Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    মানবজমিন – শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়

    August 7, 2026

    কড়িখেলা – সঙ্গীতা বন্দ্যোপাধ্যায়

    August 7, 2026

    নীললোহিতের চোখের সামনে – নীললোহিত (সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়)

    August 7, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    ভালোবাসা নাও, হারিয়ে যেও না – নীললোহিত (সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়)

    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায় এক পাতা গল্প123 Mins Read0
    ⤶

    ভালোবাসা নাও, হারিয়ে যেও না – ৯

    ৯

    দিন্দার বাড়ি দেখে আমি বেশ অবাকই হয়েছি। যত দরিদ্র তাকে মনে করেছিলুম, ততটা সে নয় মোটেই। বেশ গোছানো ব্যবস্থা। একটা চৌকো উঠোনের একপাশ জুড়ে তার বসতবাড়ি। মাটির হলেও গোবর দিয়ে নিকোনো দেয়াল, সামনে চওড়া দাওয়া। উঠোনের আর এক পাশে রান্নাঘর, তার উল্টো দিকে একটি গোয়াল ঘর, সেটি যদিও আপাতত শূন্য। উঠোনের আর এক পাশে একটি ডোবা, তার জলের রং কালচে, এক পাড়ের বাঁশঝাড় থেকে পাতা ঝরে ঝরে পড়ে সেই ডোবার মধ্যে। এই রকম জলে কইমাছ, শিঙ্গি–মাগুর ভালো হয়।

    দুটি বেশ তেজালো চেহারার হাঁসা–হাঁসীও প্যাক প্যাক করছে উঠোনে। রান্নাঘরের পাশটিতে একটি নধর ছাগল বাঁধা, সে কালো রঙের বোঁদের মতন এক রাশ নাদি ছড়িয়েছে।

    রান্নাঘরের উনুনে নতুন চালের ভাত ফুটছে, গন্ধতেই বুঝতে পারা যায়।

    হিন্দু–মুসলমান আদিবাসী নির্বিশেষে এদেশের গ্রামের মানুষ অধিকাংশই খুব অতিথিপরায়ণ। ঐ জিনিসটা এখনো লোপ পেয়ে যায়নি। দুমকার কাছে এক প্রৌঢ়া –সাঁওতাল রমণী তার বাড়িতে আমাকে দুপুরে ভাত খেয়ে যাওয়ার জন্য কী ঝুলোঝুলিই করেছিল। অথচ তার বাড়ির চেহারা দেখে মনে হয়েছিল তারা নিজেরাই দু’বেলা খেতে পায় না।

    সেই তুলনায় দিন্দা তো বেশ সচ্ছলই বলতে হবে।

    দিন্দার নাম দীননাথ পাড়ুই, তার সাতটি ছেলেমেয়ে এবং বউটি দ্বিতীয় পক্ষের। অবশ্য দ্বিতীয় পক্ষের বলতেও অনেকদিনের পুরোনো। তার প্রথমা পত্নীর মৃত্যু হয়েছে সতেরো বছর আগে। এ পক্ষের ছেলেমেয়ের সংখ্যা পাঁচ। তার প্রথম পক্ষের দুটি ছেলেই ক্যানিং–এর দিকে চলে গেছে, সেখানে কাজ–কারবার করে, ভালোই আছে। বাপের সঙ্গে একেবারে সম্পর্ক চুকিয়ে দেয়নি। পালা–পার্বণে বাড়ি আসে। এক মেয়ের বিয়ে হয়েছে বারুইপুরে, জামাই সাইকেল রিক্সা চালায়। বাকি ছেলেমেয়েরা এখনো যুগ্যি হয়নি।

    উঠোনে এসে নিমগাছের ছায়ায় খাটিয়ায় বসার কিছুক্ষণের মধ্যেই দিন্দা তার পুরো পারিবারিক ইতিহাস আমাকে শুনিয়ে দেয়।

    আমি কিন্তু প্রথমে অন্য কথা ভাবছিলুম। বাজারে চালকুমড়ো–বেগুন–বরবটি– টম্যাটো বেচেও কারুর সাতটি ছেলেমেয়ে সমেত সংসার মোটামুটি ভালোভাবে চলে যেতে পারে! কতই বা লাভ হয় ওতে? এর মাঝখানে আবার পাইকার, মহাজন, রেলের টিকিট চেকার ইত্যাদি ডাঙার কুমিরদের উৎপাত আছে!

    পরে শুনলুম, কাকাদের সঙ্গে দিন্দার কিছু ভাগচাষের জমিও আছে, সেখান থেকে সম্বৎসরের খোরাকির ধান অনেকটাই এসে যায়। অবশ্য তার কাকারা নাকি তাকে কিছুটা ঠকায়।

    ময়না আগেই বিদায় নিয়েছে, নিজের বাড়ির উঠোনে পা দেওয়া মাত্রই দিন্দার অদ্ভুত এক পরিবর্তন আমি লক্ষ করেছিলুম। এখন সে আর একজন সামান্য দোকানদার নয়, সে এখানে হেড অফ দা ফ্যামিলি। সে বাড়ি–জমির মালিক। এসেই সে তার ছেলেমেয়েদের হুকুম করতে লাগল।

    আমি যে বাজারে যাই, দিন্দা সে বাজারে বসে না, সে বসে অন্য বাজারে। ময়নার সঙ্গে সে এক ট্রেনে যায়, আসে। আমি তার খদ্দের নই, তবু আমাকে সে যা খাতির করতে লাগল তাতে আমি অপ্রস্তুতের এক শেষ। আমাকে কি সে বাবু সমাজের প্রতিনিধি হিসেবে গণ্য করছে? কিন্তু আমি তো সেই সমাজের কেউ না! সেই সমাজ তো আমাকে হেলা–তুচ্ছ করে।

    একটু পরে বুঝতে পারলুম, ভালোমানুষীতেই তার আনন্দ। এরকম মানুষ আছে, যারা প্রতিদানে কিছুই চায় না, শুধু নিজেদের ভালোত্ব নিয়েই মশগুল হয়ে থাকে।

    দিন্দার সঙ্গে কথা বলতে বলতে আমি তার পারিবারিক জীবন সম্পর্কে আগ্রহ বোধ করছিলুম ঠিকই, আবার সেই সঙ্গে সঙ্গেই আমার মনের একটা অংশ কাদাগোলা গ্রামের সেই বুড়ির কথাই চিন্তা করছিল। সত্তরের বেশ ওপরে বয়েস, দীর্ঘ এক মাস রোজার উপোস, বেশ কিছুদিন বাজারে যেতে পারেনি…তার মৃত্যু কিছুই আশ্চর্যের নয়। এরকম একজনের মৃত্যু নিয়ে পাশের গ্রাম কেন, তার নিজের গ্রামের কেউও বোধহয় মাথা ঘামায়নি। প্রতিবেশীরা কবরে মাটি দিয়েছে। জানাজা হবে কি তার? নাতিটা কোথায় লুকিয়ে আছে…

    এরকম একটা অবস্থায় আমি ওখানে গিয়ে হাজির হলে খুবই অস্বস্তিকর অবস্থায় পড়তুম।

    বুড়ির মৃত্যুর কথা ভেবে যে সেরকম একটা কিছু কষ্ট হচ্ছে তা নয়। আমি যে এতটা উদ্যম নিয়ে এই পর্যন্ত এলুম তবু দেখা হলো না, সেটার জন্যই খারাপ লাগছে। নিজের কাছেও নিজের বাহবা নেবার একটা ব্যাপার থাকে। আবার মনের মধ্যে কেউ এই নিয়ে বিদ্রূপ করতেও ছাড়ে না।

    আমাকে বসিয়ে রেখে দিন্দা এক ফাঁকে ডোবাতে স্নান সেরে এলো। তারপর লুঙ্গি পরে, পরিপাটি চুল আঁচড়ে আমার কাছে এসে বলল, বাবু চারডি মুড়ি খাবেন তো। বাতাসা আর কলা আছে। কিন্তু ঘরে তো দুধ নেই। আপনার কষ্ট হবে। আমাদের বাড়িতে ভাত তো খাওয়া চলবে না আপনার––

    আমার খুব একটা খিদে পায়নি। তবে নতুন চালের ভাত রাঁধবার গন্ধে মনটা একটু আনচান করে উঠেছিল। ভাত সম্পর্কে একটা জন্মসংস্কার আছে। গরম ভাতের চেয়ে উপাদেয় পৃথিবীতে আর কিছুই লাগে না।

    –কেন, ভাত খেতে পারব না কেন? ভাত কম পড়বে?

    —আরে, কী যে বলেন, দুটি চাল ফুটিয়ে নিতে আর কতক্ষণ লাগে? তবে সকলে তো আর সব বাড়িতে খায় না। ভোটের সময় বাবুরা আমাদের বাড়ি থেকে রুটি চেয়েছিলেন, তা রুটির তো পাট নেই।

    —আমি মুড়ি বা রুটির চেয়ে দু’গাল ভাতই পছন্দ করি।

    রান্নাঘরের দাওয়ায় আমার জন্য কাঁঠাল কাঠের পিঁড়ি পেতে দেওয়া হলো। পিঁড়ি মাত্র একখানিই আছে। দিন্দা জানাল সেটা তার প্রথম বিয়ের পিঁড়ে।

    গরম ভাত, অড়হর ডাল, আর ঝিঙেভাজা। এই ঝিঙেভাজা আমি প্রথম খেলাম, অল্প ব্যসনে ডুবিয়ে বেশ মুচমুচে, যদিও ঝিঙেটা একটু জালি এই যা। এর সঙ্গে খানিকটা পোস্তবাটা। সব মিলিয়ে খুব একটা আহামরি কিছু বলা যায় না, তবে বেশ তৃপ্তি হলো।

    আমরা আমিষ–ভুক বলে ভাত কম খাই। গ্রামের লোকেরা মাছ–মাংস কম পায়। তাই বেশি ভাতে সেটা পুষিয়ে নেয়। আমার ভাত নেওয়া দেখে দিন্দা বেশ ব্যথিত সুরে বলতে লাগল, আপনি কিছুই খেলেন না, আপনার রান্না পছন্দ হয়নি। ও ঝেবনের মা, বাবুর জন্য এট্টু বেগুন পোড়া দিলে তো পারতি, ঘরে কি একটাও ডিম ছিল না? হায় আমার পোড়া কপাল

    ঝেবনের মায়ের স্বভাবটা বেশ কাঠ কাঠ। শব্দ করে হাঁড়ি নামায়, ঠকাস করে গেলাস রাখে। কে জানে বাড়িতে অতিথি আসায় সে বিরক্ত হয়েছে কি না। দিন্দা নরম প্রকৃতির লোক, দ্বিতীয় পক্ষের বউ তাকে যথেষ্ট শাসনে রাখে বোঝা গেল। সেইজন্যই কি তার মুখে একটা দুঃখী দুঃখী ভাব, নইলে অন্য কোনো অভাব তো তার তেমন একটা নেই।

    খাওয়ার পর আবার আমরা উঠোনে খাটিয়ায় এসে বসলুম। দিন্দা এখনো আমাকে ছাড়বে না, সে আমাকে কাদাগোলায় পৌঁছে দেবে বলেছে। আমি তাতে আপত্তি করিনি। কাদাগোলায় শেষ পর্যন্ত একবার যাওয়া দরকার ঠিকই, কিন্তু একা যেতে আমার মন সরছে না।

    এবারে আমার সঙ্গে দু’তিনটে কথা বলতে না বলতেই দিন্দা ঘুমে ঢলে পড়ল। এ জন্য তাকে একটুও দোষ দেওয়া যায় না। সেই সাতসকালে ওঠে। সারাদিন কত পরিশ্রম। খাওয়ার পর একটু ঘুম নিশ্চয়ই তার অভ্যেস হয়ে গেছে।

    আমি চুপ করে বসে রইলুম। আকাশে এখনো শকুন উড়ছে অনেক। খুব কাছেই কোনো গাছে ঘুঘুর ডাক শুনতে পাচ্ছি। প্রথমবারের ডাকটা শুনে গা ছমছম করে উঠল। ঘুঘু নির্জনতা–প্রিয় পাখি। যে বাড়িতে লোকজন থাকে সে বাড়ির কাছাকাছি নাকি ঘুঘু আসে না। গেরস্থের বাড়িতে ঘুঘুর ডাক অমঙ্গলজনক, সেই জন্যই বলে।

    হাঁস দুটো নেমে গেছে ডোবায়। পাঁঠাটা রাগত দৃষ্টিতে আমার দিকে চেয়ে আছে। ও কি আমাকে ওর কোনো প্রতিযোগী ভাবছে নাকি?

    দিন্দার দ্বিতীয় পক্ষের পাঁচটি সন্তানের মধ্যে জনা দু’এককে এ পর্যন্ত দেখেছি। এখন আর কারুকেই দেখতে পাওয়া যাচ্ছে না। বাড়িটি বেশ নিস্তব্ধ।

    আমার বন্ধুবান্ধব, পরিচিত মানুষরা কেউ জানে না আমি এখন কোথায় বসে আছি। মা–কে বলে এসেছি, দক্ষিণেশ্বরে এক বন্ধুর বাড়িতে আমার নেমন্তন্ন। ফিরতে রাত হবে। চম্পক যদি বাড়িতে আমার খোঁজ নিতে আসে, তা হলে হকচকিয়ে যাবে একেবারে। আমার মায়ের স্বভাব আমার চেয়ে তো ভালো কেউ জানে না! মা চম্পকের সঙ্গে তর্ক করবে না, পূর্ণ বিবরণ জানতে চাইবে না, কোনো কথাই বলতে চাইবে না চম্পকের সঙ্গে। চম্পক আমাকে বিপদের মুখে ঠেলে দিতে চেয়েছিল, সুতরাং চম্পকের আর স্নেহ পাবার অধিকার নেই। চম্পক যদি এরকম ঠাণ্ডা ব্যবহারের পরেও আমার চাকরির প্রসঙ্গ তুলতে চায়, তা হলে মা বলবে, না, নীলুর হলদিয়ায় যাওয়ায় আমার মত নেই। আমিই ওকে বারণ করে দিয়েছি। ও যদি কলকাতায় কিছু পায় তো ভালোই…পাবে তো নিশ্চয়ই, আজ না হয় কাল…

    চকিতে একবার রোমির মুখখানা মনে পড়ল। তারপর যেন জলের ঢেউতে মিলিয়ে যাচ্ছে সেই মুখ, ভেসে ভেসে দূরে সরে যাচ্ছে, শুধু জল আর জল, যেন অন্য কোনো দেশ। সেই দেশে আমার কোনোদিন যাওয়া হবে না।

    পান চিবোতে চিবোতে ময়না এসে ঢুকল উঠোনে। সকৌতুকে ভুরু তুলে বলল, ও বাবু, তোমরা এখুনো যাউনি?

    ময়নার পিঠের ওপর এক রাশ ভিজে চুল খোলা। একটা বেগুনি ছাপ ছাপ শাড়ি পরে এসেছে। হাতে একটা তালপাতার পাখা, গোল করে পাড় বসানো। তাকেও এখন আর বাজারের সবজিওয়ালি বলে একদম চেনা যায় না। মুখে সামান্যতম হীনমন্যতার ছাপ নেই।

    অ বৌদি, তোমাদের পাখা এনিছি, বলে ময়না এগিয়ে গেল ঘরের দিকে। ঝেবনের মা বেরিয়ে এসে তার সঙ্গে কথা বলতে লাগল। দিন্দা জেগে উঠে চোখ রগড়ে বলল, বেলা পড়েনি, চলেন এবার যাই।

    ময়না মুখ ঘুরিয়ে বলল, হ্যাঁ খবর পেলুম, কাদাগোলায় পরশুদিনকে এক বুড়ির ইন্তেকাল হয়েছে। আক্কাসের দাদীই হবে!

    দিন্দা বলল, চলেন, তবু একবার দেখে আসি, নাকি বলেন? এত দূর এলেন!

    উঠে দাঁড়িয়ে বললুম, হ্যাঁ, আমি একবার যাব তবু।

    ময়না বলল, কাদাগোলা থেকে বদরু শেখ তো রোজই এস্টেশনে যায় ডাব বেচতে। আজও ছিল, দ্যাখোনি? তার ঠেঙে পাকা কথা জানা যেত, তখন মনে পড়েনি!

    দিন্দা বলল, একবার ঘুরে দেখে এলেই তো হয়। চ ময়না, যাবি নাকি?

    আমি বললুম, তোমাদের তো বিকেলে আবার কাজকর্ম থাকে। তোমরা শুধু শুধু যাবে কেন? একটা কোনো বাচ্চা ছেলে দাও না, আমায় পথ দেখিয়ে দেবে?

    দিন্দা উদারভাবে বলল, চলেন, কতক্ষণই বা লাগবে। কাজ তো আছে, কাজ তো পালিয়ে যাচ্ছে নে।

    এই গ্রাম ছাড়াবার পর মাঝখানে গোটাকয়েক ধান জমি, তার পরেই কাদাগোলা। সেই জোড়া তালগাছের সীমানার পর থেকেই শুরু হলো কাদা।

    চটি খুলে প্যান্ট গুটিয়ে নিলুম হাঁটু পর্যন্ত। তবু এ কাদার মধ্যে হাঁটা খুব শক্ত। একেবারে হড়হড়ে, প্রতি পদক্ষেপে পা পিছলে যেতে চায়। দু’তিনবার আমাকে দিন্দার কাঁধ ধরে সামলাতে হলো।

    ময়না বলল, এমনিভাবে বুড়ো আঙুল টিপে টিপে হাঁটুন।

    দিন্দা বলল, বাবুর জন্য একটা লাঠি নিয়ে এলে হতো রে! বাবুর অভ্যেস নেই। আমাদেরই পা হড়কে যায়। বুঝলেন বাবু, এই কাদাগোলা গাঁয়ের পেছন দিকটায় একটা বেশ বড় ঝিল রয়েছে। বর্ষাকালে সেখানে অনেক শালুক ফোটে। শাপলা তো বিকিরি হয় বাজারে, তাই অনেকে তুলতে যায়।

    ময়না বলল, এতটা কাদা ভেঙে যাওয়া…পরতা পোষায় না।

    ময়না ঘন ঘন তাকাচ্ছে আমার দিকে। যেন একজন শহুরে বাবু এই কাদার মধ্যে কতখানি দুর্দশায় পড়বে সেটা দেখার জন্যই তার সঙ্গে আসা।

    অবিলম্বেই ময়নার প্রত্যাশা পূর্ণ করবার জন্য আমি একটা আছাড় খেলুম।

    ভাগ্যিস আছাড় খেয়ে কেউ সামনে পড়ে না, মাধ্যাকর্ষণ সবাইকে পেছনে টানে। সেইজন্যই মুখ–চোখ বেঁচে গেল এবং পশ্চাৎদেশের যে কী অবস্থা হলো তা আমি নিজে দেখতে পেলুম না।

    হেসে কুটি–কুটি হয়ে যাওয়া ময়নাকে একটা ধমক লাগাল দিন্দা। তার মুখে একটা কুণ্ঠিত ভাব, যেন রাস্তার এত কাদার জন্য সে–ই দায়ী। আমাকে টেনে তুলতে তুলতে সে বলল, কোমরে চোট লাগিনি তো? দেখুন দিকিনি তো, কী গেরো! কোথাকার এক বুড়ি, কোনো সম্পর্ক নেই যার সঙ্গে…কী জানি কার কোথায় নিয়তি বাঁধা থাকে।

    লুঙ্গি পরা, খালি গায়ে তিনজন বলিষ্ঠ চেহারার লোক একটু দূর থেকে আমাদের লক্ষ করছিল। তাদের চোখের চাহনি ঠিক সুবিধের নয়।

    ময়না একটা বাঁখারি জুটিয়ে আমার পিঠ থেকে কাদা চেঁছে তুলে দিল। একেবারে আঠার মতন কাদা।

    দিন্দা বলল, আর দূর নেই। ঐ লোকগুলোকে জিজ্ঞেস করলেই জানা যাবে।

    লোক তিনটি একটি শিরীষগাছের তলায় দাঁড়িয়ে আছে। আমাদের দিকে এগিয়ে আসেনি। আমরা ওদের কাছাকাছি পৌঁছোবার পর ওরা রাস্তার মাঝখানে চলে এলো। আমাদের আর এগোতে দেবে না।

    দিন্দা ভালো মানুষের মতন জিজ্ঞেস করল, হ্যাঁ গো, তোমাদের গাঁয়ে এক বুড়ি মারা গ্যাছে দু’দিন আগে?

    একজন বলল, গ্যাছে তো কী হয়েছে?

    —এই বাবু আক্কাসের দাদীর খোঁজ নিতে এয়েচেন।

    –আক্কাস এখেনে থাকে না!

    – আক্কাস নয়, আক্কাসের দাদী।

    –বলছি তো, আক্কাস এখেনে থাকে না।

    – আহা, চটছো কেন? বাবু ভালোমানুষের মতন বুড়ির খোঁজ নিতে এয়েচেন।

    একজন অমনি কড়া গলায় বলে উঠল, বলি, তুমি ফোঁপরদালালি করে পুলিশের লোক নিয়ে এ গাঁয়ে এয়োছো কেন?

    দিন্দা চোখ বিস্ফারিত করে বলল, পুলিশের লোক? না–না, পুলিশের লোক হবে কেন?

    —আলবাৎ পুলিশের লোক! আক্কাস সোনারপুরে কী করেছে না করেছে আমরা জানি না। তা বলে এ গাঁয়ের ওপর হামলা হবে কেন? দু’দিন ধরে এখানে বাইরের লোক ঘোরাঘুরি করছে।

    ময়না বলল, এ বাবু পুলিশের লোক নয়। আমার সঙ্গে রোজ বাজারে দেখা হয়।

    একজন চিবিয়ে চিবিয়ে বলল, চুপ কর তুই! পুলিশের লোক বুঝি বাজার করে না! তোর অত রস কিসের রে?

    সরল বিশ্বাসী দিন্দা নতুন চোখে তাকাল আমার দিকে। পুলিশের লোক ছাড়া এতটা রাস্তা ভেঙে একটা বুড়ির খোঁজে কেউ আসে? আসলে পুলিশ থেকে আক্কাসকে খুঁজছে।…একজন পুলিশের লোককে সে বাড়িতে ডেকে নিয়ে খাইয়েছে…গ্রামের মানুষের কাছে তার মুখ ছোট হয়ে গেল!

    আমাকে পুলিশের লোক মনে করায় আমি রীতিমতন অপমানিত বোধ করলুম। এরকম কথা শুনলে পুলিশ বাহিনীরও অপমানিত বোধ করা উচিত। আমার মতন চেহারার লোক কি পুলিশ হিসেবে মানায়?

    আক্কাসের মতন একজন খুদে অপরাধীকে ধরবার জন্য, যদি সে অপরাধী হয়, সেটাও ঠিক বোঝা যাচ্ছে না, তা হলেও তার জন্য এতটা কাদা ভেঙে পুলিশের লোক আসবে, এরকম কর্তব্যপরায়ণ পুলিশ এখনো আছে এদেশে?

    সোনারপুর স্টেশনে বসে আমি এক জমির দালালের কাছে নিজের পরিচয় দিয়েছিলুম দারোগার ভাগ্নে হিসেবে। সেই লোকটির কাছে আমি কাদাগোলা গ্রাম সম্পর্কেও আগ্রহ প্রকাশ করেছিলুম। সেই কথা কি এর মধ্যে পৌঁছে গেছে এখানে? অসম্ভব কিছু নয়।

    আমি বললুম, ভাই রাগারাগি করছেন কেন? আক্কাস কে তা আমি চিনি না। তার খোঁজে আমি আসিওনি। আক্কাসের দিদিমার সঙ্গে আমার একবার দেখা করার দরকার ছিল। তা সে যদি মরে গিয়ে থাকে, তবে তো আর এ–গাঁয়ে ঢোকার কোনো দরকার নেই। চলো দিন্দা, ফিরে যাই।

    দিন্দা অস্ফুটভাবে বললেন, বাবু, আপনি পুলিশের লোক?

    — পুলিশ হলে কি ভয় খায়? গ্রামের লোকের কথা শুনে ফিরে যায়? আমি তো বলছিই, বুড়ি যখন বেঁচে নেই, তখন এ গ্রামে আর ঢোকার কোনো প্ৰয়োজন নেই আমার।

    এবারে কাদাগোলা গ্রামের এক রক্ষক আমার কাছে এসে বলল, আপনি ভয় খাওয়ার কথা বলছেন কেন? আপনাকে কি আমরা সেরকম কিছু বলিছি? আক্কাসের দাদীর সঙ্গে আপনার কী দরকার?

    একে আমি কী করে বোঝাব? আমার একটা দীর্ঘশ্বাস পড়ল। সব তো চুকে বুকেই গেছে।

    তবু এদের কাছে বিশ্বাসযোগ্য কিছু একটা বলা দরকার।

    লোকটির চোখে চোখ রেখে বললুম, ঐ বুড়ি গড়িয়াহাট বাজারে ডিম বেচতে যেত তো? আমার সঙ্গে খুব চেনা হয়ে গিয়েছিল। প্রায়ই ধারে ডিম দিত আমায়। দশ–বারো টাকা পাবে বোধহয়। ময়না জানে, ও তো পাশেই বসত। সোনারপুরের দিকে এসেছিলুম, তাই ভাবলুম, বুড়ির টাকাটা শোধ করে দিয়ে যাই। ঠিক কিনা ময়না?

    ময়না দু’দিকে মাথা নেড়ে বলল, মিছে কথা। বাবুর এক পয়সা ধার ছিল না। এই বুড়ি বাবুকে নাতি মেনেছিল। তাই বাবুটা শেষ দেখা দেখতে এসেছিল বুড়িকে, তা বুড়ির ভাগ্যে নেই তো কী হবে!

    ওদের তিনজনের মধ্যে যার বয়েস একটু বেশি সে বলল, আসেন আমার সাথে।

    —কোথায়?

    – আক্কাসের দাদী তো মরেনি, মরেছে অন্য একজন। তবে এ বুড়িরও বেশি দিন নেই। আছাড় খেয়ে হাঁটু ভেঙেছে, চলতি ফিরতি পারে না। তার ওপরে ধুম জ্বর।

    –সে তাহলে বেঁচে আছে?

    —মানুষ চিনতে পারবে কিনা তার ঠিক নেই! আমার হাত ধরেন, কাদা সামলাতি পারবেন না।

    আরো কিছু গ্রামের লোক জুটে গেল আমাদের সঙ্গে। সবাই আমার মুখের দিকে ফ্যালফ্যাল করে তাকাচ্ছে। যেন আমি সুন্দরবনের এক আজব জানোয়ার।

    আমি এরকমভাবে আসতে চাইনি। কিন্তু একেবার বাইরের মানুষ হয়ে এরকম গ্রামের মধ্যে একা একা আসা বোধহয় সম্ভবও নয়।

    যে আমার হাত ধরে আছে সে বলল, বুড়ি ওর নাতির জন্য কেঁদে মরে, কিন্তু আক্কাসটা এমন নিমকহারাম, একবার দেখতে আসে না। একফোঁটা উবগার নেই ওরে দিয়ে, বরং যত ঝামেলা। আপনাকে তখন ও–কথা কেন বলছিলাম জানেন? কালই সোনারপুর এস্টেশনে দুটো বদমাস বলছিল, ওরা এসে গাঁ থেকে আক্কাসকে টেনে বার করবে। ওদের সঙ্গে পুলিশের ষড় আছে তো!

    – আক্কাস বাজারে ডিম বেচতে গেলেই পারে?

    –ওর তেজ বেশি। সে ওগুলোনের সঙ্গে হাড্ডাহাড্ডি করতে চায়। ঐ যে বাড়ি।

    এ বাড়িটি গ্রামের এক টেরেয়। সুকুমার রায়ের কবিতায় বুড়ির বাড়ির যে বর্ণনা আছে, তার সঙ্গে খুব একটা অমিল নেই। দেখলেই বোঝা যায়, এ বাড়ির সব কিছুর পতন আসন্ন

    একটিই মাত্র ঘর, তার সামনে এক চিলতে উঠোন। সেই উঠোনে একটা মুরগি তুরতুর করে ঘুরছে। এই মুরগিরই প্রথম ডিম বুড়ি আমাকে দিয়েছিল।

    ঘরের ভেতরটা অন্ধকার। একটা মাদুর না কী যেন পাতা, তার ওপরে শুয়ে আছে বুড়ি। দরজার কাছ থেকে উঁকি মেরেই বুকটা ধক করে উঠে। মনে হয়, ওর প্রাণ নেই।

    দিন্দা বলল, সবাই মিলে ঘরে ঢুকো নে। এত ভিড় করতে বারণ করো!

    ময়না ভেতরে গিয়ে বুড়ির কপালে হাত দিল। ঠোঁট উল্টে বলল, গা একেবারে পুড়ে যাচ্ছে।

    তারপর আস্তে আস্তে বুড়িকে ঠেলা দিয়ে বলল, ও দাদীমা, ওঠো! চোখ খোল! দ্যাখো, কে এয়েছে।

    বুড়ি বিপন্ন মিনমিনে গলায় বলল, কে রে? ময়না? আর বেটি আমার যাওয়া হয় না, পায়ে চোট লেগেছে।

    –দ্যাখো না। আর কে এয়েছে!

    –কে রে, কে? আক্কাস? এলি? কই রে?

    —আক্কাস নয় গো। তোমার আর এক নাতি। ঐ যে গো বাজারে যার সঙ্গে নাতি পাতিয়েছিলে।

    —কে? কার কথা বলছিস?

    –বাঃ, মনে নেই, তোমার সঙ্গে কত ভাব, সেই ছোকরা বাবুটা, তুমি যাকে বেছে বেছে সরেস মাল দাও গো।

    —মাথার ঠিক ত নাই রে আমার। কার কথা বলছিস?

    দিন্দা আমার পিঠে চাপ দিয়ে বলল, যান বাবু, কাছে যান। আপনারে দেখলে চিনবে।

    আমার লজ্জা করছিল। তবু আমি পায়ে পায়ে এগিয়ে গিয়ে বললুম, কেমন আছ, বুড়ি মা?

    আমার গলার স্বর শোনামাত্র চিনল। ধড়মড় করে উঠে বসে বলল, কে? আমার বাবা এয়েছ? ওরে আমি কী করি! সত্যি সত্যি এয়েছ? অন্ধকারে দেখতে পাচ্ছিনি, ওরে ময়না, জানলাটা খুলে দে না…হা আমার কপাল! আমি ভাবলুম, বাজারে তো আর যেতে পারব না কোনোদিন, আমার বাবার সঙ্গে আর দেখা হবে না, এসো বাবা, একটু কাছে এসো, মুখখানা দেখি

    আমি হাঁটু গেড়ে পাশে বসে বললুম, অনেকদিন তোমার খোঁজ করেছি। তোমার কী হয়েছে?

    বুড়ি হাত বাড়িয়ে আমার মাথা ছোঁবার চেষ্টা করে বলল, কিছু হয়নি, বাবা, ভালো আছি। পায়ে একটু জোর হলেই সব ঠিক হয়ে যাবে। মনে মনে কত ভেবিছি তোমার কথা, তুমি আমার বাবা, যদি শেষ দেখাটা না হতো—

    আমি মনে মনে বললুম, তুমি স্বপ্নে আমায় ডেকে পাঠিয়েছিলে…। বুড়ি বলল, ও ময়না, একটা কাজ কর না, মা। আমার বাবা এত দূর থেকে এয়েছে, একটা কিছু খেতে দিবি তো!

    –না, না, না, বুড়ি মা, আমি একটু আগেই খেয়ে এসেছি।

    —তা বললে কী হয়! কীই বা দোব! ও ময়না, ঐ টিনটা দ্যাখ না। ক’টা নারকোল নাড়ু করে রেখেছিলুম আক্কাসের জন্যে, সে ভালোবাসে। তার থেকে দুটো দে আমার বাবাকে।

    ময়না কয়েকটা নারকোল নাড়ু এনে দিল আমার হাতে।

    বুড়ি বলল, খাও বাবা, খাও, আমার সামনে বসে খাও, আমি একটু চক্ষু ভরে দেখি। ভালো করে এখন দেখতেও পাই না ছাই—

    দৃশ্যটা যেন সত্যি নয়, অলৌকিক। লক্ষ্মীপুজোর আগের রাত্রে আমার দিদিমা আমাকে নারকোল নাড়ু এনে দিতেন। অবিকল তাঁকেই দেখতে পাচ্ছি যেন সামনে। ঠিক একই রকম প্রাচীন স্নেহ।

    নারকোল নাড়ু মুখে তুলবার আগে মনে মনে বললুম, বুড়িমা, তোমরা হারিয়ে যেও না! আমি আর কী দিতে পারব, অতি সামান্য ভালোবাসা, তাই নাও, হারিয়ে যেও না!

    ***

    ⤶
    1 2 3 4 5 6 7 8 9
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleনিরুদ্দেশের দেশে – নীললোহিত (সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়)
    Next Article তার চোখের তারায় – সায়ক আমান

    Related Articles

    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    নীললোহিতের চোখের সামনে – নীললোহিত (সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়)

    August 7, 2026
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    নীললোহিতের অন্তরঙ্গ – নীললোহিত (সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়)

    August 7, 2026
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    আকাশ পাতাল – নীললোহিত (সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়)

    August 7, 2026
    Ek Pata Golpo সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    নিরুদ্দেশের দেশে – নীললোহিত (সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়)

    August 6, 2026
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    ঘটনার ঘনঘটা – নীললোহিত (সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়)

    August 5, 2026
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    শেষ দেখা হয়নি – নীললোহিত (সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়)

    August 5, 2026
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    अनीश दास
    मौलाना शाह वलीउल्लाह
    रेवरेंड के. के. जी. सरकार
    অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত
    অঁতোয়ান দ্য সাঁত-এক্সুপেরি
    অনন্যা পাল
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অনীশ দেব
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অবনীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    অভিজ্ঞান রায়চৌধুরী
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক দত্ত
    অভীক সরকার
    অমরেন্দ্র চক্রবর্তী
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অরিন্দম দেবনাথ
    অর্পিতা সরকার
    অশোককুমার মিত্র
    অসম্পূর্ণ বই
    আখতারুজ্জামান ইলিয়াস
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুর রহমান আল-আরিফি
    আবদুল হালিম
    আব্দুল মালেক আলী আল-কুলাইব
    আব্দুল হামীদ ফাইযী
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    কৌশিক সামন্ত
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোপেন্দ্র বসু
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভট্টাচার্য
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যজ্যোতি মজুমদার
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বাণ রায়
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পরিমল ভট্টাচার্য
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিয়োদর দস্তইয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণু শর্মা
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাসরুর আরেফিন
    মাহতাব উদ্দিন
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রণদীপ নন্দী
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রশীদ করীম
    রাজর্ষি দাশ ভৌমিক
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    রাফিক হারিরি
    রেভারেণ্ড কে. কে. জি. সরকার
    লীলা মজুমদার
    লেইল লোনডেস
    লেখক
    শওকত আলী
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শঙ্কর চ্যাটার্জী
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শহীদুল্লা কায়সার
    শাক্যজিৎ ভট্টাচার্য
    শাক্যজিৎ ভট্টাচাৰ্য্য
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শৈবাল মিত্ৰ
    শ্যামল গঙ্গোপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রীপারাবত
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঙ্গীতা বন্দ্যোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সন্দীপন চট্টোপাধ্যায়
    সন্মাত্রানন্দ
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমীরণ গুহ
    সমুদ্র পাল
    সম্পাদনা : শৈলেন্দ্র হালদার
    সরদার ফজলুল করিম
    সরোজকুমার রায়চৌধুরী
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সায়ক আমান
    সায়ন্তনী পূততুণ্ড
    সায়ন্তনী পূততুন্ড
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুব্রত গুহ
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সেলিনা হোসেন
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৈয়দ মুস্তাফা সিরাজ
    সৈয়দ শামসুল হক
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বপ্নময় চক্রবর্তী
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্মরণজিৎ চক্রবর্তী
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হরিশংকর জলদাস
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মানবজমিন – শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়

    August 7, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মানবজমিন – শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়

    August 7, 2026
    Our Picks

    মানবজমিন – শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়

    August 7, 2026

    কড়িখেলা – সঙ্গীতা বন্দ্যোপাধ্যায়

    August 7, 2026

    নীললোহিতের চোখের সামনে – নীললোহিত (সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়)

    August 7, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }