Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    রাজপাট – তিলোত্তমা মজুমদার

    তিলোত্তমা মজুমদার এক পাতা গল্প1633 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    রাজপাট – ১১২

    ১১২

    শ্রাবণে বরষণ ধারা
    পড়িছে ঝরিয়া।
    হায় হায় ফতেমা কান্দে
    আরশি ধরিয়া।
    হায় হায় ফতেমা কান্দে
    ফতেমারই গায়ে পড়িয়া।
    ইমাম উছেন অইছে শহীদ
    কারবালাতে গিয়া।
    ফতেমার বলত ইমাম উছেন
    দোনোকে ছাইড়াছে।
    চান্দমুখে জোয়ার নাই
    মা বলিব কে?

    .

    ট্রাকের পর ট্রাক বোল্ডার এসে যাচ্ছে। বৃষ্টি ধরেছে কিছু। তবু মেঘ-থমথমে আকাশ। ভরা নদী উপচে পায়ের গোছ ডোবা জল পেতনির চরায়। চতুষ্কোনার ক্ষেতগুলি জলে ডুবে আছে। ভাগীরথী ভয়ঙ্করী এখন। তেমনই ভয়ঙ্কর রূপ ভৈরবের। যেন ভৈরব ও ভৈরবী মিলে ঘটাবে প্রলয়। তেকোনার মানুষও নিশ্চিন্তে নিরুপদ্রবে নেই। সদা শঙ্কা। সদা ভয়। গ্রামে গ্রামে একই চিত্র। তবু আশা, শেষ পর্যন্ত বন্যা হবে না নিশ্চয়!

    ট্রাকের পর ট্রাক বোল্ডার এসে যাচ্ছে। কিন্তু সমস্যা এক, নদীর কিনারে রাখার জায়গা নেই। ক্ষেতে জলে ডুবে আছে ধানের গাছ। অথচ বোল্ডার রাখার জন্য চাই বড় পরিসর। চিন্তায় পড়ে গেছে অনির্বাণ পোদ্দার। ক্ষেতের ফসল নষ্ট করে বোল্ডার ফেলতে আগ্রহী সে নয়। কারণ, নদীর ধারে ধারে তাদেরই জমিজমা বিস্তর। কিছু আছে বলাই মণ্ডলের। তবে মূল কাজ যেখানে, আমবাগান বরাবর নদীর যেখানে প্রবেশ-প্রবণতা, তারই কাছাকাছি বোল্ডার ফেলা চাই।

    বোল্ডার। বড় বড় পাথরের চাঁই। পাকুড় হতে আসা। পাকুড়ের পাথরের খনি। তার থেকে তোলা। নির্দিষ্ট ওজনের। নির্দিষ্ট মাপের। কী মাপ, কী ওজন পি দত্ত বলে দিয়েছেন। সদলবলে দেখে যাবেন তিনি। ওজন নিয়ে পরীক্ষা করে যাবেন ঠিক মাপ এল কি না। কতগুলি পাথর লাগবে তারও আছে আঙ্কিক হিসেব। হাজার হাজার পাথরের চাঁইয়ের জন্য হাজার কোটি টাকা। বন্যার স্রোত রুদ্ধ করার জন্য বানের স্রোতেরই ন্যায় অর্থের প্রবাহ।

    কোটি কোটি টাকার প্রকল্প এই। কোটি কোটি।

    অনির্বাণ পোদ্দারের উদ্ধারণে এগিয়ে এল মোবারক আলি স্বয়ং। তার আব্বা মহম্মদ আলির জমিটুকু এখুনি নদীগর্ভে যাবার মতো নয়। ভাঙনে এগিয়ে এসেছে নদী। কিন্তু এখনও মহম্মদ আলির জমিটুকু অটুট রয়েছে। আর ওই স্থান বোল্ডার রাখার পক্ষে সবচেয়ে উপযুক্ত হবে।

    মনে মনে চতুর হাসিটি সে হেসে নেয়। সবুজে সবুজ ওই জমিটুকুর লকলকে নধর গাছপালা সব বোল্ডারে চেপ্টে-চুপ্টে যাবে। আরাম হবে তার। বহুৎ আরাম হবে। ইদানীং সুকুমার পোদ্দারের গৃহেরই এক কোণে সে থাকার জায়গা একখানি বরাদ্দ পেয়েছে। অনির্বাণের কাজেও সুবিধা হয়। বহু গোপনীয় হিসেব-নিকেশ করে নিতে পারা যায় একান্ত নির্জনতায়। যদিও বেশিদিন নয়, বেশিদিন থাকবে না এখানে সে। নিকটে অজস্র টাকার হাতছানি। বোল্ডার বোল্ডার! বোল্ডারের পরিবর্তে, চোখ বুজলেই মোবারক আলি দেখতে পায়, টাকার স্তুপ। স্তূপীকৃত টাকা, রাশি রাশি, রাখা আছে পাড় বরাবর। ওই টাকা কার?

    কার?

    ভাগাভাগি হয়ে যাবে।

    টাকা ভাগাভাগি হয়ে যাবে।

    কার কার কার মধ্যে?

    মোবারক আলি সে। সুকুমার পোদ্দারের ছেলে অনির্বাণ পোদ্দারের ডানহাত ঘটনাচক্রে। সে ঠোঁট চেপে থাকে। কথাটি কয় না। ভাগাভাগি হোক না শালা যার সঙ্গে খুশি। তার কী! অনির্বাণ পোদ্দার যা ভাগ পাবে, তার থেকে ছিটেফোঁটা যা দেবে মোবারক আলিকে, তা ঢের, ঢের পরিমাণ। বহু মুদ্রা দেনমোহর দিয়ে সে আনবে আসমানি চাঁদের মতো বিবি। বিবিকে দাঁড়িপাল্লায় বসিয়ে চাঁদি ওজন করে দেবে। ঘর করবে। তাতে থাকবে পৃথক স্নানাগার। তার বিবি খোলা গায়ে, আঃ, খোলা গায়ে, স্নান করবে সেখানে। সুন্দরী বিবি তার স্নান করবে।

    সুন্দরী বিবি? সুন্দরী? মায়মুনার মতো সুন্দরী কি কেউ? ভাবতে ভাবতে সে বিবশ হয়ে যায়। তার ক্রোধ ফুটে ওঠে। চোখে মুখে ক্রোধ ফুটে ওঠে। প্রতিহিংসা প্রতিহিংসা! বুকে আগুন জ্বলে তার। তার চোখে যে মায়মুনার চেয়ে সুন্দরী আর কেউ নেই! কেন মায়মুনা তার হল না? কার জন্য হল না? এত লালচ শালাদের! হারামখোর লোভী লুচ্চা! সে থুথু ফেলে বাপ— ভাইয়ের উদ্দেশে। অকথ্য গালাজ ছুঁড়ে দেয়। লকলকে সবুজে সমৃদ্ধ বাগান তার দু’চোখের মণিকে পীড়ন করে অত্যন্ত নিষ্ঠুরে।

    হ্যাঁ হ্যাঁ! ওইখানেই রাখবে সে। বোল্ডার রাখবে ওইখানেই। সম্বৎসরের সবজি দেওয়া বাগানের গাছপালা দুমড়ে-মুচড়ে দেবে।

    খুব মাছ ধরছে আর বেচছে আকবর আলি এখন। খুব কামাচ্ছে শালা সুপুত্তুর। মনে মনে ছক কষে মোবারক আলি। কী করে আকবর আলিকে জব্দ করা যায়? ওর নৌকাটা যদি…নৌকা…ওর একমাত্র সম্বল…

    .

    অনির্বাণের মনে ধরল মোবারকের প্রস্তাব। স্মরণ করতে পারল সে বাগানটিকে। অতএব বাইকের পিছনে মোবারককে বসিয়ে সে সোজা চলে গেল মহম্মদ আলির বাড়ি।

    মহম্মদ আলি ব্যস্ত হয়ে উঠলেন অনির্বাণকে দেখে। কোথা বসতে দেন। কী বসতে দেন। কিন্তু ছেলের দিকে ফিরেও তাকালেন না তিনি।

    দুয়ার পেরোয়নি মোবারক আলি নিজেও। খোলা আঙিনার বাহির সীমানায় দাঁড়িয়েছে সটান। অনির্বাণ পোদ্দারের সঙ্গে বাইকে চেপে সসম্মানে এসেছে সে আজ। বাহিরে উগ্র উদ্ধত সে, কিন্তু হৃদয়ে উত্তাল। তার সতৃষ্ণ দৃষ্টি ছুঁয়ে যাচ্ছে আনাচ-কানাচ। বুকের গভীরে এক সতৃষ্ণ খোঁজ জারি আছে। সে কোথায়? কোথায়? একবারও কি বাইরে আসবে না? দাওয়ার কোনায় বসবে না বিড়ির সম্ভার নিয়ে? বসেনি কেন সে? কোথায় গিয়েছে? সে দেখছে দাওয়ায় খালেদাকে। দেখছে রোগা ভোগা কিন্তু সেরে উঠতে থাকা আফসানা, তাকেও। কেউ-ই তার দিকে চাইছে না একবারের তরেও। যেন আফসানা কোনও দিন তার ভাবি ছিল না। খালেদা কোনও দিন পেটে ধরেননি তাকে। যেন মোবারক আলি বলে কেউ কোনও দিন ছিলই না এ বাড়িতে।

    না তাকাক। না তাকাক। সে কেউ নয়। কারও নয়। তার বুকে ফুলে ওঠে অভিমান। ফুঁসে ওঠে ক্রোধ। তবু নয়ন মানে না। সে খোঁজে। খুঁজে যায়। সতৃষ্ণ সকাতর দৃষ্টি তার। সকাতর হৃদয়। ইচ্ছে করে, প্রত্যাশা হয়, খালেদা এসে হাত রাখবেন গায়ে, বলবেন—ভাল আছ বাপজান? আমাদের থুয়ে ভাল আছ?

    এই কল্পনায় তার চোখের কোণে জল এসে গেল।

    তখন, অনির্বাণের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করে দিলেন মহম্মদ আলি। জোড়হাতে বললেন- আপনাদের কাছে আমাদের অনেক ঋণ। কিন্তু ওই বাগানের ভরসায় আমার সংসার চলে। অন্নের সঙ্গে সামান্য ব্যঞ্জন শিশুদের মুখে দিতে পারি। সে নষ্ট করতে পারব না।

    অনির্বাণ পোদ্দার, এই মাত্র দিন কয়েক আগেও ছিল নরম প্রেমিক, এখন সফল ঠিকাদার একজন, সুকুমার পোদ্দারের সুযোগ্য সন্তান, তার কান ঝাঁ-ঝাঁ করে। প্রত্যাখ্যানের অপমানে কান ঝাঁ-ঝাঁ করে। এই গ্রামে পোদ্দার বাড়ির প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করার শক্তি কারও আছে দেখে বিস্ময়ে সে হতবাক হয়ে যায়। দাঁতে দাঁত চাপে সে। বলে—হিসেব করুন।

    মহম্মদ আলি তার মুখের দিকে তাকিয়ে ভয় পান। ঢোঁক গিলে বলেন—কীসের হিসেব ছোটবাবু?

    অসহায় লাগে তাঁর। মনে হয়, ভুল করে ফেললেন কিছু? আকবর আলি উপস্থিত থাকলে বড় ভাল হত। অনুভব করেন তিনি। মনে মনে হাতড়ে চলেন শক্ত অবলম্বন কোনও।

    সুকুমার পোদ্দারের ছেলে, ঠিকেদার হয়ে ওঠা অনির্বাণ পোদ্দার বলে—সারা বছর কত টাকার সবজি লাগে আপনার পরিবারে। তার হিসেব।

    মহম্মদ আলির চোখে জল এসে যায়। তিনি বলেন—বাবু, শুধু টাকার জন্য না। ওইসব গাছ আমার পরিশ্রমের ফল। চোখের সামনে চাপা পড়ে মরবে। বড় কষ্ট হয়।

    অনির্বাণ দাঁতে দাঁত চাপে। বলে—নৌকার ঋণ শোধ হয়ে গেছে?

    —না বাবু। হচ্ছে। গেল বৎসর খরা হল। মাছ পড়ে নাই। এইবার দেব।

    —জায়গাটা চাই আমার।

    —অ্যাঁ?

    —জায়গাটা চাই।

    জেদি লাগে মহম্মদ আলিকে। অনমনীয় লাগে। তিনি ঘাড় শক্ত করে থাকেন। তথাপি টের পান, ওই জায়গা না দিয়ে উপায় নেই। শেষ মরিয়া চেষ্টার মতো বলেন—দশ হাজার টাকা দিলে…

    —দশ হাজার?

    অনির্বাণ বাইকের ইঞ্জিন চালু করে সশব্দে। দাঁতে দাঁত চাপে। চোয়াল টাটিয়ে ওঠে তার। মোবারককে নিয়ে অন্য জায়গার সন্ধানে সে যায়। নিজেদের জমির মধ্যেই অগত্যা বেছে নেয় একাংশ। বোল্ডার পড়ে। থরে থরে বোল্ডার পড়ে। বহু লোক কাজে লেগে যায়। সামরিক তৎপরতায় গড়ে ওঠে পাথর— প্রাচীর। দ্রুত। অতি দ্রুত। থমথমে মেঘ তা চেয়ে দেখে। রোষে। গম্ভীর নদী তা চেয়ে দেখে। ফুঁসে ওঠে আক্রোশে। ভাঙনের ছক কষে বুঝি।

    আর ছক কষে তারা। অনির্বাণ মোবারক। মোবারক তাতায়। অনির্বাণ স্ফুটনাঙ্কে পৌঁছয়। মোবারক বলে আপনাকে না বলে দিল?

    অনির্বাণ দাঁতে দাঁত চেপে বলে—হুম্‌ম!

    —ছেড়ে দেবেন এমনি?

    —কী করব?

    —কী করতে চান?

    —তোমার তো বাপ-ভাই!

    —আমাকে ভাই বলে, ছেলে বলে মানে? নিজের লোক আমি মাত্র একজনকেই জানি।

    —কে?

    —আপনি।

    তোষণে দেবতা তুষ্ট। অনির্বাণ পোদ্দার কেন নয়? এই লোকটি বিশ্বস্ত। নির্ভরযোগ্য। তার অপমানবোধ হতে জেগে ওঠা প্রতিহিংসা এই লোকটি তৃপ্ত করতে পারে। সে বলে—তুমি আমার ভাইয়ের মতো।

    —আমি আপনার গোলাম। আপনার নুন খাচ্ছি।

    —আমি তোমার পাশে আছি।

    —আমি প্রাণ দিয়ে আপনার সেবা করব।

    —ব্যবস্থা কিছু করতে পারবে? সাহস বাড়তে দিতে নেই।

    —আপনি একবার বলে দেন। আমি আপনাকে নিয়ে গেছি। আপনার অপমান আমি সহ্য করব না। মুচড়ে ছেড়ে দেব, না ভেঙে দেব?

    —ভাঙো, ভাঙো!

    —একবারে, না তিলে তিলে?

    —একবারে লোকে সন্দেহ করবে।

    —ব্যস! আপনি নিশ্চিন্ত হয়ে যান।

    —দেখো! কেউ টের না পায়। বাবা বলছিল এখন শুধু জনকল্যাণের কাজ করতে হবে। এরপর পঞ্চায়েতের ভোট।

    অনির্বাণ ইশারা দেয়। মোবারক আলি তা পালনে উদ্যত।

    সরকারি লোকজন মেপেজুপে গেছে। গুণে গেঁথে গেছে সব পাথর পরিমাণ। কাজ হয়ে গেছে শুরু! কাজের সময় আর একবার গোনা-গাঁথা হয় কই! অতএব শেষ তক, পূর্তবিদের আঙ্কিক হিসেবে গোলমাল দেখা দেয়। সকল মূল্যাবধারণ, সকল প্রাককলন কম হয়ে গিয়ে ব্যয়ের হিসাব হয়ে যায় ঊর্ধ্ব-পরিমাণ! পূর্তবিদের দেওয়া চারশো টন পাথরের পরিবর্তে লেগে যায় ছশো টন। লেগে যায়। নিখুঁত অঙ্কের জ্ঞানও ব্যর্থ হয়ে যায়। কী প্রকারে? কী প্রকারে?

    .

    রাত্রি গভীর হলে বিশ্বস্ত কয়েকজনকে সঙ্গে নিল মোবারক। রোজকার এ কাজ। বৃষ্টি নেমেছে পুনরায়। এ এক সুবিধা। চমৎকার সুবিধা এই বজ্র-বিদ্যুৎ।

    পায়ে পায়ে তারা গেল স্তূপ করা পাথরের কাছে। ধরাধরি করে একেকটি পাথর ফেলে দিতে থাকল ভরন্ত নদীর জলে। শব্দ উঠল ঝপ্, ঝপ্, ঝপ্। সেই শব্দে জেগে উঠল না কেউ।

    শিলা কোনও কালে জলে ভাসে নাই। অতএব মুক প্রস্তরের খণ্ড খণ্ড ভার জলে চলে গেল নীরবে, বিনা প্রতিবাদে, এমনকী চিহ্ন কোনও না রেখে ডুবে গেল।

    ঠিকাদারির এই দস্তুর। কাজ হবে বর্ষায়, যাতে অসমাপ্ত থাকে কাজ, অপূর্ণ থাকে। যাতে দুর্বল হয়। দুর্বল না হলে, শক্ত-পোক্ত হয়ে গেলে, বৎসরান্তে একবার ফাটিয়ে-টুটিয়ে না দিলে, কী প্রকারে পায় তারা পৌনঃপুনিক কাজের বরাত? তাই বস্তুগুলির গুণমান নিম্নমুখী। তাই এমন পাথর ফেলে দেওয়া। মরুক মরুক সব জনপ্রাণী, জনসাধারণ। লাভের অগণন কড়ি ভাগাভাগি হয়ে যাক ক্ষমতাশালী বলশালী লোকে-লোকান্তরে।

    গোটা কুড়ি পাথর জলে ফেলে হাঁপাতে হাঁপাতে ক্ষান্ত হল তারা। এক দিনের পক্ষে এই ঢের। বেশি হলে চোখে পড়ে যাবে। বলা তো যায় না, কখন এসে যাবেন কোনও এক পরিদর্শক, সততা ন্যায়-নিষ্ঠার পরাকাষ্ঠা, ধরে ফেলবেন যত নীরব শিলার ইতিহাস। তাই ভাল। সাবধানতা ভাল।

    মোবারক আলি সে, নিজে তো পাথর ফেলে না। তদারকি করে। দলবল নিয়ে সে জেলেপাড়ার দিকে যায়। খোঁজ নিয়ে রেখেছিল আগেই। ভোর পাঁচটায় গাঙে যাত্রা করবে সব।

    কাজটা সহজ নয়। এই বৃষ্টিতে কাজটা সহজ নয়। তবু, সে সমগ্র প্রস্তুত। কোনও কোনও নৌকায় ছইয়ের তলে শুয়ে থাকে লোক। পাহারাদারি করে। গায়ে গায়ে লেগে থাকা নৌকাগুলি নজরে নজরে রাখে। এ ভরা বরষায় কে আছে পাহারাদার? মোবারক জানে, খবর নিয়েছে, আজ রাতে আছে বুড়ো নিজামত মাঝি এবং হারুন মিঞা। সে সঙ্গীদের দেখে নেয় অন্ধকারে। লুঙ্গির ভাঁজে হাত চালায়। গলায় মধু ঢেলে বলে—এই ঘোর বাদলায় তোদিগের বড় অসুবিধা যাচ্ছে কী বল দিলীপ? মকবুল?

    দিলীপ মাথা চুলকায়। মকবুল হেঁ-হেঁ করে। বলে-জি, মোবারকভাই আমাদিগে এট্টু দেখো।

    —তা তো দেখবই। তোরা হলি গিয়ে আমার শাগরেদ।

    —জি।

    —এই নে। রাখ।

    সে ক’টি বড় নোট এদের মুঠোয় গুঁজে দেয়। এরা আপ্লুত হয়ে ওঠে।

    তারা চুপি-চুপি হাঁটতে থাকল অতএব। ভিজে-ভিজে হাঁটতে থাকল। বৃষ্টি তাদের সহায়।

    বৃষ্টি তাদের সকলের সহায়।

    মোবারক আলি ডাকল— মকবুল।

    —জি।

    —পারবি তো?

    —জি।

    —দিলীপ?

    —হ্যাঁ, মোবারকদা।

    — তৈরি?

    —তৈরি!

    খুঁজে খুঁজে সিরাজ নৌকার কাছে দাঁড়াল তারা। চারিদিকে নিশ্ছিদ্র অন্ধকার। তবু, গলুইয়ে ময়ূর তোলা আকবর আলির সিরাজকে চিনে নেওয়া যায়। নৌকার গায়ে লেগে নদীর জল ছলাৎ শব্দ তোলে। তারা একে একে উঠে পড়ে নৌকায়। লিয়াকত বলে একজন, দক্ষ নৌচালনায়, সে কাছি খুলে নেয়। পাড় বরাবর নৌকা ভাসিয়ে চলে তারা। উজানে বেয়ে যায়। মকবুল ও দিলীপ কাজ শুরু করে। ধারাল ধাতব অস্ত্রের আঘাতে আঘাতে ফালা ফালা করতে থাকে সিরাজের শরীর। পাটাতনের কাঠ সরিয়ে তলায় ছ্যাঁদা করতে থাকে। প্রতিটি আঘাতের সঙ্গে সঙ্গে মোবারকের উল্লাস ফিনকি দিয়ে ওঠে। প্রতিশোধ, প্রতিশোধ, প্রতিশোধ নিয়েছে সে। সমস্ত অপমান-লাঞ্ছনার প্রতিশোধ নিয়েছে সে। আজ সে তৃপ্ত, তৃপ্ত, সুখী!

    জল উঠতে থাকল নৌকায় এবার। তারা একে একে নেমে পড়ল জলে। সামান্য সাঁতরে ডাঙায় উঠে এল। দেখল দাঁড়িয়ে। সিরাজ টলে টলে চলেছে, ঘুরতে ঘুরতে চলেছে নিয়ন্ত্রণহীন। দূরে যাচ্ছে। ডুবে যাচ্ছে। অন্ধকারে আরও একখণ্ড অন্ধকার। মিলিয়ে যাচ্ছে। মিলিয়ে যাচ্ছে ক্রমশ।

    হঠাৎ মায়মুনার করুণ মুখ মনে পড়ল মোবারক আলির। সর্বনাশ সে আকবর আলির একারই করল না। মায়মুনারও করল। মায়মুনা মায়মুনা। বুকের মধ্যে গুঙিয়ে উঠল কে! মোবারক আলি শক্ত হাতে টিপে ধরল তার গলা। মায়মুনা তার কে?

    কেউ না। কেউ না।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44 45 46 47 48 49 50 51 52 53 54 55 56 57 58 59 60 61 62 63 64 65 66 67 68 69 70 71 72 73 74 75 76 77 78 79 80 81 82 83 84 85 86 87 88 89 90 91 92 93 94 95 96 97 98 99 100 101 102 103 104 105 106 107 108 109 110 111 112 113 114 115 116 117 118
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleকয়েদি – তিলোত্তমা মজুমদার
    Next Article বসুধারা – তিলোত্তমা মজুমদার

    Related Articles

    তিলোত্তমা মজুমদার

    শামুকখোল – তিলোত্তমা মজুমদার

    August 25, 2025
    তিলোত্তমা মজুমদার

    অর্জুন ও চারকন্যা – তিলোত্তমা মজুমদার

    August 25, 2025
    তিলোত্তমা মজুমদার

    ঝুমরা – তিলোত্তমা মজুমদার

    August 25, 2025
    তিলোত্তমা মজুমদার

    নির্জন সরস্বতী – তিলোত্তমা মজুমদার

    August 25, 2025
    তিলোত্তমা মজুমদার

    বসুধারা – তিলোত্তমা মজুমদার

    August 25, 2025
    তিলোত্তমা মজুমদার

    কয়েদি – তিলোত্তমা মজুমদার

    August 23, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Our Picks

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }