Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    মাহতাব উদ্দিন : জীবন ও গান

    May 18, 2026

    পরমপুরুষ শ্রীশ্রীরামকৃষ্ণ ২ – অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত

    May 18, 2026

    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়ের প্রেমের গল্প – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    May 16, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    বাঙ্গালীর বীরত্ব – পাঁচকড়ি দে

    পাঁচকড়ি দে এক পাতা গল্প140 Mins Read0
    ⤶

    ত্রয়স্ত্রিংশ পরিচ্ছেদ – বিজয়া

    ত্রয়স্ত্রিংশ পরিচ্ছেদ – বিজয়া

    টিকারামের বড়ই স্ফূর্ত্তি, সে গোঁপে চাড়া দিয়া ছাতি ফুলাইয়া ডাউল রুটির ধ্যান করিতে করিতে সকলের অগ্রে অগ্রে চলিয়াছে। সম্মুখে কুকুর দেখিলে দৌড়িয়া গিয়া তাড়া করিতেছে, বৃষভ বা গাভী দেখিলে লাঠীর গুঁতা মারিতেছে। দেওয়ানজী হর্ষোৎফুল্ল-নয়নে শ্বশুর মহাশয়ের সহিত কথোপকথন করিতে করিতে যাইতেছেন—বৃদ্ধের মুখে আজ হাসি দেখা দিয়াছে। প্রভুর জয়লাভ হইয়াছে—ভীমের আর আনন্দের সীমা নাই, সেই উৎফুল্ল মনে তাঁহার পশ্চাৎ পশ্চাৎ হেলিয়া দুলিয়া চলিয়াছে, সে একরকম নৃত্য বলিলেও চলে। নিরানন্দ কেবল রতনশর্ম্মা—তাহার পাপভারাক্রান্ত হৃদয় অনুতাপে দগ্ধ হইতেছে, সে এখন উদ্দেশ্যহীন, উদ্যমহীন—কলের পুতুলের ন্যায় গমন করিতেছে।

    কজ্জলার মনস্কামনা পূর্ণ হইয়াছে—ব্রতফল লব্ধ হইয়াছে—সঙ্কল্প সিদ্ধ হইয়াছে—তথাচ তাহার মলিন মুখমণ্ডলে অন্তরের অসহ্য যন্ত্রণা বিকাশ পাইতেছে। রত্নাকে ম্রিয়মাণ দেখিয়া তাহার হৃদয় বিদীর্ণ হইয়া যাইতেছে—রবি রাহুগ্রস্ত হইলে পৃথিবীর কি আর সে প্রফুল্লভাব থাকে? কজ্জলা, রত্নার দুঃখে দারুণ দুঃখিনী।

    এইভাবে গ্রাম অতিক্রম করিয়া তাঁহারা সকলে মাঠে আসিয়া পড়িলেন, দেখিলেন—অনন্ত হরিৎ-সাগর মৃদুসমীরে তরঙ্গিত হইতেছে—এ শোভা পৃথিবীর আর কোন দেশে দেখিতে পাইবে না। শরতে জগজ্জননী বঙ্গদেশে অন্নপূর্ণারূপে মূর্ত্তিমতী—তাই বঙ্গদেশে বিশ্বমাতার শারদীয়া মহাপূজা। এ মহাপূজা পৃথিবীর আর কোন দেশে হয় না—এ হৃদয়োন্মত্তকর মহোৎসব আর কোন দেশে দেখা যায় না।

    মাঠের উপর দিয়া একটি প্রশস্ত কাঁচা রাস্তা চলিয়া গিয়াছে। এই রাস্তা ধরিয়া আমাদের যাত্রিগণ প্রকৃতির অপূৰ্ব্ব শোভা দেখিতে দেখিতে চলিলেন এবং ক্রমে পূর্ব্ববর্ণিত সেই তালপুকুরের ধারে আসিয়া উপস্থিত হইলেন। পুষ্করিণীর উত্তরদিক দিয়া রাস্তাটি বাঁকিয়া গিয়াছে, যাঁহারা অগ্রে যাইতেছিলেন, তাঁহারা সেই বঙ্কিম-পন্থায় ঘুরিয়া গেল, কজ্জলা অবসর পাইয়া, রত্নাকে সম্মোধন করিয়া বলিল, “একটু আস্তে যাও, তোমার সহিত অনেক কথা আছে।”

    রত্না। কি?

    কজ্জলা। তুমি এখন কোথা যাবে?

    রত্না। হাল ছাড়িয়া দিলে নৌকা যেমন স্রোতে ভাসিয়া যায়, আমার অবস্থা এখন ঠিক সেইরূপ। আমার এখন আর কোন উদ্দেশ্য নাই— চেষ্টাও নাই;কি করিব জানি না, কোথা যাইব জানি না, কোথা গেলে, কি করিলে আমার এ নিদারুণ হৃদয়জ্বালা জুড়াইবে জানি না—কজ্জলা, আমি অনেক পাপ করিয়াছি—আমার মনের ভিতরে যেন ভীমরুলের চাক হইয়াছে—যন্ত্রণা আর আমার সহ্য হয় না, এইবার আমি পাগল হইব। দয়াময়! না, না, আমি কোন্ মুখে তাঁর দয়া প্রার্থনা করিব। এ পাপমুখে তাঁর পবিত্র নাম গ্রহণ করিতে আমার সাহস হয় না—আমার পাপের কি প্রায়শ্চিত্ত আছে!

    কজ্জলা। তুমি যদি এমন হ’লে, তবে আমার দশা কি হবে?

    রতন ফ্যাল্ ফ্যাল্ করিয়া ক্ষণেক কজ্জলার মুখপানে চাহিয়া রহিল, তাহার পর বলিল, “কজ্জলা তুই আজ এমন কথা আমায় বলি কেন?”

    কজ্জলা। স্বামী পাগল হ’লে, স্ত্রীর দশা কি হয়, তা কি তুমি জান না?

    রত্না। তুই কি আমার স্ত্রী?

    কজ্জলা। আমি হরিহর শিরোমণির কন্যা—তোমার জন্যই সৰ্ব্বত্যাগিনী।

    রত্না। অ্যাঃ—অ্যাঃ, আহা! কেন তুমি আমার জন্য এত ক্লেশ—এত কষ্ট স্বীকার করেছ? আমি তোমার অযোগ্য স্বামী—আমি পিশাচ—তুমি দেবী।

    কজ্জলা। স্বামী যত কেন দোষী হউন না, তবু তিনি স্ত্রীর দেবতা। যে স্বামীর সেবা করতে না পেলে, স্বামীকে সন্তুষ্ট করতে যে না পারলে, তার জীবনই বৃথা। চল, এখন হরিপালে চল—না হয়, আমার বাপের বাড়ীতে চল।

    রত্না। কজ্জলা, লোকালয়ে আর আমি মুখ দেখাইব না, সংসার আমার আর ভাল লাগিবে না। স্বর্গেও আমার সুখ নাই—আমার মনে নরক—স্বর্গও এখন আমার পক্ষে নরক।

    কজ্জলা। তুমি অত হতাশ হচ্ছ কেন? দীনভাবে দয়াময়ীর শরণাপন্ন হও, তিনি প্রসন্ন হ’লে আবার তোমার মনে শান্তি আসিবে।

    রত্না। আমি তাহাই করিব, কুপুত্র যদি হয়, কুমাতা কখনও নয়। যতদিন বাঁচিব, মায়ের চরণতলে পড়িয়া কাঁদিব, তাঁর নিকট ক্ষমা প্রার্থনা করিব, তাঁর কৃপা প্রার্থনা করিব—কজ্জলা, তুমি ঘরে যাও—আমি আর দেশে থাকিব না।

    কজ্জলা। আমায় ছাড়িয়া কোথা যাইবে? যখন তোমায় প্রসন্ন করতে পেরেছি, তখন আর ত তোমায় ছাড়িব না। তুমি যেখানে যাইবে, আমিও সেইখানে যাইব। তুমি মায়ের চরণতলে পড়িয়া কাঁদিবে—আমি ভিক্ষা করিয়া আনিব। তোমার সেবা করিয়া এ জীবন কাটাইব।

    রত্না। কলা, আমার জন্য তুমি কেন এত ক্লেশ স্বীকার করিবে, আমি তোমায় ত একদিনের জন্যও সুখী করি নাই।

    কজ্জলা। আমার কাজ আমি করিব; তোমার সেবা করাতেই আমার সুখ, তোমায় ছাড়িয়া সে সুখে আমি বঞ্চিত হইব কেন?

    রত্না। বুঝিলাম, আজিও যে হিন্দুজাতি বিদ্যমান আছে, সে কেবল হিন্দু মহিলাদিগের ধৰ্ম্মবলে। কজ্জলা, তুমি কি আমার সহিত গ্রীষ্মের প্রচণ্ড-রৌদ্রে, শীতের নিদারুণ হিমে এবং বর্ষার অবিশ্রান্ত ধারায় বনে বনে, পৰ্ব্বতে পৰ্ব্বতে ভ্রমণ করিতে পারিবে? তত কষ্ট তোমার কি সহ্য হইবে?

    কজ্জলা। তোমার মুখ দেখে আমি সকল দুঃখ, সকল যন্ত্রণা ভুলে থাকব।

    রত্না। তবে এস, আমরা অন্যত্রে গমন করি, আর উহাদের সহিত যাইবার প্রয়োজন কি? কজ্জলা। আমায় একবার দেওয়ানের স্ত্রীর সহিত দেখা করতে হবে।

    রত্না। আচ্ছা, তুমি এস, আমি এইখানে তোমার অপেক্ষায় রহিলাম।

    “দেখিও, আর অধর্ম্ম করিও না, আর আমায় পরিত্যাগ করিও না। আমি না আসিলে এখান হইতে যাইও না,” বলিয়া কজ্জলা দ্রুত যাইয়া অগ্রবর্ত্তী যাত্রীদিগের সহিত মিলিত হইল।

    দেওয়ান তাহাকে দেখিয়া জিজ্ঞাসিলেন, “ঠাকুরটি কোথায় রহিলেন?”

    কজ্জলা। তিনি আসিলেন না, কোথা চলিয়া গেলেন।

    দেওয়ান। তিনি যে আসিবেন না, তাহা তাঁহার ভাবগতিক দেখিয়া অনেকক্ষণ বুঝিয়াছি। এখন তোমার আমি কি করিব বল। তোমা হইতেই আমার ধন মান সকলই রক্ষা হইয়াছে, এখন তোমাকে সুখী করা আমার সর্ব্বতোভাবে কর্ত্তব্য—তোমার কি চাই বল

    কজ্জলা হাসিয়া বলিল, “আমি যাহা চাহিব, তাহা তুমি আমায় দিবে?”

    দেও। অবশ্য দিব।

    কজ্জলা। আমি ঐ গহনার বাক্সটি চাই।

    দেও। খালি বাক্সটি?

    কজ্জলা। এই ত, এখনই ঢোক গিলিতেছ—

    দেওয়ান কিঞ্চিৎ অপ্রতিভ হইয়া বলিলেন, “না, না, আমি জিজ্ঞাসা করিতেছিলাম, গহনা সমেত বাক্সটি চাই কি?”

    কলা। তা না ত কি? খালি বাক্স কে চায়?

    হলধর। উনি তামাসা করিতেছেন।

    দেওয়ান কজ্জলার মুখপানে চাহিলে, কজ্জলা গম্ভীরভাবে বলিল, “যদি দিতে কষ্ট বোধ কর চাহি না। তুমি আমার যে উপকার করিয়াছ, তাহাই যথেষ্ট। আমি তোমার সামান্য মানরক্ষা করিয়াছি, তুমি আমার প্রাণ রক্ষা করিয়াছ, তোমার ঋণ আমি কখনই পরিশোধ করিতে পারিব না।”

    দেওয়ান কি ভাবিয়া ভীমকে ডাকিয়া বলিলেন, “ঐ বাক্সটা এঁকে এখনই দাও।”

    ভীম বিষণ্ণবদনে বাক্সটি কোমর হইতে খুলিয়া কজ্জলার হস্তে দিল। কজ্জলা বাক্স লইয়া দেওয়ানকে আশীর্ব্বাদ করিয়া সকলকে পশ্চাতে রাখিয়া দ্রুতপদে চলিয়া গেল। যাত্রিগণ কেহ ক্রুদ্ধ, কেহ দুঃখিত, কেহ বা বিরক্তভাবে নীরবে গমন করিতে লাগিলেন—”হরিষে বিষাদ”।

    এদিকে কজ্জলা প্রাণপণে দ্রুত চলিয়া রত্নপুরে আসিয়া উপস্থিত হইল। রত্নপুর অতি ক্ষুদ্র গ্রাম, তথায় ভদ্রলোকের বসতি অতি বিরল – কাহারও বাটীতে দুর্গোৎসব হয় নাই—গ্ৰাম্য লোকেরা গ্রামান্তরে প্রতিমা বিসর্জ্জন দেখিতে গিয়াছে—গ্রাম নিস্তব্ধ—গোবিন্দরামের বাটীও নিস্তব্ধ। পুরীর নিভৃত দেশে দেওয়ানের সহধর্ম্মিণী একাকিনী বসিয়া নীরবে রোদন করিতেছেন— কে যেন বিষাদের প্রতিমা গড়িয়া হেথায় রাখিয়া গিয়াছে। দূরে “দাদা গো, দিদি গো, প্রতিমাকে কোথা রেখে এলি গো” এই বিষাদজনক বাজনা বাজিতেছে। সূর্য্য অস্ত গমন করিয়াছে—সমস্ত প্রকৃতি যেন বিষাদসাগরে নিমগ্ন হইতেছে।

    এমন সময়ে “এই যে মা আমার এখানে বসে,” বলিয়া কজ্জলা আসিয়া বিনোদিনীর সম্মুখে দাঁড়াইল। তাহাকে দেখিয়া বিনোদিনী আরও আবেগ সহকারে কাঁদিতে লাগিলেন।

    “না মা, আর কেঁদ না, মা দুর্গা তোমার প্রতি প্রসন্ন হয়েছেন, দেওয়ানজী বাড়ী আসিতেছেন, আর ভাবনা কি? এই নাও গহনা পর।”

    এই বলিয়া কজ্জলা গহনার বাক্সটি তাঁহার সম্মুখে রাখিয়া দিল।

    বিনোদিনী বিস্মিত হইয়া একবার তাহার মুখপানে চাহিয়া পরক্ষণেই তাহার পায়ে ধরিয়া কাঁদিতে কাঁদিতে বলিলেন, “মা সত্য করে বল, তুমি কে।”

    এমন সময়ে সেই দাসীটা আসিয়া জুটিল, ব্যাপার কি বুঝিতে না পারিয়া হতভম্বের মত দাঁড়াইয়া রহিল।

    কজ্জলা। আমি কাঙ্গালিনী, এখন চাবিটা নিয়ে এস, তোমায় সাজাইয়া একবার চক্ষু সার্থক করি। এমন সময়ে পাড়ার দুইটি ছোট মেয়ে আসিয়া অবাক হইয়া মজা দেখিতে লাগিল—নিমাই ও ছুটিয়া আসিয়া সে-ও অবাক।

    বিনোদিনী। থাক্ মা, এখন থাক্

    “না, তা হবে না, এখনি গিয়া চাবি আন,” বলিয়া কজ্জলা তাহার হাত ধরিয়া বলপর্ব্বক উঠাইয়া দিল।

    বিনোদিনী গৃহ হইতে চাবি আনিয়া কজ্জলার কাছে বসিয়া বলিলেন, “তুমি গহনা পরাইয়া দিলে, আমার অপরাধ নিও না মা, আমায় সত্য করিয়া বল, তুমি কে? আমি বেশ বুঝিতে পারিতেছি, তুমি ঠাকুরাণী।”

    “না, আমি কাঙ্গালিনী,” বলিয়া সে বিনোদিনীকে হাত ধরিয়া চৌকীর উপর বসাইয়া নিজে তাহাকে গহনা পরাইতে লাগিল এবং সেই অবসরে আপনার পরিচয় দিতে লাগিল—কত কত কথায় কত কাঁদাইল।

    পরিচয় শুনিয়া বিনোদিনী তাহার প্রতি অধিকতর আকর্ষিত হইলেন, বলিলেন, “পূর্ব্বে সাবিত্রীর কথা শুনিয়াছিলাম, আজ সেই সাবিত্রীকে স্বচক্ষে দেখিলাম।”

    অলঙ্কারবিন্যাস সমাপ্ত হইলে কজ্জলা তথা হইতে গমন করিল এবং স্বামীসহ মিলিত হইয়া কোথায় চলিয়া গেল। রাঘব ও তাহার অনুচরবর্গের কি হইল, তাহা আমরা জানি না।

    সমাপ্ত

    ⤶
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleপাঁচকড়ি দে রচনাবলী ৬ (ষষ্ঠ খণ্ড)
    Next Article মনোরমা – পাঁচকড়ি দে

    Related Articles

    পাঁচকড়ি দে

    নীলবসনা সুন্দরী – পাঁচকড়ি দে

    September 10, 2025
    পাঁচকড়ি দে

    মায়াবিনী – পাঁচকড়ি দে

    September 10, 2025
    পাঁচকড়ি দে

    হত্যাকারী কে – পাঁচকড়ি দে

    September 10, 2025
    পাঁচকড়ি দে

    গোবিন্দরাম – পাঁচকড়ি দে

    September 10, 2025
    পাঁচকড়ি দে

    মায়াবী – পাঁচকড়ি দে

    September 10, 2025
    পাঁচকড়ি দে

    হত্যা-রহস্য – পাঁচকড়ি দে

    September 10, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    अनीश दास
    मौलाना शाह वलीउल्लाह
    रेवरेंड के. के. जी. सरकार
    অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিজ্ঞান রায়চৌধুরী
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমরেন্দ্র চক্রবর্তী
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অরিন্দম দেবনাথ
    অর্পিতা সরকার
    অশোককুমার মিত্র
    অসম্পূর্ণ বই
    আখতারুজ্জামান ইলিয়াস
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    কৌশিক সামন্ত
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোপেন্দ্র বসু
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যজ্যোতি মজুমদার
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণু শর্মা
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহতাব উদ্দিন
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    রেভারেণ্ড কে. কে. জি. সরকার
    লীলা মজুমদার
    লেইল লোনডেস
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শঙ্কর চ্যাটার্জী
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শাক্যজিৎ ভট্টাচাৰ্য্য
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্যামল গঙ্গোপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সন্দীপন চট্টোপাধ্যায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সম্পাদনা : শৈলেন্দ্র হালদার
    সরদার ফজলুল করিম
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সায়ন্তনী পূততুন্ড
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৈয়দ মুস্তাফা সিরাজ
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্মরণজিৎ চক্রবর্তী
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মাহতাব উদ্দিন : জীবন ও গান

    May 18, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মাহতাব উদ্দিন : জীবন ও গান

    May 18, 2026
    Our Picks

    মাহতাব উদ্দিন : জীবন ও গান

    May 18, 2026

    পরমপুরুষ শ্রীশ্রীরামকৃষ্ণ ২ – অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত

    May 18, 2026

    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়ের প্রেমের গল্প – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    May 16, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }