Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    ধূসর আতঙ্ক – অনীশ দাস অপু সম্পাদিত

    April 24, 2026

    সমুদ্র কন্যা – আশাপূর্ণা দেবী

    April 24, 2026

    নিশিডাকিনী – তৌফির হাসান উর রাকিব সম্পাদিত

    April 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    ধূসর আতঙ্ক – অনীশ দাস অপু সম্পাদিত

    अनीश दास এক পাতা গল্প144 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    কবর – কাজী মায়মুর হোসেন

    কবর

    ঘুম ভাঙতেই চোখ মেলল জন।

    চারপাশে চাপ চাপ কুচকুচে কালো ঘন অন্ধকার। কোথাও কোনও শব্দ নেই। থমথমে নীরবতা।

    ঢোক গিলতে গিয়ে বুঝল ভীষণ তেষ্টা পেয়েছে। উঠে বসতে গিয়ে শুয়ে পড়ল আবার। সারা শরীরে অসহ্য ব্যথা। মাথাটা ছিঁড়ে পড়তে চাইছে।

    কপাল টিপে ধরল ও। বুড়ো আঙুলের নীচে দপদপ করে লাফাচ্ছে কপালের শিরা।

    দাঁতে দাঁত চেপে বসার চেষ্টা করল। কীসে যেন ঠুকে গেল মাথা।

    কীসে?

    শরীরের নীচে নরম একটা স্পর্শ। গদির। সন্দেহ নেই বিছানায় রয়েছে সে। কিন্তু না, এ অসম্ভব, ছাদ এতখানি নেমে আসবে কী করে!

    হাত তুলে ছাদে ঠেকাল ও। কেমন যেন মসৃণ আর নরম। চাপ দিলেই বেঁকে যাচ্ছে। যতদূর সম্ভব হাতড়ে দেখল জন। ছাদের শেষ সীমা পেল না। দু’হাত দু’দিকে ছড়িয়ে দেবার চেষ্টা করল। একই রকম নরম দেয়ালের বাধা দু’পাশে!

    আতঙ্কে শিউরে উঠল সে, মনে হলো দম আঁকড়ে আসছে।

    ঘসটে ঘসটে পেছানোর চেষ্টা করল। যেভাবে হোক বেরতে হবে এখান থেকে। বদ্ধ জায়গায় ওর ভীষণ ভয়। সিডার স্প্রিঙসের ডাক্তার বলেছিল ক্লস্ট্রোফোবিয়া আছে ওর! এই রোগীরা কোথাও আটকা পড়লে আতঙ্কিত হয়ে মারাও যেতে পারে। ও মরতে চায় না।

    পেছন দিকেও সেই নরম দেয়াল!

    মাথা ঠেকে গেছে ওর!

    পায়ের দিকে নিশ্চয়ই দেয়াল নেই?

    শরীর এগিয়ে নিল ও। হাঁপাচ্ছে। পাগলা ঘোড়ার মত লাফ শুরু করেছে হৃৎপিণ্ড। বুকে তীক্ষ্ণ একটা যন্ত্রণা।

    আছে!

    পায়ের দিকেও আছে ওই দেয়াল!

    পায়ের পাতায় নরম মৃত্যুর মত ঠেকে গেছে শীতল প্রাচীর

    থরথর করে কেঁপে উঠল জন। আঁধারের দিকে চেয়ে রইল। ঘামছে দরদর করে। বড় একটা বাক্সে পুরে ওকে আটকে দিয়েছে উইলবার স্মিথ!

    ‘প্রতিশোধ নিতে হবে,’ ফিসফিস করে নিজেকে শোনাল জন। শান্ত থাকার চেষ্টা করল। গতি কমিয়ে নিয়ন্ত্রণে নিয়ে এল শ্বাসপ্রশ্বাস। ভাবতে হবে ওকে, বুদ্ধি করে বেরতে হবে এই ফাঁদ থেকে। শোধ নিতে হবে।

    হঠাৎ মনে পড়তেই প্যান্টের পকেট হাতড়াল জন। চাবির গোছার ধাতব স্পর্শ আঙুলে পেল ও। আছে! দিয়াশলাইটাও আছে! কাঁপা হাতে কয়েকবারের চেষ্টায় একটা কাঠি জ্বালল সে। লালচে আভায় চারপাশে তাকাল।

    বুক ফাটা আর্তনাদ বেরিয়ে এল ওর গলা চিরে।

    কফিন!

    একটা কফিনে ওকে আটকে রেখেছে উইলবার!

    কতক্ষণ হলো আছে সে এখানে?

    কয়েক মিনিট?

    কয়েক ঘণ্টা?

    কয়েক দিন?

    উইলবার তা হলে ওকে খুন করতে চায়?

    এখন ধীরে ধীরে মনে পড়ছে। র‍্যাঞ্চে ফেরার পথে ওর বুকে গুলি করেছে ওরই একমাত্র কর্মচারী, উইলবার। অথচ লোকটাকে বিশ্বাস করেছিল ও। বিয়ে করলে আজ উইলবারের বয়সী ছেলে থাকত ওর। সেই উইলবার…

    জনের বুকের মাঝে কুণ্ডলী পাকিয়ে উঠল একরাশ অভিমান। বয়স হয়েছে, আর ক’দিনই বা বাঁচবে সে? এটুকু ধৈর্য ধরতে পারল না উইলবার! কিছুই গোপন করেনি সে ওর কাছে। উকিলের সামনে উইল করে জানিয়ে দিয়েছিল তার মৃত্যুর পর র‍্যাঞ্চ, রুপোর খনি সবই পাবে উইলবার। এইভাবে স্নেহের প্রতিদান দিল লোকটা!

    ভয় সরে গিয়ে মনে স্থান করে নিল প্রচণ্ড রাগ, প্রতিজ্ঞা করল জন, শেষ রক্তবিন্দু থাকতে মৃত্যুর কাছে আত্মসমর্পণ করবে না সে।

    আরেকটা কাঠি জ্বালল জন। এখন আর হাত কাঁপছে না ওর। চারপাশটা খুঁটিয়ে দেখল। কফিনে জায়গা খুব একটা বেশি নেই। তারমানে ভেতরের অক্সিজেনে বেশিক্ষণ চলবে না। এরইমধ্যে কতখানি খরচ হয়ে গেছে কে জানে। ফুঁ দিয়ে আগুন নেভাল জন। যতরকম ভাবে সম্ভব অক্সিজেন সাশ্রয় করতে হবে।

    দু’হাতে কফিনের ডালায় ধাক্কা দিল। বিন্দুমাত্র নড়ল না ঢাকনি, শুধু ফোমের তৈরি গদিটায় টোল পড়ল।

    চাবির গোছা বের করে বড় একটা চাবি বেছে নিয়ে খুঁচিয়ে খুঁচিয়ে ফোমের গায়ে গর্ত করল জন। ছোট্ট, এক আঙুলের একটা গর্ত হলো। এবার গর্তটা বড় করতে লাগল সে, দু’হাতে কুটি কুটি করে ছিঁড়তে লাগল ফোম। কিছুক্ষণের মধ্যেই মাথার ওপরে অনেকখানি জায়গার ফোম খসিয়ে ফেলল সে। খানিক বিশ্রাম নিয়ে দিয়াশলাই জ্বালল। হলদেটে লাল কাঁপা আলোয় দেখল কফিনের ঢাকনির কাঠ বেরিয়ে পড়েছে, ছেঁড়া তুলোর মত দু’এক টুকরো ফোম শুধু এখনও লেগে রয়েছে কাঠের গায়ে।

    তর্জনী বাঁকা করে কাঠে টোকা দিল জন।

    ঠক! ঠক! ঠক!

    কম দামী পলকা কাঠ!

    সস্তা একটা কফিনে ওকে জীবন্ত কবর দিয়েছে উইলবার!

    ভয়ঙ্কর একটুকরো নিষ্ঠুর হাসি ফুটে উঠল জনের ঠোঁটে। টাকা অপচয় করতে চায়নি উইলবার। মাতাল বুড়ো ডাক্তারের কাছ থেকে ডেথ সার্টিফিকেট নিয়ে সবচেয়ে সস্তা কফিনে ওকে পুরেছে লোকটা! ডাক্তার হয়তো ওর লাশ দেখতেও যায়নি, উইলবারের কথা বিশ্বাস করেই ঘাড় থেকে দায়িত্বের বোঝা নামিয়েছে একখানা সার্টিফিকেট লিখে! নিশ্চয়ই দাঁত বের করে হেসেছে উইলবার।

    জনও হাসল। সবাইকে দেখে নেবে সে। অন্তত উইলবারের ক্ষমা নেই। একটা জ্বলন্ত কাঠি ঢাকনির সিকি ইঞ্চির মধ্যে নিয়ে ধরে রাখল জন। ওটা নিভে যেতেই আরেকটা জ্বালল। তারপর আরেকটা। ঢাকনিটা ভাঙতে হলে পুড়িয়ে মুচমুচে করতে হবে কাঠ।

    গোটা বারো কাঠি শেষ করার পর হঠাৎই কাঠের ওপর একজায়গায় আগুন ধরল। পোড়া কাঠের সাদা ধোঁয়া নাকে যেতে কেশে উঠল জন। কফিনের অক্সিজেন কমে আসছে। বুক ভরে শ্বাস টানলেও আগের মত ফুসফুস ভরে উঠছে না। জ্ঞান হারাবে বলে মনে হলো ওর। অসাড়, নির্জীব হয়ে আসছে শরীর গায়ের চামড়ায় একটা তীব্র জ্বলুনী।

    ছটফট করে উঠল জন। দু’হাতে টেনে ছিঁড়ে ফেলতে চাইল গায়ের শার্ট। পটাপট ছিঁড়ে গেল কয়েকটা বোতাম। শরীর মোচড়ামুচড়ি করে শার্টটা খুলে ফেলল সে। একটা ফালি ছিঁড়ে জড়িয়ে নিল ডানহাতে। তারপর দমাদম ঘুসি মারতে লাগল ঢাকনির গায়ে।

    কাঠের একটা অংশে এখনও আগুন জ্বলছে। অঙ্গারের মত লালচে আবছা আভা ছড়াচ্ছে জায়গাটা। ওই জায়গাটাই জনের লক্ষ্য। কাপড় জড়ানো হাতে ঘুসি মেরে চলল সে।

    কতক্ষণ পর ও জানে না, জ্বলন্ত কাঠের কয়েকটা টুকরো খসে পড়ল ওর বুকে। পুড়িয়ে দিল চামড়া। দিশেহারা ব্যস্ত হাতে ওগুলোকে শরীরের ওপর থেকে ঝেড়ে ফেলল সে। যন্ত্রণায় গুঙিয়ে উঠল। দাঁতে দাঁত চেপে আরেকবার শপথ করল। উইলবারের ক্ষমা নেই। দরকার হলে দোজখ পর্যন্ত ধাওয়া করে যাবে সে লোকটাকে।

    ঢাকনির গোল একটা অংশে ভালমতই ধরেছে আগুন। ধীরে ধীরে কয়লা হচ্ছে এখন। গনগনে তাপ এসে লাগছে জনের মুখে।

    শরীর কুঁকড়ে সরে যেতে চাইল সে। পারল না। কফিনের ভেতরে পর্যাপ্ত জায়গা নেই।

    ধোঁয়ায় ভরে গেছে কফিন। দম বন্ধ করা পোড়া কাঠের কটু গন্ধে শ্বাস আটকে আসতে চাইছে।

    যক্ষ্মা রোগীর মত একটানা কাশছে জন। অসম্ভব জ্বলছে ওর গলা। কিন্তু থেমে নেই সে, দুর্বল হাতে ঘুসি মারছে এখনও। প্রতি আঘাতে উড়ছে ধুলোর মত মিহি ছাইয়ের কণা, ওর বুকে, মুখে ছিটে এসে পড়ছে গুঁড়ো কয়লার আগুন।

    অনেক… অনেকক্ষণ, যেন অনন্তকাল; ঢাকনির গায়ে আঘাত করে চলেছে জন। সময়ের কোনও হিসেব নেই ওর। ঘোরের মধ্যে অতি ধীরে পেরুচ্ছে প্রতিটা দীর্ঘ, প্রলম্বিত মুহূর্ত।

    হঠাৎ ঢাকনির পোড়া অংশটা ভেঙে পড়ল জনের গায়ে। টুকরো টুকরো হয়ে গেছে কাঠ। জ্বলছে এখনও।

    ব্যথায় আর্তনাদ করে উঠল জন। পাগলের মত মুখে, বুকে, ঘাড়ে চাপড় মেরে টুকরোগুলোকে ফেলতে চাইল। গনগনে অঙ্গার হিসহিস শব্দে পুড়িয়ে দিচ্ছে ওর পা। আগুনের স্পর্শে বড় বড় ফোস্কা পড়ল চামড়ায়।

    জবাই করা মুরগির মত ছটফট করতে লাগল জন। গলা চিরে বেরিয়ে এল তীক্ষ্ণ আর্তচিৎকার। তীব্র যন্ত্রণায় বুদ্ধিশুদ্ধি লোপ পেয়েছে। কফিনের ভেতর পাগলের মত এপাশ ওপাশ করতে লাগল সে বারবার।

    অবশেষে একসময় নিভল কয়লার আগুন।

    অনেক… অনেকক্ষণ পর সচেতন হলো জন। অন্ধকারে হাতড়ে দিয়াশলাইটা খুঁজে বের করল।

    চমকে উঠল একটা কাঠি জ্বেলে।

    ঢাকনি যেখানে ফুটো হয়ে গেছে সেজায়গায় দেখা যাচ্ছে গাছের শিকড়ে বুনট দেয়া কালচে রঙের মাটি।

    হাত বাড়িয়ে জমাট ভেজা মাটির ঠাণ্ডা আঠাল স্পর্শে শিউরে উঠল জন। হাতটা সরাল না। এই মাটি খুঁড়েই উঠতে হবে ওকে যে করে হোক। থেমে গেলেই মৃত্যু। অক্সিজেন শেষ হয়ে আসছে।

    দু’হাতে মাটি খামচাতে লাগল জন। মাঝে মাঝে কাঠি জ্বেলে দেখছে কাজ কতদূর এগোল। প্রতিবারই সরসর করে দাঁড়িয়ে যাচ্ছে ওর ঘাড়ের কদমছাঁট চুলগুলো।

    অজস্র মাংসাশী কীট আর সাদা-খয়েরী কেঁচো কিলবিল করছে কবরের মাটিতে। যখন তখন খসে পড়ছে কফিনের ভেতরে। ওর গায়ে নড়ছে চড়ছে ওগুলো। অসম্ভব ধীর গতি। জেলির মত আঠাল আর ভেজা।

    কেঁপে উঠছে জন, টোকা মেরে শরীর থেকে ফেলে দিচ্ছে ওগুলোকে। ভয়ে ঘৃণায় গোঙাচ্ছে সে, কিন্তু কাজ চালিয়ে যাচ্ছে। নোঙরা মাটি ঝরে পড়ছে কফিনের ভেতর। ওর চারপাশে ধীরে ধীরে স্তূপের মত উঁচু হয়ে জমছে।

    ছোট, পাথরে খোঁচা খেয়ে আঙুলের চামড়া ছিলে গেছে ওর। তর্জনীর নখ উল্টে ছিঁড়ে বেরিয়ে এসেছে মাংস। বুকের সার্বক্ষণিক ব্যথাটা বেড়ে গিয়ে অসহ্য অত্যাচারে পরিণত হয়েছে। হরিণ শাবকের মত বুকের খাঁচায় লাফ দিচ্ছে হৃৎপিণ্ড। হাঁপাচ্ছে জন। ফুসফুসে বাতাসের বড় অভাব। শ্বাস টানতে গিয়ে ভয় হচ্ছে: বাতাসে অক্সিজেন আছে তো? এখন যদি জ্ঞান হারায়, তা হলে বাঁচবে তো সে?

    রক্ত ঝরছে জনের দু’হাত থেকে। ব্যথায় টনটন করছে আঙুলগুলো, যেন যাঁতাকলে চেপে অনেকক্ষণ ধরে পিষছে কেউ ওগুলোকে। প্রতি সেকেন্ডে বাড়ছে শ্বাসকষ্ট, সেই সঙ্গে মরে যাবার ভয়। আতঙ্ক মাথাচাড়া দিচ্ছে মনের গভীর গহন থেকে, মগজ কাজ করতে চাইছে না। আহ্, একমুঠো তাজা বাতাস যদি পাওয়া যেত!

    শরীরটাকে ভাঁজ করে বুকের কাছে দু’হাঁটু নিয়ে এল জন। ঢাকনির গায়ে হাঁটু দিয়ে গায়ের জোরে ঠেলা দিল। মাটি খুঁড়ছে দু’হাতে। আপন মনে বিড়বিড় করছে, ‘একটু! আর একটু! প্রতিশোধ! প্রতিশোধ নিতে হবে তোকে, জন! খবরদার, জন! হাল ছাড়বি না!’

    ওর চারপাশে মাটির স্তূপ জমে কফিনের ঢাকনি প্রায় ছুঁই ছুঁই করছে। নোঙরা, আঠাল মাটি চারপাশ থেকে ঘিরে ফেলছে ওকে। ফুসফুস দুটো যেন ফেটে যাবে বেশি ফোলানো বেলুনের মত! না, বাঁচতে হবে ওকে, শ্বাস নিতে হবে।

    শেষবার কখন দম নিয়েছে ভাবতে চেষ্টা করল জন। মনে পড়ল না। বুক ভরে দম নিল। কিন্তু অক্সিজেন অতি কম। ফুসফুসের চাহিদা মিটল না। ধীরে ধীরে নিস্তেজ হয়ে আসছে শরীর। মনটা চলে যাচ্ছে অনেক দূরে কোথাও। ব্যথার বৌধ ভোঁতা হয়ে গেছে। কৃতজ্ঞ বোধ করল জন। অদ্ভুত একটা প্রশান্তিভরা ঝিমানি ঘিরে ধরছে ওকে গভীর ঘুমের মত।

    এটাই কি তবে মৃত্যু?

    এখানেই সব শেষ?

    উইলবারের চেহারা মনে পড়তেই দাঁতে দাঁত চাপল জন। না, উইলবার বেঁচে থাকতে সে মরতে পারে না। প্রতিশোধ নিতে হবে। ভয়ঙ্কর প্রতিশোধ!

    হাত চালাল জন। উপড়ে যাওয়া নখের ব্যথায় আঙুলগুলো দপ দপ করছে। নুড়ি পাথরে ঘষা খেয়ে জায়গায় জায়গায় উঠে গেছে চামড়া আর মাংস। তীব্র ব্যথা। দম নেই। শ্বাস নিতে হাঁ করল জন। মুখে মাটি ঢুকে গেল। জিভ ঢেকে দিয়ে জমা হলো গলার কাছে, আলজিভের গোড়ায়। লালায় মিশে চটচটে কাদা হয়ে যাচ্ছে পোকামাকড় ভরা ভিজে মাটি। মুখের ভেতরে নড়ছে কীটের দল। দম আটকে যাওয়ায় বমি পেল ওর। হড়হড় করে বমি করল। গুলাচ্ছে গা, যেন উত্তাল বিক্ষুব্ধ সাগরে ছোট্ট একটা নৌকায় আছে সে।

    একদলা মাটি গলায় ঢুকে আটকে গেল।

    ক্ষোভে, হতাশায় ফুঁপিয়ে উঠল জন। হেরে যাচ্ছে… হেরে যাচ্ছে সে। জীবন কেড়ে নিতে ছুটে আসছে হিমশীতল ভয়াল মৃত্যু!

    শেষ চেষ্টা হিসেবে প্রাণপণে মাটি খুঁড়ল। হঠাৎ টের পেল, মাটি ভেদ করে ওপরে উঠেছে একটা তর্জনী। রক্ত ভেজা আঙুলে বাতাসের ঠাণ্ডা একটা স্পর্শ। অনুভূতিটা ওকে পাগল করে তুলল।

    আশা আছে! সব শেষ হয়ে যায়নি!

    সমস্ত মনোযোগ একত্র করে খুঁড়তে লাগল সে। একটু একটু করে বড় হচ্ছে গর্তটা। তাজা বাতাস ঢুকছে কফিনে। শিশিরে-ভেজা-ঘাসের মিষ্টি গন্ধে ভরা সতেজ বাতাস। উদ্যম ফিরে পেল জন। খানিক পরই মাটির ওপর হাত দুটো বের করতে পারল সে। শরীরে পিচ্ছিল কাদা লেগে থাকায় ভাগ্যকে ধন্যবাদ দিল।

    বেরতে সুবিধা হবে।

    চেষ্টা করে দেখল। আটকে গেল কাঁধ।

    না, হয়নি, আরও বড় করতে হবে গর্তটা।

    আবার কাজ শুরু করল জন। মাথাটা স্থির হয়েছে ওর। ধীরেসুস্থে মাটি খুঁড়ছে।

    মিনিট দুয়েক পর গর্তটা যথেষ্ট প্রশস্ত হলো। কফিন থেকে শরীর মুচড়ে বেরিয়ে এল জন। হাসছে সে। হাসির দমকে কাঁপছে সারা শরীর। তবে দু’চোখ জ্বলছে তীব্র বিদ্বেষে। হ্যাঁ, এবার সময় এসেছে, খারাবি আছে উইলবারের কপালে।

    একটু সুস্থির হয়ে চারপাশে তাকাল জন। কবরের এপিটাফে লেখা: জন র‍্যাচেল। অপঘাতে মৃত্যু। জানুয়ারি, এক। সিডার স্প্রিঙসের বুটহিলে আছে সে। তারমানে অপঘাতে মৃত্যুর সার্টিফিকেট লিখেছে ডাক্তার। উইলবার কী বুঝিয়েছে ডাক্তারকে? আততায়ীর হাতে জন র‍্যাচেল নিহত হয়েছে?

    কাঁধ ঝাঁকাল জন। কিছু যায় আসে না। একবার র‍্যাঞ্চে পৌঁছতে পারলে হয়, কোনওদিন আর কাউকে কিছু বলার সুযোগ হবে না উইলবারের। আর মিথ্যে বোঝাবে না কাউকে। ক্ষতি করতে পারবে না কারও।

    র‍্যাঞ্চটা মাইলখানেক দূরে। পা বাড়াল জন। ঘুমন্ত সিডার স্প্রিঙস পার হওয়ার সময় ধন্যবাদ দিল ভাগ্যকে।

    এখন গভীর রাত না হয়ে দিন হলে হুলস্থুল পড়ে যেত গোটা শহরে। খবরটা কানে গেলেই পালাত উইলবার।

    নিজের বিছানার কথা মনে পড়ল জনের। এখন নিশ্চয়ই হাত-পা ছড়িয়ে আরাম করে তার খাটে ঘুমাচ্ছে উইলবার।

    ‘আমি আসছি,’ মনে মনে বলল জন, ‘ঘুমিয়ে নাও, এই ঘুম তোমার শেষ ঘুম, উইলবার!’

    কীভাবে উইলবারকে খুন করবে ভেবে রেখেছে জন। লোকটা ওর অর্ধেক আকারের। প্রথমে উইলবারের হাত-পা বাঁধবে সে। তারপর মুখে রুমাল গুঁজে দুধের বাচ্চার মত নাক টিপে মারবে। উপভোগ করবে প্রতিটা মুহূর্ত। কাছ থেকে তারিয়ে তারিয়ে দেখবে শ্বাসকষ্টে কেমন ছটফট করে উইলবার। বেজন্মাটা এভাবেই ওকে মারতে চেয়েছিল, না হলে জীবিত অবস্থায় কফিনে পুরে দিত না।

    হাঁটার গতি দ্রুত হলো জনের।

    পুব আকাশ ফরসা হয়ে আসছে। ডেকে উঠে চুপ হয়ে যাচ্ছে দু’একটা কাক। তারাগুলো একেবারেই ঝাপসা। উইলবার ঘুম থেকে ওঠার আগেই পৌঁছতে হবে ওকে। কোনও ঝুঁকি নেয়া চলবে না। মনে রাখতে হবে সে নিজে অসুস্থ, আহত এবং দুর্বল।

    পুবের নীলচে পাহাড়গুলোর ওপরের আকাশ লাল হয়ে উঠেছে, দিকচক্রবালে মুখ তুলেছে সূর্য, এমন সময় র‍্যাঞ্চে পৌঁছে গেল জন।

    র‍্যাঞ্চহাউসের গেট হাঁ করে খুলে রেখেছে উইলবার। নিশ্চিন্তে উঠানে পা রাখল জন। কেউ দেখে ফেলবে সে-ভয় নেই। ছোট্ট র‍্যাঞ্চ। উইলবার ছাড়া আর কোনও কর্মচারী রাখার কোনও প্রয়োজন বোধ করেনি কখনও সে।

    কয়েক কদম এগিয়েই থমকে দাঁড়াল জন। ভ্রূ কুঁচকে গেল।

    উঠানে একটা নতুন কবর!

    কবর এল কোত্থেকে!

    এখানে কোনও কবর তো ছিল না!

    কার কবর?

    কবরের সামনে গিয়ে দাঁড়াল জন। ভোরের আলো অনেকটা উজ্জ্বল হয়েছে। সেই আলোয় ঝুঁকে পড়ে চারকোনা এপিটাফটা দেখল। ওতে লেখা:

    উইলবার স্মিথ, ফোরম্যান,

    র‍্যাঞ্চার জন র‍্যাচেলকে হত্যার অপরাধে

    মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডিত।

    জুন মাস, এক তারিখ।

    অপরাধ স্বীকার করেছিল উইলবার? অনুশোচনা? পাপ বোধ আর সহ্য করতে পারেনি? কী ঘটেছিল জানার কোনও উপায় আপাতত নেই। শহরে গিয়ে জানতে হবে।

    দীর্ঘশ্বাস ফেলল জন। আবার এপিটাফে মন দিল। তারিখটা চোখে পড়তেই চমকে উঠল সে। অবিশ্বাসে থরথর করে কাঁপতে লাগল সারা শরীর

    জুন মাসের এক তারিখ? তা কী করে হয়?

    স্পষ্ট মনে আছে ওর, জানুয়ারির এক তারিখে বিকেলবেলা ওকে গুলি করেছে উইলবার!

    আজ কত তারিখ?

    কবরের মাটির দিকে তাকাল জন। মাটি এখনও চেপে বসেনি। তারমানে কবরটা অল্পদিন আগে খোঁড়া হয়েছে। বেশিদিন হয়নি মরেছে উইলবার।

    দপদপ করছে জনের মাথা। মগজটা ছিঁড়ে পড়তে চাইছে। তারিখটায় কোনও ভুল নেই তো? আবার এপিটাফে চোখ বুলাল সে।

    জুন মাস, এক তারিখ!

    তা হলে?

    নিজের কবরের এপিটাফে দেখেছে জন, জানুয়ারির এক তারিখেই ওকে কবর দেয়া হয়েছে।

    পাগলের মত মাথা ঝাঁকাল জন। ভয়ঙ্কর একটা সন্দেহ উঁকি দিচ্ছে ওর মনে। কী যেন মনে থাকার কথা… কী যেন মনে হবে… অথচ কিছুতেই মনে পড়ছে না!

    পাহাড়ের মাথায় উঁকি দিয়েছে রক্তভরা পাকা টুসটুসে আঙুরের মত সূর্যটা। ধীর পায়ে চৌবাচ্চার সামনে গিয়ে দাঁড়াল জন। স্থির পানি আয়নার মতই প্রতিফলিত করল ওর চেহারা। নিজেকে স্পষ্ট দেখতে পেল জন।

    এই জনকে সে চেনে না। বিকৃত একটা আধপচা লাশ তাকিয়ে আছে ওর চোখের শূন্য কোটরের দিকে। মুখ থেকে গলে খসে পড়েছে মাংস। পোকা কিলবিল করছে। নাকের নরম হাড্ডি কুরেকুরে খাচ্ছে ওগুলো। মাড়িহীন দাঁত ভেঙচি কাটছে।

    ছয় মাসের পচা গলা বিকৃত একটা লাশ সে!

    দীর্ঘশ্বাস ফেলল জন। বুঝতে পেরেছে সবই।

    ‘চলে এসো, যা জানতে চেয়েছিলে জানতে পেরেছ, তোমার কাজ পৃথিবীতে শেষ হয়েছে,’ দূর, বহু দূর থেকে ভরাট মিষ্টি গলায় কে যেন ডাকছে ওকে।

    ঘুরে দাঁড়াল জন। শহরটাকে এড়িয়ে ছুটতে ছুটতে বুটহিলে এল। শুয়ে পড়ল নিজের কবরে। এক সময় অনেক নীচে দেখতে পেল নীল রঙের গোল পৃথিবীটাকে। ধীরে ধীরে ছোট হয়ে যাচ্ছে সেই পৃথিবী

    কাজী মায়মুর হোসেন
    (বিদেশী গল্পের ছায়া অনুসরণে)

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleসমুদ্র কন্যা – আশাপূর্ণা দেবী
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    अनीश दास
    मौलाना शाह वलीउल्लाह
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিজ্ঞান রায়চৌধুরী
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অশোককুমার মিত্র
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেইল লোনডেস
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্মরণজিৎ চক্রবর্তী
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ধূসর আতঙ্ক – অনীশ দাস অপু সম্পাদিত

    April 24, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ধূসর আতঙ্ক – অনীশ দাস অপু সম্পাদিত

    April 24, 2026
    Our Picks

    ধূসর আতঙ্ক – অনীশ দাস অপু সম্পাদিত

    April 24, 2026

    সমুদ্র কন্যা – আশাপূর্ণা দেবী

    April 24, 2026

    নিশিডাকিনী – তৌফির হাসান উর রাকিব সম্পাদিত

    April 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }