Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    নয়নপুরের মাটি – সমরেশ বসু

    সমরেশ বসু এক পাতা গল্প204 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ১৩. ভর দুপুরবেলা পরান এল

    ভর দুপুরবেলা পরান এল মহিমকে ডাকতে।

    অহল্যা খাওয়ার শেষে এঁটো থালাবাসন নিয়ে ডোবার দিকে যাচ্ছিল। পরানকে দেখে ঘোমটাটা একটু বাঁ হাতে টেনে দিয়ে বলল, পরানদা যে।

    পরান বলল, হ্যাঁ, আসলাম তোমার দেওরকে ডাকতে। মহী কুনঠাঁই? ঘরে আছে। কে ডাকল, কত্তা নাকি?

    না। ছেলের বউ।

    অহল্যা পরানের দিকে তাকাল। পরানও তাকিয়ে হেসে বলল, তোমাদের মতো তো নয়, শহরের বই। বাপ তার একেবারে সায়েব। দেখো নাই কভু ছেলের বউকে?

    অহল্যা বলল, দেখছি। তা, বউ ডাকল যে?

    সে কথা মুই জানব কী করে বলো? হয় তো ফরমাস আছে কিছু। বলেই পরানের মুখে এক গাল হাসি ফুটে উঠল। বলল, তোমার দেওর ছাওয়ালটি বড় সোজা নয় বউ। দেখলাম তো সেদিন তারে টলানো বড় কঠিন। ফরমাস মতো কাজ সে করবে না।

    অহল্যা নীরব রইল।

    মহিম বেরিয়ে এল কাদামাটি হাতে! কী খবর পরানদা?

    একবার যেতে হবে ভাই, বউমা ডাকছে তোমারে।

    অহল্যা তাকিয়েছিল মহিমের মুখের দিকে। মহিম ক্ষণকাল নীরব থেকে বলল, চলে যাই। তার পর অহল্যাকে বলল, তা হইলে একবার ঘুরে আসি বউদি।

    অহল্যা বলল, যাও। দেখো আবার খুঁজতে পাঠাতে না হয়। এবং তার চোরা হাসিটুকু মহিমের চোখ এড়াল না।

    মহিম সেদিনের অন্ধকারের যমদূতের মতো ইমারতের মধ্যে আজ দিনের বেলা ঢুকল পরানের সঙ্গে। সেদিন মনে করছিল রাত্রের রূপের সঙ্গে দিনের তফাত থাকবে। কিন্তু না। কেমন যেন একটা তমসাচ্ছন্নভাব নিয়তই এখানে বিরাজ করছে। নিস্তব্ধ, খাঁ খাঁ। প্রথম মহলের সব দরজাগুলোই বন্ধ। দ্বিতীয় মহলের অবস্থাও তাই। তবে সব বন্ধ নয়।

    পরান হঠাৎ অত্যন্ত গম্ভীর হয়ে উঠেছে। বলল, দাঁড়াও একটু, আসছি।

    এ মহলের চত্বরে হাওয়া বয়ে যায় না। ঘুরপাক খেয়ে উপরে উঠে যায় আবার। আর এক বিচিত্র শব্দ তুলে দিয়ে যায়। সে হাওয়া দেয়ালে খিলানে থামে আঘাত লেগে দীর্ঘনিশ্বাসের মতো হাহাকার শব্দ তোলে।

    মহিমের মনে হল, এত বড় প্রাসাদ, কিন্তু কী সাংঘাতিক নীরব। আর যেন প্রতিটি বন্ধ দরজার জানালার আড়ালে আড়ালে জোড়া জোড়া চোখ উঠোনের মাঝখানে তাকে উগ্র চোরা দৃষ্টিতে দেখছে। সে তাড়াতাড়ি খোলা আকাশের দিকে তাকাল। তাকিয়ে চমকে দেখল, সেই একেবারে উঁচু আলসে থেকে এক রাশ দীর্ঘ চুল এলিয়ে ঝুলে রয়েছে।

    কে ওখানে, কার ওই চুল? মহিম চোখ নামাতে পারল না, তাকিয়ে থাকতেও তার বুকের মধ্যে নিশ্বাস আটকে এল। এখুনি কি চলে যাওয়া যায় না এখান থেকে। পরানদা আসে না কেন? হঠাৎ চুল নড়ে উঠল আর আলসের মাথায় একখানি মুখ উঁকি মারল। সে মুখের বিশাল দুই চোখের খরদৃষ্টি তারই দিকে। পরমুহূর্তেই সেদিনের মতো নারীকন্ঠের খিলখিল চাপা হাসি শুনে তার কানের পাশ দিয়ে শিরদাঁড়া পর্যন্ত কী একটা সাপের মতো এঁকেবেঁকে চলে গেল।

    পরান এসে ডাকল, কই, আসসা। কিন্তু মহিমকে উপরের দিকে তাকিয়ে থাকতে দেখে পরান হঠাৎ বজ্র ফাটানো গলায় একটা চিৎকার করে উঠতেই হাসি থেমে গেল, সেই মুখ, ও চুলও হল

    অদৃশ্য।

    মহিম এসে জিজ্ঞাসু চোখে পরানের দিকে তাকাল। পরান শান্ত গলায় বলল, পাগল একটা! আসসা বউমা বসে আছে।’ বলে তার মুখের ভাবটা এমনই হয়ে উঠল যে, মহিমের মনে হল আর দ্বিতীয় প্রশ্ন এখানে নিরর্থক।–সেদিন হেমবাবু যে ঘরে বসেছিলেন, সেই ঘরের ভিতর দিয়েই পরান মহিমকে নিয়ে দোতলায় উঠে এল। মহিম আশ্চর্য হল, ঘরে এত আলোর ছড়াছড়ি দেখে। অথচ বাইরে থেকে মনে হয় এ প্রাসাদের ঘর বুঝি সব অন্ধকার।

    উমার ঘরে মহিমকে পৌঁছে দিয়ে পরান অদৃশ্য হল। একটা অদ্ভুত সুগন্ধ মহিমের নাসারন্ধ্র আচ্ছন্ন করে দিল। এ ঘরটির আসবাবপত্র সব কিছুই হেমবাবুর ঘরের সঙ্গে মূলত তফাত। দুটি মস্ত বড় জানালা দিয়ে দেখা যাচ্ছে দিগন্তবিসারী মাঠ, খাল, ওপার, রাজপুরের সুস্পষ্ট রেখা। আজ জানালা যে মানুষকে হাতছানি দিয়ে ডাক দেয়, তা বুঝি আগে কখনও জানত না মহিম।

    মস্ত বড় খাটের শিয়রের দিকের রেলিং-এ কারুকার্যখচিত কাঠের ফ্রেমে যুগল দম্পত্তির ফটো। একজন উমা, পুরুষটি হেমবাবুর ছেলে হিরণ। আরও নানান রকম মস্ত বড় বড় ছবি দেয়ালে রয়েছে। কেউ ঘোড়ায় চড়ে, কেউ রাইফেল হাতে, মাথায় পাগড়ি, বিচিত্র টুপি, নানান রকম। তার মধ্যে নবাব সিরাজদ্দৌল্লার চিত্রটিই মহিমের চোখে একমাত্র পরিচিত মনে হল।

    উমা এমনটিই আশা করেছিল মহিমের কাছ থেকে, এই বিস্মিত মুগ্ধ দৃষ্টি। কিন্তু শিল্পী তো তার দিকে একবারও তাকাল না। এ রুচিবোধের যে অধিকারিণী, ওই দৃষ্টি কি তারও প্রাপ্য নয়। ভাবল, এ হল নয়নপুরের চাষীর ছেলের সঙ্কোচ। কিন্তু সে একবারও এই শিশুর শিল্পীর দিক থেকে চোখ সরাতে পারল না। শিশু, একেবারেই শিশু। ওর চোখেও শিশুরই অতল রহস্য, গভীর দৃষ্টি। ঘাড় অবধি বেয়ে পড়া কোঁচকানো চুলের এখানে ওখানে কাদামাটির দাগ। পরনে একখানি ফতুয়া, মাটির দাগে ভরা ছোট ধুতি। শ্যামল নরম মিষ্টি শিল্পী। এক বিচিত্র রঙের আঁচ লাগিয়ে দিয়েছে শহুরে অভিজাত ঘরের বিদুষী উমার মনে। তবু ওর ঋজু শিরদাঁড়াটা চোখে যেন বড় লাগে। খাড়া, কঠিন, যেন নমনীয় হতে সে জানে না।

    উমা বলল, বসো।

    সম্বোধন শুনে চমকে ফিরল মহিম। সেই বঙ্কিম ঠোঁট, তবু মমতার আভাস, আবেগদীপ্ত চোখ, অনাড়ম্বর বেশ।

    উমাও বুঝল, সম্বোধনে চমক লেগেছে মহিমের। হেসে বলল, তোমাকে তুমি বললাম জমিদারের ছেলের বউ বলে নয়। এত ছেলেমানুষ মনে হয়, কিছুতেই আপনি বলতে ইচ্ছে করে না।

    উমার চোখ দেখে সে কথা বিশ্বাস করল মহিম। সে প্রণাম করতে গেল উমাকে। কিন্তু আজ আবার উমা দুহাতে তার হাত ধরে ফেলল। বলল, ছি, বারে বারে পায়ে হাত দিয়ো না। আমি তো তা বলে তোমার বড় নয়।

    মহিমের বিস্ময় বেড়েই উঠল। অথচ সেদিন বিদায়ের সময়ে নিঃসঙ্কোচে উমা প্রণাম গ্রহণ করেছিল। সেটা ভেবেই উমা বলল, সেদিন তুমি দুঃখ পাবে ভেবে আর বাধা দিইনি। বসো।

    কিন্তু সে বলতে পারল না, সেদিন তার মনে এক বিচিত্র আকাঙক্ষা ও কৌতূহল উদগ্র হয়ে উঠেছিল শিল্পীর হাতের স্পর্শ তার পায়ে লাগার জন্য।

    এ ঘরে খদ্দরের কোনও চিহ্ন নেই। মহিম বসল একটি সোফায় সঙ্কোচ আর অত্যন্ত লজ্জায়। উমা তার খুব কাছেই একটি সোফায় বসে বলল, তোমার কথা সব আমি আমাদের কলকাতার বাড়িতে লিখে দিয়েছি। তোমার কলকাতার কাজের কিছু চিহ্ন আমাদের বাড়িতেও আছে। আমার ভাইবোনেরা তো সবাই তোমাকে দেখতে চেয়েছে।

    মহিমের চোখে বিস্মিত আনন্দ লক্ষ করে উমার চোখেও খুশি ঝলকে উঠল। অভিমানের সুরে বলল, আমার শ্বশুর পুজোয় যেতে দিলেন না আমাকে। নইলে আমরা সকলে বিদেশে বেড়াতে যেতাম। তবে পুজোর পর নিশ্চয় যাব। তোমাকে নিয়ে গেলে ওরা ভারী খুশি হবে। বিশেষ, শান্তিনিকেতনে আমার যে বোন থাকে, সে তো লাফাবে। হঠাৎ একটু থেমে মুখ টিপে হাসল উমা। তার সপ্রতিভ মুখে একটা লজ্জার আভাস দেখা দিল। বলল, আমার সে বোনটি বড় ফাজিল। চিঠিতে লিখেছে, তোমার ওই নয়নপুরের শিল্পী আবিষ্কার তোমার জীবনে এক মহান কীর্তি। কামনা করি, শিল্পী যেন তার এ একান্ত ভক্তিমতী প্রাণে আরও সাড়া জাগায়। তবে একলা নয়, ভাগ দিয়ো।

    না শোনালেও হয় তো চলত, কিন্তু এ কথাটুকু শোনানোর লোভ উমা কিছুতেই সম্বরণ করতে পারল না।

    গুণমূল্য নিঃসন্দেহে কিন্তু অপরিসীম লজ্জার আনন্দে ও কৌতূহলে কেমন আচ্ছন্ন হয়ে রইল সে। কথা বলতে পারল না। ভক্তিমতী কথাটি তার প্রাণে এক নতুন অনুভূতির সৃষ্টি করল আর কলকাতার এক আলোকপ্রাপ্ত পরিবারের মধ্যে তার সম্পর্কে আলোচনা ও পত্র-বিনিময় গৌরবের নয় কি? তবু আরও কিছু ছিল উমার বোনের পত্ৰলেখায়, যে কথা উমা মুখে স্পষ্ট বললেও এক অচেনা প্রতিক্রিয়া হল মহিমের মনে।

    উমা তার লজ্জার ভাবটুকু কাটিয়ে খানিকটা উদ্বেগের সঙ্গে বলল, সত্যি, সকলে কী মনে করে জানিনে, কিন্তু এতখানি প্রতিভা নিয়ে তুমি নয়নপুরে পড়ে থাকবে, এ ভাবতে আমি কিছুতেই পারিনে। তুমিই বলো, এত বড় দেশে সকলে তোমার কাজের পরিচয় পাবে এ কি তোমার কামনা

    নয়?

    অন্যদিকে তাকিয়েছিল মহিম। বলল, এমন করে তো ভাবি নাই কোনও দিন।

    কিন্তু কেন ভাবো না? কেমন যেন উত্তেজনার লক্ষণ দেখা দিল উমার মধ্যে। বলল, শুনেছি এ দেশে শিল্পীর দুঃখের শেষ নেই, তাদের প্রতিভা বিকাশের পথ বন্ধ। এ আমি বিশ্বাস করিনে। প্রতিভাবান যে, তার মূল্য মানুষকে দিতেই হবে, কিন্তু শিল্পী নিজে যদি তার পথ করে না নেয় বা চেষ্টা না করে তা হলে কেমন করে তা বিকাশ পাবে। তোমার স্থান হল কলকাতা, তুমি পড়ে রইলে নয়নপুরে, তবে কেমন করে তুমি দশজনের মাঝে ছড়িয়ে পড়বে। আমার কথাগুলো হয় তো তোমার ভাল লাগছে না কিন্তু তুমি দেখো, যাঁরা বড় হয়েছেন তাঁরা সকলেই আজ রাজধানীর বুকে জমিয়ে বসে আছেন।

    একেবারে অস্বীকার করার মতো কথা নয় অথচ কী জবাব দিতে হবে একথার খুঁজে না পেয়ে অসহায়ের মতো উমার দিকে তাকাল মহিম। একটু পরে বলল, মোরে কী করতে হইবে, বলেন?

    উমা তার আরও কাছে সরে এল। নিজের এই আবেগকে সে নিজেই বোধ হয় চেনে না। বলল, তুমি নয়নপুর ছেড়ে চলল, চলো, কলকাতায়।

    উমার নিজের কানেই কথাগুলো ভীষণ ঠেকল। কিন্তু নিজেকে সে কিছুতেই দমিয়ে রাখতে পারল না, চোখ ফেরাতে পারল না মহিমের উপর থেকে।

    কিন্তু মহিমের বুকে যেন বাজ পড়ল। নয়নপুর ছেড়ে চললা—একথার চেয়ে নির্দয় বুঝি আর কিছু নেই। সে আবার অসহায়ের মতো তাকাল উমার দিকে। সেই আবেগদীপ্ত চোখ, সেই বঙ্কিম ঠোঁটে মমতার আভাস শুধু আর নয়, আরও যেন কী রয়েছে। তার শরীর ঝুঁকে পড়েছে। আঁচল খসা, প্রশস্ত কাঁধ ও বুকের অনেকখানি জায়গা খোলা জামা। সুগঠিত বুকের মাঝখানে এক অন্ধ রহস্য উঁকি মারছে। হৃৎপিণ্ডের শব্দ বুঝি শোনা যায়। স্পন্দিত সোনার হার।

    নয়নপুরের খাল থেকে মাঠের উপর দিয়ে হু হু করে দমকা হাওয়া ছুটে এসে ঝাপিয়ে পড়ল ঘরের মধ্যে। এলোমেলো করে দিল সব যেন মনটার মধ্যে।

    মহিম মুখ ফিরিয়ে সমস্ত ঘরের দিকে একবার চোখ বুলিয়ে বলল, মোরে খানিক ভাবতে দেন।

    প্রশান্ত হয়ে উঠল উমার মুখ। ঠিক হয়ে বসে বলল, রবীন্দ্রনাথের একখানা মূর্তি তোমাকে আমি গড়তে বলেছি। শান্তিনিকেতনে গেলে তাঁকে দেখতে পাবে। তিনি তোমাকে আশীর্বাদ করবেন।

    তার পর একটা দীর্ঘশ্বাস ফেলে বাল, আমাদের ঘরে এমন একটি ছেলে থাকলে তাকে সারা পৃথিবী ঘুরিয়ে আনতাম।

    মহিম বলল, আমি তা হইলে যাই?

    উমা সে কথার জবাব না দিয়ে বোধ হয় তার আগেকে সংশোধন করার জন্য বলল, আমার কথাগুলো তোমার কাছে বড় অদ্ভুত লাগল, না? আমার শ্বশুরকে ধন্যবাদ, তিনি তোমাকে ডেকে এনেছিলেন।

    এতক্ষণে মহিম জিজ্ঞেস করল, কর্তা কই?

    তিনি গেছেন কয়েক দিনের জন্য এক দূরের তালুকে। তিনি তোমাকে এখানে এনে রাখতে চান।

    মহিম জিজ্ঞেস করল, কেন?

    জবাবে উমা বলল, শুনেছি, এ বাড়িতে আগের কালে একজন সাহেব ছবি-আঁকিয়ে ছিলেন মাইনে করা। এ-ঘরের সব ছবি তাঁরই আঁকা। তেমনি এই এস্টেটে তোমাকে আমার শ্বশুর এনে রাখতে চান। আসবে তুমি?

    মহিম জানে, রাজা-মহারাজার বাড়িতে এমনই মাইনে করা অনেক বড় বড় শিল্পী থাকেন। বলল, তা তো জানি না। আমার দাদা বউদি রইছেন, অর্জুন পালমশাই আছেন, আমার গুরুমশাই, তাঁরাই বলতে পারেন।

    যদি আসো–বলে হঠাৎ চুপ করে গিয়ে মহিমের দিকে তাকিয়ে রইল। এতে তার ইচ্ছা-অনিচ্ছা, কিছুই বোঝা গেল না।

    মহিম উঠে দাঁড়াল। কিন্তু সে কিছুতেই উমার চোখের দিকে তাকাতে পারছে না। তার প্রাণে হাওয়া লেগেছে। বুঝি নয়নপুরের তেপান্তরের দমকা হাওয়ার মতো।

    উমা জিজ্ঞেস করল, গৌরাঙ্গবাবুর সঙ্গে তোমার দেখা হয়?

    উনি তো মোর সঙ্গে দেখা করেন না। মোরে বুঝি ভালবাসেন না আর।

    একটা যেন স্বস্তির নিশ্বাস ফেলে বলল উমা, সেজন্য তোমার দুঃখের কিছু নেই। আমরা কি ভালবাসি না?

    বাসে। কিন্তু সে ভালবাসা মহিমের কাছে অপরিচিত। সে নীরব রইল।

    উমা বলল, তুমি এখন কী কাজ করছ? দেখতে ভারী ইচ্ছে হয়। সেই দক্ষনিধনের ক্ষিপ্ত শিব নাকি?

    এক মুহূর্তে দ্বিধা করে মহিম বলল, হ্যাঁ। কিন্তু সে এখন থেকেই যে ধর্মদেবের ঘট তৈরি করছে সে কথা বলতে বাধল। সে আবার প্রণামের জন্য ঝুঁকে পড়তেই উমা তার দুহাত ধরে ফেলল।—এ কী, বারণ করলাম না পায়ে হাত দিতে। তা হলে তো দেখছি আপনি করে বলতে হবে।

    বলে সে হাত ছেড়ে না দিয়ে যেন সত্যই ভক্তিমতীর মতো ঈশ্বর-অবলোকন করছে এমনিভো তাকিয়ে রইল।

    আর উমার সর্বাঙ্গ থেকে বিচিত্র সুগন্ধ তার অনুভূতিতে এক অন্ধ বদ্ধ আবেগের উন্মাদনা এনে দিল, তার হাত কাঁপল উমার হাতের মধ্যে। এত কাছাকাছি উমার দিকে তাকাতে গিয়ে তার চোখের পাতা যেন অসম্ভব ভর হয়ে এল।

    উমার চোখ উজ্জ্বল, নির্নিমেষ, দুর্বোধ্য হাসি। বলল, তুমি আমাকে হাত তুলে নমস্কার কর, আমিও তাই করব। ডাকলে এসো কিন্তু!

    হাত ছেড়ে দিল সে।

    মহিম দরজার কাছে থমকে দাঁড়াল। সঙ্কোচের সঙ্গে বলল, একটা কথা মোরে বলেন!

    উমা কাছে এল। মহিম জিজ্ঞেস করল, মুই একটা হাসি শুনছি এ বাড়িতে, মেয়েমানুষের হাসি। উনি কে?

    স্তম্ভিত বিস্ময়ে চমকে উঠল উমা, তুমি হাসি শুনেছ?

    হ্যাঁ। ওনারে দেখেছি আমি।

    কোথায়?

    এ মহলের একেবারে উঁচা আল্‌সের ধারে।

    মুহূর্তে নীরব থেকে অত্যন্ত গম্ভীর হয়ে বলল, উমা, এ কথা তুমি আমাকে জিজ্ঞেস করো না। আবার একটু চুপ করে থেকে বলল, যদি তোমায় কখনও কলকাতায় পাই সেদিন বলব।

    উমার চোখের মিনতি প্রায় ভুলিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করল মহিমকে যে, মহিলাটি নয়নপুরের জমিদারের বিদুষী পুত্রবধূ।

    সে বেরিয়ে গেল, গেল মনের মধ্যে কে নতুন প্রতিক্রিয়ার ঝড় নিয়ে। প্রথম দিনের চেয়ে আজ তা আরও বিচিত্র। উমার নতুন ভাব এবং এ বাড়ির সমস্ত কিছুই।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleশ্রীমতি কাফে – সমরেশ বসু
    Next Article অকালবৃষ্টি – সমরেশ বসু

    Related Articles

    সমরেশ বসু

    প্রজাপতি – সমরেশ বসু

    December 2, 2025
    সমরেশ বসু

    গঙ্গা – সমরেশ বসু

    December 2, 2025
    সমরেশ বসু

    বিবর – সমরেশ বসু

    December 2, 2025
    সমরেশ বসু

    অকালবৃষ্টি – সমরেশ বসু

    December 2, 2025
    সমরেশ বসু

    শ্রীমতি কাফে – সমরেশ বসু

    December 1, 2025
    সমরেশ বসু

    সওদাগর – সমরেশ বসু

    December 1, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Our Picks

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }