Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    মানবজমিন – শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়

    August 7, 2026

    কড়িখেলা – সঙ্গীতা বন্দ্যোপাধ্যায়

    August 7, 2026

    নীললোহিতের চোখের সামনে – নীললোহিত (সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়)

    August 7, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    ভালোবাসা নাও, হারিয়ে যেও না – নীললোহিত (সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়)

    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায় এক পাতা গল্প123 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ভালোবাসা নাও, হারিয়ে যেও না – ৮

    ৮

    নিজের সঙ্গে সংলাপে আমি এতই নিমগ্ন হয়ে পড়েছিলুম যে আর একটা ট্রেন এসে যে থেমেছে তা খেয়াল করিনি। এমনকি আওয়াজ পর্যন্ত পাইনি। সামনে দিয়ে অনেক লোকজনের যাতায়াতে ঘোর ভাঙল। তাড়াতাড়ি একটা ডাক শুনে চমকে উঠলুম!

    পান–বিড়ি! পান–বিড়ি–সিগ্রেট! চাই পান…

    আমার থেকে মাত্র দু’তিন গজ দূরে দাঁড়িয়ে আছে ছেলেটি। পনেরো–ষোলো বছর বয়েস হবে। পাজামা আর ছেঁড়া গেঞ্জি পরা। কোমরের কাছে ঝোলানো ডালাটিতে অল্প কিছু সিগারেট আর পান।

    এই সেই বুড়ির নাতি?

    এতক্ষণ এই পানওয়ালা কোথায় ছিল? হঠাৎ যেন মাটি ফুঁড়ে উদয় হলো। ছেলেটির খালি পা, মাথার চুল চটলা মতন, সমস্ত চেহারাটিতেই দারিদ্র্য মাখানো। ব্যাবসার উন্নতির জন্য ও আরো খাটে না কেন? সকাল থেকে কতগুলো ট্রেন চলে গেল।

    আমি ছেলেটিকে চোখে চোখে রাখলুম। ট্রেনটা চলে যাক। যাত্রীর সংখ্যা কমুক, তারপর ওকে ধরব।

    কিন্তু একটা ব্যাপারে খটকা লাগল। বুড়ির নাতি জেল খেটেছিল। পনেরো– ষোলো বছরের ছেলে কি জেলে যায়? ছিঁচকে চুরি–টুরি কিছু করেছিল বোধহয়। একজন মহিলা অনেকগুলো কাচ্চাবাচ্চা নিয়ে বসেছে আমার বেঞ্চের বাকি জায়গাটায়। একটা বাচ্চা আবার বমি করতে শুরু করেছে।

    আমি উঠে পায়চারি করতে শুরু করলুম। বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে গরমও পড়েছে খুব। পিঠের জামা ভিজে ভিজে। প্রথমে এসে এই স্টেশনে যত লোক দেখেছিলুম, সেই তুলনায় এখন লোক অনেক কম। দুপুরের দিকে ট্রেনও কম থাকবে।

    প্রত্যেক রেল স্টেশনের কিছু পোষ্য থাকে। এক জায়গায় মাদুর পেতে কিছু লোক তাস খেলছে। জলের কলের কাছেই একটি পরিবারের পাকাপাকি আস্তানা। এক জায়গায় পড়ে আছে কয়েকটা সোডার বোতলের ক্রেট। বোতলগুলোতে কোনো লেবেল নেই। এইসব সোডা কলকাতায় চলে না। লোকাল ট্রেনে আমি অনেকবার দেখেছি, পনেরো–কুড়ি পয়সায় এক এক বোতল বিক্রি হয়। এগুলো আসলে ভুসভুসে জল। চালওয়ালী, ফড়েরা এই সোডা কেনে। একটা হাফ পাউণ্ড পাঁউরুটির মাঝখানটায় গর্ত করে একটু একটু এই সোডা ঢালে আর কামড়ে কামড়ে খায়। পাঁউরুটি আর সোডা, এই হলো তাদের খাদ্য।

    পান–বিড়িওয়ালাকে একটু নিরালায় ডেকে নিয়ে গিয়ে বললুম, এক খিলি পান সাজ তো। আর এক প্যাকেট চার্মিনার দে!

    যা পান সাজার ছিরি, এর পান বিক্রি হবে কেন? কিচ্ছু জানে না। পুরো এক প্যাকেট সিগারেটও আমাকে দিতে পারল না, মোটে ছ’টা আছে।

    আমি কস্মিনকালে পান খাই না। এই ছোড়ার পান খাওয়া তো আরো অসম্ভব। আমি বললুম, পানটা কাগজে মুড়ে দে। তোর বাড়ি কোথায় রে?

    ছেলেটি বাঁ হাত তুলে বলল, ঐ ওদিকে।

    —কাদাগোলা গাঁয়ে?

    অচেনা একজন লোকের মুখে নিজের গ্রামের নাম শুনে যে–কেউ একটু সচকিত হবে। এ ছেলেটার বোধহয় আশ্চর্য হবার ক্ষমতাই কম। সে শুধু মাথা নাড়ল দু’দিকে।

    – কাদাগোলা গ্রামটা কোথায় তুই চিনিস?

    – না, বাবু।

    —তুই সোনারপুরে থাকিস, কাদাগোলা চিনিস না?

    —না। দিয়াশলাই নেবেন?

    —আর কিছু চাই না। একটা কথা শোন। একজন বুড়িকে তুই চিনিস? বেশ বুড়ি, গড়িয়াহাট বাজারে রোজ ডিম বিক্রি করতে যায়। এইখান থেকেই ট্রেনে চাপে।

    –কত বুড়ি–টুড়িই তো যায়।

    –তোর কোনো দিদিমা বা কেউ যায় না?

    — না!

    আমি একেবারে নিরাশ হয়ে গেলুম। এ ছেলেটা একেবারে অপদার্থ! ও বড়ির নাতি না হতে পারে, একটা কিছু খবর তো অন্তত দিতে পারত! কিছুই জানে না!

    বিরক্ত মুখে আমি দূরে সরে গিয়ে রেল লাইনে ফেলে দিলুম পানের খিলিটা। আমার বেশ আশা হয়েছিল এই ছেলেটাকে সঙ্গে নিয়ে আমি কাদাগোলায় যাব।

    আবার আর একটা ট্রেন আসছে কলকাতার দিক থেকে। আজকের মতন আমার গোয়েন্দাগিরি শেষ। এই ট্রেনটা যদি ক্যানিং–এর হয় তাহলে উঠে পড়ব। পান–বিড়িওয়ালা ছোকরাটি ঘুরে এসে আমার কাছে দাঁড়িয়ে বলল, বুঝিচি বাবু, আপনি লোচনদাকে খুঁজছেন।

    –না তো। কে লোচনদা? তাকে খুঁজব কেন?

    –আপনি যে লোচনদার ঠাকুমার কথা বললেন? সেই বুড়ি ডিম ব্যাচে। কলকেতায় যায়। যাবার সময় রোজ লোচনদার পিঠে হাত বুলোয়। এক একদিন ফেরত আসার সময় লোচনদাকে পয়সা দেয়।

    —সেই লোচনদা কোথায়?

    –সেও পান–সিগ্রেট ব্যাচে। তিন চারদিন আসবে না। কোথায় যেন নুকিয়ে রয়েছে।

    –কেন, লুকোবে কেন?

    —একজনের সঙ্গে মারমারি হয়েছে। এই এস্টেশনে এক শালা হারামী আচে, আমাদের ব্যাবসা করতে দেবে না। আমাদের কাছ ঠেঙে পয়সা চায়। জবরদস্তি করে। আমারও মালপত্তর একদিন ছিরকুট করে দিয়েচে।

    কথা বলতে বলতে ছেলেটি চায়ের দোকানের দিকে আড়চোখে তাকায়। তারপর ট্রেনটি প্ল্যাটফর্মে ঢুকতেই এগিয়ে যায় সেদিকে।

    তাহলে বুড়ির নাতি একজন সত্যিই আছে এই সোনারপুরে। কিন্তু তার দেখা পাওয়া যাবে না। সে লুকিয়ে আছে কোথাও। সেই পুরোনো কাহিনী। একদল লোক কাজ করে, আর একদল লোক কাজ না করে অন্যের উপার্জনে ভাগ বসাতে চায়। সব বড় বড় স্টেশনেই এরকম মাস্তান থাকে দু’একজন।

    প্রথম এসে চা খেতে খেতে যে লোকটির কথা শুনছিলাম, সেই বোধহয় ওদের মধ্যে একজন। এখন এই লোচন নামের লোকটির বেশি খোঁজ খবর নেওয়া আমার পক্ষে নিরাপদ নয়। অবশ্য, বারাসত থানার ও সি যে আমার মামা এই কথাটা আণ্ডার ওয়ার্ল্ডে রটে গেছে নিশ্চয়ই। সহজে কেউ আমার গায়ে হাত দেবে না।

    কলকাতার ট্রেন থেমেছে, কাছাকাছি একটা কামরা থেকে নামল চার পাঁচটি মেয়ে। তাদের একজনের সঙ্গে আমার চোখাচোখি হলো।

    এই সেই হিলহিলে কিশোরী ময়না, আজ সকালেই যার কাছ থেকে আমি এক কিলো ঝিঙে কিনেছি! আজ সকালেই মাত্র জেনেছি ওর নাম। তবু মনে হচ্ছে কতদিনের চেনা!

    বাজার সেরে এরা এত দেরি করে ফেরে? এরপর পায়ে হেঁটে গ্রামে যাবে।

    এরা খায়–দায় কখন?

    ময়নাই প্রথম কথা বলল আমার সঙ্গে।

    এক একজনের মুখে বিস্ময়বোধ চমৎকার ফোটে। ময়নার সারা মুখ জোড়া বিস্ময়। ঠোটে পাতলা হাসি। খানিকটা খুশিও হয়েছে। হাতের খালি ঝুড়িটা দোলাতে দোলাতে এগিয়ে এসে বলল, ও বাবু, তুমি এতদূর এয়েচো? ও মা গো!

    তারপর ময়না তার ব্লাউজের মধ্যে হাত ঢুকিয়ে একটা ছোট কাপড়ের থলে বার করল। তার থেকে আবার একটা সিকি বার করে বলল, এই নাও!

    – এ কি!

    –তোমার পঁচিশ পয়সা বাকি ছিল।

    —তা বলে সেটা এখানে দিতে হবে? আর একদিন বাজার থেকে নিয়ে নিতে পারতুম না!

    অন্য মেয়েগুলো,হেসে উঠল। একজন বলল, এই বাবুকে তো বাজারে প্রায়ই দেখি। অন্য মেয়েরা মাথা নাড়ল। তারা সবাই আমাকে চেনে, যদিও ওদের মুখ আমার কাছে অচেনা।

    ময়দানে রফিকের সঙ্গে যে পাঁচটি নারীকে দেখেছিলুম, তাদের মধ্যে মিতুন নামের মেয়েটির সঙ্গে ময়নার মুখের বেশ মিল আছে। মিতুনের ভুরু প্লাক করা, মুখে প্রচুর প্রসাধন। কথা বলে আধো–আধো সুরে, সেই তুলনায় ময়নার মুখে ঘাম মেশানো ময়লা, কিন্তু ব্যবহার কত সাবলীল। একটা অদম্য প্রাণশক্তি ফুটে বেরুচ্ছে তার সারা শরীর দিয়ে। বাজারে ময়নাকে আমি শুধু বসে থাকা অবস্থাতেই দেখেছি, এখন বোঝা গেল সে বেশ লম্বা। তার কোমরটি অতি দর্শনীয়। এই মেয়েটিকে যত্ন করে খেলাধুলো শেখালে অলিম্পিক থেকে সোনা–রুপো কিছু একটা নিয়ে আসতে পারত মনে হয়।

    ময়না জিজ্ঞেস করল, তুমি কোথায় যাবে, ক্যানিং?

    –না, কাদাগোলা।

    —সত্যি? হি–হি–হি–হি!

    একজন দুঃখী দুঃখী চেহারার মধ্যবয়স্ক লোক এবারে কাছে এসে দাঁড়াল। এ কিন্তু বুড়ির অন্য পাশে বসা বিক্রেতাটি নয়। তবে এর চেহারা দেখলেই বাজারের দোকানদার বলে মনে হয়।

    একে দেখে আমি একটু স্বস্তি বোধ করলুম। প্ল্যাটফর্মে দাঁড়িয়ে চার–পাঁচটি যুবতী মেয়ের সঙ্গে কথাবার্তা চালানো আমার কর্ম নয়। ময়না বার বার হেসে আমাকে নার্ভাস করে দিচ্ছে।

    লোকটির থুতনিতে ছাগল–দাড়ি, মাথার চুল পাতলা, হেঁটো ধুতির ওপর সে যে ফতুয়াটা পরে আছে সেটা এককালে নিশ্চয়ই সাদাই ছিল। তার চোখ দুটি দেখলে মনে হয় কাজল টানা, তাতে গভীর দুঃখের ছাপ।

    লোকটি নম্র গলায় জিজ্ঞেস করল, বাবু, কোথায় যাবেন?

    —এদিকে কাদাগোলা নামে একটা গ্রাম আছে না?

    –সেখেনে যাবেন? রাস্তা বেশ খারাপ, আপনারা যেতে পারবেন না।

    –শোনো, আমাদের বাজারে একজন বুড়ি ডিম বিক্রি করতে আসত, তার সঙ্গে আমি দিদিমা সম্পর্ক পাতিয়েছিলুম।

    ময়না আবার হি হি করে জোরে হেসে উঠল। তার হাসির ছোঁয়াচ লাগল অন্য মেয়েদের মুখে। কিন্তু তাদের হাসির মধ্যে আমার কথার সম্মতি আছে।

    দুঃখী লোকটি অবাক ভাবে চেয়ে আছে আমার দিকে।

    এদের কাছে আমি কোনো মিথ্যে কথা বলব না ঠিক করেছিলুম, কিন্তু এরা যে সত্যি কথা নিয়েও কৌতুক করে।

    —সেই বুড়ি একদিন তার বাড়িতে আমায় নেমন্তন্ন করেছিল, খুব করে যেতে বলেছিল। আজ এদিকে এসেছিলুম একটা অন্য কাজে, তাই ভাবছি একবার ওর বাড়ি ঘুরে আসব। তোমরা কেউ তার বাড়ি চেন?

    লোকটি মেয়েদের দিকে তাকিয়ে জিজ্ঞেস করল, কে রে

    ময়না ও আরো একটি মেয়ে একসঙ্গে বলল, ঐ যে কাদাগোলা থেকে আসে, আক্কাসের নানী।

    আর একটি মেয়ে বলল, এই টেরেনেই তো রোজ ফেরে। দু’ চারদিন দেখছি না। একদিন আমাদেরকে পান খাওয়ালে!

    লোকটি চিনেছে, মাথা নাড়ল দু’বার।

    তারপর আমার দিকে ফিরে বলল, আপনি কাদাগোলায় যাবেন?

    এটা নিছক প্রশ্ন নয়, এই সরল বাক্যটির মধ্যে যেন অনেক কিছু আছে।

    সে চোখের পলক না ফেলে তাকিয়ে থাকে আমার দিকে।

    –তোমরা একটু রাস্তাটা যদি দেখিয়ে দাও!

    —চলেন!

    টিকিট চেকিং–এর কোনো ব্যাপার নেই, আমরা রেল লাইন ধরেই হাঁটতে লাগলুম। ট্রেনে আমিও কয়েকবার টিকিট ফাঁকি দিয়েছি, কিন্তু তার মধ্যে কত উত্তেজনা, রোমাঞ্চ, শিহরণ ছিল। এদের ব্যাপারটা একেবারেই নিরামিষ।

    কৌতূহল দমন করতে না পেরে আমি লোকটিকে জিজ্ঞেস করলুম, তোমরা যে রোজ ট্রেনে যাতায়াত করো, তোমাদের পয়সা লাগে না বুঝি!

    লোকটি অভিযোগের সুরে বলল, মাঝে মাঝে লাগে।

    ময়না বলল, একটা কালো কোট আছে, মহা ঢেঁটিয়া!

    আর একটি মেয়ে বলল, আজ লোকটাকে দেখলুম, ঢাকুরিয়া এস্টেশনে ডাঁড়িয়ে আছে, ডাঁড়কাকের মতন এদিক উদিক চাইছে।

    ময়না বলল, ডাঁড়কাক না শকুনি!

    তারপর শুরু হলো টুকিটাকি ট্রেনের গল্প। মেয়েরা ঐ লোকটাকে দিন্দা বলে ডাকছে। বোধহয় ওর নাম দিনু। কিংবা দিন্দাও কারুর নাম হতে পারে। কথা শুনে বোঝা গেল এই দিন্দা বেশ নিরাসক্ত ধরনের মানুষ। মাস খানেক আগে ট্রেনে ফেরার সময় তার টাকার গেঁজে চুরি গেছে। সে জন্য তার খুব হা–হুতাশ নেই। সে বলল, যে নিয়েছে সে কি বড়লোক হবে? দু’ দিন বাদে আবার যে– কে সেই। আমায় সুদুমুদু সুদ গুণতে হলো!

    দিন্দার সঙ্গে কথা বলে আর একটা নতুন তথ্য জানতে পারলুম। এই যেসব ছোট ছোট দোকানদাররা গ্রাম থেকে জিনিসপত্তর কিনে শহরের বাজারে নিয়ে গিয়ে বিক্রি করে, এই সামান্য ব্যাবসার মুলধনের টাকাটাও মহাজনের কাছ থেকে ধার করতে হয়। তার সুদ টাকায় দশ পয়সা, প্রতিদিন!

    ব্যাঙ্ক থেকে টাকা ধার করলে বোধহয় আঠেরো পার্সেন্ট সুদ দিতে হয় বছরে। আর এই যে মহাজনেরা প্রতিদিন দশ পার্সেন্ট সুদ নেয়, সেটা বছরের হিসেবে কত পার্সেন্ট হয় সে অঙ্ক কষার সাধ্য আমার নেই। চাষীর উৎপাদন আর শহরের ‘ক্রেতা, এর মাঝখানে যে কতগুলি মিডলম্যান থাকে, তার সঠিক হিসেব কি কেউ রাখে?

    একবার বন্ধুবান্ধবরা মিলে বেড়াতে গিয়েছিলাম কাকদ্বীপে। গঙ্গায় এক মাছ– ধরা নৌকো থামিয়ে ইলিশ কিনতে চেয়েছিলুম, চকচকে ঝকঝকে গোটা দশেক ইলিশ দেখেছিলুম সেই নৌকোয়, কিন্তু জেলেরা বলেছিল, ও ইলিশ বিক্রির নয়। মহাজনের কাছ থেকে দাদন নেওয়া আছে, সব মাছ আগে তাকে দিতে হবে।

    এই মহাজনদের কী রকম দেখতে হয়? যারা সুদে টাকা খাটায়, তাদের মহাজন নাম রেখেছে কে?

    রোদের ঝাঁঝ এমন যে সারা গায়ে যেন বিছুটি লেগেছে। ময়নাদের কোনো ভ্রূক্ষেপ নেই, ওরা এই পথে নিত্য তিরিশ দিন যাতায়াত করে। আমারও হাঁটতে খারাপ লাগে না, তবে এই অ্যাডভেঞ্চারটি শীতকালে হলে আরো মনোরম লাগত।

    রেললাইন ছেড়ে আমরা চলেছি মাঠের রাস্তা দিয়ে। দুটি মেয়ে একটু আগে বিদায় নিয়েছে। আরো দু’জন এখন চলে গেল। ময়না আর দিন্দা থাকে একই গ্রামে।

    ময়না আগে চাল চোরাচালানের কাজ করত, তখন সে বেশ ছোট ছিল, তবে সেই কারবারে লাভ ছিল বেশি, ঝুঁকিও ছিল অবশ্য। এখন চালের কারবারে ভাটা পড়ে গেছে।

    সেই একটা সময় গেছে বটে। জেলায় জেলায় কর্ডন, এ জেলার চাল অন্য জেলায় নেওয়া যাবে না। র‍্যাশনিং ব্যবস্থা অনুযায়ী প্রত্যেককে কম চাল খেতে হবে। কিন্তু শহরে যাদের ক্রয়ক্ষমতা আছে, তারা চাল কিনবেই, বেশি দাম দিয়ে কিনবে, তারা র‍্যাশনিং ব্যবস্থা মানে না। ডিমাণ্ড থাকলে সাপ্লাই লাইনও যে–রকম ভাবেই হোক চালু থেকে যায়। সরকারের অদ্ভুত নীতির ফলে বাংলার গ্রামের হাজার হাজার ছেলেমেয়ে বে–আইনী চালের কারবারে নেমে পড়ে। লোক্যাল ট্রেনে এক সময় যাত্রীর বদলে চোরাচালানীরা বেশি থাকত। স্টেশন আসবার আগে রেল লাইনে ধপাধপ করে পড়ত চালের বস্তা।

    সেই সময় চালের চোরাচালানীদের দিকে ঘৃণার দৃষ্টিতে তাকাতুম। মনে হতো, গ্রামের বউ–ছেলে–মেয়েরাও ক্রিমিনাল হয়ে গেল? তাদের কারুর সঙ্গে কথা বলিনি। ময়নাও ওদেরই একজন। কিন্তু ময়নার মুখ দেখলে মনে হয় না যে ওর জীবনে কোনো পাপের দাগ আছে।

    এই রকম প্রাণচঞ্চল মেয়ে, অথচ স্কুলে যাবার সুযোগ পায়নি, খেলাধুলোও করে না। ওর এখন যা বয়েস, এই বয়েসের মেয়েরা গল্প–উপন্যাসে গ্রাম্য প্রেমের নায়িকা হয়, কিন্তু ওর কি প্রেম করারও সময় আছে? রাত থাকতে থাকতেই উঠে, এতটা পথ হেঁটে, ট্রেন ধরে গড়িয়াহাট বাজারে পৌঁছতে হয় সাতসকালে! ফেরে এইরকম মধ্যদুপুরে, তারপর বাড়িতে গিয়ে খাবে, কে জানে রান্না করা আছে কি না। বিকেলে আবার হাটে যাবে সওদা করতে, মহাজনের টাকা শোধ করবে…সন্ধের পর গ্রামের জীবনে আর কিছু ক্রিয়াকলাপ নেই। সারাদিন যে মেয়েটিকে এত খাটতে হয়, তা তো খেলাচ্ছলে নয়। সুতরাং যে–কাজে সামান্য বেশি রোজগার, সেই কাজেই ও ঝুঁকবে।

    সেই বাহাত্তর বছরের ডিমওয়ালি বুড়িও এতখানি পথ হেঁটে যেত? এ যে কল্পনা করাই শক্ত। তার একটা নাতি আছে, সে ঐ বুড়িকে খাওয়াতে পারে না?

    ওরা বলল, বুড়ির নাতির নাম আক্কাস। স্টেশনের পান–বিড়িওয়ালা যে বলল, বুড়ির নাতির নাম লোচন? দু’জন তা হলে আলাদা নয় তো? আমি কি ভুল বুড়ির কাছে যাচ্ছি?

    ময়নাকে জিজ্ঞেস করলুম সে কথা।

    ময়না বলল, ঐ আক্কাস আর লোচন একই মানুষ গো! এস্টেশানে ওকে লোচন লোচন বলে, একটা চোখ কানা কিনা!

    দিন্দা বলল, ছোঁড়াটা বড় চুলবুলে। কাজকর্মে মন নেই, উকু ঝেন্‌ঝাটে বেশি মন।

    ময়না প্রতিবাদ করে বলল, আহা, ওর কি দোষ? গায়ে খেটে রোজগার করলেও দুটো গুণ্ডো জোর করে পয়সা আদায় করে ওর কাছ ঠেঙে। ও তাই জেদাজেদি করে।

    দিন্দা বলল, ঐ করেই তো একটা চোখ খোয়ালে। তারপর আবার গারদে গেল। আমাদের কি বাবু ওসব পোষায়? ঐ গুণ্ডোদের সঙ্গে পারবে কেন? আমাদের সঙ্গে বাজারে বসলেই পারত। তা নয়, ও এস্টেশানেই থাকবে!

    আমি বললুম, আবার তো শুনলুম মারামারি করেছে।

    দিন্দা উদাসীনভাবে বলল, ও লেগেই থাকবে। বুড়িটারই যত কষ্ট।

    হঠাৎ একটা কথা মনে পড়ে গেল। ঐ বুড়ির ব্যবহার, হাসির ভঙ্গি, চেহারার মধ্যে আমি আমার দিদিমার অনেকটা আদল খুঁজে পেয়েছি। কিন্তু বুড়ি আমার মধ্যে কী পেয়েছে? আমার প্রতি তার এত স্নেহ কেন?

    আমি জিজ্ঞেস করলুম, হ্যাঁ গো, ঐ বুড়ির নাতি যে আক্কাস বা লোচন, তার চেহারার সঙ্গে কি আমার মিল আছে?

    ময়না কাঠঠোকরা পাখির মতন হি হি হি হি করে তীব্র গলায় হেসে উঠল।

    দিন্দা দু’ দিকে ঘাড় নেড়ে বলল, না গো বাবু, সে কোনো মিল নেই। আপনি হলেন গে ভদ্দরলোক।

    আমি বললুম, আহা, ভদ্দরলোক আর অন্য লোকের কী আছে। চেহারার মিল থাকতে পারে না! এই যে ময়না, ওর সঙ্গে তো এক মেমসাহেবের চেহারার মিল আছে তার নাম নাদিয়া কোমানচিয়া।

    ময়না আবার হাসিতে শরীর দুলিয়ে দেয়।

    দিন্দাকে বললুম, তোমাকেও ধুতি আর পাঞ্জাবি পরিয়ে দিলে আমাদের পাড়ার একজন ইস্কুল মাস্টারমশাইয়ের মতন দেখাবে!

    দিন্দা সহজে হাসে না। সে অন্যদিকে তাকিয়ে বলল, আমার বাপ– চোদ্দপুরুষে কেউ ইস্কুলে যায় নে।

    তারপর সে থমকে দাঁড়িয়ে খালি দূরের এক জোড়া তালগাছ দেখিয়ে বলল, ঐ উদিকে আপনার হলো গে কাদাগোলা। আর আধ কোশ টাক।

    আমি বললুম, এতখানি রাস্তা এলুম, কই কাদা পাইনি তো। সবাই কাদার ভয় দেখাচ্ছিল?

    ময়না বলল, এবার যান না উদিকে!

    দিন্দা বলল, ওদিকটেয় নাবাল জমি তো, আগে নদীর গবভো ছিল, তাই ওদিকে পাঁক হয়। হ্যাঁ, একটু বেশিই হয়। যেতে আপনার কষ্ট হবে।

    –কতখানি কাদা, হাঁটু ডুবে যাবে?

    দিন্দা খানিকটা সান্ত্বনার সুরে বলল, না তা নয়। হাঁটুর কমই হবে! এই ধরুন গে, এতকখানিক।

    ময়না আকাশের দিকে তাকিয়ে আছে। আপন মনে বলে উঠল, আ মরণ, আজ এত শকুন কেন? আবার কার বাড়ি গোরু ম’লো?

    আমিও ওপরে তাকিয়ে দেখলুম, আকাশ একেবারে শকুনে শকুনে ছয়লাপ। যতক্ষণ আকাশে থাকে ততক্ষণ পাখি হিসেবে শকুনগুলোকে দেখতে খারাপ লাগে না।

    দিন্দা ওপরে তাকিয়ে কী যেন বিড়বিড় করে বকছে। তারপর হঠাৎ কিছু মনে পড়ায় সে এক দৃষ্টে তাকিয়ে রইল আমার দিকে।

    ময়না ডান দিকে একটা সরু রাস্তা দেখিয়ে বলল, এইটে আমাদের গাঁ।

    দিন্দা বলল, বাবু, আপনি এখন যাবেন? আমাদের গাঁয়ে গিয়ে একটু জিরিয়ে, জলটল খেয়ে নিলে হতো না!

    –না–না, তার দরকার নেই। দেরি হয়ে যাবে। আমায় আবার ফিরতে হবে তো?

    —বেশি দূর নয়, আমাদের গাঁ ঐ তো হেথায়। গরিবের বাড়িতে একটু বসবেন। আমরাও মুখে কিছু দিয়ে নিতুম। তারপর একজন কেউ যেতুম আপনার সঙ্গে।

    –কেন, আমি একলা যেতে পারব না?

    —তা পারবেন। তবে কী দেখতে গিয়ে কী দেখবেন সেই হলো কথা। তুই কী বলিস রে, ময়না? কাদাগোলায় পরশুদিন কে যেন মারা গ্যাছে শুনছিলুম যেন। যদি সেই বুড়িটাই হয়।

    আমার বুকটা ধক্ করে উঠল। আমি দেরি করে ফেলেছি।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleনিরুদ্দেশের দেশে – নীললোহিত (সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়)
    Next Article তার চোখের তারায় – সায়ক আমান

    Related Articles

    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    নীললোহিতের চোখের সামনে – নীললোহিত (সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়)

    August 7, 2026
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    নীললোহিতের অন্তরঙ্গ – নীললোহিত (সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়)

    August 7, 2026
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    আকাশ পাতাল – নীললোহিত (সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়)

    August 7, 2026
    Ek Pata Golpo সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    নিরুদ্দেশের দেশে – নীললোহিত (সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়)

    August 6, 2026
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    ঘটনার ঘনঘটা – নীললোহিত (সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়)

    August 5, 2026
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    শেষ দেখা হয়নি – নীললোহিত (সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়)

    August 5, 2026
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    अनीश दास
    मौलाना शाह वलीउल्लाह
    रेवरेंड के. के. जी. सरकार
    অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত
    অঁতোয়ান দ্য সাঁত-এক্সুপেরি
    অনন্যা পাল
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অনীশ দেব
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অবনীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    অভিজ্ঞান রায়চৌধুরী
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক দত্ত
    অভীক সরকার
    অমরেন্দ্র চক্রবর্তী
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অরিন্দম দেবনাথ
    অর্পিতা সরকার
    অশোককুমার মিত্র
    অসম্পূর্ণ বই
    আখতারুজ্জামান ইলিয়াস
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুর রহমান আল-আরিফি
    আবদুল হালিম
    আব্দুল মালেক আলী আল-কুলাইব
    আব্দুল হামীদ ফাইযী
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    কৌশিক সামন্ত
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোপেন্দ্র বসু
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভট্টাচার্য
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যজ্যোতি মজুমদার
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বাণ রায়
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পরিমল ভট্টাচার্য
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিয়োদর দস্তইয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণু শর্মা
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাসরুর আরেফিন
    মাহতাব উদ্দিন
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রণদীপ নন্দী
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রশীদ করীম
    রাজর্ষি দাশ ভৌমিক
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    রাফিক হারিরি
    রেভারেণ্ড কে. কে. জি. সরকার
    লীলা মজুমদার
    লেইল লোনডেস
    লেখক
    শওকত আলী
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শঙ্কর চ্যাটার্জী
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শহীদুল্লা কায়সার
    শাক্যজিৎ ভট্টাচার্য
    শাক্যজিৎ ভট্টাচাৰ্য্য
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শৈবাল মিত্ৰ
    শ্যামল গঙ্গোপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রীপারাবত
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঙ্গীতা বন্দ্যোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সন্দীপন চট্টোপাধ্যায়
    সন্মাত্রানন্দ
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমীরণ গুহ
    সমুদ্র পাল
    সম্পাদনা : শৈলেন্দ্র হালদার
    সরদার ফজলুল করিম
    সরোজকুমার রায়চৌধুরী
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সায়ক আমান
    সায়ন্তনী পূততুণ্ড
    সায়ন্তনী পূততুন্ড
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুব্রত গুহ
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সেলিনা হোসেন
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৈয়দ মুস্তাফা সিরাজ
    সৈয়দ শামসুল হক
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বপ্নময় চক্রবর্তী
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্মরণজিৎ চক্রবর্তী
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হরিশংকর জলদাস
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মানবজমিন – শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়

    August 7, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মানবজমিন – শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়

    August 7, 2026
    Our Picks

    মানবজমিন – শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়

    August 7, 2026

    কড়িখেলা – সঙ্গীতা বন্দ্যোপাধ্যায়

    August 7, 2026

    নীললোহিতের চোখের সামনে – নীললোহিত (সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়)

    August 7, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }