Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    রাজপাট – তিলোত্তমা মজুমদার

    তিলোত্তমা মজুমদার এক পাতা গল্প1633 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    রাজপাট – ৫৫

    ৫৫

    অনেক আঁধার আলো দেখেছি, তবুও
    আরো এক বড় আলো অন্ধকারের প্রয়োজন
    এখন গভীরভাবে বোধ করে মন
    আকাশ প্রান্তর পথ নক্ষত্রলোকের দিকে গিয়ে।
    সারাদিন এঁকেবেঁকে নদীটির ঢেউ
    মিশে যায় শাদা কালো রঙের সাগরে;
    সারাদিন মেঘ পাখি উঁচু উঁচু গাছ
    যেন প্রায় সূর্য স্পর্শ করে।

    .

    গঙ্গা নদী মুর্শিদাবাদকে পলি দ্বারা উর্বরা করে যেমন, ভরায় যেমন, তেমনি ভাসায় দু’পাশ থেকে। কেন-না মুর্শিদাবাদের গা ঘেঁষেই বাংলাদেশের সীমানা বরাবর গিয়েছে পদ্মা। আর মুর্শিদাবাদের বুক চিরে গিয়েছে গঙ্গা। কিংবা ভাগীরথী। লোকে একেও গঙ্গা বলে, ওকেও গঙ্গা বলে। কখন কোন গঙ্গাকে ভাগ্যের জন্য দায়ী করছে বোঝা মুশকিল হয়। ভাঙন ও প্লাবন এ জেলার চিরসঙ্গী যেমন, তেমনি উর্বরতাও। নদীর জলস্রোতে ভেসে আসা পলি ভূমিকে ধন্য করে। ফসলপ্রদায়ী করে।

    আবাদই এ জেলার লক্ষ্মী। আল্লার মেহেরবানি হয়ে ফুটে ওঠা ফসলই এ জেলার সম্পদ। তবু প্রতি মুহূর্তের পা ফেলা ভাঙন ও প্লাবনকে সঙ্গে করে—এ এক দুর্ভোগ। জীবনকে কি মনোহররূপে সাজিয়ে তোলা যায়, যদি সারাক্ষণ জীবনের সঙ্গে সঙ্গে চলে ধ্বংসের করাল ভ্রূকুটি?

    এ জেলায় পাড়ভাঙার আছে শতেক কারণ। প্লাবনেরও আছে শতেক কারণ।

    আঁকাবাঁকা নদীপথের জলরাশি অন্তরে বহন করে যে ঘূর্ণিস্রোত তাই কেবল নয়, জলের ঘূর্ণিতে সৃষ্ট কেন্দ্রাতিগ বলের চাপও নয় কেবল, এ জেলায় ভূমিক্ষয় হয় জলস্তরের ওঠানামার জন্যও।

    বর্ষার ভরা নদীর জল ভূমিস্তরে ঢুকে পড়ে। রন্ধ্রে রন্ধ্রে সৃষ্টি করে চাপ। জল নেমে গেলে পাড়ের জমিতে প্রবেশ করা জলের চাপে পাড়ের মাটি ঠেলে বেরিয়ে আসে। কারণ ভূমিতে প্রবিষ্ট জল, জলস্তর নেমে আসার সঙ্গে সঙ্গে আবার নদীতে ফিরে আসতে চায়।

    এই প্রক্রিয়ায় ফরাক্কা থেকে জলঙ্গী পর্যন্ত গঙ্গার, বা পদ্মাও যাকে ডাকা চলে, তার দক্ষিণ পাড় ভাঙতে ভাঙতে চলেছে। এই অংশে আছে প্রায় দশ মিটার উঁচু খাড়া পাড়। পলিস্তর দ্বারা গঠিত এই পাড়ের ওপরের দু’মিটার মতো অংশ কাদামাটির স্তর। এই স্তর জমাটবদ্ধ। কিন্তু এর নীচে আছে মাইকা মিশ্রিত সাদা বালির স্তর। এই স্তর ভঙ্গুর। অবতল বাঁকগুলোতে জলের আঘাতে ওই স্তর দ্রুত ক্ষয়ে যায়। নীচের বালুস্তর সরে যায়। নদীর পাড় বরাবর দেখা যায় দীর্ঘ ফাটল। এবং বিস্তীর্ণ এলাকা ভাঙতে ভাঙতে যায়।

    সময়ের সঙ্গে সঙ্গে ভাঙনের কেন্দ্রস্থলও বারবার বদলে যায়। ফরাক্কা ব্যারেজ হওয়ার পরে প্রাকৃতিক ভাঙন-প্লাবনের প্রবণতার ওপর ভারী হয়ে চেপে বসেছে আরও কিছু কারণ। নয়নসুখ, সাঁকোপাড়া, ধুলিয়ান অঞ্চলের কথাই ভাবা যাক। এ অঞ্চলের লক্ষণই ছিল ভাঙন- প্রবণ হয়ে ওঠা। কিন্তু ফরাক্কা তৈরি হওয়ার পরে গঙ্গার তির্যক স্রোত ফরাক্কা ব্যারেজের দক্ষিণ দিকের চুয়ান্নটি গেট দিয়ে বেরিয়ে এই অঞ্চলকে আঘাত করছে। ক্ষয়প্রবণ ধুলিয়ান ভেঙে পড়ছে আরও দ্রুত। আহিরণ থেকে ধুলিয়ান পর্যন্ত চৌত্রিশ নম্বর জাতীয় সড়কের অংশ চলে গেছে গঙ্গাগর্ভে এবং নতুন করে তা গড়ে উঠছে আরও পশ্চিম অংশে। উনিশশো আশি সালে সাঁকোপাড়ার নতুন রেলপথের সঙ্গে গঙ্গার দূরত্ব ছিল প্রায় পাঁচশো কুড়ি মিটার। বর্তমানে ওই দূরত্ব কমে দাঁড়িয়েছে দু’শো মিটারের মতো। ধুলিয়ান শহর ভেঙে গিয়েছে বারবার। কিন্তু অক্ষয় জীবনের মতো সে গড়ে উঠেছে আরও পশ্চিমে সরে গিয়ে। আরও ঘেঁষাঘেঁষি ঘিঞ্জি হয়ে। এমন সব উদাহরণ হাজার রয়েছে মুর্শিদাবাদে। গিরিয়া, খেজুরতলা, মিঠিপুর, শেফালিপুর, ফাজিলপুর দারুণভাবে ভাঙন কবলিত। আখেরিগঞ্জ খসে খসে পড়ছে কেবল ব্যাধি কবলিত মানব অঙ্গের মতো। হনুমন্তপুর, টিকলিচর, চরকেষ্টপুর চলে গেছে নদীগর্ভে। চিলমারি, হাসানপুর, রাজপুরও মানচিত্র থেকে মুছে যাবার অপেক্ষায়।

    নদীর প্লাবনের অন্যতম পরিণতি ভূমিক্ষয়। আবার পলি সঞ্চয়ের অন্যতম পরিণতি প্লাবন।

    নদীজলে বাহিত ভূমিকণা, কঙ্কর জমে জমে, থিতিয়ে নদীগর্ভকে করে দেয় অগভীর। নদীর জলধারণ ক্ষমতা তাতে কমে যায়। কখনও পলি পড়ে নদীমুখ বন্ধ হয়ে যায়। তখন উজানে নদীর গতি কমে আসে। প্রাকৃতিক এই ঘটনাকে ত্বরান্বিত করে মানুষের লোভ ও চাহিদা। নদীতীরে বসতি গড়ার জন্য অপরিমিত বৃক্ষচ্ছেদনে ধরণীর ভূমিধারণ-ক্ষমতা হ্রাস পায়। চাষের জন্য সদ্যগঠিত চরের শক্ত ঘাস বা কাশবন উম্মলিত করার ফলেও ভূমি হয়ে যায় আলগা। প্লাবনে ওই আলগা ভূমি ভেসে পড়ে জলে।

    সারা মুর্শিদাবাদ জুড়ে প্রবাহিত গঙ্গা ও ভাগীরথী এমনই সব আলগা মাটি ভাসিয়ে জলবাহিত পলি দ্বারা ভরাট হয়ে পড়ছে। এ ছাড়া এই নদীদ্বয় সুস্থিত হতে পারল না আজও। উজানের জল পর্যাপ্ত পরিমাণে আসে না এখানে। তাই পলিও ধুয়ে নিয়ে যেতে পারে না।

    বর্ষাকালের জল ধারণ করত বহু ছোট ছোট নদী। কিছু উপনদী তারা। কিছু ছিল শাখানদী। এখন সেগুলি বুজে গেছে। নদীর অববাহিকা এখন উর্বরা আবাদি জমি। অতএব বর্ষার অতিরিক্ত জল বড় নদীগুলির দু’কূল ছাপিয়ে প্লাবিত করে ভূমিডাঙা।

    এর সঙ্গে সঙ্গে আছে বাঁধের সমস্যা। অপরিকল্পিত বাঁধ নদীর স্বাভাবিক প্রবাহ ব্যাহত করে। নদীর বুকে চর জেগে ওঠে। আর চর জাগলেই নদী তার প্রবাহপথের অভিমুখ পাল্টাতে ব্যস্ত হয়ে পড়ে। বাঁধের প্রাচীরে মাথা খুঁড়ে একদিন সব ভেঙে দেয়। মুক্তির উল্লাসের সঙ্গে ভাঙনের উন্মত্ততায় কারওকে করুণা করে না নদী, কারওকে ক্ষমা করে না। ভাঙে, ভাসায়, ভাঙে, ভাসায়, ভাঙতে ভাঙতে যায় মানুষের সাধের অসহায় গৃহস্থালী। ঘর-ভাসানো মানুষগুলি আবার আশ্রয় নেয় ওই বাঁধের ওপরেই। কেননা নদী ভূমিখণ্ড গ্রাস করে, কিন্তু জীবনের ইচ্ছা ভাসিয়ে নিয়ে যায় না। বেঁচে থাকার, ঘর বাঁধবার সকল আকুলতা সমেত ভূমিহারা মানুষ তাই বাঁধে আশ্রয় নেয়। বাঁধ দুর্বল হয়ে পড়ে। কারণ গেরস্থালি বাঁধতে, দিশাহারা মানুষ বাঁধের মাটি কাটে, ইট-ভাটার ব্যবসা করতে লোভী মানুষ বাঁধের মাটি কাটে, বাঁধ দুর্বল হয়ে যায়। আলগা মাটি ভেসে পড়ে নদীজলে এবং পলিসঞ্চয়ের ঘটনা ঘটতে থাকে অবিশ্রাম।

    ভীষণ পরিস্থিতি হতে মুক্তির পথ বাস্তুকার ও প্রযুক্তিবিদরা দর্শায় নানাবিধ। তারা স্পার তৈরি করে, বোল্ডার ফেলে পাড় বরাবর। কিন্তু এ নিয়ে মতবিরোধ কম নেই। অনেকে বলেন, স্পার নদীর অভিমুখ পরিবর্তন স্থগিত করে কিন্তু বিপরীত দিকের ভাঙনকে করে ত্বরান্বিত নরম মাটির ওপর বোল্ডার কখনও-ই কার্যকরী নয়। বরং বোল্ডারের চাপে মাটি ভেঙে পড়ে তাড়াতাড়ি। এবং বোল্ডারগুলি নদীগর্ভে গিয়ে গর্ভ ভরাট করে দেয়। এই বিপরীত ও বিরোধী মতামত চলেছে, চলছেই। একদল যাকে মনে করছে কল্যাণকারী, অপরদল তাকেই বলছে বিধ্বংসী। এমনকী, ওই যে বিশাল ফরাক্কা প্রকল্প, তাকেও অবিসংবাদীভাবে কল্যাণমুখী বলা যাচ্ছে না। ব্যারেজের উজানে জমে যাওয়া জলরাশি ধারণের জন্য নদীর সোজা গতিপথ বাঁকা হতে শুরু করেছে। ব্যারেজ তৈরির পর প্রায় পনেরো বছর ধরে যত পলি উজানে জমে উঠেছে, তার ফলে নদীর গভীরতা ও ঢাল কমে আসছে। বিশেষজ্ঞরা প্রত্যেকেই একথা একবাক্যে স্বীকার করেন যে নদীগর্ভ খুঁড়ে পলি নিষ্কাশন করে নেওয়া প্লাবন হতে মুক্তির প্রকৃষ্ট পন্থা। কিন্তু এ কাজ করা যায় সামান্যই। গরিব দেশ এই ভারতবর্ষ নদীখাত খুঁড়ে ফেলার বিপুল ব্যয়ভার বহন করতে পারে না। ব্যারেজ রক্ষণাবেক্ষণের জন্য প্রদত্ত প্রায় দশ বছর আগেকার প্রীতম সিং কমিটির প্রতিবেদন অনুসারে কোনও কাজই হয়নি আজ পর্যন্ত।

    অতএব মালদহ ও মুর্শিদাবাদের গঙ্গাতীরের বসতি চিরবিপর্যয়ের মুখোমুখি, যা থেকে মুক্তির কোনও উপায় এখন লেখা নেই।

    .

    দু’দিন ধরে ভাঙন নিয়ে ক্রমাগত পড়াশোনা করল সিদ্ধার্থ। নানা সময়ের খবরের কাগজের প্রতিবেদন ও পত্র-পত্রিকা জমিয়ে রেখেছিল সে। এই দু’ দিন অজস্র ফোন এসেছে তার। বাড়িতে এসেছে অনেক লোক। সে, জ্বর হয়েছে এই অজুহাতে, বাড়িতে আসা লোকজনের সঙ্গেই দেখা করেছে কেবল। বাইরে বেরোয়নি।

    জ্বর তার এসেছিল সত্যি। সে-রাতে বাড়ি ফিরে এসে সে স্নান করেছিল বহুক্ষণ এবং তার জ্বর এসেছিল। এমন জ্বর হলে সে পরোয়া করেনি আগে। কিন্তু এবার সে অনুভব করছিল, তার বিশ্রাম প্রয়োজন। তার গতি-প্রকৃতি তীব্র বাঁক নিয়েছে। এসবের জন্য সে প্রস্তুত ছিল না। জীবন কখন কার জন্য কী সাজিয়ে রাখে, তা জানা সম্ভব নয়। এইসব অতর্কিত বাঁক তাকে হৃদয়ে কিছু-বা চঞ্চল করেছে! তার ন্যায়নীতি-বোধে ঘটিয়েছে রদবদল। প্রাণনাশের শরিক হয়ে ও বিবেকযাতনা হয়নি তার বীর সেনানিদেরই মতো মানসিক গঠনে। যতই দিন যাচ্ছে, ততই সে হয়ে উঠছে আশিরনখ যোদ্ধা একজন। তার চারপাশ বড় বেশি অস্ত্রময়। বড় বেশি গোলাবারুদে ঠাসা। একাকী সে নিরস্ত্র থেকে, অহিংস থেকে করে কী! দেহে ক্ষত হোক, লাগুক শোণিতদাগ, চরিত্রে লেগে যাক নিপাতকামনার ছাপ—সে যুদ্ধক্ষেত্র হতে পলায়ন করবে না। এই কুশ্রী যুদ্ধ বিনাশ করার ব্রতে সে স্বপ্নিল। সারা শহর জুড়ে এখন কেবল একটাই আলোচনা। দীপেন হাজরার শাকরেদকে মৃত অবস্থায় পাওয়া গেছে। দীপেনের বাড়ির পাশের গলিতেই। এবং সেই রাত থেকেই দীপেন ও তার আরেক শাকরেদ রাজু নিপাত্তা। পুলিশ সন্দেহ করছে, দলের কোনও অন্তর্ঘাতে আনিসকে মেরে দীপেনরা গা ঢাকা দিয়েছে। দীপেনের বউ পুলিশকে বিবৃতি দিয়েছে, গভীর রাত্রে রাজু ও আনিস দীপেনকে ডেকে নিয়ে যায়। কারওকে সাপ কামড়ানোর কথা তারা বলেছিল। তারপর ওই রাত্রেই তারা ব্যবসার আলোচনা করতে বসে। ওই সময় দীপেন তার স্ত্রীর উপস্থিতি নিষিদ্ধ করেছিল। কারণ, সে জানে, তার স্বামী মাদক চোরাচালানের সঙ্গে যুক্ত হয়েছিল।

    দীপেনের দলের কয়েকজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। দীপেনের নামে হুলিয়া বেরিয়েছে। সে শহরে বা আশেপাশে এলেই তাকে গ্রেপ্তার করা হবে। দীপেনের স্ত্রী বলেছে, অন্ধকারে দীপেনকে সে চার-পাঁচজনের সঙ্গে বেরিয়ে চলে যেতে দেখেছিল। রাস্তায় অন্ধকার থাকায় সে ভাল করে কিছু বুঝতে পারেনি।

    এই সমস্তই সিদ্ধার্থ শুনেছে লোকমুখে। কোনও মন্তব্য করেনি। একটি স্থানীয় সাপ্তাহিক কাগজ আনিস নামে ছেলেটির মৃতদেহের ছবিসহ প্রতিবেদন তৈরি করেছে। এ একপক্ষে ভাল যে, সমাজবিরোধী হিসেবে যারা চিহ্নিত হয়ে যায়, তারা খুব সরল মৃত্যু দাবি করে বসে। পুলিশ তাদের মৃত্যুকে দলীয় অন্তর্ঘাত বা বিরোধী দলের কীর্তি বলে চালায়। দীপেন হাজরা, রাজু বা আনিসের জন্য সিদ্ধার্থর কোনও মায়াবোধ হচ্ছিল না। নিজেকে সামান্যতম দোষীও ভাবছিল না সে। সে ভাবছিল মিহির রক্ষিতের কথা। দীপেন হাজরা চলে গেল মানেই মিহির রক্ষিতের দক্ষিণহস্ত গেল। তিনি, কোনও খোঁজখবর না করে এমনিই কি ছেড়ে দেবেন? মির্জা বলেছিল, তার দলের ছেলেরা সবাই সন্দেহের ঊর্ধ্বে। এবং কেউ-ই তার হাতের বাইরে নয়। বিশ্বাসঘাতকতা তারা সহজে করবে না। তবু—তবু একটা কথা থেকেই যায়। সে কিছু-বা শঙ্কা বোধ করে। তবে, এ-ও ঠিক, মিহির রক্ষিতের সামনে এখন অনেক কাজ। সামনে নির্বাচন। আর নির্বাচনের আগে খুনের সঙ্গে নাম জড়িয়ে যাওয়া দীপেন হাজরার সংস্রব তিনি এড়িয়ে চলাই শ্রেয় মনে করবেন। তা ছাড়া দীপেন হাজরাদের বিনাশ নেই। মিহির রক্ষিত প্রয়োজনমতো আবার একজনকে তৈরি করে নেবেন।

    সিদ্ধার্থ সিগারেটে চুমুক দেয় আর ভাবে গভীর। এই প্রথম তার দ্বারা কোনও মৃত্যুদণ্ড সম্পাদিত হল। অতএব সে কিছু-বা বিচলিত, কিছু শঙ্কিত থাকবে, তা স্বাভাবিক। যে-বিচারক নিজের জীবনের প্রথম মৃত্যুদণ্ডাদেশ দেয়, সে আন্দাজ করে, তার বিবেকদহন হয় আরও অনেক বেশি। কারণ বিচারক ঘটনা প্রত্যক্ষ করে না। শুধুমাত্র সাক্ষ্য ও সওয়ালের ওপর ভিত্তি করে সে আপন সিদ্ধান্তে পৌঁছয়। সিদ্ধার্থ ভাগ্যবান, সে ঘটনা প্রত্যক্ষ করার সুযোগ পেয়েছে। বার বার পেয়েছে। অতএব তার কোনও বিবেকযন্ত্রণা নেই। তবে, ভয় থেকে যাচ্ছে ঘটনার রেশমাত্র হয়ে।

    সে এই সন্ধ্যায় দলীয় দপ্তরে যাবার সিদ্ধান্ত নেয়। ছড়ানো কাগজপত্রের মধ্যে শুয়ে থেকে এসবই ভাবছে যখন সে, বোধিসত্ত্ব এলেন। হাতে তাপ মাপা যন্ত্র নিয়ে হাসিমুখে তিনি বললেন—ছোটবাবু আছেন কেমন?

    সে উঠে বসল। ভাল বলার আগেই যন্ত্রের পারদ প্রবেশ করল তার ভাল বলার জন্য প্রস্তুত হাঁ-মুখে। এমত তাকে চুপ করিয়ে দিয়ে বোধিসত্ত্ব বললেন— পিত্ত, শ্লেষ্মা, কফ, বায়ু, যকৃৎ সবই তোমার প্রকৃতিস্থ আছে। তা হলে জ্বর কীসের প্রকাশ? উদ্বিগ্ন চিত্তের।

    সে তাকিয়ে আছে। মুখে তাপ মাপা চলছে বলে কথা বলতে পারছে না।

    বোধিসত্ত্ব বলছেন—মস্তিষ্ক উত্তপ্ত হলেও জ্বর হতে পারে। অসুর দলনের ভার স্বয়ং কে নিয়েছিলেন তা তো জানো! দুর্গা! মহাকালের বিচারের পরে আর আস্থা রাখা যাচ্ছিল না বলেই দশহাতে অস্ত্র ধরেছিলেন তিনি। তাতে কোনও পাপ ছিল না। গ্লানি ছিল না। দাও দেখি। হয়েছে এতক্ষণে।

    সে যন্ত্রটি নিয়ে বোধিসত্ত্বের হাতে দিল। তিনি হাত ওপরে তুলে দেখলেন। বললেন, এখনও সামান্য অস্বাভাবিক। এটা ধরো।

    একটি ছোট কাচের শিশিভর্তি তরল তিনি ধরিয়ে দিলেন সিদ্ধার্থর হাতে। বললেন— সঙ্গে রাখবে। প্রতি দু’ঘণ্টা অন্তর দু’ ফোঁটা করে খাবে। দু’দিন তোমাকে কোনও ওষুধ দিইনি। কেবল দেহবিশ্লেষণ করলেই হোমিওপ্যাথিতে চলে না। মনও বিশ্লেষণ করতে হয়।

    সিদ্ধার্থ স্থির চেয়ে আছে বোধিসত্ত্বের দিকে। বোধিসত্ত্বও তার চোখে চোখ রেখেছেন। নীরবে। তবু হয়ে যাচ্ছে কিছু কথা বিনিময়। বোধিসত্ত্ব তার মাথায় হাত রাখছেন এবার। বলছেন—মানুষ নিরুপায়। আমিও। তুমিও। শুধু বিবেক জাগ্রত রেখো। বিচারের শক্তি যেন অত্যাচারীর শক্তিতে পরিণত না হয়। যতক্ষণ তোমার শুভবুদ্ধি আছে, ততক্ষণ কে তোমাকে সংহার করবে!

    সিদ্ধার্থ কোনওক্রমে বলে— দাদু!

    —অনেক কিছু করার আছে এখনও ছোটবাবু। It is not too late to seek a newer world. এটা একটা কবিতার কথা। আমার নয়। পুরো কবিতাটা তোমার জন্য নয়। আমার জন্য। তোমার জন্য শুধু ওই একটা লাইন। It is not too late to seek a newer world. একটা নতুন পৃথিবী খুঁজে নেবার জন্য খুব একটা দেরি হয়ে যায়নি। তোমার ক্ষেত্রে আরও ভালভাবে বলতে গেলে বলতে হয় কী জানো?

    –কী?

    –It is not too late to build up a newer world. তুমি পারবে।

    সে হাসে। টের পায়, বোধিসত্ত্ব আন্দাজ করেছেন কিছু এবং সমর্থন করেছেন। তার ভীতি ও শঙ্কাগুলি বিচ্ছিন্ন কচুরিপানার মতো ভেসে ভেসে যেতে থাকে। বোধিসত্ত্ব যেতে যেতে বলেন-বসির খান তোমার সঙ্গে দেখা করার জন্য নীচে বসে আছে। পাঠিয়ে দেব? নীচে আরও লোক অগেক্ষা করে আছে।

    সে সম্মতি দেয়। ওপরে সে ডাকে অতি অল্প ক’জনকেই। কিন্তু বোধিসত্ত্বের ইঙ্গিত সে উপলব্ধি করে। বোধিসত্ত্ব চলে যান। কতকগুলো অঙ্ক সে দ্রুত মিলিয়ে নেয়। সেদিন হয়তো বোধিসত্ত্বও নেমেছিলেন নীচে, বসির খানের কথা শুনেছেন। কিংবা সাবিত্রীদি কিছু বলে থাকবেন। সে কাগজপত্র গোছাতে থাকে। আর বসির খান এসে দাঁড়ায়। সে বলে— ভাল আছ তো বসির ভাই?

    —জি দাদা।

    —আফরোজা কেমন আছে?

    —আজ একটু ভাল আছে। ডাক্তার দেখাতে পারলে ভাল হত। কিন্তু …

    —কথা বলছে তো?

    —হ্যাঁ। খুব ভয় পেয়ে গেছে।

    হঠাৎ সে ছুটে আসে। পা চেপে ধরে সিদ্ধার্থর। সিদ্ধার্থ ছটফট করে- এ কী করছ! কী করছ!

    —আপনার জন্য, আপনার জন্যই ওর চরম ক্ষতি হয়নি। আপনার জন্যই ওকে ফিরে পেয়েছি। আপনার ঋণ…

    –কীসের ঋণ? কোনও ঋণ নেই। বসিরভাই, আফরোজা আমারও বোন তো। ওঠো। আমাকে লজ্জা দিয়ো না।

    বসির খান উঠে বসে। তার চোখ জলে ভরা। এবং একজন বলিষ্ঠ যুবকের চোখ জলে ভরে গেলে তাকে শিশুর চেয়েও বেশি অসহায় লাগে! সিদ্ধার্থ হাত ধরে তাকে বিছানায় বসায়। তার পিঠে হাত রাখে। প্রসঙ্গান্তরে যাবার জন্য বলে—নীচে ক’জন দেখলে?

    —পাঁচ-ছ’ জন তো হবেই।

    —চলো আমরা চা খেয়ে নীচে নামি।

    সাবিত্রীদিকে চা দিতে বলে সিদ্ধার্থ। বসির খান বসে আছে মুখ নিচু করে। সিদ্ধার্থ বলছে- আর কিছুদিন যাক। পুলিশকে বলে ওদের ক্লাবটা পুরোপুরি ভাঙিয়ে দেব আমি। তোমাদের জায়গাটা ঘিরে নিয়ো বসিরভাই।

    বসির খান বলে— মাঝে মাঝে ভয় লাগছে দাদা।

    —কীসের ভয়?

    —একটা লোককে আমি… আসলে কী যে হল আমার… আব্বুজির খুবলে নেওয়া চোখ মনে পড়ল, রক্তপাত মনে পড়ল, খুন চেপে গেল মাথায়। না হলে আমি… আমি…

    —যা হয়েছে তাকে যেতে দাও বসিরভাই। তুমি ওকে না মারলে আমাদের কাজটা সম্ভব হত না। তা ছাড়া ওদের পরিবর্তে আমরাও খুন হয়ে যেতে পারতাম।

    —তবু, একটা মানুষকে …।

    —মানুষ নয়। মানুষের কাজ ওরা করেনি।

    —আমারও… আমারও তাই মনে হয়। মানুষ নয় ওরা।

    —এসব আলোচনা থাক। এখানেই শেষ হয়ে যাক। ভুলে যাবার চেষ্টা করো বসিরভাই। জীবনে সবকিছু সোজাভাবে চলে না।

    কথাটা বলে অবাক হয়ে গেল সে। কে যেন বলেছিল তাকে এ কথা! কিছুতেই মনে করতে পারল না সে। অথচ কথাটা গূঢ় অর্থ সমেত তার মধ্যে এতকাল চেপে বসেছিল। আজ এই কথা সে ব্যবহার করছে নিজেই।

    চা খেয়ে নীচে নামল তারা। সার দিয়ে বসে আছে শরণার্থীর দল। সে যথাসম্ভব সাহায্যের প্রতিশ্রুতি দিচ্ছে। সমস্যার সমাধানের প্রতিশ্রুতি দিচ্ছে। এক বৃদ্ধ মানুষ, তিনি এসেছেন নদীর ওপারে গোপালনগর থেকে।

    গোপালনগর শুনেই চমকে উঠেছিল সিদ্ধার্থ ও বসির খান। বৃদ্ধ বলছেন তখন— ওই যেখানে খুন হয়েছে, গুণ্ডা দীপেন হাজরার বাড়ির অদূরেই বাড়ি আমার।

    সিদ্ধার্থ গম্ভীরভাবে বলছে— বলুন, আপনার প্রয়োজন কী?

    —বাবা, লোকে বলল, বহরমপুরে সিদ্ধার্থবাবুর কাছে যাও, তিনি সব সমস্যার সমাধান করে দেবেন। কিন্তু এসে দেখছি, তুমি তো কচি ছেলে বাবা। তোমাকে বলতে সংকোচ হচ্ছে। আমার ছোট ছেলের চেয়েও ছোট তুমি।

    —তাতে কী?

    —না। আমি ভেবেছিলাম… তা সে যা-ই হোক, গোপালনগর উচ্চতর বিদ্যালয়ের স্কুলশিক্ষক ছিলাম, সাত বছর হল অবসর নিয়েছি, আজও একটি পয়সা পাইনি। সংসার আর চলে না বাবা। ছোটাছুটি করতে করতে প্রাণ গেল। প্রথম মেয়ে পার করেছি সামান্য জমি বেচে। ভিটে বেচে ছেলের দোকান করে দিয়েছি। কোনওমতে খেতে-পরতে পাই। টিউশনি করি নাই কখনও। আমার পেশার কাছে সৎ থাকার চেষ্টা করেছিলাম। তার মূল্য দিয়েছি। আর কোনও সম্বল নাই। ছোটমেয়েটার বিয়ে ঠিক হয়েছে বাবা। কিন্তু আমার তো সামান্যও সঙ্গতি নাই। লোকে বলল, বহরমপুরের সিদ্ধার্থ, সে কারওকে ফেরায় না।

    সিদ্ধার্থ ভাবে কিছুক্ষণ। বলে—আপনার কাগজপত্রের কপি আমাকে দিয়ে যাবেন। দেখি কী করা যায়। আর মেয়ের বিয়ের কিছু সাহায্য কবে বিয়ে?

    —শ্রাবণ বাবা। একুশে শ্রাবণ।

    —দশদিন পরে আসুন। হবে তো?

    বৃদ্ধ আশীর্বাদ করতে করতে চলে যান। সিদ্ধার্থ হিসেব করে, এর মধ্যে মির্জা কিছু টাকা তাকে দিয়ে যাবে নিশ্চয়ই। সেরকমই কথা আছে। সেই টাকা এই বৃদ্ধকে দিয়ে দেবে সে।

    বসির খানকে সঙ্গে নিয়ে বেরুল সে এবার। দু’ দিন তৌফিকের খবর নেওয়া হয়নি। সে প্রথমে তৌফিকের বাড়ি যাওয়াই ঠিক করল। বসির খান যেতে চাইল সঙ্গে। পকেটে বোধিসত্ত্বর দেওয়া ওষুধের শিশি স্পর্শ করতে করতে তৌফিকের বাড়িতে পৌঁছল সে। তাকে দেখে উজ্জ্বল হয়ে উঠল তৌফিক। বলল—তুমি আজ যাওনি সিধুদা!

    সিদ্ধার্থ বলল—না। আমারও জ্বর এসে গেল।

    বসির খান বলল—আপনার শরীর খারাপ? ছি ছি! আপনার খোঁজ করা হয়নি!

    সিদ্ধার্থ হাসল। বলল—তেমন কিছু হয়নি। এই যে দাদুর ওষুধ খাচ্ছি।

    পকেট থেকে শিশি বার করে দু’ফোঁটা খেয়ে নিল সে। তৌফিক বলল— তবে তুমি এর মধ্যে যাচ্ছ না?

    —যাব রে।

    –কবে?

    —দিন তিনেক পরেই বেরিয়ে পড়ব ভাবছি।

    —আমি যাব তো?

    —এবার না। পরের বার যাস।

    —কোথায় যাবে?

    জিগ্যেস করল বসির খান।

    গ্রামগুলো ঘুরব বসিরভাই।

    —আমি যাব আপনার সঙ্গে?

    —তোমার কাজ ফেলে যাবে, তোমার ক্ষতি হবে তো!

    —তৌফিকভাই যখন যাবে, তখন আমি যাব না। অন্য সময় যাব। আমাকে আপনার কাজে নিয়ে নিন দাদা।

    —বেশ!

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44 45 46 47 48 49 50 51 52 53 54 55 56 57 58 59 60 61 62 63 64 65 66 67 68 69 70 71 72 73 74 75 76 77 78 79 80 81 82 83 84 85 86 87 88 89 90 91 92 93 94 95 96 97 98 99 100 101 102 103 104 105 106 107 108 109 110 111 112 113 114 115 116 117 118
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleকয়েদি – তিলোত্তমা মজুমদার
    Next Article বসুধারা – তিলোত্তমা মজুমদার

    Related Articles

    তিলোত্তমা মজুমদার

    শামুকখোল – তিলোত্তমা মজুমদার

    August 25, 2025
    তিলোত্তমা মজুমদার

    অর্জুন ও চারকন্যা – তিলোত্তমা মজুমদার

    August 25, 2025
    তিলোত্তমা মজুমদার

    ঝুমরা – তিলোত্তমা মজুমদার

    August 25, 2025
    তিলোত্তমা মজুমদার

    নির্জন সরস্বতী – তিলোত্তমা মজুমদার

    August 25, 2025
    তিলোত্তমা মজুমদার

    বসুধারা – তিলোত্তমা মজুমদার

    August 25, 2025
    তিলোত্তমা মজুমদার

    কয়েদি – তিলোত্তমা মজুমদার

    August 23, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Our Picks

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }