Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    চাঁদের অমাবস্যা – সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ

    July 31, 2026

    সংশপ্তক – শহীদুল্লা কায়সার

    July 31, 2026

    সুখ অসুখ – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    July 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    গোরা – শৈবাল মিত্ৰ

    শৈবাল মিত্ৰ এক পাতা গল্প1220 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    গোরা – ৩১

    ৩১

    মহামিছিলের খবর যত তাড়াতাড়ি গৌড়ের রাজধানী একডালায় সুলতানের দরবারে পৌঁছে গিয়েছিল, তার চেয়ে একটু শ্লথগতিতে লোকমুখে সাতকাহন হয়ে গোরার প্রতিপক্ষ শিবিরের কানে যাচ্ছিল। গোরার নেতৃত্বে শ্রীবাসের বাড়িতে ছত্রিশ জাতের মানুষের জমায়েত আর মহোৎসবের ঘটনা আটচল্লিশ ঘণ্টার মধ্যে শান্তিপুর, হালিশহর পরগণার কুমারহট্ট, ফুলিয়া, গুপ্তিপাড়া, সপ্তগ্রাম, বংশবাটি, ত্রিবেণীর ব্রাহ্মণ্যবাদীরা জেনে গেলেও গোটা রাঢ়, সুক্ষ্ম, সমতটে সে কাহিনী সাত-দশদিন ধরে ধীরে ধীরে ছড়িয়ে পড়ছিল। বৈষ্ণববিরোধী স্মার্ত, নৈয়ায়িক, শাক্ত, তন্ত্রাচারীরা রাগে খেপে উঠছিল। নিষ্কর্মা, ভিক্ষাজীবী, উচ্ছৃঙ্খল বৈষ্ণবদের স্বেচ্ছাচারিতায় সনাতন হিন্দুধর্মের সর্বনাশ ঘটতে চলেছে, এ নিয়ে তাদের সন্দেহ ছিল না। গোরা আর তার অনুগামীদের শায়েস্তা করতে তারা ঘোঁট পাকাতে শুরু করল। নবদ্বীপের রাজা কাশীনাথ রায় ও বৈষ্ণবদের পৃষ্ঠপোষক ছিল না। গোরার জনপ্রিয়তার খবর যত বেশি তার কানে যাচ্ছিল, তার গাত্রদাহ বাড়ছিল। রাজসভায় স্মার্ত, নৈয়ায়িক, তন্ত্রবিশ্বাসীরা রাজার কান ভাঙানোর সঙ্গে বৈষ্ণবদের নবদ্বীপ ছাড়া করতে নিজেরা সংগঠিত হচ্ছিল। রাজা কাশীনাথ রায় ছিল সুলতানি দরবারের একজন প্রভাবশালী আমীর। রাজাকে সামনে রেখে গোরার বিরুদ্ধে সুলতানকে লাগিয়ে দিতে তারা শলাপরামর্শ চালাতে থাকল। গোরাকে চারপাশ থেকে ঘিরে ফেলে তারা এমন এক পরিস্থিতি তৈরি করতে চাইল, যাতে প্রাণ হাতে করে নবদ্বীপ ছেড়ে পালাতে গোরা বাধ্য হয়। পৃথিবী ছেড়ে সে চলে গেলেও তাদের আপত্তি নেই, বরং যাওয়ার পথ তারা সুগম করে দিতে পারে। গোরাকে ধরাধাম থেকে সরিয়ে দেওয়ার পন্থা প্রকৃতপক্ষে তারা ভাঁজতে শুরু করল।

    সুলতানি মসনদের সুরক্ষার জন্যে গোরাকে শূলে চড়ানোর চিন্তা, একডালার দরবারে ততদিনে শুরু হয়ে গিয়েছিল। নবদ্বীপের বৈষ্ণবসম্প্রদায়কে উচ্ছন্নে পাঠাতে খান-ই-জাহান, প্রধানমন্ত্রী সুলতানাবাদী দায়িত্ব পেয়েছে, এমন গুজব শুনে গৌড়ের ব্রাহ্মণ্যবাদীরা স্বস্তির সঙ্গে কিছুটা ভয় পেয়েছিল। সুলতানাবাদী কড়া ধাতের লোক। তার চোখে কাফেরমাত্রই শয়তান বামুন, বৈয়বে কোনও ফারাক নেই। নবদ্বীপের কয়েক ক্রোশ দূরে, নৈকষ্য কুলীন ব্রাহ্মণদের গ্রাম পীরল্যাকে রাতারাতি মুসলিম বসতি করে দিয়েছিল ইসলামাবাদী। পীরল্যার প্রতিটা পরিবারকে গোমাংস খেতে বাধ্য করেছিল সে। সকলের জাতিনাশ করেছিল। নবদ্বীপে একইরকম ঘটলে অবাক হওয়ার কিছু নেই। নবদ্বীপ থেকে বৈষ্ণবদের ঝেঁটিয়ে বিদায় করতে পারলে সুলতানের প্রতিহিংসা থেকে এই নগরের ব্রাহ্মণকুলকে বাঁচানো যায়। হ্যাঁ, সেটাই পথ। নবদ্বীপের গোঁড়া ব্রাহ্মণবাদীরা এই সিদ্ধান্তে পৌঁছে গিয়েছিল। নবদ্বীপকে বৈষ্ণবমুক্ত করতে গোরাকে পৃথিবী থেকে সরিয়ে দিতে তারা দল পাকাতে শুরু করল। কুরমাহট্ট থেকে সপ্তগ্রাম পর্যন্ত নানা জায়গায় গোপন সভাতে জড়ো হয়ে শলাপরামর্শ চালাতে থাকল। গোরাকে নিকেশ করতে পারলে নবদ্বীপ খালি করে বৈয়বেরা পালাতে শুরু করবে, এ নিয়ে তাদের সন্দেহ ছিল না। বৈষ্ণবদের বিরুদ্ধে, আরও খোলাখুলি বললে গোরাবিরোধী ব্রাত্মণ্যবাদীদের চক্রান্তে সব স্মার্ত, নৈয়ায়িক, শাক্ত, তান্ত্রিক ব্রাহ্মণরা হাত মিলিয়েছিল, এমন নয়। প্রকৃত জ্ঞানী, সুবিবেচক অদ্বৈত বেদান্তবাদী ব্রাহ্মণ্য তখন নবদ্বীপে কম ছিল না। উড়িষ্যারাজ গজপতি প্রতাপরুদ্রের সভাপণ্ডিত, বাসুদেব সার্বভৌমের ভাই, কুলিয়ার বিদ্যানগরবাসী, বাচস্পতি ভট্টাচার্য, যাকে বিদ্যাবাচস্পতি নাম পণ্ডিতমহল একডাকে চিনত, স্মার্তপণ্ডিত রঘুনন্দন, তন্ত্রাচার্য কৃষ্ণানন্দ আগমবাগীশের ভাই, মাধবানন্দ সহপ্রাক্ষ জ্যোতিষশাস্ত্রবিদ হৃদয়ানন্দ বিদ্যার্ণব আরও কেউ কেউ গোরার বিরোধী ব্রাহ্মণ্যবাদীদের ষড়যন্ত্রে শামিল হতে পারল না। তারা দূরে সরে থাকল। ‘অনুমানদীধিতি’ গ্রন্থের রচয়িতা, কিশোর গোরার স্বল্পকালের শিক্ষক পণ্ডিতপ্রবর ন্যায়শাস্ত্রবিদ রঘুনাথ শিরোমণি জানত গোরা কী মাপের ছাত্র, স্বভাব, চরিত্রেও সকলের থেকে আলাদা, রঘুনাথের অজানা ছিল না। মুকুন্দ সঞ্জয়ের বাড়িতে গোরা চতুষ্পাঠী খোলার পরে, ছাত্রের টোল দেখতে এসেছিল রঘুনাথ। নব্যন্যায়ের শিক্ষাকেন্দ্র হিসেবে খ্যাতির তুঙ্গে নবদ্বীপকে প্রতিষ্ঠা করতে বিদ্যাচর্চায় রঘুনাথ মেতে থাকলেও পুরনো ছাত্র গোরার কীর্তিকলাপের ওপর সে নজর রেখেছিল। গোরা যে ক্রমশ বৈষ্ণবসমাজে নমস্য হয়ে উঠছে, তার অজানা ছিল না। নবদ্বীপে প্রেমভক্তির জোয়ার উঠলেও রঘুনাথের চতুষ্পাঠীতে ছাত্রের অভাব হয়নি। কুলিয়ার বিদ্যানগরে বিদ্যাবাচস্পতির টোলেও সমান তালে ন্যয়াশাস্ত্রে পঠনপাঠন চলছিল, গোরা সম্পর্কে দু’জনের মনেই যথেষ্ট স্নেহ ছিল। জগন্নাথ মিশ্রের বন্ধু, বিদ্যাবাচস্পতির মনে স্নেহের সঙ্গে অল্পবয়সে বাপ-হারানো ছেলেটার জন্যে কিছু দুর্বলতা জমা ছিল। লোকমুখে গোরার খবর সে যেমন পাচ্ছিল, তেমনই একডালার দরবার থেকে প্রাক্তন দুই ছাত্র, সন্তোষ, অমর যারা এখন সুলতানি দরবারের সাকর মল্লিক, দবীর খাস, তাদের লেখা চিঠি থেকে জানছিল, গোরার জনপ্রিয়তার খবর গৌড়ের দরবারে পৌঁছে গেছে। শুধু তাই নয়, গোরার প্রেমভক্তির আবেশ দরবারের দুই পদস্থ কর্মচারীকে ছুঁয়ে ফেলেছে। উজ্জ্বল এক ভবিষ্যতের আভাস পেতে শুরু করেছে তারা। দুই ছাত্রের লেখা চিঠির আবেগ বিদ্যাবাচস্পতিকেও কিছুটা উত্তেজিত করেছে। গোরা শুধু তার বন্ধুর ছেলে নয়, তার পরম স্নেহভাজন। গয়ায় বাবার পিণ্ড দিতে যাওয়ার আগেও ফুলিয়ায় তার বাড়িতে এসে শাকভাত খেয়ে গেছে। পৃথিবী থেকে তাকে সরিয়ে দেওয়ার চেষ্টা যারা করছে, তারা ব্রাহ্মণপণ্ডিত হলেও সদাচারী নয়। তাদের সঙ্গে হাত মেলানোর চিন্তা বিদ্যাবাচস্পতি করতে পারে না। রাজধানী একডালা থেকে সন্তোষ, অমরের নিয়মিত চিঠি পাওয়ার সঙ্গে আর এক প্রাক্তন ছাত্র, চারুমিহির, সুলতানি দরবারে যে জ্যোতিষার্ণব নামে পরিচিত, তার কাছ থেকে হঠাৎ করে কিছু গোপন খবর, মাঝে মাঝে বাচস্পতির কাছে আসে। ভূর্জপত্রে লেখা সম্বোধনবিহীন, স্বাক্ষরহীন সেইসব খবর পড়ে বাচস্পতি বুঝতে পারে, সুলতানের সবচেয়ে বিশ্বস্ত জ্যোতিষার্ণবও মনিবের কাছে ষোলোআনা দায়বদ্ধ নয়। গৌড়ের মসনদ ওল্টানোর গোপন তৎপরতার সঙ্গে চারুমিহিরের অল্পবিস্তর যোগাযোগ আছে। সুবুদ্ধি রায়ের ছেলে সুশ্রুত রায়, যার অন্নপ্রাশন অনুষ্ঠানে বিদ্যাবাচস্পতি যজ্ঞের আগুন জ্বেলে প্রথম ঘৃতাহুতি দিয়েছিল, সেই সুশ্রুতের সঙ্গেও চারুমিহির তলে তলে সংযোগ রেখে চলেছে। সুশ্রুত-ই সেই গোপন তথ্য ঝড়-বৃষ্টিতে উথাল-পাথাল এক রাতে জ্যোতিষার্ণবের বাড়িতে এসে বলে গেছে। কাকপক্ষি এ খবর জানে না। সুশ্রুতের বাহিনী গড়তে দু’হাতে যারা সাহায্য করছে, সেই দুই রাজকুমার, সামন্তভূমের হামীর রায়, চন্দ্রদ্বীপের পীতাম্বর রায়ের কাছেও অজ্ঞাত ছিল এই তথ্য। গৌড়, সুষ্ম, সমতট, বারেন্দ্রভূম, বঙ্গাল জুড়ে গত একশ’ বছর ধরে ধর্মরাজ্য প্রতিষ্ঠার কাজে কে রয়েছে, কে নেই, বিদ্যাবাচস্পতি তা স্পষ্ট না জানলেও সে নিজেও জড়িয়ে পড়েছিল। তার বাড়িটা যোগাযোগের ঘাঁটি হিসেবে পনেরো বছর ধরে ব্যবহৃত হলেও সিন্ধুকী, জাসুরা টের পায়নি। বৈষ্ণব সন্ন্যাসী মাধবেন্দ্র পুরী, ঈশ্বরপুরী, রাজপুরুষদের মধ্যে পীতাম্বর রায়ের ঠাকুর্দা, বিশ্বনাথ রায়ও তার বাড়িতে একাধিকবার ঘুরে যাওয়ার আগে বলেছে, ধর্মরাজ্য প্রতিষ্ঠার দিন বেশি দূরে নয়, বিদ্যাবাচস্পতি যেন সেই নতুন ব্যবস্থাকে আবাহন করতে তৈরি থাকে। চারুমিহির একাধিকবার শিক্ষাগুরুর সঙ্গে দেখা করতে এসে আভাসে একই ইঙ্গিত দিয়েছে। বিদ্যাবাচস্পতির মাঝে মাঝে সন্দেহ হয়, ধর্মরাজ্য প্রতিষ্ঠার গোপন স্থপতিদের একজন চারুমিহির। সুলতানি দরবারের অন্দরমহলে জ্যোতিষার্ণবের আসনে বসে কিছু ভবিষ্যৎবাণী অব্যর্থভাবে মিলিয়ে দেওয়ার সঙ্গে গোপন ধর্মরাজ্য কায়েম করার ঘুঁটি সাজাচ্ছে সে। সুবুদ্ধি রায়ের ছেলে সুশ্রুত রায়ের মতো তার বন্ধুভাবাপন্ন আরও একঝাঁক সেনাপতি গৌড়ের নানা দুর্গম অঞ্চলে সেনাবাহিনী গড়ে যুদ্ধের জন্য তৈরি হচ্ছে। নবদ্বীপের জগন্নাথ মিশ্রের ছেলে গোরা কি এই বিশাল কর্মকাণ্ডে অধিনেতার ভূমিকা নেবে? অসম্ভব নয়। প্রেমভক্তির স্রোতে ধর্ম, বর্ণ, জাতপাতের ব্যবধান মুছে দিয়েছে সে। কৃষ্ণনাম উচ্চারণ করে যবন, চণ্ডাল, মুচি, ডোম সবাই বামুনের মর্যাদা পাচ্ছে, হাজারে হাজারে তারা নামসঙ্কীর্তন করতে পথে নেমে পড়েছে, চাঁদ কাজি ভয় পেয়ে নবদ্বীপ ছেড়ে রাজধানী একডালায় পালিয়ে গিয়ে সেখান থেকে ঘোড়সওয়ার বাহিনী নিয়ে ফিরেছে। ঘটনার পর ঘটনায় নবদ্বীপ যখন টালমাটাল, গোরার প্রাণ নিয়ে টানাটানি, চারুমিহিরের কাছ থেকে বিদ্যাবাচস্পতির কাছে তখনই গোপন যে নির্দেশ এল, তার মর্মার্থ ছিল, গোরাকে যত তাড়াতাড়ি সম্ভব নবদ্বীপের বাইরে কোথাও যেন পাঠিয়ে দেওয়া হয়। গৌড়ের সুলতানি রাজত্বের তল্লাট ছেড়ে দূরে কোথাও সপরিবার তার কিছুকাল কাটানো এখন সবচেয়ে নিরাপদ। গোঁড়া ব্রাহ্মণ্যবাদীদের ষড়যন্ত্রে গোরা খুন হওয়ার আগে সুলতানি সেনারা যে তাকে বন্দি করে একডালায় নিয়ে যাবে, এমন পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। সুনির্দিষ্ট অভিযোগে গোরাকে বিচার করে তার প্রাণদণ্ডের বিধান দেওয়া হবে। বিচারের বিধান আগে শোনানো হবে, না প্রাণদণ্ডের পরে শোনানো হবে, এখনই বলা যাচ্ছে না। সপ্তগ্রামের বিত্তবান বণিক আর তাদের উপদেষ্টা প্রভাবশালী বামুনরা গোরাকে চরম সাজা দেওয়ার দাবি তুলে সুলতানি দরবার তাতিয়ে দিয়েছে।

    বিদ্যাবাচস্পতিকে একডালা থেকে ভূর্জপত্রে লেখা চারুমিহিরের চিঠিতে প্রাপককে যেমন কোনও সম্বোধন করা ছিল না, তেমনই ছিল না প্রেরকের স্বাক্ষর। চারুমিহিরের চিঠিতে নবদ্বীপ থেকে গোরাকে সরিয়ে দেওয়ার জন্যে যে তাড়া ছিল, তা বুঝতে বিদ্যাবাচস্পতির অসুবিধে না হলেও কারণটা তখনই ধরতে পারল না। পুরীতে, দাদা বাসুদেব সার্বভৌমের কাছে গোরাকে পাঠানোর চিন্তা সেই মুহূর্তে মাথায় এলেও, দাদাকে কীভাবে খবরটা তাড়াতাড়ি জানানো যায়, ভাবতে শুরু করল। সুলতানি আদালতে গোরাকে যে চালান করা হবে, এই খবরে বিদ্যাবাচস্পতির বুকে কাঁপুনি ধরেছিল। নবদ্বীপ থেকে রোজের খবর ফুলিয়ায় না গেলেও সেখানে গোরাকে ঘিরে মানুষের ভিড় বেড়ে চলেছে, নবদ্বীপের বাইরে গৌড়বাসী বৃহত্তর জনসমাজের চোখের মণি হয়ে উঠছে সে, এ খবর বিদ্যাবাচস্পতি পাচ্ছিল। মহামিছিলের পরে বেশ কয়েকমাস কেটে গেলেও গোরাকে সুলতানি ফৌজ একডালায় ধরে নিয়ে না যাওয়ায় সে এ যাত্রা রেহাই পেয়ে গেল, এমন ধারণা বিদ্যাবাচস্পতি করেছিল। বাস্তবে তা অন্যরকম হয়ে যেতে তার মনে হল, গোরার প্রতিপক্ষ সাংঘাতিক কোনও চালে বাজিমাৎ করেছে। প্রধানমন্ত্রী ইসলামাবাদীকে তদ্বির করে গোরাকে শূলে চড়ানোর ব্যবস্থা পাকা করে ফেলেছে। গোরার জন্যে তুমুল দুশ্চিন্তা মাথায় নিয়ে তাকে পুরীতে পাঠানোর উপায় বাচস্পতি যখন খুঁজছে, তখন নবদ্বীপে নারায়ণীর অন্তঃসত্ত্বা হওয়ার ঘটনা জানাজানি হয়ে গেছে। শ্রীবাসের পরিবারের ভেতর থেকে সে খবর পাড়ায়, সেখান থেকে সারা নবদ্বীপে ছড়িয়ে পড়েছিল। গোরাকে জড়িয়ে সেই কেলেঙ্কারির বৃত্তান্ত, ফুলিয়াতে বিদ্যাবাচস্পতির কাছেও পৌঁছে গেল। কেঁপে উঠল বিদ্যাবাচস্পতি। গোরার জন্মের সময় তার নাড়ি কেটেছিল যে দাই, সেই সনকা-ই সম্ভবত নারায়ণীকে দেখে তার শরীরে সন্তানসম্ভবা হওয়ার লক্ষণগুলো প্রথম নজর করেছিল। আশিবছর বয়স হলেও মালিনীর শেষ সন্তানটিকে পৃথিবীতে এনেছে সে। চারমাস আগে এক সঙ্কীর্তনের রাতে সেই শিশু মারা গেলেও শ্রীবাস পণ্ডিতে বাড়িতে সনকার যাতায়াত বন্ধ হয়নি। পরিবারের একজন হয়ে গেছে সে। নবদ্বীপের নানা বাড়িতে তার অবাধ যাওয়া আসা। বাড়ির কোনও বউ, বিবাহিতা মেয়ের পেটে বাচ্চা এলে একবার নজর করে সে বলে দিতে পারে। নারায়ণীর শরীরে সন্তানবতী হওয়ার লক্ষণ, তার চোখ এড়ায়নি। মালিনীকে আড়ালে ডেকে কথাটা সে জানাতে মালিনী চমকে গিয়েছিল। সনকাকে মুখে কুলুপ এঁটে থাকতে বলে নিজেও নিঃশব্দে নারায়ণীর চালচলনের ওপর নজর রাখছিল। সনকা কথা রেখেছিল। বিধবা নারায়ণীর সন্তানসম্ভবা হওয়ার ঘটনা পাঁচকান করেনি। প্রতিবেশীদের কেউ হয়তো অন্ধকার পুকুরঘাটের পাশে গাছতলায় তাকে একাধিক সন্ধেতে বমি করতে দেখে কিছু অনুমান করে পড়শি কোনও বউকে কথাটা বলেছিল। শ্রীবাসের বাড়ির এমন কেউ দেখে থাকতে পারে, যে গৃহকর্ত্রী মালিনীকে পছন্দ করে না। মালিনীর স্নেহের ভাসুরঝি বিধবা নারায়ণীর পা পিছলোনোর গল্প ছড়ানোর এমন সুযোগ সে ছাড়বে কেন? নারায়ণীর গর্ভবতী হওয়ার ঘটনা, নানা কুকথা, উপকথার মিশেলে মুখে মুখে ছড়িয়ে পড়তে থাকল। ঝড় উঠল নবদ্বীপে। নবদ্বীপ থেকে সেই খবর গৌড়ের রাজধানী একডালার সুলতানি দরবার পর্যন্ত পৌঁছে গেল। গোরাকে কোতল করার জবরদস্ত সুযোগ পেয়ে গেল প্রধানমন্ত্রী ইসলামাবাদী। নারায়ণীর গর্ভবতী হওয়ার ঘটনার সঙ্গে গোরাকে জড়িয়ে তার ব্যভিচারের বৃত্তান্ত ফুলিয়ে-ফাঁপিয়ে নবদ্বীপের গোঁড়া বামুনরা এমনভাবে রটনা করতে থাকল যে, গোরাকে শূলে চড়ানোর জন্যে জনরোষ ফুঁসতে থাকল। তার ভক্তদের বড় একটা অংশ এই প্রচারে ভ্যাবাচাকা খেয়ে নিশ্চুপ হয়ে গেল। শাস্ত্র পড়া বৈষ্ণব ভক্তদের কেউ বলল, গোরা চিবোনো পানের ছিবড়ে খেয়ে সন্তানসম্ভবা হয়েছে নারায়ণী। অদ্বৈত, শ্রীবাস বলল, মহোৎসবের প্রথম সন্ধেতে গোরা ভাতের থালার ভুক্তাবশেষ খেয়ে নারায়ণী মা হতে চলেছে।

    উদাহরণ হিসেবে রামায়ণ, মহাভারত থেকে এরকম ভূরি ভূরি ঘটনা তুলে তারা নারায়ণীর গর্ভসঞ্চার যে শাস্ত্রসম্মত, প্রমাণ করতে চাইল। সূর্যবংশীয় পুত্রসন্তানহীন রাজা দশরথ ছেলের আশায় পুত্রেষ্টি যজ্ঞ করে অর্ঘ্য হিসেবে যে পায়েস নিবেদন করেছিল, সেই পায়েস খেয়ে রাজার তিন রানী—কৌশল্যা, কৈকেয়ী, সুমিত্রার চার ছেলে—রাম, ভরত, লক্ষ্মণ, শত্রুঘ্নর জন্ম হয়েছিল। ঠিক কিনা?

    ঠিক, একদম ঠিক।

    পাঞ্চালরাজ দ্রুপদের মেয়ে দ্রৌপদী আর ছেলে ধৃষ্টদ্যুম্নও দেবতাদের বরে যজ্ঞবেদিতে ভূমিষ্ঠ হয়েছিল, সে কাহিনী শোনাল অদ্বৈত আচার্য। অদ্বৈত, শ্রীবাসের যুক্তি বৈষ্ণবসমাজ মেনে নিলেও প্রতিপক্ষ নিস্তেজ হল না। গোরাকে ফাঁসানোর মস্ত একটা সুযোগ পেয়ে ধরাধাম থেকে তাকে সরিয়ে দিতে চট্টগ্রাম, আরাকানে গোখাদক ভাড়াটে গুপ্তঘাতক জোগাড় করতে তারা যোগাযোগ শুরু করল। শাস্ত্রজ্ঞানহীন লম্পটদের হাত থেকে নবদ্বীপের সুভদ্র সমাজকে বাঁচাকে সুলতানের কাছে লিখিত বিনয়াবনত আর্জি পেশ করে রাখতেও তারা কসুর করল না। সামাজিক কেলেঙ্কারির প্রবল ধাক্কায় বৈষ্ণবদের বাড়বাড়ন্ত কিছুদিনের জন্যে ঝিমিয়ে পড়ল। বাইরে থেকে বোঝা না গেলেও শ্রীবাসের পরিবারে অশান্তি চাপা থাকল না। বাড়ি থেকে নারায়ণীকে তাড়াতে পরিবারের দু-একজন কোমর বেঁধে নেমে পড়ল। নবদ্বীপ জুড়ে পাষণ্ডীরা গোরার নামে কুৎসার বন্যা বইয়ে দিলেও বৈষ্ণব ভক্তদের বেশিরভাগ তা বিশ্বাস করল না। শ্রীবাসের বাড়িতে ভক্তদের নিয়ে গোরা আগের মতো মেতে থাকলেও জনসমাগমে কিছুটা ভাটা পড়ল। সনকার বাড়িতে রেখে নারায়ণীর গর্ভমোচনের প্রস্তাব পরিবারের কেউ কেউ দিলেও শ্রীবাস তা উড়িয়ে দিয়েছিল। মালিনীর সামনে কেউ মুখ খুলতে সাহস পায়নি। শ্রীবাসকে সাহস জুগিয়েছিল গোরা। তাকে জড়িয়ে পাঁকের প্রবাহের মতো অপপ্রচার রটেছে জেনেও শ্রীবাসের মাথা থেকে নারায়ণীর মাতৃত্ব নষ্টের চিন্তাকে সে ফুঁ দিয়ে উড়িয়ে দিয়েছিল। সঙ্কীর্তনের শেষে, রাতের তৃতীয় প্রহরে বিষ্ণুমন্দিরের চাতালে বসে শ্রীবাস, নিতাই, শ্রীবাসের ছোটভাই শ্রীরামকে গোরা বলেছিল, আমার প্রিয় জন্মভূমি এই নবদ্বীপ ছেড়ে তাড়াতাড়ি হয়তো চলে যেতে হবে আমাকে, কোথায় যাব, তোমরা জানতে চেও না। আমি নিজেও এখনও ঠিক করিনি, কোথায় যাব। নবদ্বীপ কেন ছাড়তে হচ্ছে, তোমাদের অজানা নয়। নবদ্বীপের বৈষ্ণবসমাজকে বাঁচাতে তোমরা এখানে থাকবে। তোমাদের সঙ্গে থাকবে কৃষ্ণনাম, স্বয়ং কৃষ্ণ, আমার শুরু করা যত কাজ আর সঙ্কীর্তন। মানুষের মধ্যে দুটো অংশ আছে, এক হচ্ছে তার কাজ, দ্বিতীয় যা রয়েছে, তা কাজের চেয়ে অনেক বড়, তা হল কৃষ্ণের উপস্থিতি। মানবাত্মার বিকাশের কথা যদি ভাব, তার প্রত্যেকটা ধাপ, কত যুগের কীর্তি জমে গড়ে উঠেছে হিসেব পাবে না। অনেক সময় নিয়ে ধীরে ধীরে এগিয়েছে মানুষের কাজ, তার কৃষ্ণসাধনা মানুষের কাজের এক নমুনা হল অযোধ্যা, কৃষ্ণের আগের অবতার রাম, আর এক নমুনা হস্তিনাপুর, যেখানে কৃষ্ণ ধর্মরাজ্যের প্রতিষ্ঠাতা। অন্য এক ধর্মমত, বৌদ্ধধর্মও সেরকম এক প্রতিষ্ঠা। মুসলিমদের ধর্মও তাই। আমাদের অনেক কিছু তারা শিখিয়েছে। তাদের সঙ্গে গৌড়ে জায়গা দিয়েছে কৃষ্ণনাম, শুধু নাম আর নামসঙ্কীর্তন। আমাদের যুগে কৃষ্ণনাম আর সঙ্কীর্তনই সত্য। সব সাধনাই চলেছে কৃষ্ণের দিকে। এ হল সবচেয়ে সহজ, সরল প্রেমভক্তির পথ। এত সরল, এত প্রত্যক্ষ সাধনা যে আর নেই, এটাই আমি দেখাতে চাই তোমাদের। আমাদের কৃষ্ণের জন্মের পরেও দেবকী, যশোদা, কেউই সেভাবে সরাসরি মা পরিচয় পেল না। আমাদের নারায়ণীও তাই। নিরীহ, বিধবা, অতি সাধারণ বিষ্ণুসেবিকা সে। রামায়ণ, মহাভারতের যুগে তাকে হয়তো চোখেই পড়ত না, তার পুত্রবতী হওয়ার ঘটনা নিয়ে এত কুৎসা ছড়াত না, সতী পঞ্চকন্যার একজন গণ্য করে তাকে দেবী ভাবা হত। সে তো প্রকৃতই দেবী, দেবকন্যা। মহাভারতের কুন্তির গর্ভসঞ্চার, তার মা হওয়ার ঘটনা, কারও নজরে পড়েনি। মহাবীর কর্ণের মাতৃপরিচয় গোপনে বহন করেছিল সে। নারায়ণীও সে পথে হাঁটতে শুরু করেছে। গোপনে, নিঃশব্দে সে তিল তিল করে গড়ে তুলছে একটি শিশু, তার প্রাণ, মানুষের প্রবাহের প্রাণ, সভ্যতার বিস্ময় আর আনন্দ! ভবিষ্যতের মানুষ তাই বললেও এখনকার নীতিবাগীশ সমাজ নারায়ণীর সন্তানধারণকে অবৈধ বলবে, গালিগালাজ দেবে, কাদা মাখাবে। সেসব শুরু হয়ে গেছে। নারায়ণীর মা হতে চাওয়া প্রকৃতিবিরোধী না হলেও ন্যায়শাস্ত্রের বিরুদ্ধে। নিজের তাগিদে সে মা হচ্ছে না, সে জন্ম দিচ্ছে কৃষ্ণের কৃপায়, গৃহদেবতা বিষ্ণুর প্রসাদে। আজ থেকে জীবনের উৎসে কোনও বাধ্যতা রইল না। আগামী দিনগুলিতে প্রাণ জন্ম নেবে নিজের তাগিদে, কৃষ্ণের প্রেরণায়। নারায়ণীর সন্তানধারণের ঘটনা বৈষ্ণবসমাজের জন্যে যে নতুন বার্তা উপহার দিল, তা অসাধারণ, গতানুগতিক নয়, মহা উৎসব, শাস্ত্রীয় বাধ্যতার বদলে দেখাল কৃষ্ণকৃপা এই মানবিক ঘটনাকে বুঝতে হলে স্বর্গের চোখ দিয়ে পৃথিবী আর মানুষকে দেখতে হবে, পরম প্রেমিক কৃষ্ণের ওপর ভরসা রাখতে হবে, সশ্রদ্ধ হৃদয়ে মেনে নিতে হবে কৃষ্ণের পুণ্য বিভায় নারায়ণী সন্তানসম্ভবা হয়েছে। রামায়ণ, মহাভারতে ক্ষেত্রজ সন্তান জন্মের কাহিনী পৃথিবীকে পাল্টে দিয়েছিল। তখন আমরা পবিত্র মাতৃত্বের ঘটনা সঠিকভাবে বুঝিনি, বুঝতে চাইনি। মহাপ্রস্থানের পথে চলে গেল পাণ্ডবেরা, বাতাসে মিলিয়ে গেল অযোধ্যা আর হস্তিনাপুরের রাজবংশ, কিন্তু সব কি শেষ হয়ে গেল? না। মানুষ, সমাজ, দেশ জাতি থেকে গেল, মানুষের মধ্যে একজন পুরুষোত্তম হয়ে উঠলেন, তিনি কৃষ্ণ, তিনি বন্ধন, তিনিই মুক্তি, তাঁর জীবনী হয়ে উঠল ঈশ্বরচরিত, তা ভরে দিল বিশ্বচরাচর, স্বর্গরাজ্যের অধীশ্বর হল মানুষ।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44 45
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleআড়িয়াল খাঁ – মাসরুর আরেফিন
    Next Article সুখ অসুখ – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    अनीश दास
    मौलाना शाह वलीउल्लाह
    रेवरेंड के. के. जी. सरकार
    অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত
    অনন্যা পাল
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অবনীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    অভিজ্ঞান রায়চৌধুরী
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক দত্ত
    অভীক সরকার
    অমরেন্দ্র চক্রবর্তী
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অরিন্দম দেবনাথ
    অর্পিতা সরকার
    অশোককুমার মিত্র
    অসম্পূর্ণ বই
    আখতারুজ্জামান ইলিয়াস
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুর রহমান আল-আরিফি
    আবদুল হালিম
    আব্দুল মালেক আলী আল-কুলাইব
    আব্দুল হামীদ ফাইযী
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    কৌশিক সামন্ত
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোপেন্দ্র বসু
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভট্টাচার্য
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যজ্যোতি মজুমদার
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বাণ রায়
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পরিমল ভট্টাচার্য
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিয়োদর দস্তইয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণু শর্মা
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাসরুর আরেফিন
    মাহতাব উদ্দিন
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রণদীপ নন্দী
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজর্ষি দাশ ভৌমিক
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    রেভারেণ্ড কে. কে. জি. সরকার
    লীলা মজুমদার
    লেইল লোনডেস
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শঙ্কর চ্যাটার্জী
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শহীদুল্লা কায়সার
    শাক্যজিৎ ভট্টাচার্য
    শাক্যজিৎ ভট্টাচাৰ্য্য
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শৈবাল মিত্ৰ
    শ্যামল গঙ্গোপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রীপারাবত
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সন্দীপন চট্টোপাধ্যায়
    সন্মাত্রানন্দ
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সম্পাদনা : শৈলেন্দ্র হালদার
    সরদার ফজলুল করিম
    সরোজকুমার রায়চৌধুরী
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সায়ক আমান
    সায়ন্তনী পূততুণ্ড
    সায়ন্তনী পূততুন্ড
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুব্রত গুহ
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৈয়দ মুস্তাফা সিরাজ
    সৈয়দ শামসুল হক
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্মরণজিৎ চক্রবর্তী
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হরিশংকর জলদাস
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    চাঁদের অমাবস্যা – সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ

    July 31, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    চাঁদের অমাবস্যা – সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ

    July 31, 2026
    Our Picks

    চাঁদের অমাবস্যা – সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ

    July 31, 2026

    সংশপ্তক – শহীদুল্লা কায়সার

    July 31, 2026

    সুখ অসুখ – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    July 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }