Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    রাজপাট – তিলোত্তমা মজুমদার

    তিলোত্তমা মজুমদার এক পাতা গল্প1633 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    রাজপাট – ১০৯

    ১০৯

    আষাঢ় মাস বাপ-মায়ের
    আশায় আশায় যায়।
    বিয়া নাই সে হইল কন্যার
    কি করে উপায় ।।
    আষাঢ়ে আকাশ ভরে
    মেঘের গুঙানি গুঙানে।
    এ ভরা যৈবন কন্যার
    বৃথা দিন গোনে ॥

    .

    সিদ্ধার্থ এসেছে খবর গিয়েছিল দুলুক্ষ্যাপার কাছে। সে বিস্মিত হয়নি এ খবরে। বরং এমতই প্রত্যাশিত তার। আসবেই। সিদ্ধার্থ আসবেই। যদিও সে রাখে খবর, মোহনলাল সিদ্ধার্থর প্রতি এখন প্রসন্ন নয়। তবু, সে জানে, এই অপ্রসন্নতাকে স্বাগত জানিয়ে চলে আসতে পারে সিদ্ধার্থই একমাত্র।

    বৃষ্টি ধরতেই মোহনলালের গৃহে চলে এসেছে দুলুক্ষ্যাপা। সিদ্ধার্থ দেখল আসর জমেছে। মোহনলালের সঙ্গে রয়েছে আরও চারজন। সকলের সঙ্গে মিশে বসে আছে রেজাউল। সে ঢুকতে মোহনলাল কোনও কথা বলল না। পরিচয় করিয়ে দিল না কারও সঙ্গে। সে সপ্রতিভই রইল তবু। রেজাউল বলল—কোথায় ছিলি এতক্ষণ?

    হাসল সে। জবাব কিছু দিল না। দুলু বাউল বলল—এসো বাবা, এসো। তুমি এসেছ শুনেই ছুটে এলাম। তোমার দর্শন পেলে প্রাণ জাগে।

    সিদ্ধার্থ বলল—আজ সন্ধ্যায় গান ছাড়া আর কিছু ভাবা যায় না। খুব ভাল হল আপনি এসেছেন।

    দুলুক্ষ্যাপা স্মিত হেসে বলে—পথ আমাকে সে-ই দেখায় গো, যে আমাকে চায়। তার দেখানো পথেই না আমি তোমার পর্যন্ত এসেছি। এবার হল মেলানোর অপেক্ষা।

    মোহনলাল বলে উঠল—বাবাজি, বাড়িটা আমার। আপনি আমার বাড়িতে এসেছেন। তা-ও অনাহূত। স্বেচ্ছায়। এখানে আমি আছি। অন্য বন্ধুরা আছেন। আপনি এভাবে কথা বললে অন্যদের অপমান করা হয়।

    .

    ঘরে নৈঃশব্দ্য বিরাজে। সিদ্ধার্থর শ্রবণে তবু প্রদাহ ধরা দেয়। তীব্র হলাহলের জ্বালা ছড়িয়ে পড়ে দেহে এবং আত্মাকে স্পর্শ করা মাত্র আত্মা স্বগুণে স্বজ্ঞানে তাকে অমৃত করে ফিরিয়ে দেয় ফের। সে আরাম বোধ করে। ধীরে ধীরে আরাম বোধ করে। শুচি আত্মা রক্ষা করছে তাকে। শুচি আত্মা। সে লণ্ঠনের প্রজ্বলিত শিখার মাঝে চায়। তার মনে পড়ে বোধিসত্ত্বকে। তিনি বলেছিলেন—আত্মশক্তি জাগাও। বড় করো। বড় করো। বড় হও। প্রসরমাণ হও। তোমার মধ্যে যিনি আত্মা, তিনি বিরাট, তিনি অসীম। তাঁকে আশ্রয় করো।

    কে আত্মা? কে?

    আত্মা! তিনি আত্মা! তিনি দেহাতীত! তিনি সর্বশক্তিমান! তিনি গরলকে করেন অমৃত। হলাহলে দেন প্রাণসুধা। তিনি সকল পাপকে করেন নাস্তি, আর পুণ্যকে চিরপ্রজ্জ্বলিত রাখেন।

    সে জিগ্যেস করেছিল, কেন মৃত্যুর পর অশৌচ পালন করা হয়!

    কারণ, তিনি ব্যাখ্যা করেছিলেন, কারণ, দেহ জৈববস্তুর মণ্ড। পচনশীল। মরণশীল। নশ্বর। তাই অশুদ্ধ। আত্মা অবিনশ্বর। আত্মা অপরিমেয়। আত্মা শুদ্ধ। যতক্ষণ আত্মা দেহকে আশ্রয় করে আছে, ততক্ষণ দেহ, আত্মার স্পর্শে শুদ্ধ। আত্মা দেহকে ত্যাগ করে গেলে দেহ সামান্য জড় বস্তু। অশুদ্ধ। অপবিত্র। অগ্রাহী।

    সে ভাবতে থাকল এইসব। ভাবতেই থাকল। কেন সে জানে না। তবু ভাবতেই থাকল কারণ প্রাণে সে পেয়ে যাচ্ছিল অদ্ভুত আরাম।

    .

    তখন দুলুক্ষ্যাপা জোড়হাত ঠেকাল কপালে। বলল— অপরাধ নেবেন না কেউ। আপনারা সকলেই প্রণম্য আমার। পক্ষপাত-দোষে দুষ্ট আমি। ক্ষমা করে দিন নিজ গুণে। এ দুনিয়ায় কেউ-ই যে নিরপেক্ষ হয় না গো। কেউ-ই হয় না অপক্ষপাত। এমনকী মা যে, সেও মনে মনে কোনও এক সন্তানকে অধিক স্নেহ করেন।

    আর কোনও কথার সুযোগ সে দিল না। সকল যন্ত্র সরিয়ে রেখে চোখ বন্ধ করে ধরল গান। সিদ্ধার্থর গায়ে কাঁটা দিয়ে উঠল। দুলু বাউল বৈরাগীঠাকুরের গান সে তো শুনেছে বহুবার, তবু এমন মহিমান্বিত আগে কখনও লাগেনি সংগীত। তার মনে হল, যেন কোনও গিরিকন্দরে গাইছেন সর্বত্যাগী কোন সন্ন্যাসী! অথবা সর্বোত্তম সর্বমধুরে গম্ভীরে পূর্ণসুরে গাইছেন সুরের দেবতা দুর্গেশ শ্রীশ্রীমহাদেব স্বয়ং। শরীরের সকল দিয়ে, হৃদয়ের সকল দিয়ে শুনতে লাগল সে গান।

    আষাঢ়সন্ধ্যা ঘনিয়ে এল, গেল রে দিন বয়ে
    বাঁধন-হারা বৃষ্টিধারা ঝরছে রয়ে রয়ে ।।
    একলা বসে ঘরের কোণে কী ভাবি যে আপন-মনে,
    সজল হাওয়া যূথীর বনে কী কথা যায় কয়ে ।।

    গান ফুরল। কথা ফুরল। যারা এসেছিল, গেল চলে। দুলুক্ষ্যাপাও সকল কথা সেরে চলে গিয়েছে কখন। তবু তার গান সিদ্ধার্থকে ছেড়ে গেল না। তার সঙ্গে সঙ্গে ফিরতে লাগল কথা। সকল কথা। বৈরাগীঠাকুর এক মহান শিল্পী, সে মান্য করেছে। কিন্তু আজ তার নিকটে বৈরাগীঠাকুর অতুল। অনুপম। আজ যেন শিল্পী স্বয়ং শিল্প হয়ে উঠল।

    সে ঘুরল ফিরল, তার সঙ্গে সঙ্গে চলতে লাগল গান। সে কথা কইল, গানও কথা কইল তার কানে কানে। যখন খেতে বসল তারা একত্রে, তখন, জুঁইফুলের পাপড়ির মতো শ্বেতশুভ্র সুগন্ধী অন্নের মধ্যে সে পেল ওই গান—

    হৃদয়ে আজ ঢেউ দিয়েছে, খুঁজে না পাই কূল—
    সৌরভে প্রাণ কাঁদিয়ে তোলে ভিজে বনের ফুল।

    খাওয়া শেষ হলে, সকলকে স্তব্ধ অসাড় করে দিয়ে মোহনলাল যখন বলল—আমি চাই না তুই আর এ গ্রামে আসিস-তখনও গান তাকে ছেড়ে গেল না। শুনতে পেল সে, সকল সুরের সকল ধ্বনি—

    আঁধার রাতে প্রহরগুলি কোন সুরে আজ ভরিয়ে তুলি,
    কোন্ ভুলে আজ সকল ভুলি আছি আকুল হয়ে ।।

    সে তখন বলল, হেসে, সম্পূর্ণ প্রসন্ন হেসে—কেন রে? কোনও অসুবিধে?

    মোহন তাকাচ্ছে না তার দিকে। চোখ তুলছে না। বলছে—আমি চাই না।

    —কেন চাস না?

    —তুই আমাদের পার্টির শত্রু। তাই আমারও শত্রু।

    —তোর সঙ্গে আমার বন্ধুত্ব হয়েছিল কী করে মোহন? পার্টির সূত্রে তো নয়।

    —তাতে কী এসে যায়? সম্পর্কের অর্থ পাল্টায়। এত কথা তোর সঙ্গে বলতেও চাই না আমি। শুধু শুনে রাখ, তোর সঙ্গে এবং তোর যারা ঘনিষ্ঠ তাদের কারও সঙ্গে আমার কোনও সম্পর্ক নেই। তোকে যেন এ গ্রামে আর না দেখি।

    —তুই কী করে একটা গ্রামে আমার আসা নিষেধ করতে পারিস মোহন?

    — পারি, তার কারণ এখানে আমি যা চাইব, তা-ই হবে।

    মোহনলাল উত্তেজিত হয়ে উঠছে। তার উত্তেজনার সাক্ষী হয়ে থাকছে রেজাউল। সাক্ষী থাকছেন নন্দিনী।

    সিদ্ধার্থ শান্ত। শান্ত এবং ধৈর্যশীল। এই বিশ্বচরাচর, নন্দিনী ও রেজাউল সমেত সাক্ষী থাকছে তার মমতার। সে বলছে—এটা অগণতান্ত্রিক নয়? পার্টিনীতির বিরোধী নয়?

    —সেটা তোকে দেখতে হবে না। এই গ্রামে, এই বাড়িতে তোকে কাল থেকে আর দেখতে চাই না, ব্যস।

    এতক্ষণে নন্দিনীর কথা শুনল ধরণী। তিনি বললেন-এ গ্রামও তোর নয়, এ বাড়িও তোর নয়। তুই এখানে ওকে আসতে নিষেধ করার কে?

    মোহনলাল ক্রুদ্ধ তাকাল নন্দিনীর দিকে। চিবিয়ে চিবিয়ে বলল—তোমার বুকে ঠুকরোয় কেন মা? সিদ্ধার্থ বন্দ্যোপাধ্যায় তোমার কে?

    —তুই যেমন এক ছেলে, তেমনি ও-ও আমার ছেলে। ওকে তোর থেকে আলাদা করে দেখি না আমি।

    —ছেলে? বাঃ! হারাধনের মতো ছেলে? চমৎকার!

    নন্দিনী অবাক হয়ে তাকাচ্ছেন। বলছেন—তার মানে কী? মোহন? এ কথার মানে কী? দাঁতে দাঁত পিষছে সিদ্ধার্থ। কঠিন হাতে চেপে ধরছে মোহনলালের ঘাড়। চাপ দিচ্ছে। শক্ত করছে। চাপ দিচ্ছে। ঊর্ধ্বমুখে তাকিয়ে আছে সে মোহনলালের দিকে, কারণ মোহনলাল দীর্ঘতর। তবু, তার থাবার নীচে অসহায় লটপট করছে মোহনলাল।

    —ছাড়। ছেড়ে দে। ছেড়ে দে। আঃ! ছেড়ে দে সিধু!

    আর্তনাদ করছে সে। সিদ্ধার্থ বলছে—কাকিমার ছেলে বলে বেঁচে গেলি। অন্য কারও ছেলে হলে এতক্ষণে মাছের খাবার হয়ে যেতিস। ক্ষমা চা। ঠেলে দিল সে মোহনলালকে নন্দিনীর দিকে।

    —ক্ষমা চা। বল, যা বলেছিস, অন্যায় বলেছিস।

    নন্দিনী দাঁড়িয়ে আছেন বিমূঢ়। সিদ্ধার্থ এতখানি ক্রুদ্ধ হল কেন তিনি জানেন না। এত ক্রোধ ছিল তার ভেতরে, তিনি কল্পনাও করতে পারেননি। ছেলের জন্য করুণা হচ্ছে তার। কষ্ট হচ্ছে। তবু, এ বিশ্বাস তাঁর আছে, সিদ্ধার্থ অন্যায় করছে না।

    মোহনলাল হুমড়ি খেয়ে পড়ছে মায়ের হাঁটুর কাছে। বলছে—মা, ক্ষমা করো।

    বলছে আর উঠে চলে যাচ্ছে তৎক্ষণাৎ। দরজা বন্ধ করে দিচ্ছে নিজের ঘরের।

    সিদ্ধার্থ ও রেজাউলের জন্য আলাদা ঘরে শোবার ব্যবস্থা করে দিলেন নন্দিনী। এই প্রথম। মোহনলালের বাড়িতে এসে, তারা শুচ্ছে পৃথক। তারা কেউ কোনও কথা বলছে না। এবং রেজাউল শুয়ে পড়ল সিদ্ধার্থর পাশে, নীরবে। বড় বিষণ্ণ সে আজ। দুখী। সে এসেছিল নিৰ্মল আড্ডার প্রত্যাশায়। কিন্তু এ কী! এ কী! তারা সব ছিঁড়ে ছিঁড়ে যাচ্ছে। খুলে খুলে যাচ্ছে। কেন? কেন এরকম? সে দু’চোখ বন্ধ করল। তার মনে হল সন্তানগুলির কথা। বিবির কথা। আঃ! এই মুহূর্তে সন্তানগুলিকে বুকে জড়িয়ে ধরার শান্তি সে পেতে চাইল। সেই অনুভূতি পাবার আশায়, অন্ধকারে, সে বন্ধ করল চোখ।

    কিন্তু চোখ খোলা রইল সিদ্ধার্থর। সে চাইল না শান্তি। চাইল না সান্ত্বনা। এই বিচ্ছেদ সমাগত সে জেনেছিল। তবু তা কতখানি মর্মান্তিক সে জানত না। জানত না সে। জানে না। জানিত না, জানিত না এ হৃদয় এমনই বিদারে! জানিত না, জানিত না! ভোঁতা ছুরি দ্বারা খুঁচিয়ে খুঁচিয়ে তোলা বুকের পাঁজর!

    হাহাকার বাজে চরাচরে। হাহাকার। হা হা হা হা হা হা রব ঢুকে পড়ে ভূমিগর্ভে উথালে-পাথালে ফুঁড়ে দেয় বিধ্বংসী মেদিনী-কম্পন।

    তবু তাকে ছেড়ে যায় না গান সেই। সে বাজে। বাজে। বেজে যায়। এবং এক চাপা রোদনধ্বনি, মাঝে মাঝে প্রকাশিত মেঘমন্ত্র ভেদ করে পৌঁছে যায় তাহার নিকট। সে উঠে বসে। কান পাতে। শোনে। মা মা মা!

    সে পায়ে পায়ে আসে। নন্দিনীর ঘরের সামনে দাঁড়ায়। শুনতে পায়। রোদন ক্রন্দন। কান্না শুনতে পায়। মোহনলাল। সে বলছে মা, মাগো, আমি হেরে যাচ্ছি মা।

    নন্দিনী বলছেন—কীসের হার বাবা? আমাকে বল।

    —মা তুমি থাকো। তুমি থাকো। এখান থেকে যেয়ো না। মা।

    ফিরে এল সিদ্ধার্থ। তার কান্না পাচ্ছে। খুব কান্না পাচ্ছে। এই মুহূর্তে নন্দিনীকে তারও প্রয়োজন ছিল বড়। সে ঠোঁটে ঠোঁট চেপে ধরল। গরম জল অবিরল নেমে আসছে চোখ হতে। ঘেরা বারান্দার ধারে এল সে। আকাশে তাকাল। ফিসফিস করে বলল—মা!

    কাঁধে স্পর্শ পেল সে। রেজাউল উঠে এসেছে। তারা ঘরে এল। জড়িয়ে ধরল পরস্পরকে। কাঁদল। সিদ্ধার্থ বলল —বাইরে বৃষ্টি নেই। রেজাউল। যাবি?

    —চল।

    —ব্যাগটা?

    —নিয়ে নিচ্ছি।

    নিঃশব্দে নেমে এল তারা। বেরুনোর পদ্ধতি জানে সিদ্ধার্থ। বেরুল। ভেজা অন্ধকার অপরিচ্ছন্ন পথে হাঁটতে লাগল পাশাপাশি। আরও একজন যোগ দিল তাদের সঙ্গে। সফি।

    সিদ্ধার্থ বলল— সফি, তুমি জেগে আছ এখনও?

    সফি মৃদু কণ্ঠে বলে—জি, নজরদারি রাখতে তো হবে।

    রেজাউল বিস্মিত হল। জানতে চাইল—কে? সিধু?

    —আমার ভাই। আমার কোনও ক্ষতি না হয়, তাই সঙ্গে এসেছে।

    রেজাউল সিদ্ধার্থর হাত চেপে ধরল। জানতে চাইল না কী ক্ষতি, কেমন ক্ষতি। সে বুঝে গেছে।

    ইসমাইলের দোকান পেরিয়ে, মাতিন শেখের বাড়ি পেরিয়ে এগিয়ে গেল তারা। গাঢ়তর অন্ধকার হতে বেরিয়ে এল আরও একজন। বলল— দাদা! এই অন্ধকারে কোথায় যান?

    সফি দ্রুত সিদ্ধার্থর গা ঘেঁষে দাঁড়াল। সিদ্ধার্থ তার হাতে চাপ দিল। এখন কিছুটা সুস্থ সে। সংযত। বলল—চলে যাচ্ছি নিসার।

    —এত রাতে?— চলে যাচ্ছি।

    —আমি যাই কিছুদূর?

    —চলো।

    মাসুদার বাড়ির কাছে এক মুহূর্ত দাঁড়াল সিদ্ধার্থ। শিশুর ক্ষীণ কান্না বুঝি-বা সে শুনতে পায়। নিসার বলল—ইদরিশের জোড়া বাচ্চা হয়েছে দাদা।

    —বাঃ!

    খুশি হল সিদ্ধার্থ। জীবনের শূন্যতা এভাবেই ভরে ওঠে আস্তে আস্তে। সকল বিচ্ছেদ-বেদনার ভার এভাবেই প্রশমিত হয়। তাই জীবন এত সুন্দর। বছরে একবার বসন্ত আসে। বসন্ত আসে। কাল ছিল ডাল খালি। আজ ফুলে যায় ভরে। যায়। যায়-ই তো!

    সে বলে—নিসার ভাই, তুমি এখনও এ কাজ করো?

    —জি, চুরি করি না।

    —আর ওই কাজ।

    —জি, যা দেখি, নিজের মনে রাখি। বলবার দরকার পড়ে না। চুরি বন্ধ, নজরদারিও বন্ধ। দুই-ই বড় গুনাহ্ দাদা। ধৰ্ম্ম তো করলাম না। অধম্ম না করে দিলটাকে সাফা-সুতরা রাখছি। কিন্তু না বেরুলেও চলে না। আপনি তো সবই জানেন।

    —নিসার? মুক্তি পেলে কী করে?

    —জি, আপনার মিছিলে গিয়েছিলাম।

    —সেকথা থাক নিসার।

    —জি, সেজন্য মোহনদা আমাকে কাজ দেয় না।

    —সে কী! তোমার চলে কী করে?

    —জি, সেনবাবুরা ফিরিয়ে নিয়েছেন।

    —বাঃ! তোমার বিবি-বাচ্চার সুসমাচার তো নিসার ভাই?

    —জি। সবই আগের মতো। তবে বেশিদিন থাকবে না।

    —কেন নিসারভাই?

    —খুব বন্যা হবে। খুব বৃষ্টি হবে। বানে সব ভেসে যাবে। তখন কে বাঁচবে কে মরবে, কে বলতে পারে দাদা? কিছুই আর আগের মতো থাকবে না। দেখবেন আপনি, দেখে নেবেন।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44 45 46 47 48 49 50 51 52 53 54 55 56 57 58 59 60 61 62 63 64 65 66 67 68 69 70 71 72 73 74 75 76 77 78 79 80 81 82 83 84 85 86 87 88 89 90 91 92 93 94 95 96 97 98 99 100 101 102 103 104 105 106 107 108 109 110 111 112 113 114 115 116 117 118
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleকয়েদি – তিলোত্তমা মজুমদার
    Next Article বসুধারা – তিলোত্তমা মজুমদার

    Related Articles

    তিলোত্তমা মজুমদার

    শামুকখোল – তিলোত্তমা মজুমদার

    August 25, 2025
    তিলোত্তমা মজুমদার

    অর্জুন ও চারকন্যা – তিলোত্তমা মজুমদার

    August 25, 2025
    তিলোত্তমা মজুমদার

    ঝুমরা – তিলোত্তমা মজুমদার

    August 25, 2025
    তিলোত্তমা মজুমদার

    নির্জন সরস্বতী – তিলোত্তমা মজুমদার

    August 25, 2025
    তিলোত্তমা মজুমদার

    বসুধারা – তিলোত্তমা মজুমদার

    August 25, 2025
    তিলোত্তমা মজুমদার

    কয়েদি – তিলোত্তমা মজুমদার

    August 23, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Our Picks

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }