Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    প্লেটোর রিপাবলিক – সরদার ফজলুল করিম

    May 14, 2026

    বৃশ্চিক – পিয়া সরকার

    May 14, 2026

    সংস্কৃতির ভাঙা সেতু – আখতারুজ্জামান ইলিয়াস

    May 14, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    বৃশ্চিক – পিয়া সরকার

    পিয়া সরকার এক পাতা গল্প133 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    আমার মুখ লুকিয়ে থাকে জানা অজানার ভিড়ে

    মণিরঞ্জন হালদার সোফায় গম্ভীরভাবে বসেছিলেন। দূরে খাটে তাঁর স্ত্রী। ঘরের দরজায় বড় মেয়ে প্রিয়াঙ্কা দাঁড়িয়েছিল। কথা বলতে বলতে মণিরঞ্জন হালদারের ঘরের চারপাশে তাকাচ্ছিলাম। বাড়িতে প্রচুর আসবাবপত্র, কিন্তু কোনোটাই সাজানোগুছানো নয়। ঢোকার মুখের গেটটার পাশেই আবর্জনার স্তূপ। বাড়িটা পুরোনো এবং রঙ পড়েনি অনেকদিন।

    মেইন রোড থেকে মণিরঞ্জন বাবুদের পাড়াটা প্রায় আটশ মিটার মতো রাস্তা পাম্পঘরটা সেই রাস্তাটার প্রায় মাঝপথে, বাঁদিকে একই লাইনে পড়ে। পুরো রাস্তাটার ডান বাঁদিক জুড়ে ধানক্ষেত। মেইন রোড পার করে ওপারে বেশ কিছুটা হাঁটলে স্টেশন, সংলগ্ন রেল কোয়ার্টার। মণিবাবুর পাড়ায় বাড়ির সংখ্যা হাতগুণতি। দূরে দূরে

    আমি একটা আর্মচেয়ারে বসে ছিলাম, যার হাতলগুলোয় পুরু ধুলো জমেছে। পর্দার রঙ কোনোকালে হলুদ ছিল, এখন ধুলো জমে জমে ধূসর হয়ে গিয়েছে। মণিবাবুর স্ত্রী, এবং দুই মেয়ে থাকা সত্ত্বেও বাড়িঘর এত অগোছালো কেন! কাজের লোকেরও অভাব নেই। মেয়ের মৃত্যুর শোকে এমনটা হয়েছে বলে মনে হচ্ছে না। মাত্র দুইদিনের ব্যবধানে কোনো সম্পন্ন গৃহস্থ পরিবারে এতটা ধুলো ময়লা জমতে পারে না।

    ইতিমধ্যে কেসের ডেভেলপমেন্ট উল্লেখযোগ্য কিছু হয়নি; ভিকটিমের সঙ্গে থাকা ব্যাগ, ব্যাংক স্লিপ এসবের ফিঙ্গারপ্রিন্ট রিপোর্ট এসেছে। মৌপিয়া আর মণিরঞ্জন ছাড়া আর কারুর হাতের ছাপ নেই। পাম্প যে লোক রঙ করেছিল সে সেইরাতে বাড়িতেই ছিল, সাক্ষী আছে। রঙ করে রঙ করার তুলি সে ওই ঘরেই রেখে এসেছিল, তারপর কোথায় গেছে সে জানে না। রণদীপ সামন্ত গোটা আঠারো ঘন্টা থানায় তাকে আটকে রাখলেও সে একই কথা বারবার বলে গেছে। ফরেনসিক থেকে আসা কোনো রিপোর্টও আশাপ্রদ নয়। কোনো লিড নেই। বিধানের মোবাইল লোকেশনের রিপোর্ট এখনও আসেনি। সামন্তকে লোকাল এবং বর্ধমান শহরের সব ওষুধের দোকানে গত একমাসের মধ্যে ল্যাটেক্স গ্লাভস সিঙ্গল পিস কারা কারা কিনেছিল তার একটা লিস্ট বানাতে বলেছি। খড়ের গাদায় সূচ খোঁজা, সে বিষয়ে কোনো সন্দেহ নেই। আপাততঃ দুটো সলিড ব্লু, ফসফরাস আর পেইন্টব্রাশ।

    মণিরঞ্জন হালদারকে দেখে যতটা না শোকগ্রস্ত মনে হচ্ছিল, তার থেকে ঢের বেশি ক্রুদ্ধ লাগছিল। নাতিদীর্ঘ, বৃষস্কন্ধ, শক্তপোক্ত চেহারা। মাথায় কাঁচাপাকা ঘন চুল। আপাতত কপালে চারটে ভাঁজ; বিধান যে জামিনে ছাড়া পেতে পারে, আমার এই মন্তব্যটা মণিবাবুর কানে পৌঁছেছে। রণদীপ সামন্ত ভালোই প্রেশার রিলিজ করতে জানেন, যা বুঝলাম।

    রুটিন কোয়েশ্চেনিং শুরু করলাম। প্রথমেই মণিবাবুকে।

    “মৌপিয়া সেদিন রাতে কটার সময় ঘুমিয়েছিল?”

    “রাত বারোটা। আমরা সবাই ওই সময়েই ঘুমাই।”

    “ওর মধ্যে অস্বাভাবিক কিছু খেয়াল করেছিলেন? কোনো ধরণের রেস্টলেসনেস?”

    “নাহ। রোজ যেমন আমরা একসঙ্গে খাই, সেরকমই খেয়ে ও বারোটা নাগাদ ওপরে চলে গিয়েছিল।”

    “আপনাদের মেইন গেটের চাবি কোথায় রাখা থাকে?

    “ডাইনিং রুমের দেওয়ালে, হুকে আটকানো থাকে। আর ডুপ্লিকেট চাবির গোছা ড্রয়ারে থাকে।”

    “আর আলমারির চাবি?”

    “ওই একই জায়গায়, এই ঘরের ড্রেসিংটেবিলের ড্রয়ারে। ড্রয়ার চাবি দেওয়া থাকে আর চাবিটা বালিশের নিচে থাকে।”

    “টাকাটা শেষ কবে আর কখন দেখেছিলেন?”

    “ওই দিনই দুপুরবেলা। পার্টির ছেলেরা এসেছিল, একটা ফান্ডে তিরিশ হাজার টাকা দিতে হতো। ওই বান্ডিলটায় দেড়লাখ টাকা ছিল, বাকি এক লাখ বিশ আমি নিজে গুনে আবার আলমারিতে রেখেছি।”

    “আপনি দুপুরের পর আর আলমারি খোলেননি?”

    “না। টুকটাক ক্যাশ ড্রয়ারেই থাকে, তাই দরকার পড়েনি।”

    “মৌপিয়ার খবরটার পাওয়ার পরেও আলমারির চাবিটা ওখানেই ছিল? চেক করেছিলেন?”

    “না। বডি মর্গ থেকে আনার আগে আবার আলমারি খোলার প্রয়োজন হয়। মানে শুক্রবার রাতে। তখন আলমারি খুলে দেখি, টাকা নেই।”

    “তারপর কী করলেন?”

    “থানাকে ইনফর্ম করলাম। ফিঙ্গারপ্রিন্ট থেকে এসে চাবিটা প্রিন্টের জন্য নিয়ে গেল।”

    “এখন কীভাবে খুলছেন?”

    “ডুপ্লিকেট চাবি ব্যবহার করে।”

    “আপনি একটা কাজ করুন। আলমারিটা এ ঘরে খুলুন। আমি আসছি।” লাফ দিয়ে ওঠে বসার ঘরের দিকে এগোলাম।

    “এখন!”

    “খুলুন, খুলুন।” আমি বসার ঘরের দিকে এগোতে এগোতে চিৎকার করলাম।

    মণিবাবু শুনতে পেলেন কিনা জানি না। তবে বসার ঘর শোওয়ার ঘরের মধ্যে ডাইনিং আর একটা লম্বা করিডর আছে। আলমারি খুললে আওয়াজ যাওয়ার কথা নয়। কোনো আওয়াজ এলও না।

    “আচ্ছা এরকম তো হতে পারে আপনি ভুল করে টাকাটা অন্য কোথাও রেখেছেন?” ঘরে ফের ঢুকতে ঢুকতে জিজ্ঞাসা করলাম।

    “না। আমার এমন ভুল হয় না।” মণিরঞ্জন খোলা আলমারিটার কাছে দাঁড়িয়েছিলেন।

    “টাকাটা মৌপিয়াকে আপনি নিতে দেখেননি। ব্যাংকের স্লিপটা হয়ত কাকতালীয়। কাজেই এটা তো সম্ভব যে এই দীর্ঘ সময়ে মানে বৃহস্পতিবার দুপুর থেকে শুক্রবার রাত অবধি যে কেউ টাকাটা সরাতে পারে?”

    “না, পারে না। কারণ রাতে আমি ড্রয়ারের চাবি মাথার কাছে নিয়ে শুই। বৃহস্পতিবারও শুয়েছিলাম, ওর খবরটা পেয়ে যখন বেরোই তখন চাবি পকেটে নিয়ে বেরোই। তারপর থেকে চাবি আমার কাছেই ছিল। এক মুহূর্ত কাছছাড়া করিনি। টাকা গেলে বৃহস্পতিবার মধ্যরাতের আগেই গেছে। তাছাড়া ওই স্লিপটা দিয়েই টাকার বান্ডিল মোড়ানো ছিল। আমার সই আছে স্লিপটায়।”

    “আপনার ড্রয়ারে যে ক্যাশ ছিল সেসব ঠিক ছিল?”

    “পেটি ক্যাশ গোনা থাকে না আমার। তবে ঠিকই ছিল মনে হয়।”

    “আন্দাজ কত ছিল ড্রয়ারে?”

    “পাঁচহাজার মতো।”

    “বৃহস্পতিবার দুপুরের পর থেকে রাত বারোটার মধ্যে আপনার মেয়ে এ ঘরে ঢুকেছিল? কেউ কি দেখেছে ওকে ঢুকতে?”

    “না! কিন্তু ঢোকাটা অসম্ভব নয়। ঘর ফাঁকা ছিল বেশ কিছুক্ষণ। আমি পার্টির ছেলেদের সঙ্গে সামনের ঘরে বসেছিলাম। তখন এ ঘর ফাঁকা ছিল। ড্রয়ারের চাবিও তখন বালিশের নিচে ছিল।”

    “সেদিন রাতে ঘুমানোর পর আপনি আর ওঠেছিলেন?”

    “না। সকালে বাড়ির গেটে ধাক্কাধাক্কিতে ঘুম ভাঙে।”

    “আর আপনার স্ত্রী?”

    “না, ও ওঠেনি।”

    “বৃহস্পতিবার দুপুরবেলা যখন আপনি বাইরের ঘরে ছিলেন, তখন মিসেস হালদার কোথায় ছিলেন?”

    “সে পশ্চিমের ঘরটায় ছিল।”

    “উনি কি কোনোকিছু দেখেছিলেন?”

    “না, ওর বাঁ পা-টা বাতে প্রায় অকেজো। সাহায্য ছাড়া বিছানা থেকে উঠতে পারে না।”

    “আপনার কী মনে হয়, অত রাতে টাকাগুলো নিয়ে আপনার মেয়ে কোথায় যাচ্ছিল?”

    “কোথায় সেটা জানলে আগেই কি ঠেকাতাম না?” মণিরঞ্জন বিরক্তভাবে বললেন।

    “হুম।” আমাকে একটা কথা বলুন মিস্টার হালদার, “মৌপিয়ার লিভার সংক্রান্ত কোনো সমস্যা ছিল?”

    মণিরঞ্জন হালদার চমকে তাকালেন আমার দিকে। তারপর বললেন, “হ্যাঁ ছিল। বেশ কয়েকবার এখানকার ডাক্তার দেখানো হয়েছে। ওষুধ খায়, কিছুদিন ঠিক থাকে, আবার হয়। তবে রিসেন্টলি সমস্যাটা কমে এসেছিল।”

    “কবে থেকে ছিল সমস্যাটা?”

    “তা হবে…তিন চার বছর।”

    “কাকে দেখাত?”

    “প্রথমে এখানকার ডাক্তারকে। তারপর কলকাতার এক ডাক্তার দেখিয়েছিল নিজেই খোঁজ করে। তিনি কিছু খাবারদাবার বেঁধে দিয়েছিলেন। তারপর থেকে সমস্যা হতে দেখিনি।”

    “আপনার বাড়িতে রান্না কে করে?”

    “আমার মেয়েই করত। সাহায্যের লোক ছিল।”

    “সে কাছাকাছি থাকে? নাম কী?”

    “কবিতা। পাশের গ্রামে থাকে।”

    “আর আপনার স্ত্রী? উনি রান্না করেন না?”

    “না, রান্না কেন যে কোনো কিছুর দায়িত্ব নিতে ও অক্ষম।” মণিরঞ্জন অত্যন্ত বিরক্ত হয়ে বললেন।

    আমার চোখ খাটে বসে থাকা মিসেস হালদারের দিকে গেল। ষাটের কাছাকাছি বয়স হবে মহিলার। আলুথালু শাড়ি, অবিন্যস্ত চুল এসব ছাপিয়ে চোখে পড়ছিল ভদ্রমহিলার চোখের অদ্ভুত শূন্যদৃষ্টি। এমন ভাবলেশহীন পাথরপ্রতিম শোকের মূর্তি কবে দেখেছি মনে পড়ে না।

    “ওঁর কী ধরণের অসুস্থতা?”

    “মানসিক। ডাক্তার কোনোরকম চাপ নিতে বারণ করেছে।”

    চারিদিকে এত প্রাচুর্যের মধ্যে এত অগোছালো ভাবের কারণটা বুঝতে পারলাম।

    “কত দিন অসুস্থ উনি?”

    “অনেক দিন। কিন্তু তার সাথে আমার মেয়ের মৃত্যুর কী সম্পর্ক? ওকে তো ওই বিধান…”

    “মিসেস হালদার কোন ডাক্তারকে দেখাতেন?”

    মণিরঞ্জন থেমে গেলেন। “আগে সরকারি হাসপাতালেই দেখান হতো। মাঝে মাঝে বাড়াবাড়ি হলে মানকুণ্ডুর সরকারি মানসিক হাসপাতালের ডাক্তারকে। এখন পার্মানেন্টলি ওকেই দেখান হয়। কিন্তু…”

    “ডাক্তারের নামটা একটু বলবেন। আর মিসেস হালদার আর মৌপিয়ার চিকিৎসা সংক্রান্ত যা যা ফাইল আছে একটু আনতে বলুন কাউকে। আপাতত আমি নিয়ে যাচ্ছি, কপি করা হবে, আপনি থানা থেকে নিয়ে নেবেন।”

    মণিরঞ্জন প্রিয়াঙ্কার দিকে তাকালেন। মেয়েটি ভেতরের দিকে চলে গেল। “এই ডাক্তার কতদিন ধরে প্রাইভেটে দেখছেন মিসেস হালদারকে?”

    “এক দেড় বছর হবে।”

    “হুম। আরেকটা খুব দরকারি বিষয়, আপনি অতগুলো টাকা ব্যাংক থেকে তুলে এনে বাড়িতে রেখেছিলেন?”

    “হ্যাঁ, বছরের এই সময় ধান কাটা হয়, টাকা এনে রাখা থাকে বাড়িতে।” মণিবাবু কাঁধ ঝাঁকিয়ে উত্তর দিলেন

    “এত টাকা বাড়িতে রাখার খবরটা কে কে জানত?”

    মণিবাবু ভুরু কুঁচকালেন।

    “এত টাকা কে বলল আপনাকে? আপনি বর্ধমানের এ তল্লাটের চাষীদের ট্যাঁকের জোর জানেন?” মণিবাবু খোঁচা মারলেন বুঝলাম। গায়ে মাখলাম না।

    “আপনার পরিবারের লোক বাদে আর কে কে জানত?”

    “বাইরের যে কেউই আন্দাজ করতে পারে। প্রতি বছরই বৈশাখ-জৈষ্ঠ্য পাঞ্জাব থেকে ধান কাটার মেশিন চালানোর লোক আনি, এবারও এসেছে। সুতরাং বাড়িতে টাকা আছে, এ তো জানা কথাই।”

    “টাকাটা কবে তুলেছিলেন?”

    “ডেট মনে নেই। দেখে বলতে হবে।”

    “হ্যাঁ। ব্যাংকের মেসেজ তো আসে। ডেটটা একটু বলুন মোবাইল দেখে।”

    “সতের তারিখ মানে সোমবার। ওই সপ্তাহেই।” মোবাইলের মেসেজ দেখলেন মণিরঞ্জন হালদার।

    “এতদিন ধরে টাকাটা আলমারিতেই ছিল?”

    “হ্যাঁ। আর কোথায় থাকবে? শুক্রবার পেমেন্ট দেওয়ার কথা ছিল, তাই তুলেছিলাম। মধ্যখানে একবার পার্টির কাজে কলকাতায় যেতে হতো, তাই আগে ভাগেই তুলে রেখেছিলাম।”

    “আপনার ফ্যামিলির অন্য কাউকে দেখছি না, কেউ আসেননি?”

    “এসেছিল। চলে গেছে আবার।” মণিরঞ্জন ক্যাজুয়ালি বললেন। “আর আত্মীয় বলতে আমার সেরকম ঘনিষ্ঠ কেউ নেই। মঞ্জুর অসুস্থতার কারণেই বিশেষ যাই-টাই না লোকের বাড়ি।”

    “উনি কে?” একটা ছবির দিকে আঙুল তুললাম। মিসেস হালদারের খাটের পিছনের দেওয়ালে প্রমাণাকৃতি পোর্ট্রেটটা ঝুলছে। হাসিখুশি এক তরুণের, তার মুখের সঙ্গে মিসেস হালদারের এবং প্রিয়াঙ্কার মানে মণিবাবুর বড় মেয়ের মুখের খুব মিল। যেন মুখটা কেটে বসানো হয়েছে।

    মণিবাবুর মুখের মাসলগুলো একটু শক্ত হল, সেটা চোখ এড়াল না আমার। বিছানায় বসে থাকা মিসেস হালদার অবশ্য একইরকম ফাঁকা দৃষ্টি নিয়ে তাকিয়ে বসে রইলেন। উত্তরটা দিলো প্রিয়াঙ্কা, গোটা পরিবারটার মধ্যে একমাত্র যার আচরণই আমার স্বাভাবিক লাগছিল।

    “উনি আমার ছোটমামা…” প্রিয়াঙ্কা বলল। “মারা গেছেন অনেকদিন আগে।”

    “ওহ!”

    “আমার পারিবারিক ব্যাপারে নাক না গলিয়ে আপনি ওই বিধান ছেলেটার ব্যবস্থা নিন ম্যাডাম। আমার বিরুদ্ধে তলে তলে ভয়ানক ষড়যন্ত্র চলছে, আমার মেয়েটাকে তারই বলি হতে হয়েছে।” মণিরঞ্জন বিরক্ত হয়ে বলে ওঠলেন।

    “কী ধরণের ষড়যন্ত্র যদি একটু খুলে বলেন।” সমব্যথীর গলায় বললাম। লোকটা আত্মম্ভরী, সে বিষয়ে কোনো সন্দেহ নেই, এবং এদের কাছ থেকে কো-অপারেশন আশা করতে গেলে জিজ্ঞাসাবাদের টেকনিক পাল্টাতে হবে।

    “কেন লোকাল থানা তো সব জানে! সব নোংরা পলিটিক্সের ব্যাপার। নবগ্রাম স্টেশনের জমি লিজ দেওয়া হবে বলে সরকার থেকে দরপত্র দেওয়ার পরিকল্পনা চলছে। মাল্টি ফাংশনাল ইউনিট হবে, চাষীদের জন্য ডাইরেক্ট হোলসেল মার্কেট, রেস্তোরাঁ, এটিএম ইত্যাদি। রেলওয়ে ল্যান্ড ডেভেলপমেন্ট অথরিটি দায়িত্ব নিয়ে কাজটা করবে। হওয়ার কথা ছিল গুড়াপে, আমি এডিএমের হাতেপায়ে ধরে প্রোজেক্টটা নবগ্রামে নিয়ে আসি, বিস্তর কাঠখড় পুড়াতে হয়। লোকাল লোকেদের কিছু কর্মসংস্থান হবে, ব্যবসাপাতি বাড়বে তল্লাটে। কাজ এখনও শুরু হয়নি। কিন্তু আশেপাশের গাঁয়ে-হাটের লোক জেনে গেছে। আমার সুনাম ছড়িয়েছে চারদিকে। বিধানদের এটা সহ্য হচ্ছিল না। এই জনগণের সেবা করতে গিয়ে আমার এমন ক্ষতি হল।” মণিবাবুর গলার স্বর এই প্রথমবার কেঁপে গেল।

    “কিন্তু বিধান কীভাবে এর সঙ্গে জড়িত আপনার মনে হয়?”

    “বিধান রাষ্ট্রীয় জনহিত পার্টির মেম্বার,” মণিরঞ্জন ফুঁসে ওঠে বললেন। “খোঁজ নিয়ে দেখবেন, ওর দলবল নবগ্রামের রেলকোয়ার্টার গত তিনবছর ধরে জবরদখল করে রেখেছে। পার্টির কাজকর্ম করে। রেলের উদ্যাগের খবরে ওদের টনক নড়ে। প্রোজেক্টটা নেমে গেলে তো ওদের রাস্তায় নামতে হবে। সরকারি কোয়ার্টারগুলো বেকার পড়ে আছে। একপয়সা ভাড়া পায় না রেল। এখন মাল্টিফাংশনাল ইউনিট তৈরিতে কাজে লাগবে। কিন্তু এরা সোজা রাস্তায় দখল ছাড়ার লোক নয়। আর.পি.এফ অলরেডি ওঠাতে এসেছিল, টাকা খাইয়ে ম্যানেজ করেছে ওর পার্টি। ওরা চায়, নবগ্রামের প্রোজেক্টটা থামিয়ে দিতে, ভোটের আগে যেন কোনোভাবেই না হয়। তারপর ভোট মিটে গেলে লিজটা নিজেরাই পলিটিকাল কানেকশন ব্যবহার করে হাত করে নেবে। বিধান বা বিধানের মতো কিছু ছেলেকে কাজে লাগিয়ে টেন্ডার জমা দেবে। তারপর লুটেপুটে মুনাফা খাবে। আবার সস্তায় নামও কিনবে। আমার মেয়েটাকে ফুঁসলে টাকা হাত করে খুন করেছে ওকে ওই বিধান। ভেবেছে সাপও মরবে, লাঠিও ভাঙবে না।” মণিবাবু এক নিঃশ্বাসে কথাগুলো বলে দম নিলেন।

    “এক্ষেত্রে সাপ কে? আপনি?”

    মণিরঞ্জন হালদার জ্বলন্তদৃষ্টিতে তাকালেন আমার দিকে।

    “কিন্তু বিধান সম্ভবত আপনার মেয়ের বিশেষ বন্ধু ছিল?”

    “কে বলেছে আপনাকে?” মণিরঞ্জন চিৎকার করে ওঠলেন। “দু একটা মেসেজ বিনিময় হলেই বিশেষ বন্ধু হয়ে যায়?”

    “আপনি মেসেজগুলো পড়েছেন?”

    “না, হোয়াটসঅ্যাপ লকড ছিল।”

    “মানে আপনি পড়ার চেষ্টা করেছিলেন?” আমি মণিবাবুর দিকে ঝুঁকে জিজ্ঞাসা করলাম। শিকার ভুল করে ফাঁদে পা দিয়ে ফেলেছে।

    মণিবাবুর মুখ ঝুলে গেল। উত্তর দিলেন না।

    “আপনার সঙ্গে মৌপিয়ার সম্পর্ক কেমন ছিল?”

    “কেমন ছিল মানে? কী বলতে চাইছেন আপনি?”

    “মানে বাবা হিসাবে মেয়ের কতটা ক্লোজ ছিলেন?”

    “দেখুন ম্যাডাম। আমার মেয়েদের আমি শক্তহাতে মানুষ করেছি। মৌপিয়া শান্তস্বভাবের ছিল। বিধানের সঙ্গে ওর মেলামেশা আমার পছন্দ ছিল না, ব্যস এইটুকুই!”

    দরজার সামনে প্যাকেট হাতে নিয়ে প্রিয়াঙ্কা দাঁড়িয়ে ছিল। মণিরঞ্জনের কথায় সে যে তীব্রদৃষ্টিতে বাবার দিকে তাকাল, সেটা আমার চোখ এড়াল না। আমি একটু আসছি বলে প্রিয়াঙ্কাকে একপ্রকার ধাক্কা মেরে ঠেলে ঘর থেকে বেরিয়ে গেলেন মণিরঞ্জন হালদার।

    লক্ষ করলাম, প্রিয়াঙ্কার মুখটায় একটা ছায়া পড়ল।

    “মিসেস হালদার!” খাটের দিকে ঘুরে বসে বললাম, “আমি জানি, কোনো প্রশ্ন করার এটা উপযুক্ত সময় নয়, তবুও আমার ডিউটি… অলরেডি দুদিন হয়ে গেছে বুঝতেই পারছেন।”

    কোনো উত্তর নেই! চোখের পলক পড়ল না।

    “মিসেস হালদার!”

    “সব পাপ, ঘোর পাপ! পাপের শাস্তি!” গলাটা ঘড়ঘড়িয়ে বলে উঠল। চমকে তাকালাম ওঁর দিকে। চোখটা আমার দিকে ফিরেছে এতক্ষণে

    “পাপ! কার?”

    “সুস্বাদু মাংস! নরমাংস সুস্বাদু! তার থেকেও সুস্বাদু তাকে মেরে ফেলার ইচ্ছা!” ভদ্রমহিলা চিৎকার করে ওঠলেন। মুঠো করে নিজের চুল আঁকড়ে ধরে ফেললেন, হাউ হাউ করে কেঁদে ওঠলেন এবার। গোটা শরীরটা কাঁপুনি দিয়ে উঠল। প্রিয়াঙ্কা হালদার ছুটে এল, মাকে আঁকড়ে ধরল বুকের মধ্যে।

    উনি অনেক কিছু বলছিলেন, জড়িয়ে জড়িয়ে, কিন্তু মুখ চাপা থাকায় পরিষ্কার বুঝতে পারছিলাম না। প্রিয়াঙ্কার চোখে জল দেখতে পেলাম, একটু ভৎসনার দৃষ্টিতে তাকাল আমার দিকে। “আমার মা স্বাভাবিক নন, শুনলেন তো? আপনি যা জিজ্ঞাসা করার আমাকে করতে পারেন।”

    “আমার এই মুহূর্তে আর কিছু জিজ্ঞাসা করার নেই।” বলতে বলতে ওঠে দাঁড়ালাম, “মৌপিয়ার ঘরটা কোথায়?”

    মিসেস হালদার চিৎকার থামিয়ে ফোঁপাচ্ছিলেন। প্রিয়াঙ্কা কৃতজ্ঞ দৃষ্টিতে তাকাল আমার দিকে।

    প্রিয়াঙ্কার সঙ্গে দোতলায় উঠলাম। আর দোতলায় ওঠেই চমকে গেলাম। একতলাটা আগে দেখা না থাকলে বিশ্বাসই হতো না, দোতলাটা এই বাড়িরই অংশ। অবশ্য দোতলায় প্রায় পুরোটাই টেরেস, একটি বৃহদাকারের ঘর ছাড়া। কিন্তু সারা টেরেসজুড়ে অজস্র ফুলের টব। সুন্দর করে পেইন্ট করা, কোনোটায় সাদা টবে অ্যাক্রিলিক পেইন্ট ব্যবহার করে জলের ঢেউ আঁকা হয়েছে, কোনোটায় ভাঙা কাচের টুকরো দিয়ে কোলাজ করা। গাছগুলো অবশ্য জল না পেয়ে নেতিয়ে আছে, কিন্তু বোঝাই যায় খুব শৌখিন কোনো মানুষের যত্ন পেত ওরা।

    ঘরটাও খুব সাজানো গুছানো। সারা দেওয়াল জুড়ে প্রচুর সার্টিফিকেট, নিউজপেপার কাটিংয়ে মৌপিয়ার ছবি, দেওয়ালের তাকে ট্রফি, মেডেল সাজানো। একের পর এক চার্ট পেপারে বিভিন্ন ফরমুলা, ডায়াগ্রাম আঁকা। দেওয়ালজোড়া সার্টিফিকেটগুলোর মধ্যে কোনোটা ছবি আঁকার, কোনোটা ডিবেটের, কোনোটা বা আবৃত্তির, তাৎক্ষণিক বক্তৃতার। মৌপিয়া হালদার শুধু পড়াশুনায় মেধাবী ছিল তা নয়, বেশ গুণী মেয়ে ছিল বোঝা যায়।

    ঘরের দুদিকে দুটি খাট। প্রিয়াঙ্কা হালদার চাকুরিসূত্রে এখন কলকাতায় থাকে। আরেকটি খাট নিশ্চয়ই ওর।

    “মৌপিয়া ডায়েরি জাতীয় কিছু লিখত?” প্রশ্ন করলাম।

    “নাহ! আমি যতদিন এখানে ছিলাম, ততদিন তো দেখিনি।” প্রিয়াঙ্কা একটু ভেবে উত্তর দিলো। মেয়েটাকে লক্ষ করে দেখলাম। মেয়েটি বেশ সুন্দরী। মৌপিয়া হালদারও মিষ্টি দেখতে ছিল, কিন্তু এ অসম্ভব গ্ল্যামারাস। অবশ্য এখন চোখমুখ শুকনো লাগছে, একটা উদ্বেগ আর শোকের মিলিত প্রভাব পড়েছে চেহারায়।

    “কত বছর হল তুমি কলকাতায় গেছ?”

    “একবছর।”

    “আর, কোথায় কাজ করো?” মৌপিয়ার খাতা বই হাতড়াতে হাতড়াতে জিজ্ঞাসা করলাম।

    “সি ওয়েল রিয়েলটরসের অফিসে। ডাটা এন্ট্রি আর রিসেপশন সামলাই।”

    “হু। বিধান আর মৌপিয়া… কোনো সম্পর্ক ছিল? জানতে কিছু?”

    প্রিয়াঙ্কা আমার দিকে তাকাল।

    “একই স্কুলের তো? দেখা সাক্ষাৎ, বন্ধুত্ব, আড্ডা এসবের বাইরে কিছু ছিল?”

    “ঘনিষ্ঠতা ছিল। খুবই ঘনিষ্ঠ ছিল ওরা।”

    “তোমার সঙ্গে বিধানের প্রসঙ্গে আলোচনা হতো না?”

    “হতো। মৌ বিধানকে নিয়ে অবসেসড ছিল।”

    “তারপর ভাঙনটা কীভাবে ধরে?”

    “বিধানের বাবার মৃত্যুর পর। বিধানের ধারণা ওর বাবাকে লোক লাগিয়ে খুন

    করেছে আমার বাবা।”

    “আচ্ছা! আর তোমার কী ধারণা?”

    প্রিয়াঙ্কা আমার দিকে তাকাল। কোনো উত্তর দিলো না।

    “তোমার সঙ্গেই তো শেষ কথা হয়?”

    “হ্যাঁ, বর্ধমান পৌঁছে ফোন করেছিলাম।”

    “ও হ্যাঁ, তুমি তো বন্ধুর বাড়ি গিয়েছিলে?”

    “হ্যাঁ।”

    “কিন্তু অত রাতে?”

    “ওর মা হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়েছিল।”

    “ওহ! কোথায় ভর্তি ছিলেন?”

    “দুর্গাপুর মিশন হাসপাতালে।” প্রিয়াঙ্কা সংক্ষিপ্ত উত্তর দিলো।

    “যখন ফোন করেছিলে কিছু অন্যরকম বুঝেছিলে? ওর কথাবার্তায়, আকারে ইঙ্গিতে?”

    “নাহ। কিচ্ছু না। একদম স্বাভাবিক ছিল।”

    “তোমার বোনকে কে খুন করেছে বলে তোমার মনে হয়? বিধান?”

    “প্রশ্নটা তো আমিই আপনাকে করব ভাবছিলাম। দুইদিন হয়ে গেল, পুলিশ এখনও অ্যাকিউজডকে চার্জশিট দিতে পারল না!”

    “ঠিকঠাক তদন্ত না করে চার্জশিট দেওয়াটা তাড়াহুড়ো হয়ে যাবে না?”

    কিছু একটা বলতে গিয়েও মেয়েটা কথা গিলে নিল। তারপর বলল, “আমার বোনকে ঠিক কীভাবে মারা হয়েছে?”

    “সেটা এখন তদন্তসাপেক্ষ।” সংক্ষিপ্ত উত্তর দিলাম।

    “বলুন না, আমি শুনতে পারব। আমি… আমি ঠিক আছি এখন।” মেয়েটার ডান চোখ থেকে এক ফোঁটা অশ্রু গড়িয়ে পড়ল।

    “কিছুদিন সময় দাও। অবশ্যই জানবে। তোমার বাবা কোন স্টেশনে পোস্টেড ছিলেন?”

    “চন্দননগর।”

    “রিটায়ার কবে করেছেন?”

    “২০১৭ সালে।”

    “ওকে। আর তোমার মামাবাড়ি কোথায়? কে কে আছেন ওখানে?”

    “বড়মামা থাকেন। দাদু দিদা মারা গেছেন। চন্দননগরেই বাড়ি ওদের।” মেয়েটি আমার দিকে চোখ তুলে তাকিয়ে বলল।

    “মামা বিয়ে করেননি?”

    “না।”

    “বিধানের সঙ্গে তোমার বোনের সম্পর্ক নিয়ে তোমার বাবার কীরকম মতামত ছিল?”

    “পিঙ্কি!” দরজার বাইরে থেকে মণি হালদারের রুক্ষ আওয়াজটা ভেসে এল। “তোমার মায়ের ওষুধের সময় হয়েছে, নিচে যাও।”

    “আমি পরে কথা বলব আপনার সঙ্গে” বলে প্রিয়াঙ্কা নিচে নেমে গেল।

    মণি হালদারকে আবার বিরক্ত করব জানিয়ে বাইরে চলে এলাম। মৌপিয়ার ফোনটা খোলা বিশেষ দরকার। আনলক করার কাজ চলছে। পাসওয়ার্ড হ্যাকিংয়ের টিম কাজ করছে ওটা নিয়ে। আপাতত আরও দুজন ইন্টেরোগেশনের লিস্টে অ্যাড হল। রান্নার সাহায্যকারিনী মহিলা আর মিসেস হালদারের ডাক্তার। স্টেট ফরেনসিকের সঙ্গেও একবার কথা বলা দরকার। ফসফরাস বিষটা কীভাবে মেশালে লেথাল হবে না অথচ স্লো পয়জনিং করবে সেটাও জানা দরকার।

    আমার ফোনটা সাইলেন্ট ছিল অনেকক্ষণ। জিজ্ঞাসাবাদ করার সময় সাইলেন্ট রাখি। খুলে দেখলাম বিশটা মিসড কল, রণদীপ সামন্ত হঠাৎ এতবার ফোন করলেন কেন!

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleসংস্কৃতির ভাঙা সেতু – আখতারুজ্জামান ইলিয়াস
    Next Article প্লেটোর রিপাবলিক – সরদার ফজলুল করিম

    Related Articles

    পিয়া সরকার

    বিসাশন – পিয়া সরকার

    October 21, 2025
    পিয়া সরকার

    বৃশ্চিকচক্র – পিয়া সরকার

    October 21, 2025
    পিয়া সরকার

    বিসাশন – পিয়া সরকার

    September 12, 2025
    পিয়া সরকার

    বৃশ্চিকচক্র – পিয়া সরকার

    September 12, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    अनीश दास
    मौलाना शाह वलीउल्लाह
    रेवरेंड के. के. जी. सरकार
    অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিজ্ঞান রায়চৌধুরী
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমরেন্দ্র চক্রবর্তী
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অরিন্দম দেবনাথ
    অর্পিতা সরকার
    অশোককুমার মিত্র
    অসম্পূর্ণ বই
    আখতারুজ্জামান ইলিয়াস
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    কৌশিক সামন্ত
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোপেন্দ্র বসু
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যজ্যোতি মজুমদার
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    রেভারেণ্ড কে. কে. জি. সরকার
    লীলা মজুমদার
    লেইল লোনডেস
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শঙ্কর চ্যাটার্জী
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শাক্যজিৎ ভট্টাচাৰ্য্য
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সম্পাদনা : শৈলেন্দ্র হালদার
    সরদার ফজলুল করিম
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্মরণজিৎ চক্রবর্তী
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    প্লেটোর রিপাবলিক – সরদার ফজলুল করিম

    May 14, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    প্লেটোর রিপাবলিক – সরদার ফজলুল করিম

    May 14, 2026
    Our Picks

    প্লেটোর রিপাবলিক – সরদার ফজলুল করিম

    May 14, 2026

    বৃশ্চিক – পিয়া সরকার

    May 14, 2026

    সংস্কৃতির ভাঙা সেতু – আখতারুজ্জামান ইলিয়াস

    May 14, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }