Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    মাহতাব উদ্দিন : জীবন ও গান

    May 18, 2026

    পরমপুরুষ শ্রীশ্রীরামকৃষ্ণ ২ – অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত

    May 18, 2026

    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়ের প্রেমের গল্প – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    May 16, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    বাঙ্গালীর বীরত্ব – পাঁচকড়ি দে

    পাঁচকড়ি দে এক পাতা গল্প140 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    অষ্টম পরিচ্ছেদ – রাঘব সেনের বাটী

    অষ্টম পরিচ্ছেদ – রাঘব সেনের বাটী

    পাঠক, পাখীর বাগানে রাঘব সেনকে একদিন দেখিয়াছেন। তিনি একজন অতিবড় সম্ভ্রান্ত জমিদার ছিলেন। তাঁহার অগাধ বিষয়, বিপুল ঐশ্বর্য্য ও অসীম ক্ষমতা। হুগলী জেলায় তত বড় লোক তৎকালে ছিল না। রাঘব সেন দাতা, ভৰ্ত্তা, ক্রিয়াবান। সকল তীর্থস্থানেই তাঁহার দেবালয়, সকল প্রসিদ্ধ শহরেই তাঁহার কুঠী ও কারখানা ছিল। তিনি গঙ্গাপুর গ্রামে বাস করিতেন। তিনি যাঁহার সহিত একবার আলাপ করিতেন, সে ইহজীবনে তাঁহাকে আর ভুলিতে পারিত না। তাঁহার সহাস্য বাক্য-প্রণালীর এমনি আশ্চর্য্য মোহিনী শক্তি ছিল যে, সে মোহন মন্ত্রে মুগ্ধ হয় নাই, তৎকালে এমন সাহেব, সুবা ও সম্ভ্রান্ত লোক অল্পই দেখা যাইত।

    তিনি প্রতিদিন প্রত্যূষে গঙ্গাস্নান যাইবার সময়ে গ্রাম প্রদক্ষিণ করিতেন, ও প্রত্যেক পল্লির প্রত্যেক বাটীর কুশল সংবাদ লইয়া নিরন্নের অন্ন, পীড়িতের চিকিৎসা ও বিপন্নের উদ্ধারোপায় করিয়া দিতেন। তাঁহার বদান্যতা ও অমায়িকতায় গঙ্গাপুরের সমস্ত লোকই তাঁহার অনুগত ও বশীভূত হইয়াছিল। তাঁহার অনুমতি না লইয়া গ্রামে কোন কাৰ্য্যই হইত না, এবং তাঁহার মতের বিরুদ্ধে কোন কার্য্য করিতে কেহ সাহস করিত না।

    রাঘব সেনের প্রকাণ্ড অট্টালিকা। সেরূপ বৃহৎ অট্টালিকা তৎকালে প্রায় দেখা যাইত না; অট্টালিকার সম্মুখে ফুল-বাগান, ফটক ও নহবৎখানা। রাত্রি একপ্রহর অতীত হইয়াছে, পঞ্চমীর চন্দ্ৰ অস্ত গিয়াছে, নহবৎখানায় হলা মুচি রৌসন-চৌকিতে কানেড়া আলাপ করিতেছে।

    বাগানের দিকে পুরীর দ্বিতীয়তলে সুপ্রশস্ত নাচঘর উজ্জ্বলতর আলোকমালায় প্রভাসিত ও পুষ্পহারে সুশোভিত হইয়াছে। তথায় দুগ্ধফেননিভ সুকোমল আসনে শত শত সম্ভ্রান্ত লোক সুখে সমাসীন রহিয়াছেন। রজত ও সুবর্ণ নির্ম্মিত আলবোলার সুগন্ধি খাম্বিরা ধূমিত ও গোলাপজল মুহুর্মুহুঃ সিঞ্চিত হইতেছে। ঘন ঘন তাম্বুল ও আতরদান হস্ত হইতে হস্তান্তরে ফিরিতেছে এবং পরমরূপবতী প্রখ্যাতনামা জুলিয়া বাইজী কোকিল-বিনিন্দিত স্বর-লহরীতে শ্রোতৃবর্গকে বিমোহিত করিতেছে। এই সভায় জনাই নিবাসী দেওয়ান জগন্মোহন মুখোপাধ্যায় ও কুমারটুলি নিবাসী নিধুবাবু উপস্থিত ছিলেন। আমরা যে সময়ের কথা বলিতেছি, সে সময়ে এই দুইজন মাননীয় ব্যক্তি বড়ই মলিসী ও সমজদার লোক বলিয়া প্রসিদ্ধ ছিলেন। ইঁহারা যে মজলিসে উপস্থিত না থাকিতেন, সে মজলিস, মলিস বলিয়াই পরিগণিত হইত না। রাঘব সেন কখন হাসিতেছেন, কখন করযোড় করিতেছেন, কাহার হাত ধরিয়া বসাইতেছেন, কাহাকে স্বহস্তে ব্যজন করিতেছেন, কাহাকেও বা তাম্বুল ও তোড়া দিতেছেন, কাহারও গাত্রে গোলাপজল ছিটাইতেছেন, সংক্ষেপতঃ তিনি সকলকেই যথাযোগ্য সম্মান করিয়া, সকলের সহিত সমান আদর সম্ভাষণ করিয়া ঘুরিয়া বেড়াইতেছেন। গান শুনিবার অবসর তাঁহার নাই, গানও তাঁহার ভাল লাগিতেছিল না। তাঁহার মন বিষয়ান্তরে নিবিষ্ট ছিল। কিন্তু তাঁহার কার্য্য ও বচন-প্রণালীতে কাহার সাধ্য তাঁহার হৃদয়ের বিপরীত ভাব অনুভব করে? পাঠক, বোধ হয়, জিজ্ঞাসা করিবেন, এ সময়ে রাঘব সেনের বাড়ীতে এ উৎসব কিসের? পূজার এখনও যে দুইদিন বিলম্ব আছে, তবে এ মহাসমারোহের কারণ কি?

    রাঘব সেনের বাটীতে শারদীয়োৎসবোপলক্ষে অতিশয় জাঁকজমক হইত। পূজার একপক্ষ পূর্ব্বে বোধন বসিত এবং সেইদিন হইতে বিজয়া দশমী পৰ্য্যন্ত অবিশ্রান্ত নানাপ্রকার আমোদ- প্রমোদ ও নাচ-তামাসা চলিত। বিশেষতঃ প্রতিবৎসর পঞ্চমীর দিনে তাঁহার জন্মতিথি উপলক্ষে বিশেষ সমারোহ হইত। আজি সেই উপলক্ষে সকলেই আমোদ-আহ্লাদ করিতেছেন। সকলেই প্রফুল্ল, কিন্তু রাঘব সেনের এরূপ চিত্ত-চাঞ্চল্যের কারণ কি? সকলেই দেখিতেছেন, তিনি হাসিতেছেন, আমোদ-আহ্লাদ করিতেছেন, কিন্তু সেই সকল আমোদ-আহ্লাদ বস্তুতঃ তাঁহার হৃদয়ে কিছুমাত্র স্থান পাইতেছিল না। রত্নার কি হইল? সমস্ত দিন গেল, এত রাত্রি হইল, এখনও সে আসিল না কেন? রত্না মারা পড়ে, তাহাতে দুঃখ নাই, পাছে সে ধরা পড়ে, ইহাই তাঁহার ভয়।

    জুলিয়া দেওয়ান জগন্মোহনের অনুরোধে একটি বাঙ্গালা টপ্পা ধরিল। টপ্পাটি সেই মজলিসে উপস্থিত নিধুবাবু বাঁধিয়াছিলেন। একে সুপ্রসিদ্ধ নিধুবাবুর টপ্পা, তাহাতে অদ্বিতীয়া গায়িকা জুলিয়া সেই টপ্পা গান করিতে লাগিল, আসর আগুন হইয়া উঠিল। কবিহৃদয়ে অনির্ব্বচনীয় আনন্দের উদয় হইল। বহুদীপসমুজ্জ্বল, বহুলোকসমাকীর্ণ আসরে বসিয়া নিধুবাবু, সে সময়ে যে কি আনন্দ অনুভব করিয়াছিলেন, তাহা সাধারণের উপভোগ্য নহে।

    গায়িকা গাইল;

    “দুখ দিলে বলে কি প্রেম ত্যজিব?
    দুঃখ, সুখ জ্ঞান করি যতনে তায় তুষিব।
    না থাকে তাহার মন,
    করিবে না আলাপন
    তবু সে বিধুবদন দূরে থেকে দেখিব।”

    যদিও গায়িকা, রাত্রি দ্বিতীয় প্রহরে, বেহাগের সময়ে ভৈরবী গাইয়াছিল, তথাপি সেই গীতের হৃদয়গ্রাহী কবিত্বে ও গায়িকার অপূর্ব্ব রূপলাবণ্য, মনোহর ভাব-ভঙ্গি ও নববসন্তপ্রেরিত কোকিলঝঙ্কারবৎ চমৎকার স্বর- লালিত্যে শ্রোতৃবর্গ এতদূর বিমুগ্ধ হইয়াছিলেন যে, তখন কেহই সে দোষ অনুভব করিতে পারেন নাই। সকলেই বাহ্যজ্ঞানশূন্য হইয়া চিত্রিত পুত্তলির ন্যায় বসিয়াছিলেন। জুলিয়া এইরূপ যাদুগিরী করিতেছে, সকলে মন্ত্রমুগ্ধের ন্যায় তাহার মুখপানে একদৃষ্টে চাহিয়া আছে, এমন সময়ে একজন দ্বারবান্ নৃত্যশালার অন্যতর দ্বারে আসিয়া দাঁড়াইল। তাহার প্রতি রাঘব সেনের দৃষ্টি পড়িলে, সে প্রণাম করিয়া বলিল, “হুজুর, ভট্টাচার্য্য মহাশয় নীচে দাঁড়াইয়া আছেন।”

    এই কথা শুনিবামাত্র রাঘব সেন, তাঁহার পুত্র সতীশচন্দ্রের উপর অভ্যাগতদিগের পরিচর্য্যার ভারার্পণ করিয়া দ্বারবানের সহিত প্রস্থান করিলেন।

    তিনি নিম্নতলে আসিয়া দেখিলেন, রত্নাপাখী দাঁড়াইয়া আছে। তিনি দ্বারবানকে যথাস্থানে যাইতে বলিয়া রত্নার হাত ধরিয়া ঠাকুর দালানে উঠিলেন। দালানে একটিমাত্র প্রদীপ জ্বলিতেছিল। এবং সম্মুখে দশভূজা-মূৰ্ত্তি অস্পষ্ট দেখা যাইতেছিল। তাঁহারা দালানের পার্শ্ববর্তী একটি গৃহের দ্বারে উপনীত হইয়া সেই দ্বার উদ্ঘাটনপূর্ব্বক গৃহমধ্যে প্রবেশ করিলেন এবং ভিতর হইতে দ্বাররুদ্ধ করিয়া দিলেন।

    গৃহমধ্যে প্রগাঢ় অন্ধকার, আলোকের লেশমাত্র নাই, হাতড়াইয়া হাতড়াইয়া দুইজনে আর একটি দ্বারের নিকট পৌঁছিলেন। রাঘব সেন সেই দ্বারের চাবি খুলিলেন এবং এক অতি সংকীর্ণ সোপান দ্বারা অবতরণপূর্ব্বক এক প্রশস্ত গৃহমধ্যে আসিয়া উপস্থিত হইলেন। সেই রসাতলস্থ গৃহে নিরন্তর এক গম্ভীর শব্দ স্বতঃ উৎপন্ন হইতেছিল এবং তাহার বিবর্ণ প্রাচীরে ঢাল, করবাল, টাঙ্গী, খাঁড়া, তীর, ধনু প্রভৃতি বিবিধ বধাস্ত্র সকল স্তরে স্তরে ঝুলিতেছিল; গৃহের এক পার্শ্বে হাপর, হাতুড়ী, মূচী, সাঁড়াশী প্রভৃতি স্বর্ণকারের যন্ত্র ও অপরপার্শ্বে কতকগুলো মোটা মোটা মশাল ও তৈলভাণ্ড পড়িয়াছিল। প্রদীপের ক্ষীণালোকে দেখা যাইতেছিল—গৃহের প্রান্তভাগে শবের মত কি যেন একটা পড়িয়া রহিয়াছে এবং তাহার পার্শ্বে একটা বিকটাকার মূর্ত্তি নিশ্চলভাবে বসিয়া আছে। এই অপ্রীতিকর স্থানে রাঘব সেন রত্নাপাখীকে জিজ্ঞাসিলেন, “কি গো ঠাকুর-মহাশয়, ব্যাপারখানা কি? আজ সমস্ত দিন কোথা থাকা হয়েছিল—সমস্ত দিনে একবারও দর্শন পেলেম না, কারণটা কি?”

    রতন অপ্রসন্ন বদনে মৌনাবলম্বন করিয়া রহিল, কোন উত্তর দিল না।

    ঠাকুর মহাশয় বলিয়াছি বলিয়াই বা রতন রাগ করিল, এই ভাবিয়া, রাঘব সেন কিঞ্চিৎ অপ্রতিভ হইয়া পুনরপি বলিলেন, “কেন রতন, আজ তোর এমন বিমর্ষ ভাব কেন?”

    রত্না। না, আমি আর এ কাজ করব না, এ কাজে লাভ কি? সুখ কি?

    রাঘব। লাভ টাকা—টাকা হলে সুখের অভাব কি?

    রত্না। টাকায় তোমার সুখ হতে পারে, আমার সুখ টাকায় হবে না, টাকা আমি ঢের রোজকার করেছি, কিন্তু একদিনের তরে আমি সুখী হতে পারি নাই। নিশ্চয় এ কাজে কোন সুখ নাই।

    রাঘব সেন উচ্চ হাসিয়া বলিলেন, “তুই ত ভারি নির্ব্বোধ দেখছি, এ কাজে যদি সুখ না থাকবে, তবে এ কাজ করব কেন? আর তোকেই বা করতে বলব কেন? বোধ হচ্ছে, তোর আজ সমস্ত দিন খাওয়া হয়নি; আয়, আগে খাবি আয়, এইখানেই তোর খাবার প্রস্তুত করে রেখেছি, আগে ঠান্ডা হ, তারপর তোর সঙ্গে কথাবার্তা; তোর যা হয়েছে, তা সব আমি বুঝেছি।”

    এই বলিয়া রাঘব সেন, রতনের হস্তধারণ পূর্ব্বক প্রদীপের নিকট লইয়া আসিলেন এবং তথায় তাহাকে বসাইয়া নানাবিধ খাদ্যদ্রব্য তাহার নিকটে, ধরিয়া দিলেন। সম্মুখে বিবিধ প্রকার লোভনীয় সামগ্রী দেখিয়া রতনের বদনমণ্ডল অপেক্ষাকৃত প্রসন্ন হইল; রতন দ্বিরুক্তি না করিয়া আহারে বসিয়া গেল এবং গোগ্রাসে দুই-তিন সের লুচি-মণ্ডার ঘাড় ভাঙ্গিয়া এক হাঁড়ি ক্ষীর খাইয়া আচমন করিয়া বসিল।

    রতন যখন জলযোগ করে, রাঘব সেন সেই অবসরে স্বহস্তে একছিলিম গাঁজা প্রস্তুত করিয়া রাখিয়াছিলেন। ভোজন সমাপ্ত হইলে দুই-চারিখানি সুপারী ও সেই গাঁজা ছিলিমটি তাহার হস্তে প্রদান করিলেন। ত্বরিতানন্দ প্রাপ্ত হইয়া রতন শর্মার পরমানন্দ উপজিল, সে হস্তে যেন স্বর্গ পাইল, সব ভুলিয়া গেল এবং হৃদয় ভরিয়া ধূমপান করিয়া প্রসাদী কলিকাটি সেনজীকে দিল, তখন দুইজনে পার্শ্বাপার্শ্বি বসিলেন; পুনর্ব্বার কাজের কথা চলিল।

    প্রথমেই ঠাকুর মহাশয় কথা পাড়িল। সে বলিল, “সেন মহাশয়, আপনি বলছিলেন—আমার যা হয়েছে, সব বুঝতে পেরেছেন; আচ্ছা বলুন দেখি, আমার কি হয়েছে।”

    রত্নাপাখী যখন এই কথা জিজ্ঞাসা করিল, তখন কজ্জলার তীব্র তিরস্কার ও কঠোর ব্যবহার তাহার স্মৃতিপথে আরূঢ় হইয়াছিল, সে ভাবিতেছিল, “কর্তা কি কলার কথা জানিতে পারিয়াছেন?”

    রাঘব সেন উত্তর করিলেন, “আরে ভূত, তাই যদি না বুঝতে পারব, তবে তোদের উপরে সর্দ্দারী করছি কেমন করে?”

    রত্না। আচ্ছা বলুন না কেন, কি বুঝেছেন

    রাঘব। বাপু, কার্য্যে নিষ্ফল ও দর্পচূর্ণ হলে কাহার চিত্ত প্রকৃতিস্থ থাকে? তোমার যে সম্প্রতি এই দশা ঘটেছে, তা কি আমার জানতে বাকী আছে।

    রতন মনে মনে শিহরিয়া উঠিল। ভাবিল, “কর্তা এ সকল কথা কেমন করে জানিতে পারিলেন? আমার যে অভীষ্টসিদ্ধ হয় নাই, কজ্জলা যে আমার দর্পচূর্ণ করিয়াছে, এ কথা কৰ্ত্তা কেমন করিয়া জানিতে পারিলেন?”

    কিন্তু রাঘব সেন যখন বলিলেন, “বাপু, বৃদ্ধের কথা না শুনলে, এইরূপই ঘটে থাকে, তখনই বলেছিলাম, গোবিন্দরাম সহজ লোক নয়,” তখন রতনের চৈতন্য হইল—তখন তাহার বিরহ ছুটিয়া পলাইল। গাঁজার ধূমের সহিত তাহার ক্রোধানল প্রকাশ পাইল, তাহার দুই চক্ষু করঞ্জের ন্যায় রক্তবর্ণ হইল।

    রতন তখন রুক্ষভাবে বলিল, “আপনি গোবিন্দরামকে কি মনে করেন?”

    রাঘব। আমি তাকে যাই কেন মনে করি না, কিন্তু তুই তার কি করতে পেরেছিস? তুই যে তার দশহাজার টাকা মেরে আনতে গেলি, সে দশহাজার টাকা কৈ? কৈ? মাধা কৈ? ঝোড়ো কোথা? রতন কোন উত্তর করিল না, কেবল কট্‌ট্ করিয়া একদৃষ্টে রাঘবের মুখপানে চাহিয়া রহিল। রাঘব সেন তাহাকে মৌনী দেখিয়া পুনরপি বলিলেন, “কিরে কথা কচ্ছিস না যে, চুপ করে রৈলি যে?”

    রত্না। হুঁ।

    রা। কিরে?

    রত্না। তুমি চুপ কর।

    রা। চুপ করব কি? তুই ঝোড়োর লাস্টা সেখানে কি বলে ফেলে এলি, বল দেখি। তোর যত সাহস, যত বিক্রম, তা বুঝা গেছে, তুই আর মুখ নেড়ে কথা কসনে?

    রত্না। এখনও বলছি, চুপ কর।

    রা। কি! তোর এত বড় স্পর্দ্ধা; আমায় তুই চোখরাঙ্গিয়ে কথা কোস্?

    রত্না। কেন, তুই কি? রাঘব সেন—আমি তোকে তৃণজ্ঞান করি। কি বলব, তুই বুড়া হয়েছিস, কি বলব, তোর অনেক নিমক খেয়েছি—

    রা। (বাধা দিয়া) তা না হলে তুই আমায় মারতিস্ নাকি? বামুন, কি বলব, তুই অবধ্য ব্রাক্ষ্ম, তা না হলে এই বুড়ার বিক্রম আজ একবার দেখতিস।

    গৃহের প্রান্তভাগে যে বিকটাকার মূর্তি নিশ্চলভাবে বসিয়াছিল, সেই মূর্ত্তি এক্ষণে অগ্রসর হইল। সে মূৰ্ত্তি পাঠকের পরিচিত, সেই হাতকাটা কালা ডাকাইত। সে আসিয়া বামহস্তে রতনের পদদ্বয় জড়াইয়া ধরিল।

    রত্না। ছেড়ে দে, ছেড়ে দে—

    কালা। ঠাকুর, ঠান্ডা হও, তুমি রাগ করলে কাহারও নিস্তার নাই; কর্তা দুকথা বলেছেন বলে কি, এতই রাগ করতে হয়? দোষ-ঘাট হলে মা বাপে বকে না ত কি অপরে দুকথা বলতে আসে?

    রত্না। আমার দোষ কি?

    রাঘব। তোর সহস্র দোষ, তুই আমার কথা শুনলিনি কেন?

    রত্না। আমি পারি কি না, তোমায় দেখাব, রতন শর্ম্মার একখানা হাড় থাকতে, গোবিন্দরামের নিস্তার নাই।

    রাঘব। ঢের হয়েছে, আর কথায় কাজ নাই, তোর উপরে নির্ভর করে নিশ্চিন্ত থাকলেই প্রতুল হয়েছিল আর কি!

    কালা। সে কথা যথার্থ, কর্তার বুদ্ধিবলেই আমরা এ যাত্রা বেঁচে গেছি। উনি আমাদের পিছু পিছু না গেলে নিশ্চয়ই সৰ্ব্বনাশ হ’ত। উনি সন্ন্যাসী সেজে নানা কৌশলে আমাদের বাঁচিয়েছেন। ঠাকুর খামাখা, রাগ করে কি আত্মবিচ্ছেদ করতে আছে; এখন বস।

    রত্না। না, আমি আর বসব না।

    রাঘব। নে বস, এখন কোথা যাবি?

    রত্না। না, আমার মনটা খারাপ হয়েছে, আমি এখন যাই।

    রাঘব। আরে না—না, আয় গান শুনবি আয়। দেখ কালা, ঐখানে একটা গর্ত খোঁড়া আছে, জানিস্?

    কালা প্রকাশ্যে বলিল, “আজ্ঞা, আপনি যান।” পরে মনে মনে বলিল, “যেমন কৰ্ম্ম তেমনি —হিন্দু হইলেও মাধার গোর হইল। আমার অদৃষ্টেই বা কি আছে, কে বলিতে পারে?”

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleপাঁচকড়ি দে রচনাবলী ৬ (ষষ্ঠ খণ্ড)
    Next Article মনোরমা – পাঁচকড়ি দে

    Related Articles

    পাঁচকড়ি দে

    নীলবসনা সুন্দরী – পাঁচকড়ি দে

    September 10, 2025
    পাঁচকড়ি দে

    মায়াবিনী – পাঁচকড়ি দে

    September 10, 2025
    পাঁচকড়ি দে

    হত্যাকারী কে – পাঁচকড়ি দে

    September 10, 2025
    পাঁচকড়ি দে

    গোবিন্দরাম – পাঁচকড়ি দে

    September 10, 2025
    পাঁচকড়ি দে

    মায়াবী – পাঁচকড়ি দে

    September 10, 2025
    পাঁচকড়ি দে

    হত্যা-রহস্য – পাঁচকড়ি দে

    September 10, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    अनीश दास
    मौलाना शाह वलीउल्लाह
    रेवरेंड के. के. जी. सरकार
    অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিজ্ঞান রায়চৌধুরী
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমরেন্দ্র চক্রবর্তী
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অরিন্দম দেবনাথ
    অর্পিতা সরকার
    অশোককুমার মিত্র
    অসম্পূর্ণ বই
    আখতারুজ্জামান ইলিয়াস
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    কৌশিক সামন্ত
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোপেন্দ্র বসু
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যজ্যোতি মজুমদার
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণু শর্মা
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহতাব উদ্দিন
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    রেভারেণ্ড কে. কে. জি. সরকার
    লীলা মজুমদার
    লেইল লোনডেস
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শঙ্কর চ্যাটার্জী
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শাক্যজিৎ ভট্টাচাৰ্য্য
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্যামল গঙ্গোপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সন্দীপন চট্টোপাধ্যায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সম্পাদনা : শৈলেন্দ্র হালদার
    সরদার ফজলুল করিম
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সায়ন্তনী পূততুন্ড
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৈয়দ মুস্তাফা সিরাজ
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্মরণজিৎ চক্রবর্তী
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মাহতাব উদ্দিন : জীবন ও গান

    May 18, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মাহতাব উদ্দিন : জীবন ও গান

    May 18, 2026
    Our Picks

    মাহতাব উদ্দিন : জীবন ও গান

    May 18, 2026

    পরমপুরুষ শ্রীশ্রীরামকৃষ্ণ ২ – অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত

    May 18, 2026

    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়ের প্রেমের গল্প – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    May 16, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }