Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    মানবজমিন – শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়

    August 7, 2026

    কড়িখেলা – সঙ্গীতা বন্দ্যোপাধ্যায়

    August 7, 2026

    নীললোহিতের চোখের সামনে – নীললোহিত (সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়)

    August 7, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    ভালোবাসা নাও, হারিয়ে যেও না – নীললোহিত (সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়)

    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায় এক পাতা গল্প123 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ভালোবাসা নাও, হারিয়ে যেও না – ৪

    ৪

    চম্পকের সঙ্গে হলদিয়া গিয়ে আমি তিন–চারদিন আটকে গেলুম।

    ইন্টারভিউ বোর্ডে চম্পকের চেনা বেরিয়ে গেল একজন। ওর জামাইবাবুর বন্ধু। চম্পক যদি ঘুণাক্ষরেও জানত যে অরবিন্দ রায় মাত্র কয়েক মাস আগে এই মাল্টি–ন্যাশনাল কোম্পানিতে যোগ দিয়েছেন তাহলে ও আগে থেকেই সব ব্যবস্থা করে ফেলতে পারত। অরবিন্দ রায় ওদের বাড়িতে বেশ কয়েকবার এসেছেন ব্যাডমিন্টন খেলতে। চম্পকদের বাড়ির উঠোনে প্রত্যেক বছর নেট টাঙানো হয়।

    ইন্টারভিউ দিতে ঢুকে চম্পক দারুণ চমকে উঠেছিল, কিন্তু বাইরে তা প্রকাশ করেনি। ইন্টারভিউ বোর্ডে নিজের মামা থাকলেও তাকে মামা বলে না ডেকে স্যার বলতে হয়।

    মোটামুটি উত্তর ভালোই দিয়েছে চম্পক, শুধু দুটো প্রশ্নের বেলায় একটু থতমত খেয়েছিল। তখন অরবিন্দ রায়ই উদারভাবে বলেছিলেন, অল রাইট, অল রাইট, দ্যাট উইল ডু!

    সুতরাং চম্পক ধরেই নিয়েছিল যে চাকরি হয়ে গেছে। ইন্টারভিউ দিয়ে বেরিয়ে এসে আমাকে জড়িয়ে ধরে প্রায় লাফায় আর কি!

    উচ্ছ্বাস একটু কমবার পর চম্পক বলল, এখন সবচেয়ে জরুরি কাজটা কী জানিস? এখানে একটা সুবিধেমতন থাকার জায়গার ব্যবস্থা করা। পোস্টিং তো হবে এখানেই। এরা কোয়ার্টার দিতে পারবে না আগেই বলে দিয়েছে।

    আমি বললুম, অ্যাপয়েন্টমেন্ট লেটারটা কবে দেবে, এখন না ছ’মাস বাদে, সেই পাকা খবরটা নে আগে।

    –আরে অ্যাপয়েন্টমেন্ট সামনের মাস থেকেই। ওরাই তো জিজ্ঞেস করল, আমি এক্ষুনি জয়েন করতে রাজি আছি কি না! অরবিন্দ রায় যখন আমার দিকে তাকাচ্ছিলেন, তখন তাঁর চোখ দিয়ে হাসি ফুটে বেরুচ্ছিল!

    –চম্পক, আমি তো শুনেছি, কার কার চাকরি হবে তা আগে থেকেই ঠিক হয়ে থাকে। ইন্টারভিউটা একটা ফার্স।

    –সে তোদের গভর্নমেন্ট অফিসে হয়। এসব বিলিতি কোম্পানিতে ওসব চলে না। তাছাড়া আমি অরবিন্দ রায়ের সঙ্গে ব্যাডমিন্টনে সিঙ্গল্স খেলেছি, তুই জানিস? আমার জামাইবাবু, মানে প্রকাশদার বুজুম ফ্রেন্ড।

    তবু সন্ধের পর আমরা কোম্পানির গেস্ট হাউস খুঁজে বার করে অরবিন্দ রায়ের সঙ্গে দেখা করতে গেলুম।

    দু’পাশে ব্যর্থ বাগান–চেষ্টা, মাঝখানে সুদর্শন দোতলা বাড়ি, সব কটি ঘরেই আলো জ্বলছে। বাংলোতে ঢোকার সময়েই আমার কেয়ারটেকার বা দারোয়ানের কথা মনে পড়ে। সেরকম কেউ নেই, আমরা গেট ঠেলে ভেতরে ঢুকে পড়লুম।

    সামনের বারান্দায় আমাদেরই বয়েসী একজন যুবক চা খেতে খেতে খবরের কাগজ পড়ছে। মফস্বলের দিকে এরকমই হয়। এরা সন্ধেবেলা কাগজ পড়ে। আমাদের দেখে যুবকটি মুখ তুলে বলল, কী চাই?

    আমরা আমাদের মনোবাঞ্ছা জানালুম। যুবকটি বলল, মিঃ এ কে রায়? হ্যাঁ, তিনি আছেন ঘরে, কিন্তু এখন তো দেখা হবে না।

    আমরা বললুম, আমাদের বিশেষ দরকার আছে।

    যুবকটি রূঢ় বা অভদ্র নয়। বরং একটু গূঢ়ভাবে হেসে কিছু যেন একটা বোঝাবার চেষ্টা করে বলল, এখন দেখা করার মুশকিল আছে।

    চম্পক এবারে জোর দিয়ে বলল, আপনি গিয়ে বলুন, ওঁর বন্ধু প্রকাশবাবুর কাছ থেকে এসেছি। প্রকাশ মজুমদার শিবপুরের প্রফেসার

    লোকটি অনিচ্ছা সত্ত্বেও উঠে গেল। একতলাতেই অরবিন্দ রায়ের ঘর, সেখানে আরো লোকজন আছে বোঝা যায়।

    একটু বাদে অরবিন্দ রায় বেরিয়ে এলেন পাজামা পাঞ্জাবি পরে। বেশ সুপুরুষ। বিলেত–ফেরৎ অফিসারদের মতন মুখের ভাব। কিন্তু তিনি একটি অদ্ভুত ব্যবহার করলেন। প্রথমে চম্পকের মুখের ওপর চোখ বুলিয়ে আমার দিকে চেয়ে জিজ্ঞেস করলেন, কী খবর?

    আমি বললুম, আমি চম্পকের বন্ধু, ওর সঙ্গে এসেছি।

    এবারে তিনি চম্পকের দিকে ফিরে অধীরভাবে জিজ্ঞেস করলেন, কী ব্যাপার?

    চম্পক আকাশ থেকে পড়ল। উনি তাকে চিনতে পারছেন না। চম্পক চট করে একবার তাকাল আমার দিকে। তারপর ম্রিয়মাণ ভাবে বলল, প্রকাশ মজুমদার আমার জামাইবাবু হন, আপনার বন্ধু…

    —হ্যাঁ, হ্যাঁ, তা তো বুঝলুম। এখানে কী ব্যাপার?

    –আজ দুপুরে আমি একটা ইন্টারভিউ দিয়েছি আপনাদের কোম্পানিতে….

    —ইন্টারভিউ? আজ দুপুরে…

    হঠাৎ চুপ করে গিয়ে তিনি একটা দীর্ঘশ্বাস ফেললেন। কী রকম যেন একটা অপ্রস্তুত ভাব।

    সেই দীর্ঘশ্বাসটিতে আমি বিলিতি মদের গন্ধ পেলুম। বিলিতি কোম্পানির বড় অফিসার, সন্ধের পর মদ্যপান করবেন সহকর্মী বা বন্ধুদের সঙ্গে, এতে আর আশ্চর্যের কী আছে? সেজন্য ইনি লজ্জা লজ্জা ভাব করছেন কেন?

    প্রায় মিনিট খানেক চুপচাপ থেকে তারপর অরবিন্দ রায় বললেন,

    তুমি ইন্টারভিউ দিচ্ছ, সে কথা প্রকাশ তো আমায় কিছু জানায়নি। ঠিক আছে, তুমি কাল সকালে একবার দেখা করো আমার সঙ্গে…ও না, না, কাল সকালে তো সময় হবে না, ওয়ার্কশপ ইনস্পেকশান আছে কাল দুপুরে… পর পর দুটো মিটিং, তুমি বিকেলবেলা দেখা করো, এখানে ঠিক সাড়ে পাঁচটার সময়। আচ্ছা?

    এই বলেই অরবিন্দ রায় পেছন ফিরলেন। আমি আর চম্পক নেমে পড়লুম সিঁড়ি দিয়ে। গেটের কাছে পৌঁছেছি, তখন অরবিন্দ রায় আবার ডেকে বললেন, এই “যে, ইয়ে, শোনো, তোমার নামটাই তো জানা হয়নি।

    চম্পক ফিরে দাঁড়িয়ে নিজের নাম বলল।

    –তোমরা উঠেছ কোথায়? তোমার বন্ধুটি কিলোক্যাল?

    –না, আমরা দু’জনেই কলকাতা থেকে এসেছি, দুর্গাচকের একটা হোটেলে উঠেছি।

    –কাল বিকেল পর্যন্ত থাকলে শুধু শুধু তোমাদের হোটেল খরচ হবে। এক কাজ করতে পার… এখানে তো সম্ভব নয়, আমাদের আর একটা গেস্ট হাউস আছে, সেখানে উঠতে পার, আমি বলে দিচ্ছি…।

    অরবিন্দ রায়ের চরিত্রটি যে বেশ বিচিত্র তা বলতেই হবে। চম্পকের সঙ্গে উনি একাধিকবার ব্যাডমিন্টন খেলেছেন, তবু ইন্টারভিউ বোর্ডে বসে তিনি ওকে চিনতে পারেনি। এ রকম হয় নাকি? আমাদের সঙ্গে বারান্দায় দাঁড়িয়ে দু’মিনিট কথা বলে উনি বিদায় করে দিতে চাইছিলেন, তারপর আবার অযাচিত ভাবেই থাকার জায়গা ঠিক করে দিলেন!

    কেয়ারটেকার যুবকটি আমাদের দ্বিতীয় গেস্ট হাউসে পৌঁছে দিল। এটা একটু নিরেশ ধরনের। জনতা টাইপ। চ্যাপ্টা ধরনের বাড়ি, খান দশেক ঘর। বোধ হয় কোম্পানির হেড অফিস থেকে কেরানি–টেরানিরা এলে এটাতে ওঠে।

    কিন্তু আমাদের হোটেলের ঘরটি একেবারেই বুক–চাপা, জানলা দিয়ে কিছুই দেখা যায় না।। সেই তুলনায় এখানে আলো–হাওয়া আছে। রাত্তিরেই আমরা হোটেল ছেড়ে চলে এলুম এখানে। এখানকার ক্যান্টিনে মাংস–ভাত বেশ সস্তা। অতিরিক্ত ঝোল চাইলে তার সঙ্গে দু’–এক টুকরো আলুও দেয় বেশ উদারভাবে।

    পরদিন বিকেলে অরবিন্দ রায়ের কাছে আমি আর যেতে চাইলুম না। চাকরির খোঁজখবরের ব্যাপারে কোনো বন্ধুকে সঙ্গে করে নিয়ে যাওয়া ঠিক সঙ্গত নয় বোধহয়।

    চম্পককে বুঝিয়ে একা পাঠিয়ে আমি বেড়াতে লাগলুম হলদি নদীর ধারে। এখানে খেয়া নৌকো চলে। অনেকেই ওপারে যাচ্ছে। খেয়া নৌকো দেখলেই আমার অন্য পারে যেতে ইচ্ছে করে। অন্ধকার নামবার আগে চম্পক ফিরে এলে একবার ওপারটা ঘুরে আসতে হবে!

    …রোমির মতন মেয়ে, যাদের দেখলেই মনে হয়, অন্য অনেকের স্তুতি পাবার জন্যই এরা জন্মেছে, তাদেরও জীবনে সমস্যা থাকে? কেন থাকবে না? কোথায় যেন পড়েছিলুম, সুন্দরী মেয়েরা কখনো সুখী হয় না। ক্লিয়োপেট্রাকে আত্মহত্যা করতে হয়েছিল…

    না–না, এসব আমি বাজে কথা ভাবছি। রফিকের কথার কোনো গুরুত্ব দেওয়া যায় না। রফিক অত্যন্ত সুখী ছেলে, আলমারির তলায় একটা ইঁদুর মরে পচা গন্ধ বেরুলে সেটাই ওর জীবনে একটা বিরাট সমস্যা! রোমি এই পৃথিবীর মাটি থেকে এক ইঞ্চি ওপরে হাঁটবে, ও কোনোদিন নোংরা কিছু দেখবে না, ওর জন্য এই পৃথিবী আর একটু সুন্দর হবে।

    আমি জানি, রোমির সঙ্গে কোনোদিন আমার অন্তরঙ্গতা হবে না, কোনোদিন আমরা নিরালায় মুখোমুখি বসে ভুল বোঝাবুঝিগুলো শুধরে নেব না। ভালোবাসা তাকেই বলে যখন একজন আরেক জনের কথা ভাবলেই বুকটা সম্পূর্ণ খালি হয়ে যায় শুধু তাকেই জায়গা দেবার জন্য।

    রোমির প্রতি আমার যেটা হয়েছে সেটা চোখের ঘোর, কিংবা সুন্দরের বন্দনাও বলা যেতে পারে। ওসব দূর থেকেই ভালো। সুন্দরের বেশি কাছে যেতে নেই।

    টাটকা হাওয়া মুখে ভরে নিয়ে কুলকুচি করতে করতে এক সময় আমি আপন মনে বকে উঠলুম, কি হে, নীললোহিত চন্দর, খুব যে একলা একলা নদীর ধার দিয়ে হাঁটতে হাঁটতে সুন্দরী মেয়ের ধ্যান করা হচ্ছে! জীবনে কি আর কিছু নেই? কতদিন আর এই রকম গায়ে ফুঁ দিয়ে বেড়াবে? কোনো দায়িত্ব নিতে হবে না! কথায় বলে, কাঁধে একটা দায়িত্বের জোয়াল না চাপলে ছেলেরা ঠিক পুরুষমানুষ হয়ে ওঠে না!

    ভেতর থেকে আমার অলটার ইগো উত্তর দিল, দ্যাখো বাপু, বেশি উপদেশ ঝেড়ো না! সবাইকেই যে চাকরি–বাকরি, ব্যাবসা–বাণিজ্য, জীবনের উন্নতি, সামাজিক কর্তব্য এই সব নিয়ে মেতে থাকতে হবে তার কি কোনো মানে আছে! দু’চারটে থাক না একটু ছন্নছাড়া! তারা নিয়মের বিরুদ্ধে চলুক, তা হলেই ব্যালান্স ঠিক থাকবে।

    –এটা হলো ফাঁকির কথা। পলায়নপন্থীর যুক্তি!

    –পলায়ন পন্থাটা কি সব সময় খারাপ নাকি? মনে করো, উদাসীনতা। সেটাও তো বাস্তব অবস্থা থেকে পলায়ন। সেটাকে পৃথিবী থেকে উঠিয়ে দিতে চাও? তাহলে তো পৃথিবীর অর্ধেক দর্শন আর কবিতাই বরবাদ হয়ে যাবে?

    —ফরগেট ইট! তুমি দার্শনিকও নয়, কবিও নয়। তুমি হচ্ছো একটা রোমান্টিকতার ফাঁপা মানুষ!

    –গালাগাল দেওয়া খুব সোজা। আজকাল সবাই সবাইকে মওকা পেলেই এক হাত নিয়ে নিচ্ছে। আমি একটা সোজা কথা জিজ্ঞেস করতে চাই। একটি সুন্দর সৃষ্টি, একটি বাইশ বছরের নারী, আমি যার কোনোদিন হাতটাও ছুঁয়ে দেখব না—শুধু মনে মনে যদি আমি তার কথা চিন্তা করে, অর্থাৎ দিবাস্বপ্ন দেখে আনন্দ পাই তাতে দোষের কী আছে?

    –সেই সময়টা তুমি আরো ভালোভাবে কাজে লাগাতে পারতে!

    —কাজ! একটা সত্যি কথা বলব! আজকাল যে যত বেশি কাজ করছে, সে ততই পৃথিবীটাকে ধ্বংসের দিকে নিয়ে যাচ্ছে!

    —অদ্ভুত বোকার মতন কথা!

    —বোকাই তো, আমি একটা বোকা। ধুরন্ধরদের নিয়েই তো যত বিপদ। মনে করো, একজন বড় বৈজ্ঞানিক, তাঁর খুব বুদ্ধি। ঠিক তো? কিন্তু সেই বৈজ্ঞানিকের বুদ্ধি দিয়ে কী হয়? মানুষ মারার নতুন নতুন অস্ত্র তৈরি হয়!

    –তোমার সঙ্গে কোনো কথাই বলা যায় না!

    –বলো না!

    –বাঃ! তোমাকে একটু অবসর দিলেই তো তুমি অমনি সেই রোমি নামের মেয়েটাকে নিয়ে ধ্যান শুরু করবে!

    –রোমি, রোমি, আমি তোমাকে পরিত্যাগ করলুম। বিদেশী বাতাস এসে তোমাকে নিয়ে চলে যাবে আমি জানি!

    এক ঘণ্টা বাদে ফিরে এলো চম্পক। চোখমুখ খুবই উজ্জ্বল। চাকরি পাওয়া সম্পর্কে একেবারে নিশ্চিন্ত। অরবিন্দ রায় ডেফিনিট কথা দিয়েছেন। মিনিট পনেরো ধরে অরবিন্দ রায়ের প্রতিটি সংলাপ আমার কাছে দু’বার ধরে পুনরুক্তি করার পর চম্পক হঠাৎ থেমে গেল।

    আমার ডান বাহু ধরে, গাঢ়ভাবে আমার চোখের দিকে তাকিয়ে থেকে চম্পক বলল, এখন সব কিছু তোর ওপর নির্ভর করছে। তোর সঙ্গে খুব জরুরি কথা আছে!

    চম্পক যদি চাকরি পেয়ে গিয়েই থাকে, তা হলে তারপর আর কী জরুরি কথা থাকতে পারে আমার সঙ্গে? সারা জীবনটাই কি ও জরুরি অবস্থায় কাটিয়ে যাবে?

    একটা দীর্ঘশ্বাস ফেলে আমি বললুম, আমার সাহায্য? কী ব্যাপার, বল্!

    –দ্যাখ নীলু, আমি মোটেই ইনকনসিডারেট নই। আমার চাকরির ইন্টারভিউ, তুই এমনি এমনি আমার সঙ্গে এসেছিস, কটা বন্ধু এ রকম আসে?

    –তুই তো আমার বাস ভাড়া দিয়েছিস, হোটেল খরচ দিচ্ছিস, তা হলে আসব না কেন? সবাই আসবে!

    —না রে, নীলু, না! বাস ভাড়া, হোটেল খরচ ছাড়াও সময়ের একটা দাম নেই? অন্য কে নিজের কাজ ফেলে আসবে! তাছাড়া আমি জানি তো, অনেকেই এইসব ব্যাপারে খুব হিংসে করে। সেদিন দেখলি না বরুণ তোকে ভাঙিয়ে পাটনায় নিয়ে যেতে চাইছিল।

    —আমি কি এম. এল. এ. যে আমাকে অন্য কেউ ভাঙিয়ে নেবে? তুই কী জরুরি কথা বলবি বলছিলি?

    —হ্যাঁ, সেটাই তো মোস্ট ইমপর্টান্ট! অরবিন্দ রায় যখন বললেন যে আমার চাকরিটা হবেই তখন আমি ওঁর কাছে অন্য একটা কথা পাড়লুম। অবশ্য তোর কাছ থেকে অনুমতি নিইনি, অনেকটা নিজের দায়িত্বেই।

    —আমার অনুমতি?

    –আমি অরবিন্দদাকে বললুম, কাল আমার যে বন্ধুকে দেখেছিলেন, কলকাতা থেকে আমার সঙ্গে এসেছে, ওরও কোনো চাকরিবাকরি নেই, আপনি ওর জন্যও যদি একটা ব্যবস্থা করে দেন…

    –তুই, তুই চম্পক আমার চাকরির জন্য ভিক্ষে চাইলি?

    –আরে চটে যাচ্ছিস কেন? ভিক্ষে মোটেই নয়। অরবিন্দদা আমার সঙ্গে খুব ফ্রেণ্ডলি ভাবে গল্প করছিলেন, আমায় চা খাওয়ালেন। তোর সম্পর্কে খুব ইন্টারেস্টেড। তুই আমার সঙ্গে এসেছিস শুনে বললেন, আজকাল কি কোনো বন্ধু অন্য বন্ধুর জন্য এতটা করে? তাতেই আমি কথায় কথায় বললুম, আপনি যদি আমার বন্ধুর জন্যও একটা চাকরি করে দেন!

    —উনি কী বললেন?

    –একটুক্ষণ চুপ করে রইলেন। তারপর জানতে চাইলেন তোর কোয়ালিফিকেশন।

    —আমার তো কোয়ালিফিকেশান কিছুই নেই।

    –শোন না তারপর কী হলো! অরবিন্দদা খানিকক্ষণ চিন্তা করে বললেন, হ্যাঁ, ওর জন্য একটা ব্যবস্থা করা যেতে পারে। ইন ফ্যাক্ট, একটা পোস্ট খালি আছে, তার জন্য বিজ্ঞাপনও দেওয়া হয়নি। তোর কি ভাগ্য বল তো নীলু!

    —তুই কি পাগল হয়েছিস চম্পক? দরখাস্ত করিনি, কিছু না, এমনি এমনি কেউ চাকরি দিতে চাইলেই বা আমি নেব কেন? আমার তো এইটাই একমাত্র অহঙ্কার, কেউ কিছু দিতে চাইলেও আমি চট করে নিতে রাজি হই না। সে আমার যতই অভাব থাক্ …

    –শোন, নীলু, তোর ওপরেই আমার হলদিয়ার চাকরিটা নির্ভর করছে।

    —তার মানে?

    অরবিন্দদা তোকে কী চাকরি দিতে চাইলেন, তুই তো সেটা শুনলিই না।

    —যেটা আমি নিতে চাই না, সেটার কথা আমি শুনেই বা কী করব?

    —শুনলেই তুই নিতে চাইবি। আমরা এখন যে বড় গেস্ট হাউসটায় আছি, সেটার জন্য একজন কেয়ারটেকার দরকার। সেই পোস্টটাই খালি আছে।

    —কেয়ারটেকার?

    —ডেজিগনেশানটাই শুনতে তেমন কিছু নয়, কিন্তু মাইনে খারাপ না। স্টার্টিং প্রায় আমারই সমান। ইয়ে, মানে, তোর তো কোনো টেকনিক্যাল কোয়ালিফিকেশন নেই! আমি অরবিন্দদাকে বললুম, আমার ঐ বন্ধু খুব সিনসিয়ার আর হার্ড ওয়ার্কিং…

    —ক্যারেকটার সার্টিফিকেটের ভাষায় কথা বলা বন্ধ কর তো! তুই কি ভেবেছিস, এই চাকরির কথা শুনে আমি আহ্লাদে আটখানা হয়ে উঠব?

    –আমরা দুজন একই জায়গায় থাকব, নীলু বুঝতে পারছিস না, এটা একটা কত বড় সুযোগ! আজকাল চাকরির জন্য স্বামী–স্ত্রীকেও আলাদা আলাদা থাকতে হয়, আমার দিদিদেরই দেখ না, জামাইবাবু শিবপুরে আর দিদি নর্থবেঙ্গল ইউনিভার্সিটিতে…।

    –কলকাতা ছেড়ে আমি হলদিয়াতে থাকব? ভাগ্‌!

    — স্বার্থপরের মতন কথা বলিস না, নীলু। তুই না থাকতে চাইলে আমারও থাকা হবে না। আমরা যে গেস্ট হাউসে উঠেছি, ওটার জন্যই একজন কেয়ারটেকার দরকার। ভেবে দ্যাখ, তুই ঐ চাকরিটা নিলে আমিও ওখানেই পার্মানেন্ট বোর্ডার হয়ে থাকব, আমাকে আর বাড়ি–ফাড়ি খুঁজতে হবে ….

    আমি কথা থামিয়ে চম্পকের দিকে চেয়ে রইলুম। স্বার্থপরতা কার, আমার? আমি ঐ গেস্ট হাউসের বাজার সরকারের চাকরি নিলে চম্পক ওখানে আরামে থাকবে, ওকে আর বাড়ি খুঁজতে হবে না।

    অবশ্য চম্পকও বলতে পারে যে এই বাজারে কেউ কোনো চাকরি পায় না। চম্পকই তো উদ্যোগ করে আমার জন্য একটা কিছু ব্যবস্থা করেছে।

    চম্পক আবার বলল, তোর থাকা খাওয়া ফ্রি। তা হলেই বুঝে দ্যাখ নীলু, তোর কত টাকা বেঁচে যাচ্ছে। এই সব চাকরিতে মাইনে খুব বেশি না হলেও লাভ বেশি। মাইনে বেশি হলে তো ইনকাম ট্যাক্সই সব কেটে নেবে।

    আমার চোখের সামনে একটা দৃশ্য ভেসে উঠল। গেস্ট হাউসের বারান্দায় আমি সন্ধেবেলা বসে চা খাচ্ছি আর সদ্য–আসা খবরের কাগজে চোখ বুলোচ্ছি, এমন সময় একজন গেস্ট এসে বলল, এই যে ভাই, আমার বাথরুমের ফ্ল্যাসটা কাজ করছে না, একটা কিছু ব্যবস্থা করুন! আর একজন বলল, কী ব্যাপার মশাই, সাতবার চেয়ে চেয়ে এক কাপ চা পাই না আর নিজে তো দিব্যি চা প্যাঁদাচ্ছেন…এই যে দাদা, বিছানায় কি স্পেশাল সাইজের ছারপোকা ছেড়ে দিয়েছেন? একে তো মশার জ্বালায় ঘুমোতে পারি না… কেয়ারটেকার ভাই, আপনার কাছে ছিপি–ওপনার আছে? বরফ পাওয়া যাবে? আলাদা টাকা দিচ্ছি, ইলিশ মাছ এনে একটু স্পেশাল করে ভাজিয়ে আমাদের ঘরে পাঠিয়ে দিন না…

    এখান থেকে পালাতে হবে।

    চম্পক এবারে কলকাতার নিন্দে শুরু করে দিল। কলকাতায় কি মানুষ থাকে? বাতাস এত পলিউটেড যে প্রতিটি নিশ্বাসেই বিষ। সী–পোর্ট, এয়ারপোর্ট দুটোই প্রায় বাতিল হয়ে গেছে, কলকাতার আর আছে কী? পশ্চিমবাংলার ভবিষ্যৎ এখন হলদিয়াতে। আর এক দশকের মধ্যেই কলকাতা একেবারে ডেড সিটি হয়ে যাবে, ততদিনে শুধু শিল্প–বাণিজ্য নয়, আর্ট অ্যাণ্ড কালচারের সেণ্টারও হবে এই হলদিয়া। বুঝলি, নীলু?

    আমি প্রতিবাদ না করে ঘাড় নেড়ে যেতে লাগলুম।

    কলকাতার অবস্থা এখন কাদায় পড়ে যাওয়া হাতির মতন। ব্যাঙেও লাথি মেরে যেতে পারে। তবু মরা–হাতি লাখ টাকা।

    চম্পক বলল, দ্যাখ তো, এখানকার বাতাস কত টাটকা। ফ্রেস মাছ পাওয়া যায় নদী থেকে। এখানকার মানুষজনও খুব ফ্রেগুলি। আমরা যে দু’দিন এখানে আছি, এর মধ্যে একজনের কাছ থেকে অভদ্র ব্যবহার পেয়েছি?

    রাত্তিরেই চম্পক আমাকে দিয়ে একটা অ্যাপলিকেশন লেখাল। সকালে ঐ দরখাস্ত হাতে নিয়ে অরবিন্দ রায়ের সঙ্গে অফিসে দেখা করতে হবে।

    সারারাত চম্পকের পাশেই খাটে আমি ঠায় জেগে রইলুম। আমাকে একটা ফাঁদে ফেলার চেষ্টা হচ্ছে। যে–কেউ শুনলেই বলবে, সে কি নীলু, এমন লোভনীয় কাজ তুমি নিতে চাইছ না? খাওয়া–থাকা ফ্রি, তাছাড়া মাইনে পাবে, উপরন্তু প্রত্যেক দিনের বাজার খরচ থেকে কিছু মারতেও পার…

    ভোরের আলো ফোটার সঙ্গে সঙ্গে উঠে পড়লুম। চম্পকের ফিঁচ্ ফিচ করে নাক ডাকছে। দু’ লাইন একটা চিঠি লিখে চম্পকের মাথার কাছে রেখে দিলুম, তারপর ব্যাগটা গুছিয়ে নিয়ে দরজা খুলে বাইরে।

    সাড়ে পাঁচটার সময় একটা বাস ছাড়ে। সেই বাসে খানিকটা আসার পর মন বদল করে নেমে পড়লুম কোলাঘাটে। কলকাতাকে আমি এত বেশি কিছু ভালোবাসি না যে এক্ষুনি ফিরতে হবে। দেউলটিতে আমার এক বন্ধু আছে, সেখানে দু’–একটা দিন থেকে গেলে মন্দ কী!

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleনিরুদ্দেশের দেশে – নীললোহিত (সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়)
    Next Article তার চোখের তারায় – সায়ক আমান

    Related Articles

    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    নীললোহিতের চোখের সামনে – নীললোহিত (সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়)

    August 7, 2026
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    নীললোহিতের অন্তরঙ্গ – নীললোহিত (সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়)

    August 7, 2026
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    আকাশ পাতাল – নীললোহিত (সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়)

    August 7, 2026
    Ek Pata Golpo সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    নিরুদ্দেশের দেশে – নীললোহিত (সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়)

    August 6, 2026
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    ঘটনার ঘনঘটা – নীললোহিত (সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়)

    August 5, 2026
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    শেষ দেখা হয়নি – নীললোহিত (সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়)

    August 5, 2026
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    अनीश दास
    मौलाना शाह वलीउल्लाह
    रेवरेंड के. के. जी. सरकार
    অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত
    অঁতোয়ান দ্য সাঁত-এক্সুপেরি
    অনন্যা পাল
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অনীশ দেব
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অবনীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    অভিজ্ঞান রায়চৌধুরী
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক দত্ত
    অভীক সরকার
    অমরেন্দ্র চক্রবর্তী
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অরিন্দম দেবনাথ
    অর্পিতা সরকার
    অশোককুমার মিত্র
    অসম্পূর্ণ বই
    আখতারুজ্জামান ইলিয়াস
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুর রহমান আল-আরিফি
    আবদুল হালিম
    আব্দুল মালেক আলী আল-কুলাইব
    আব্দুল হামীদ ফাইযী
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    কৌশিক সামন্ত
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোপেন্দ্র বসু
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভট্টাচার্য
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যজ্যোতি মজুমদার
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বাণ রায়
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পরিমল ভট্টাচার্য
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিয়োদর দস্তইয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণু শর্মা
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাসরুর আরেফিন
    মাহতাব উদ্দিন
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রণদীপ নন্দী
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রশীদ করীম
    রাজর্ষি দাশ ভৌমিক
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    রাফিক হারিরি
    রেভারেণ্ড কে. কে. জি. সরকার
    লীলা মজুমদার
    লেইল লোনডেস
    লেখক
    শওকত আলী
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শঙ্কর চ্যাটার্জী
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শহীদুল্লা কায়সার
    শাক্যজিৎ ভট্টাচার্য
    শাক্যজিৎ ভট্টাচাৰ্য্য
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শৈবাল মিত্ৰ
    শ্যামল গঙ্গোপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রীপারাবত
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঙ্গীতা বন্দ্যোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সন্দীপন চট্টোপাধ্যায়
    সন্মাত্রানন্দ
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমীরণ গুহ
    সমুদ্র পাল
    সম্পাদনা : শৈলেন্দ্র হালদার
    সরদার ফজলুল করিম
    সরোজকুমার রায়চৌধুরী
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সায়ক আমান
    সায়ন্তনী পূততুণ্ড
    সায়ন্তনী পূততুন্ড
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুব্রত গুহ
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সেলিনা হোসেন
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৈয়দ মুস্তাফা সিরাজ
    সৈয়দ শামসুল হক
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বপ্নময় চক্রবর্তী
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্মরণজিৎ চক্রবর্তী
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হরিশংকর জলদাস
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মানবজমিন – শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়

    August 7, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মানবজমিন – শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়

    August 7, 2026
    Our Picks

    মানবজমিন – শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়

    August 7, 2026

    কড়িখেলা – সঙ্গীতা বন্দ্যোপাধ্যায়

    August 7, 2026

    নীললোহিতের চোখের সামনে – নীললোহিত (সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়)

    August 7, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }