Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    নয়নপুরের মাটি – সমরেশ বসু

    সমরেশ বসু এক পাতা গল্প204 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ০৪. বাড়ির বাইরে সাঁকোটা পেরিয়ে

    বাড়ির বাইরে সাঁকোটা পেরিয়ে হঠাৎ পরান বলে উঠল, ভাবখানা মোরে তাজ্জব করলে। তোমারে ডাকতে যাওয়ার আগে কতা বললে, দশরথের ছেলে সেই কুমোরকে একটু ডেকে নিয়ে আয়।

    মহিম আশ্চর্য হল না। কিন্তু পরানের বিরক্তি দেখে সে বিস্মিত হল। বিরক্তি নয়, পরানের কথার মধ্যে কতার বিরুদ্ধে যেন অভিযোগ রয়েছে; পরানের জীবনে এটা নতুন কি না জানা নেই, মহিমের কানে এটা নতুন।

    আর কিছু না বলে প্রান ফিরল।

    আকাশের একফালি চাঁদ ড়ুবেছে অনেকক্ষণ। জমাট অন্ধকার। কিছুক্ষণ আগে বোধ হয় সামান্য জল হয়ে গেছে। মহিম টের পায়নি। দিঘির কালো জলে নক্ষত্রের ঝাপসা রেখা দুলছে।

    মনে পড়ল গোবিন্দের কাছে একবার যাওয়ার কথা। দৈনন্দিন আড্ডাস্থল সেটা মহিমের। ভক্ত গোবিন্দ। ভক্ত বললে বোধ হয় ভুল হবে, সাধক গোবিন্দ।

    অন্ধকার, কিন্তু পথ জানা। মহিম এগুলো। কয়েক পা এগিয়ে সে থমকে দাঁড়াল।

    সামনে মানুষ দাঁড়িয়ে আছে। ভয় পেয়েই মহিম অস্ফুট গলায় জিজ্ঞেস করল, কে?

    আমি ভরত।

    অ। তা—তুমি–

    তা না এসে উপায় আছে নাকি আর কিছু। ভরত বলে উঠল, ঘরে তো থির হয়ে মোর দু দণ্ড বসবার জো নাই। তাকী, বিত্তান্তটা কী এতক্ষণ বাবুদের বাড়িতে?

    মহিম বুঝল রাগটা ভরতের অহল্যার উপর। সে-ই তাকে উৎকণ্ঠিত হয়ে এখানে পাঠিয়েছে, কিন্তু কী কথা এতক্ষণ হল, কী বলবে সে ভরতকে। মহিমের কাজকে ভরত বলে, বনের মোয তাড়ানোর কাজ। কথাকে বলে, ফষ্টিনষ্টির বড় বড় কতা। আবার এ-ও ঠিক, এই ভাইটিরই জন্য গাঁয়ে ঘরে তার ঢাক পেটানো গলাবাজিও কম নেই, নেই গৌরববোধেরও কম। সামনে যা-ই হোক, আড়ালে মনের মধ্যে তার কোথায় যেন অনেকখানি শ্রদ্ধা এই ভাইটির জন্য সঞ্চিত আছে। আছে বিস্মিত ভালবাসা।

    মহিম বলল, ওই হল নানান কথা। বাজে সব কথা।

    মহিমও বলে বাজে কথা। ভরত বোঝে, এ হল তার মন জোগানোর আড়ে, তাকেই ঠাট্টা করা। আসলে তার ভাইয়ের কাছে যে সে সব কথা মোটেই বাজে নয়, সে কথা বোঝবার মতো বয়সের মিনসে সে হয়েছে। মনে মনে বলে, ছোঁড়া যদি এটুও খাতির করত। তা নয়, বলেছি বলে কেমন খোঁচাটা দিল।

    বাজে নয় তো কী, কাজের কথা নাকি? গম্ভীরভাবে বলে ভরত।

    অবাক করলে। আমিও তো তাই বলছি। অন্ধকারে মহিমের হাসি দেখতে পেল না ভরত।

    বলবিই তো।

    কিন্তু ভরতের মনে প্রবল কৌতূহল, কী এতক্ষণ ঘটল জমিদার বাড়িতে। না শুনলে তার পেটের ভাত হজম না হয়ে অস্বস্তি বাড়বে আর ছটফটানিতে কাটবে। তা ছাড়া, অনেক মানুষ যেমন আছে, কথাটি শুনেছ তো অমনি চাউর করো, ভরত খানিকটা সেই রকম। কথা সে যাই হোক, সাজিয়ে গুছিয়ে নিজের মতোটি করে নিয়ে চালু করবে সে। কৌতূহল ভরতের সেইখানেই বেশি, যখনই মনে হচ্ছে, কথাটা নিয়ে গাঁয়ে-ঘরে ঘুরে বেড়ানো যাবে খুব। আর সে রকম কথা হলে বুক ঠোকার বাহাদুরিটাও পাওয়া যাবে কম নয়।

    বলছি এতখোন ধরে কথাটা কী হল? বলে দাঁড়িয়ে আছি তো সেই ক’ দণ্ডকাল ধরে। তারও খানিকটা উল্কণ্ঠা এসে পড়েছে মনে।

    মহিমও বুঝল, মুখে যতই নীরস হোক, ভরতের মনে আছে উৎকণ্ঠিত ছটফটানি।

    উৎকণ্ঠারই ব্যাপার। যাদের সঙ্গে জীবনের যোগাযোগের ক্ষেত্রে পাওয়া গেছে শুধু অপমান, উৎপীড়ন, যাদের সঙ্গে সম্বন্ধটা বুকে হাত দিয়ে বলতে গেলে অত্যন্ত তিক্ত, তাদেরই এ আকস্মিক ডাক কেন? প্রশ্নটা বিস্মিত এবং উৎকণ্ঠিত। নয়নপুরের কত মানুষের ডাক পড়েছে এমনি অতীতে কতদিন। এখন গল্প হলেও শোনা গেছে, সে ডাকে হাজিরা দিতে গিয়ে জোয়ান মরা অনেকে ফিরেও আসত না। যদি বা আসত, কথায় বলে বাঁশডলার রক্তাক্ত দেহ নিয়ে নিজের দাওয়াটিতে এসে চিরদিনের মতো চোখ বুজত। নয়নপুরের ওই প্রাসাদ, নয়নপুরের শতাব্দীর কোটি প্রশ্নের জবাবে মূক হয়ে দাঁড়িয়ে আছে। পাথরের কাছে জিজ্ঞাসা। পাথর কোনও দিন কথা বলেনি। ওই মৌন প্রাসাদ নয়নপুরের কাছে আজও বিভীষিকায়, ললাভে, হাসিকান্নায় এক বিচিত্র রহস্যের আড়ালে রয়ে গেছে। ওই প্রাসাদের মানুষের পরিবর্তন আজকাল চোখে পড়ে, প্রাসাদটার পরিবর্তন চোখে পড়েনি কোনওদিন, মানুষের নীরব প্রশ্নের জবাব পাওয়া যায়নি আজও।

    শ্মশান পবিত্র, কিন্তু শ্মশানের আতঙ্ক কী দুনিবার। যেন কোন্ বিভীষণ রহস্যে ভরা, কণ্টকিত ভাবনায় মূঢ় করে দেয়, এনে দেয় আড়ষ্টতা।

    ভরত উৎকণ্ঠিত হবে বই কী! নয়নপুরের মাটিতে যার জন্ম, নয়নপুরের ওই প্রাসাদ তো এক বিশিষ্টতা নিয়ে আছে তারও মনে। তার রক্তের ধারায় মিশে আছে ওই প্রাসাদের কথা, ওই রূপ। কোনও দিন যেখানে ডাক পড়েনি, না পড়াটাকেই সৌভাগ্যের কথা বলে জেনে এসেছে, সেখানেই ঘরের মানুষ প্রহর কাটিয়ে এল। উৎকণ্ঠা হবে না ভরতের? অহল্যার মুখে এ কথা শুনে প্রথমেই তার মনে যে উৎকণ্ঠা এসেছিল, তা-ই শেষটায় ক্রোধে পরিণত হয়েছিল তার। পরানের কথায় বিশ্বাস কেন করেছিল অহল্যা, আর মহিমই বা এক কথায় রাজি হয়েছিল কেন? জীবনে যাদের সঙ্গে কোনও দিন খাজনা, আর প্রভু-ভৃত্যের সম্পর্ক ছাড়া অন্য কারবার নেই, যাদের আহ্বানকে লোকে সন্দেহের চোখে দেখে, যেখানে লোকে যাওয়া অবাঞ্ছনীয় মনে করে—অমঙ্গলকর কিছু ঘটতে পারে বলে, সেখানে এ ভর সন্ধেবেলা ডাক পড়ার কী কারণ থাকতে পারে? . নয়নপুরের মানুষ মহিমও। তাই তো তার বোসেদের সাঁকো পেরিয়ে পাঁচিলের আড়ালে গিয়েই মনে হয়েছিল, যেখানে সে এল, সেখান থেকে নিজের ইচ্ছায় বুঝি আর কোনও দিন বেরুতে পারবে না। তাই তো তার সেই দ্বিতীয় মহলের অন্ধকার উঠোনে দাঁড়িয়ে মেয়েমানুষের হাসি শুনে কত উদ্ভট কথাই মনে হয়েছিল, মনে হয়েছিল—এখানকার বিচিত্র রহস্যের মতো পরানও বদলে গেছে বুঝি। শিউরে উঠেছিল সে।

    তারপর মানুষের সঙ্গে কথা বলে সে ভুল তার ভেঙেছে, সহজ হয়েছে মন।

    সহজ হয়েছে ভরতের মনও, যখনই মহিমকে পেয়েছে সে। তবু নিভে আসা উৎকণ্ঠার মধ্যেই কৌতূহল তার বেড়েই উঠল।

    বলল, তা, বাবুরা ডেকে কী বললে, বলবি তো সেটা?

    বলছিল পিতিমে গড়ার কথা বাবুদের বাড়ির।

    হ্যাঁ? উল্লসিত মনে হল ভরতকে। বলল, তোরে চেনে তালে বাবুরা? অ, সবই জানে তালে, তোর ওই পুতুল-পিতিমে পড়ার কথা?

    হ্যাঁ, তাই মনে হল।

    মনে হল? ভাইটার কথায় উদাসীনতার বিদ্রূপের আভাস খুঁজে পেল ভরত। ছোঁড়া রেয়াত করে না মোটে। কিন্তু সে রাগ করল না। বলল, তা না হবে কেন? কত্তা তো শুনেছি খুব ভদ্দরনোক মানুষ। কলকেতায় থাকে কিনা? নেকাপড়ার গুণ আলাদা। আবার পাশ করা বউ এনেছে।

    কথাটাতে চমকে উঠল মহিম। ও, গাঁয়ের সকলেই তা হলে উমাকে জানে। একমাত্র তারই জানা এতদিন সম্ভব হয়ে ওঠেনি। সত্যই, উমা তো আর পুরোপুরি অন্দরবাসিনী নয়। গাঁয়ের লোক তাকে চিনবে বই কী! এতে আশ্চর্য হওয়ার কিছুই নেই।

    তা তুই কী বললি? গড়বি?

    নিস্পৃহ গলায় বলল মহিম, না।

    না? কথাটা অপ্রত্যাশিত। বরং ভরত ভেবেছিল, মহিম যা বললে সে দু-একটা খোঁটা দিতে পারবে ভাইকে। কিন্তু সেটা হত নিতান্তই মৌখিক। আসলে সে আচমকা ভয়ানক নিরাশায় খেপেই উঠল কথাটা শুনে।

    না কেন বললি?

    সময় কোথা? সময় নাই। আর পিতিমে গড়াও–আমার দ্বারা হবে না আর।

    কেন? তাজ্জব হল ভরত। বলল, ওই দিয়েই তো তুই হাত পাকালি।

    কথাটা শুনে রাগ হল মহিমের। দিন কি মানুষের সমান যায় গো, না, মনটা চিরকাল একরকমই থাকে! আজ যা মানুষের মন ভোলায়, কাল আর তা ভাল লাগে না। কবে কোকালে ঠাকুর গড়তে ভাল লেগেছে, তাই বলে অ-আ-ক-খ কি মানুষের চিরকালই পড়তে ভাল লাগে। মহিম বেদনা বোধ করে, রুষ্ট হয় ভরতের উপর। ভরতের কাছে শিল্পবোধের কোনও মূল্য নেই। জবাব দিল না সে।

    ভরত বলল, ঠাকুরের মূর্তি তো তুই গড়িস, তবে পিতিমে গড়বি না কেন?

    মন চায় না?

    ভ্যালা রে তোর মন। প্রায় ধমকের মতো বলে উঠল ভরত। তা কেন চাইবে মন। এতে যে এট ঘরের সাচ্চয় হত। তা, তোর সইবে না।

    আচমকা আঘাতে কেমন আড়ষ্ট হয়ে গেল মহিম। কথাটা নির্মম সত্য, কিন্তু বেদনারও। আরও কয়েকদিন মহিমকে সোজাসুজি না হোক প্রকারান্তরে এরকম কথা বলেছে। সত্যই, মহিম এখন বড় হয়েছে, সংসারের ভার তাকেও খানিক বইতে হবে বইকী! চিরদিনই কিছু আর এমনি স্বপ্নছায়ার তলে জীবন কাটবে না। মহিমও তা জানে। জানে বলেই বেদনা তার এত বেশি। এ বেদনাবোধের জন্যও আছে কিছু বিক্ষোভ। বেদনাই বা কেন? কেমন করে দিন চলে, কবে আর সে খবর রেখেছে। কবে আর ভেবেছে, কোনও দিনেকের তরে জীবনটাকে চালিয়ে নিয়ে যেতে তাকেও আর দশটা মানুষেরই মতো বাস্তবের জীবনযুদ্ধের পথে শরিক হতে হবে। ভাবতে হবে, কত ধানে কত চাল, স্বপ্ন দিয়ে পেট মানে না! সে তো পরম নির্ভরশীল, পরের কাঁধে ভর করে আছে। আজ না হোক কাল—একদিন না একদিন মুখের কথা খসবেই, আর সেই খসাতে যদি মুখের গরাস খসার কারণ হয়ে ওঠে, সেদিনের ভাবনা কি নয়নপুরের খালের জলে খাবি খেয়ে ড়ুবেই যেতে হবে? তা তো হবে না।

    কিন্তু এ-ও আবার সত্য যে, ভরত বলে অনেক কথা, কিন্তু মহিমকে তার ভেতরের মনটার ছায়াতলে সে-ই তো রেখেছে ঘিরে। সাতে পাঁচে থেকেও সাতে পাচে না থাকার মতো মানুষ ভরত। মুখে অমন কত কথাই বলে সে। রাগের সময় রাগে, হাসির সময় হাসে। মনে যা আসে তাই বলে। আর না বললেই বা চলবে কেন? শত হলেও ছোটভাই তো! তা, সে সৎ হোক আর সহোদর হোক।

    কিন্তু এখন মহিমকে চুপ করে থাকতে দেখে ভরত বুঝল, কথাটা লেগেছে মহিমের। ছোঁড়ার লাগেও আবার বেশি। কী এমন কথাটা বলেছে সে যে একেবারে গুম মেরে যেতে হবে। অন্যায় কথা তো কিছু বলেনি সে। বাবুদের বাড়ির পিতিমে গড়লে, কোন্‌-না আজ পঞ্চাশটা টাকা আসত ঘরে। কিন্তু ভাইয়ের তার সেদিকে টান নেই মোটে। উদাসীন বড়। উদাসীন থাকলে চলবে কেন চিরকাল? জীবনটারে নিতে হবে তো গুছিয়ে গাছিয়ে। যা, হিসেবি মানুষ ভরত। সেধে লক্ষ্মী আসতে যদি চায় ঘরে, তা সে কষ্ট স্বীকার করেও আনতে হবে। তার মানে, ভাই তার আপনভোলা হোক, কিন্তু পয়সার বেলা আপনভোলাগিরি চলে নাকি? তখন নাকি চলে একটু চনমনে না হলে?

    বলল, রাগ করলি বুঝিন্‌?

    না।

    না কেন, রাগই তো করেছিস? কথাটা কিছু অন্যায্য বলছি বুঝি আমি? গুলা পঞ্চাশ টাকা তো—

    মহিম শান্তভাবেই বলে উঠল, বলব বাবুদের। কথা ফিরিয়ে নিতে আর কতক্ষণ।

    হ্যাঁ, কথা ফিরিয়ে নেবে না, ছাই করবে। বলে ফেলেছিস, চুকে গেছে। দেখা যাবে আবার বছর ঘুরলে। এরকম কথা বললেই আবার খটকা লাগে মহিমের। সে ঠিক বুঝতে উঠতে পারে না, কথাটা রাগের না অরাগের। বলল, তাতে কী হইছে, মান তো আর বয়ে যাবে না।

    ভরত বলে উঠল—যাবে না তো কি? মুখের কথার দাম নেই নাকি? বাবু বলে তো পীর নয় তারা।

    আশ্চর্য! লোকটা পাড়া ঘুরে ঝগড়া বিবাদ করে, ঠ্যাঙাঠেঙি করে, সদরে মামলা করতে ছোটে। বাড়িতে চেঁচায়, তম্বি করে, সে একরকম। বুঝতে কষ্ট হয় না। কিন্তু এ আবার কী? হঠাৎ মুখে একটা শব্দ করে থমকে দাঁড়িয়ে পড়ল ভরত। আমলো, এযে পশ্চিমপাড়ায় চলে আসছি।

    এসেছে মহিম। আর কথার ফাঁকে ভুলে তাকে অনুসরণ করে চলে এসেছে ভরত।

    তোর বউদি বোধ হয় আবার এতক্ষণ হা হুতোশ করছে, ফিরে চল তাড়াতাড়ি।

    পশ্চিমপাড়ার শেষ সীমানায় গোবিন্দের ঘর। বৈষ্ণবী বনলতাদের আখড়ার কাছাকাছি।

    মহিম বলল, এসেই পড়ছি যখন, একবার ঘুরে আসি গোবিন্দের কাছ থেকে।

    হ্যাঁ, তা না হলে আর পাগলের মেলা জমবে কেন? ভরত ধমকে উঠল, চল চল, সে আবার ভাত নিয়ে বসে আছে।

    গোবিন্দকেও ভরত পাগল মনে করে। যেমন পাগলা মনে করে বামুনদের গৌরাঙ্গসুন্দরকে, তেমনি। কারণ এসব লোক তথাকথিত পাগলের মতো গালাগালি দেওয়া অথবা হিংস্র প্রকৃতির আর দশটা পাগলের মতো নয়। এরা নায় খায় শোয় হাসে কথা বলে, তবু এদের নাগাল পাওয়া দায়। বহু দূর ফারাক যেন রয়েছে এদের সঙ্গে আর সাধারণ মানুষগুলোর সঙ্গে। সংসারের মধ্যে থেকেও এরা সংসার থেকে দূরে। ভরত বলে পাগল, কিন্তু ওদের পাগলামো সমীহ জাগায়, মানুষের দৈনন্দিন জীবনের নীচতায়-হীনতায় কলহে ঝগড়ায় ওরাই একমাত্র শান্তির ধ্বজাধারী। পাগল বলে, কিন্তু বিদ্বেষ, উপেক্ষা, অসামাজিকতার সুর নেই তাতে।

    তবু মহিম বলল, মোর পিত্যেশ করে বা বসে আছে গোবিন।

    তা বলে এত রাতে যেতেই লাগবে, এমন কি কিছু লেখাপড়া আছে নাকি? দ্যাখো দেকি কাণ্ড!

    বন্ধুত্ব বড় ভারী। দিনেকের তরে বাদ যায় না দুই বন্ধুর ক্ষণেকের মিলন। প্রতিদিনের দেখা, প্রতিদিনে নতুন করে আগ্রহ বেড়েই চলে, উদগ্রীব উদ্বেলতা, ব্যাকুল আবেগের সঙ্গে মিশে থাকে প্রতিদিনের মিলনের সময়টিতে। একে খানিকটা বলতে গেলে লোকচক্ষে বন্ধুত্বের বাড়াবাড়ি, ঈর্ষাকাতরও করে বইকী মানুষকে এ বন্ধুত্ব। বলতে ছাড়ে না লোকে যে, এটা খানিকটা নেড়ানেড়ির ভাবে ঢলাঢলি কাণ্ড। মনের মিলের হদিস সেই দেখন-চোখে এই দুজনে। তর্কবিতর্ক দৈনন্দিন, কাজেকর্মে আলাদা, অমিল যেন পর্বত সমান। তবু নিয়ত ছিলোম্মুখ সুতোটির কোনখানের গেরোটিতে যে এ শিল্পী আর সাধক বাঁধা—তা কেউ খুঁজে পায় না।

    আজ সত্যিই ব্যতিক্রম দেখা দিল, যে ব্যতিক্রমের সূত্রপাত আজ জমিদার বাড়ির ডাক করেছে। রাত্রি অনেক হয়েছে, তৎসঙ্গে অহল্যার কথাও মনে পড়ল মহিমের। সে ভরতের সঙ্গে ঘরের দিকেই চলল। কিন্তু অত্যন্ত অস্বস্তি নিয়ে।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleশ্রীমতি কাফে – সমরেশ বসু
    Next Article অকালবৃষ্টি – সমরেশ বসু

    Related Articles

    সমরেশ বসু

    প্রজাপতি – সমরেশ বসু

    December 2, 2025
    সমরেশ বসু

    গঙ্গা – সমরেশ বসু

    December 2, 2025
    সমরেশ বসু

    বিবর – সমরেশ বসু

    December 2, 2025
    সমরেশ বসু

    অকালবৃষ্টি – সমরেশ বসু

    December 2, 2025
    সমরেশ বসু

    শ্রীমতি কাফে – সমরেশ বসু

    December 1, 2025
    সমরেশ বসু

    সওদাগর – সমরেশ বসু

    December 1, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Our Picks

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }