Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    রাজপাট – তিলোত্তমা মজুমদার

    তিলোত্তমা মজুমদার এক পাতা গল্প1633 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    রাজপাট – ৫৯

    ৫৯

    আমার আকাশ কালো হতে চায় সময়ের নির্মম আঘাতে;
    জানি, তবু ভোর রাত্রে, এই মহাসময়েরি কাছে
    নদী ক্ষেত বনানীর ঝাউয়ের ঝরা সোনার মতন
    সূর্যতারাবীথির সমস্ত অগ্নির শক্তি আছে।
    হে সুবর্ণ, হে গভীর গতির প্রবাহ,
    আমি মন সচেতন; —আমার শরীর ভেঙে ফেলে
    নতুন শরীর করো—…

    .

    এই পরিচিতি কি প্রাপ্য ছিল তার? ভাবছিল সে। কিছুই করা হয়নি এ পর্যন্ত। সে করতে চায়। কল্পনায় রয়েছে তার হাজারও কাজের বিস্তার। তার জন্য লাগে একটা গোটা জীবন। কিংবা সঠিক বলতে গেলে, জীবনব্যাপী কাজ করা চাই তার। অন্য কিছু নয়। কাজই কেবল। কী কাজ? কোন কাজ? মানুষের সঙ্গে সঙ্গে যাওয়া। আপন সুখ-দুঃখের সঙ্গে অভেদ করে নেওয়া অপরের দুঃখ-সুখ!

    তবু, এই যে লোক চিনে বসে তাকে, এই যে তার কথার শিখায় আশার দীপ জ্বালিয়ে তোলে চোখে, এ তার হৃদয় জুড়ে শক্ত করে তোলে দায়বদ্ধতা। যোগাসন করতে করতে ভাবে যখন সে এ-সব, ভাবছে যখন, তার শরীরে সেই স্পর্শ এসে লাগল। ঠান্ডা অস্ত্র হাতে নেবার অনুভূতি।

    একজন কমিউনিস্ট সে, গণসাম্যবাদী, কিন্তু অস্ত্রধারণ সম্পর্কে বিরূপতা অধিকার করেছিল তাকে। সে বিশ্বাস করত, মানুষই মানুষের শক্তি। কল্যাণবিধানই মানুষকে জয় করার পথ। প্রেম-প্রেম, ভালবাসা। মানুষের প্রতি মানুষের। সহমর্মিতা। মানুষের জন্য মানুষের। আজও এই বিশ্বাসই তার সম্বল। তার সাধনা। কিন্তু ইদানীং ভাবছে সে, উদ্যত অস্ত্রের মুখ নমিত করতে গেলে অস্ত্রই কি একমাত্র পথ নয়? অপশক্তি ক্ষমতাশালী হয়ে উঠলে কল্যাণকে হতে হবে আরও বেশি ক্ষমতাবান। ক্ষমতাকে ক্ষমতা দিয়েই পরাজিত করা সম্ভব। আদিম এ নিয়ম। কিন্তু সত্য। এই আদিমতার প্রতি বিরূপ ছিল সে। জীবন ধীরে ধীরে তাকেই এখন প্রসারিত করছে এই বোধে। সে উপলব্ধি করছে, সহিষ্ণুতা একটি গুণ। কিন্তু সহিষ্ণুতা শেষ পর্যন্ত মানবচরিত্রে দেয় স্থৈতিক আলস্য এবং অকর্মণ্য প্রবণতা। সে কী করবে? কী করতে পারে? ময়না বৈষ্ণবীকে ভাবে সে। ময়না বৈষ্ণবী প্রতিদিন, একটু একটু করে, তার ভেতরে অসামান্যা হয়ে উঠছে। প্রতীকী হয়ে উঠছে। সে শুভশক্তি। সে প্রতিবাদী। তাই সে ধর্ষিতা। সে নির্মল-হৃদয়, তাই অসুন্দর সইতে না পেরে আকাশের নীচে গিয়েছিল। নিঃস্বার্থ হিতাকাঙ্ক্ষী ছিল সে। তাই নির্মম মৃত্যু তাকে লুপ্ত করে দিল জগৎ হতে।

    সিদ্ধার্থ আরও মহৎ করে ভাবে। ময়না বৈষ্ণবী এক উপলক্ষ মাত্র। প্রকৃতপক্ষে যা ধর্ষিত হয়েছে, তা প্রতিবাদ। যা হত্যা করা হয়েছে, তা শুভবুদ্ধি। এই হত্যালীলায়, ধর্ষকামনায়, জড়িয়ে গেছে ধর্মাচরণ, আরক্ষাব্যবস্থা, রাজনীতি ও প্রশাসন। কোনটিকে কার থেকে পৃথক করবে সে? করা সম্ভব নয়। ধর্ম রাজনীতিকে প্রভাবিত করেছে চিরকাল। ধর্মের ভেক রাজ-দুর্নীতিকে আশ্রয় দিয়েছে। প্রশাসন রাজনীতির করকবলিত-এরও কোনও ব্যত্যয় নেই। জনহিতের জন্য আরক্ষা ব্যবস্থা। কিন্তু ব্যবস্থা যন্ত্র মাত্র। তাতে ঘুণ ধরে। কল-কব্জা খসে যায়। তার কোনও চেতনা নেই। ব্যবস্থার কোনও চেতনা থাকে না। তাকে যে-কোনও স্বার্থে ব্যবহার করা যায়।

    তা হলে সে কী করবে? কী করতে পারে? স্বার্থপরের শক্তি অহিত, অসুর। এবং বিরাট। এই বৃহৎকে অস্বীকার করার কোনও উপায় নেই আর। মহতের সঙ্গেই কেবল বিরাটকে দেখলে চলে না। যা নীচ, তা-ও বিরাট হতে পারে। হিংস্রতার স্ফীতি ভয়ানক কিন্তু মহৎ স্বীকার্য বলেই তার কিছুমাত্র কম পড়ে না। এই সকল ক্ষুদ্রতা ও নীচতার জটিল ও বৃহৎ আবর্তে সে-ও একজন। ঘোলাজল তাকে স্পর্শ করে থাকে। পাঁক তাকে স্পর্শ করে থাকে। সহস্র স্নান দ্বারাও তার ধৌতি সম্ভব হয় না কারণ সে আপাদমস্তক রাজনৈতিক। আর রাজনীতি যার ধর্ম, সে সম্পূর্ণ শুদ্ধ থাকে কী প্রকারে?

    তা হলে সে কী করবে? সে দেখে এই দেশ——ময়না বৈষ্ণবী। এদেশের সকল শুদ্ধচিত্ত মানুষ—ময়না বৈষ্ণবী। আঃ! সে চায়, সে একান্ত চায়, পর্বতপ্রমাণ হয়ে উঠতে, রুখে দাঁড়াতে চায় অন্ধ, নোংরা, পঙ্কিল ও হিংস্র উন্মাদনার বিরুদ্ধে।

    চায়। কিন্তু এ কোনও গল্পকথা নয়। জাদু নয়। একা সে কণামাত্র। বিন্দুমাত্র। গোষ্ঠীই মানুষের শক্তি। দল। আদিম—গহন আদিম এই সত্য। তার কী পরিচয়, যদি তার দল না থাকে, রাজত্ব না থাকে, না থাকে উদ্ধৃত পতাকা? বার বার এ প্রশ্ন জাগে তার মধ্যে। সে তবে কী? সে কে? কেমন তার করণীয়? কোন সেই পরিচয় যা তাকে দাঁড় করিয়ে দেবে একা, যা তাকে দিয়ে বলাবে—হ্যাঁ আমিই, আমিই সেই, সেই, মানুষের পাশে মানুষ…

    হ্যাঁ। মানুষ। সম্পূর্ণ একক। সম্পূর্ণ অরাজনৈতিক। সম্পূর্ণ ধর্মনিরপেক্ষ।

    তা কি হয়? হওয়া সম্ভব? তাদের দল ব্যক্তির চেয়ে সমষ্টিকে অধিক বলে জানে। মহৎ বলে জানে। তাদের দল, তাদের সাংগঠনিক যন্ত্র, নিঃশব্দে গড়ে নেয় কর্মী, কর্মী একজন, ব্যক্তি নয়। যদি কোনওভাবে কোনও ব্যক্তির ভাবমূর্তি ছায়া ফেলে দলের ওপর, তবে সেই ছায়ার খণ্ডনে তৈরি হয় আরও প্রলম্বিত ছায়া। এই প্রক্রিয়ায় কোথাও কল্যাণ নেই, ক্ষমতার অধিকার আছে। মায়া নেই, প্রেম নেই, শ্রদ্ধা-ভালবাসা নেই। মানুষের জন্য যেটুকু ক্রিয়া —খাদ্যদ্রব্যের মূল্য হ্রাস, জমিবণ্টন, ধর্মঘট ও রাস্তাঘাট নির্মাণ, স্লোগান ও রক্তদান শিবির —সমস্তই অছিলা মাত্র। হিতের অছিলায় ক্ষমতার আগ্রহ।

    সে-ও এই যন্ত্র। এরই হাতিয়ার। এই বৃহৎ ব্যবস্থার নাট-বল্টু। খসে পড়লে কোনও মূল্য নেই। তা হলে সে কী করবে? কী তার করা উচিত? সে কি এক ভাঙনের দিকে যাত্রা করবে এই অভিপ্রায়ে, একদিন সে অসম্ভব ন্যায়রাজ্য প্রতিষ্ঠা করতে সক্ষম হবে!

    সে নিজস্ব নীতি স্থির করার চেষ্টা করে এবং দ্বন্দ্বে উপনীত হয়। কী করা উচিত, এই সম্পর্কে কিছু বোধ স্পষ্ট দেখা দেয়, কিছু হয়ে দাঁড়ায় জটিল। সম্ভবত এই-ই মানুষের ভবিতব্য যে, সে যত বেশি চিন্তা করবে তত বেশি দ্বিধাগ্রস্ত হবে। চিন্তার গভীরতাই মানুষকে দেয় বিবিধ বিপরীতমুখী তত্ত্ব। উদাহরণসহ তা এই বৈপরীত্যকে উপস্থাপিত করে। অতএব সে চিন্তাকুল হয়ে ওঠে। সমস্ত কাজের মধ্যে সে কেবল ভাবে। যে-কোনও নীতিই পরিগ্রহণ করার আগে প্রয়োজন আত্মবিশ্বাস। আত্মবিশ্বাস কেবল আত্ম আর বিশ্বাস থাকলেই হয় না। অনেক ভাঙা-গড়া, গ্রহণ-বর্জনের অভিজ্ঞতার মধ্যে দিয়ে তা সুদৃঢ় হয়। মানবজীবনে এই প্রক্রিয়া ক্রমসঞ্চারমাণ।

    সিদ্ধার্থ যে-আত্মবিশ্বাস এ যাবৎকালে অর্জন করেছে, তার পরিচর্যা সে ঘটিয়ে চলেছে নিরন্তর। কারণ আত্মবিশ্বাস শাণিত করতে হয়। সাধারণকে করে তুলতে হয় অসাধারণ। দুর্বলকে জোরাল। প্রতিদিনের অভিজ্ঞতায় নিজেকে ফেলে, নিজের বিশ্বাস ও ধারণাকে ফেলে ঘষে-মেজে নিতে হয় ভবিষ্যতের জন্য। এভাবেই মানুষ নিজের শুদ্ধি ঘটিয়ে নিজেকে নতুন করতে করতে এগোয়। জীবনকে ভালবাসে যে, ভালবাসতে হয়—এই উপলব্ধি আছে যার, সে-ই চিরকাল নতুনে আগ্রহী।

    সিদ্ধার্থ অনুভব করে, সে জীবনকে দুহাতে জড়িয়ে নিয়ে ভালবাসে। যেমন ভালবাসেন বোধিসত্ত্ব। যেন এক প্রজন্ম পেরিয়ে, জীবনের প্রতি অপূর্ব প্রেম বোধিসত্ত্বের কাছ থেকে উৎসারিত হয়ে তারই মধ্যে সঞ্চারিত হয়ে যাচ্ছে। মাঝখানে যে-পুরুষ, তার পিতা, তিনি ছিলেন শূন্য হৃদয়। কিংবা যতেক অসুস্থ আবর্জনা অধিকার করেছিল তাঁর হৃদয়।

    সেই দিন, সেই চরম দিন, শ্মশানে সকলই মোচন করে, ভাগীরথীতে স্নাত হয়ে তারা শূন্য গৃহে ফিরেছিল যখন, সে এবং বোধিসত্ত্ব, ঘরময় সেই হাহাকারের মধ্যে সে আর্তনাদ করেছিল। অন্তরে চাপা আর্তনাদ। আত্মীয়-বন্ধুর দ্বারা গৃহে লোকসমাগম ছিল। তবু তার মনে হয়েছিল, এ বড় শূন্যতা! এ এক অসহ শূন্যতা! ঘরের কোণে কোণে বাতি জ্বলেছিল। কখন শুরু হয়েছিল সব আর শেষ হল কখন, সে-জ্ঞান তাদের ছিল না। বরং, সেই বিজলির আলোয় উদ্ভাসিত বাড়িকেও তার মনে হচ্ছিল চাপ-চাপ অন্ধকারে আবিল।

    অধিক রাত্রে, যখন পরিশ্রান্ত যে-যেখানে হোক শুয়ে পড়েছিল, সে, হৃদয়ে মাথা খুঁড়ে মরা যন্ত্রণা আর বইতে পারছিল না বলে, পায়ে পায়ে গিয়েছিল বোধিসত্ত্বের কাছে, তার একমাত্র সান্ত্বনা, একমাত্র আশ্রয়।

    খুব স্বাভাবিক যে, তিনি জেগে ছিলেন। সে, ঘরে অন্ধকার, প্রবেশ করেছিল নিঃশব্দে। বোধিসত্ত্ব আহ্বান করেছিলেন—আয়!

    সারাদিন কান্না তার বক্ষলগ্ন ছিল। তবু দাহ নেভেনি। এমনকী নেভেনি আজও। নিভবে কি কোনও দিন?

    বোধিসত্ত্ব পিঠে বালিশ দিয়ে বসেছিলেন ওই অন্ধকারে। সে কাছে বসেছিল। বোধিসত্ত্ব তাকে কোলের ওপর জড়িয়ে নিয়েছিলেন। কান্না নয়, তবু কান্নার মতোই সে উচ্চারণ করেছিল কিছু কথা— কী যন্ত্রণা দাদু! আমরাও কেন মরে যাচ্ছি না?

    বোধিসত্ত্ব তাঁর বার্ধক্যের বুকে তার তরুণ মুখ চেপে বলেছিলেন—মৃত্যুর মধ্যে কখনও নিবারণ খুঁজিস না বাবা। জীবন মৃত্যুর চেয়ে বড়

    —আর পারছি না দাদু।

    —আমি পারছি কেমন করে ছোটবাবু? তোমার জন্য। আমার ফুরিয়ে আসা জীবনের সকল প্রাণ তো তুমি। আমার ভরসা হও।

    —ও দাদু! দাদু!

    সে আঁকড়ে ধরেছিল বোধিসত্ত্বকে। ওই নিষ্ঠুর যাপনের অন্ধকারের মধ্যেও তিনি বলেছিলেন—এই দীর্ঘ জীবনে কত দেখলাম। সব দেখেশুনে, ছোটবাবু, আজ এই অসহ্য শোকের মধ্যেও আমি বিশ্বাস করি, জীবন মৃত্যুর চেয়ে বড়। কারণ জীবন সকলের ধারক। রোগ, শোক, ক্ষয়, অসৎ, অন্যায়ের ধারক সে। সে-ই তো বড়, যে কোনও কিছুই পরিহার করে না। ভাল-মন্দ দুই-ই তার সম্পদ।

    সে ভোলেনি এইসব। ভুলবে না। চূড়ান্ত শোকে, বিপুল আনন্দে—সকলেরই মাঝে বোধিসত্ত্ব নির্মাণ করেছেন তার জীবনবেদ।

    .

    তৌফিককে সঙ্গে নিয়ে হেঁটে আসছিল সে। তৌফিক তার পরবর্তী গ্রামযাত্রা বিষয়ে প্রশ্ন করছিল। সরালের পর আশেপাশের আরও কয়েকখানি গ্রাম সে ঘুরেছে। দেখেছে প্রায় একই বলেওছে প্রায় একই কথা। কিন্তু পাড়-ভাঙার সঙ্গে তাকে দেখতে হয়েছে দারিদ্র্য। চরম দুর্বিষহ দারিদ্র্য। এই সবই তার মনকে আচ্ছন্ন করে রেখেছে।

    তৌফিক শুনছিল তার অভিজ্ঞতার বর্ণনা। পরের বার সে যাবে। সে উৎসাহিত হয়ে উঠেছে। কিন্তু প্রতি সপ্তাহে যাবার পরিকল্পনা পাল্টাতে হয়েছে তাদের। এত কাজ করার আছে যে, এখানকার কাজ কিছু সামলে, তারপর আবার যাওয়া। সিদ্ধার্থর ইচ্ছে, মাসে অন্তত একবার সে এ-যাত্রা বজায় রাখে। সম্ভব হলে দু’বার। মাঝখানে আরও একটি বিষয় তাকে টানছে। পেতনির চরে বসবাসের স্বীকৃতি সে আদায় করতে চায়। হারাধনের এই প্রস্তাব সে গ্রহণ করেছে।

    হারাধনের বিবাহের পর থেকে সিদ্ধার্থর সঙ্গে তার সাক্ষাৎ এখন অনিয়মিত। সিদ্ধার্থর ব্যস্ততাও তার কারণ। তবু সামান্য দেখা-সাক্ষাৎ হয়েছে যা, তাতে সিদ্ধার্থর চোখে হারাধনকে মনে হয়েছে আগের চেয়ে গম্ভীর। অন্যমনস্ক। সে কারণ জিজ্ঞাসা করেনি।

    পেতনির চরের বিষয়ে রাসুদার সঙ্গে প্রাথমিক কথাবার্তা সে বলেছে আজ। ভাঙনের মিছিল থেকে সরে দাঁড়াবার জন্য রাসুদা তার প্রতি ক্ষুণ্ণ হয়ে আছেন। ইদানীং মিহির রক্ষিতের সঙ্গে বৃদ্ধি পাচ্ছে তাঁর ঘনিষ্ঠতা। তাতে সিদ্ধার্থের কিছু এসে যায় না কারণ রাসুদার প্রতি তার শ্রদ্ধা সম্পূর্ণ বজায় আছে। সে বিচলিত বোধ করে তখনই যখন তার নিজের মধ্যেকার শ্রদ্ধাবোধ টলমল করে।

    রাসুদার কাছে এ প্রস্তাব করল যখন সে, রাসুদা বললেন— তোকে যে-কাজের ভার দিলাম সেটা করলি না। নিজের খুশিমতো কাজ করলে দল থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে যাবি তুই। দলই মানুষের শক্তি, তা মানিস তো?

    সে নীরব ছিল। রাসুদার ভর্ৎসনার বিরুদ্ধে ক্ষুব্ধ হয়নি। রাসুদা অতঃপর বলেছিলেন—তোর ওপর আমার অনেক ভরসা। তোর মধ্যে শক্তি ছিল। খামখেয়ালিপনা করে নিজেকে নষ্ট করিস না।

    সে এ-নিয়ে তর্ক করেনি যে, সে খামখেয়ালিপনা করছে না। ভাঙন বিষয়ে সে যে- আন্দোলনের পথ নিয়েছে, সেটাই সঠিক। কোনওদিন সে ব্যাপক আন্দোলনের সূচনা করে তা প্রমাণ করবে। কিন্তু এখনও তা বলার সময় আসেনি। সে বুঝতে পারছে গ্রামভ্রমণের অভিজ্ঞতা তাকে সমৃদ্ধ করবে। দেখার ব্যাপ্তির মধ্যেই থাকে কর্মের প্রণোদনা।

    তার নীরবতাকে পরিপূর্ণ আনুগত্যের সম্মতি ভেবে রাসুদা বলেছিলেন-তোকে ভাইয়ের মতো দেখি, তাই সম্পূর্ণ ব্যক্তিগতভাবে একটা কথা বলি…

    এদিক-ওদিক দেখেছিলেন তিনি। কাছাকাছি ছিল না কেউ। রাসুদাকে সতর্ক থাকতে হয় গুপ্তচরের উপস্থিতি বিষয়ে। কাকে এত ভয় রাসুদার? মিহির রক্ষিতকেই নিশ্চয়ই।

    রাসুদা কথা শেষ করেছিলেন নিচু গলায়—তুই আমাদের দলের সম্পদ। একথা আর কেউ না বুঝলেও আমি বুঝি। আজকাল তো পড়াশোনা করে না কেউ। তত্ত্ব নিয়ে মাথা ঘামায় না। শুধু ক্ষমতার লোভ। মার্ক্সের দর্শনই যদি না বোঝে, দলকে সংগঠিত রাখবে কীভাবে? একটা নির্দিষ্ট তত্ত্ব অনুসরণ করা হয় বলেই, আমরা, আজ দশ বৎসর যাবৎ ক্ষমতায় আছি। আরও সংগঠিত করতে পারছি নিজেদের। সারা পশ্চিমবাংলায় আমাদের নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা। ভারতের অন্যান্য রাজ্যের অবস্থানের নিরিখে, পশ্চিমবঙ্গ একেবারেই অনন্য অবস্থানে। কিন্তু সেটা সম্ভব হচ্ছে কেন? কারণ দলে বর্তমান আছেন বেশ কয়েকজন সৎ, অভিজ্ঞ এবং তাত্ত্বিক নেতা। তাঁরাই পার্টির প্রাণ। কিন্তু ভবিষ্যৎ? আমাদের ভবিষ্যৎ কী! আজ থেকে কুড়ি বছর পর এই শ্রেণির নেতার চাহিদা তৈরি হবে দলে। তখন কারা উঠে আসবে? কারা হবে কর্ণধার? আমাদের যন্ত্র হয়েছে প্রচুর। যন্ত্রী নেই। হাতিয়ার আছে অগণিত। হাত নেই। নিয়ন্ত্রণ ক্ষমতা না থাকলে হাতিয়ার হাতের চেয়ে বড় হয়ে যায়। সময় তো ক্ষমা করে না কারওকে। অতএব, পাগলামি করিস না। সবদিক দেখে-শুনে চলতে হবে। তোর বয়স অল্প। অভিজ্ঞতা কম, আবেগ বেশি। অবশ্য আবেগ না থাকলে মানুষ আর মানুষ থাকে না বলেই আমার বিশ্বাস। আবেগ তো সম্পদ মানুষের। কিন্তু তোকে দেখতে হবে, তোর আবেগনির্ভর কোনও কাজ যেন অন্যের অস্ত্র হয়ে না ওঠে!

    রাসুদাকে কথা পরিবর্তন করতে হয়েছিল কারণ মিহির রক্ষিত ব্যস্ত পায়ে ঢুকেছিলেন। হাঁপাতে হাঁপাতে বলেছিলেন—শুনেছেন খবরটা?

    তারা তাকিয়েছিল।

    মিহির রক্ষিত বলেছিলেন— দীপেন হাজরার এক সঙ্গী খায়রুল মোল্লার বাড়িতে দু’কেজি হেরোইন ও চারটে বন্দুক পেয়েছে পুলিশ।

    —ছেলেটাকে ধরেছে?

    —না। পায়নি। পুলিশ তো বলছে খায়রুলই দীপেনকে সরিয়ে বডি গাপ করেছে।

    সিদ্ধার্থ তার চোখ-মুখ রেখেছিল অসীম নির্বিকার। মিহির রক্ষিত বলছিলেন— সারা শহর যেন সমাজবিরোধীতে ভরে গেছে।

    দাঁতে দাঁত পিষছিল সিদ্ধার্থ। লোকটা সাধু সাজার চেষ্টা করছে।

    তখন তার দিকে তাকিয়েছিলেন মিহির রক্ষিত। ভ্রূ কুঁচকে বলেছিলেন—সুখবরটা পেয়েছ?

    —কী খবর?

    জিগ্যেস করেছিল সে। রাসুদা বলেছিলেন—তোমার জন্য একটি মোটরবাইক আসছে। এ সপ্তাহেই পেয়ে যাবে।

    সে হেসেছিল। বলেছিল—বাঃ! বেশ সুবিধা হবে।

    মিহির রক্ষিত বললেন—আমরাই তো করালাম।

    রাসুদা বললেন—মাসে পঁচিশ লিটার তেল বরাদ্দ। এর বেশি প্রয়োজন হলে খরচ নিজের।

    তখন তার বিস্ময় জাগছিল। মিহির রক্ষিতের সুর যেন অন্যরকম। কেন, সে বুঝতে পারছিল না। কিংবা অন্য একটি সন্দেহ ঘন হয়ে উঠছিল তার মধ্যে, কারণ সে জানে, দেওয়ালের থাকে নিজস্ব কান এবং বাকশক্তি। আর অন্ধকারের থাকে নিজস্ব চোখ এবং নির্লজ্জ গুপ্তচরবৃত্তি। দীপেন হাজরার প্রকৃত খবর মিহির রক্ষিতের কাছে পৌঁছে যাবার সুদূর সম্ভাবনা নেই, তা নয়। তা হলে, মিহির রক্ষিতের ব্যবহার পরিবর্তনের কারণ হিসেবে ধরতে হবে তিনি ভয় পেয়েছেন। এতদিন সিদ্ধার্থ ছিল নির্বিষ। এখন ক্ষতি করার শক্তি অর্জন করেছে সে। এবং এই শক্তি তাকে দিচ্ছে মিহির রক্ষিতের সম্ভ্রম। সে চিন্তান্বিত হয়ে উঠছিল।

    ঠিক সেই সময় রাসুদা পেতনির চর বিষয়ে তার আন্দোলন-পরিকল্পনা ব্যক্ত করেছিলেন। সিদ্ধার্থকে বিস্ময়ের চূড়ায় তুলে এই পরিকল্পনাও সমর্থন করলেন মিহির রক্ষিত। বললেন—এ তো আমাদের আরও আগে ভাবা উচিত ছিল। খুব ভাল প্রস্তাব।

    স্থির হয়েছে, কীভাবে আন্দোলন করা হবে, সে নিয়ে আলোচনা করা হবে সন্ধ্যায়।

    নির্বাচন এগিয়ে আসছে। এখন কিছুদিন ঘন ঘনই আলোচনা হবে তাদের। এবং বিধানসভা নির্বাচন শেষ হলেই, এক বছরের মধ্যে পঞ্চায়েত নির্বাচন চলে আসবে। তার ওপর, বর্তমান কেন্দ্রীয় মোর্চা সরকারের স্থায়িত্বের প্রতি আস্থা কারও নেই। যে-কোনও দিন সরকার ভেঙে দেওয়া হবে। নতুন করে হবে লোকসভা নির্বাচন। হয়তো তার জন্য জোর প্রস্তুতি নেবারও সময় পাওয়া যাবে না।

    সিদ্ধার্থ ভাবছিল, পর পর এতগুলি নির্বাচন হতে থাকলে রাজনৈতিক দলগুলি কেবল প্রচারকল্পেই ব্যস্ত থাকবে নিরন্তর। না থেকে উপায় নেই। তা হলে সত্যিকারের কাজ হবে কখন! দেশে রাজনৈতিক অস্থিরতা থাকলে জনজীবনের মান উন্নত হতে পারবে না।

    মোটরবাইক প্রাপ্তির কথা শুনে তৌফিক উত্তেজিত। প্রথমেই সে বলেছে—তুমি বসবে। আমি তোমায় সব জায়গায় নিয়ে যাব সিধুদা।

    সিদ্ধার্থ হেসেছে। এই ছেলেটি তার ছায়াসঙ্গী হয়ে উঠেছে প্রায়। নতুন নতুন কাজের পরিকল্পনা নিয়ে উদ্দীপিত। হঠাৎ, কাজের থেকে সুর পাল্টে সে বলল—একটা কথা তোমাকে বলার আছে সিধুদা।

    —বল।

    —আমার একটা থাকার জায়গা দরকার।

    —কেন রে? বাড়িতে কী হল?

    —বড় ভাই আর ভাবি আমাকে নিয়ে অশান্তি করছে খুব। আমার জন্য সারা বাড়ির অসুবিধা।

    —হুঁ। একটু ভেবে দেখি।

    কথা বলতে বলতে সাহেবপাড়ায় পৌঁছে গিয়েছিল তারা। আকাশে মধ্যাহ্ন সূর্যের দহন। আষাঢ়নবমীর ওই শুক্লপক্ষীয় বৃষ্টির পর আর মেঘ জমেনি। সারা পৃথিবী যেন পুড়ে পুড়ে ছারখার হয়ে যাচ্ছে। সেই পোড়া গন্ধ এসে লাগছে সিদ্ধার্থের ঘ্রাণে। শুধু মাটি-পোড়া গন্ধ এ নয়। দেহ-পোড়া গন্ধও। যেন শ্মশানঘাট এসে গিয়েছে সন্নিকটে।

    হঠাৎ চিৎকার শুনল সে। এই গরমের শুষ্ক দুপুরে পথে লোক কম। গ্রীষ্মের ছুটির পর স্কুলগুলি খুলেছে সবে। সে দেখল, জনবিরল এই পথেও ছুটে যাচ্ছে লোক। কোথায়? তখন চোখে পড়ছে তার। নিবেদিতা বাগচীর স্কুল, ‘প্রথম পাঠ’-এর দোতলার জানালা থেকে আগুনের হলকা উঠছে। একটি জানালা বন্ধ। একটি জানালা আধখোলা। তা থেকেই বেরিয়ে আসছে আগুন। তৌফিক তার হাত চেপে ধরে বলছে—সিধুদা! আগুন!

    সে বলছে—ছোট, তৌফিক!

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44 45 46 47 48 49 50 51 52 53 54 55 56 57 58 59 60 61 62 63 64 65 66 67 68 69 70 71 72 73 74 75 76 77 78 79 80 81 82 83 84 85 86 87 88 89 90 91 92 93 94 95 96 97 98 99 100 101 102 103 104 105 106 107 108 109 110 111 112 113 114 115 116 117 118
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleকয়েদি – তিলোত্তমা মজুমদার
    Next Article বসুধারা – তিলোত্তমা মজুমদার

    Related Articles

    তিলোত্তমা মজুমদার

    শামুকখোল – তিলোত্তমা মজুমদার

    August 25, 2025
    তিলোত্তমা মজুমদার

    অর্জুন ও চারকন্যা – তিলোত্তমা মজুমদার

    August 25, 2025
    তিলোত্তমা মজুমদার

    ঝুমরা – তিলোত্তমা মজুমদার

    August 25, 2025
    তিলোত্তমা মজুমদার

    নির্জন সরস্বতী – তিলোত্তমা মজুমদার

    August 25, 2025
    তিলোত্তমা মজুমদার

    বসুধারা – তিলোত্তমা মজুমদার

    August 25, 2025
    তিলোত্তমা মজুমদার

    কয়েদি – তিলোত্তমা মজুমদার

    August 23, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Our Picks

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }