Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    ঘটনার ঘনঘটা – নীললোহিত (সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়)

    August 5, 2026

    শেষ দেখা হয়নি – নীললোহিত (সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়)

    August 5, 2026

    চতুষ্পাঠী – স্বপ্নময় চক্রবর্তী

    August 5, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    ঘটনার ঘনঘটা – নীললোহিত (সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়)

    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায় এক পাতা গল্প126 Mins Read0
    ⤶

    ঘটনার ঘনঘটা – ৮

    ৮

    কেন যে লোকে অন্য সময় গঙ্গাসাগরে বেড়াতে আসে না! মেলার সময় এখানে প্রচুর ভিড়ভাট্টা, সাধু, চোর–ছ্যাঁচোড় আর ভিখিরির সংখ্যাই থাকে প্রচুর, তার ওপর আবার কলেরার ইঞ্জেকশান ইত্যাদির ঝঞ্ঝাট। কিন্তু অন্য সময় জায়গাটা কী সুন্দর নিরিবিলি, পরিচ্ছন্ন। ফিনফিনে হাওয়া দিচ্ছে। মেলার সময় যেখানে প্রচুর তাঁবু থাকে, এখন সেখানে তরমুজ ফলে আছে। বেলাভূমিতে ছোট ছোট লাল লাল কাঁকড়া দৌড়ে বেড়াচ্ছে মনের সুখে, কেউ তাদের বিঘ্ন ঘটাতে আসবে না।

    নামখানা থেকে সাইকেল ভ্যান কিংবা নৌকোয় এখানে বেশ স্বচ্ছন্দে আসা যায়। একটা ছোট ডাকবাংলো আছে। একলা একলা বসে স্যান্ডহেডের দিকে তাকিয়ে থাকতে থাকতে মনে হলো, এক হিসেবে ভারতের এক প্রান্তে চলে এসেছি। এরপর আন্দামান চলে যেতে পারলে হতো। এককালের কয়েদিদের আন্দামানে পাঠানো হতো। এক হিসেবে আমিও তো তাদেরই দলে। অন্তত এক রাত তো হাজতে কাটিয়েছি। পরদিন হাকিম আমাকে ইচ্ছে করলেই জেলে ভরে দিতে পারতেন। একদল পলিটিক্যাল প্রিজনার এসে পড়ায় তিনি ব্যতিব্যস্ত হয়ে উঠলেন।

    হাকিমের রায়ের মধ্যে কোনো নাটকীয়তা ছিল না। তিনি ফিসফিস করে তাঁর পাশের পেশকারকে কী যেন বললেন। কোর্ট ইন্সপেক্টর আমাকে জানাল যান, প্রথম অপরাধ হিসেবে ছাড়া পেয়ে গেলেন। ফার্স্ট ওয়ানিং। আসামী রাজা সরকার খালাস!

    কিন্তু ঐ একরাত হাজতবাসই আমার পক্ষে একযুগ নরকবাসের সমান। ঐটুকু ছোট ঘরের মধ্যে ছ’জন লোক, ভেতরে উৎকট পেচ্ছাপের গন্ধ। একটা দাড়িওয়ালা লোক গাঁজার নেশায় ঝিমিয়ে ঝিমিয়ে খুব খারাপ ভাষায় গালাগাল দিচ্ছিল আপন মনে। আমার মুখোমুখি বসে থাকা ঐ চঞ্চল নামের লোকটা আমার সঙ্গে একটাও কথা বলেনি বটে, কিন্তু আমি একটু অন্যমনস্ক হলেই সে টুক করে একটা লাথি মারছিল আমাকে। আমার ওপর তার রাগ কেন কে জানে? আমি যে আসল রাজা সরকার নই তা তো সে জানেই। তবে? আমিও লাথি ফিরিয়ে দিচ্ছিলুম। সারা রাত ধরে চলল সেই লাথি মারামারির প্রতিযোগিতা!

    এখানে এসে যেন নতুন জীবন ফিরে পেলাম। এই টাটকা হাওয়ায় নিঃশ্বাস নিলে বুকটা যেন পবিত্র হয়ে যায়। দিকশূন্যপুরেই থাকার ইচ্ছে ছিল, কিন্তু ভাঙা মন নিয়ে সেখানে যাওয়া ঠিক নয়। একটু সারিয়ে নিই, তারপরই আবার দিকশূন্যপুরে পালাব।

    বিদায় রাজকুমারী, বিদায় রাজা সরকার, চন্দনদা–উজ্জয়িনী, বিদায় রেকর্ড প্লেয়ার, বাউল গান, শান্তিনিকেতন, জয়দেবের বাড়ি ও গাড়ি…আমি এখানে বেশ সুখে আছি!

    বাংলোর রাঁধুনিটি চমৎকার ঝিঙে–পোস্ত রাঁধে। গরম বাড়া ভাত, মুসুরির ডাল আর ঝিঙে পোস্ত, এর চেয়ে আর কী চাই। নৌকোর মাঝিদের কাছ থেকে পার্শে মাছ পেলে তো সোনায় সোহাগা!

    খানিকটা দূরে একটা ইরিগেশানের লঞ্চ দাঁড়িয়ে আছে। কোনো স্টিমার বা লঞ্চ একেবারে তীরে ভিড়তে পারে না, নৌকো করে যাতায়াত করতে হয়।

    ঐ লঞ্চের কয়েকজনের সঙ্গে আলাপ হয়েছে। প্রায়ই বাংলোতে আসে টিউবওয়েলের জল নিতে। ভারী হাসি–খুশি সজ্জন মানুষগুলি। নদীর বুকে যারা ঘোরে তারা বুঝি এরকমই হয়।

    একটা নৌকো আমার কাছাকাছি এলো। একজন হেঁকে বলল, আসবেন নাকি লঞ্চে? আসুন, একটু চা খেয়ে যাবেন।

    এ আমন্ত্রণ প্রত্যাখ্যান করার কোনো মানে হয় না। বিকেলের আকাশ লাল হয়ে আসছে আস্তে আস্তে। এখন লঞ্চের ডেকে বসে চা খেতে চমৎকার লাগবে।

    নৌকোয় দু’জন ভদ্রলোক, রবীনবাবু আর অমলবাবু। এর মধ্যে অমলবাবু বেশ বড় অফিসার, তিনি সরকারি পরিদর্শনে এসেছেন, কোনোরকম অহংকার নেই, অতি সদালাপী। এই লঞ্চখানা তাঁরই অধীনে।

    ডেকে বসে সবে মাত্র চায়ের কাপে চুমুক দিয়েছি, আর একখানা নৌকো এসে ভিড়ল লঞ্চের পাশে। একজন বৃদ্ধ ব্যাকুলভাবে ডেকে উঠল, বাবু! বাবু। আমার ছেলেটাকে বাঁচান!

    আমরা সবাই রেলিং ধরে ঝুঁকে জিজ্ঞেস করলুম, কী ব্যাপার? কী হয়েছে তোমার ছেলের?

    বৃদ্ধটি হাউ হাউ করে কেঁদে ফেলে বলল, তার জোয়ান ছেলেকে সাপে কামড়েছে। তার ঐ একমাত্র ছেলে, সে মরে গেলে তার সংসার ভেসে যাবে!

    রবীনবাবু এখানকার বি. ডি. ও। তিনি দায়িত্বপূর্ণ গলায় বললেন, সাপে কামড়েছে তো ওকে নৌকোয় নিয়ে ঘুরছ কেন? হেলথ্ সেন্টারে যাও।

    বৃদ্ধটি জানাল, এখানকার পাঁচখানা হেলথ্ সেন্টারে সাপের বিষের কোনো ওষুধ নেই। সে খবর নিয়েছে। একমাত্র ডায়মণ্ড হারবারে নিয়ে গিয়ে বাঁচাবার শেষ চেষ্টা করা যেতে পারে।

    রবীনবাবু আরো কিছু বলতে যাচ্ছিলেন, কিন্তু অমলবাবু তাকে বাধা দিলেন। অমলবাবু দয়ালু লোক। তিনি ছেলেটিকে ওপরে তোলার নির্দেশ দিয়ে বললেন, এখুনি লঞ্চ স্টার্ট করতে বলুন। ডায়মণ্ড হারবার যেতে আর কতক্ষণ লাগবে?

    ডান পায়ে অনেকগুলি দড়ির বাঁধন দেওয়া প্রায় অচৈতন্য চব্বিশ–পঁচিশ বছরের যুবকটিকে লঞ্চে তোলা হলো। কিন্তু তার বাবা আমাদের সঙ্গে এলো না। তার নৌকোটার কী হবে? নৌকোর চিন্তাও ছেলের চিন্তার চেয়ে কম নয়।

    বৃদ্ধটির নাম আকবর আলি। সে বলল, কাল ভোরেই সে ডায়মণ্ড হারবার হাসপাতালে চলে যাবে। ছেলেটি যাতে বাঁচে, আমরা যেন সেই দোয়া করি।

    অমলবাবু আমাকে বললেন, চলুন, ডায়মণ্ড হারবার ঘুরে আসি।

    ছেলেটির গালে ছোট ছোট চড় মেরে তাকে জাগিয়ে রাখার চেষ্টা করা হতে লাগল, আমরা উদগ্রীব হয়ে ঘিরে বসে রইলুম তাকে। রীতিমতন জোয়ান ছেলে, সামান্য একটা সাপের কামড়ে এর অযথা মৃত্যুর কোনো মানে হয় না। অমলবাবু ছটফট করে অতিরিক্ত ব্যস্ত হয়ে বারবার বলতে লাগলেন, কী হবে? কী হবে? ছেলেটা বাঁচবে তো। অ্যাঁ? আরো জোরে লঞ্চ চালাও না। এত আস্তে যাচ্ছে কেন?

    আমরা বললুম, অমলবাবু, আপনি শান্ত হোন!

    অমলবাবুর বয়েস বাহান্ন–তিপ্পান্নর কাছাকাছি। সেই তুলনায় স্বাস্থ্য বেশ ভেঙে গেছে। ওঁর এত উদ্বেগ দেখে আমরা ভাবলুম, অমলবাবুরই না শরীর খারাপ হয়ে যায়।

    ডায়মণ্ড হারবার পৌঁছে ছেলেটিকে দ্রুত নিয়ে আসা হলো সরকারি হাসপাতালে। সুখের বিষয় সেখানে সাপের বিষের সিরাম আছে। স্থানীয় ডাক্তারটি আফশোষের সুরে বললেন, কাকদ্বীপ, নামখানার দিকেই ম্যাকসিমাম স্নেক বাইট হয়, অথচ ওখানকার হেল্থ সেন্টারেই এই ওষুধ ফুরিয়ে যায়। কী কাণ্ড বলুন তো! একে এত দেরি করে এনেছেন, দেখি কী করা যায়। অবশ্য বাঁধনগুলো ভালো দিয়েছে। আমি ও অমলবাবু বসে রইলুম সেই হাসপাতালে। উনি একটা কিছু পাকা খবর না পেয়ে সেখান থেকে নড়তে চান না। একদম অচেনা–অজানা একটি নৌকোর মাঝির ছেলের জন্য ওঁর কী দুশ্চিন্তা! এরকম মানুষও এখনো আছে পৃথিবীতে।

    দু’জনের মুখে প্রায় কোনো কথা নেই। অমলবাবু ঘন ঘন সিগারেট টেনে যেতে লাগলেন। সামান্য আলাপেই অমলবাবুকে আমার নিকট আত্মীয়ের মতন মনে হলো।

    এক ঘণ্টা বাদে ডাক্তারটি এসে বলল, আপনারা আর কতক্ষণ অপেক্ষা করবেন? মোটামুটি আপনাদের বলতে পারি, ছেলেটা বেঁচে যাবে। না, সেরকম আর ভয়ের কিছুই নেই, বেঁচেই যাবে।

    অমলবাবু ডাক্তারটির হাত জড়িয়ে ধরে বললেন, দেখুন, ছেলেটির বাবা সঙ্গে আসেনি, আমিই ওর দায়িত্ব নিয়ে এসেছি। আপনাকে যে কী বলে ধন্যবাদ দেব! ডাক্তারটি বলল, আমি আর কী করেছি! আপনার দেখা পেয়ে গেল ওর বাবা, আপনি তাড়াতাড়ি নিয়ে এলেন, তাই তো বাঁচল। অনেক অফিসার এসব কেস শুনে পাত্তাই দিতে চাইত না।

    আমি আর অমলবাবু হাসপাতালের সিঁড়ি দিয়ে নামতে লাগলুম। অমলবাবু গভীর তৃপ্তির সঙ্গে বললেন, আমার যা চিন্তা হচ্ছিল! আমার নিজের ঠিক ঐ বয়েসী ছেলে আছে। একটাই ছেলে আমার। বার বার মনে পড়ছিল তার কথা। আমার কাছে আমার ছেলে যেমন প্রিয়, ঐ আকবর আলির কাছে তার ছেলেও তো তাই?

    আমি নিঃশব্দে মাথা নাড়লুম।

    অমলবাবু আবার বললেন, দেখুন, এই পৃথিবীতে প্রতিদিন কত লোক বিনা কারণে মারা যাচ্ছে! কত খুনোখুনি। তার মধ্যে একজন লোকও যদি মৃত্যুর মুখ থেকে ফিরে আসে, তা হলে আনন্দ হয় না?

    —নিশ্চয়ই!

    —চলুন, নীলুবাবু, আমরা এখানে কোনো হোটেলে খেয়ে নিই। লঞ্চ ফিরতে ফিরতে…

    অমলবাবু কথা শেষ করতে পারলেন না, সিঁড়ির শেষ ধাপে ঝুপ করে পড়ে গেলেন।

    আমি চমকে গিয়ে নিচু হয়ে জিজ্ঞেস করলুম, কী হলো অমলবাবু, পায়ে লাগল?

    অমলবাবু ফিসফিস করে বললেন, ব্যথা, বুকে খুব ব্যথা করছে। হার্ট—

    আমি দু’তিন সিঁড়ি লাফিয়ে লাফিয়ে ওপরে উঠে গিয়ে সেই ডাক্তারটিকে সামনেই পেয়ে যেতে তার হাত ধরে হিড় হিড় করে টেনে নিয়ে এলুম নিচে।

    ডাক্তারটি সামান্য পরীক্ষা করেই বিবর্ণ মুখে বললেন, সাঙ্ঘাতিক ব্যাপার, এ তো মনে হচ্ছে ম্যাসিভ হার্ট অ্যাটাক। দাঁড়ান, স্ট্রেচার আনতে বলি…

    আমার বুকটার মধ্যে ধড়ফড় করতে লাগল, এইমাত্র দেখলুম মানুষটাকে সুখী, তৃপ্ত, তার পরের মুহূর্তেই মৃত্যু এসে থাবা দিল? মৃত্যুর কি সামান্য বুদ্ধি–বিবেচনা নেই? এইরকম একটা সত্যিকারের ভালো মানুষকে আঘাত দেবার এই কি সময়?

    অমলবাবুকে আনা হলো ওপরে। উনি আমার হাত চেপে ধরে রইলেন। ওঁর সাঙ্ঘাতিক যন্ত্রণা হচ্ছে বুঝতে পারছি, কিন্তু চৈতন্য একেবারে লোপ পায়নি। ফিসফিস করে বারবার বলতে লাগলেন, আমাকে কলকাতায় নিয়ে চলুন, কলকাতায়, আমার ছেলের কাছে, আমার স্ত্রী যেন একটা খবর পায়, অন্তত একবার যেন দেখা হয়…

    ডাক্তারটিকে আমি সেই কথা জানাতে তিনি বললেন, দেখুন, আমার পক্ষে সিদ্ধান্ত নেওয়া কঠিন, যে–রকম ম্যাসিভ অ্যাটাক, এর ভালো মতন চিকিৎসার ব্যবস্থা এখানে নেই। কলকাতার পি জি বা অন্য কোনো ভালো হাসপাতালের ইনটেনসিভ কেয়ার ইউনিটে রাখলে ঠিক মতন চিকিৎসা হতে পারে। আবার অতটা রাস্তা নিয়ে যাওয়া, সেটাও রিস্কি। কে দায়িত্ব নেবে? আপনি কি ওঁর আত্মীয়?

    – না, আমি ওঁর কেউ না!

    —তবে?

    –যে করেই হোক, অমলবাবুকে বাঁচাতেই হবে।

    —সে তো নিশ্চয়ই। কিন্তু আমার সাধ্য তো খুব বেশি নয়। দাঁড়ান, এস. ডি. ও.–কে খবর দিচ্ছি।

    আমি খানিকটা উত্তেজিতভাবে বলে ফেললুম, শুধু খবর দেওয়া নয়, তাঁকে এক্ষুনি এখানে আসতে বলুন!

    অমলবাবু আমার কথা শুনতে পেয়েছেন, ফ্যাসফেসে গলায় আবার বললেন, নীলুবাবু, আমায় কলকাতায় নিয়ে চলুন। আমার ছেলেকে, আমার স্ত্রীকে …..অন্তত একবার…আমার হার্ট আগেই খারাপ ছিল, আমি জানি, বাঁচব না আর….অন্তত একবার বাড়ির লোকদের…

    এস. ডি. ও. তাস খেলছিলেন, খেলা ছেড়ে উঠে এসে তিনি খুব বিভ্রান্ত বোধ করলেন। তারপর বললেন, অমলবাবু একজন সিনিয়র অফিসার, উনি নিজেই যখন বলছেন কলকাতায় যেতে চান…আমাদের এখানে রাখা…ভালো মতন চিকিৎসা না হলে…আমি গাড়ি দিতে পারি, কিন্তু আমার পক্ষে তো কলকাতায় যাওয়া সম্ভব নয়, কাল একজন মিনিস্টার আসছেন…সঙ্গে কে যাবে?

    ইরিগেশান ডিপার্টমেন্টের একজন জুনিয়র অফিসার, ডাক্তারবাবুটি এবং আমি অমলবাবুকে নিয়ে উঠলুম এস. ডি. ও.–র দেওয়া স্টেশান ওয়াগনে। গঙ্গাসাগরের ডাকবাংলোয় আমার সুটকেস ও অন্য জিনিসপত্র পড়ে রইল, কিন্তু তা নিয়ে এখন চিন্তা করা যায় না। অমলবাবু আগাগোড়া আমার হাত ধরে আছেন।

    গাড়ি জোরে চালাবার উপায় নেই। একটুও যাতে ঝাঁকুনি না লাগে সেইভাবে চালাবার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে ড্রাইভারকে। ডাক্তারবাবু অমলবাবুর পাশে বসে আছেন। কয়েকটা জরুরি ওষুধ দেওয়া হয়েছে এর মধ্যেই। তার মধ্যে একটা ঘুমের ওষুধ। চোখ বুজে যাচ্ছে, তবু তার মধ্যেও তিনি ফিসফিস করে বলে যাচ্ছেন, আগে আমার বাড়ি ঘুরে যাবেন, আমার ছেলেকে, স্ত্রীকে, অন্তত একবার…

    কলকাতায় আমরা পৌঁছলুম রাত একটায়। অমলবাবুর বাড়ি বালিগঞ্জে স্টেশনের কাছে। বাড়ির নম্বর এইটি সি। সেই ঠিকানা খুঁজে সেই বাড়ির সামনে দাঁড়িয়েই চিনতে পারলুম। উজ্জয়িনীর বড়দির সেই বাড়ি। অমলবাবুরা দোতলায় ভাড়া থাকেন।

    নিয়তি; গঙ্গাসাগরের কাছে একটা সাপ নিয়তির ছদ্মবেশে আকবর আলির ছেলেকে কামড়ে তারপর ঘটনা পরম্পরায় আমাকে এখানে পাঠিয়েছে।

    অমলবাবুর ছেলের নাম সুশান্ত। বাড়ির সদর দরজা ভেতর থেকে বন্ধ। গাড়ি থেকে নেমে আমি ডাকতে লাগলুম। সুশান্ত! শিগগির দরজা খোলো। সুশান্ত!

    শুধু দোতলা নয়, তিনতলারও জানলা খুলে গেল। সুশান্ত আগে নেমে এলো। তারপর তার মা। তিনি কেঁদে উঠতেই তিনতলা থেকেও নেমে এলো কয়েকজন। তাদের মধ্যে রয়েছে চন্দনদা ও হাসি।

    আকাশে ফ্যাকাসে জ্যোৎস্না, তার মধ্যে আলুথালু শাড়ি জড়ানো হাসিকে যেন আমি একযুগ পরে দেখলুম। হাসি জিজ্ঞেস করল, আপনি? আপনি এখন কোথা থেকে এলেন?

    আমি বললুম, গঙ্গাসাগর থেকে। কাল সকালেই ফিরে যাব।

    তা অবশ্য হলো না। অমলবাবুকে পি জি হাসপাতালে ভর্তি করতে করতেই রাত তিনটে বেজে গেল। তারপর বাড়ি ফিরে ঘুমোলুম বেলা দশটা পর্যন্ত। আবার ছুটলাম পি জি হাসপাতালে। ইনটেনসিভ কেয়ার ইউনিটে কারুকে যেতে দেওয়া হচ্ছে না বটে, তবে জানা গেল অমলবাবু অনেকটাই ভালো আছেন। তাঁর ছেলে সুশান্ত জানাল যে ডায়মণ্ড হারবার থেকে ওঁকে নিয়ে আসা খুব সুবিবেচনার কাজ হয়েছে। ওখানে থাকলে উনি টেনশানেই মারা যেতে পারতেন। তাছাড়া ওখানে কী চিকিৎসাই বা হতো!

    আমি অবশ্য ভাবলুম, অমলবাবুর অবস্থা যদি আজ সকালে খারাপ হতো, তা হলে এই ডাক্তাররাই বলতেন, অতখানি রাস্তা নিয়ে আসা খুব মুর্খামির কাজ হয়েছে। ডায়মণ্ড হারবারে রেখে চিকিৎসা করাই উচিত ছিল।

    উজ্জয়িনীর বড়দির ছেলে বিক্রমের সঙ্গে সুশান্তর খুব ভাব। ও বাড়িতে বাড়িওয়ালা–ভাড়াটের প্রায় আত্মীয়তার সম্পর্ক। সেই সুবাদে বিক্রম আর চন্দনদা এসেছেন একবার অমলবাবুর খবর নিতে। যদিও ওঁদের আজ খুবই ব্যস্ততা, আজই সন্ধেবেলা হাসির বিয়ে।

    চন্দনদা বলল, নীলু, তুমি কোথায় পালিয়ে গিয়েছিলে? একদম বেপাত্তা? আজ সন্ধেবেলা কিন্তু আসতেই হবে, নইলে হাসি খুব দুঃখ পাবে!

    রাত একটার সময় হাসি যদি রাস্তায় নেমে না আসত এবং ম্লান চাঁদের আলোয় আমাকে জিজ্ঞেস না করত আপনি কোথা থেকে এলেন—তা হলে আমি আজ বিকেলেই পালিয়ে যেতাম। কিন্তু বিয়ের আগের রাতেও যে মেয়ে রাত একটায় কৌতূহলী হয়ে রাস্তায় নেমে আসে, তার চুম্বক–টান কিছুতেই এড়ানো যায় না।

    কেয়াতলায় একটা বাড়ি ভাড়া নেওয়া হয়েছে বিয়ের জন্য। আমি আমার এক মাসতুতো দাদার কাছ থেকে একটা ধুতি ধার করেছি, অনেক দিন পর ধুতি– পাঞ্জাবি পরে আমি বোকা বোকা মুখ করে বসে রইলুম এক জায়গায়। চন্দনদা– উজ্জয়িনী এবং ওদের বড়দির ছেলেমেয়েরা ছাড়া বরপক্ষ–কন্যাপক্ষের আর কারুকেই আমি চিনি না। এমনকি হাসির বাবা–মা’কেও আগে দেখিনি। বরের বেশে রাজা সরকার পৌঁছেছে একটু আগে। তার সঙ্গে প্রায় শতাধিক বরযাত্রী–যাত্রিণী। অনেকেই দু’পক্ষেরই চেনা। আধা–শান্তিনিকেতনী আর বাকিটা যৌথ–পারিবারিক ব্যাপার। এর মধ্যে আমি কে? সম্পূর্ণ একটা থার্ড পার্সন সিঙ্গুলার নাম্বার।

    আমি যেখানে বসে আছি, তার প্রায় সামনেই একটা সিঁড়ি। দারুণ সাজগোজ করা সুন্দরী মেয়েরা সিল্কের শাড়ি সপসপিয়ে ঐ সিঁড়ি দিয়ে উঠছে আর নামছে। আজ যদি হাসির বিয়ে না হতো, তা হলে ঐসব মেয়েদের লাস্য দেখেই আমি চমৎকার সময় কাটিয়ে দিতে পারতুম।

    কিন্তু মনের মধ্যে পাতলা পাতলা সাদা মেঘের মতন বিষাদ কিছুতেই উড়িয়ে দিতে পারছি না। এর নাম দুঃখ–বিলাসিতা। হাসিকে কি আমি নিজের করে চেয়েছি কখনো–না, কক্ষনো চাইনি। তবু একটা বিচ্ছেদবেদনা। এর কী মানে আছে? গঙ্গাসাগরের সেই নির্জন ডাকবাংলোয় কী চমৎকার ছিলাম, সেখানে হাসির মুখ আস্তে আস্তে ফিকে হয়ে আসছিল, আমি তৈরি হচ্ছিলাম দিকশূন্যপুরে যাবার জন্য

    সিঁড়ির ওপর দাঁড়িয়ে দু’তিনটি মেয়ের সঙ্গে ফস্টিনস্টি করছে এক সদ্য যুবক। তার হাতে একটা রসগোল্লার ভাঁড়। সে একটা করে রসগোল্লা ঐ মেয়েদের খাওয়াবেই। তাই নিয়ে জোরাজুরি, হাসাহাসি, বিশুদ্ধ কৌতুক।

    আজকাল সবাই ক্যাটেরার দিয়ে খাওয়ায়, বাড়ির ছেলেরা পরিবেশন করার সুযোগ পায় না। ঐ ছেলেটার হাতে মিষ্টির হাঁড়ি কী করে এলো? বোধহয় বরযাত্রীদের জন্য স্পেশাল। এখন মেয়েরাও এত ডায়েটিং সচেতন যে কিছুতেই মিষ্টি খেতে চায় না। তবু ছেলেটি জোর করে খাওয়াতে গেল, খানিকটা রসগোল্লার রস উথলে পড়ল সিঁড়িতে।

    আমি এখন খেয়েদেয়ে পালাতে পারলেই বাঁচি। এরকম অচেনা লোকজনের মধ্যে বসে থাকতে ভালো লাগে? কতক্ষণ বসে থাকব? এ যেন আরেক হাজত– বাস! কিন্তু চন্দনদা দু’তিনবার এসে বলে গেছে, নীলু, আগে খেয়ে নিসনি। আমরা একসঙ্গে বসব। খবরদার, পালাসনি যেন!

    চন্দনদা আমার বাড়ি চিনে গেছে, এখন আর পালাবার কোনো উপায় নেই। রেডিও স্টেশনে একটা কোনো চেনা লোক খুঁজে বার করতেই হবে!

    হঠাৎ আমার পাশে এসে দাঁড়াল উপেনদা। সাড়ম্বর উল্লাসের সঙ্গে বললেন, নীলু, তুই এখানে?

    আমি বললুম, উপেনদা, তুমি? এসো, এসো, এতক্ষণে একটা বেশ লোক পেলুম। তুমি কি এখানেও ম্যারাপ বেঁধেছ নাকি? সেদিন বলোনি তো? বলেছিলে বউভাতের কথা?

    উপেনদা আমার পাশে একটা চেয়ার টেনে নিয়ে বসে পড়ে বললেন, আরে নাঃ, সব জায়গাতেই আমি ম্যারাপওয়ালা নাকি? তোকে বলেছিলুম না, ডেকরেটরদের কেউ নেমন্তন্ন করে না? আসলে ব্যাপার কী জানিস, আজকের যে কনে, অনামিকা না অনিন্দিতা কী যেন নাম—

    —অনিন্দিতা!

    –হ্যাঁ, হ্যাঁ, অনিন্দিতা, সে যে আমার ছোট মেয়ের সঙ্গে দিন কতক পড়ত। ঐ তোদের ফিলোজফি না কী বলে?

    —ফিলসফিটা আমাদের কেন হবে, উপেনদা? আমিও কোনোদিন ও জিনিস পড়িনি। তুমিও পড়োনি।

    —ঐ হলো রে! সেই কানেকশানে মেয়েটা আমাদের মেনন্তন্ন করেছে। হোল ফ্যামিলিকেই করেছিল। কিন্তু জানিস তো, আমার পরিবার কোথাও যায় না। তাই মেয়েকে নিয়ে আমাকেই আসতে হলো।

    —খুব ভালো করেছ, উপেনদা, এতক্ষণ আমার বড্ড একা একা লাগছিল। এরপর একসঙ্গে খেতে বসব।

    উপেনদা চেয়ারটা একটু টেনে এনে ফিসফিস করে বলল, খাবারের মেনু কী আছে এসেই খোঁজ নিয়েছি, বুঝলি? চিংড়ির কাটলেট আছে। এই ক্যাটেরাররা আমার চেনা। আজকাল কেউ আসল বাগদা চিংড়ির কাটলেট দেয় না। কিন্তু এরা দেয়। আমি তো চিংড়ির কাটলেট ছাড়া আর কিছুই খাব না ঠিক করেছি!

    –বাঃ, খুব ভালো কথা।

    —ক্যাটেরারদের চোখ টিপে দেব। তোকে বেশি করে দেবে!

    হঠাৎ একটা হৈ হৈ শব্দ। চোখ তুলে দেখি, চন্দনদা ওপর তলা থেকে দ্রুত নামতে গিয়ে সেই রসগোল্লার রসে পা পিছলে গড়িয়ে পড়ে যাচ্ছে।

    আমি দৌড়ে ধরতে গেলুম, ততক্ষণে চন্দনদা পৌঁছে গেছে একেবারে নিচের ধাপে। অনেক লোক দৌড়ে এলো। আমি চন্দনদাকে তুলে দাঁড় করিয়ে জিজ্ঞেস করলুম, ঠিক আছে, চন্দনদা?

    চন্দনদা খানিকক্ষণ মুখ বিকৃত করে রইলেন। চোখ বোঁজা। আস্তে আস্তে চোখ খুললেন। ঝাপসা থেকে ক্রমশ চোখের ফোকাস পরিষ্কার হলো।

    অকূল সমুদ্রে একটা দ্বীপ দেখার মতন চন্দনদা চমকে উঠে বললেন, নীলু! পা–টা মচকে গেছে না ফ্র্যাকচার হয়েছে বুঝতে পারছি না। দারুণ ব্যথা। সে কিছু না। কিন্তু হাসির বিয়েতে আমার পিঁড়ি ধরার কথা। এক্ষুনি শুভদৃষ্টি হবে। নীলু, তুমি একটু আমার হয়ে…

    গঙ্গাসাগরের সেই সাপটাই নিশ্চয় ষড়যন্ত্র করে সিঁড়ির ওপর রসগোল্লার রস ফেলিয়েছে। নইলে আমাকেই হাসির বিয়ের পিঁড়ি ধরতে হবে কেন?

    একদিকে হাসির এক মাসতুতো ভাই, আর একদিকে আমি। হাসি আমাদের দু’জনের গলা জড়িয়ে ধরেছে, এই প্রথম হাসির স্পর্শ।

    আগেকার কালে যখন গৌরীদান হতো, তখন বাচ্চা মেয়েদের পিঁড়িতে তুলে বরের চারপাশে ঘোরানো হতো। এখন চব্বিশ পঁচিশ বছরের কমে মেয়েদের বিয়ে হয় না, তবু ঐ প্রথা চলে আসছে। আমার খালি মনে হচ্ছে, হাতটা পিছল লাগছে। হাত ফসকে পড়ে যাবে না তো হাসি!

    সাতপাক ঘোরাবার পর শুভদৃষ্টি। একটা পাতলা চাদর দিয়ে হাসিকে আর রাজাকে আলাদাভাবে ঢেকে দিচ্ছে। সেই মুহূর্তে আমার দিকে তাকাল হাসি।

    কোনো কোনো সময় মুহূর্তই অনন্ত মুহূর্ত।

    হাসির চোখে চোখ ফেলে আমার বুক কাঁপল না। আমার সেরকম ফালতু বুক নয় যে যখন তখন কাঁপবে। একটা পিঁড়ির ওপর বসা যুবতীকে তুলে ধরে আছি, এর মধ্যে বুক কাঁপলেই হলো! এখন আমার প্রধান চিন্তা পিঁড়িটা যেন হাত থেকে খসে না পড়ে যায়।

    রাহুলদা একটা বিনা পয়সায় টিকিট দিয়েছিলেন। পাঁচমিশেলি জলসায় একটি নাম–না–জানা নর্তকীকে দেখে আমার বুক কেঁপেছিল। নাচ অনেক দেখেছি, গান অনেক শুনেছি, শুধু একজনই কাঁপিয়েছিল আমার বুক। সে আমাকে ঋণী করেছিল, আজ সেই ঋণ শোধ হলো।

    হাসির মুখের থেকে চোখ ফিরিয়ে আমি রাজার দিকে তাকালুম। মনে মনে বললুম, তুমি এই মেয়েটির যোগ্য হও, রাজা। তোমার নিজেরই স্বার্থে! এর পর ফের যদি কোনোদিন তোমাকে বেচাল হতে দেখি, তাহলে রণেন বা তাপসের সাহায্য লাগবে না। আমিই তোমাকে…ইয়ে….মানে…না না, ছি ছি, এখন এই শুভ মুহূর্তে এসব কথা ভাবতে নেই। যাঃ, আমি যে কী একটা হয়ে গেছি,… রাজা, ভালো করে হাসির দিকে তাকাও, আগে তুমি হাসিকে অনেকবার দেখলেও …এই মুহূর্ত থেকে তোমার দৃষ্টি শুভ হোক!

    ⤶
    1 2 3 4 5 6 7 8
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleশেষ দেখা হয়নি – নীললোহিত (সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়)

    Related Articles

    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    শেষ দেখা হয়নি – নীললোহিত (সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়)

    August 5, 2026
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    চলো দিকশূন্যপুর – নীললোহিত (সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়)

    August 4, 2026
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    প্রথম আলো ২ – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    August 4, 2026
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    সোনালী দুঃখ – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    August 4, 2026
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    উদাসী রাজকুমার – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    August 3, 2026
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    সুখ অসুখ – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    July 31, 2026
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    अनीश दास
    मौलाना शाह वलीउल्लाह
    रेवरेंड के. के. जी. सरकार
    অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত
    অঁতোয়ান দ্য সাঁত-এক্সুপেরি
    অনন্যা পাল
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অনীশ দেব
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অবনীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    অভিজ্ঞান রায়চৌধুরী
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক দত্ত
    অভীক সরকার
    অমরেন্দ্র চক্রবর্তী
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অরিন্দম দেবনাথ
    অর্পিতা সরকার
    অশোককুমার মিত্র
    অসম্পূর্ণ বই
    আখতারুজ্জামান ইলিয়াস
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুর রহমান আল-আরিফি
    আবদুল হালিম
    আব্দুল মালেক আলী আল-কুলাইব
    আব্দুল হামীদ ফাইযী
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    কৌশিক সামন্ত
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোপেন্দ্র বসু
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভট্টাচার্য
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যজ্যোতি মজুমদার
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বাণ রায়
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পরিমল ভট্টাচার্য
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিয়োদর দস্তইয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণু শর্মা
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাসরুর আরেফিন
    মাহতাব উদ্দিন
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রণদীপ নন্দী
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রশীদ করীম
    রাজর্ষি দাশ ভৌমিক
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    রাফিক হারিরি
    রেভারেণ্ড কে. কে. জি. সরকার
    লীলা মজুমদার
    লেইল লোনডেস
    লেখক
    শওকত আলী
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শঙ্কর চ্যাটার্জী
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শহীদুল্লা কায়সার
    শাক্যজিৎ ভট্টাচার্য
    শাক্যজিৎ ভট্টাচাৰ্য্য
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শৈবাল মিত্ৰ
    শ্যামল গঙ্গোপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রীপারাবত
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সন্দীপন চট্টোপাধ্যায়
    সন্মাত্রানন্দ
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমীরণ গুহ
    সমুদ্র পাল
    সম্পাদনা : শৈলেন্দ্র হালদার
    সরদার ফজলুল করিম
    সরোজকুমার রায়চৌধুরী
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সায়ক আমান
    সায়ন্তনী পূততুণ্ড
    সায়ন্তনী পূততুন্ড
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুব্রত গুহ
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সেলিনা হোসেন
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৈয়দ মুস্তাফা সিরাজ
    সৈয়দ শামসুল হক
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বপ্নময় চক্রবর্তী
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্মরণজিৎ চক্রবর্তী
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হরিশংকর জলদাস
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ঘটনার ঘনঘটা – নীললোহিত (সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়)

    August 5, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ঘটনার ঘনঘটা – নীললোহিত (সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়)

    August 5, 2026
    Our Picks

    ঘটনার ঘনঘটা – নীললোহিত (সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়)

    August 5, 2026

    শেষ দেখা হয়নি – নীললোহিত (সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়)

    August 5, 2026

    চতুষ্পাঠী – স্বপ্নময় চক্রবর্তী

    August 5, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }