে গেল। আর তার কয়েক মুহূর্তের মধ্যে প্রবেশ তোরণের মূল দরজার পাশে একটা ছোট দরজা খুলে গেল। দরজার ওপাশে দাঁড়িয়ে আছে সেই লোকটা। বেশ আন্তরিকতার সঙ্গে লোকটা বিভাসের উদ্দেশে বললেন, ‘আসুন, আসুন মিস্টার মজুমদার। আমি নিশীথ চৌধুরি। আপনার জন্যই অপেক্ষা করছিলাম।’

    পার্কের ভিতর পা রাখল বিভাস। সে আগে কোনোদিন মিস্টার চৌধুরিকে দেখেনি। যা কথাবার্তা সব টেলিফোনেই হয়েছে। ভদ্রলোক টুপিটা খুললেন। ফরসা মুখশ্রী, নিখুঁতভাবে কামানো দাড়ি-গোঁফ। ঘন ভ্রুর নীচে চোখ দুটো বেশ উজ্জ্বল। ঠোঁটের কোণে লেগে আছে হালকা হাসির রেশ। ভদ্রলোকের অবয়ব বেশ সুন্দর। বয়স মনে হয় বছর পঞ্চাশ হবে।

    বিভাস তার সঙ্গে করমর্দন করে একটু হেসে বলল, ‘আমি তো বেশ ভয়ই পেয়ে গেছিলাম! চারপাশে কাউকে দেখতে পাচ্ছিলাম না!’

    নিশীথবাবু বললেন, ‘আজ তো বুধবার। পার্ক বন্ধ থাকে। আর বৃষ্টি বলে পার্কের বাইরেও কোনো লোক নেই।

    বিভাস বলল, ‘আমি আপনাকে অনেকবার ফোন করার চেষ্টা করেছি, কিন্তু কিছুতেই লাইন পেলাম না।”

    তিনি বললেন, ‘হ্যাঁ, আমার মোবাইলে কী একটা গণ্ডগোল হয়েছে। মাঝে মাঝে সব যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে যাচ্ছে। এবার চলুন, আপনি যেটা দেখতে এসেছেন, সেখানে আপনাকে নিয়ে যাই।’

    নিশীথবাবুর পিছন পিছন এরপর হাঁটতে শুরু করল বিভাস। রাস্তার দু-পাশে সুন্দর ভাবে সাজানো ফুলের বাগান, বাহারি গাছ। মাঝে মাঝে কিছুটা করে উন্মুক্ত জায়গা। সেখানে কোথাও দাঁড়িয়ে আছে বিরাট কোস্টার রাইড, কোথাও উঁচু যান্ত্রিক নাগরদোলা ইত্যাদি। আনন্দদানের উপকরণ, যেসব দেখা যায় এ ধরনের পার্কে। বিভাসদের পার্কেও এসব আছে। এই পার্ক নিশ্চয়ই অন্য সময় টুরিস্টদের চিৎকার-উল্লাসে আর রাইডগুলোর যান্ত্রিক শব্দে মুখরিত হয়ে থাকে, কিন্তু এখন সব নিস্তব্ধ। ভূতের মতো দাঁড়িয়ে আছে বিরাট বিরাট রাইডগুলো। যেতে যেতে নিশীথবাবু বললেন, ‘চারপাশে লোকজন না থাকলেও যেখানে যাচ্ছি সেখানে কিন্তু লোকজন আছে। আমার সহকর্মীরা ওখানে আপনার জন্য অপেক্ষা করছেন।

    বিভাস তাঁকে জিগ্যেস করলে, ‘এই হরর হাউসের আইডিয়া আপনার মাথায় এল কী ভাবে?”

    নিশীথবাবু বললেন, ‘আমি তো পেশায় ইলেকট্রিকাল ইঞ্জিনিয়র। কর্মসূত্রে বেশ কয়েকবছর ইউরোপের বিভিন্ন দেশে কাটাই। বছর পনেরো আগে হাঙ্গেরিতে এরকম একটা “হরর হাউস” আমি দেখি। ওর নাম “ড্রাকুলা ক্যাসল”। ড্রাকুলা ব্যাপারটা তো ও দেশে বেশ জনপ্রিয়। তখনই ব্যাপারটা আমার মাথায় খেলা করে। আমিও যদি ওরকম একটা বাড়ি কোনোদিন বানাতে পারি। মনস্তত্ত্ববিদরা বলেন মানুষ ভয় পেতেও ভালোবাসে, যদি সে ভয় মানুষের ক্ষতির কারণ না হয়। সে কারণে মানুষ ভূতের গল্প পড়ে, হরর ফিল্ম দেখে। আমাদের এ বাড়িটা দেখতে তো প্রচুর মানুষের ভিড় হয়। এখানে বাড়িটা, ইলেকট্রিক, ইলেকট্রনিক্স আর ম্যানুয়াল— এই তিন ধরনের ব্যাপার দিয়ে সাজানো হয়েছে। এ ছাড়া মেকানিক্যাল ব্যাপার তো থাকবেই।’ এর পর একটু হেসে নিশীথবাবু বললেন, ‘আমার নামটার সঙ্গে কিন্তু একটা ভয়ের ব্যাপার জড়িয়ে আছে।’

    —’কীরকম?’ জানতে চাইল বিভাস।

    —‘নিশীথ’ মানে তো রাত্রি, আর রাত মানে অন্ধকার। আর যেখানে অন্ধকার সেখানেই ভূত। আমার নামের জন্যই মনে হয় ছোটবেলা থেকে আমারও ভূতের প্রতি প্রচণ্ড আকর্ষণ। ছোটবেলায় পড়ার বইয়ের আড়ালে ভূতের গল্পের বই লুকিয়ে পড়তে গিয়ে অনেকবার মারও খেয়েছি।’ কথা শেষ করে হাসলেন ভদ্রলোক। নিশীথবাবুর কথা শুনে এবার হেসে ফেলল বিভাসও।

    কথা বলতে বলতে এক সময় তারা পৌঁছে গেল পার্কের শেষ প্রান্তে সেই বাড়িটার সামনে।

    অন্ধকার আরও গাঢ় হয়েছে! তখনই আবার বৃষ্টি নামবে মনে হয়। বিভাসদের সামনে আধো অন্ধকারের মধ্যে দাঁড়িয়ে আছে বিরাট বাড়িটা। প্রাচীন ইউরোপীয় স্থাপত্যের আদলে তৈরি বাড়িটা। পাথরের তৈরি, শ্যাওলার ছোপ ধরা, গবাক্ষ, গম্বুজওয়ালা একটা ভৌতিক বাড়ি। সারা বাড়ি অন্ধকার, শুধু দোতলার একটা অলিন্দের ঘসা কাচের শার্সির আড়াল থেকে একটা ম্যাটম্যাটে হলদেটে আলো আসছে। সেই আলো আর বাইরের আধো অন্ধকার সত্যিই বাড়িটাকে যেন ভৌতিক করে তুলেছে। যেন বাড়িটা সত্যিই ভূতের। দেখলেই ভিতরটা কেমন ছ্যাৎ করে ওঠে।

    নিশীথবাবু বললেন, ‘আমরা এ-বাড়ির নাম দিয়েছি— “ব্যারন হাউস”। অর্থাৎ প্রাচীন ইউরোপীয় ভূস্বামীদের বাড়ি। ও বাড়িগুলো এরকমই। আমি কয়েকটা দেখেছি। নানা ভৌতিক গল্প জড়িয়ে থাকে ওই সব বাড়ির সঙ্গে। বাইরে থেকে কেমন লাগছে বাড়িটা?”

    বিভাস বলল, ‘দারুণ! এ ধরনের বাড়ির ছবি আমি বইতে দেখেছি। হুবহু সেরকম।’

    নিশীথবাবু বললেন, ‘চলুন এবার ভিতরে যাওয়া যাক।’

    প্রবেশ তোরণের গায়েই একটা ছোট টিকিট কাউন্টার। বাইরে থেকে বোঝা না গেলেও তার ভিতর একজন তরুণী বসে আছে। সে টিকিট দেয়। একটা নীল আলো জ্বলছে ঘরটার ভিতর। ঘরটার পাশ দিয়ে যাওয়ার সময় সেই মেয়েটি বিভাসদের দিকে তাকিয়ে হাসতেই তার লাল টুকটুকে ঠোঁটের আড়াল থেকে উঁকি মারল ধবধবে সাদা স্বদন্ত। গল্পের ভ্যাম্পায়ার গার্লদের যেমন থাকে। বিভাস বুঝতে পারল, ভয় দেখানোর ব্যাপারটা তাহলে টিকিট কাউন্টার থেকেই শুরু হয়।

    ক্যাচ ক্যাচ শব্দে খুলে গেল জমিদার বাড়ির প্রবেশ মুখের ভারী দরজা। সত্যিই যেন কোনো প্রাচীন বাড়িতে প্রবেশ করল বিভাস। অন্ধকার পথ এগিয়েছে সামনের দিকে। মাইক্রোফোনে রহস্যময় গলায় অদৃশ্য কেউ বাড়িটার সম্বন্ধে বিবরণ দিতে শুরু করল- ‘এ এক পাঁচশো বছরের প্রাচীন প্রাসাদ। এর প্রতিটা অলিন্দে, কক্ষে, থামের আড়ালে জমা হয়ে আছে অনেক কাহিনি, রক্তাক্ত ইতিহাস, নিষ্ঠুরতার গল্প। অনেক কান্না, চাপা দীর্ঘশ্বাস, অতৃপ্ত বাসনা লুকিয়ে আছে এর অন্তঃপুরে…’

    বিভাসকে নিয়ে এগোতে এগোতে নিশীথবাবু বললেন, ‘সব দেশের জমিদারদের একাংশের এমনকী কবরখানা ও মতো ব্যারনরাও কিন্তু অত্যাচারী হতেন। এসব বাড়িতে গুম ঘর, গরাদ ঘর, থাকত। এসব কিছু এখানেও আছে। আমি আপনাকে প্রথমে জমিদার বাড়ির ভূগর্ভস্থ কবরখানায় নিয়ে যাচ্ছি।’

    কিছুটা নীচে নেমে একটা বিরাট ঘরে ঢুকল তারা। আলোতে ঘরের মেঝেতে জেগে আছে সার সার কবর। সত্যিই যেন এটা একটা কবরখানা। নিশীথবাবু বললেন, ‘সাধারণত পারিবারিক অশান্তিতে কেউ খুন হলে ব্যাপারটা চাপা দেওয়ার জন্য গোপন এই সমাধিক্ষেত্রে তাদের কবর দেওয়া হত। কবরের চারপাশটা একবার ঘুরে নিন।’

    হাঁটতে শুরু করল বিভাস। কয়েক পা এগোতেই হঠাৎ বিভাসকে চমকে দিয়ে দড়াম করে একটা কররের ঢাকনা খুলে গেল। তার মধ্যে থেকে একটা গলিত শব উঠে বসে হাত বাড়াল বিভাসকে ধরার জন্য। ব্যাপারটা এত আকস্মিক যে বিভাস কেঁপে উঠল সঙ্গে সঙ্গে। সারা ঘর জুড়ে অট্টহাস্য শুরু হল এরপর। দুমদাম শব্দে খুলে যেতে লাগল অন্য শবাধারগুলোও। সেখান থেকে উঠে বসতে লাগল অদ্ভুত সব মূর্তি। বিভাসের মাথার ওপর পাক খেতে লাগল বিরাট আকারের একটা বাদুড়। তিরিশ সেকেন্ড মতো সময়, তারপর আবার সব নিস্তব্ধ হয়ে গেল। পিছন থেকে নিশীথবাবু বললেন, ‘এ সবই ইলেকট্রিক আর ইলেকট্রনিক্সের খেল।’

    বিস্মিত বিভাস বলে উঠল, ‘যারই খেলা হোক না কেন একটা বড়মানুষকেও ভয় দেখানোর পক্ষে যথেষ্ট।’

    নিশীথবাবু এরপর তাকে নিয়ে হাজির হল গুম ঘরে। ভয়াবহ রক্তজল করা আর্তনাদে মুখরিত ঘরটা। আলো আর ধ্বনির অদ্ভুত খেলায় বীভৎস পরিবেশ সেখানে। সেখানে শূলের ওপর গাঁথা আছে মানুষের বীভৎস কাটামুন্ডু। তারা কখনও যন্ত্রণায় আর্তনাদ করছে, কখনও অট্টহাস্য করছে। হাড়হিম করা সব ব্যাপার !

    নিশীথবাবুর সঙ্গে বিভাস ঘুরতে লাগল সারা বাড়িতে। অদ্ভুত ভৌতিক সব ব্যাপার সারা বাড়িতে। কোথাও অলিন্দ থেকে উঁকি মারছে বীভৎস সব ভৌতিক অবয়ব, কোথাও গড়াগড়ি খাচ্ছে কাটা মুণ্ডু, কোথাও ফাঁসিতে ঝুলছে নরকঙ্কাল। কোথাও শোনা যাচ্ছে নারীকণ্ঠের খিলখিল হাসি, বা আর্তনাদ, চাবুকের শব্দ অথবা রক্তজল করা অট্টহাস্য। যে-কোনো মানুষের ভয় ধরে যাবে তা দেখলে। সাধে কি আর এই হরর হাউস দেখতে এত লোক পয়সা খরচ করে এ পার্কে ছুটে আসছে।

    মিনিট কুড়ি পর বাড়ির অন্য সব জায়গা দেখানোর পর নিশীথবাবু বিভাসকে এনে দাঁড় করালেন একটা হলঘরের মতো জায়গাতে। ঘরের ঠিক মাঝখানে একটা ছোট স্টেজ। তার চারপাশে কিছু দর্শকাসন। সে ঘরে আলো কিন্তু জ্বলছে। বিভাসকে তিনি বললেন, ‘এবার যে আইটেমটা দেখবেন তা কিন্তু পাবলিকের জন্য এখনও চালু করা হয়নি। এটা একটা ভৌতিক নৃত্যের প্রদর্শনী। বলে রাখি, এটা কিন্তু ম্যানুয়াল। অর্থাৎ যারা নাচবেন তারা সত্যিই মানুষ। এ দেশে কেন সারা পৃথিবীতে কোনো হরর হাউসে এ প্রদর্শনী আপনি দেখতে পাবেন না। বলতে গেলে এটা আমার নিজস্ব উদ্ভাবন। আর আপনিই এর প্রথম দর্শক।

    বিভাস বেশ অভিভূত হল ব্যাপারটা শুনে। নিশীথবাবুর সঙ্গে স্টেজের সামনে চেয়ারে গিয়ে বসল বিভাস। ঘরের বাতি নিভে গেল। অন্ধকার হয়ে গেল ঘর।

    মঞ্চের চারপাশ ঘিরে জ্বলে উঠতে লাগল বৃত্তাকার একটা আগুনের রেখা। আর মঞ্চের ওপর আবির্ভূত হল কিছু ছায়ামূর্তি। একটা অদ্ভুত বাজনা ধীরলয়ে প্রথমে শুরু হল আর সেই ছায়ামূর্তিগুলো মঞ্চের ওপর নাচতে শুরু করল। ধীরে ধীরে আগুনের শিখা আর বাজনা ক্রমশ বাড়তে শুরু করল, নাচের ছন্দও দ্রুত হতে লাগল তার সঙ্গে সঙ্গে। বীভৎস এক নাচ। মন্ত্রমুগ্ধের মতো দেখতে লাগল বিভাস। ক্রমশ আগুনের শিখাগুলো বাড়তে বাড়তে গ্রাস করে নিল সারা মঞ্চ। যারা নাচছে তাদের মুখগুলোও এবার স্পষ্ট দেখতে পেল বিভাস। আর এরপরই বিভাসকে অবাক করে দিয়ে যেন মূর্তিগুলোর গায়েও মঞ্চের আগুন ছড়িয়ে পড়ল। তার মধ্যেই নাচতে লাগল লোকগুলো। আগুনে খসে পড়তে লাগল তাদের দেহের পোশাক, গায়ের চামড়া, মাথার চুল। লোকগুলোর মুখগুলোয় যন্ত্রণার স্পষ্ট চিহ্ন ফুটে উঠেছে। এ এক নারকীয় দৃশ্য। কিন্তু এ দৃশ্য আর বিভাগের সহ্য হল না। সে পাশের চেয়ারে বসা নিশীথবাবুর উদ্দেশে বলতে গেল, ‘আমান, থামান, আর সহ্য হচ্ছে না।’

    কিন্তু তার পাশের চেয়ারে তিনি নেই। আর তারপরই মঞ্চের অগ্নিকুণ্ডে অন্যদের সঙ্গে মুহূর্তের জন্য বিভাস যেন দেখতে পেল জ্বলন্ত শরীর নিয়ে দাঁড়িয়ে থাকা নিশীথবাবুকে। আর তারপরই সেই আগুন শব্দ সব থেমে গেল। অন্ধকার হয়ে গেল ঘর। ততক্ষণে ঘেমে উঠেছে বিভাস। অন্ধকার ঘরের দরজার সামনে থেকে নিশীথবাবুর গলা শোনা গেল, ‘শো শেষ। এবার বাইরে বেরোতে হবে।’

    নিশীথবাবুর সঙ্গে হরর হাউসের বাইরে বেরিয়ে এল বিভাস। বাইরে টিপটিপ বৃষ্টি পড়তে শুরু করেছে। বিভাস যে দৃশ্য দেখল তাতে সে বিস্মিত হতবাক। এমন শো-ও হয়? সে শুধু একবার নিশীথবাবুকে বললে, ‘আপনি কখন চেয়ার ছেড়ে উঠে গেছেন আমি বুঝতে পারিনি।’ তার কথা শুনে অন্ধকারের মধ্যে যেন একবার হাসলেন তিনি।

    অগ্নিবলয়ে নাচের দৃশ্যটা বিভাসের মনকে এমন ভাবে আচ্ছন্ন করেছে যে আর কোনো কথাই বলতে পারল না সে। ব্যাপারটা ভাবলেই যেন হৃদকম্প হচ্ছে। এ নাচ দেখে দর্শকরা হার্টফেল করতে পারে।

    কিছুটা আচ্ছন্নের মতো হাঁটতে হাঁটতে নিশীথবাবুর সঙ্গে পার্কের বাইরে বেরিয়ে এল সে। ড্রাইভার গাড়িটা গেটের মুখে এনে রেখেছে। গাড়িতে ওঠার আগে বিভাস নিশীথবাবুকে বললেন, ‘সত্যি অদ্ভুত বানিয়েছেন বাড়িটা, বিশেষত ওই নাচটা। ব্যাপারটা আমি জানাব ওপরওলাদের। কাজটা আপনি নিশ্চয়ই পাবেন।

    তার কথা শুনে কেমন যেন একটা বিষণ্ণ হাসি ফুটে উঠল ভদ্রলোকের মুখে। তিনি শুধু বললেন, ওই নাচটা মনে হয় আর দেখানো যাবে না।’ এই বলে তিনি হারিয়ে গেলেন অন্ধকারে। বিভাসও উঠে পড়ল গাড়িতে।

    কলকাতার কাছাকাছি পৌঁছে রাস্তার পাশে চা খাবার জন্য একটা দোকানে গাড়ি থামাল ড্রাইভার। বিভাসও চা খেতে নামল। ওই নাচটা দেখার পর থেকে মাথাটা কেমন যেন ধরে আছে তার। কিছুতেই ওই ভয়ংকর দৃশ্যটা মন থেকে মোছা যাচ্ছে না। যতবার মনে পড়ছে শিউরে উঠছে সে। দোকানদারকে চা দিতে বলে বেঞ্চে বসে সকালের বাসি খবরের কাগজটা তুলে নিল সে। সারা দিনে খবর কাগজ দেখার সময় হয়নি তার। কাগজের দ্বিতীয় পাতায় একটা খবরে চোখ আটকে গেল তার। অ্যামিউজমেন্ট পার্কে গতকালের এক দুর্ঘটনার বিবরণ। পার্কের হরর হাউজে এক ভৌতিক নৃত্য প্রদর্শনীর পরীক্ষামূলক কাজ চলার সময় শর্টসার্কিট থেকে মঞ্চেই অগ্নিদগ্ধ হয়ে মারা গেছেন ওই হরর হাউসের পরিচালক ইঞ্জিনিয়র নিশীথ চৌধুরি-সহ আরও বেশ কয়েকজন! বিভাসের চোখে ফুটে উঠল সেই দৃশ্যটা। অগ্নিবলয়ের মধ্যে দাঁড়িয়ে আছেন নিশীথ চৌধুরি। কানে ভেসে এল তাঁর শেষ কথাটা— ওই নাচটা আর মনে হয় দেখানো যাবে না।

    হতভম্ব বিভাসের হাত থেকে খসে পড়ল খবরের কাগজটা।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleতবু অনন্ত জাগে – ইন্দ্রনীল সান্যাল
    Next Article কলকাতা নুয়া – রাজর্ষি দাশ ভৌমিক

    Related Articles

    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    অ্যাডভেঞ্চার সমগ্র ৩ – হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    July 25, 2026
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    বিষ্ণুলোকে সন্ধ্যা নামে – হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    March 20, 2026
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    সাদা বিড়াল – হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    January 31, 2026
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    নেকড়ে খামার – হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    December 10, 2025
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    অ্যাডভেঞ্চার সমগ্র ১ – হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    December 10, 2025
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    অ্যাডভেঞ্চার সমগ্র ২ – হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    December 9, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    अनीश दास
    मौलाना शाह वलीउल्लाह
    रेवरेंड के. के. जी. सरकार
    অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত
    অনন্যা পাল
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিজ্ঞান রায়চৌধুরী
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক দত্ত
    অভীক সরকার
    অমরেন্দ্র চক্রবর্তী
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অরিন্দম দেবনাথ
    অর্পিতা সরকার
    অশোককুমার মিত্র
    অসম্পূর্ণ বই
    আখতারুজ্জামান ইলিয়াস
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুর রহমান আল-আরিফি
    আবদুল হালিম
    আব্দুল মালেক আলী আল-কুলাইব
    আব্দুল হামীদ ফাইযী
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    কৌশিক সামন্ত
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোপেন্দ্র বসু
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভট্টাচার্য
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যজ্যোতি মজুমদার
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বাণ রায়
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পরিমল ভট্টাচার্য
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিয়োদর দস্তইয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণু শর্মা
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহতাব উদ্দিন
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রণদীপ নন্দী
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজর্ষি দাশ ভৌমিক
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    রেভারেণ্ড কে. কে. জি. সরকার
    লীলা মজুমদার
    লেইল লোনডেস
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শঙ্কর চ্যাটার্জী
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শাক্যজিৎ ভট্টাচার্য
    শাক্যজিৎ ভট্টাচাৰ্য্য
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্যামল গঙ্গোপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সন্দীপন চট্টোপাধ্যায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সম্পাদনা : শৈলেন্দ্র হালদার
    সরদার ফজলুল করিম
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সায়ক আমান
    সায়ন্তনী পূততুণ্ড
    সায়ন্তনী পূততুন্ড
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৈয়দ মুস্তাফা সিরাজ
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্মরণজিৎ চক্রবর্তী
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    কলকাতা নুয়া – রাজর্ষি দাশ ভৌমিক

    July 27, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    কলকাতা নুয়া – রাজর্ষি দাশ ভৌমিক

    July 27, 2026
    Our Picks

    কলকাতা নুয়া – রাজর্ষি দাশ ভৌমিক

    July 27, 2026

    গা-ছমছমে ভৌতিক অলৌকিক – হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    July 27, 2026

    তবু অনন্ত জাগে – ইন্দ্রনীল সান্যাল

    July 25, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }