Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    ইতি স্মৃতিগন্ধা – সাদাত হোসাইন

    September 5, 2026

    অশ্বত্থামা হত – ড. পার্থ চট্টোপাধ্যায়

    September 5, 2026

    ঈশ্বরপুরের প্রেমকথা – দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য

    September 5, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    গা-ছমছমে ভৌতিক অলৌকিক – হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত এক পাতা গল্প169 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ঘোস্ট হান্টার

    ।। ১।।

    —‘মশাই কি এ বাড়িতে আজই এসেছেন? দোতলার ভাঙা বারান্দায় যখন আপনার ছায়াটা পড়েছিল তখন তা দেখে আমি বেশ ইম্প্রেসড হয়েছিলাম। তারপর আপনি যখন দিনের আলোতে বাগানে নেমে এলেন তখন বুঝলাম আমার ভাবনা ঠিক নয়।’ ফোয়ারার পিছন থেকে বেরিয়ে সুগতর মুখোমুখি হয়েই একগাল হেসে ভদ্রলোক কথাগুলো বললেন।

    সুগত ভালো করে তাকাল ভদ্রলোকের দিকে। মাঝবয়সি ভদ্রলোক, মাথায় টাক, চোখে সোনালি ফ্রেমের চশমা, সাদা রঙের শার্ট, ট্রাউজারের ওপর অনেকগুলো পকেট-অলা একটা হাতকাটা জ্যাকেট। সুগত তাঁকে ভালো করে দেখার পর জবাব দিল, ‘হ্যাঁ, আজ দুপুরের ট্রেনেই ‘এসেছি। আমার নাম সুগত। ক’টা দিন থাকব এখানে।’

    ভদ্রলোক এরপর জিগ্যেস করলেন, ‘আপনি কী করেন? শুনেছি এসব প্রাচীন বাড়িতে অনেক সময় মোহর-টোহর পাওয়া যায়। আপনি কি তেমন কোনো গুপ্তধন খুঁজতে এসেছেন? নাকি আপনি এ-বাড়ির কোনো শরিক?’

    সুগত হেসে জবাব দিল, ‘না, আমি সে দুটোর কোনোটাই নই। আমি বিভিন্ন পত্রিকায় লেখালেখি করি। সামনে পুজো, লেখার চাপ আছে, নিরিবিলিতে লেখার জায়গা খুঁজছিলাম। আমার এক উকিল বন্ধু পরিতোষের তত্ত্বাবধানে আছে এ বাড়িটা। অংশীদারদের মধ্যে কী একটা আইনি বিবাদ চলছে দুশো বছরের পুরোনো এই বাড়িটা নিয়ে। বন্ধু খোঁজ দিল। তার থেকে একটা ঘরের চাবি নিয়ে চলে এলাম। আজ এক তারিখ। চার-পাঁচ তারিখে ফিরে যাব।’

    ভদ্রলোক বলে উঠলেন, ‘ও পরিতোষবাবু। আমিও তো তাঁর কাছ থেকেই এ-বাড়িতে থাকার অনুমতি পেয়েছি। আমি যে ইঞ্জিনিয়ারিং কোম্পানিতে আগে চাকরি করতাম তার লিগাল অ্যাডভাইসার ছিলেন উনি। সেই সূত্রেই আলাপ ওঁর সঙ্গে। আমি গতকাল রাতে এসেছি।’

    সুগত এবার জিগ্যেস করল, ‘তা আপনার পরিচয়টা? আপনি কী কাজে এখানে এসেছেন?’

    ভদ্রলোক বললেন, ‘ওহোঃ, আপনাকে এত কথা বললাম, অথচ নিজের পরিচয়টাই দেওয়া হয়নি। আমার নাম বসন্ত সমাজপতি। পেশায় ইঞ্জিনিয়ার ছিলাম। বেশ কিছুদিন লন্ডনে ছিলাম। সংসারপত্র পাতিনি।’ একথা বলার পর তিনি সুগতকে চমকে দিয়ে বললেন, “বারাসতে নীলকর সাহেবদের এই পুরোনো বাড়িতে আমি ভূত খুঁজতে এসেছি।’

    —‘ভূত খুঁজতে এসেছেন?” বিস্মিতভাবে বলে উঠল সুগত। আর যাই হোক ভদ্রলোককে দেখে পাগল তো মনে হচ্ছে না! বসন্তবাবু সম্ভবত সুগতর মনের কথা বুঝতে পেরে বললেন, ‘হয়তো আপনি আমার কথা বিশ্বাস করছেন না, কিন্তু আমি সত্যিই একজন “ঘোস্ট হান্টার”। জানেন ইউরোপের অনেক জায়গাতে রীতিমতো বৈজ্ঞানিকভাবে এ কাজ করা হয়। আমি ও দেশে গিয়েই ব্যাপারটা জানতে পারি। ‘ঘোস্ট হান্টার সোসাইটি’ বলে একটা সংস্থা আছে লন্ডনে। সারা পৃথিবীর বহু খ্যাতনামা ডাক্তার, বৈজ্ঞানিক, অধ্যাপক তার সদস্য। তাদের উদ্যোগে বহু লোক ভূতের উপস্থিতি টের পেয়েছে এক সময়ের কুখ্যাত বন্দিশালা “টাওয়ার অফ লন্ডনে”। এমনকী আমাদের কলকাতা শহরেও তেমন কিছু বাড়ি আছে। যেমন গাস্টিন প্লেসে বেতার দপ্তরের পুরোনো বাড়িটা, বা আলিপুরের ন্যাশনাল লাইব্রেরির বিরাট বাড়িটা। আর এ-বাড়িতেও ভূত আছে বলে আমার ধারণা।’ কথা শেষ করে বিকালের আলোতে সুগতদের সামনে দাঁড়িয়ে থাকা প্রায় খণ্ডহর বিরাট দোতলা বাড়িটার দিকে তাকিয়ে রইলেন ভদ্রলোক।

    সুগত নিজে ভূত-ভগবানে বিশ্বাস করে না। তার বেশ মজাই লাগল ভদ্রলোকের কথা শুনে।

    ভূতের সঙ্গে বিজ্ঞান! সে জানতে চাইল, ‘বৈজ্ঞানিক পদ্ধতিতে কাজ করা হয় মানে?”

    বসন্তবাবু বললেন, ‘আসলে ভূতের উপস্থিতি প্রায়শই আমাদের পঞ্চ ইন্দ্রিয়তে ধরা দেয় না। তাদের উপস্থিতি বোঝার জন্য আধুনিক যন্ত্রপাতির প্রয়োজন হয়। আপনি যদি আমার ঘরে এখন একবার চলেন তবে ব্যাপারটা আমি ভালো করে বোঝাতে পারি। দোতলার ডান দিকে তো আপনার ঘর, আর আমারটা বাঁ-দিকের শেষ মাথায়। যাবেন?’

    ভদ্রলোকের কথা শুনে বেশ কৌতূহল লাগছে সুগতর। সে বলল, ‘হ্যাঁ চলুন।’ জীর্ণ, শুষ্ক ফোয়ারাটার পাশ থেকে বাড়িটার দিকে হাঁটতে হাঁটতে বসন্তবাবু বললেন, ‘জানি অনেকেই ভূতে বিশ্বাস করেন না, হয়তো বা আপনিও করেন না, কিন্তু আমাদের এই যে এত প্রাণ-স্পন্দন, ইংরিজিতে যাকে বলে “স্পিরিট”, মৃত্যুর পর তা কোথায় যায় ভেবে দেখেছেন? তারা অদৃশ্যভাবে থাকে আমাদের আশেপাশেই। গীতাতেও তো বলা হয়েছে “আত্মা অবিনশ্বর”। আমরা ব্যাপারটা পাত্তা না দিলেও বিদেশে অনেক কাজ হচ্ছে এ নিয়ে।’

    ।। ২।।

    বাড়িটাতে কয়েকটা ঘরই মাত্র বাসযোগ্য। উত্তরাধিকারীরা মাঝে-মধ্যে এসে থাকে। সুগত আর বসন্তবাবুর ঘর দুটো তার মধ্যে দুটো ঘর। দোতলায় উঠে বসন্তবাবুর ঘরে ঢুকে একটা টেবিলের পাশে দুটো চেয়ারে তারা বসল। জানলা দিয়ে আলো ঢুকছে ঘরে। বেশ কিছু ইলেকট্রনিক্স যন্ত্রপাতি রাখা আছে টেবিলে। সুগতরা বসার পর বসন্তবাবু বললেন, ‘হ্যাঁ, যে কথা আপনাকে বলছিলাম, থিয়সফি বলে মৃত্যুর পর সব কিছু শেষ হয় না। রূপান্তর হয় মাত্র। অন্য রূপ পায় আত্মা। মাঝে মাঝে তারা শরীরী রূপ ধারণ করে দর্শন দিলেও সাধারণত তারা অদৃশ্যই থাকে। অদৃশ্য বলতে আমি বোঝাতে চাচ্ছি যে আমাদের ইন্দ্রিয় তাদের ধরতে পারে না। কিন্তু টেবিলের এই যন্ত্রপাতিগুলো মানুষের ইন্দ্রিয়র চাইতে অনেক বেশি স্পর্শকাতর। পরিবেশের সামান্য কিছু পরিবর্তনও এদের নজর এড়ায় না। যে কোনো শব্দ, আলো, উত্তাপের তারতম্য নিখুঁতভাবে যন্ত্রগুলো ধরতে পারে।’

    সুগত জিগ্যেস করল, ‘কী রকম?’

    বসন্তবাবু টেবিল থেকে একটা ছোট ক্যামেরা তুলে নিয়ে বললেন, ‘এই যেমন এটা “আলট্রা ভায়োলেট রে” যুক্ত একটা অত্যাধুনিক ক্যামেরা। অন্ধকারের মধ্যে আমরা কোনো ছায়া দেখতে পাই না, কিন্তু এ ক্যামেরার চোখে তা ধরা পড়ে। তারপর ধরুন এই টেম্পারেচার গ্যাজেটটা। আমাদের প্রত্যেকের দেহেই টেম্পারেচার আছে। কারও উপস্থিতি ঘরের উষ্ণতা বাড়িয়ে দেয়। উষ্ণতার সূক্ষ্ম পার্থক্য হলে এর গায়ের ইন্ডিকেটর ল্যাম্পটা বিপবিপ শব্দে তা জানান দেয়। আর টেবিলের ওপর রাখা কালো রেডিয়োর মতো বাক্সটা হল সাউন্ড ডিটেকটর। খুব বেশি বা খুব কম কম্পাঙ্কের শব্দ যা মানুষ শুনতে পায় না, তা এই যন্ত্রে ধরা পড়ে।’— এভাবে বেশ কিছু ইলেকট্রনিক্স যন্ত্র একের পর এক দেখিয়ে তার কার্যকারিতা ব্যাখ্যা করলেন তিনি। সুগত বেশ চমৎকৃত হল বসন্তবাবুর ভূত ধরার জিনিসপত্র দেখে আর তাঁর কথা শুনে। কিন্তু সুগতকে তার নিজের কাজও করতে হবে। তাই সে একসময় চেয়ার ছেড়ে উঠে বলল, ‘এখন আমি যাই। এক বাড়িতে যখন আছি তখন দেখা হবেই। আর কোনো ভূতের খোঁজ পেলে অবশ্যই আমাকে জানাবেন।’

    ভদ্রলোক বললেন, ‘হ্যাঁ, হ্যাঁ, নিশ্চয়ই নিশ্চয়ই।’

    বাড়িটাতে ইলেকট্রিসিটি নেই। ঘরে ফিরে এসে মোমের আলোতে লিখতে বসে গেল সুগত। একটানা অনেকক্ষণ লিখল সে। তারপর খাওয়া সেরে রাত বারোটা নাগাদ আলো নিভিয়ে সে যখন শুতে যাচ্ছে, ঠিক তখনই দরজায় ঠোকা দেবার শব্দ শুনে দরজা খুলে সুগত দেখল বসন্তবাবু দাঁড়িয়ে আছেন। লিখতে লিখতে সুগত ভুলেই গেছিল তাঁর কথা। সুগত ঘরের বাইরে বেরিয়ে এসে তাঁকে জিগ্যেস করল, “এত রাতে কী ব্যাপার ? ‘

    ভদ্রলোক বললেন, ‘বাইরে বেরিয়ে ছিলাম। ঘরে ঢোকার আগে ভাবলাম একবার খোঁজ নিয়ে যাই আপনার কোনো অসুবিধা হচ্ছে কিনা?’

    সুগত হেসে বলল, ‘ধন্যবাদ। এখন পর্যন্ত কোনো অসুবিধা হয়নি। তা এত রাতে কোথায় গেছিলেন?”

    ভদ্রলোক বললেন, — বাড়িটা অদ্ভুত বাড়ি মশাই। একসময় নীলকর সাহেবদের কুঠীবাড়ি ছিল এটা। আজ সকালে বাড়িটা পুরো ঘুরে দেখেছি। নীল পচবার বড় বড় চৌবাচ্চা, কাছারি ঘর, নাচঘর, এমনকী গুমঘরও এ বাড়িতে আছে। বাড়ির পিছন দিকের ভাঙা অংশে সেই গুমঘরটা – আছে। আমি সেখানে গেছিলাম।’

    সুগত বলল, ‘এত রাতে সেখানে গেছিলেন? ভূত না থাকলেও সাপখোপও থাকতে পারে। তা যাদের আপনি খুঁজছেন, তাদের কারো উপস্থিতি টের পেলেন সেখানে?”

    ভদ্রলোক হেসে বললেন, ‘সাপের ব্যাপারটা আমার মাথায় আছে। সত্যি কথা বলতে কী আজ এখানে সাপ দেখেওছি। সব কাজেই তো কিছু ঝুঁকি নিতে হয়। না, যাদের খুঁজছি তাদের দেখা পাইনি এখনও। কাজ তো সবে শুরু করলাম। ওই গুমঘরে ক্যামেরা বসিয়ে এলাম। দেখা যাক কী হয় ?”

    সুগত বলল, ‘আচ্ছা, আপনি তো নিশ্চয়ই এর আগেও কোথাও না কোথাও ভূত খুঁজতে গেছিলেন? পেয়েছেন কিছু?’

    বসন্তবাবু জবাব দিলেন, ‘হ্যাঁ, গেছি বেশ কিছু জায়গাতে। কিন্তু তাদের দেখা পাওয়া তো সহজ নয়! কত লোকের সারা জীবন কেটে যায় তাদের খোঁজে। তবে ভানাগড় দুর্গের একটা বুরুজে আমার ক্যামেরাতে একটা ছায়ার ছবি উঠেছিল। ধোঁয়া ধোঁয়া একটা অবয়ব। পরে শুনেছিলাম ওই বুরুজ থেকে লাফিয়ে পড়ে এক সিপাই নাকি আত্মহত্যা করেছিল।’ এরপর তিনি বললেন, ‘এত পুরোনো বাড়ি!’ কত ঘটনার সাক্ষী ছিল একসময়। আমার ধারণা এখানে আমার আসা ব্যর্থ হবে না। কাল নাচঘরেও একটা ক্যামেরা আর টেম্পারেচার গ্যাজেটটা বসাব। ঠিক আছে আমি এখন যাই। অনেক রাত হল।’— এই বলে বসন্তবাবু নিজের ঘরের দিকে পা বাড়ালেন।

    সুগত ঘরে ঢুকে দরজা বন্ধ করতে করতে মনে মনে বলল, ‘মানুষের কী উদ্ভট শখ। ভূতের খোঁজে নইলে কেউ ঘুরে বেড়ায়!’

    ।। ৩ ।।

    পরদিন লেখার চাপে সারাদিন ঘর ছেড়ে বেরোনো হল না সুগতর। সন্ধ্যাবেলায় তার ঘরে এসে হাজির হলেন বসন্তবাবু। তিনি জানতে চাইলেন, ‘লেখা কেমন চলছে?’

    সুগত বলল, “ভালো, ওদিকে আপনার কী খবর। কারো উপস্থিতি ধরা-টরা পড়ল?’

    তিনি হেসে জবাব দিলেন, ‘এখনও পড়েনি, তবে আমার ধারণা নিশ্চয়ই পড়বে। জানেন, নাচঘরে ওই টেম্পারেচার গ্যাজেটটা বসাবার সময়ই বিপবিপ শব্দ হয়েছে দুবার। বিশাল ঘরটা কী গা-ছমছমে মশাই! মনে হচ্ছিল ঘরের কোণ থেকে কারা যেন তাকিয়ে আছে আমার দিকে ! আজ গ্রামে গিয়ে লোকজনের সঙ্গে কথা বলছিলাম এ বাড়িটার ব্যাপারে। তাতে তারা যা বলল তাতে এ বাড়িটা নাকি ভূতুড়ে। মাঝরাতে নাকি এ-বাড়ি থেকে শোনা যায় আর্তনাদের শব্দ। ঘোড়ার ডাক, নাচগানের আওয়াজ! একবার নাকি এ-বাড়ির বারান্দায় লালমুখো এক নীলকর সাহেবকেও দাঁড়িয়ে থাকতে দেখেছিল গ্রামের একজন।’

    সুগত হেসে ফেলে বলল, ‘কই আমরা তেমন কিছু শব্দ শুনতে বা দেখতে পাচ্ছি না তো?

    ভদ্রলোক মনে হয় মৃদু আহত হলেন সুগতর অবিশ্বাসের ঢঙে বলা কথাগুলো শুনে। তিনি বললেন, ‘তারা কি সব সময় ধরা দেয়? তাদের প্রতি বিশ্বাস রাখুন, তা হলে হয়তো আপনিও তাদের দেখতে পাবেন।’

    এরপর তার সঙ্গে আরও কিছু কথা বলে নিজের ঘরে চলে গেলেন ভদ্রলোক। সুগতর সঙ্গে তাঁর আবার দেখা হল পরদিন বিকালে। সকাল থেকে শুরু করে সারা দুপুর নিজের কাজ করেছে সুগত। শেষ দিকে একটা কলম একটু গণ্ডগোল করছিল। ঠিক মতো কালি আসছে না নিবে। তাছাড়া একটানা লিখতে আর ভালোও লাগছিল না তার। কাজেই একঘেয়েমি কাটাতে সে দোতলার ঘর থেকে নেমে এসেছিল বাগানে। বাগান বলতে একটা আগাছার জঙ্গল। আর তার মাঝে দাঁড়িয়ে আছে ডানা ভাঙা পাথরের পরি সমেত ফোয়ারা। সুগত দেখল একতলার একটা ভাঙাচোরা ঘর থেকে বেরিয়ে এলেন বসন্তবাবু। হাতে ধরা দুটো যন্ত্র। সুগত জিজ্ঞেস করল, “কী, কিছু ধরা পড়ল আপনার যন্ত্রে?”

    তিনি প্রশ্ন শুনে মুখে বিরক্তি ফুটিয়ে বললেন, ‘আর বলবেন না মশাই! এখানে যে ভাম বিড়াল আছে তা জানা ছিল না। নাচঘরে দেখি সে তার জড়িয়ে বসে আছে। তার-টার ছিঁড়ে একাকার কাণ্ড। এখন তো সবে বেলা চারটে। কলকাতা তো মাত্র একঘণ্টার পথ। ভাবছি এ জিনিসগুলো কলকাতা গিয়ে ঠিক করে আনি। রাতের মধ্যেই আবার ফিরে আসব।’

    ভূতের বদলে ভাম বিড়াল! সুগত শুনে হেসে ফেলতে গিয়েও সংযত হল। ভদ্রলোক দুঃখ পেতে পারেন। তবে তাঁর কলকাতা যাবার কথা শুনে সুগত তাঁকে বলল, ‘আপনি তো কলকাতা যাচ্ছেন, আমার একটা উপকার করতে পারবেন? আমার দুটো কলমের একটা খারাপ হয়ে গেছে। যদি আপনি একটা কলম কিনে এনে দেন…।’ কী কলম, আর তা কোথায় পাওয়া যাবে তাও তাঁকে বলল সুগত।

    বসন্তবাবু বললেন, ‘নিশ্চয়ই আনব।’ এই বলে তিনি হন্তদন্ত হয়ে বাড়ি থেকে বেরিয়ে গেলেন।

    সুগত কিছুক্ষণ বাগানে বেড়িয়ে আবার ঘরে ফিরে লিখতে বসে গেল। লেখায় ডুবে গেলে সময় কীভাবে কেটে যায় তা বোঝা যায় না। দরজায় টোকা পড়ার শব্দ শুনে সুগত দেখল রাত দশটা বাজে। সে দরজা খুলতেই বসন্তবাবু বললেন, ‘এইমাত্র ফিরলাম। ট্রেনে-বাসে যা ভিড় আর বলবেন না। পথে-ঘাটে আর বেরোনো যায় না। ভাগ্য ভালো আমার কাজ হয়েছে। জিনিসগুলো সারিয়ে এনেছি। আর এই নিন আপনার কলম। আমি এখন যাই। খুব ক্লান্ত লাগছে।’

    সুগত বলল, ‘কলমের দামটা নিয়ে যান।’

    ভদ্রলোক বললেন, “না, না, দাম নিতে পারব না। আপনি লেখক মানুষ বলে কথা! কলমটা আপনাকে আমি উপহার দিলাম। কলকাতায় গিয়ে পরিতোষবাবুর সঙ্গেও দেখা করলাম। তিনি আপনার অনেক প্রশংসা করলেন। এখান থেকে চলে যাবার পর হয়তো আমাদের আর দেখা হবে না। কলমটা স্মৃতি হয়ে থাকবে।’ এই বলে তিনি এগোলেন তাঁর ঘরের দিকে।

    ।।৪।।

    বসন্তবাবুর কলমটাতে বেশ ঝরঝরে লেখা হচ্ছে। বসন্তবাবুর কলমটা দিয়ে পরদিনও সারাটা সময় সুগত লিখে কাটাল। এদিন রাতে কিন্তু আগের দু-রাতের মতো তার খোঁজ নিতে এলেন না বসন্তবাবু। শুধু রাত আটটা নাগাদ ঘর থেকে বারান্দায় বেরিয়ে সুগত একেবারের জন্য দূর থেকে দেখতে পেয়েছিল তাঁকে। চাঁদের আলোতে তিনি ভাঙা বাড়ির একতলার একটা অংশ থেকে বেরিয়ে অন্যদিকে ঢুকে গেলেন। ভূত খুঁজে বেড়াচ্ছেন তিনি।

    চতুর্থ দিন বিকাল পর্যন্ত লিখে অবশেষে সুগত লেখাটা শেষ করে ফেলল। প্রায় দুটো দিন হতে চলল বসন্তবাবুর সাক্ষাৎ পায়নি সুগত। লেখা শেষ করে বসন্তবাবুর ঘরের সামনে গিয়ে দেখল সে ঘর তালাবন্ধ। নীচে নেমে তাঁকে বাগানেও খুঁজল সে। কিন্তু তাঁর খোঁজ মিলল না। তিনি কি সুগতকে না জানিয়েই বাড়ি ছেড়ে চলে গেলেন। হয়তো বা তা হতে পারে। এ বাড়িতে শেষ পর্যন্ত নিশ্চয়ই তিনি কিছুই খুঁজে পাননি। পাবার কথাও নয়। কারণ, ভূত বলে তো কিছুই নেই। হয়তো সুগতর প্রশ্নর সামনে দাঁড়াতে চাননি তিনি।— এসব নানা কথা ভাবতে ভাবতে ঘরে ফিরে এল সুগত। পরদিন ভোরে কলকাতা ফিরে যাবে সুগত।

    বসন্তবাবু লোকটাকে এমনিতে বেশ ভালোই লেগেছিল তার। যাবার আগে একবার সুগতর তাঁর সঙ্গে দেখা হলে ভালো লাগত। কেন জানি সুগতর বারবার মনে হতে লাগল বসন্তবাবুর কথা। পরদিন ভোরবেলা আলো ফুটলে কলকাতা রওনা হতে হবে বলে রাত আটটা নাগাদ তার জিনিসপত্র সুটকেসে গুছিয়ে নিচ্ছিল সে। হঠাৎ তার ঘরের দরজায় টোকা পড়ল। দরজা খুলতেই সে দেখল তার সামনে দাঁড়িয়ে আছেন বসন্তবাবু!

    সুগত তাঁকে দেখেই বলল, ‘আরে, আপনার তো দেখাই নেই! আজ বিকালে আপনাকে কত খুঁজলাম, পেলাম না। বাইরে গেছিলেন নাকি? কাল ভোরে আমি চলে যাচ্ছি।’

    ভদ্রলোক জবাব দিলেন, ‘জানি সে জন্যই তো আপনার সঙ্গে দেখা করতে এলাম। দিনের বেলা আপনার সঙ্গে দেখা হবে না। আমি কোথাও যাইনি। ভূতের খোঁজে এ-বাড়ির নানা জায়গাতে অন্ধকারে ঘুরছিলাম।’

    সুগতর মুখ দিয়ে প্রশ্নটা বেরিয়ে গেল, ‘আপনার যন্ত্রে কিছু ধরা পড়ল?’

    ভদ্রলোক প্রশ্ন শুনে আক্ষেপের স্বরে বললেন, ‘যন্ত্রগুলোর কথা আর বলবেন না মশাই। সে দিন তো কলকাতায় ওগুলো সারাতে নিয়ে গেলাম। ছোকরা মিস্ত্রিটা মনে হয় ভুলভাল তার জুড়ে দিয়েছে। গণ্ডগোল করছে সব যন্ত্রগুলো।’

    —’সে কীরকম?”

    ভদ্রলোক বিষণ্ণ হেসে বললেন, ‘যেখানে ওগুলো বসিয়েছি সেই নাচঘরে পা রাখলে ক্যামেরাটা শুধু আমার ছবিই তুলে যাচ্ছে! টেম্পারেচার গ্যাজেটটা লাল আলো জ্বালিয়ে বিপ্‌বিপ্ শব্দ করেই চলেছে!’

    সুগত শুনে বলল, ‘তবে কী করবেন? কলকাতা ফিরে যাবেন নাকি?’

    বসন্তবাবু বললেন, “না, যন্ত্র ছাড়াই ভূত খুঁজে পাওয়া যায় কিনা দেখি? তা ছাড়া বাড়িটা আমার ভালো লেগে গেছে বেশ। এখানেই থাকব ভাবছি। আচ্ছা এবার আসি।’ এই বলে সুগতকে নমস্কার জানিয়ে ভদ্রলোক সিঁড়ির দিকে এগোলেন। বারান্দায় দাঁড়িয়ে সুগত কিছুক্ষণ পর দেখতে পেল চাঁদনি রাতে আগাছাপূর্ণ বাগানের মধ্যে দিয়ে নাচঘরের দিকে হেঁটে যাচ্ছেন তিনি। ভূত খুঁজতে যাচ্ছেন বসন্তবাবু।

    ভোরবেলাই সুগত সে বাড়ি থেকে বেরিয়েছিল। বেরোবার সময় বসন্তবাবুর সঙ্গে দেখা হয়নি তার। হওয়ার কথাও ছিল না। বারাসাত থেকে ট্রেনে কলকাতা পৌঁছে সুগত ট্যাক্সি নিয়ে পরিতোষের চেম্বারে ছুটল চাবিটা ফেরত দেবার জন্য। বাড়িটাতে সুগতর কেমন কাটল এসব টুকিটাকি খবর জানার পর পরিতোষ বলল, ‘একটা খারাপ খবর আছে। ও বাড়িতে বসন্ত সমাজপতি বলে যে ভদ্রলোকের সঙ্গে তোর পরিচয় হয়েছিল সে ভদ্রলোক মারা গেছেন।’

    সুগত চমকে উঠে বলল, ‘সে কী! কখন?’

    পরিতোষ বলল, ‘তিনদিন আগে বিকালে তিনি কলকাতায় এসেছিলেন কী সব যন্ত্রপাতি ঠিক করাতে। ফাঁক পেয়ে আমার এখানেও মিনিট পাঁচেকের জন্য দেখা করতে এলেন। বললেন তোর জন্য একটা কলমও কিনেছেন। কিন্তু এখান থেকে বেরিয়েই ধর্মতলার মোড়ে দুর্ঘটনাটা ঘটল। বাস চাপা পড়েছিলেন। স্পট ডেড।’

    কথাটা শোনার সঙ্গে সঙ্গেই সুগতর মাথাটা কেমন করে উঠল। তাহলে কার সঙ্গে ও-বাড়িতে তিন রাত কাটাল সুগত? কিন্তু এমন ব্যাপার হতে পারে নাকি? আর এরপরই সুগতর মনে পড়ে গেল গতরাতে বসন্তবাবুর সে কথা— ‘ক্যামেরাটা শুধু আমার ছবিই তুলে যাচ্ছে! টেম্পারেচার গ্যাজেটটা লাল আলো জ্বালিয়ে বিবিপ্ করেই চলেছে…।’

    বসন্তবাবুর যন্ত্রগুলো কি তবে সত্যিই ঠিকমতো কাজ করছিল!!

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleতবু অনন্ত জাগে – ইন্দ্রনীল সান্যাল
    Next Article কলকাতা নুয়া – রাজর্ষি দাশ ভৌমিক

    Related Articles

    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    অ্যাডভেঞ্চার সমগ্র ৩ – হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    July 25, 2026
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    বিষ্ণুলোকে সন্ধ্যা নামে – হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    March 20, 2026
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    সাদা বিড়াল – হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    January 31, 2026
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    নেকড়ে খামার – হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    December 10, 2025
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    অ্যাডভেঞ্চার সমগ্র ১ – হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    December 10, 2025
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    অ্যাডভেঞ্চার সমগ্র ২ – হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    December 9, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    अनीश दास
    मौलाना शाह वलीउल्लाह
    रेवरेंड के. के. जी. सरकार
    অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত
    অঁতোয়ান দ্য সাঁত-এক্সুপেরি
    অনন্যা পাল
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অনীশ দেব
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অবনীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    অভিজ্ঞান রায়চৌধুরী
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক দত্ত
    অভীক সরকার
    অমরেন্দ্র চক্রবর্তী
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অরিন্দম দেবনাথ
    অর্পিতা সরকার
    অশোককুমার মিত্র
    অসম্পূর্ণ বই
    আখতারুজ্জামান ইলিয়াস
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুর রহমান আল-আরিফি
    আবদুল হালিম
    আব্দুল মালেক আলী আল-কুলাইব
    আব্দুল হামীদ ফাইযী
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    কৌশিক সামন্ত
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোপেন্দ্র বসু
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভট্টাচার্য
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ড. পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যজ্যোতি মজুমদার
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বাণ রায়
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পরিমল ভট্টাচার্য
    পরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিয়োদর দস্তইয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণু শর্মা
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাসরুর আরেফিন
    মাহতাব উদ্দিন
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    মোহিত কামাল
    রকিব হাসান
    রজতশুভ্র মজুমদার
    রঞ্জন বন্দ্যোপাধ্যায়
    রণদীপ নন্দী
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রশীদ করীম
    রাজর্ষি দাশ ভৌমিক
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    রাফিক হারিরি
    রেভারেণ্ড কে. কে. জি. সরকার
    লীলা মজুমদার
    লেইল লোনডেস
    লেখক
    শওকত আলী
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শঙ্কর চ্যাটার্জী
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শহীদুল্লা কায়সার
    শাক্যজিৎ ভট্টাচার্য
    শাক্যজিৎ ভট্টাচাৰ্য্য
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শাহীন আখতার
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শৈবাল মিত্ৰ
    শ্যামল গঙ্গোপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রীপারাবত
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঙ্গীতা বন্দ্যোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সন্তোষকুমার ঘোষ
    সন্দীপন চট্টোপাধ্যায়
    সন্মাত্রানন্দ
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমীরণ গুহ
    সমুদ্র পাল
    সম্পাদনা : শৈলেন্দ্র হালদার
    সরদার ফজলুল করিম
    সরোজকুমার রায়চৌধুরী
    সাগরময় ঘোষ
    সাদাত হোসাইন
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সায়ক আমান
    সায়ন্তনী পূততুণ্ড
    সায়ন্তনী পূততুন্ড
    সায়ন্তনী পূততুন্ড
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুপ্রতিম সরকার
    সুব্রত গুহ
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সেলিনা হোসেন
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৈয়দ মুস্তাফা সিরাজ
    সৈয়দ শামসুল হক
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বপ্নময় চক্রবর্তী
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্মরণজিৎ চক্রবর্তী
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হরিশংকর জলদাস
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ইতি স্মৃতিগন্ধা – সাদাত হোসাইন

    September 5, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ইতি স্মৃতিগন্ধা – সাদাত হোসাইন

    September 5, 2026
    Our Picks

    ইতি স্মৃতিগন্ধা – সাদাত হোসাইন

    September 5, 2026

    অশ্বত্থামা হত – ড. পার্থ চট্টোপাধ্যায়

    September 5, 2026

    ঈশ্বরপুরের প্রেমকথা – দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য

    September 5, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }