Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    চাঁদের অমাবস্যা – সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ

    July 31, 2026

    সংশপ্তক – শহীদুল্লা কায়সার

    July 31, 2026

    সুখ অসুখ – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    July 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    গোরা – শৈবাল মিত্ৰ

    শৈবাল মিত্ৰ এক পাতা গল্প1220 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    গোরা – ৪৩

    ৪৩

    স্নানযাত্রার কয়েকদিন পরে সেই বছরই মারা গেল ঠাকুর হরিদাস। বলা যায়, ইচ্ছামৃত্যু হল তার। ভোরের আলো ফোটার আগে গম্ভীরা থেকে হরিদাসের কুঁড়েতে গোরাকে ডেকে নিয়ে গেল দামোদর। বলল, শেষবারের মতো তোমাকে দেখতে চাইছে ঠাকুর হরিদাস। মাঝরাত থেকে তার শ্বাসকষ্ট শুরু হলেও নামজপ সে ছাড়েনি, বলছে, আমার যাওয়ার সময় হয়েছে। তাঁর হুকুমে প্রাণটা এতদিন ধরে রেখেছিলাম। তিনি এসে আমায় যাওয়ার অনুমতি দিন।

    গোরা তখনই রওনা দিল দামোদরের সঙ্গে। জোয়ারের ঢেউ ভাঙছে সমুদ্রে। নির্জন সকাল। ঝাউবনের মাথায় ভোরের প্রথম আলো এসে পড়েছে। মাথার ওপর দিয়ে উড়ে যাচ্ছে ধবধবে সাদা একঝাঁক বক। নিঃশব্দে কৃষ্ণনাম জপ করছে গোরা। তার মনে হচ্ছে হরিদাসের মতো অতুলনীয় কৃষ্ণভক্তি বৈষ্ণবসমাজে কারো নেই। তার নিজের আছে কিনা, এ নিয়েও তার মনে সংশয় জেগেছে। দু’চোখ বুজে হরিদাস যেভাবে তাকে স্বয়ং কৃষ্ণ ভেবে ভজনা করেছে, কৃষ্ণকে পেয়ে তৃপ্ত হয়েছে, সেভাবে কি হরিদাসকে কৃজ্ঞানে সে মেনে নিতে পারত? ভাবাবিষ্ট অবস্থায় নিজেকে তার কৃষ্ণাবতার মনে হলেও আবেশ কাটলে দিনের বাকি সময় সে একজন কৃষ্ণপ্রেমী সন্ন্যাসী ছাড়া কিছু নয়। ঠাকুর হরিদাসের পরমায়ু ফুরিয়ে এসেছে, কিছুদিন ধরে সে টের পাচ্ছিল। পৃথিবী ছেড়ে হরিদাস চলে যাবে অনুমান করে হুহু করছিল তার বুক। প্রার্থনা করছিল, বাপ কৃষ্ণ, হরিদাস যেন তোমার শ্রীচরণে ঠাঁই পায়।

    দামোদরের সঙ্গে হরিদাসের কুঁড়েতে গোরা যখন পৌঁছোল, সেখানে জগদানন্দ, গদাধর, গোপীনাথ আরও অনেকে পৌঁছে গেছে। খোল, খঞ্জনি নিয়ে বটমঞ্জুরী রাগে সঙ্কীর্তন করছে কয়েকজন। কুঁড়ের ভেতরে মাটির ওপরে শুয়ে হরিদাস বিড়বিড় করে নামজপ করলেও তার দু’ঠোঁট ক্লান্তিতে ভারী হয়ে আসছে, একনজরে গোরা বুঝে গেল। তার বুজেথাকা দু’চোখের পাশ দিয়ে সরু জলের রেখা শুকিয়ে রয়েছে। গোরা এসেছে শুনে অনেক কষ্টে চোখ খুলে তার দিকে কয়েক মুহূর্ত তাকিয়ে থেকে বলল, হে কৃষ্ণ, আমার মাথার পাশে এসে একবার দাঁড়াও।

    গোরা তাই করল। সঙ্কীর্তন থেমে গেছে। জীবনের শেষমুহূর্তে গোরার কাছে হরিদাসের কি প্রার্থনা, সবাই শুনতে চায়। হরিদাসের মাথার কাছে গোরা গিয়ে দাঁড়াতে মুমূর্ষু মানুষটা গোরার পায়ের ওপর মাথা রেখে বলল, জন্মে জন্মে যেন তোমার কৃপা পাই।

    হরিদাস কথা শেষ করতে তার মাথাটা গোরার পা থেকে মাটিতে ঢলে পড়ল। স্থির হয়ে গেল তার শরীর। গোরার ভক্ত, অনুরাগীদের অনেকে তখন কুঁড়ের সামনে জড়ো হয়েছে। তাদের চোখে জল, ফুঁপিয়ে কাঁদছে কেউ। সদাব্রত, বৃদ্ধ হাসিমুখ কৃষ্ণপ্রেমী হরিদাসকে সবাই ভালবাসত। তার কাছে মন্ত্রদীক্ষা নিয়ে শিষ্য হতে চেয়েছিল কেউ কেউ। লজ্জা, সঙ্কোচ, বিনয়ে জিভ কেটে হরিদাস বলত, দীক্ষা দেওয়ার অধিকার আমার নেই। আমি শুধু ‘কৃষ্ণ’ নাম জপ করতে পারি।

    তার অনুরাগীদের কেউই জানত না সন্ন্যাস নেওয়ার আগে তার পূর্বাশ্রমের পরিচয়। দু’একজন জানলেও তারা মুখ খোলেনি। হরিদাসের মরদেহ শ্মশানে দাহ করার প্রস্তুতি জগদানন্দ, দামোদর যখন নিতে শুরু করেছে, গোরা বলল, সমাধি দেওয়া হবে হরিদাসকে।

    হরিদাসের পূর্বাশ্রমের পিতৃপরিচয়, সে মুসলমান ছিল যারা জানে না, তারা মুখ চাওয়াচারি করতে থাকল। জগদানন্দ, দামোদর বলল, তাই হোক।

    হরিদাসের মরদেহ বয়ে নিয়ে যাওয়ার জন্যে একটা দরমার চালা জোগাড়ে দামোদর ব্যস্ত হতে গোরা বলল, ঠাকুরকে আমরা বয়ে নিয়ে যাব, চালা খোঁজার দরকার নেই। এসো, হাত লাগাও।

    হরিদাসের মরদেহের পাশে হাঁটু গেড়ে বসে ভক্ত, অনুগামীদের দিকে গোরা তাকাল। গদাধর, দামোদর, জগদানন্দ গুটিগুটি পায়ে এগিয়ে আসাতে তাদের দেখে কিছু অনুমান করে গোরা একা দু’হাতে তুলে নিল মৃত হরিদাসকে। ঘুমন্ত ছোট শিশুকে বাবা যেমনি দু’হাতে সযত্নে তুলে নিয়ে নিজের কোলে শোয়ায়, সেভাবে হরিদাসকে নিজের বুকের কাছে রাখল। স্নেহাতুর বাবার কোলে শিশু নিশ্চিন্তে ঘুমিয়ে রয়েছে। সবাই নিস্তব্ধ, চোখে জল, শুকনো মুখ। শ্মশানে সমাধিতে মরদেহ সৎকার করতে চুপচাপ যেতে হয়, এটা ছিল সে যুগের রীতি। গোরা রীতি ভাঙল, চাপা গলা বলল, বলো হরি, হরিবোল।

    সঙ্গীরা প্রথমে একটু থতমত খেলেও দু’পা এগিয়ে গলা মেলাল। সকালের নরম রোদ ছড়িয়ে আছে আকাশে। বালির ওপর দিয়ে হেঁটে চলেছে সৎকারকারী দল। সকলের সামনে গোরা। তার দু’হাতে চিরদিনের জন্যে ঘুমিয়ে রয়েছে হরিদাস। হরিদাসের কুঁড়ের সামনে খোল, খঞ্জনি নিয়ে যারা সঙ্কীর্তন শুরু করেছিল, তারা এখন সবার পেছনে মল্লার রাগে গাইছে ভাবসম্মিলনের পদ। সমুদ্রে সারারাত যারা মাছ ধরেছে, নৌকো নিয়ে ঢেউয়ের মাথায় চেপে তারা এক এক করে ফিরছে। নৌকো থেকে নেমে তাদের কয়েকজন দেখছে সঙ্কীর্তনমুখর সৎকারকারীদের। গৌড়ের সন্ন্যাসী শ্রীকৃষ্ণচৈতন্য আর তার কোলে ঘুমন্ত হরিদাসকে তারা চেনে, ভক্তি করে। বালিতে উবু হয়ে বসে তারা দণ্ডবৎ করল মৃত হরিদাসকে। হরিধ্বনি দেওয়ার মধ্যে গোরা ভাবছিল অন্যকথা। হরিদাসকে শ্মশানে যারা দাহ করতে চেয়েছিল, তাদের মধ্যে নবদ্বীপের কয়েকজন ছাড়া সবাই জানত মানুষটা হিন্দু। শ্মশানে চিতা জ্বেলে হিন্দুদের সৎকার করতে হয়। মুসলমানরা মরদেহ কবর দেয়। ঠাকুর হরিদাসের গৃহাশ্রমের পরিচয় জানা থাকার জন্যে তাকে সমাধিস্থ করতে নিয়ে যাচ্ছে সে। গদাধর, জগদানন্দ, দামোদর জানে সে খবর। তারা নিঃশব্দে মেনে নিয়েছে হরিদাসকে সমাধিস্থ করার আজ্ঞা। দু’জনে বুঝে গেল, এখন থেকে বৈষ্ণবদের মাটির নিচে সমাধিস্থ করার রীতি চালু হয়ে গেল। প্রেমভক্তিতে সে মাটিতে বসে ভাবসমাধি হয়, সেই মাটির তলায় সমাধিস্থ হওয়ার গৌরব কম নয়। ভক্ত, অনুরাগীরা হরিদাসের শেষযাত্রায় পা মেলালেও অবাক হয়েছে। মুখে কিছু না বললেও সৃষ্টিছাড়া এই কাণ্ডকে হয়তো হজম করতে পারছে না। বৈষ্ণব সাধককে চিতায় দাহ করার বদলে মাটির নিচে কবর দেওয়া হয়েছে শুনলে পুরুষোত্তমপুরের কড়া ব্রাহ্মণ্যবাদীরা হৈচৈ তুলতে পারে। তাদের উসকে দেওয়ার মতো লোক যথেষ্ট আছে। পুরুষোত্তমপুর থেকে গৌড়ীয়দের হঠাতে তারা কোমর বেঁধে নেমে পড়বে। আরো কিছু প্রশ্ন তার মাথায় ঘোরাফেরা করছিল। হরিদাসের মরদেহ বয়ে নিয়ে যেতে সে যখন অনুগামীদের ডাক দিল, স্বরূপ বাদে তাদের কেউ সেই মুহূর্তে এগিয়ে এল না কেন? গদাধর, জগদানন্দ, দামোদরও কয়েক মুহূর্ত সময় নিয়েছিল। হরিদাসের জাতপাত নিয়ে শোকাতুর মানুষগুলোর মনে কি সন্দেহ জেগেছিল? হরিদাসের আসল পরিচয় যারা জানে, সেই তিনজনের মনেও কি যবনসন্তান পরম বৈষ্ণবের মৃতদেহ ছুঁতে দ্বিধা ছিল?

    হরিদাসের নিথর দেহ কোলে নিয়ে সমানে হরিধ্বনি দেওয়ার সঙ্গে আরো নানা প্রশ্ন জাগছিল গোরার মনে। বৈষ্ণব সমাজে মৃতের সৎকারের জন্যে এখনই সাধারণ এক বিধান দরকার। মাটির নিচে হরিদাসকে শেষযাত্রায় শুইয়ে দিয়ে সৎকারের বৈষ্ণববিধান সেখানে সে জানিয়ে দেবে। সবাই খুশি হবে না, নানা জটিলতা তৈরি হবে, তবু বৈষ্ণবদের জন্যে আলাদা বিধান চাই। বৈষ্ণবদের সমাধির বিধান শুনলে পুরুষোত্তমপুরের গোঁড়া স্মার্ত, নৈয়ায়িকরা হল্লা জুড়ে দেবে। তারা রটাবে গৌড়ের সুলতানের প্রজারা ধর্মের নামে অপকর্ম করছে। তারা হিন্দু নয়, ছদ্মবেশী যবন। সন্ন্যাসী ভেকধারী গৌড়ের শ্রীকৃষ্ণচৈতন্য আসলে ভণ্ড, সুলতানের গুপ্তচর। তার অনুগামীদের মধ্যে এখন এসে মিশে গেছে গৌড় দরবারের দুই মন্ত্রী। উৎকলের রাজনৈতিক খবরাখবর নিয়ে গৌড়ের রাজধানী একডালায় তারা পৌঁছলে ফের শুরু হবে সুলতানী সেনার অভিযান। লুঠপাটের সঙ্গে তারা রক্তগঙ্গা বইয়ে দেবে। গরীব মানুষের বেঁচে থাকা অনিশ্চিত হয়ে পড়বে, সকালে যে আছে, বিকেলে সে নেই, শ্মশানে তার চিতা জ্বলছে। পোকামাকড়ের মতো মানুষ জন্মাচ্ছে আর মরে যাচ্ছে। তার মধ্যে আবার একটা যুদ্ধ বাঁধলে কত ভিটেমাটি জ্বলবে, চিরদিনের মতো কত মানুষ মারা পড়বে, নিখোঁজ হবে, দেশান্তরী হবে কেউ জানে না। হরিদাসের সমাধি, তার স্মরণ মহোৎসবের জন্যে মন্দিরের আনন্দবাজারের দোকানিদের কাছ থেকে প্রসাদ ভিক্ষের ঘটনা ঝড় তুলল পুরুষোত্তমপুরের ব্রাহ্মণ্যবাদী মহলে। গৌড়ীয় বৈষুবদের ওপর প্রবল হল তাদের বিদ্বেষ।

    পুরুষোত্তমপুরের পরিস্থিতি যখন জটিল হচ্ছে, গৌড়ের রাজধানী একডালায় সুলতানের মন্ত্রণালয়ে চলছে গোপন শলাপরামর্শ। সুলতানের কয়েকজন বিশ্বস্ত আমীর, ওমরাহর সঙ্গে সেখানে রয়েছে একজন বাইরের লোক। মেদিনীপুর সমেত গড়মান্দারণ কেল্লার সে সার্বভৌম শাসক। তার নাম গোবিন্দ বিদ্যাধর ভোই। তাকে সার্বভৌম শাসক মুখে বলা হলেও সুলতানের সঙ্গে কয়েক বছরের যোগাযোগে ইতিমধ্যে তার বশংবদ হয়ে গেছে বিদ্যাধর। সে জেনে গেছে তার ক্ষমতার উৎস গৌড়ের সুলতান হোসেন শাহ। সুলতান একটু ভ্রু কোঁচকালে মেদিনীপুর মহল, গড়মান্দারণ কেল্লা থেকে কুটোর মতো সে উড়ে যাবে। গজপতি রাজবংশকে সরিয়ে উৎকলের রাজসিংহাসন তার দখল করা সহজ হবে না। সুলতানের তলব পেলেই প্ৰায় দৌড়ে তার সামনে হাজির হয়ে যায়। উঠতে বসতে দশবার জাঁহাপনা বলে কুর্নিশ ঠোকে সুলতানকে। একডালার মন্ত্রণালয়ে পৌঁছে গৌড়ের খান-ই-জাহান, প্রধানমন্ত্রী ইসলামাবাদী সমেত যাদের সে দেখল, তাদের সবাইকে চেনে। তাদের একজন ঝড়বৃষ্টির রাতে ইসমাইল গাজীকে খুন করে তার সমাধিতে মাজার গড়ে দিয়েছে। কোতোয়ালপ্রধান আসগর খাঁ গোঁফ মুচড়ে বিদ্যাধরের দিকে তাকাতে ভয়ে হিম হয়ে গেল বিদ্যাধরের বুক। আসগরের চোখে চোখ রেখে শুকনো হাসি ফুটিয়ে তুলল সে। আসগর পাত্তা দিল না। কাজের কথা তখনই শুরু হল। জ্যোতিষার্ণব চারুমিহিরকে সে কোথায় উধাও করে দিল, কেউ জানে না। দরবারের দু’একজন আমীর-ওমরাহ জানলেও তারা মুখ খোলে না। প্রথমে মুখ খুলল সুলতানাবাদী। বলল, সিন্ধুকীদের কাছ থেকে খবর আসছে, সুবুদ্ধি রায়ের ছেলে সুশ্রুত রায়ের সঙ্গে মল্লভূম, চন্দ্রদ্বীপের রাজপুত্রেরা হামীর রায়, পীতাম্বর রায়, তাদের অনুগত কয়েকজন মহলদার হাত মিলিয়ে বিশাল এক সেনাবাহিনী গড়ে তুলেছে। গৌড়ের সুলতানী মসনদ তারা দখল করতে চায়। তাদের প্রধান পরামর্শদাতা নবদ্বীপের সেই নিমাই পণ্ডিত, নাম ভাঁড়িয়ে যে এখন হয়েছে শ্রীকৃষ্ণচৈতন্য। পুরুষোত্তমপুরে ঘাঁটি গেড়ে বিদ্রোহের মশলা জোগাচ্ছে। তার সঙ্গে গিয়ে জুটেছে দরবারের দুই বেইমান আমীর সাকর মল্লিক, দবীর খাস। আরও একজন ছিল, তার নাম জানার দরকার নেই।

    খান-ই-জাহান যে জ্যোতিষার্ণবের কথা বলছে, সবাই বুঝে গেল। শান্ত মুখে ইসলামাবাদীর কথা শুনছে সুলতান। তার মুখ-চোখে কোনও উত্তেজনা নেই। হীরে, মুক্তো, চুনি, পান্না, সোনার কারুকাজ করা মাথার ফেজটুপি মাঝেমাঝে হাত দিয়ে ঘুরিয়ে-ফিরিয়ে নিচ্ছে। আতরদানে দু’আঙুল ডুবিয়ে হাতের দু’পাতাতে ঘসে চলেছে। মনে চাপা উত্তেজনা থাকলে সুলতান এরকম করে। ইসলামাবাদী বলল, আমরা যাদের নাম করছি, তারা প্রত্যেকে মৃত্যুর সাজা পাওয়া আসামী। তাদের কোতল করার আদেশ দিয়েছে দরবার। পুরুষোত্তমপুরে বসে বিদ্রোহের কলকাঠি নাড়ছে। বিদ্রোহীদের পক্ষে জনমত গড়ে তুলতে সন্ন্যাসী এক ঘনিষ্ঠ চ্যালা, নিতাইকে খড়দহ, পানিহাটিতে রেখে গেছে। ‘ভজ গৌরাঙ্গ, জপ গৌরাঙ্গ’ গান গেয়ে গঙ্গার দু’ধারের হাজার হাজার মানুষকে সে যখন-তখন জমায়েত করে ফেলছে। গৌরাঙ্গের নাম শুনলেই মানুষ নাকি কেঁদে ভাসিয়ে দিচ্ছে। নিতাই সন্ন্যাসী হলেও রাজকীয় পোশাক, অলঙ্কারে সেজে দলবল নিয়ে যখন বেরোয়, অনেকে তাকে গৌড়ের রাজা ভেবে নেয়। সেটাই হল একটা চক্রান্ত। বিদ্রোহীদের সঙ্গে নিতাইকে জুড়ে দিয়ে নিজের ভাবমূর্তি গড়ে তুলছে সেই সন্ন্যাসী। একডালার মসনদ বিদ্রোহীরা দখল করলে সেখানে সে এসে বসবে বিদ্রোহীদের খতম করতে আমাদের একদিন-ও লাগবে না। তার আগে নাটের গুরু, গেরুয়া কৌপীন জড়ানো সন্ন্যাসীকে আমরা চাই।

    মন্ত্রণালয় নিস্তব্ধ। দু’হাতে সুলতান আতর ঘসতে খুশবু ছড়িয়ে পড়ল ঘরের মধ্যে। হঠাৎ মুখ খুলল সুলতান। বিদ্যাধরকে বলল, উৎকলের ভাবী রাজা তুমি। সন্ন্যসী আর তার কয়েকজন চেলাকে নিয়ে তোমার সঙ্গে আগে যে কথা হয়েছিল, তা কতদূর এগোল?

    আমার কাজ গুছিয়ে ফেলেছি জাঁহাপনা। সন্ন্যাসী আর তার কয়েকজন মাতব্বর সাকরেদকে প্রায় ঘিরে ফেলেছি।

    কাজের ছকটা কী?

    আষাঢ় মাসে স্নানযাত্রা মহোৎসবের পরে শ্রাবণের কৃষ্ণা পঞ্চমীতে সন্ন্যাসী আর আপনার দরবারের দুই আমীরকে মন্দিরে নিয়ে গিয়ে জাঁহাপনার হুকুমে কোতল করা হবে। মন্দিরের পেছনে শবর সেবকদের জন্যে গুপ্ত পুজোর চাতাল আছে, যার নাম অনসরপিণ্ডি, সেখানে গৌড় দরবারে সাজা পাওয়া তিন কয়েদীকে ধরে এনে কাজ হাসিল করব। তাদের মাটি চাপা দেওয়ার কবর আগে থেকে খুঁড়ে রাখা হবে। মাটি চাপা দিয়ে এমনভাবে তার ওপর পাথর গেঁথে দেওয়া হবে, বাইরে থেকে দেখে বোঝা যাবে না। তারপর আমরা প্রচার করে দেব, মন্দিরের দারুব্রষ্ম, জগন্নাথদেবের শরীরে কৃষ্ণের অবতার নবদ্বীপের শ্রীকৃষ্ণচৈতন্য একঝলক আলোর মতো মিশে গেছে।

    স্থির চোখে বিদ্যাধরের দিকে তাকিয়ে সুলতান জিজ্ঞেস করল, মন্দিরের রাজভক্ত কর্মচারী, যারা মন্দির আগলায়, কি যেন বলে তাদের, হ্যাঁ, গচ্ছিকার, প্রতিহারী, তারা কি চুপ করে দেখবে, মন্দির চত্বরে তিনজন মানুষের কোতল, মাটির নিচে তাদের ঢুকিয়ে দেওয়ার ঘটনা?

    সে ব্যবস্থাও করা হয়েছে জাঁহাপনা। রক্ষীদের অনেকে মাতাল, শেষ বিকেল থেকে তাদের পা টলমল করে। সুরা খাইয়ে তাদের বেহুঁশ করে রাখা হবে।

    তোমাদের তৈরি জগন্নাথের শরীরে সন্ন্যাসীর মিশে যাওয়ার গল্প কি পুরুষোত্তমপুরের মানুষ বিশ্বাস করবে?

    করবে জাঁহাপনা। যার মুখ থেকে এই ঘটনার বিবরণ ছড়াবে, সে-ও বৈষ্ণব, ‘অতিবড়’ সম্প্রদায়ের মাথা, জগন্নাথ দাস। পুরুষোত্তমপুরের অনেক মানুষ বিশ্বাস করে কৃচৈতন্যের চেয়ে জগন্নাথের অলৌকিক ক্ষমতা বেশি, জ্ঞানে সে বড়। শ্রাবণে কৃপঞ্চমীর কয়েকদিন আগে থেকে পাঁচ, সাত দিন ধরে এ প্রচার আমার অনুগতরা করেছে। তারাই ফন্দি করে চৈতন্যের প্রাণের বন্ধু জগন্নাথকে তার কাছ থেকে দূরে সরিয়ে দিয়েছে। শ্রাবণের কৃয়াপঞ্চমীর রাতে আমার বাহিনীর সঙ্গে মন্দিরে জগন্নাথ থাকবে। চৈতন্যের চেয়ে তাকে বড়ো মহাত্মা প্রমাণ করতে আমরা এমন ঘুঁটি সাজাব, বাবাজিকে প্রাণ নিয়ে মন্দির থেকে বেরতে হবে না। পুরুষোত্তমপুরে প্রবল ঝড়বৃষ্টি হয়, বলা যায় দিন রাত বৃষ্টি ঝড়, অন্ধকারে একাকার হয়ে যায়। মন্দিরের পাকশালা থেকে প্রদীপ জ্বেলে নিয়ে জগন্নাথদেবের আরতি হওয়ার নিয়ম মেনে চলা কঠিন হয়ে পড়ে। ঝোড়ো হাওয়ায় বারবার প্রদীপ নিভে যায়। এবার তা হবে না। জগন্নাথ দাশের হাতের প্রদীপ জ্বলবে, নিভে যাবে চৈতন্যের দীপ, সেইসঙ্গে তার জীবন।

    বিদ্যাধরের লম্বা বিবরণ শুনতে সুলতান বিরক্ত হলেও তাকে থামায়নি। এবার থামাল, বলল, আরও কিছু ভেতরের খবর বলো।

    সবিনয়ে বিদ্যাধর বলল, জাঁহাপনা, আমার গোস্তাকি যদি মাপ করেন, তাহলে বলি, হরিদাস ঠাকুর নামে এক বুড়ো যবনকে বৈষ্ণব সাজিয়ে পুরুষোত্তমপুরে গোরা নিয়ে এসেছিল। সে মরে যেতে খোল, খঞ্জনি নিয়ে তাকে গঙ্গার ধারে কবর দেওয়া হয়। হরিদাসের মৃতদেহ দু’হাতে একা বয়ে নিয়ে যায় চৈতন্য। সন্ন্যাসী হলেও মানুষটার গায়ে ভীষণ জোর। লাশটাও বিরাট, লাঠি খেলতে পারে, পাকা লাঠিয়াল। হরিদাসকে কবর দিয়ে তার শ্রাদ্ধের আয়োজন করতে মন্দির বাজারের ব্যাপারীদের কাছ থেকে নানা জিনিস জোগাড় করে হৈচৈ ফেলে দিয়েছিল। হরিদাসকে কবর দেওয়া, তাকে নিয়ে শ্রাদ্ধের মাতামাতিতে পুরুষোত্তমপুরের মানুষের মনে খটকা জেগেছিল। উৎকলের ব্রাক্ষ্মণ আর অভিজাতরা ঘটনাটা সহজভাবে নেয়নি। গৌড়ীয় বৈষ্ণবদের জাতপাতের খোঁজখবর করে তারা জানল, আসলে এরা সমাজের উচ্ছিষ্ট, প্রায় সবাই যবন, গৌড়ের গুপ্তচর। দু’সম্প্রদায়ের মধ্যে বিরোধ, বিদ্বেষ বাড়ানোর মতলবটা আমাদেরই করতে হয়েছে। সুফল পেয়েছি। চৈতন্য আর তার গৌড়ীয় চেলাদের ঘৃণা করতে শুরু করেছে মানুষ। চৈতন্য খুন হয়ে গেলে পুরুষোত্তমপুরে তার জন্যে কাঁদার কেউ থাকবে না। সে সুযোগ আমরা দেব না। জগন্নাথের শরীরে তার বিলীন হয়ে যাওয়ার বিবরণ অতিবড়ি বৈষ্ণব জগন্নাথের মুখ থেকে শুনলে উৎকলের সবাই বিশ্বাস করবে, মেনে নেবে। চৈতন্যের আরও কিছু কুকর্মের খবর আপনাকে জানিয়ে রাখি জাঁহাপনা। পানিহাটিতে চেলা নিতাই-এর কাছে নতুন যত গান তৈরি করে সে পাঠিয়েছে, তা শুনলে বোঝা যায়, তার ঝুলি থেকে বেড়াল বেরিয়ে পড়েছে। পুরানো ‘ভজ গৌরাঙ্গ, জপ গৌরাঙ্গ’ গানের পাশাপাশি এখন শুরু হয়েছে নতুন গান,

    ‘শ্রীকৃষ্ণ চৈতন্য প্রভু নিত্যানন্দ
    হরেকৃষ্ণ হরেরাম শ্রীরাধে গোবিন্দ।’

    নিজেকে কলির কৃষ্ণ সাজিয়ে নিতাইকেও চৈতন্য জায়গা ছেড়ে দিচ্ছে। রাঢ় থেকে সমতটে শুরু হয়েছে দুজনের কাঠপুতুল পুজো। চৈতন্যর সেনাপতি নিতাই। বিদ্রোহী রাজা, মহলদার, সামন্তদের সঙ্গে সে যোগাযোগ রাখছে। শুধু গঙ্গার দু’ধারে এ প্রচার চলছে না। কয়েকবছর ধরে পুরুষোত্তমপুরে এসে মহাপ্রভু জগন্নাথের মতো চৈতন্যকে গৌড়ীয়রা মহাপ্রভু বলতে শুরু করেছে। উৎকলের মানুষের কাছে অসহ্য হয়ে উঠেছে তাদের চালচলন, আচরণ। তারা বলছে, এ রাজ্যে মহাপ্রভু একজন, তিনি হলেন জগন্নাথদেব। আর একজন ভেকধারী মহাপ্রভুর এখানে জায়গা নেই। স্নানযাত্রার উৎসবে এ বছর হয়তো ‘মহাপ্রভু’ কে, তা রফা করতে লাঠালাঠি লেগে যাবে। জাঁহাপনা, হয়তো বুঝেছেন, চৈতন্য নিধনের কাজ সারতে নানাভাবে আমি ঘুঁটি সাজিয়ে ফেলেছি।

    গোঁফ মুচড়ে সুলতান বলল, খানিকটা বুঝলেও সবটা নয়। তার মুণ্ডুটা হাতে না পাওয়া ইস্তক সে বেঁচে আছে, আমাকে ধরে নিতে হবে। দরকার হলে মন্দিরে ঢুকে তার কবর খুঁড়ে লাশ তুলে আনার জন্যে গৌড়ের সেনাবাহিনীকে পাঠিয়ে দেব। তুমি পথ দেখিয়ে নিয়ে যাবে তাদের।

    সুলতানের ফরমান শুনে বিদ্যাধরের বুকে ধ্বক করে উঠলেও স্বাভাবিক গলায় সে বলল, জে আজ্ঞা জাঁহাপনা, তাই হবে।

    বিদ্যাধর থামতে তাকে প্রধানমন্ত্রী ইসলামাবাদী জিজ্ঞেস করল, চৈতন্য শুধু গৌড়ের মসনদ দখল করতে চায় না, গৌড় রাজ্যটা সমুদ্রের জলে ভাসিয়ে দিতে চায়। গৌড়ীয়দের নতুন একটা নাম দিয়েছে সে, বাঙ্গালী, বা কাঙ্গালী এমন কিছু। সবটা আমার কাছে পরিষ্কার নয়, আপনি কতটা জানেন?

    বিদ্যাধর বলল, ঠিক-ই শুনেছেন আপনি, কাঙ্গালি নয় বঙ্গালী, কানে এসেছে আমার। গৌড়ীয়দের ওপর আমাদের রাজ্যের মানুষের রাগ, ঘৃণা বাড়তে থাকায় তাদের নতুন পরিচয় গড়ে তুলতে পরামর্শ দিয়েছে চৈতন্য। বলেছে, তোমরা গৌড়ীয় নয়, তার চেয়ে আরও বড়ো পরিচয় রয়েছে তোমাদের। গৌড় থেকে রাঢ়, সমতট, মল্লভূম, বরেন্দ্রভূম, সুম্ম, প্রাগজ্যোতিষ, শ্রীহট্ট, বঙ্গাল নিয়ে যে বাঙ্গালা জনপদ, সেখানে বাঙ্গালরা বাস করে, তোমরা সেখানকার মানুষ, তোমরা বাঙ্গালী। বঙ্গালের একটা অংশ হল গৌড়। অংশ কখনও সমস্তের সমান হয় না। তোমরা যেমন বাঙ্গালী, গৌড়ের মানুষও তেমনি বাঙ্গালী। তার বোঝানোতে কিছু কাজ হয়েছে। পুরুষোত্তমপুরের গৌড়ীয়রা অনেকে এখন নিজেদের বাঙ্গালী বলতে শুরু করেছে। শুনেছি, মুখে মুখে বাঙ্গালী, বঙ্গাল দেশ কথাগুলো গঙ্গার দুতীরে, এমনকি সমুদ্রের ধারে সমতট পর্যন্ত পৌঁছে গেছে। গৌড়ের মাটি ধরে পাকা মাথার লোক চৈতন্য টান মেরেছে, এ দুশ্চিন্তা আমার মাথাতেও জেগেছে।

    এত জেনে আপনি চুপ করেছিলেন, আগে কেন জানাননি আমাদের?

    বিষয়টা বুঝতে আমার সময় লেগেছে খান-ই-জাহান। প্রথমে মনে হয়েছিল সবটা ধাঁধা প্রশ্ন জেগেছিল, গৌড়ীয়ারা কীভাবে রাতারাতি বাঙ্গালী হয়ে যায়, বাঙ্গালা হয়ে যায় গৌড়, পরে টের পেলাম এ এক সাংঘাতিক ষড়যন্ত্র। চৈতন্য নাকি বলেছে, বাঙ্গালীর নতুন পরিচয় সমাজের ওপর থেকে তলা পর্যন্ত পৌঁছাতে হয়তো পাঁচশো বছর লেগে যাবে। তা লাগুক। তোমরা আশা হারিও না।

    মন্ত্রণাসভা শেষ করার আগে বিদ্যাধরকে সুলতান আরও একবার হুঁশিয়ারি দিল, দেখ, পুরুষোত্তমপুরে আমাকে আবার সেনাবাহিনী না পাঠাতে হয়!

    জাঁহাপনা, বলে থেমে যাওয়া ছাড়া বিদ্যাধরের উপায় ছিল না। ভয়ের আঠায় তার দু’ঠোট জুড়ে গিয়েছিল। মন্দিরের মধ্যে চৈতন্যকে কবর দেওয়া গেলেও সেখান থেকে তার শবদেহ বার করে আনা কতটা কঠিন, সুলতানকে বলতে পারল না। ভয় পেল সে, উৎকলের সিংহাসন বোধহয় বেহাত হতে চলেছে। মন্ত্রণালয়ের বাইরে রাস্তায় এসে দাঁড়াতে তার চার ঘোড়সওয়ার দেহরক্ষীরা দু’পাশে ভাগ হয়ে দাঁড়িয়ে গেল। গড়মান্দারণের পথে রওনা দিল সেখানের অধীশ্বর বিদ্যাধর। একরাতের বেশি মান্দারণে সে থাকতে পারবে না। কালই পুরুষোত্তমপুরে রওনা দিয়ে কৃপঞ্চমীর রাতে চৈতন্যকে কবরে ঢোকানোর কাজ পাকা করে ফেলতে হবে। উৎকল রাজ্যের আইন অনুযায়ী সাকর মল্লিক, দবীর খাসকে গুপ্তচরবৃত্তির অভিযোগে প্রাণদণ্ড দেওয়া যায়। রাজ্যের ভাবী রাজার সে ক্ষমতা আছে। মন্দিরের মধ্যে কবর থেকে চৈতন্যের কঙ্কাল তুলে আনা কতটা সম্ভব হবে, সে বুঝতে পারল না। তার মাথা ঝিমঝিম করতে থাকল। রাতে ভালো ঘুম হল না। সুলতানের পাথরের মতো দু’টো চোখ বারবার মনে পড়তে থাকল। রাজসিংহাসনে বসার জন্যে যার সঙ্গে চুক্তি করে ফেলেছে, সে মানুষ নয়, শয়তান, হতে পারে ভগবান, যে কোনও মুহূর্তে তার টুটি টিপে ধরতে পারে, এই আতঙ্ক তার শরীরে ছড়িয়ে পড়তে থাকল। জঙ্গলে লুকিয়ে থাকা রাজা কৃষ্ণদেব রায়কে এনে বিজয়নগর রাজ্যের সিংহাসনে বসাতে পারলে, তার গলা টিপে ধরা সুলতানের মুঠো খানিকটা আলগা করা যায়। কৃষ্ণদেবের সঙ্গে দেখা করে, তাকে সবরকম সাহায্যের প্রতিশ্রুতি দেবে। ভোররাতে মন্দারণ ছেড়ে ঘোড়সওয়ার বাহিনী নিয়ে পুরুষোত্তমপুরে রওনা হল বিদ্যাধর।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44 45
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleআড়িয়াল খাঁ – মাসরুর আরেফিন
    Next Article সুখ অসুখ – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    अनीश दास
    मौलाना शाह वलीउल्लाह
    रेवरेंड के. के. जी. सरकार
    অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত
    অনন্যা পাল
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অবনীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    অভিজ্ঞান রায়চৌধুরী
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক দত্ত
    অভীক সরকার
    অমরেন্দ্র চক্রবর্তী
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অরিন্দম দেবনাথ
    অর্পিতা সরকার
    অশোককুমার মিত্র
    অসম্পূর্ণ বই
    আখতারুজ্জামান ইলিয়াস
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুর রহমান আল-আরিফি
    আবদুল হালিম
    আব্দুল মালেক আলী আল-কুলাইব
    আব্দুল হামীদ ফাইযী
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    কৌশিক সামন্ত
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোপেন্দ্র বসু
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভট্টাচার্য
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যজ্যোতি মজুমদার
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বাণ রায়
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পরিমল ভট্টাচার্য
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিয়োদর দস্তইয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণু শর্মা
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাসরুর আরেফিন
    মাহতাব উদ্দিন
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রণদীপ নন্দী
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজর্ষি দাশ ভৌমিক
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    রেভারেণ্ড কে. কে. জি. সরকার
    লীলা মজুমদার
    লেইল লোনডেস
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শঙ্কর চ্যাটার্জী
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শহীদুল্লা কায়সার
    শাক্যজিৎ ভট্টাচার্য
    শাক্যজিৎ ভট্টাচাৰ্য্য
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শৈবাল মিত্ৰ
    শ্যামল গঙ্গোপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রীপারাবত
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সন্দীপন চট্টোপাধ্যায়
    সন্মাত্রানন্দ
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সম্পাদনা : শৈলেন্দ্র হালদার
    সরদার ফজলুল করিম
    সরোজকুমার রায়চৌধুরী
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সায়ক আমান
    সায়ন্তনী পূততুণ্ড
    সায়ন্তনী পূততুন্ড
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুব্রত গুহ
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৈয়দ মুস্তাফা সিরাজ
    সৈয়দ শামসুল হক
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্মরণজিৎ চক্রবর্তী
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হরিশংকর জলদাস
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    চাঁদের অমাবস্যা – সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ

    July 31, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    চাঁদের অমাবস্যা – সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ

    July 31, 2026
    Our Picks

    চাঁদের অমাবস্যা – সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ

    July 31, 2026

    সংশপ্তক – শহীদুল্লা কায়সার

    July 31, 2026

    সুখ অসুখ – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    July 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }