Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    মাহতাব উদ্দিন : জীবন ও গান

    May 18, 2026

    পরমপুরুষ শ্রীশ্রীরামকৃষ্ণ ২ – অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত

    May 18, 2026

    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়ের প্রেমের গল্প – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    May 16, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    রাজপাট – তিলোত্তমা মজুমদার

    তিলোত্তমা মজুমদার এক পাতা গল্প1633 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    রাজপাট – ৩২

    ৩২

    সহজ লোকের মতো কে চলিতে পারে!
    কে থামিতে পারে এই আলোয় আঁধারে
    সহজ লোকের মতো! তাদের মতন ভাষা কথা
    কে বলিতে পারে আর!— কোনও নিশ্চয়তা
    কে জানিতে পারে আর?—প্রাণের আহ্লাদ
    সকল লোকের মতো কে পাবে আবার!

    .

    মৌসুমি অদ্যাবধি হারাধনের জীবনে এক আনন্দের দীপশলাকা হয়ে আছেন। এবং তিনিই একমাত্র আনন্দ। হারাধন সারাক্ষণ পায়ের তলায় যে শূন্যতা বোধ করে, তার নির্বাপণ একমাত্র সম্ভব হয় মৌসুমির সান্নিধ্যে এবং জ্বলে ওঠে আনন্দ। তখন এক স্বাদ পায় সে। জীবনের স্বাদ। যেন সে এক মানুষ, তার এক ঠিকানা রয়েছে। এই পৃথিবীর কোথাও এক ঠিকানা রয়েছে। ঠিকানাবিহীন সে যে, শিকড়বিহীন, এই কষ্ট তাকে ছেড়ে যায়। কিন্তু সে সাময়িক মাত্র। সে যতক্ষণ এই শহর বহরমপুরে থাকে, যতক্ষণ কাজে ডুবে থাকে, যতক্ষণ তার নাকে লাগে মৌসুমির ঘ্রাণ—ততক্ষণ। পেতনির চরে যেখানে তাদের বাসা, সেখানে সকল ভাসমান। সকল অস্তিত্ব ভাসমান। আজ যখন সে ভারত সরকারের কর্মী, তখনও, পায়ের তলায় শূন্যতা কেবল। তাদের বাসস্থান, পেতনির চরের কোনও অস্তিত্ব নেই কোথাও।

    যা চোখে দেখা যায়, তা-ই স্বীকারের যোগ্য হয় না। পেতনির চরের যে-আকার, তার ভূমির যে-পরিমাণ সবটাই ক্ষণিক। এবং এই ক্ষণকালের বয়স হল তিরিশ বৎসর।

    পয়োস্তি নয়। ভাগীরথীর বুকে জেগে ওঠা চরা মাত্র। একটি ছোট দ্বীপ হয়ে সে জেগে আছে। তাকে ঘিরে ভাগীরথী বয়ে যায় নিরন্তর। যে-কোনও সময়, খেয়াল হলেই, এই চরকে সে ডুবিয়ে ভাসিয়ে ধ্বংস করে দিতে পারে। সরকারিভাবে এই চরকে বাসযোগ্য ভূমি বলা হয়নি। তবু এখানে মানুষ বসত করেছে। গড়েছে আবাদ। শস্য ও ফসলের ক্ষেত। ছোট একটি গ্রাম ও সামান্য সে জমি। এ চরের লোক প্রত্যহ ভেসে যাবার আশঙ্কা নিয়ে ঘুমোতে যায়, প্রত্যহ ডুবে যাবার ভয় নিয়ে জাগে। এভাবেই চলতে চলতে আজ তিরিশ বৎসর। নদী হয়তো-বা করুণাপরবশ, আজও ভাসায়নি চর।

    কিন্তু এই চরের কোনও ঠিকানা নেই। চিঠি লিখলে সরকারি ডাকপিয়ন সেখানে পৌঁছয় না। কোনও কোনও বর্ষায় চরাচর জলে ডুবে গেলে যখন খাদ্যাভাব দেখা দেয় তখন নদীপাড়ের মূল গ্রামগুলির সামান্য সহায়তা ভরসা। কোনও সরকারি সাহায্য, ত্রাণের ব্যবস্থাপনা সেখানে যায় না। সেখানে যত মানুষ বসবাস করে, তারা সব নেই-মানুষ। আর সে, হারাধন বসাক, এক নেই-মানুষেরই সন্তান। তার বাবা, পাঁচ সন্তানের জনক, নারান মুদির বড় ছেলে।

    কী করে সে হয়ে উঠল মেধাবী এবং তার মেধাবস্তু টের পেয়ে নারান মুদি তাকে স্কুলে ভর্তি করে দিল। প্রাথমিক স্কুলের পাঠ সে নিয়েছিল নৌকা করে নদী পেরিয়ে চতুষ্কোণা গ্রামে। সেই থেকে এক অনুগ্রহের জীবন সে ভোগ করে আসছে। দরিদ্র মুদির সন্তান সে, শিকড়বিহীন। শিক্ষকরা তাকে দয়া করেছেন। বন্ধুরা তার প্রতি সাহায্যের সম্পর্ক বাড়িয়ে দিয়েছে।

    তার মেধাবস্তু টের পেয়ে নারান মুদি তাকে স্কুলে দিয়ে দেবার পর আর কোনও দায়িত্ব নিতে পারেনি। চরে একমাত্র তার ভিটে সম্বল ও ওই সামান্য দোকান। তাই দিয়ে বড় সংসারের খাওয়া-পরা চলে না। হাঁ-মুখ দারিদ্র্য সেখানে খড়ো চাল হয়ে, বাঁশের বেড়া হয়ে ঘর সংসার রচনা করেছে। কিন্তু হারাধনের তার জন্য কোনও অসুবিধে হয়নি। তার মেধাবস্তুর কারণেই সে পেয়ে গেছে খাতা বই পোশাক। পেয়েছে প্রাথমিক স্কুলের পর উচ্চ বিদ্যালয়ে ভর্তির সুযোগ। আর এইসব সাহায্যের মাধ্যমেই সে ওই শৈশব থেকেই পেয়ে গিয়েছে দারিদ্র্য থেকে পলায়নের পথ। এবং কিছু-বা স্বার্থপরতা। সে বুঝেছিল, ওই নারান মুদির মতো জীবন তার জন্য নয়। সে পেয়ে যাবে এক সুনিশ্চিত ভবিষ্যৎ। সেই ভবিষ্যতের কোথাও নারান মুদি ও তার আরও সব সন্তানের জন্মের যোগ নেই। এ বিষয়ে সে বহুবার নিজের মুখোমুখি হয়েছে এই চাকরিটি পেয়ে যাবার পরে। তার ভেতরকার বোধের জিজ্ঞাসার কাছে সে এক কুঁকড়ে যাওয়া মানুষ।

    .

    তা হলে তুমি কি তোমার জন্ম অস্বীকার করতে চাও?

    না, না। তা সম্ভব নয়।

    তুমি ত্যাগ করবে তোমার মা-বাবা-ভাই-বোনের সংস্রব?

    না, ঠিক ত্যাগ নয়। তবে আমি নিজের চেষ্টায় দাঁড়াতে পেরেছি। আমার কি অধিকার নেই বলো, একটু ভালভাবে বাঁচার? আমি, শুধুমাত্র নারান মুদির বড় ছেলে বলেই কি কাঁধে নেব ওই বিপুল কর্তব্যের ভার এবং ধুঁকতে ধুঁকতে চলব সারাজীবন?

    ওই নারান মুদি তোমার বাবা। আর যে-মহিলা অর্ধাহারে কাঠি হয়ে যাওয়া শরীর নিয়ে আজও সংসারের মঙ্গলের কথা ভেবে উঠোনে গোবর-ছড়া দেয়, সে তোমার মা।

    শুধু জন্ম দেওয়া ছাড়া আর কী কাজ ওদের বলো?

    আর কিছু নয়? স্নেহ ভালবাসা মঙ্গলকামনা কিছু নয়?

    যারা আমার কেউ নয়, কোনও রক্তের সম্পর্ক নয়, তারাও আমাকে দিয়েছিল স্নেহ, ভালবাসা, মঙ্গলকামনা। সেইসব ভালবাসা আরও অনেক বড়। সেইসব মঙ্গলকামনা আরও অনেক নির্মোহ, নিঃস্বার্থ।

    তা হলে কি ছেড়ে যাবে? ওইসব ছেড়ে যাবে? মা-বাবা-ভাই-বোন?

    না। ছেড়ে যাব কেন? দূর থেকে সাহায্য করব যতটা পারা যায়। জীবন জড়াব না।

    তোমার শিকড়? সে তো জড়ানো ওখানেই।

    .

    ভাবনার এই পর্বে এসে সে বিমূঢ় হয়ে যায়। তার শিকড়? কোথায় আছে? কোথায়? আসলে সে আজও এক ভাসমান শিকড়ের মানুষ। বৃক্ষ লতা গুল্ম নয়। এমনকী তৃণও নয়। সে বরং কিছুটা কচুরিপানার মতো। যেখানেই ঠেকে, ফুলে পত্রে বিস্তার রটিয়ে দেয়। কিন্তু ভেসে যায় ফের।

    সে যখন স্কুলে পড়ত, তার ঠিকানা ছিল রথীন স্যারের বাড়ি। চর থেকেই সে আসত নৌকায়। কোনওদিন, প্রয়োজন হলেই থেকে যেত বন্ধুদের বাড়ি। কোনও বাড়িতেই কোনও অসুবিধে হয়নি তার। সবখানেই সে পেয়ে গেছে অনুকম্পার চোখ— আহা! গরিবের ছেলে কষ্ট করে পড়ছে!

    এই আহা তাকে ভেলার মতো ভাসিয়ে ভাসিয়ে নিয়ে এসেছে এতদূর। এই আহা-ই তাকে পৌঁছে দিয়েছিল অসিত স্যারের কাছে। এবং যথারীতি মেধাবী দারিদ্র্য ও সহায়সম্বলহীনতা অসিত স্যারের হৃদয়ে স্নেহ উৎপন্ন করেছিল। তিনি বলেছিলেন—বইপত্র যে-কোনও দরকারে আমার বাড়িতে চলে এসো।

    কোনও কোনও উচ্চারণ কারও জীবনে অমোঘ নির্ধারণ করে ভবিষ্যৎ। সেদিন অসিত স্যারের ওই আহ্বানের অন্তরালেই তার জীবন বৃহৎ হয়ে ছিল। সে তা জানেনি। বোঝেনি। ভবিষ্যতের ইঙ্গিত ভবিষ্যৎ পার করলে তবেই বোঝা যায়।

    অসিত স্যারের কথাগুলো হারাধন নিয়েছিল অন্যান্য করুণাময় মানুষের সাহায্যের মতোই। সাহায্য নেবার অভ্যাসে অকুণ্ঠিত সে গিয়েছিল অসিত স্যারের বাড়ি।

    সে গিয়েছিল। আর পেয়েছিল মৌসুমিকে। অসিত স্যারের স্ত্রী মৌসুমি। সন্তান নেই তাঁদের। অতএব, সে এক সভ্য ও কাতর তরুণ, ভদ্র এবং স্নেহের অপেক্ষক, এক সুন্দর ভবিষ্যতের স্বপ্ন দেখতে চাওয়া এবং শিকড় চাড়িয়ে দিতে চাওয়া ছাত্র, মেধাবীও, সে হয়ে উঠেছিল সন্তানপ্রতিম। আজও সে সন্তানপ্রতিম। মৌসুমী তাকে আঁকড়ে ধরেছিলেন। অসিত স্যার এই ধারণকে প্রশ্রয় দিয়েছেন আগাগোড়া। তার বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার খরচ দিয়েছিলেন অসিত স্যার।

    অতএব, সে কী করবে যদি বিচ্ছিন্ন হয়ে যায় নারান মুদির থেকে? যদি পেতনির চর আর না টানে তাকে, সে কী করবে? সে যে সকলের অনুগ্রহে অনুগ্রহে সবাকার জন। এমনকী পেতনির চরে সে এক গর্বের বস্তু। লোকে বলে –নারানের ছেলে আমাদের গর্ব।

    সে আর কী করবে যদি তার গর্বের মধ্যে থেকে জেগে ওঠে আরও এক পেতনির চর? সে সেখানেই বসবাস করবে আর নারান মুদির কাছে যাবে না। যেমন সে ওই চরে থাকাকালীনও পিছলে পিছলে গিয়েছে কেবল। সে লেখাপড়া করে বলে তাকে খেতে দেওয়া হয়েছে ভরপেট এবং ভাইবোনদের কম কম দেখেও সে নিয়েছে তার ভোগ এবং শুধুই মোটা চালের সেদ্ধ বা পান্তা খেতে খেতে সে তার মনকে নিয়ে গিয়েছে পুস্তকে নিবদ্ধ, যেন-বা সে এক অশরীরী, খাদ্য ও তৎসম্পর্কিত বিষয়ে সম্পূর্ণ অনাগ্রহী। এমনকী, ওই দারিদ্র্যের মধ্যেও সে শোবে বলে ঝেড়ে পুছে রাখা শয্যা ও সে পরবে বলে ক্ষারে-কাচা পরিষ্কার পোশাক—এ-সবের কোনওটাই তাকে নারান মুদি ও তার পরিবারের প্রতি কৃতজ্ঞতাভাজন করেনি বরং এই সবই এক স্বাভাবিক অধিকার এবং যদি-বা থাকে কিছু ঋণ, সে শোধ করবে এবার, করবে, এই তো চাকরি পেল আর টাকা পাঠাবে। পাঠাবে আর কী করে, নিজেই যাবে কিংবা এসে নিয়ে যাবে নারান মুদি বা তার ছেলে। এই তো চায়? এই তো? মঙ্গলকামনার ঋণের বিনিময়ে এই তো শোধ? এর বেশি আর কী প্রত্যাশা তার কাছে?

    মৌসুমি বলেছিলেন—আমাকে মা ডাকবি?

    এ হল সেই সময় যখন সে প্রায়ই যাচ্ছে অসিত স্যারের বাড়িতে। আর মৌসুমি তাকে যত্নে বেড়ে দিচ্ছেন আধফোটা জুঁইফুলের মতো ভাত। আর অসিত স্যার বলছেন—পেতনির চরে তো বিদ্যুৎ নেই।

    —না স্যার।

    —ওখান থেকে রোজ আসা-যাওয়া করে তুমি উচ্চ মাধ্যমিক পর্যন্ত পড়েছ?

    —মাঝে মাঝে বন্ধুদের বাড়িতে থেকে যেতাম। আসা-যাওয়াও করেছি।

    —এভাবে তুমি আটষট্টি শতাংশ পেয়েছ! ভাবো মৌসুমি। হারাধন কষ্ট করেছে কীরকম।

    সে মাথা নিচু করে খেয়ে যাচ্ছে। আর তার বুকের খাঁচায় সেঁধিয়ে আছে পুলক। সে প্রত্যাশা করছে, এখুনি, এখুনি আসবে কোনও সাহায্যের প্রতিশ্রুতি। সে জানে, চেনে এইসব লক্ষণ।

    তখন মৌসুমি বলছেন—এখনও আসা-যাওয়া করছ তুমি?

    সে মাথা নাড়ছে। মোচার ঘণ্ট দিয়ে মেখে নিচ্ছে ভাত। মোচার মধ্যে ছোট ছোট চিংড়ি। তার প্রিয়। অতি প্রিয় চিংড়িগুলি সে খেয়ে ফেলছে না। থালার পাশে সরিয়ে রাখছে সবার শেষে খাবে বলে। মৌসুমি, হয়তো এইসব লক্ষ করেই, তার পাতে দিচ্ছেন আরও খানিক মোচার তরকারি। সে না বলছে। লজ্জিতভাবে না বলছে। অসিত স্যার বলছেন— কাল একবার এসো তুমি। প্রাচীন ইউরোপীয় ইতিহাসের ওপর একটা ভাল বই দেব তোমাকে। এসো।

    সেদিন শনিবারের পর সে ছিল এক রবিবার। সে গিয়েছিল। অসিত স্যার বলেছিলেন— শোনো হারাধন, তুমি হস্টেলে থেকে যাও। এতে তোমার পড়া ভাল হবে। খরচ যা আমি দিয়ে দেব। কিন্তু এমনি-এমনি নয়। তুমি আমার বাজার-টাজার মাঝে মাঝে করে দেবে। আমার বইপত্রগুলোর দেখাশোনা করবে। বউদি কোথাও যেতে চাইলে নিয়ে যাবে।

    —বউদি! কে বউদি!

    ঝাঁঝিয়ে উঠেছিলেন মৌসুমি।

    —আমি ওর মায়ের মতো। ও আমাকে বউদি বলবে কী! আমাকে তুই মা ডাকিস হারাধন। সেই মুহূর্তে তার কোনও আবেগ ছিল না। পরের সাহায্য পেতে অভ্যস্ত সে এইসবই ভেবেছিল দারুণ স্বাভাবিক। তাকে সাহায্য করার জন্য পৃথিবীতে অনেক মানুষ।

    অথচ, সে যখন স্থিত হয়ে গেল, মৌসুমিকে মা ডাকলে আর জড় হল না জিহ্বা, তখন তার মধ্যে এল আবেগ। নিঃশব্দে। গোপনে, অল্পে অল্পে। সেই আবেগের নাম কী, সে জানে না। জানে না আজও।

    হস্টেলে নামমাত্রই, অধিকাংশ সময় তার কেটে গেছে অসিত স্যারের বাড়িতেই। আজও, এই চাকরি পেয়ে যখন সে এক মেসকে আশ্রয় করেছে, তখনও অধিকাংশ সন্ধ্যা ও ছুটির দিন তার কেটে যায় ওখানেই। না গেলে মৌসুমি অভিমান করেন—আমাকে ভুলে যাচ্ছিস, না?

    আর সে নিজেকে জানে। মৌসুমিকে না দেখলে তারও চলে না। এ এক অমোঘ আকর্ষণ। এই আকর্ষণই তার নির্মল আনন্দের উৎস। একে সে জানে সেইসময় থেকে। সেইসময়, যখন সে অসিত স্যারের বাড়িতে স্থিত। অসিত স্যার দাবা খেলতে চলে যান রোজ সন্ধ্যায়। সে থাকে। পড়ে। কথা বলে মৌসুমির সঙ্গে। সে যেভাবে থাকত ওই বাড়িতে তাতে হস্টেলে না থেকে ওখানেই বাস করতে পারত অনায়াসে। কিন্তু অসিত স্যার সে-কথা বলেননি। কেন সে জানে না। এমনকী মৌসুমিও বলেননি। এখন, এই চাকরি পাবার পর যখন সে মেস নিয়ে থাকছে, মৌসুমি বলেন—এটাই তোর বাড়ি। কিন্তু তোকে যে থাকতে বলব, চারপাশে যা লোকজন!

    সে বলে—তুমি ভেবো না মা। আমি তো আসছিই।

    এবং অসিত স্যার দাবা খেলতে চলে যান আজও। সে যায়। থাকে মৌসুমির সঙ্গে। হাতে হাত রেখে বসে থাকে পাশাপাশি। কোলে শুয়ে থাকে। কখনও সে চায়, কখনও মৌসুমি— তারা শুয়ে পড়ে বিছানায়। তারা মা ও ছেলে, শুয়ে পড়ে বিছানায়। মৌসুমি সঘন শ্বাসে বলেন—কাছে আয়। আয় না।

    সে কাছে চলে যায়। খুব কাছে। আর মৌসুমিকে জড়িয়ে ধরে। বুকে গুঁজে দেয় মুখ। একটি পা মৌসুমির গায়ে তুলে দেয়। মৌসুমি শাড়ি সরিয়ে দিয়ে বলেন—এইখানে, ঠিক এইখানে মুখ রাখ আমার।

    এক সন্তানহীনা নারী ডাক দেয় তরুণ পুত্রবৎ হারাধন ছেলেটিকে। সন্তানস্পৃহা মানবের স্বাভাবিক আকাঙ্ক্ষা। প্রাকৃতিক। অতএব বুক জুড়ে না থাকলে কেউ, বুক খাঁ-খাঁ করে। হাহাকার চলতে থাকে, তীব্র ইচ্ছার অপূর্ণতায়, অতৃপ্তিতে। নারী সে, সন্তান-প্রতিমকে দেখায় শূন্যতা।

    সে খুলে দেয় ব্লাউজের একটি-দুটি হুক। আর মুখ ডুবিয়ে দেয় সেই গহনে। শরীরে শরীর লেগে যায়। সে এক আশ্চর্য আনন্দের ঘ্রাণ পায় সেখানে আর ঘ্রাণ নিতে নিতে টের পায় ওঠা-নামা। টের পায় হৃদস্পন্দনের দ্রুততা। হৃদয়—হৃদয়! তারা পরস্পরকে কী নামে ডাকে? কী চোখে দেখে? সম্বোধনে হায়, কিছুই লেখা থাকে না সম্পর্কের। এমনকী নিজের কাছেও স্বীকারের সকল তাড়নার আড়ালে নিঃশব্দে মুখ তোলে দৃঢ় অনিবার্য ইচ্ছা। দুটি ডানা ঝাপটানো হৃদয় তখন পরস্পর সংলগ্ন থেকে যায় দীর্ঘসময়। একসময় সে মুখ তোলে। সে-মুখ কাতর। সে ঝুঁকে পড়ে মায়ের মুখের পরে। গালে গাল রাখে। আর হাত দিয়ে হুক লাগিয়ে দেয়। মৌসুমি বলেন——ইচ্ছে করে, সারাক্ষণ তোকে এরকম বুকে চেপে রাখি। তুই আমার একমাত্র আনন্দ।

    সে মায়ের নাকে নাক ঘষে দেয়। চুমু খায়। তার শরীরের অর্ধাংশ উঠে আসে মায়ের শরীরে। গাঢ় স্বরে সেও বলে—তুমিও আমার একমাত্র আনন্দ মা।

    মা ও ছেলের এ এক অপরূপ একান্ত সময়। মা ও ছেলে। নাকি মৌসুমি ও হারাধন। তারা নিজেরাও জানে না সে-কথা। তারা জানে পরস্পর ঘনিষ্ঠতম এ বন্ধন। একজন পঁচিশ বয়স্ক যুবক ও পঁয়তাল্লিশ বয়স্কা নারী। তারা যখন কাছাকাছি আসে, যুবকটি ভুলে যায় সে ভাসমান। নারী ভুলে যায় সে সন্তানহীনা। একটা সম্পর্ক পরস্পরকে এর চেয়ে বেশি আর কী দিতে পারে!

    মাঝে মাঝে হারাধন শরীরে কষ্ট পায়। অনিবার হয়ে ওঠে রক্তস্রোত। এই পাঁচটি বছরে সে এই স্রোতকে সংযত করেছে। উত্তাপে পুড়ে যেতে যেতেও পোড়া ত্বক ভিজিয়েছে সন্তান হয়ে ওঠার আমূল সংস্কারে। ‘মা’ এই ডাক তাকে দিয়েছিল শক্তি। সে যখন বহরমপুরে পড়ত তখন দৈনন্দিন দেখা-সাক্ষাতে, পরিচিত পরিবেশের অনুচ্চারিত নিষেধে এক অনিবার্য আকর্ষণের মধ্যে বসেছিল প্রাচীর। মাঝখানে, অদর্শনের তারল্যে, সে যখন ছিল বর্ধমানে, তাদের সেই বায়বীয় প্রাচীর সম্ভবত উড়ে যায়। যে-কল্পনা সে বহরমপুরে কখনও করেনি, সে-কল্পনা অনায়াসে দিয়েছিল বর্ধমান তাকে। স্থান বদলে গেলে সম্পর্ক নতুন মর্মে ধরা দিতে পারেও বুঝি বা। তবু তারা, এই মতো ধারণা নিয়ে থাকছিল যে যেখানে যেমন ছিল, সকল নিষেধ ও মান্যতা, আছে তা-ই। কিন্তু সেদিন যে কী হল! সে কি চেয়েছিল এমনই, নাকি মৌসুমি চেয়েছিলেন! নাকি তারা দু’জনেই চেয়ে আসছে এবং প্রবল পরাক্রমে গড়ে তুলছে সেই বায়বীয় প্রাচীর!

    আজ এই শনিবার সে চলেছে চর অভিমুখে। আর ভাবছে। কী বলবে সে! জানে না। কিন্তু বলতে তো হবেই। না বলে পারবে না সে। মায়ের আদেশ।

    শীতের গঙ্গার হাওয়া। কনকনে তরঙ্গ আছড়ে পড়ছে গায়ে। পারাপারের ডিঙিতে বসে সে দেখছে দূরে পেতনির চরে নেমে আসছে অন্ধকার। নিথর হয়ে আছে গাছপালা, বাড়িঘর। ধোঁয়া জমে আছে স্তরে স্তরে। এই দৃশ্যে তার মন ভিজে উঠছে। চরের অনিশ্চিত জীবনেও আছে এক ছবির মতো সুন্দর ও শান্ত সন্ধ্যা।

    গত শনিবার, এমনই সন্ধ্যায় সে গিয়েছিল মায়ের কছে। অসিত স্যার বেরোচ্ছেন তখন। বললেন—এই যে, চাকুরিজীবী! যাও। তোমার মা আছেন।

    সে ঘরে গিয়ে দেখল শূন্য দৃষ্টি মেলে বসে আছেন মৌসুমি। একটি বেতের চেয়ারে গা এলানো। চোখ-মুখ থমথমে। টিভি চলছে না। সে মৌসুমির কোলের ওপর হাত রেখে বসে পড়েছিল। গাঢ় স্বরে ডেকেছিল—মা। কী হয়েছে?

    —দু’দিন আসিসনি কেন? আমায় ভুলে যাচ্ছিস হারাধন?

    —আসতে পারিনি। মোহন এসেছিল। আমি, মোহন আর সিদ্ধার্থ আড্ডা মারলাম দু’দিন সন্ধ্যায়।

    মৌসুমির চোখ থেকে জল গড়িয়ে পড়ছে। সে হাত দিয়ে মুছিয়ে দিচ্ছে জল। বলছে—মা। তুমি জানো না তোমার কাছে না আসতে পারলে আমার ভাল লাগে না? বর্ধমানে থাকতে কত কষ্ট হয়েছে আমার!

    —আমার ভয় করে। খুব ভয়ে ভয়ে থাকি রে আমি। যদি আমাকে ছেড়ে তুই চলে যাস।

    —তোমাকে ছেড়ে আমি কোথাও যাব না মা। মা, তুমি কী সুন্দর তুমি জানো?

    —যাঃ।

    মৌসুমি কিশোরী মেয়েটির মতো রক্তিম হয়েছিলেন। তাঁর অধর স্ফুরিত হয়েছিল। শীতের পোশাকের নীচে উষ্ণ শরীর হয়েছিল উষ্ণতর। তিনি হারাধনের হাত দুটি হাতে নিয়ে বলেছিলেন—ইস, কী ঠান্ডা। হাতমোজা পরিস না কেন?

    হারাধন বলেছিল—তুমি গরম করে দাও।

    মৌসুমি হাত দুটি নিয়ে এসেছিলেন শীতের পোশাকের নীচে। নরম পেটে স্থাপিত করেছিলেন। ঠান্ডার ছ্যাঁকা লাগছিল তাঁর। বলেছিলেন— তোকে দু’জোড়া হাতমোজা করে দেব আমি। ইস্! আগে কেন আমার মনে হয়নি একথা?

    আর হারাধনের হাতে লাগছিল আগুনের আঁচ। সে বলেছিল—কী সুন্দর! কী নরম তুমি!

    –না।

    —হ্যাঁ। তোমার মতো সুন্দর আমি কারওকে দেখি না। তোমার মতো ভালও আর কেউ নেই মা পৃথিবীতে। তুমি আমার দেখা এক শ্রেষ্ঠ মানুষ।

    পৃথিবীর তাবৎ সন্তান তার মাকে যেমন দেখে, যেমন বলে, মাগো, তুমিই শ্রেষ্ঠ, তোমার চেয়ে সুন্দর আর কী থাকতে পারে! হারাধনের কথায় তারই প্রতিধ্বনি। মৌসুমি বলেছিলেন তখন—তুই পাগল!

    —না। আমি পাগল না।

    —ও ঘরে চল। আমার বুকে একটু শুয়ে থাক। মাঝে মাঝে ভাবি, তোকে যদি বদলি করে দেয় অন্য কোথাও!

    —সে-কথা এখন ভাবতে হবে না মা। চলো আমি তোমাকে নিয়ে যাচ্ছি।

    —আমাকে নিয়ে? কীভাবে?

    সে উঠে দাঁড়ানো মৌসুমিকে তুলে নিচ্ছে দুহাতে আর দ্রুত এগিয়ে যাচ্ছে পাশের ঘরে। নামিয়ে দেবার কাতর আবেদন জানাচ্ছেন মৌসুমি। সে হাসছে। বলছে—আর রাগ করবে? আর দুশ্চিন্তা করবে?

    শুইয়ে দিচ্ছে সে মৌসুমিকে। আলতো করে শুইয়ে দিচ্ছে। মৌসুমি তাকে কাছে টেনে নিচ্ছেন। উত্তাল রক্তস্রোত আকর্ণ উষ্ণ করে দিল তাকে তখন। সে মুখ ঘষতে লাগল মায়ের বুকে–মা, মা, মা!

    বলছে সে-মা, মা, মা!

    মৌসুমির হাঁটু দুটি ভাঁজ করা। চাদর সরে গেছে গা থেকে। হারাধনের চুলগুলি তিনি আঁকড়ে ধরেছেন প্রাণপণ। তখন একটা মিছিল যাচ্ছিল বাড়ির সামনের পথ দিয়ে। মিছিল কী বলছিল সে বুঝতে পারছিল না। বোঝার কোনও আগ্রহও ছিল না। হয়তো এই মিছিলে ছিল তার দুই বন্ধু, সিদ্ধার্থ ও মোহনলাল। সে তখন হুক খুঁজছে। ব্লাউজের হুক খুঁজছে। এবং দুটিমাত্র নয়। যা সে এতকাল অধিকার করেছে, সেই দুটি মাত্র নয়। সে খুলে চলেছিল একের পর এক, ক্রমাগত এবং সম্পূর্ণ। ব্লাউজের নীচে বুক দুটি আগলে থাকা অন্তর্বাসে লেগে তার মুখ জ্বালা করছিল। খুলতে হয়, কী করে খুলতে হয় জানে না সে, কিছু পেতে হাঁকপাঁক করছিল। মৌসুমি তখন নিজেই দু’ হাত পিঠে নিয়ে হুক আলগা করে দেন। বিশ্বস্ত নাইলনের ফিতে ছিটকে উঠেছিল তাতে। যেন তাদের পাহারাদারি অপসারিত করে অনর্গল করা হল দুর্গদুয়ার। সে ঠেলে দিয়েছিল বন্ধন। তা উঠে গিয়েছিল মৌসুমির গলার দিকে। যেন গলা জড়িয়ে ধরতে চায়। তার হাতে এসেছিল দুটি স্তন। ভরাট ও উন্মুখ। সে নাভি পর্যন্ত শুকিয়ে যাওয়া পিপাসায় মুখ রেখেছিল বৃত্তে। জিহ্বা, ওষ্ঠ এবং দত্ত দ্বারা সে পর্যায়ক্রমে মথিত করেছিল। মাঝে মাঝে থামছিল। দেখছিল। শক্ত ও ফুঁড়ে-ওঠা কালচে বৃত্তদ্বয় শ্বেতাভ স্তম্ভের পর জেগে ছিল উন্মুখ প্রত্যাশায়। সে দেখতে দেখতে, মুগ্ধ হতে হতে বলেছিল—কী সুন্দর তুমি!

    —উঁ

    —কী সুন্দর তুমি মা।

    —উঁ

    তার মাথা শক্ত করে ধরেছিলেন মৌসুমি এবং চেপে রেখেছিলেন বুকে। বলছিলেন—বল, আমাকে ছেড়ে যাবি না বল।

    —যাব না, যাব না, যাব না।

    —এই সব তোর। তোর। তোর। যাবি না বল। যাবি না।

    –না না না।

    সে বলছে আর তার হাত নেমে যাচ্ছে। ক্রমশ নেমে যাচ্ছে কোনও এক রহস্যের দিকে। মৌসুমি কঁকিয়ে উঠছেন তখন— না, হারাধন না। আর না। মরে যাব আমি।

    সে থমকে গিয়েছিল।

    —মরে যাবে? মরে যাবে কেন?

    —সে তুই বুঝবি না।

    —কেন বুঝব না?

    —না। উঠে আয়।

    সে, হঠাৎ স্তব্ধ হয়ে যাওয়া পুরুষ তখন, মায়ের বুকদুটিতে আরও একবার হাত স্থাপন করে অন্তর্বাসে আচ্ছাদিত করেছিল। ধীরে ধীরে বন্ধ করে দিয়েছিল হুক। তখন মৌসুমি তাকে জড়িয়ে ধরে বলেছিলেন—তুই বিয়ে করলে আমার দারুণ হিংসে হবে জানিস।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44 45 46 47 48 49 50 51 52 53 54 55 56 57 58 59 60 61 62 63 64 65 66 67 68 69 70 71 72 73 74 75 76 77 78 79 80 81 82 83 84 85 86 87 88 89 90 91 92 93 94 95 96 97 98 99 100 101 102 103 104 105 106 107 108 109 110 111 112 113 114 115 116 117 118
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleকয়েদি – তিলোত্তমা মজুমদার
    Next Article বসুধারা – তিলোত্তমা মজুমদার

    Related Articles

    তিলোত্তমা মজুমদার

    শামুকখোল – তিলোত্তমা মজুমদার

    August 25, 2025
    তিলোত্তমা মজুমদার

    অর্জুন ও চারকন্যা – তিলোত্তমা মজুমদার

    August 25, 2025
    তিলোত্তমা মজুমদার

    ঝুমরা – তিলোত্তমা মজুমদার

    August 25, 2025
    তিলোত্তমা মজুমদার

    নির্জন সরস্বতী – তিলোত্তমা মজুমদার

    August 25, 2025
    তিলোত্তমা মজুমদার

    বসুধারা – তিলোত্তমা মজুমদার

    August 25, 2025
    তিলোত্তমা মজুমদার

    কয়েদি – তিলোত্তমা মজুমদার

    August 23, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    अनीश दास
    मौलाना शाह वलीउल्लाह
    रेवरेंड के. के. जी. सरकार
    অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিজ্ঞান রায়চৌধুরী
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমরেন্দ্র চক্রবর্তী
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অরিন্দম দেবনাথ
    অর্পিতা সরকার
    অশোককুমার মিত্র
    অসম্পূর্ণ বই
    আখতারুজ্জামান ইলিয়াস
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    কৌশিক সামন্ত
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোপেন্দ্র বসু
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যজ্যোতি মজুমদার
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণু শর্মা
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহতাব উদ্দিন
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    রেভারেণ্ড কে. কে. জি. সরকার
    লীলা মজুমদার
    লেইল লোনডেস
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শঙ্কর চ্যাটার্জী
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শাক্যজিৎ ভট্টাচাৰ্য্য
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্যামল গঙ্গোপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সন্দীপন চট্টোপাধ্যায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সম্পাদনা : শৈলেন্দ্র হালদার
    সরদার ফজলুল করিম
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সায়ন্তনী পূততুন্ড
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৈয়দ মুস্তাফা সিরাজ
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্মরণজিৎ চক্রবর্তী
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মাহতাব উদ্দিন : জীবন ও গান

    May 18, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মাহতাব উদ্দিন : জীবন ও গান

    May 18, 2026
    Our Picks

    মাহতাব উদ্দিন : জীবন ও গান

    May 18, 2026

    পরমপুরুষ শ্রীশ্রীরামকৃষ্ণ ২ – অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত

    May 18, 2026

    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়ের প্রেমের গল্প – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    May 16, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }