Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    মাহতাব উদ্দিন : জীবন ও গান

    May 18, 2026

    পরমপুরুষ শ্রীশ্রীরামকৃষ্ণ ২ – অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত

    May 18, 2026

    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়ের প্রেমের গল্প – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    May 16, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    বাঙ্গালীর বীরত্ব – পাঁচকড়ি দে

    পাঁচকড়ি দে এক পাতা গল্প140 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    দ্বাত্রিংশ পরিচ্ছেদ – তদারক v

    দ্বাত্রিংশ পরিচ্ছেদ – তদারক

    এক প্রকাণ্ড বটবৃক্ষের বিস্তৃত ছায়ায় ফৌজদারী বৈঠক হইয়াছে। ধনুরাকারে বিন্যস্ত পাঁচখানি চৌকীতে জগন্নাথ বক্সী, বিশ্বনাথ ঘোষ, রাঘব সেন, গোবিন্দরাম নিয়োগী এবং হলধর ঘোষ উপবেশন করিয়াছেন; কিঞ্চিদ্দূরে অপর একখানি চৌকীতে দীর্ঘশ্মশ্রু ফতেউল্লা বসিয়াছে। একপার্শ্বে জমাদার চৌকীদার প্রভৃতি দারোগার অনুচরবর্গ এবং ভীম সর্দ্দার, টিকারাম ও পাঁচজন দাঁড়ী-মাঝী; অপর পার্শ্বে আটজন ফৌজদারী সিপাহী ও কয়েকজন চাপরাসী দাঁড়াইয়া আছে, সম্মুখে বিস্তর লোকের-জনতা হইয়াছে। সকলেই নীরব, কেহ কোন কথা কহিতেছে না।

    প্রথমে জগন্নাথ বক্‌সী সহাস্যবদনে বিশ্বনাথ ঘোষকে জিজ্ঞাসিলেন, “আপনার হস্তে পিস্তল কেন?”

    বিশ্বনাথ। আত্মরক্ষার জন্য, ইহা সর্ব্বদাই আমি নিকটে রাখিয়া থাকি।

    জগন্নাথ। আপনার ত ভারি ভয় দেখছি?

    বিশ্বনাথ ঘোষ ঈষদ্ধাস্য সহকারে উত্তর করিলেন, “আপনার অপেক্ষা বোধ হয়, বেশি নয়।”

    জগন্নাথ কিঞ্চিৎ অপ্রতিভ হইয়া বলিলেন, “সে যাহা হউক, এখন সকলেই ত উপস্থিত হইয়াছে, কার্য্য আরম্ভ করা যাউক না কেন? “

    বিশ্ব। হাঁ, আর বেলা বাড়াইবার প্রয়োজন কি?

    জগ। দারোগা সাহেব, তবে আসামীদের জবানবন্দী হোক।

    ফতেউল্লা পাঁচজন দাঁড়ী-মাঝীকে সামনে আনাইয়া গোবিন্দরামকে নির্দ্দেশ করিয়া জিজ্ঞাসা করিলেন, “ঐ বাবুকে তোরা সেদিন নৌকা করে নিয়ে গেছলি?”

    মাঝী উত্তর করিল, “আজ্ঞে হাঁ হুজুর।”

    দারোগা। বাবুর সঙ্গে আর কে ছিল?

    মাঝী। ঐ টিকারাম আর ভীম সর্দ্দার ছিল।

    দারোগা। আর কেউ ছিল না?

    মাঝী। হাঁ, আর একটি স্ত্রীলোক ছিল।

    দারোগা। সে স্ত্রীলোকটি বাবুর কে?

    মাঝী। তা মশাই, আমরা জানি না।

    দারোগা। আচ্ছা, বাবু কোথা যাচ্ছিলেন?

    মাঝী। বাবু বলেছিলেন, কলিকাতায় যাবেন।

    দারোগা। কলিকাতায় যাবেন বলেছিলেন, তা সেখানে যাওয়া হয় নাই?

    মাঝী। তা কৈ আর সেখানে যাওয়া হ’ল, হুজুর?

    দারোগা। কেন, যাওয়া হ’ল না কেন?

    মাঝী। কামারহাটি ছাড়িয়ে, ঘোলঘাটের কাছে আসবামাত্র বাবু বললেন, “ঐ যে একখান নৌকা দেখা যাচ্ছে, ঐখানাকে ধরগে যা।”

    ভীম সর্দ্দার অধর দংশন করিয়া সকোপে বলিয়া উঠিল, “শালারা ঠিক উল্টো বলছিস্, ধৰ্ম্ম পানে চেয়ে কথা ক।”

    দারোগা। তুই এখন চুপ কর, তার পর?

    মাঝী। তার পর, আমরা সেই নৌকাখানা ধরলাম। ভীম সর্দ্দার, টীকারাম আর বাবু সেই নৌকায় উঠে মারপিট আরম্ভ করলেন।

    টিকারাম। নেই নেই—ও বাত্‌ নেহি, হাম্ তো কুছ্ নেহি কিয়া, হাম্ ত দরিয়া মে গীর গিয়া থা।

    মাঝী। হাঁ, ও সেই হুড়াহুড়িতে জলে পড়ে গিয়েছিল বটে।

    দারোগা। তার পর?

    মাঝী। তার পর সেই নৌকার দুজন দাঁড়ী আর একজন চড়ন্দার জলে ঝাঁপ দিয়া পড়ল, তৎক্ষণাৎ একটা বন্দুকের আওয়াজ হ’ল, একটা দাঁড়ী নৌকার উপর পড়ে গেল, আর তার মুখ দিয়ে ভলকে ভলকে রক্ত উঠতে লাগল।

    দারোগা। আচ্ছা, বলে যাও।

    মাঝী। তারপর ঐ বাবু আর ঐ ভীম সর্দ্দার, সেই নৌকার মাঝী—এই ধৰ্ম্মদাসকে, বেঁধে ফেললেন, আর আমাদের বললেন, ‘তোদের নৌকাখানা এই নৌকার পাছায় বেঁধে নৌকা ফিরিয়ে নিয়ে শ্রীরামপুরে চল্।”

    দারোগা। তবে বাবুর আর কলিকাতায় যাওয়া হ’ল না?

    মাঝী। তা কৈ হ’ল হুজুর! বাবু আমাদের শ্রীরামপুরের থানার ঘাটে নৌকা লাগাতে বললেন। আমরা নৌকা ভিড়ালেম।

    দারোগা। তার পর?

    মাঝী। তারপর বাবু ধৰ্ম্মদাসকে আর ধনা মুচির সেই লাসটা থানায় দিয়ে এসে; আমাদের বৈদ্যবাটীর ঘাটে যেতে বললেন। আমরা সেইখানে গিয়ে নৌকা লাগালেম, আর বাবুর হুকুম মত এককুড়ি পাঁচটা রেসমের গাঁট, হাটের রাস্তায় তুলে দিলুম। তারপর বাবু আমাদের ভাড়া চুকিয়ে দিলেন, আমরা চলে গেলুম। যে নৌকা লুঠ হয়েছিল, সে নৌকাখানা এখনও আমাদের কাছে আছে।

    দারোগা। আচ্ছা, তোরা এখন ঐখানে বসগে যা। ভীম সর্দ্দার কার নাম?

    ভীম। আমার নাম

    জগন্নাথ। বেটা ভীমই বটে, ঐ বেটাই নিশ্চয় খুন করেছে।

    ভীম অধর দংশন করিয়া লৌহবদ্ধ হস্তদ্বয় জগন্নাথ বক্সীর দিকে বাড়াইয়া তৎক্ষণাৎ বলিল, “আর ঐ বেটা নিশ্চয় ঘুস খেয়েছে।”

    ভীমের মুখ হইতে ঘুসের কথা উচ্চারিত হইতে-না-হইতে ফতেউল্লা বজ্রমুষ্টিতে তাহার মুখে একটা ঘুসি মারিল; কৃতজ্ঞ ভীম ঘুসি খাইয়া চুপ করিয়া থাকিবার পাত্র নয়, সে তৎক্ষণাৎ লৌহ- জড়িত দুইটি হস্ত সজোরে মিঞাসাহেবের মস্তকে ন্যস্ত করিয়া তাহাকে আশীর্ব্বাদ করিল। তিন- চারিজন চৌকীদার দৌড়িয়া আসিয়া ফতেউল্লার মস্তকে আর্দ্রবস্ত্র বাঁধিয়া দিল এবং ভীম সদারকে ধরিয়া তাহার বদ্ধ হস্তদ্বয় শৃঙ্খল দ্বারা পদ যুগলের সহিত যোজিত করিয়া তাহাকে সেইখানে বসাইয়া রাখিল।

    জগন্নাথ। বেটা ভয়ানক বদমাস, ও যে সহজে কবুল করবে, তা বোধ হয় না।

    ভীম। ওরে পাজী ও ঘুসখোর, ‘কবুল করবে’ কিরে? কি দোষ করেছি? কি কবুল করবো?

    দারোগা। তুই খুন করিস নি?

    ভীম। না।

    দারোগা। তবে কে করেছে?

    ভীম। তুই কি জানিস্ নি?

    দারোগা। বেটা চালাকী পেয়েছে বটে? জমাদার-

    জমাদার। হাজির—

    দারোগা। বেটাকে বাঁদর-নাচ নাচাও।

    জমাদার “বল্ শালা, বল্, কবুল কর” বলিয়া ভীমের পৃষ্ঠে সজোরে বেত্রাঘাত করিল। ভীম কিছুমাত্র বিচলিত হইল না–অম্লানবদনে সেই দারুণ প্রহার সহ্য করিল। সুতরাং দারোগার বাঁদর নাচ্ দেখিবার সাধ মিটিল না। কিন্তু সে বেত্রাঘাত দেওয়ানের হৃদয়ে বাজিল। তিনি বলিয়া উঠিলেন, “আহা, উহাকে মারিতেছ কেন? আমি ত পূর্ব্বেই দারোগাকে বলিয়াছি যে, আমি খুন করিয়াছি।”

    দারোগা। চুপি চুপি আমার কাছে বলিলে ত চলিবে না, দশের কাছে কবুল করতে হবে।

    দেওয়ান। আমি প্রকাশ্যে বলিতেছি যে, আমি খুন করিয়াছি।

    দারোগা, হুগলীর ফৌজদারকে সম্বোধন করিয়া বলিলেন, “শুনিলেন ত।”

    জগ। হাঁ, সকলেই শুনিলাম, আর বামালও আমার সামনে ঐ বাবুর বাড়ী হইতে বাহির হইয়াছে। কেমন বিশ্বনাথ, সব শুনলে? দেওয়ানের অপরাধ সপ্রমাণ হতে আর কিছু বাকী রহিল কি?

    বিশ্ব। হাঁ, যথেষ্ট প্রমাণ পাওয়া গেছে।

    জগ। তবে এখন কি আর আমি দেওয়ানকে খোলসা রাখিতে পারি?

    “ওঁর হাতে হাতকড়ি দিতে চান? তা অবশ্য, আপনার কর্ত্তব্য আপনি অবশ্য করিবেন, কিন্তু এই সময়ে একটু সাবধান হওয়া আবশ্যক, দেওয়ানজী বড়লোক, ওঁর অনেক লোকজনও এখানে উপস্থিত আছে, এই সময়ে একটা দাঙ্গা-হাঙ্গাম হইবার বিলক্ষণ সম্ভাবনা।” ইহা বলিয়া বিশ্বনাথ ঘোষ করস্থ পিস্তল বাড়াইয়া ধরিয়া, সম্মুখের লোকদিগকে সরিয়া যাইতে বলিয়া একটি ফাঁকা আওয়াজ করিলেন, তৎক্ষণাৎ অপরদিক হইতে আর একটি বন্দুকের আওয়াজ হইল এবং বারজন সিপাহী হাবিলদারসহ তথায় আসিয়া শ্রেণীবদ্ধ হইয়া দাঁড়াইল। তখন তিনি করস্থ পিস্তল ঊরুদেশে ন্যস্ত করিয়া, দক্ষিণহস্ত প্রসারণপূর্ব্বক বলিলেন, “কৈ হাতকড়ী কাহার কাছে? আমায় দাও।”

    দারোগা। আপনার তকলিফ্ স্বীকার করিবার দরকার কি? জমাদার, এই নাও, ঐ আসামীর হাতে পরাইয়া দাও।

    বিশ্ব। একটু অপেক্ষা কর, আমি সেন মহাশয়কে একটা কথা জিজ্ঞাসা করিব।

    রাঘব। আজ্ঞে করুন।

    বিশ্বনাথ ঘোষ অঙ্গরাখার অভ্যন্তর হইতে একখানি কাগজ (জুলিয়ার এজেহার) বাহির করিয়া দেখিতে দেখিতে রাঘব সেনকে জিজ্ঞাসা করিলেন, ‘পরশ্ব রাত্রি এক প্রহরের পর কেহ আপনার গুদামের চাবি চাহিতে আসিয়াছিল?”

    রাঘব। কৈ না।

    বিশ্ব। আপনি বেশ করিয়া স্মরণ করিয়া দেখুন।

    রা। কৈ আমার ত কিছুই স্মরণ হইতেছে না।

    বিশ্ব। আচ্ছা, আমি আপনাকে স্মরণ করাইয়া দিতেছি। যখন সেই লোকটি চাবি চাহিতে আসে, তখন আপনি বাইজী জুলিয়ার সহিত কথা কহিতেছিলেন?

    রা। জুলিয়া ত পরশ্ব প্রাতে আমার এখান হইতে বিদায় হইয়া গিয়াছে।

    বিশ্ব। না, না, জুলিয়াকে তখন আপনি বিদায় দেন নাই, তাঁহার সম্প্রদায়ভুক্ত অপরাপর ব্যক্তিদিগকে পৃথিবী হইতে বিদায় করিয়াছিলেন।

    রা। আপনার কথার মর্ম্ম আমি ভাল বুঝিতে পারিতেছি না।

    বিশ্ব। ক্রমশঃ পারিবেন। জুলিয়ার গহনার বাক্‌স কোথায় রাখিয়াছেন?

    রা। তুমি দেওয়ানের আত্মীয়, তুমি যখন এখানে আসিয়াছ—তখনই বুঝিয়াছি, একটা গোলমাল উপস্থিত করিবে। মনে করিও না, উল্টা দাবী দিয়া তুমি আমার কিছু করিতে পারিবে। তোমার মত বিস্তর ফৌজদার আমি দেখিয়াছি, চালাকী অন্যস্থানে করিও, এখানে নয়।

    বিশ্ব। আপনার সহিত চালাকী করা কি আমার খাটে? কিন্তু আমি বেশ প্রমাণ পাইয়াছি যে, আপনার একটা ভয়ানক ডাকাতের দল আছে; চতুর্থীর রজনীতে সেই দল, এই বৃদ্ধ হলধর ঘোষের বাড়ীতে ডাকাতী করিয়াছে; আর অষ্টমীর রাত্রিতে দেওয়ানের বাড়ী হইতে কম-বেশ দশহাজার টাকার গহনা বাক্‌স সমেত চুরি করিয়া আনিয়াছে, আর তুমি নিজে জুলিয়ার সম্প্রদায়- ভুক্ত চারিজন মুসলমানকে হত্যা করিয়া তাহার সমস্ত অলঙ্কার আত্মসাৎ করিয়াছ। তোমার ঠাকুর-দালানের নীচে একটা অন্ধকারময় প্রকাণ্ড ঘর আছে, সেই ঘরে জুলিয়ার ও দেওয়ানের গহনার বাক্স লুকাইয়া রাখিয়াছ, আর একটা টাকা লাসও সেই ঘরে পোতা আছে।

    রা। আপনি স্বপ্ন দেখিতেছেন নাকি? যাহা মনে আসিতেছে, তাহাই বলিয়া যাইতেছেন যে।

    বিশ্ব। আমি স্বপ্ন দেখিতেছি? না—তুমি জাগিয়া ঘুমাইতেছ? আচ্ছা, তোমার ঘুম আমি এখনি ভাঙ্গাইয়া দিতেছি—চাপরাসী, সেই স্ত্রীলোকটিকে আর ক্ষুদেকে এইখানে ডাকিয়া আন।

    অনতিকাল মধ্যে চাপরাসীসহ কজ্জলা ও ক্ষুদে আসিয়া উপস্থিত হইল।

    বিশ্বনাথ, জগন্নাথ বক্সীকে সম্বোধন করিয়া বলিলেন, “এই সেই প্রেতিনী—গত রাত্রে যাহাকে দেখিয়া আপনি ভয় পাইয়াছিলেন; এই সেই প্রেতিনী—যে আমাকে প্রেতলোকে লইয়া গিয়াছিল এবং সেই নরক-নিবাসী প্রেতাত্মাদিগের ভয়ঙ্কর রহস্য-কথা ও রহস্যব্যাপার সকল বুঝাইয়া দিয়াছিল; এই সেই প্রেতিনী—যে নর্তকী জুলিয়ার প্রাণরক্ষা করিয়াছিল। যান, ইহার সহিত যান, স্বচক্ষে সেই ভয়ানক স্থান—পুণ্যশ্লোক রাঘব সেনের সেই কীর্তিমন্দির দেখিয়া আসুন।

    জগ। তুমি যখন দেখিয়াছ, তখন আমারই দেখা হইয়াছে।

    বিশ্ব। না, না, তাকি হতে পারে? এ যে আপনার এলাকা; আপনি তথায় নিজে যাইয়া দেওয়ানের ও জুলিয়ার গহনার বাক্‌স বাহির করিয়া আনুন। আপনার চারিজন ও আমার চারিজন বরকন্দাজ আপনার সঙ্গে যাউক।

    হুগলীর ফৌজদার আটজন সিপাহী সঙ্গে লইয়া, কজ্জলা প্রদর্শিত পথে প্রস্থান করিলে বিশ্বনাথ ঘোষ ক্ষুদেকে সম্মুখে ডাকিয়া বলিলেন, “দেখ, সব প্রকাশ হইয়া পড়িয়াছে, গোপন করা এখন বৃথা তোমাকে যাহা জিজ্ঞাসা করিব, যদি তাহার যথার্থ উত্তর দাও, তাহা হইলে তোমার সাজা অনেক কম হইতে পারিবে—এমন কি তোমায় ছাড়িয়া দিলেও দিতে পারি।”

    ক্ষু। আমি কি জানি, মশাই?

    বিশ্ব। তুমি যা জান, তাই আমি তোমায় জিজ্ঞাসা করিব। বল দেখি, পরশ্ব রাত্রি এক প্রহরের পর, তুমি রাঘব সেনের কাছে রেসমের গুদামের চাবি চাহিতে গিয়াছিলে কি না?

    ক্ষু। আজ্ঞে—(নীরব

    বিশ্ব। ভয় কি? বল না।

    ক্ষু। আজ্ঞা, বলব আর কি?

    বিশ্ব। তুমি সে চাবি লইয়া কি করিলে?

    ক্ষু। পঁচিশ গাঁইট রেসম নিয়ে চাবিটা কৰ্ত্তাকে দিলাম।

    বিশ্ব। তুমি সে রেসম লইয়া কি করিলে?

    ক্ষু। দেওয়ানের গোলাবাড়ীর খড়ের মাচার নীচে লুকাইয়া রাখিলাম।

    “আচ্ছা তুমি ঐখানে বস,” বলিয়া বিশ্বনাথ ক্ষুদের জবানবন্দী লিপিবদ্ধ করিতে লাগিলেন। এই অবসরে সেই অসংখ্য দর্শকমণ্ডলীর মধ্য হইতে একজন বৈরাগী রাঘব সেনের নিকটে যাইয়া বলিল, “সব ত প্রকাশ হইয়া পড়িল, আর উপায় নাই, চারিদিকে সশস্ত্র সিপাহীদল তোমায় ঘেরিয়া আছে; এখন তোমার আজন্মার্জ্জিত মহাপাতক সকল স্মরণ করিয়া হৃদয়ের সহিত অনুতাপ কর। হৃদয়ের সহিত একবার ‘পাপোহহং পাপকৰ্ম্মাহং’ বলিয়া দীনভাবে সেই দীন- দয়াময়ের অনুকম্পা প্রার্থনা কর।”

    “তুইও আমায় পরিত্যাগ করলি!” মৃদুস্বরে এই কথা বলিয়া রাঘব সেন মস্তক অবনত করিল।

    বিশ্বনাথ, বৈরাগীকে সম্বোধন করিয়া বলিলেন, “কে তুমি? এদিকে এস।”

    বৈরাগী তাঁহার নিকট যাইয়া বলিল, “আমি রতন শর্ম্মা।”

    বিশ্বনাথ। রতন শৰ্ম্মা।

    রত্না। আমি সেই রত্নাপাখী—যাহার ভয়ে তিন জেলার লোক রাত্রে নিদ্রা যাইত না।

    নাম শুনিয়া ফৌজদার শিহরিয়া উঠিলেন।

    রত্না পুনর্ব্বার বলিল, “আমিই হলধর ঘোষ ও গোবিন্দরামের বাড়ীতে ডাকাতী করিয়াছি। আমি ইচ্ছাপূর্ব্বক ধরা দিতেছি, আমায় গ্রেপ্তার কর। অদ্য হইতে হুগলী, যশোহর ও চব্বিশ পরগণা নিষ্কণ্টক হইল।”

    এই সময়ে হুগলীর ফৌজদার, দুইটি বাক্‌স লইয়া কজ্জলাসহ তথায় উপস্থিত হইলেন। বিশ্বনাথ তাহাকে জুলিয়ার এজেহার ও ক্ষুদের জবানবন্দী পড়িয়া শুনাইয়া বলিলেন, “ এক্ষণে আপনার যাহা কর্ত্তব্য হয় করুন—রাঘব সেনকে আমি কলিকাতায় চালান দিব। জুলিয়া— ফরিয়াদী, রাঘব সেন—আসামী।”

    জগন্নাথ। দেওয়ান যে সম্পূর্ণ নিৰ্দ্দোষী, তাহাতে আর আমার কিছুমাত্র সন্দেহ নাই। আমি এক্ষণে ধৰ্ম্মাযুগী, ক্ষুদে আর হরি ঠাকুরকে হুগলীতে লইয়া যাইব।

    “আর প্রধান ডাকাত রত্নাপাখীকে ছাড়িয়া যাইবেন?” হুগলীর ফৌজদারকে এই কথা বলিয়া বিশ্বনাথ কজ্জলার দিকে ফিরিয়া, রত্নাকে নির্দ্দেশ করিয়া জিজ্ঞাসিলেন, “তুমি ইহাকে চিন? “

    কজ্জলা। ওঁকে আর আমি চিনি না?

    রত্না। আমি ওর ঘরে আগুন দিয়াছিলাম, ও আর আমায় চেনে না?

    কজ্জলা। উনি হরিপালের রামেশ্বর ভট্টচার্য্যির ছেলে, ভাট-পাড়ার বিদ্যানিধির পোড়ো, সুপাত্র দেখে হরিহর শিরোমণি ওঁকে কন্যাদান করেন, উনি সেই বিবাহ করে গিয়েছিলেন, আর কখনও স্ত্রীর মুখ দেখেন নি—তারপর এই রাঘব সেনের দলে মিশেছেন।

    রত্না। কজ্জলা, তুই মানবী—না দেবী! তুই এ সকল কথা কেমন করে জানলি? কজ্জলা উত্তর করিল না।

    বিশ্বনাথ জগন্নাথকে বলিলেন, “এই সেই বিখ্যাত ডাকাইত—রত্নাপাখী।”

    জগন্নাথ। একে দেখে ত ডাকাত বলে বোধ হয় না।

    কজ্জলা লঘুস্বরে বিশ্বনাথকে কি বলিল, বিশ্বনাথ চমকিয়া উঠিয়া তাহার মুখের দিকে একবার তাকাইলেন, তাহার পর জগন্নাথ বক্সীকে বলিলেন, “রতন স্বেচ্ছাপূর্ব্বক এখানে উপস্থিত হইয়া সমস্ত কবুল করিয়াছে, আর এই রমণী, যাহার সাহায্যে এই জটিল মামলার গূঢ়-রহস্য সকল প্রকাশিত হইয়াছে, উহার মুক্তি ভিক্ষা করিতেছে, অতএব আমি উহাকে খালাস দিবার জন্য আপনাকে অনুরোধ করি। উহাকে ছাড়িয়া দিলে যদি উপরওয়ালারা কৈফিয়ৎ চায়, সে কৈফিয়ৎ-আমি দিব। “

    জগন্নাথ। তোমার অনুরোধ আমায় অবশ্যই রক্ষা করিতে হইবে।

    রত্না। কজ্জলা, আমি তোর ঘরে আগুন দিয়াছিলাম—আর তুই আজ আমার জীবন-ভিক্ষা চাচ্ছিস! তুই মানবী—না দেবী?

    কজ্জলা উত্তর করিল না।

    বিশ্বনাথ ঘোষ দেওয়ানকে সম্বোধন করিয়া বলিলেন, “তোমার বাক্‌সটি তুমি বাছিয়া লও।” দেওয়ান নিজ সম্পত্তি গ্রহণ করিলেন, তিনি অপর বাক্সটি একজন চাপরাসীর হস্তে দিয়া বলিলেন, “এই বাক্‌স সাবধানে রাখিবে।” তৎপরে হাবিলদারকে ডাকিয়া বলিলেন, “এই বাক্‌স মধ্যে অনেক টাকার গহনা আছে, খুব হুঁসিয়ার থাকিবে, এখন ঐ সেনবাবুকে গ্রেপ্তার করিয়া কলিকাতায় যাইবার উদ্যোগ কর।” (দেওয়ানের প্রতি) “আর দেওয়ান, তোমাকেও একটা কথা বলি, এই অসামান্য গুণবতী রমণীর সাহায্যেই তুমি এই ঘোর বিপদ হইতে মুক্তিলাভ করিলে এবং তোমার অপহৃত অলঙ্কারও পুনঃপ্রাপ্ত হইলে, অতএব ইনি যাহাতে যাবজ্জীবন সুখ-স্বচ্ছন্দে থাকেন, তাহার উপায় করিয়া দিও, আর তোমার এই পরাজিত শত্রু রতনশর্ম্মা এক্ষণে তোমার কৃপার পাত্র, ইহাকেও দেখিও।”

    সেই দিবস বেলা তৃতীয় প্রহরের সময় ফৌজদারদ্বয় আসামীদিগকে লইয়া স্ব স্ব স্থানে প্রস্থান করিলেন। হলধর ঘোষ, ভীম-সদার, টিকারাম, দেওয়ানজী, রতনশর্ম্মা ও কজ্জলা রত্নপুরাভিমুখে যাত্রা করিলেন।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleপাঁচকড়ি দে রচনাবলী ৬ (ষষ্ঠ খণ্ড)
    Next Article মনোরমা – পাঁচকড়ি দে

    Related Articles

    পাঁচকড়ি দে

    নীলবসনা সুন্দরী – পাঁচকড়ি দে

    September 10, 2025
    পাঁচকড়ি দে

    মায়াবিনী – পাঁচকড়ি দে

    September 10, 2025
    পাঁচকড়ি দে

    হত্যাকারী কে – পাঁচকড়ি দে

    September 10, 2025
    পাঁচকড়ি দে

    গোবিন্দরাম – পাঁচকড়ি দে

    September 10, 2025
    পাঁচকড়ি দে

    মায়াবী – পাঁচকড়ি দে

    September 10, 2025
    পাঁচকড়ি দে

    হত্যা-রহস্য – পাঁচকড়ি দে

    September 10, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    अनीश दास
    मौलाना शाह वलीउल्लाह
    रेवरेंड के. के. जी. सरकार
    অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিজ্ঞান রায়চৌধুরী
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমরেন্দ্র চক্রবর্তী
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অরিন্দম দেবনাথ
    অর্পিতা সরকার
    অশোককুমার মিত্র
    অসম্পূর্ণ বই
    আখতারুজ্জামান ইলিয়াস
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    কৌশিক সামন্ত
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোপেন্দ্র বসু
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যজ্যোতি মজুমদার
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণু শর্মা
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহতাব উদ্দিন
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    রেভারেণ্ড কে. কে. জি. সরকার
    লীলা মজুমদার
    লেইল লোনডেস
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শঙ্কর চ্যাটার্জী
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শাক্যজিৎ ভট্টাচাৰ্য্য
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্যামল গঙ্গোপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সন্দীপন চট্টোপাধ্যায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সম্পাদনা : শৈলেন্দ্র হালদার
    সরদার ফজলুল করিম
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সায়ন্তনী পূততুন্ড
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৈয়দ মুস্তাফা সিরাজ
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্মরণজিৎ চক্রবর্তী
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মাহতাব উদ্দিন : জীবন ও গান

    May 18, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মাহতাব উদ্দিন : জীবন ও গান

    May 18, 2026
    Our Picks

    মাহতাব উদ্দিন : জীবন ও গান

    May 18, 2026

    পরমপুরুষ শ্রীশ্রীরামকৃষ্ণ ২ – অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত

    May 18, 2026

    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়ের প্রেমের গল্প – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    May 16, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }