Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    রাজপাট – তিলোত্তমা মজুমদার

    তিলোত্তমা মজুমদার এক পাতা গল্প1633 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    রাজপাট – ৫০

    ৫০

    এই মাস গেল কন্যা
    না পুরিল আশ।
    লহরী যৌবন ধরি
    আসিল জ্যৈষ্ঠ মাস।।
    আম খাইলাম
    কাঁটাল হে খাইলাম।
    আরও গাভীর দুধ—
    কতদিনে খণ্ডিবে বলো
    বিরহিণীর জ্বালা
    আর অভাগীর মনের দুখ।।

    .

    বাউলের কাছে বৃহস্পতিবার হল গুরুবার। বুড়িয়াকে দীক্ষা দেবার দিন এই বার দেখেই নির্ধারিত হয়েছে। এই অনুষ্ঠানে অংশ নেবার আগ্রহ ছিল বুড়িয়ার। কিন্তু মহম্মদ সাঁই গুরুকে দেখে তার অবিকার হৃদয়েও কুঞ্চন ঘটে গেল। দীক্ষা দেওয়ার পদ্ধতি সে কিছু জানে। অতএব নিজের সঙ্গে যুদ্ধ করছিল সে অবিরল। সে কি পারবে না? শেষ পর্যন্ত পারবে না কি?

    মহম্মদ সাঁইয়ের বয়স প্রায় পঁচাত্তর বৎসর। তাঁর ত্বক লোল হয়েছে। পক্ককেশ মাথায়। কিন্তু দেহের খাঁচাটি সটান। চোখে গঞ্জিকা সেবনের লালিমা। কিন্তু দৃষ্টি তীব্র। জ্বলজ্বলে। বুড়িয়া দেখছে তাকে, আর ভাবছে, এ তবে সেই?

    মহম্মদ সাঁই গানে মজে আছেন সারাক্ষণ। তাঁকে ঘিরেই আখড়ার জীবন কাটছে এখন। মহম্মদ সাঁইয়ের সঙ্গিনী হরিমতি জাদুকরীর মতো চোখে দেখছেন বুড়িয়াকে। আরও দুই বাউল এসেছে সঙ্গে সাধিকা নিয়ে। সেই দুই নারীর পানে ছোপানো ঠোঁট। দাঁতগুলি কালো। তাদের ভাষায় অসংস্কৃত শব্দের অধিক ব্যবহারে বুড়িয়া ক্লান্ত বোধ করছিল। এ পর্যন্ত যত বাউলসঙ্গ সে করেছে, এমন অপভাষা কারওকে ব্যবহার করতে শোনেনি। সে মন ফেরাবার জন্য মহম্মদ সাঁইয়ের গানে ধ্যান দিতে চেষ্টা করছিল।

    এসে অবধি গণিমিঞাকে নিয়ে বারবার আক্ষেপ করেছেন গুরু—পাগলটা এমন ক্ষয় করে ফেলল নিজেকে!

    বিশেষ ঔষধ এনেছেন তিনি। আপন মাটিতে গড়া ঔষধ। তা ছাড়া গণিমিঞার নিজের মাটি গ্রহণের নিদানও বজায় আছে। বুড়িয়া গণিমিঞার ঘরে কখনও ঢোকেনি। সে নীরব হয়ে আছে। নারায়ণমূর্তির কথা বড় বেশি মনে পড়ছে তার। এই সমস্ত ছেড়ে চলে যাবার জন্য তার চিত্ত অধীর হয়েছে। যেমন স্বভাব তার যেমন অস্থিরতা—কোথাও, কোনও সম্পর্কেই সে পারে না প্রোথিত করতে নিজেকে! যখন সম্পর্কে জড়ায়, মনে হয় এ না হলে এই জন্ম বৃথা। কখন আবার সমস্তই বাহুল্য হয়ে যায়! আর দুলুবাউল! দুলেন্দ্ৰ! বুড়িয়া জানে, জানত, সে কেবল চরিতার্থ করবে এক গোপন অভিলাষ, সিদ্ধ হবে অদৃষ্ট অভিজ্ঞতায় এবং চলে যাবে। যাবেই। দুলুবাউল তার কে? দুলেন্দ্র? সে দুলুক্ষ্যাপাকে দেখছে ফিরে ফিরে। কী সুন্দর মানুষটা। কাটাল কী এক জীবন! সে নিজের কাছে প্রশ্ন রাখে—এ জীবন কি খারাপ?

    না। কোনও জীবনই তার কাছে খারাপ নয়, ভালও নয়। কারও ক্ষতি না করে যার যেমন ইচ্ছে জীবন-যাপন করুক না। সে নিজেও, কারও ভাল-মন্দ লাগার পরোয়া না করে তার নিজের জীবন পরিচালিত করছে। দুলু বাউলও তার নিজের জীবন নিয়ে তৃপ্ত নিশ্চয়ই। পূর্ণ বাউল হয়েও এতকাল সে নারীসঙ্গ করেনি। তার খোঁজার এই শক্তিকে, এই সংযমকে প্রণাম জানায় বুড়িয়া।

    দুলু বাউল মহম্মদ সাঁইয়ের প্রিয় পাত্র। তিনি সম্বোধন করছেন তাকে—আমার পাগল ছেলে।

    বুড়িয়া নজর করে দেখে। দুলুক্ষ্যাপার মুখে হাস্যোজ্জ্বলতা নেই, যা থাকার কথা ছিল। সে এখন গুরুমায়ের কোল ঘেঁষে বসেছে। মহম্মদ সাঁই বলছেন—উন্মাদ হয়ে যা রে। উন্মাদ হয়ে যা সব। আরে উম্মাদ না হলে কি সাধন হয়? আবার সাধন পূর্ণ হলেই উন্মাদ অবস্থা আসে। সাধনায় একনিষ্ঠ হও, প্রেমে তীব্রতা আন। প্রেমই তো সাধন। তার চেয়ে বড় সাধনা আর কী! মানুষের চরম বোধ প্রেমের বোধ। পাগল না হলে প্রেম সিদ্ধ হবে না। আবার প্রেমে সিদ্ধ মানুষ পাগল হয়ে যাবে।

    তাঁর কথা শেষ হয় এবং গান শুরু হয়। সঙ্গে সঙ্গে গঞ্জিকার সেবা ফেরে হাতে হাতে।

    সে এক রসের পাগল বাঁধাল গোল
    মনের মাঝে দেখ রে তোরা
    মনের ঘরে নয়ন ফেরে কোথায় তবে
    আলোকের তোড়া
    পাগল রসে ডুব দিয়ে দেখ
    এ পাগল মন সে আলোয় ভরা
    আমি পাগলের সঙ্গে যাব পাগল হব
    হেরব নবরসের গোরা

    বুড়িয়া এই ক্ষেত্র হতে নিজেকে দূরে সরিয়ে নিতে চায়। সে যে এসেছিল দুলু বাউলের সঙ্গ করতে, তা পূরিত হয়েছে। আজ দীক্ষা নেবার রাত্রি এক পরীক্ষা। এই পরীক্ষায় পার হওয়া কি এমনই কঠিন? সে সাহসে ভরসা করতে চায়। নিজেকে বিচ্ছিন্ন করে নেয় মনে মনে। এই তিন মাসের জীবনে সে যা যা অভ্যাস করেছে তার কিছুই তার সমাজের অন্তর্ভুক্ত নয়। এক উন্মাদনায়, আবেগে সে ওই অচেনা পথ পেরিয়ে এসেছে। হয়তো অজানা ছিল না বলেই সম্ভব হয়েছে এই অতিক্রম। গুপ্ত সাধনার সঙ্গী হয়েছে সে। এবার সদস্য হবে।

    এই আসর জাগিয়ে তোলা মানুষগুলিকেই তার মনে হয় উন্মাদ একপ্রকার। তারা চূড়ান্ত কামসাধক, আবার চূড়ান্ত ইন্দ্রিয়নিয়ন্ত্রণকারী। বুড়িয়া প্রথমদিকে দুলু বাউলের এই নিয়ন্ত্রণের পরিচয় পায়নি। অনভ্যাসে সে বারংবার স্খলিত হয়েছিল। তখন বস্তুরক্ষা হত তার নিজেরই। ইদানীং দুলু বাউলের সংযম তাকে বিস্মিত করছিল। তাকে দেখে মনে হয় যেন ঘোর স্বপ্ন থেকে সে জাগ্রত হয়েছে। দশ ইন্দ্রিয়কে নিয়ন্ত্রণ করেন যিনি, তিনিই বাউল। চক্ষু, কর্ণ, নাসা, জিহ্বা, ত্বক এই পাঁচ জ্ঞানেন্দ্ৰিয়। এবং বাক্, পাণি, পাদ, পায়ু, উপস্থ এই পাঁচ কর্মেন্দ্রিয়। জ্ঞান ও কর্মের এই দশযোগ নিয়ন্ত্রণ করতে করতে বাউল চলে। বুড়িয়ার সহসা মনে হয়, ইন্দ্রিয় হল চৌদ্দটি। সেই বাকি চার প্রকার নিয়ে বাউল ভাবিত নয়।

    সে মহম্মদ সাঁইকে দেখে। এই মানুষটি আজ রাত্রে তার গুরু হয়ে উঠবেন। অথচ তাঁকে দেখে তার মধ্যে ভক্তি বা আনুগত্যের বোধ জাগ্রত হচ্ছে না। বুড়িয়া, সে এমনই মেয়ে, যার মধ্যে আনুগত্য জাগে না। ভক্তিকে সে ধরে পরীক্ষণীয়। সে মহম্মদ সাঁইকে বলে একটি নিবেদন আছে আমার।

    —বলো, বলো। অমাবস্যায় চন্দ্রোদয় ঘটেছে তো? আজকের দিনে তা আবশ্যিক।

    বুড়িয়া তীব্র চোখে তাকায়। সর্বসমক্ষে এ কী প্রশ্ন! কিন্তু সংযত থাকে সে। তার চেনা ভদ্র সমাজের সঙ্গে এ-সমাজের বিরোধ সে রেখেছিল সংগোপনে। সেগুলিকে অন্তত আজ মুখ তুলতে দেওয়া যায় না। বিশেষত, এই সমস্ত কিছুই তার স্বেচ্ছাসিদ্ধান্ত। তবু কী এক ক্রোধ তাকে চালিত করে। হয়তো এ ক্রোধ নিজের প্রতি নিজের। সে ঠোঁট কামড়ে ধরে। বলে— বাউলের সাধনা দশেন্দ্রিয় নিয়ন্ত্রণ। কিন্তু ইন্দ্ৰিয় প্রকৃত পক্ষে চৌদ্দ।

    —চৌদ্দ?

    মহম্মদ সাঁই বড় করে দম নেন কলকে হতে। বলেন—চৌদ্দ!

    গুরুমুখী বিদ্যা তাঁর। অধ্যয়ন করেননি কখনও। শুনেছেন যা, তা শিখেছেন। কিছু আপন অভিজ্ঞতা ও চিন্তায় সংযোজন ঘটিয়েছে। কিন্তু চৌদ্দ ইন্দ্রিয়ের বিষয়ে তিনি অজ্ঞাত। তিনি ভাষাহীন চোখে দেখেন—চৌদ্দ!

    বুড়িয়া হাসে। এই মানুষটিকে দেখামাত্র জেগে-ওঠা ক্রোধ তৃপ্তি পায়। সে বলে—জানেন না?

    দুলু বাউল কথা বলে তখন—হ্যাঁ। চারিটি অন্তরিন্দ্রিয়। মন, বুদ্ধি, অহংকার, চিত্ত। এইগুলিকে একযোগে একটি ইন্দ্রিয়ই ধরা হয়। তাকে মনও বলা যায়, বুদ্ধিও বলা যায়। বৈষ্ণব মতে মানুষের আছে একাদশেন্দ্রিয়। দশ ইন্দ্রিয়কে যে বশ করতে পারে, তার চিত্ত আপনিই বশ হয়। বুদ্ধিই হল মন। মনই চিত্ত। চিত্তই অহংকারের আধার।

    মহম্মদ সাঁই এতক্ষণে ধরতাই নেন। বলেন—এই হল কথা। মন। দেহ বশ হলেই মন বশ।

    বুড়িয়া বলে—মন বশ হলে দেহ বশ, এমন ভাবা যায় না?

    কেন যাবে না? সে অন্য মার্গ। হিন্দু, মুসলমান, বৌদ্ধ, খ্রিস্ট সকল ধর্মেই মন বশ করার কথা বলা হয়েছে।

    এ উত্তর দুলুক্ষ্যাপার। কথাগুলি বলে সে বুড়িয়ার দিকে তাকিয়ে আছে সরাসরি। তীব্রভাবে। যেন বলতে চাইছে, আপনার কেতাবি বিদ্যা থাক। এ এক অন্য জগৎ। এখানে পুস্তক টেনে কী লাভ!

    মহম্মদ সাঁই গান করেন—

    নয় লক্ষ দশ ধর্ম বাউলের ঘরে।
    আদ্যাবীজ হতে বাউল মহাবীজ ধরে ॥
    বাউলের ধর্ম আজ কে করে গণন।
    অদ্যাবধি তাই মোরা করি নিরূপণ ॥
    কামবীজ কামগায়ত্রী তটস্থ লক্ষণ।
    ইহাদের পরে আছে বস্তু লয় কোন জন ॥

    গান শেষ হলে চোখ বন্ধ করেন তিনি। বলেন— আউল, বাউল, দরবেশ ও সাঁই, এ হল সাধনার চার স্তর। বিদ্যালয়ে যেমনি তোমরা নিচু শ্রেণি হতে উচ্চশ্রেণিতে ওঠ, তেমনি বাউল সাধনায় শ্রেণি অতিক্রম করতে হয়। সারা জীবনের এই সাধনা। এ সাধনা যুগলরূপী। এর সূচনায়, দেহমিলনের পূর্বে রজঃরসাদি ব্যবহার করে, দমের কাজের মাধ্যমে দেহমার্জনা করে শক্তি সঞ্চয় করতে হয়। প্রথম স্তরে মুখ দিয়ে রসগ্রহণ, নাকে বায়ু নিয়ন্ত্রণ। এই সময় দেহমিলন হবে না। হলেও সামান্য হবে। এইসময় নারী হিজড়ে আর পুরুষ খোজা। বাউল জানে, মন্ত্র পূজা ধ্যানে মন স্থির হয় না। মন স্থির হয় মনের মানুষের সঙ্গে মিলনে। মৈথুনযোগে চিত্তে জাগে শক্তি। বল তো রে পাগল। ক্ষ্যাপা। দুলুচন্দ্র। বল তো।

    দুলুক্ষ্যাপা পাদপূরণ করার মতো বলে—মৈথুনযোগে চিত্তে জাগে হ্লাদিনী ভাব। হ্লাদিনী শক্তি। এই শক্তি স্বয়ং শ্রীরাধিকা। এই শক্তির বলে দেহ নিজে আনন্দিত হয়, অপর দেহকেও আনন্দিত করে। এককেন্দ্রিক অনুভবে নিত্যানন্দের আস্বাদন হয়। স্খলনহীন দীর্ঘ দেহমিলনে সকল পাপচিন্তা বিদূরিত হয়। এমনকী আত্মপর ভেদ অবলুপ্ত হয়ে যায়। দুই দেহ মিলনে একদেহে রূপান্তরিত হয়। সাধক জানে শুক্রবস্তু রক্ষার মহিমা। বস্তুর দর জানে বলে সাধনার তৃতীয় স্তরে সাধক হয় দরবেশ। আউল, বাউল, দরবেশ, সাঁই তারা বাহ্যসম্পদে উদাসীন কিন্তু দেহের সম্পদ রক্ষায় যত্নশীল।

    মহম্মদ সাঁই গান করেন—

    দরদর ভাব ভাবের স্বভাব দরদর বহে ধারা
    চারিচন্দ্র ফুটে এ দেহগগনে গ্রহণে পাগল পারা
    সহজ সাধন লোক করি মন আনন্দপানে চাই
    পাগল পাগল বলিয়া ফিরিল সাধু দরবেশ সাঁই

    তিনি কথা বলে চলেন। শিষ্যরা শোনে। শিষ্যারা শোনে। বুড়িয়া অস্থির হয়ে উঠতে থাকে ক্রমশ। মহম্মদ সাঁই বুঝি-বা তার অস্থিরতা টের পান। অভিজ্ঞতার তৃতীয় নয়নে বুড়িয়াকে ভেদ করেন তিনি। তার উদ্দেশে বলেন—শোনো। বসো এখানে। একই গুরুর শিষ্যেরা একই পরিবার। এখানে কোনও সংকোচ নাই। তোমার মন প্রস্তুত তো?

    বুড়িয়া মাথা নাড়ে। সে নিজের কাছে নিজেই সংকুচিত। কারণ সে জানে, কত বড় প্রবঞ্চনার জন্য সে প্রস্তুত। মহম্মদ সাঁই বলেন—যুগল সাধনায় পরস্পরের প্রতি অনুগত ও তুষ্ট থাকতে হয়। নারী-পুরুষ দু’জনেই অনুগত থাকবে। ব্যভিচারী নারী না হয় কাণ্ডারী, তা মানবে।

    বুড়িয়ার স্বাধীন চোখ প্রজ্জ্বলিত হয় এ কথায়। সে বিস্মিত হয় এই উপলব্ধিতে যে এই বাউল সমাজেও বহুগামী নারী বহুগামী পুরুষের চেয়ে শতগুণে বেশি নিন্দিত। গুরু মহম্মদ সাঁই বলে চলেন—সাধিকা নারীকে কিছু গুপ্তবিদ্যা শিক্ষা করতে হয়। ক্ষেপি হরিমতি, তুমি ওকে গুপ্তবিদ্যা দাও।

    হরিমতি বুড়িয়াকে নিয়ে পাশের ঘরে চলে যান। অবহিত করান কিছু গুপ্তবিদ্যা। আজ তার দীক্ষার দিন। শিক্ষার দিন। দুলু বাউলের সাধিকা সে। বিংশতি বর্ষ পার করে দুলু বাউল সঙ্গিনী লাভ করেছে। বুড়িয়ার তাই গুরুত্ব সমধিক। সে শোনে—তৈলসেবা শিখতে হবে তোমাকে। আপন রস সর্ষের তেলে মিশিয়ে নিজের রসিকের দেহে মালিশ করবে। গুরু এলে গুরুর দেহে মালিশ করবে। এ ছাড়া সাধুসঙ্গী পেলে অর্ধবাহ্য সেবা করবে। দেহ দেবে না। অর্ধবাহ্য সেবা হল জিহ্বাশৃঙ্গার। মুখমেহন। শোনো, নারী হল স্বয়ংসিদ্ধা। আলাদা করে তার সাধনা শেখার দরকার নেই। কিন্তু শ্বাসের কাজ শেখা দরকার। দেহবস্তু রক্ষার প্রণালী শেখা দরকার। নারীই পুরুষকে সাধনপথে অগ্রগামী করে। আর ওই সাধনমুদ্রা শেখা সহজ নয়। ওই শিষ্যরা সব এসেছে। তারা গুরুর সামনে সঙ্গম করে সাধনমুদ্রা অভ্যাস করবে। দীক্ষা দিয়ে সূচিত হয় বাউলের সাধনা। কিন্তু তুমি দীক্ষাপূর্বেই তা আরম্ভ করেছ। অন্য সমাজের মানুষ তুমি। তোমার মন প্রস্তুত করার জন্যই গুরু এই অনুমতি দিয়েছিলেন। এবার তোমাকে অতীত জীবনচর্চা ও মূল্যবোধ বিসর্জন দিতে হবে।

    .

    অবশেষে সেই সময় এসে যায়। রাত্রি আঁধার হলে গুরু ও গুরুমার সঙ্গে এসে বসে দুলুক্ষ্যাপা ও বুড়িয়া। বুড়িয়ার প্রাণ কাঁপছে। পারবে তো? সে পারবে তো? আজ তার একক দীক্ষা। তাদের ঘিরে একে একে বাকি সকলে এসে বসে। মহম্মদ সাঁই বলেন—তুমি কি প্ৰস্তুত আছ?

    বুড়িয়া বলে—আছি।

    –এই সভাকে তুমি মান্য করো?

    –করি।

    —তুমি কি জানো, এই দীক্ষায় তোমার পূর্বের সামাজিক সত্তার মৃত্যু ঘটবে?

    —জানি।

    —তুমি কাকে গুরু ধরতে চাও?

    —গুরু মহম্মদ সাঁইজি।

    ~~তুমি গুরুর অনুগত থাকার প্রতিজ্ঞা করো?

    –করি।

    —তুমি গুপ্তচর্যার সকল গোপনীয়তা রক্ষা করতে সমর্থ?

    —হ্যাঁ। সমর্থ।

    –বাউল শিক্ষার চারধাপ। স্থুল, প্রবর্ত, সাধক ও সিদ্ধ। সকলেই সাধক, কিন্তু গোড়ায় স্থূল সাধক। তোমার স্কুল সাধনা শুরু হবে তুমি জানো?

    —জানি।

    –এক গুরুর কাছে দীক্ষিত হলে গুরুর অনুমতি বিনা অন্য গুরুর দীক্ষা নেওয়া যাবে না। এই মর্মে এই সভায় প্রতিজ্ঞা করো।

    বুড়িয়া প্রতিজ্ঞা করে। তার স্বর কেঁপে যায়। দুলু বাউল এক দৃষ্টিতে বুড়িয়াকে দেখছে। স্বেদসিক্ত হয়ে যাচ্ছে সে। হরিমতি নিজের হাতে দুলু বাউলের হাত নিয়েছেন। ধরে আছেন শক্ত করে। বিংশতি বর্ষাধিক একটি ঘটনা তাঁদের মনে পড়ে যাচ্ছে। গুরু মহম্মদ সাঁইয়েরও কি মনে পড়ছে না? পড়ছে নিশ্চিতই। এমনই ছিল সেই দিন। শুধু উপস্থিত লোকগুলি ছিল আলাদা। দুলুক্ষ্যাপার অন্তর অস্থির হয়ে উঠেছে। সে কেবলই ভাবছে, কে এই মেয়ে? এতগুলি বর্ষ পার করে এ কে এল? এর সঙ্গে কার মিল? কার? তখন হরিমতি দুলুক্ষ্যাপার কানের কাছে মুখ নিয়ে আসেন। বলেন—আমার বড় ভাবনা হচ্ছে দুলেন্দ্র।

    –মা!

    —ওকে দেখে আমার মনে পড়ে যাচ্ছে তাকে।

    —কাকে মা!

    —তাকে রে। যে তোকে একলা করে দিয়ে চলে গেছিল।

    —ওর সঙ্গে মিল পাও?

    —না।

    —আমিও পাই না।

    —তবু আমার ওকে মনে পড়ে কেন?

    —শর্বরী কি অন্য রূপে ফিরে এল মা?

    —জানি না বাছা। কী কপাল করে তুমি এসেছ!

    —তুমি কপাল বলছ মা?

    —না। কপাল বলতে নেই।

    দু’জনেরই হৃদয় হতে দীর্ঘশ্বাস উঠে আসে। এমনই দিনে শর্বরী গুরুকে প্রত্যাখ্যান করেছিল। দীক্ষা প্রত্যাখ্যান করেছিল। সেই যে চলে গেল সে, আর ফিরল না। কোনও সম্পর্ক রাখল না দুলেন্দ্রর সঙ্গে। তার যে-ঠিকানা ছিল দুলেন্দ্রর কাছে, তা সত্য ছিল না। শর্বরী মিথ্যাচার করেছিল। এই মেয়ের সঙ্গে শর্বরীর কোনও মিল নেই। তবু মাঝে মাঝে কোনও কোনও ভঙ্গি চেনা লাগে কেন? সকল নারীই কি কোনও কোনও ভঙ্গিতে পরস্পর মিলে যায়? মহম্মদ সাঁই বলছেন—তোমার দীক্ষার জন্য পিতা-মাতার অনুমতি আছে? বুড়িয়া বলে—আমার পিতা জীবিত নেই।

    —মাতা?

    —মাতা জীবিত নেই।

    হরিমতির হাত শক্ত করে আঁকড়ে ধরে দুলু বাউল। তার সর্বাঙ্গ থরথর করে কাঁপে। ভরা বর্ষার মেঘজলের মতো আবেগ আছড়ে পড়তে চায়। কেন সে জানে না। বুঝতে পারে না। মহম্মদ সাঁই মুখ মোছেন। খানিক গাঁজা টানার ইচ্ছা প্রকাশ করেন। বলেন—একটু গীত হোক। তারপর বাকি কাজ। গা তো ক্ষ্যাপা। দুলুক্ষ্যাপা। বেটা, গা তো।

    দুলু বাউল মুখ নিচু করে। বলে—কী গাইতে আজ্ঞা হয় গুরুজি?

    —যা প্রাণে চায় বেটা। যা প্রাণে চায়।

    দুলু বাউল সুর লাগায়। তার গলা ধরে আছে। স্বর ভেঙে ভেঙে নির্গত হয় কণ্ঠ হতে। গান গায় স্বর। সেই স্বর তার আবেগে কাঁপে।

    সামান্যে কি তার মর্ম জানা যায়!
    হৃদকমলে ভাব দাঁড়ালে
    অজান খবর আপনি হয়।
    দুগ্ধে জল মিশাইলে
    বেছে খায় রাজহংস হলে
    কারো সাধ যদি যায় সাধন বলে
    হয় সে হংসরাজের ন্যায়।

    মানুষে মানুষের বিহার
    মানুষ হলে দৃষ্ট হয় তার
    সে কি বেড়ায় দেশ-দেশান্তর
    পিঁড়েয় পেড়োর খবর পায়।
    পাথরেতে অগ্নি থাকে
    বের করতে হয় ঠুকনি ঠুকে
    দরবেশ সিরাজ সাঁই দেয় অমনি শিক্ষে
    বোকা লালন সং নাচায়

    ‘সাধু সাধু’ রব দেয় সকলে। বুড়িয়া বসে আছে ধ্যান-গম্ভীরের মতো। তার বুকের তলে মোচড় লাগছে। দুলুক্ষ্যাপা বড় সুন্দর পুরুষ। কিন্তু দুলুক্ষ্যাপার পাশে দাঁড়ায় তার নাট্যকার প্রেমিক। তার কৈশোরের প্রেমিক, তার কুমারীত্ব হরণ করা মায়ের বন্ধু, বাবার বন্ধু অমিতেশ কাকু। দাঁড়ায় কৌশিক, স্নেহাংশু, তারিকুল-এদের সকলের সঙ্গে সে সম্বন্ধযুক্ত হয়েছে। প্রেমের নেশায় পাগল হয়েছে প্রত্যেকেরই জন্য। আবার সকলকে ছেড়ে এসেছে সাবলীল। সে ছেড়ে যাবে। দুলুক্ষ্যাপাকে ছেড়ে যাবে। ছেড়ে কোথায় যাবে? তখন সকল আড়াল করে দাঁড়ায় নারায়ণমূর্তি। রিচার্ড নারায়ণমূর্তি। দুটি সরল চোখ তুলে সে ডাকে— বুড়িয়া!

    মহম্মদ সাঁই বলেন—তোমার পিতৃ-মাতৃস্থানীয় কে?

    বুড়িয়া উত্তর দেয়—আমি কারওকে পিতৃ-মাতৃস্থানীয় হওয়ার যোগ্য মনে করি না।

    এই উত্তরে উপস্থিত সকলে বিমূঢ় বোধ করে। মহম্মদ সাঁই বলেন-তোমার অভিভাবকের অনুমোদন দরকার।

    —আমিই আমার অভিভাবক।

    –বেশ আমি তবে আয়োজন শুরু করছি।

    জাহিরা একগ্লাস জল ও একটি রেকাবে সামান্য চাল তুলে ধরে। গুরুকে দেয়। গুরু চাল গ্লাসে ফেলে চাল-জল করেন। তাঁর উচ্ছিষ্ট জল চালসহ গ্রহণ করে প্রত্যেকে। তারপর গুরুকে প্রণাম করে একে একে বেরিয়ে যায়। ঘরে থেকে যায় কেবল গুরু স্বয়ং। গুরুমা। বুড়িয়া ও দুলুক্ষ্যাপা।

    মহম্মদ সাঁই বলেন—তোমরা কি বিবাহ করতে চাও?

    দুলু বাউল কোনও উত্তর দেয় না। বুড়িয়া বলে না।

    —কেন?

    —বিবাহকে আমি সম্পর্কের সূত্র বলে মানি না।

    —বেশ। দক্ষিণা আনো।

    এক কোণে গুছিয়ে রাখা ছিল সব। বুড়িয়া একে একে সব গুরুর হাতে তুলে দেয়। একটি নতুন থালায় পাঁচ পোয়া চাল। পাঁচটি সুপারি। পাঁচটি পান। পঞ্চাশ টাকা ও কাপড়। এই সবই কিনে এনেছে দুলু বাউল একজন যথার্থ গৃহস্বামীরই মতো। মহম্মদ সাঁই বুড়িয়াকে বামপার্শ্বে বসান। মুখ নিয়ে যান কানের কাছে। বুড়িয়া চোখ বন্ধ করে। শুরু হল। এবার শুরু হল। সে অল্প অল্প কাঁপে। মহম্মদ সাঁই বলেন—বলো কৃষ্ণ কৃষ্ণ রাধে কৃষ্ণ রাধে।

    সে চোখ না খুলেই বলে—কৃষ্ণ কৃষ্ণ রাধে কৃষ্ণ রাধে।

    তাকে নাভি থেকে শ্বাস নিতে শেখান মহম্মদ সাঁই। নাভি থেকে উত্থিত বায়ুকে ঊর্ধ্বগামী করে তোলা এক দিনের কাজ নয়। গুরু তাঁর ‘পদ্ধতি প্রদর্শন করেন মাত্র। এবং এইভাবে শ্বাস টানার আগে জপমন্ত্র বলে দেন—

    রতির ঘরে রতন কালা
    রতির তরে লিঙ্গারতি
    রতির ঘরে যোনির প্রদীপ
    সঙ্গমে ঘোর আগুন জ্বালা

    বুড়িয়া উচ্চারণ করে। কিন্তু জানে সে, মন্ত্র বাউলের কাছে প্রধান নয়। মন্ত্র শুধু গুরুকে মনে জাগিয়ে রাখার উপায়। দীক্ষায় গুরু জ্ঞানের শলাকা ছুঁইয়ে শিষ্যের দৃষ্টির উন্মীলন করেন। বাউলের দীক্ষা শুধু মানসিক জ্ঞানে পূর্ণ হয় না। মহম্মদ সাঁই বললেন—আজ তোমার মাসিকের কোন দিন?

    বুড়িয়া বলল—দ্বিতীয় দিন।

    —এঃ!

    মহম্মদ সাঁই মুখবিকৃত করেন। বলেন- আজ তা হলে দীক্ষা পূর্ণ হবে না। কাল তোমাকে শেখাব কী করে দীর্ঘস্থায়ী দেহমিলন সম্ভব হয়।

    বুড়িয়া ভাবছিল, সে যে এইসময় রজঃস্বলা থাকবে, তা এই ব্যক্তি কী করে জানলেন! তাঁকে কি এই মর্মে খবর দেওয়া হয়েছিল?

    তখন মহম্মদ সাঁই দু’হাতে তার মুখ ধরেন। বলেন—জিহ্বা দাও।

    সে ইতস্তত করে। ঘরে কোনও শব্দ নেই। লণ্ঠনের আলোয় মহম্মদ সাঁইয়ের বলিরেখাযুক্ত মুখে ছায়া পড়ে। কালো ওই মুখের দিকে তাকিয়ে বুড়িয়ার কণ্ঠ শুকিয়ে যায়। গুরুর দেহের কটু ঘ্রাণ তাকে বিপর্যস্ত করে। তবু জোর করে সে। পারতে হবে তাকে। পারতেই হবে।

    বাইরে জসিম বাউলের গলা শোনা যায়—এসো, জব্বারভাই এসো।

    জব্বার কিছু বলে। বুড়িয়া ঠিক ধরতে পারে না। মহম্মদ সাঁই আবার বলেন—জিহ্বা দাও।

    তাঁর স্বর প্রায় ধমকের মতো শোনায়। বুড়িয়া চোখ বন্ধ করে জিহ্বা এগিয়ে দেয়। গুরু তার জিহ্বা আপন মুখবিবরে ধারণ করেন। প্রায় তার জিহ্বামূল অবধি গিলে ফেলে শোষণ করতে থাকেন। বুড়িয়ার কান্না পেয়ে যায়। এ কোন দায় সে নিয়েছিল? কেন নিয়েছিল? অতীতের কোনও এক অপূর্ণতাকে পূর্ণতা দেবার এ জঘন্য দায় কেন নিল সে। সে হাত মুঠো করে সহ্য করে। সহ্য করতে থাকে। দুলু বাউল সঙ্গমকালে যেভাবে তার জিহ্বা শোষণ করেছে, তার মাধুর্য এখানে অনুপস্থিত। তার দম আটকে আসে। নাকে মহম্মদ সাঁইয়ের দাড়ি ঢুকে যায়। সে ছটফট করে ওঠে। তখন গুরু তার জিহ্বা ছেড়ে দিয়ে কড়োয়া পেতে বলেন—রজঃ দাও।

    সে দাঁতে দাঁত চাপে। কড়োয়া ধরে তার যোনিস্থলে। আধুনিক ব্যবস্থায় সেখানে তুলোর আড়াল। মহম্মদ সাঁই বলেন—অবস্তু সরাও। রজঃ দাও।

    সে এক টানে খুলে নেয় তার ছোট্ট রঙিন শহুরে আবরণ। তার লজ্জা, সংকোচ, শিক্ষা, সংস্কার সবই সেই আবরণের সঙ্গে নির্গত হয়ে যায়। রক্ত নিঃসরণ কড়োয়ায় ধরে দিতে দিতে সে দুলু বাউলের দিকে দেখে। পাথরের মতো বসে আছে লোকটা। সহসা তার ক্রোধ জন্মায়, ঘৃণা জন্মায় মানুষটির ওপর। কোনও পুরুষ কী করে তার নিজস্ব নারীকে অন্য পুরুষের সঙ্গমে দেয়? হোক গুরু! তবু তবু তবু!

    সে কড়োয়া দেয় মহম্মদ সাঁইয়ের হাতে। তিনি সেই রজঃবস্তু মুখে মাখেন। তারপর পরিধেয় খুলে দাঁড়ান। আদেশ করেন বুড়িয়াকে— পরিধেয় মুক্ত হও।

    সে দ্রুত খুলে ফেলে পোশাক-আশাক। তিনটি মানুষের সামনে নগ্নদেহে দাঁড়ায় সটান। মহম্মদ সাঁই বলেন—মুখমেহন করে গুরুবস্তু এই কড়োয়ায় ধরো। তারপর এই মিশ্রণ গ্রহণ করো। মুখে ধরে তোমার সাধনসঙ্গীকে দাও। এই হল গুরুবীজ রোপণের পদ্ধতি। এভাবেই তোমরা হবে আমার অযোনিসম্ভব সন্তান।

    গুরু শয়ন করেন। সে বসে। গুরুলিঙ্গ এই বার্ধক্যেও দীর্ঘ, পুরু এবং সবল। সে স্পর্শ করা মাত্র তা উত্থিত হয়। সে চোখ বন্ধ করে লিঙ্গে মুখ রাখে আর দেহ কাঁপিয়ে, সত্তা আলোড়িত করে, বিকট বিকৃত শব্দ করে। বমি উঠে আসে তার। উপুড় হয়ে শুয়ে পড়ে সে আর বমন করে টানা। চোখ থেকে জল পড়ে তার। একসময় তার মাথা ভার হয়ে আসে। সে চৈতন্য হারাতে থাকে। নিজেরই বমিবস্তুতে পড়ে তার মুখ। মাখামাখি হয়ে যায়। গুরুর লোলচর্মাবৃত নগ্ন দেহেও লাগে তার ছিটে। হা-হা করে কেঁদে ওঠে দুলু বাউল। গুরু মহম্মদ সাঁইয়ের পায়ে পড়ে মুখ ঘষতে থাকে সে। ক্ষমা করুন। আমাকে ক্ষমা করুন গুরুজি।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44 45 46 47 48 49 50 51 52 53 54 55 56 57 58 59 60 61 62 63 64 65 66 67 68 69 70 71 72 73 74 75 76 77 78 79 80 81 82 83 84 85 86 87 88 89 90 91 92 93 94 95 96 97 98 99 100 101 102 103 104 105 106 107 108 109 110 111 112 113 114 115 116 117 118
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleকয়েদি – তিলোত্তমা মজুমদার
    Next Article বসুধারা – তিলোত্তমা মজুমদার

    Related Articles

    তিলোত্তমা মজুমদার

    শামুকখোল – তিলোত্তমা মজুমদার

    August 25, 2025
    তিলোত্তমা মজুমদার

    অর্জুন ও চারকন্যা – তিলোত্তমা মজুমদার

    August 25, 2025
    তিলোত্তমা মজুমদার

    ঝুমরা – তিলোত্তমা মজুমদার

    August 25, 2025
    তিলোত্তমা মজুমদার

    নির্জন সরস্বতী – তিলোত্তমা মজুমদার

    August 25, 2025
    তিলোত্তমা মজুমদার

    বসুধারা – তিলোত্তমা মজুমদার

    August 25, 2025
    তিলোত্তমা মজুমদার

    কয়েদি – তিলোত্তমা মজুমদার

    August 23, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Our Picks

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }