Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    মানবজমিন – শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়

    August 7, 2026

    কড়িখেলা – সঙ্গীতা বন্দ্যোপাধ্যায়

    August 7, 2026

    নীললোহিতের চোখের সামনে – নীললোহিত (সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়)

    August 7, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    ভালোবাসা নাও, হারিয়ে যেও না – নীললোহিত (সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়)

    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায় এক পাতা গল্প123 Mins Read0
    ⤷

    ভালোবাসা নাও, হারিয়ে যেও না – ১

    ১

    একদিন সকালবেলা বাজার করে ফিরছি, দেখি যে গলির মোড়ের মিষ্টির দোকানের কাছটায় একটি ছেলে ডুকরে ডুকরে কাঁদছে। ছেলেটির বয়েস চোদ্দ–পনেরো হবে, ধ্যারেঙ্গা মতন গড়ন, কালো হাফ–প্যান্ট আর ময়লা গেঞ্জি পরা, খুব সম্ভবত কোনো বাড়ির চাকর। ইদানিং যাদের বলে ‘কাজের লোক’।

    কান্নার আওয়াজ নানা রকম হয়। দুঃখ ও বিষাদের যেমন অনেক রকম স্তর আছে। সে যাই হোক, ছেলেটির কান্নার মধ্যে ফুটে উঠছিল গভীর অভিমান।

    চোদ্দ–পনেরো বছরের ছেলেরা চেঁচিয়ে কাঁদে না। ঐ বয়েসে আত্মসম্মান বোধ প্রখর হতে শুরু করে, দুঃখ–টুঃখগুলো সব গোপন হয়ে যায়, বাইরের পৃথিবী সম্পর্কে একটা বেপরোয়া, তেজি ভাব জাগে।

    ছেলেটির কণ্ঠস্বর গোল মতন, নিটোল। তার কান্নার আন্তরিকতায় আমার বুকে একটা ধাক্কা লাগে। আমি থমকে দাঁড়ালুম।

    ফুটো ঘটি থেকে গড়িয়ে পড়া জলের মতন আজকাল কলকাতার সব বাজারই আশপাশের রাস্তা ও গলিগুলিতে ছড়িয়ে থাকে। আমাদের বাজারের এই পেছনের গলিটায় দু’পাশেও নানা রকম আনাজপত্তরের সওদা নিয়ে ছেলেমেয়ে বুড়োবুড়িরা বসে। সেই সব দোকানে কেনাকাটি চলছে, লোকজন যাচ্ছে আসছে, কেউ গ্রাহ্যই করছে না ঐ ছেলেটির কান্না। কেউ একটা প্রশ্নও করছে না। শুধু একটি বুড়ি ডিমওয়ালি খানিকটা অসহায় ভাবে বসে আছে।

    তা হলে ছেলেটির কান্না কারুকে শোনাবার জন্য নয়। শুধু যদি নিজেরই জন্য হয় তা হলে একটা নিভৃত জায়গা খুঁজে নেয়নি কেন?

    আমি বুড়ি ডিমওয়ালিকে জিজ্ঞেস করলুম, কী হয়েছে ওর?

    একজন কথা বলার লোক পেয়ে বুড়ি যেন বাঁচল। সে তড়বড় করে বলল, দ্যাখো তো বাবা, আমি কী করব? ও ছেলেটা একটা কুড়ি টাকার নোট আমায় দেখিয়েছিল সে কথা ঠিক। আমি কেন মিছে কথা বলব বলো? তারপর ঐ দোকানদার বলছে সে কথা মানি না। তা এখন আমি কী করি? আমার কথা যদি না শোনে—

    ডিমওয়ালি বুড়ির বয়েস অন্তত সত্তর তো হবেই। কথা বলার ধরনটি বেশ মিষ্টি এবং স্পষ্ট। আমি এর কাছ থেকে কোনো দিন ডিম কিনিনি, আগে কখনো দেখেছি কিনা তাও খেয়াল নেই। তার কথা শুনে ঘটনাটা ঠিক বোঝা গেল না।

    আমি ছেলেটির দিকে ফিরতেই সে কান্না আদ্ধেকটা থামিয়ে বলল, আমি এখন কী করে বাড়ি যাব? আমাকে মারবে। আমাকে তাড়িয়ে দেবে। আমি কোনো দোষ করিনি—

    জিজ্ঞেস করলুম, কী হয়েছে?

    ঘটনাটা এই: ছেলেটি কোনো বাড়ির চাকর ঠিকই। সে কুড়ি টাকার একটা নোট নিয়ে বাজার করতে এসেছিল। প্রথমে সে ডিমওয়ালির কাছ থেকে ছ’টা ডিম নেয়। ডিমওয়ালি জানায় যে তার কাছে কুড়ি টাকার ভাঙানি নেই, সকাল থেকে তার বিক্রি হয়েছে মাত্র সাড়ে চার টাকা। তখন ছেলেটি তাকে বলে যে, বাজার করে ফেরার পথে সে দাম দিয়ে যাবে। এর পরে ছেলেটি যায় বাজারের গেটের দোকানে পাশেই এক স্টেশনারি দোকানে। সেখানে সে এক প্যাকেট বিস্কুট কেনে দু’টাকা পঁচাত্তর পয়সা দিয়ে। দোকানটিতে বেশ ভিড় ছিল। সেই দোকানদার অন্যান্য খদ্দেরদের সামলাতে সামলাতে এই ছেলেটিকে ফেরৎ দেয় শুধু দু’টাকা পঁচিশ। ছেলেটি জিজ্ঞেস করে, আর টাকা? দোকানদার বলে, আবার কিসের টাকা? তুই তো পাঁচটাকার নোট দিয়েছিস!

    একজন প্রতিষ্ঠিত দোকানদার বনাম একটি চোদ্দ–পনেরো বছরের বাড়ির চাকর। এখানে কার কথা বিশ্বাসযোগ্য? ছেলেটি খানিকটা চ্যাঁচামেচি করেছিল, দোকানদার তাকে ভাগিয়ে দিয়েছে। অন্য খদ্দেররা মাথা ঘামায়নি। ছেলেটির একমাত্র সাক্ষী ঐ বুড়ি ডিমওয়ালি। এসব ক্ষেত্রে কেউ সাক্ষী দিতেও চায় না। কিন্তু ঐ বুড়ি উঠে গিয়ে বলেছিল, দ্যাখো বাবা, আমি অন্য কিছু জানি না। তবে এই ছেলেটা আমায় একটা কুড়ি টাকার নোট দেখিয়েছিল বটে। আমার ডিমেরও দাম বাকি আছে সেই জন্য। দোকানদার এই সাক্ষ্য অগ্রাহ্য করছে।

    বাজারের অন্য কেনাকাটি দূরে থাক, ছেলেটি এখন ডিমের দামও শোধ করতে পারবে না। তার মনিব ও মনিবানী ‘আচ্ছা যা হয়েছে তো হয়েছে, ও নিয়ে মাথা ঘামাতে হবে না, এই নে আর একটা কুড়ি টাকা’, এমন কথা বলারও মানুষ নয় মনে হচ্ছে!

    অধিকাংশ ঘটনাতেই আমার ভূমিকা দর্শকের। আমি কোনো সক্রিয় ভূমিকা নিতে পারি না। রাস্তায় ঘাটে অনেক ঘটনাই দেখবার আধ ঘণ্টা বা এক ঘণ্টা পরে মনে হয়, ইস, তখন এই কথাটা তো বলা যেত!

    আমি পাড়ার মস্তান নই, সমাজসেবক নই, কোনো রাজনৈতিক দলের আঞ্চলিক কমিটির সদস্যও নই। সুতরাং বাজারে একটি দোকানদারের সঙ্গে কোনো বাড়ির চাকরের কী ঝামেলা হয়েছে, সে ব্যাপারে আমার কোনো দায়িত্ব থাকার কথা নয়। মধ্যবিত্তদের স্বভাবধর্ম অনুযায়ী গা বাঁচিয়ে সরে পড়াই উচিত ছিল। কিন্তু, আমি কোনো বাড়িতে চাকরের কাজ না করলেও আমারও তো একসময়ে পনেরো বছর বয়েস ছিল। ছেলেটিকে দেখে আমার সেই বয়েসের কথা মনে পড়ে। সেই বয়েসে আমিও অনেকবার বঞ্চিত হয়েছি, বিনা দোষে ভর্ৎসনা সহ্য করেছি।

    একটা সিগারেট ধরিয়ে আমি ছেলেটিকে বললুম, চল তো আমার সঙ্গে। দেখি দোকানদারটা কী বলে!

    ডিমওয়ালি বুড়িটি বিনা আমন্ত্রণেই আমাদের পিছু নিল।

    একটা চোদ্দ–পনেরো বছরের চাকর–চেহারার ছেলে আপন মনে কাঁদলে কেউ মাথা ঘামায় না। কিন্তু একজন প্যান্ট–শার্ট পরা, সিগারেট–ফোকা, ভদ্রলোক চেহারার মানুষ তার পক্ষ নিয়ে কথা বললে অনেকের দৃষ্টি আকৃষ্ট হয়। দোকানটির সামনে কী হয়েছে, কী হয়েছে বলে বেশ একটি ছোটখাটো ভিড় জমে গেল।

    দোকানদারটির চেহারায় বেশ ব্যক্তিত্ব আছে। খাড়া নাক। মাথার চুল তেল– চকচকে। মুখে কোনো রকম অপরাধীর ভাব নেই। স্পষ্ট চোখে আমার দিকে তাকিয়ে বলল, বলুন!

    আমি চোটপাট না করে নম্র ভাবেই বললুম, দেখুন, এই ছেলেটি বলছে…

    –ও কি আপনার বাড়িতে কাজ করে?

    –না, তা নয়, ও কাঁদছিল, সেই শুনে আমি….

    আমাকে থামিয়ে দিয়ে দোকানদারটি বলল, ও বাজে কথা বলছে। আমার ঠিক মনে আছে ও পাঁচ টাকার নোট দিয়েছিল।

    —কিন্তু ও আগে এক জায়গায় কুড়ি টাকার নোট…

    —বুড়িটাকে ও কুড়ি টাকার নোট দেখিয়ে থাকতে পারে, কিন্তু ওর কাছে যে আর একটা পাঁচ টাকার নোট ছিল না তার কোনো প্রমাণ আছে? ওরা এইরকম করে, বুঝলেন? বুড়িটাকেও ডিমের দাম দিত না, অন্য রাস্তা দিয়ে চলে যেত…

    দোকানদারটির কথার ওজন আছে, চট করে উড়িয়ে দেওয়া যায় না। ভিড়ের মধ্য থেকে দু’একজন আলগা উক্তি করল, আজকাল কারুকেই বিশ্বাস নেই!

    ছেলেটি তার প্যান্টের দু’পকেট উল্টে কান্না কান্না অভিমানী গলায় বলল, এই দেখুন, আমার কাছে আর কিছু নেই, একটা শুধু কুড়ি টাকার নোট…

    দোকানদারটি বলল, ও আমি বিশ্বাস করি না!

    তারপর অন্য খদ্দেরকে জিজ্ঞেস করল, আপনাকে কী দেব?

    আমি বললুম, দেখুন, আপনারও তো ভুল হতে পারে। আরও অনেক খদ্দের ছিল…

    দোকানদারটি কাউন্টার থেকে খানিকটা ঝুঁকে এসে বলল, শুনুন ভাই, এইসব দোকানে সব সময় পাঁচরকম লোক আসে, আমাকে লোক চরিয়ে খেতে হয়, নজর রাখতে হয় সব দিকে। আমি জানি কে কী রকম। আপনি যে ঐ ছোঁড়াটার কথা বিশ্বাস করছেন, আপনি কোনো প্রমাণ পেয়েছেন? ও যে ঠকবাজ নয় তা আপনি কী করে বুঝলেন?

    সঙ্গে সঙ্গে কোনো উত্তর দিতে পারলুম না। প্রমাণ? কিছু নেই! ছেলেটির কান্না আমার কাছে খাঁটি মনে হয়েছে, এই যা। কিন্তু যুক্তি–তর্কের মাঝখানে কান্নার প্রমাণ খাটে না। দোকানদারটির ব্যক্তিত্বের কাছে আমি পরাজিত হয়ে গেলুম।

    একটা ঘটনার মধ্যে ঢুকে পড়েও এই ভাবে ব্যর্থ হয়ে যাব?

    আমার অ্যাপ্রোচটাই ভুল হয়েছে। প্রথমেই এসে দোকানের কাউন্টারে প্রকাণ্ড একটা কিল মেরে আমার বলা উচিত ছিল, শালা, গরিবকে ঠকাচ্ছো? এক্ষুনি যদি ক্যাশ না ছাড়ো তো তোমার দোকান একেবারে চৌপাট করে দেব! এ পাড়ায় ব্যাবসা করছ…।

    আমার চেহারা খারাপ নয়। গুণ্ডা হিসেবে অনায়াসেই চালিয়ে দেওয়া যায়। একবার ঘাড় ফিরিয়ে পেছন দিকে তাকিয়ে যদি বলা যায়, ডাকব আমার লোকজনদের? তা হলেই ভিড় একদম ভোঁ ভোঁ হয়ে যেত। আজকাল এই ধরনের কথা শুনলে কেউ আর ট্যাঁ ফোঁ করে না। পনেরো টাকা কেন, দোকানদারটি একশো পনেরো টাকা দিয়ে দিতেও রাজি হয়ে যেত!

    কিন্তু আমার যে এরকম নাটক করার অভ্যেস নেই। একদিনের চেষ্টাতে পারাও যায় না।

    বাজার করে ফেরার সময় পকেটে টাকা থাকার কথা নয়। কিন্তু আমাকে বাড়ি থেকে দিয়েছে একশো টাকার নোট। বাজার খরচের ওপর দু’টাকা আমার নিজস্ব কমিশন সরিয়ে রেখে বাকি টাকা ফেরৎ দেবার কথা। আজ না দিয়ে কাল দিলেও মহাভারত অশুদ্ধ হবে না।

    একটা কিছু তো করতে হবে। আমি পকেটে হাত দিয়ে বললুম, এই খোকা, আমি তোমাকে পনেরোটা টাকা দিয়ে দিচ্ছি। বাড়িতে গিয়ে দ্যাখো, হয়তো কিছু ভুল হয়েছে।

    টাকাটা বার করতে আমার ভীষণ লজ্জা হচ্ছিল। অনেকেই আমাকে দেখছে। আমার কথায় কি একটা গর্বের সুর ফুটে উঠেছে। এরা কি আমাকে মহৎ–টহৎ কিছু ভাবছে? মাত্র তো পনেরোটা টাকা!

    দোকানদারটি অন্য খদ্দেরদের সামলাতে সামলাতেও লক্ষ রাখছিল আমাদের দিকে। এবারে সে বলল, না না, ও কি কথা? আপনি টাকা দেবেন কেন? সে কোশ্চেন তো উঠছে না! আমি বলেছি, আমার ভুল হয়নি।

    আমি বললুম, ঠিক আছে।

    দোকানদারটি বলল, না, ঠিক থাকবে কেন? দশ–পনেরো টাকার কি আমি পরোয়া করি? এই খোকা, ঐ ভদ্রলোকের টাকা ফেরৎ দে! এই নে!

    দোকানদার একটি দশ টাকা ও একটি পাঁচ টাকার নোট ছুঁড়ে দিল ছেলেটির গায়ে।

    ছেলেটি সেই টাকাই কুড়িয়ে নিল, ফিরিয়ে দিল আমার টাকা। আর কথা না বাড়িয়ে আমি প্রস্থানে উদ্যত হলুম। ডিমওয়ালি বুড়ি এতক্ষণ আমার পাশে দাঁড়িয়েছিল চুপচাপ, এবারে সে সমস্ত মুখ ও চোখ দিয়ে মধুর ভাবে হাসল।

    তখন তাকে মনে হলো খুব চেনা চেনা।

    সব তুচ্ছ অকিঞ্চিৎকর ঘটনা কিন্তু আমরা একেবারে ভুলে যাই না। কোনো কোনো ঘটনার রেশ থেকে যায় মনের মধ্যে।

    সেদিন বাজার থেকে ফেরার পথে আমি বেশ উৎফুল্ল বোধ করেছিলুম। মনে মনে আমি অন্যরকম একটি চিত্রনাট্য তৈরি করে তা নিয়ে সময় কাটিয়েছিলুম অনেকক্ষণ।

    ঐ যে চোদ্দ–পনেরো বছরের চাকরটি, তাকে যদি কেউ সাহায্য না করত তা হলে ঘটনা মোড় নিতে পারত কত দিকে। ঐ ছেলেটি বাজার থেকে বাড়ি ফিরলে শুধু এক প্যাকেট বিস্কুট নিয়ে, আর চোখে জল। ও যে বাড়িতে কাজ করে, ধরা যাক, সে বাড়িতে দাদাবাবু আর বৌদি দু’জনেই অফিসে কাজ করেন। তাঁদের একটা খোকা বা খুকি স্কুলে যায়। সকালবেলা সবাই খুব ব্যস্ত। উনুনে ভাত চাপানই আছে। ছেলেটা বাজার করে আনলেই কোনো রকমে খানিকটা মাছ– তরকারি রান্না করে, খাওয়া সেরেই কর্তা–গিন্নী দাঁড়াবেন মিনিবাসের লাইনে। এর মধ্যে যদি ছেলেটি খালি হাতে, একটা অদ্ভুত গল্প সঙ্গে নিয়ে ফেরে, তাহলে কার মেজাজ ঠিক থাকে? একে তো ব্যস্ততা, তার ওপরে মাসের চব্বিশ তারিখে পনেরো টাকার মূল্য কম নয়। হয়তো ওঁরা ঐ ছেলেটিকেই চোর বলে সন্দেহ করতেন। রাগারাগি, বকাবকি…তারপর স্বামীটি হঠাৎ ওকে মারতে উঠলে স্ত্রী বাধা দিয়ে বলতেন থাক ওসবের দরকার নেই! তুই বিদেয় হ, তোকে আর আমাদের লাগবে না, তুই এক্ষুনি চলে যা!

    বিনা দোষে চুরির অপবাদ নিয়ে চাকরি গেল ছেলেটির। অপমানে, অভিমানে সে ফুঁসতে লাগল। এর পর কি সে আত্মহত্যা করবে? না। মধ্যবিত্ত বাড়ির পনেরো বছরের ছেলে পরীক্ষায় ফেল করলে আত্মহত্যা করেও ফেলতে পারে। কিন্তু ঐ বয়েসের চাকরেরা আত্মহত্যা করে না। তারা অন্য বাড়িতে কাজ খোঁজে। আজকাল চট করে ঐ রকম বয়েসের অচেনা ছেলেদের কেউ কাজ দেয় না। রেফারেন্স লাগে। ছেলেটির চোর অপবাদ ছড়িয়ে গেছে, দু’চারটে বাড়িতে ঘুরেও সে ব্যর্থ হলো। তারপর…কাছেই রেললাইন, বস্তি…সে ভিড়ে গেল সমাজবিরোধীদের দলে। ওয়াগন লুট, ছিনতাই, বোমাবাজি, খুন। একটার পর একটা। ছেলেটার নাম আগে ছিল হাবু, পরে হলো হাবু মাস্তান, দু’তিনটে পাড়া তার নাম শুনলেই কাঁপে, পুলিশ তাকে খাতির করে, নানান পার্টির দাদারা কাজেকর্মে তাকে ডাকে। সেই দোকানদারকে সে আগেই খুন করেছে, তারপর একদিন সে তার প্রাক্তন দাদাবাবুর বুকেও পাইপগান থেকে গুলি চালালো…।

    এই সব কিছুই ঘটতে পারত, ঘটল না শুধু আমার মতন একজন লোকের পাঁচ মিনিট সময় খরচের জন্য। ছেলেটি সুস্থভাবে, ঠিকঠাক বাজার করে বাড়ি ফিরেছে। এ জন্য আমার যদি মনে মনে একটু আহ্লাদ হয়, তাতে খুব দোষ দেওয়া যায় না।

    আবার এ ঘটনাটা এমনও নয় যা নিয়ে বন্ধুবান্ধবদের কাছে গল্প করা যায়।

    কয়েকদিন পর আমি আবার ঐ গলি দিয়ে বাজার করতে যাচ্ছি, সেই ডিমওয়ালি বুড়ি হাতছানি দিয়ে ডেকে বলল, ও বাবা, শোনো, শোনো!

    আমি কাছে যেতেই সে খুব অন্তরঙ্গ সুরে বলল, সেদিনকার সেই ছোঁড়াটা, যাকে তুমি টাকা দিতে চাচ্ছিলে, সে তো আর একদিনও এলো না! তোমার মনে আছে সেদিনকার কথা?

    হ্যাঁ, ঘটনাটি আমার পুরোই মনে আছে, ছেলেটির মুখও মনে আছে। কিন্তু ছেলেটি এ পথে আর আসেনি, তাতে কী হয়েছে! এই রাস্তায় দোকানদারের সঙ্গে ঝঞ্ঝাট হয়েছিল, তাই সে হয়তো অন্য রাস্তা দিয়ে বাজারে ঢোকে। দোকানদারটিকে ভয় পাওয়াও তার পক্ষে স্বাভাবিক।

    কিন্তু বুড়িটি এর পর যা বলল, তাতে আমি রীতিমতন আঘাত পেলুম। ঠিক অভিযোগের সুরে নয়, খানিকটা যেন নিজের নিয়তিকে দোষ দেবার ‘ মতন গলায় বুড়িটি বলল, ছোঁড়াটা আমার ডিমের দাম দিয়ে গেল না? সেদিন গোলে–গণ্ডগোলে কী হলো, সে ছেলে কোথায় চলে গেল, কিছুই বুঝলুম না।

    —অ্যা? তোমার দাম দেয়নি? সে তো সব টাকা ফেরৎ পেয়েছিল!

    —না বাবা, আমি ভাবলুম পরে বুঝি এসে দিয়ে যাবে। কিন্তু আর তো আসে নি।

    আমার মুখখানা নিশ্চয়ই ফ্যাকাসে হয়ে গিয়েছিল। মানুষ চিনতে আমার ভুল হতে পারে, তা বলে কি আমি কান্নাও চিনি না? ঐ ছেলেটির কান্নাটা নকল ছিল? দোকানদারের কথা ঠিক, ঐ ছেলেটা একটা পেশাদার ঠক?–

    নিজের কাছেই নিজে বোকা বনতে কেউ সহজে চায় না। আমি ঐ ছেলেটাকে বেনিফিট অব ডাউট দিতে রাজি হলুম। হয়তো ওর অসুখ–বিসুখ করেছে। কিংবা ওর বাবুরা ওকে আর বাজারে পাঠাচ্ছে না। পরে একদিন এসে নিশ্চয়ই ডিমের দাম দিয়ে যাবে। অতি বড় প্রতারকও এই রকম একজন বুড়ির টাকা মারতে চাইবে না।

    বুড়িটির ঝুড়িতে মোট বারো–চোদ্দটি ডিম। এই কটা ডিম বেচে তার ক’পয়সাই বা লাভ হয়? এর মধ্যেও যদি ছ’টা ডিমের দাম বাকি পড়ে তাহলে তো তার ক্যাপিটালেই আরো শর্ট পড়ে যায়। বাহাত্তর বছরের এক বুড়ি তো আর সাধ করে ডিম বিক্রি করতে আসে না! নিশ্চয়ই এই ভাবেই তার সংসার চলে। ক্যাপিটাল বেশি থাকলে সে আরো বেশি ডিম কিনে আনতে পারত। যে মোট বারো চোদ্দটা ডিম বিক্রি করে, সে ছ’টা ডিমের দাম পায়নি…।

    এবারেই প্রথমে বুড়িটিকে আমি লক্ষ করলুম। রোগা, শুকনো চেহারা হলেও তার মুখের মধ্যে এমন একটা ভাব আছে, যার জন্য তাকে দেখতে ভালো লাগে। সারল্য আর মমতা মিশে আছে। গলার আওয়াজটি শ্রুতিমধুর। তার পরনের নরুণ পাড় সাদা শাড়িটি খুব ময়লা নয়। এই বুড়িটি রয়েছে দারিদ্র্য–সীমার অনেক নিচে, তবু তার চেহারা ও ব্যবহারের স্নিগ্ধতা দেখে অবাক লাগে।

    সেদিন সেই ছেলেটিকে আমি পনেরো টাকা দিতে যাচ্ছিলুম, কিন্তু আসল ক্ষতি তো হয়েছে এই বুড়িটিরই। ছটা ডিমের দাম সাড়ে চার টাকা, সেটা আমি অনায়াসে দিয়ে দিতে পারি।

    কিন্তু এই জায়গায় আমি একটু কার্পণ্য করলুম।

    হঠাৎ আমার মনে হলো, এই বুড়িটির ক্ষতিপূরণ একা আমাকেই করতে হবে কেন! বাজারে কি আর লোক নেই? আমিও তো গৌরী সেনের বংশধর নই। আমাকেও দু’টাকা পাঁচটাকার জন্য অনেক সময় অন্যের কাছে হাত পাততে হয়। সেদিন না হয় ছেলেটির কান্না শুনে ঝোঁকের মাথা …

    পকেট থেকে দু’টাকার একটা লাল নোট বার করে এগিয়ে দিয়ে বললুম এই নাও, তুমি এটা রাখো।

    বুড়ি অবাক হয়ে বলল, কেন? এটা কিসের?

    –এমনিই তুমি নাও না, রাখো।

    বুড়ি হঠাৎ আঁচল দিয়ে তার চোখ চাপা দিল। সেইরকম ভাবেই রইল অনেকক্ষণ। আমি অপ্রস্তুত।

    বুড়ির এক পাশে বসে আছে একটি কিশোরী, সে বেগুন ও চালকুমড়ো বিক্রি করে। আরেক পাশে এক প্রৌঢ় সবজিওয়ালা। এরা আমাদের কথাবার্তা শুনছিল। আগের দিনের কথাও বোধহয় এরা জানে।

    কিশোরীটি বুড়িকে ধাক্কা দিয়ে বলল, ও দিদিমা, নাও না, বাবু তোমাকে এমনি দুটো টাকা দিচ্ছেন।

    সবজিওয়ালা আমার দিকে তাকিয়ে অদ্ভুতভাবে হেসে মাথা নাড়িয়ে বলল, ও নেবে না! ও নেবে না!

    আমি ততক্ষণে লজ্জা পেয়ে টাকাটা পকেটে ঢুকিয়ে নিয়েছি। ঐ যে কিশোরী মেয়েটি দিদিমা বলে ডাকল, তাতেই আমার মাথায় একটা ঝঙ্কার লেগেছে। আমার নিজের দিদিমাও অনেকটা এরকমই দেখতে ছিলেন। খুব মিল আছে। দিদিমার কথা মনে পড়তেই একটু কষ্ট অনুভব করলুম। শেষ একটা বছর দিদিমার সঙ্গে আমার দেখা হয়নি, তখন আমি ঘুরছিলুম কাঁহা কাঁহা সাহেবী মুল্লুকে।

    চোখ থেকে আঁচল নামিয়ে বৃষ্টির পর রোদ্দুরের মতন ঝিকমিকিয়ে হেসে বুড়ি বলল, তুমি দিতে চেয়েছ…সেই যথেষ্ট—বেঁচে থাক বাবা…আমার কোনো রকমে চলে যায়…

    এবারে এখান থেকে চলে যাবার জন্য আমি ব্যস্ত হতেই বুড়ি বলল, ডিম নেবে না? তোমার ডিম লাগবে না?

    মাছ আর তরিতরকারিই আমি কিনি বাজার থেকে। ডিম একজন লোক বাড়িতে এসে দিয়ে যায় নিয়মিত। বাজার থেকে ডিম নিয়ে যাওয়ার ঝামেলা আছে, ভেঙেটেঙে যেতে পারে।

    তবু বুড়িটির কথা শুনে বললুম, হ্যাঁ–হ্যাঁ নেব। ছ’টা ডিম রেখে দাও, ফেরার সময় নিয়ে যাচ্ছি।

    পাশের কিশোরীটি বলল, আমিও এক কিলো বেগুন রেখে দিচ্ছি!

    কলকাতার বাজারে দু’রকম দোকানদার আছে। এক যারা উঁচু বেদির ওপরে বসে। এদের ফুলকপি বেশি সাদা, বেগুন বেশি চকচকে, লাউ–কুমড়ো বেশি নধর হয়। সব জিনিসের দামও কিছু বেশি। এরা শীতকালে পটল, শরৎকালে কাঁচা আম পর্যন্ত রাখে। বেদির ওপর যেসব মাছওয়ালা বসে, তারা বিক্রি করে কাটা পোনা, ফ্রাইয়ের ভেটকি, চিতলপেটি, অসময়ের ইলিশ। এরা সব বনেদি দোকানদার।

    আর কিছু মাছওয়ালা, তরকারিওয়ালা বসে মাটিতে। এরা বিক্রি করে পার্শে– ট্যাংরা, কুচো চিংড়ি, তেলাপিয়া, গুরজালি ইত্যাদি, আর শাক–সবজী– তরকারিগুলো প্রত্যেকদিন গ্রাম থেকে আনা। অনেক গ্রামের লোকই রোজ এইসব জিনিস বাজারে নিয়ে বসে, ভোরের ট্রেনে এসে দুপুরের ট্রেনে ফিরে যায়।

    আমি এই দ্বিতীয় শ্রেণীর দোকান থেকেই প্রায় সব কিছু কিনি। কিছুটা সস্তার জন্য তো বটেই, তাছাড়া টাটকা জিনিসের লোভেও। মাটিতে চট পেতে যে একটি মাত্র লাউ নিয়ে বসে, আমার ভাবতে ভালো লাগে যে সে ঐ লাউটি আজই তার গ্রামের বাড়ির মাচা থেকে ছিঁড়ে এনেছে, একটা এবড়ো–খেবড়ো চেহারার রংচটা বেগুন দেখলে মনে হয়, ওগুলো আজই কোনো আনাড়ি চাষীর খেত থেকে তুলে আনা। এসব কিছুর মধ্যে পেস্টিসাইডের বিষ নেই। মাছের বেলাতেও তাই। বড় বড় বাগদা–গলদা চিংড়ি যতই সুস্বাদু হোক, তার থেকে জল–রঙা, জ্যান্ত, ছটছট করে লাফানো ছোট চিংড়ি আমার কাছে বেশি আকর্ষণীয়। বিরাট বিরাট মৃত পোনা মাছের কাটা অংশের চেয়ে এখনো কানকো নাড়ছে এমন ছোট কাৎলা আমার পছন্দ।

    এই সব ছোট দোকানদাররা অনেকেই আমাকে চেনে। এদের সঙ্গে কথা বলে আমি বেশ একটা আরাম বোধ করি। কলকাতায় বসে এইভাবে গ্রামের মানুষের সঙ্গে আমার একটা যোগাযোগ হয়। নাগরিক জীবনের নানান প্যাঁচ–পোঁচের মধ্যে দিন কাটাতে হলেও আজও আমরা সারল্যের জন্য কাঙাল। এই সব গ্রামের নারী– পুরুষরা অনেকেই এখনো সত্যিই বেশ সরল। কত সহজ এদের মন জয় করা। আমি কোনো দিন এদের সঙ্গে দরাদরি করি না বলে এরা আমাকে সব কিছু ন্যায্য দামে দেয়। কোনো জিনিসের হঠাৎ দাম বেড়ে গেলে ওরা নিজেরাই আফশোষ করে। আমি একটা গর্ভমোচা কিনতে চাইলে তার গায়ে দুঃখিত হাত বুলিয়ে প্রৌঢ় বিক্রেতাটি বলে, একটু বেশি দাম পড়ে যাচ্ছে বাবু, কী করব, যা দিনকাল!

    এরা কেউ জেনেশুনে কক্ষনো আমাকে খারাপ জিনিস দেয় না, তার কারণ একটাই। আমি কোনো দিন এদের জিনিস ঘাঁটাঘাঁটি, বাছাবাছি করি না। আমি বলি, ওগো, তুমি নিজের হাতে বেছে দাও তো, তুমি দিলে কী আর খারাপ জিনিস দেবে? ঐ যে কিশোরী মেয়েটি আমার জন্য এক কিলো বেগুন রাখবে বলল, ওর কাছেই আমি আগে আর একদিন বেগুন কেনার জন্য দাঁড়িয়েছিলাম, ও বলেছিল, আজ তুমি অন্য দোকান থেকে নাও, এ বেগুনগুলো তেমন ভালো না, পোকা লেগে গেছে।

    এইসব লোকজনদের সঙ্গে টুকিটাকি কথা, গ্রামের এক ঝলক জীবনের স্বাদ, দর ওঠা–নামার দুঃখ–সুখ, এইসব কিছু মিলিয়ে বাজার করাটা আমার কাছে সকালবেলার বেশ একটা আকর্ষণীয় কাজ, মোটেই বিরক্তিকর লাগে না একদিনও।

    সেদিন সেই ছেলেটির সমস্যার মধ্যে মাথা গলিয়ে আমি বেশ একটা আত্মপ্রসাদ বোধ করেছিলুম কিন্তু আজ আমি বেশ লজ্জিত ও অপরাধ বোধ নিয়ে ফিরলুম বাড়িতে। বুড়িটিকে আমি দুটো টাকা দিতে গিয়েছিলুম কেন? দান নিতে না চেয়ে গ্রামের গরিব বুড়িটি যে মহত্ত্ব দেখাল সেই তুলনায় পুরো সাড়ে চারটাকা দিতে না চেয়ে আমি কি অনেক ছোট হয়ে যাইনি?

    ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleনিরুদ্দেশের দেশে – নীললোহিত (সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়)
    Next Article তার চোখের তারায় – সায়ক আমান

    Related Articles

    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    নীললোহিতের চোখের সামনে – নীললোহিত (সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়)

    August 7, 2026
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    নীললোহিতের অন্তরঙ্গ – নীললোহিত (সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়)

    August 7, 2026
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    আকাশ পাতাল – নীললোহিত (সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়)

    August 7, 2026
    Ek Pata Golpo সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    নিরুদ্দেশের দেশে – নীললোহিত (সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়)

    August 6, 2026
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    ঘটনার ঘনঘটা – নীললোহিত (সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়)

    August 5, 2026
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    শেষ দেখা হয়নি – নীললোহিত (সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়)

    August 5, 2026
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    अनीश दास
    मौलाना शाह वलीउल्लाह
    रेवरेंड के. के. जी. सरकार
    অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত
    অঁতোয়ান দ্য সাঁত-এক্সুপেরি
    অনন্যা পাল
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অনীশ দেব
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অবনীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    অভিজ্ঞান রায়চৌধুরী
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক দত্ত
    অভীক সরকার
    অমরেন্দ্র চক্রবর্তী
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অরিন্দম দেবনাথ
    অর্পিতা সরকার
    অশোককুমার মিত্র
    অসম্পূর্ণ বই
    আখতারুজ্জামান ইলিয়াস
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুর রহমান আল-আরিফি
    আবদুল হালিম
    আব্দুল মালেক আলী আল-কুলাইব
    আব্দুল হামীদ ফাইযী
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    কৌশিক সামন্ত
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোপেন্দ্র বসু
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভট্টাচার্য
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যজ্যোতি মজুমদার
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বাণ রায়
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পরিমল ভট্টাচার্য
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিয়োদর দস্তইয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণু শর্মা
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাসরুর আরেফিন
    মাহতাব উদ্দিন
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রণদীপ নন্দী
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রশীদ করীম
    রাজর্ষি দাশ ভৌমিক
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    রাফিক হারিরি
    রেভারেণ্ড কে. কে. জি. সরকার
    লীলা মজুমদার
    লেইল লোনডেস
    লেখক
    শওকত আলী
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শঙ্কর চ্যাটার্জী
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শহীদুল্লা কায়সার
    শাক্যজিৎ ভট্টাচার্য
    শাক্যজিৎ ভট্টাচাৰ্য্য
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শৈবাল মিত্ৰ
    শ্যামল গঙ্গোপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রীপারাবত
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঙ্গীতা বন্দ্যোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সন্দীপন চট্টোপাধ্যায়
    সন্মাত্রানন্দ
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমীরণ গুহ
    সমুদ্র পাল
    সম্পাদনা : শৈলেন্দ্র হালদার
    সরদার ফজলুল করিম
    সরোজকুমার রায়চৌধুরী
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সায়ক আমান
    সায়ন্তনী পূততুণ্ড
    সায়ন্তনী পূততুন্ড
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুব্রত গুহ
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সেলিনা হোসেন
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৈয়দ মুস্তাফা সিরাজ
    সৈয়দ শামসুল হক
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বপ্নময় চক্রবর্তী
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্মরণজিৎ চক্রবর্তী
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হরিশংকর জলদাস
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মানবজমিন – শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়

    August 7, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মানবজমিন – শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়

    August 7, 2026
    Our Picks

    মানবজমিন – শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়

    August 7, 2026

    কড়িখেলা – সঙ্গীতা বন্দ্যোপাধ্যায়

    August 7, 2026

    নীললোহিতের চোখের সামনে – নীললোহিত (সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়)

    August 7, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }