Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    পঞ্চতন্ত্র – বিষ্ণু শর্মা

    May 15, 2026

    এবং কালরাত্রি ২ – মনোজ সেন

    May 15, 2026

    সৈয়দ মুস্তাফা সিরাজ : সাহিত্যের সেরা গল্প

    May 15, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    রাজপাট – তিলোত্তমা মজুমদার

    তিলোত্তমা মজুমদার এক পাতা গল্প1633 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    রাজপাট – ১১৫

    ১১৫

    চিরকাল ইতিহাসবহনের পথে
    রক্ত ক্ষয় নাশ ক’রে সে এক জগতে
    মানুষের দিকচিহ্ন মাঝে মাঝে মুক্ত হ’য়ে পড়ে;
    তা কোনো প্রশান্তি নয়, মৃত্যু নয়, অপ্রেমের মতো নয়,
    কোনো হেঁয়ালির শেষ মীমাংসার বার্তা নয়,
    অচিহ্নিত সাগরের মতন তা, দূরতর আকাশের মতো;
    পেছনের পার্শ্বের দ্রুতগতি চিহ্ন ও বলয়
    অন্তর্হিত হয়ে গেলে কূলহীন পটভূমি জেগে ওঠে;

    .

    বিষণ্ণ হয়ে আছে সে। বড় দীর্ঘ এ বিষণ্ণতা। যদিও আকাশ নির্মল। মেঘ কেটে গেছে। বন্যাবিধ্বস্ত সব ডাঙাজমি ছেয়ে গেছে কাশফুলে। সমস্ত নাশকতা ঢেকে দিতে চেয়ে সে ধরণীরে করেছে বড় মনোরম। শিউলির গন্ধে মুছে গেছে মৃত গলিত পশুশবের উৎকট দুর্গন্ধের শেষতম রেশ।

    প্রকৃতি আপনার বিধ্বংসী খেয়াল ধুয়ে-মুছে দিতে চায়, মানুষকে ভুলিয়ে দিতে চায় বিনাশের প্রেতমূর্তি অমল ধবল সব মেঘ এনে, আকাশে ছড়িয়ে দিয়ে মুঠো মুঠো নীল আর শস্যবিনষ্ট ক্ষেত্রে সাদা শুভ্র কাশফুল দোলায় দোলায় জীবনেরে দেয় হাতছানি সৌগন্ধে আমোদিত শারদীয় সুষমায়।

    কিন্তু মানুষের স্মৃতি বড় সাংঘাতিক। সে কুরে কুরে খায় যাবতীয় বিচ্ছেদ-যন্ত্রণায় ভরা দিনগুলি রাত্রিগুলি নিরন্তর। তবুও জীবনের ধর্ম! তাকে অস্বীকার করে কে!

    জল নেমে গেছে। নদীকে দেখায় এখন ভরাট তৃপ্ত স্নিগ্ধ কল্যাণী। অস্থায়ী আস্তানা ছেড়ে চলে গেছে লোক। স্বগৃহ সন্ধানে গেছে স্বস্থানে। গৃহ নাই। আছে শুধু শূন্যতার হাহাকারে ইট কাঠ খিলানের স্তম্ভিত স্মৃতি। গড়ে নিতে হবে ফের। এই এইটুকুন সম্বল করে গড়ে নিতে হবে।

    অধিকাংশ বাঁশের বেড়ায় ঘিরছে ঘর। যাদের মেরামত করলে চলে যায়, তারা মেরামত করে নিচ্ছে। সরকারি সাহায্য এসেছে তাদের জন্য। অনুদান এসেছে। ক্ষতিগ্রস্তদের দেওয়া হবে কিছু সহায়তা।

    চতুষ্কোনায় অর্ধসমাপ্ত বোল্ডারের কাজ পড়ে আছে। এইবার হবে। সম্বৎসর ধরে ভবিষ্যের নিরাপদ দেওয়াল।

    তারও কাজ শুরু হবে এবার। অনেক অসমাপ্ত কাজ পড়ে আছে। অনেক প্রকল্প শুরুই হয়নি। সবচেয়ে বড় কথা, ভবিষ্যৎ নিয়ে, সংগঠন নিয়ে, এইবার ভাবতে হবে তাকে। কাজ করতে হবে। অনেক অনেক।

    অথচ বিষণ্ণতা ঘিরে আছে তাকে। তীব্র শোকে দগ্ধে মরা দেখেছে সে। রেজাউল, রেজাউল! রেজাউলের জন্য তার বুক ফেটে যায়। অসহায় মানুষের জন্য প্রাণ কাঁদে। এই শতেক যন্ত্রণা দেয় তাকে কাজের উদ্যম। এ নয়, এ বেঁচে থাকা নয়। পোকামাকড়ের মতো এই জীবনযাপন! স্বপ্নতাড়িত সে, চায়, মানুষের সুনিশ্চিত, সুপরিকল্পিত, নির্মল, নিরাপদ, আনন্দ জীবন!

    হায়! দেখেছে সে ক্ষুধার তাড়না। সরকারি ত্রাণসামগ্রী পথে পথে লুট হয়ে গেছে। বিধ্বস্ত মানুষ হয়েছে হিংস্র, উন্মত্ত, সন্দিহান। সর্বত্র তাদের নিয়ন্ত্রণ করার মতো সহমর্মিতা নেই।

    এ অঞ্চলে ত্রাণ সাহায্য যতটুকু পৌঁছেছিল, তা যথেষ্ট ছিল না। সে দল নিয়ে চালের আড়তে গিয়েছিল। মালিকের অনুমতি বিনাই বস্তা বস্তা চাল সে প্রায় লুঠ করেছিল আশ্রিতের খাদ্যাভাব ঘুচিয়ে দেবে বলে। সমস্ত আড়তদার ব্যবসায়ী মালিকের ক্রোধ তার ওপর। হোক ক্রোধ-সে পরোয়া করে না। অন্ধকারে সে সকলই দেখেছে। নিয়মিত অন্ধকারে পৌঁছচ্ছে ত্রাণের সামগ্রী আর সকালের অপেক্ষায় দাঁড়িয়ে থাকা ট্রাক থেকে নির্দ্বিধ পাচার হচ্ছে চিনি, টারপোলিন চাদর, ডাল, আটা, এমনকী মোটা চাল অতি নিম্নস্থ মানের দিক দিয়ে।

    প্রথম রাত্রে এমন পাচারের খবরে সে মর্মাহত হয়েছিল। সে জানে, এই কাণ্ডে ছিল নেতৃবৃন্দ দ্বারা আহ্লাদিত জন। তারা দিনে ত্রাণকর্মী, রাত্রে লুঠেরা। দিনে চাঁদাবাজ, রাত্রে ডাকাত। দিনের দেবদূত, রাত্রির অন্ধকারে হাত টানে আশ্রিতা যুবতী মেয়ের। নির্মম, অকরুণ, ত্রাণতৎপর চামড়ার নীচে লালন-পালন করে ঘৃণার্হ লোলুপতা।

    সে তখন বাছা বাছা ছেলে নিয়ে পাহারাদারি সমিতি গড়ে দিল। অন্ধকারে লুকিয়ে থাকা সেইসব সচেতন সদস্যের তাড়নায় লুঠতরাজ বন্ধ হয়েছিল। কিন্তু সে জানে, সে হয়েছে চক্ষুশূল। সে পরোয়া করে না। সাধারণ মানুষের চোখে ভালবাসা দেখেছে সে। সেই তার পরম সম্পদ! কেউ ভালবাসে, কেউ ঈর্ষা করে, কেউ ঘৃণা—এ নিয়েই চলছে জীবন। তার রাজনৈতিক বীক্ষণে সে দেখেছে অনেক। কখনও সে কষ্ট পায়, তার চেয়ে নিস্পৃহ হয়ে থাকে অধিক সময়। কিন্তু নিস্পৃহতা ব্যক্তিজীবনে থাকা ভাল। সামাজিক নয়। তারও অতএব এই তীব্র প্রতিক্রিয়া।

    এইসবই বিষণ্ণ করেছে তাকে। এই শঠতা। চৌর্যবৃত্তি। নারীলোভ। মানুষের চরম বিপদে ত্রাতার ছদ্মবেশে লুঠপাট। কবে এর থেকে তারা মুক্তি পাবে হায়! কীভাবে পাবে! সে জানে না। কী সেই পথ, যার দ্বারা নৈতিকতা নির্ধারিত হয়। নাকি এই এক ভবিতব্য! এই মাত্ৰ নিয়তি মানুষের! কিছু লোক সৎ থাকবে! কিছু-বা অসৎ!

    এইসবই বিষাদময় করে রাখছে তাকে। এবং এক কবির শূন্য হাহাকার। বদরুদ্দিন চিনিয়েছিল তাঁকে। বলাই মণ্ডল। অসামান্য কবিতাভর্তি খাতা তাঁর, সমস্ত গিয়েছে জলে। একটিও হয়নি উদ্ধার! সবহারা সে-মানুষ স্তব্ধ হয়ে আছেন। তাঁর ছেলে তীর্থ, সিদ্ধার্থর কর্মীদলে যোগ দিয়েছিল। সে বলেছিল—বাবা অসম্ভব কষ্ট পেয়েছেন। আমবাগান নদীগর্ভে চলে যাবার পর বাবার মধ্যে কীরকম পাগলামি দেখেছিলাম। আমার ভয় করছে সিধু কাকা

    সে বলেছিল—ভয় পেয়ো না। উনি সুস্থ হয়ে উঠবেন। আবার কবিতা লিখবেন।

    সে জানে, এ সমস্তই লঘু বাক্য। যায় যার, তারই যায়। অন্যেরা লঘুবাক্যে সান্ত্বনা দেবার চেষ্টা করে। তাতে লাভ হয় না কিছু। আপনাতে আপনি যদি শক্তি জাগরিত না হয়, তবে সকল বাক্যস্রোত খড়কুটোরই মতো!

    বলাই মণ্ডল ফিরে গেছেন গ্রামে। একটিই ভরসা, বদরুদ্দিন বলেছিল, তাঁর আছে গ্রন্থ একখানি। তাতে শ’খানেক কবিতা ধরা আছে। সিদ্ধার্থ পড়েনি সে গ্রন্থ। বদরুদ্দিনের মতে, বাংলা কাব্যের ইতিহাসে, এই গ্রন্থ এক অতি অমূল্য সংযোজন। সে আশা প্রকাশ করেছিল, এই কবির জন্য, সে এনে দেবে রাজমুকুট। সরকারি তকমা এনে দেবে। রাসুদাকে বলেছে সে। রাসুদা কবিতা পড়ে মুগ্ধ হয়েছেন। সে যথাসম্ভব তদ্বির-তদারক করছে। ইদানীং বামফ্রন্ট বঙ্গসংস্কৃতির অতি মঙ্গলজনক সুহৃদ এবং যথাবিধি পৃষ্ঠপোষক। সেই পোষণার কিছু অংশ, বদরুদ্দিনের মতে, পাওয়া উচিত বলাই মণ্ডলের। যদিও কৃষিকবি বলাই মণ্ডল কোনও রাজনৈতিক দলের সমক্ষ সদস্য নন। কিন্তু একজন কৃষকের যোগ্য মর্যাদা তারা ছাড়া আর কে-ই বা দিতে পারবে! তাঁর মতো শিক্ষিত ও প্রতিভাবান কৃষক সারা ভারত ছুঁড়লে পাওয়া যাবে ক’জন? অতএব বদরুদ্দিনের মতে জেলার গর্ব বলাই মণ্ডল। জেলার পরম সম্পদ। বাংলার দরবারে তাঁকে যোগ্য স্থান দেওয়া চাই!

    তার সন্দেহ আছে, যা হারিয়েছেন বলাই মণ্ডল, তার পরিপূরণ সম্ভব কি না! বলাই মণ্ডলের জন্য তার অন্তর ব্যথিয়ে উঠেছে বারংবার। সেই সর্বরিক্ত মৌনতার প্রতি নত হয়েছে মাথা। আপনা হতে।

    তীর্থ গল্প করেছিল—বাবা ভেবেছিল, কাকা আসবে আমাদের নিতে। আসেনি তো! বাবার সেটাও লেগেছে! বাবা পালটে যাচ্ছে খুব। বোনকে সবার সামনে মেরেছে।

    —কেন?

    সে জিগ্যেস করেছিল। তীর্থ বলেছিল—বোনটা তো ছোট। আর খুব সরল। কিছুই বোঝে না। বর্ষাদিদির সঙ্গে দাঁড়িয়ে একটা অচেনা লোকের সঙ্গে কথা বলছিল।

    —অচেনা লোক? কে সে?

    —জানি না। গ্রামের নয়। আমিও চিনি না।

    —কী বলছিল বোনকে?

    —নাম কী, বাবার নাম কী, কোন গ্রামে বাড়ি জিগ্যেস করছিল। বোন উত্তর দিচ্ছিল। বাবা তখন দেখতে পেয়ে বোনকে প্রচণ্ড মেরেছে। বলছিল, ‘জানিস না! দালাল ঘুরে বেড়ায়!’ কীসের দালাল সিধু কাকা?

    সিদ্ধার্থ তীর্থকে বোঝাতে পারেনি! বলাই মণ্ডলের আশঙ্কা মিথ্যে নয়। তীর্থর বোনের কোনও দোষ নেই। কিন্তু দালাল তো সত্যি সর্বত্র ঘুরে বেড়ায়। বিপন্নতার সুযোগে নানারকম লোভ দেখিয়ে প্রতারণা করে। সে শুধু বলেছিল তখন—বোনকে সাবধানে দেখে রেখো! কত খারাপ লোক তো সত্যি আছে।

    তীর্থ আর প্রশ্ন করেনি। সিদ্ধার্থর কষ্ট হয়েছিল। এখন তীর্থর বড় করুণ বয়স। স্বপ্ন ভাঙার বয়স। সারল্য দগ্ধাবার চূড়ান্ত সময়। এখন থেকেই পুড়ে পুড়ে সোনা হয় কেউ। কেউ শুধু পড়ে থাকে অঙ্গার ও ছাই। ভেতরের বস্তু যার যেমন, তার তেমনই প্রকাশ। তা হলে কি মানুষ কীরকম হবে তা জন্মগতভাবে নির্ধারিত! সঠিক জানে না সে। জেনেটিক ভাষা অনেকখানি ভবিতব্য নির্ণয় করে দেয়। বাকিটা পরিবেশ-পরিস্থিতির অবদান। আত্মগুণের সঙ্গে সময় ও চারিভিতের সংযোগেই চরিত্র নির্ণয়-তবে এই আত্মগুণও প্রোটিন তন্তুর খেলা! জেনেটিক অভিব্যক্তি।

    তীর্থ কীরকম হবে? সে দেখেছে তীর্থর চোখে স্বপ্নের গভীর উৎসার! কে জানে, সে-ও বাবার মতো কবি হবে কি না। যদি না-ও হয়, তবু, এই পৃথিবীকে স্বপ্নের রঙে সে রাঙাবে বলে আশা করে সিদ্ধার্থ, এ ভুবনে কল্যাণের তরে স্বপ্নময়দের বড় প্রয়োজন, এমনই বিশ্বাস তার।

    যেমন বোধিসত্ত্ব! কী আশ্চর্য স্বপ্ন তাঁর চোখে! জীবনের প্রতি কী প্রগাঢ় দ্যুতিময় ভালবাসা!

    .

    বোধিসত্ত্ব! তার প্রিয়তম জন! অথচ বোধিসত্ত্বের জন্যই সে হয়ে আছে বিষণ্ণতর। কেন না বোধিসত্ত্বের শরীর ভাল নেই। কোনও অসুখ নেই তাঁর। তবু ভাল নেই।

    জল জমে বাগানের গাছগুলির কিছু মরে গেছে। কিছু বিবর্ণ হলুদ। তিনি আর যাননি পরিচর্যা রচনায়। অধিক সময় তাঁর কেটে যাচ্ছে ঘরে। রোগী আসে। ওষুধ দিয়ে দেন। রোগীর আত্মীয়রা আসে। রোগীর সংবাদ দেয় নিয়মিত। তিনি সমস্ত শোনেন। ফেরান না কারওকেই। তবু সংবাদ রটে গেছে। বোধিসত্ত্বের শরীর ভাল নেই। দুরান্ত হতে দর্শনপ্রার্থীরা আসে। বসে। চলে যায়। কেউ বলে-বাবু! আপনি সকলের রোগ সারান। নিজেকে চিকিৎসা করেন বাবু।

    বোধিসত্ত্ব ক্লান্ত হাসেন। বলেন—আমার তো রোগ নেই। সারাব কী! সম্পূর্ণ নীরোগ এ দেহ। তবে কিনা যন্ত্রপাতি পুরনো হয়ে গেছে। দেহের কারখানা তো নতুন যন্ত্রে সারানো যায় না বাবা!

    সিদ্ধার্থর বিষণ্ন মুখে তিনি হাত বুলিয়ে দেন। বলেন—উতলা হয়ো না। কত কাজ তোমার। তোমাকে তো বলেছি আগেই। ডাক আসছে। ডাক শুনতে পাচ্ছি।

    সে বোধিসত্ত্বর হাত আঁকড়ে ধরে। তার মুখে কথা ফোটে না। শুধু আবেগে থির থির করে বুক। বোধিসত্ত্ব বলেন—শোনো। আত্মা অবিনশ্বর। জানবে, যেখানেই থাকো, তোমার আত্মার সংলগ্ন আছি আমি। এ তো এক জীবন হতে অন্য জীবনের দিকে যাওয়া। দেহাবসানকে ডেথ বলে মনে করি না আমি। মৃত্যু বলে মানি না। ডেথ হল সিজেশন। থেমে যাওয়া। পূর্ণচ্ছেদ টেনে দেওয়া জীবনের। তা তো নয়। মৃত্যু আমার কাছে সাঁকো। এক জীবন থেকে অন্য জীবনে যাওয়া। একখানে শেষ করে অন্যখানে শুরু। সেই কবিতাটা মনে আছে? মনে রেখো! যেখানে যা ভাল বাক্য পাবে, ধরে রাখবে। বাক্-এর মধ্যে আছে অফুরন্ত শক্তির ভাণ্ডার! যখন তুমি একেবারে একা, কেউ নেই তোমার সঙ্গে, তখন জেনো, বাক্য তোমার সঙ্গে সঙ্গে আছে। বাণী তোমার শিয়রে জেগে আছে। শোনো, টেনিসনের সেই কবিতাটা শোনো—

    I can not rest for travel, I will drink
    Life to lees
    Old age hath yet his honour and his toil;
    Death closes all; but something are the end.
    Some work of noble note may yet be done
    Come my friends
    “Tis not too late to seek a newer world.
    Push off and sitting well in order smile
    The sounding furrows; for my purpose holds
    To sail beyond the sunset and the baths—
    Of all the western stars, until I die.

    এতদসত্ত্বেও তার বিষাদ কাটে না। ডায়রি নিয়ে আঁকিবুকি করছিল সে। সময় নেই সময় বৃথা নষ্ট করবার। বৃথা কি? সারাক্ষণ বোধিসত্ত্বের কাছে কাছে থাকার ইচ্ছে তার। ছুঁয়ে ছুঁয়ে থাকার ইচ্ছে। কিন্তু কাজ তাকে হাতছানি দেয়। একের পর এক দাঁড়ায় দুয়ারে এসে। সে ভাবে, বাইরে কত দুঃখ, কত কষ্ট! সেইসব দিয়ে ঢাকা থাক তার দুঃখটুকু। দুঃখ দিয়ে দুঃখ ঢাকা থাক। সে তাই বসে বসে পরিকল্পনা সেরে নিচ্ছিল। হাঁপাতে হাঁপাতে তৌফিক এল তার কাছে—সিধুদা! শুনেছ!

    — কী রে!

    জিগ্যেস করল সে।

    —চতুষ্কোনা ভেঙে পড়ছে।

    —ভেঙে পড়ছে?

    —সকাল থেকে পাড় ভাঙছে। বোল্ডার লাগানো ছিল। পড়ে গেছে। সব গেছে। যাবে?

    —চল।

    —সফি কোথায়?

    —আজ বেরুব না ভেবেছিলাম। সফিকে ছুটি দিয়েছি।

    —সফিকে ছাড়া যাবে?

    —বেরিয়ে পড়ল তারা। সিদ্ধার্থ বলল—কীসে যাবি?

    —বাসে।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44 45 46 47 48 49 50 51 52 53 54 55 56 57 58 59 60 61 62 63 64 65 66 67 68 69 70 71 72 73 74 75 76 77 78 79 80 81 82 83 84 85 86 87 88 89 90 91 92 93 94 95 96 97 98 99 100 101 102 103 104 105 106 107 108 109 110 111 112 113 114 115 116 117 118
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleকয়েদি – তিলোত্তমা মজুমদার
    Next Article বসুধারা – তিলোত্তমা মজুমদার

    Related Articles

    তিলোত্তমা মজুমদার

    শামুকখোল – তিলোত্তমা মজুমদার

    August 25, 2025
    তিলোত্তমা মজুমদার

    অর্জুন ও চারকন্যা – তিলোত্তমা মজুমদার

    August 25, 2025
    তিলোত্তমা মজুমদার

    ঝুমরা – তিলোত্তমা মজুমদার

    August 25, 2025
    তিলোত্তমা মজুমদার

    নির্জন সরস্বতী – তিলোত্তমা মজুমদার

    August 25, 2025
    তিলোত্তমা মজুমদার

    বসুধারা – তিলোত্তমা মজুমদার

    August 25, 2025
    তিলোত্তমা মজুমদার

    কয়েদি – তিলোত্তমা মজুমদার

    August 23, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    अनीश दास
    मौलाना शाह वलीउल्लाह
    रेवरेंड के. के. जी. सरकार
    অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিজ্ঞান রায়চৌধুরী
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমরেন্দ্র চক্রবর্তী
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অরিন্দম দেবনাথ
    অর্পিতা সরকার
    অশোককুমার মিত্র
    অসম্পূর্ণ বই
    আখতারুজ্জামান ইলিয়াস
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    কৌশিক সামন্ত
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোপেন্দ্র বসু
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যজ্যোতি মজুমদার
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণু শর্মা
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    রেভারেণ্ড কে. কে. জি. সরকার
    লীলা মজুমদার
    লেইল লোনডেস
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শঙ্কর চ্যাটার্জী
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শাক্যজিৎ ভট্টাচাৰ্য্য
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সন্দীপন চট্টোপাধ্যায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সম্পাদনা : শৈলেন্দ্র হালদার
    সরদার ফজলুল করিম
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৈয়দ মুস্তাফা সিরাজ
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্মরণজিৎ চক্রবর্তী
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    পঞ্চতন্ত্র – বিষ্ণু শর্মা

    May 15, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    পঞ্চতন্ত্র – বিষ্ণু শর্মা

    May 15, 2026
    Our Picks

    পঞ্চতন্ত্র – বিষ্ণু শর্মা

    May 15, 2026

    এবং কালরাত্রি ২ – মনোজ সেন

    May 15, 2026

    সৈয়দ মুস্তাফা সিরাজ : সাহিত্যের সেরা গল্প

    May 15, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }