Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    স্যার, আমি খুন করেছি – প্রচেত গুপ্ত

    May 15, 2026

    মৃত পেঁচাদের গান – সায়ক আমান

    May 15, 2026

    এড়ানো যায় না – সায়ন্তনী পূততুন্ড

    May 15, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    রাজপাট – তিলোত্তমা মজুমদার

    তিলোত্তমা মজুমদার এক পাতা গল্প1633 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    রাজপাট – ৪০

    ৪০

    ফাগুন-চৈত দুই মাস আইল
    কাল বসন্তের জ্বালা।
    একে তো দারুণ বসন্ত তাতে
    আমার শরীর করলাম কালা রে!
    ফাঁকি দিয়া বন্ধু আমার
    কোথায় লুকাইল রে—

    .

    বিষ-নিশ্বাসের মতো এসেছিল ফরিদার মৃত্যু। স্তব্ধ করে দিয়েছিল গ্রাম। পূর্ণবয়স্ক মানুষেরা যদি খুনোখুনি মারামারি করে, তবে জন্মায় ক্রোধ। আসে ঘৃণা। কিন্তু শিশুরাই খুনোখুনি করলে স্বর্গ কল্পনার আর অবকাশ মেলে না!

    হায়! তহমিনাকে যে আর শিশু বলা যাচ্ছিল না কোনওমতেই। বালিকা মাত্র না। পনেরো পার করে ষোলোয় পা দিয়েছিল সে। অনুভিন্ন শরীর ছিল বলে খুকি সেজে থাকত। কিন্তু গ্রামদেশে কে কার বয়স লুকোবে! পুলিশ তাকে নিয়ে গেছে। বহরমপুরের জেলে আছে সে। তার বিচার চলছে এখন। কেউ বলছে, ফাঁসি হয়ে যাবে তহমিনার। কেউ বলছে, এত ছোট মেয়ের ফাঁসি হয় না। তার যাবজ্জীবনের কারাদণ্ড হবে। অনেকে বলছে, কোনও সাজাই হবে না তার। সে তো প্রাপ্তবয়স্ক নয়। তাকে মুক্তি দেওয়া হবে।

    তহমিনার যাই হোক না কেন, ফরিদা আর ফিরে আসবে না। ইদরিশ ও মাসুদার দুর্ভাগ্যে গ্রামের প্রাণ কাঁদে। কে তাদের কী সান্ত্বনা দেবে! এই শোকের কোনও সান্ত্বনা হয় না। ফরিদার জামাকাপড়গুলি নিয়ে বসে থাকে মাসুদা। নাড়েচাড়ে। দুঃখে তার বুক ফেটে যেতে চায়। ওই তেঁতুল নিয়েছিল বলে সে তাকে প্রহার করবে স্থির করেছিল। হায়! এখন সে চলে গেছে কোথায়! সকল প্রহার, সকল ধমকের বাইরে। এই জগৎসংসার বিস্বাদ হয়ে গেছে ইদরিশ ও মাসুদার। সে যদি বসন্ত হয়ে মরত, যদি কলেরা হত তার— তা হলে যেন এতখানি শোক হত না! আহা! দাপিয়ে মরল সে। দাপিয়ে। এতগুলি লোক ছিল পাড়ে, কেউ একটু নজর করল না! মাসুদার দু’চোখ উপচে জল পড়ে।

    শোক আসে। শোক বিভ্রস্ত করে দেয় গোটা গ্রামের পরিপাটি জীবন। কিন্তু জীবন থেমে থাকে না। কৃষিকাজে মন দেয় কৃষক। জেলে মাছ ধরতে যায়। গৃহিণী রান্না বসায় আঁচলে চোখ মুছতে মুছতে। যার সর্বোচ্চ শোক, সেও একদিন স্থবিরতা ভেঙে নড়ে বসে।

    .

    বসন্তের বাতাস গায়ে মেখে দাওয়ায় বসে ছিল বুড়িয়া। সারা শরীর উথাল-পাথাল করছিল তার। অনেক দিন পর আজ বাইরে গিয়েছে দুলুক্ষ্যাপা। সে যেতে চেয়েছিল। দুলুক্ষ্যাপা রাজি হয়নি। বলেছিল, যাক আর ক’দিন। বুড়িয়া বুঝতে পারছিল, বুবুলদিদির ঘটনাটা দুলুক্ষ্যাপাকে বেজেছে। কেন বাজল? সে আসার পর থেকে দুলুক্ষ্যাপার বাইরে টান নেই। সে জানে কেন। সে দুলুক্ষ্যাপার চোখে ঘোর দেখেছে। তার কেমন লেগেছে বুবুলদিদির আচরণ? নোনা, নোনা! আকণ্ঠ নোনা! সমুদ্রজল পান করার মতো। কিন্তু দেখল সে। দেখে নিল সমাজ, সংস্কার! তার কিছু একটা পায়। হাসি-কান্না মেশানো গয়ের। দুলুক্ষ্যাপার কী হয়? দুলুক্ষ্যাপা। দুলেন্দ্র। নিজের জিহ্বায় তারিয়ে তারিয়ে সে উপভোগ করল নামটা। সেদিন আসরে গান শুনে মুগ্ধ হয়েছিল সে। রূপেও মুগ্ধ হয়েছিল। কিন্তু সেটা কোনও বড় কথা নয়। তার মন মুগ্ধ হওয়ার জন্য সদাই প্রস্তুত। সে মুগ্ধতার গভীরে হাবুডুবু খায় কিছুদিন এবং তৃপ্ত হয়ে ফিরে আসে। এ পর্যন্ত সে বহুতর পুরুষে মুগ্ধ হয়েছে এবং মুগ্ধতা ভেঙে ফিরে এসেছে। তার মনে কোনও রেশ থাকে না। সে মনে করে, এ তার স্বাধীন শিল্পীস্বভাব। সেই স্বভাবে সে গানে ও রূপে মুগ্ধ হয়েছিল ঠিকই, কিন্তু সঙ্গে যাবার সংকল্প নিয়েছিল নাম শোনার পর। দুলু বাউল। দুলেন্দ্ৰ।

    সে কী চায় শেষ পর্যন্ত? সে কি দুলুক্ষ্যাপাকে চায়? নাকি এক বাউল জীবন?

    বাউল জীবনের প্রতি তার আকর্ষণ ছিল। একরকম মোহবিদ্ধতা। কী রকম স্বাধীন ওরা! কীরকম গান গেয়ে কাটায় খোলামেলা জীবন! বন্ধন সে পছন্দ করে না। কোনও বন্ধন। নারায়ণমূর্তির কথা তার মনে পড়ে। রিচার্ড নারায়ণমূর্তি। সে ডাকত রিচ। সে প্রায় অজ্ঞাতবাস করছে এখানে। তাকে একেবারে না পেয়ে কী করছে রিচ ওখানে? রিচ তাকে বিয়ে করতে চায়। সে বিবাহ চায় না। তবে রিচকে চায়। কিংবা রিচার্ডকেও চায় না। আসলে রিচার্ডের সরল শর্তনিরপেক্ষ চাওয়ার কাছে সে স্তব্ধ হয়ে থাকে। শুধু ওই হাত প্রসারিত করে দিয়ে যে-চাওয়া, তার কাছে সে সম্মোহিত।

    সে বলেছিল— আমি বন্ধনে বিশ্বাস করি না রিচ।

    রিচার্ড জিগ্যেস করেছিল— কী রকম বন্ধন?

    — কোনও সম্পর্কের বন্ধন। বিশুদ্ধতার বন্ধন।

    — বিশুদ্ধতার বন্ধন কী?

    –ধরো, আমি তোমাকে ভালবাসি, তাই অন্য কারওকে আর ভালবাসতে পারব না, এসবে বিশ্বাস করি না আমি। শারীরিক শুদ্ধতায়ও আমার বিশ্বাস নেই। মনকে আমি রেখে দিতে চাই মুক্ত। অনর্গল। মন যা চাইবে, আমি তেমন করেই চলব।

    — দেখো- সে বলেছিল- বিশুদ্ধতা এক বোধ। নারী-পুরুষের সম্পর্ক এমন জায়গায় পৌঁছতে পারে, যেখানে শুদ্ধতার আর্তি আপনি আসে। এই বোধ কারও ওপর চাপিয়ে দেওয়া যায় না। তোমার মধ্যেও যদি আসে তো আপনি আসবে। তখন মনে মনেও তুমি দ্বিতীয় কারওকে কামনা করবে না। যে সম্পর্ক তোমার বন্ধন বলে মনে হয়, তা তোমার অবলম্বন হয়ে উঠবে। ওই সম্পর্কের জন্যই শতায়ু হতে ইচ্ছে করবে তোমার। কিন্তু এর কোনওটাই জোর করে হয় না। জোর করাই তো অশুদ্ধতা। তোমাকে আমি কখনও জোর করব না বুড়িয়া। আমি চাই তুমি আমার সঙ্গে থাকো। সারাজীবন। কিন্তু তুমিও যদি চাও, তবেই তা সম্ভব হবে।

    —আমি দেখব।

    –কী?

    —কতখানি চাও আমাকে তুমি। আমার সমস্ত স্বাধীন বিচরণের কথা জেনেও তুমি আমাকে গ্রহণ করো কি না।

    —বুড়িয়া! আমি তোমাকে গ্রহণ করেছি বলেই তোমাকে চাই। আর তোমার স্বাধীন বিচরণকে তুমিই মনে মনে অশ্রদ্ধা কোরো না। আমার তো কোনও শর্ত নেই। তুমি চাইলেই আমরা একসঙ্গে থাকব।

    কোনওদিন জোর করেনি সে। কখনও। অতখানি আকাঙ্ক্ষা নিয়ে অতখানি নির্বিকার থাকা কী করে সম্ভব সে জানে না। রিচার্ডের কথার মানে বুঝতে তার সময় লেগেছিল। নিজের স্বাধীন বিচরণকে নিজেই অশ্রদ্ধা করা মানে কী! মানে এই— নিজেই নিজেকে তুলাদণ্ডে দাঁড় করিয়ে দেওয়া নয়? সমাজ নির্ধারিত নৈতিক দাবি যদি অগ্রাহ্য করতে হয়, সর্বাংশে করতে হবে। কোনও পাপবোধ থাকলে চলবে না। অস্বীকার করার শক্তি চাই। লঙ্ঘন এবং অস্বীকার নয়। অনুশাসন যারা লঙ্ঘন করে তারা পাপ এবং অপরাধ বোধে আক্রান্ত হয়। যারা সম্পূর্ণ অস্বীকার করে তাদের পবিত্রতা অক্ষুণ্ণ। কিন্তু তার বিপুল শক্তি থাকা চাই। রিচ সেই শক্তিকে শ্রদ্ধা করে। রিচ অন্য মানুষ। চলতি ও চেনা ধাঁচে তাকে ফেলা চলে না এই স্বীকারের কাছে বুড়িয়া সমর্পিত। সে রিচার্ড নারায়ণমূর্তিকে না জানিয়ে চলে এসেছে। কী করছে সে? তার ইচ্ছে করল, ছুটে চলে যায় এখুনি। এইসব ফেলে।

    .

    দুলুক্ষ্যাপা। দুলেন্দ্র। এই নামটুকুর জন্য সে এসেছে এতদূর। কিছুদিন হল লোকটার সঙ্গে শারীরিক মিলন ঘটিয়েছে সে। অভ্যাস করেছে আপন রসপান। দুলুক্ষ্যাপা শেখাচ্ছে তাকে প্রলম্বিত সঙ্গম। দেখাচ্ছে বজোলি মুদ্রা। যদিও বিফল হয়েছে বারংবার। প্রত্যহই, বুড়িয়ার অভ্যন্তরে প্রবেশ করা মাত্র স্খলন হয়ে গেছে তার। তখন, ওই সুন্দর বৃহৎ পুরুষ সর্বস্বান্ত মানুষের মতো ভেঙে পড়েছে। যন্ত্রণায় বিকৃত হয়ে গেছে তার মুখ। দুলুক্ষ্যাপা জানিয়েছে তাকে। বহুকাল আগে এক নারী এসেছিল তার জীবনে। চলে গেছে। তারপর সে আর সঙ্গম করেনি। বুড়িয়া বিশ্বাস করেছে এ কথা। বিশ্বাস না করার কোনও কারণ নেই। কপট সততার ছলনা করার কোনও প্রয়োজন তাদের নেই। এই অনভ্যাস দুলেন্দ্রকে করেছে দীর্ঘসঙ্গমের অনুপযুক্ত। এবং হয়তো তার মধ্যচল্লিশে পৌঁছে যাওয়া, হয়তো গঞ্জিকা সেবনের প্রভাব। তবু দুলু ক্ষ্যাপা তাকে শেখাতে চেষ্টা করছে সব। যা সে জানে। সে জানছে, যেমন করে জানে গুরুমুখী বিদ্যার শিক্ষার্থী। জানছে তাত্ত্বিকভাবে।

    এ কি জানা ছিল না তার? নতুন কোনও রহস্যের ঘোরে কি আনন্দ মন্থন করছে? না। তার কাছে কোনও রহস্য নেই বাউলের। কারণ বাউলতত্ত্ব নিয়ে বহু বই লেখা হয়ে গেছে। সকল রহস্যই সেখানে উন্মোচিত। সে শুধু, হঠাৎ সিদ্ধান্তে, সঙ্গ পেতে এসেছিল। দুলেন্দ্রর সঙ্গ পেতে এসেছিল। কিন্তু সে জানে, সে প্রতারিত করছে। সর্বাংশে প্রতারিত করছে লোকটাকে। প্রায় দশমাসের মতো গর্ভনিরোধক পিল এনেছে সে। বাউল আত্মসংযমের মধ্যে গর্ভনিয়ন্ত্রণে বিশ্বাস করে, গর্ভনিরোধক তার কাছে অধর্ম। কিন্তু সে কোনও ঝুঁকি নিতে পারে না।

    কতদিন থাকবে সে এখানে? সে জানে না। এই জায়গা তার ভাল লাগছে না। ভাল লাগছে না এই আখড়া। তার অসুবিধে হচ্ছে নদীপাড়ে মলত্যাগ করতে। অসুবিধে হচ্ছে পাড়ে মলত্যাগ করে ওই নদীতেই গা ডুবিয়ে স্নান করতে। অসুবিধে হচ্ছে সকল অপরিচ্ছন্নতায়। এমনকী লিঙ্গ শোষণ করতে গা ঘুলিয়ে উঠছে তার কারণ দুলুক্ষ্যাপা নয় আদ্যন্ত পরিচ্ছন্ন এবং তার লিঙ্গস্থানে, উপস্থে কটু গন্ধ। তবু সে রয়েছে আপাত স্বাভাবিক। নিজেকে প্রকাশ করা চলবে না। তা হলে সকলই জলে যাবে। এ তো তার নিজেকেও পরীক্ষা করা। তাকে দেখে বোঝার উপায় নেই যে তার অসুবিধা হচ্ছে। সে পারে। সে চূড়ান্ত সরলতা পারে। চূড়ান্ত অভিনয়ও পারে। আসলে অভিনয়কে অভিনয় ভাবে না সে। ভাবে সত্য। সেই সত্যের প্রভায় তার সকল আচরণ বিশ্বাস্য হয়ে ওঠে।

    রাত্রে গণি মিঞার ঘরঘরে নিশ্বাস-প্রশ্বাসের শব্দে তার ঘুম ভেঙে যায়। দিনে জাহিরার তীব্র দৃষ্টি বিদ্ধ করে তাকে। সে একপ্রকার নির্বান্ধব জীবন যাপন করছে এখানে। আর কতদিন? আর কতদিন? দীক্ষা নেওয়া পর্যন্ত। দীক্ষা সম্পর্কে সে যা জেনেছে, তা কি সত্য? সে দেখতে চায়। তার জন্য তাকে থাকতে হবে আরও তিনমাস। জ্যৈষ্ঠে গুরু আসবেন।

    কোকিল ডাকছে কোথাও। সে পলাশগাছের দিকে তাকাল। অপরূপ হয়ে ফুটে আছে পলাশ। হঠাৎ কোন এক কবিতার দুটি পংক্তি মনে পড়ল তার— উতল হাওয়া ক্ষণে ক্ষণে, মুকুল ছাওয়া বকুল বনে, দোল দিয়ে যায় পাতায় পাতায়, ঘটায় পরমাদ।

    কী পরমাদ? সে জীবনের কোনও কিছুকেই প্রমাদ মনে করে না। জীবন কতকগুলি ঘটনার সমষ্টি। সেই ঘটনাসমূহকে চয়ন করে গেঁথে তুললে জীবন হয়ে দাঁড়ায় প্রাণহীন। মেকি।

    তার হঠাৎ মনে পড়ে সেই শিশুটির কথা, যে ক’দিন আগে, এই ভৈরবের বুকেই বীভৎস মৃত্যু মরেছে। জাহিরা, পারুলবালা, দুলুক্ষ্যাপা——সকলেই ছুটে গিয়েছিল তাকে দেখতে। সে যায়নি। যেতে পারেনি। জীবনের কোণে কোণে ওঁৎ পেতে থাকে বীভৎস। তাকে দেখার জন্য আগ্রহী হয়ে কী লাভ! কোনও কিছুই স্থায়ী হয় না তার মধ্যে। মৃত্যু আর বিচ্ছেদ তার ওপর দিয়ে হেঁটে গিয়েছে। সে শিশুটির জন্য দুঃখ বোধ করে এবং বসন্তবিলাসে উম্মাদ হতে চায়। তার মনে পড়ে শান্তিনিকেতন। মনে পড়ে দোল উৎসব। আনমনা হয় সে। তার নাকে এসে পৌঁছয় আমের বউলের গন্ধ। এ গ্রামে অনেক আমগাছ। বউলে ভরে উঠেছে সব। ওরা সব বসন্তের বাণ। যোদ্ধাবেশে এসেছেন বসন্ত আর আম্রমুকুলের বাণে কামিনীহৃদয় বিদ্ধ করছেন। কোকিল কোকিলার মুখচুম্বন করছে। ভ্রমর আলিঙ্গন করছে ভ্রমরীকে। সে কাকে আলিঙ্গন করবে? কাকে? সে চোখ বন্ধ করল। তার নয়নজুড়ে রিচার্ড। আশ্চর্য! আজ রিচার্ডের কথা বড় বেশি মনে পড়ছে তার। সে ঘরে গেল। একটি খাতা বের করে লিখল-রিচ, তুমি কোথায়? লিখল আর কেটে দিল। আবার লিখল-রিচ, তুমি আমার মায়ের নাম জানতে চেয়ো না। আমি এখন…

    আবার লিখল। আবার কেটে দিল।

    সন্ধে পার করে পৌঁছল দুলুক্ষ্যাপা। রাত্রে যখন তারা স্নান করে যার যার দেহরস পান করে পরস্পরকে প্রণাম করল তখন দুলুক্ষ্যাপা বলল—আপনি কেন এসেছেন বুড়িয়া?

    সে বিস্মিত হল। সন্দিগ্ধও। একথা কেন? দুলুক্ষ্যাপা বলল—আমি ভেবে দেখেছি। আপনার মন আজও আমার মনে মেলেনি। সে তো আপনি চলে যাবেন বলেই। আপনি পারছেন না। আমি জানতাম। আমি জানতাম বুড়িয়া। বাউলচর্চা সহজ নয়। এই যেমন আমি ও ব্যর্থ হচ্ছি প্রতিদিন।

    কাতর দেখাচ্ছিল দুলুবাউলকে। সুন্দর দেহ কাঠামোর অন্তরালে এক ভেঙে পড়া মানুষ। এমন হয়। সে জানে। প্রেম হৃদয় অধিকার করলে এমন হয়। তার মায়া হল। সে তো দেখতে এসেছে আসলে। দুলেন্দ্রকে। দুলু বাউলকে। স্বাদ নিতে এসেছে। সে বলল—কেন এমন বলছেন? আপনি যা যা বলছেন, যেভাবে বলছেন, আমি তো করে চলেছি।

    –করছেন। কিন্তু আমি জানি। আপনি হৃদয় রেখেছেন অন্য কোথাও। কেন এলেন বুড়িয়া? আপনি আমার জীবনে কেন এলেন? আমি তো একা একা ভাল ছিলাম।

    তার দেহবোধ জাগছিল। বসন্তের উন্মাদ হাওয়ায় প্রবল যৌনাকাঙ্খী সে। খুলে ফেলল আবরণ। লণ্ঠনের স্তিমিত আলোক তার দেহে। দুলুক্ষ্যাপা এই নগ্নতায় স্তব্ধ হয়ে যায়। বুড়িয়া এগিয়ে আসে। দুলুক্ষ্যাপার হাত রাখে নিজের দক্ষিণ স্তনে। সে এখন বিলাসী। কামিনী।

    নারীর দক্ষিণ স্তন বিলাসের। বাম স্তন সন্তান পালনের জন্য নির্দিষ্ট।

    সে দুলুক্ষ্যাপার বামস্তনে মুখ রাখে। মধ্যচল্লিশের ঈষৎ পুষ্ট স্তনবৃন্ত শক্ত হয়ে ওঠে সেই স্পর্শে। সুখে আর্তনাদ করে দুলুক্ষ্যাপা আর বুড়িয়া শোষণ করে চলে স্তন।

    কৃষ্ণ তাঁর কামিনী গোপীদের স্তন পান করতেন। সমুদ্র মন্থনের বিষে জর্জরিত শিব পার্বতীর ভরাট, দুগ্ধবতী, পবিত্র সুধাভাণ্ডের মতো স্তন পানে সুস্থ হয়েছিলেন। স্তন পানে সাধকের নারীর প্রতি মাতৃভাব আসে। সন্তানহীনা বা কুমারীর স্তন রজঃকালে শোষণ করলে ছ-সাত মাসের মধ্যে স্তনরস অবিরল ধারায় বর্ষিত হয়। এই রসের নাম সুধা। এমনকী বাউলতত্ত্ব বলে পুরুষের স্তন নিয়মিত শোষণ করলে রস দান করে। সে রসকে কী বলে? বুড়িয়া জানে না।

    .

    সকল সমাপ্ত হলে একটি মাটির ভাঁড়ে শুক্রকণা সংগ্রহ করল দুলুক্ষ্যাপা। তার অস্থির চিত্ত শান্ত হয়েছে। গভীর ঘুমের পর প্রাতঃকালে চারিচন্দ্রের এক চন্দ্র ওই শুক্রকণা তেলের সঙ্গে মিশিয়ে গায়ে মেখে সে মাঠ করতে গেল। মাঠ শেষে স্নান করে ফিরে শুক্রকণা জলে মিশিয়ে পান করে চালজল সমাপ্ত করল সে। প্রভাত সূর্যের দিকে তাকিয়ে শুরু করল সূর্যপ্রণাম—

    উঠ উঠ স্বামী হে রক্তের বরণ।
    তোমাকে সাধিলে কারো না হয় মরণ।।
    তুমি কেন জিহ মুর্শিদ আমি কেন মরি।
    পুরাপুরি করো দয়া
    তোমার কৃপায় যেন যুগে যুগে তরি!
    যে রং তোমার স্বামী সে রং আমার
    সেই রং জগতেরি।
    ভরে পারাবার
    ঊনকোটি মহামন্ত্র-গুরু তুমি স্বামী।।
    তোমারে প্রণমি ওগো তোমারেই নমি

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44 45 46 47 48 49 50 51 52 53 54 55 56 57 58 59 60 61 62 63 64 65 66 67 68 69 70 71 72 73 74 75 76 77 78 79 80 81 82 83 84 85 86 87 88 89 90 91 92 93 94 95 96 97 98 99 100 101 102 103 104 105 106 107 108 109 110 111 112 113 114 115 116 117 118
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleকয়েদি – তিলোত্তমা মজুমদার
    Next Article বসুধারা – তিলোত্তমা মজুমদার

    Related Articles

    তিলোত্তমা মজুমদার

    শামুকখোল – তিলোত্তমা মজুমদার

    August 25, 2025
    তিলোত্তমা মজুমদার

    অর্জুন ও চারকন্যা – তিলোত্তমা মজুমদার

    August 25, 2025
    তিলোত্তমা মজুমদার

    ঝুমরা – তিলোত্তমা মজুমদার

    August 25, 2025
    তিলোত্তমা মজুমদার

    নির্জন সরস্বতী – তিলোত্তমা মজুমদার

    August 25, 2025
    তিলোত্তমা মজুমদার

    বসুধারা – তিলোত্তমা মজুমদার

    August 25, 2025
    তিলোত্তমা মজুমদার

    কয়েদি – তিলোত্তমা মজুমদার

    August 23, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    अनीश दास
    मौलाना शाह वलीउल्लाह
    रेवरेंड के. के. जी. सरकार
    অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিজ্ঞান রায়চৌধুরী
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমরেন্দ্র চক্রবর্তী
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অরিন্দম দেবনাথ
    অর্পিতা সরকার
    অশোককুমার মিত্র
    অসম্পূর্ণ বই
    আখতারুজ্জামান ইলিয়াস
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    কৌশিক সামন্ত
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোপেন্দ্র বসু
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যজ্যোতি মজুমদার
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণু শর্মা
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    রেভারেণ্ড কে. কে. জি. সরকার
    লীলা মজুমদার
    লেইল লোনডেস
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শঙ্কর চ্যাটার্জী
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শাক্যজিৎ ভট্টাচাৰ্য্য
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সন্দীপন চট্টোপাধ্যায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সম্পাদনা : শৈলেন্দ্র হালদার
    সরদার ফজলুল করিম
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সায়ন্তনী পূততুন্ড
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৈয়দ মুস্তাফা সিরাজ
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্মরণজিৎ চক্রবর্তী
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    স্যার, আমি খুন করেছি – প্রচেত গুপ্ত

    May 15, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    স্যার, আমি খুন করেছি – প্রচেত গুপ্ত

    May 15, 2026
    Our Picks

    স্যার, আমি খুন করেছি – প্রচেত গুপ্ত

    May 15, 2026

    মৃত পেঁচাদের গান – সায়ক আমান

    May 15, 2026

    এড়ানো যায় না – সায়ন্তনী পূততুন্ড

    May 15, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }