Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    রাজপাট – তিলোত্তমা মজুমদার

    তিলোত্তমা মজুমদার এক পাতা গল্প1633 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    রাজপাট – ৭০

    ৭০

    ভাদ্দর মাসে সকলে যে
    তালের পিঠা খাইন।
    সেই মাসে ফতেমা গো
    স্বপনে দেখলাইন।।
    ছাউয়াল ছাউয়াল বইলা মাগো
    স্বপনে জাগিল।
    কোথায় রইলে বুকের ছাওয়াল
    বুকে দুঃখ দিল ॥
    হায় হায় রে—

    .

    শাঁখারি বিদায় নিলে ঘরে এল শিখারানি। সূর্য আর মধ্যগগনে নেই। উঠোনে ছায়া পড়েছে শেফালিগাছের, নিমগাছের। পরিষ্কার উঠোন। পরিষ্কার ঘরের দাওয়া। এই পরিচ্ছন্নতা সাক্ষী থাকে শিখারানির গৃহিণীপনার। সে তো ভাল বধূ হতেই এ বাড়িতে এসেছিল। ছদ্ম যোগিনী হতে নয়। বাসন মাজতে মাজতে নিজের হাতের দিকে চাইল সে। সত্যি, হাতদুটি যেন রূপ ঠিকরোচ্ছে। নকল শাঁখায় কি আর হাতের শোভা খোলে! এঁটো বাসনে ছাই ডলতে ডলতে গুনগুন করে গান ধরল সে ভাল করিয়া বাজান গো দোতারা… ভাল করিয়া… সখি ভাল করিয়া…

    ভুল সুরে ভুল কথায় ভরা গান। তবু গানে থাকে হৃদয়ের সুখ-দুঃখের প্রকাশ। সে টের পায়নি কখন পেছনে এসে দাঁড়িয়েছে অলক। বলছে—বাঃ! শাঁকচুন্নির হাতে সোনার কাঁকন মানিয়েছে ভাল।

    শিখারানির গায়ের রং কালো। গড়ন দোহারা। মুখে চোখে কম বয়সের কমনীয় শ্রী ছিল। লোকে দেখে বলত-বাঃ! বেশ।

    অলক যে-মন্তব্যটি করল, তা শিখারানি দেবরের পরিহাস ভেবে নিতে পারত। কিন্তু নিল না। সে বাঁকা চোখে তাকিয়ে বলল—তোমার চোখের মণিতে এখন চাঁদ ঠেকেছে কিনা, তাই সকলকেই শাঁকচুন্নি লাগছে। দেখ, পিরিতের রসের হাঁড়ি ঠোকা লেগে না ভেঙে যায়।

    অলক বলল —নিজের ঠাঁই ঠিক নেই বলে কি পরের দিকে চোখ ঠারবে?

    বাসন ধোয়া হয়ে গিয়েছিল। পাঁজা করে হাতে তুলে শিখারানি বলল—কী বলতে চাও কি তুমি? তখন একবার অপমান করে কথা বলেছ, কিছু বলিনি। ফের আমাকে খুঁচিয়ো না বলে রাখছি।

    –না! খোঁচাবে না। গুচ্ছের পয়সা দিয়ে উনি শাঁখা পরলেন। আর পিরিতি আমার কী দেখো! তোমার তো সকল লোকের সঙ্গেই পিরিতি। শাঁখারি বুড়োর সঙ্গেও যে এঁটুলির মতো সেঁটে রইলে! বিনি পয়সায় শাঁখা দিল নাকি তোমায়!

    —ছি ছি ছি!

    দাওয়ার ওপর ঝনাত করে বাসন রাখল শিখারানি। সোজা হয়ে দাঁড়িয়ে বলল— বাপের বয়সি লোকটাকে নিয়ে এমন ইঙ্গিত করো তুমি! না হোক এই ধাধা রোদ্দুরে ঝিমিয়ে মানুষটা একটু জিরোতে বসেছিল। তাকে নিয়ে তুমি এমন ময়লা ইঙ্গিত করো? নরকেও ঠাঁই হবে না তোমার। ছিঃ! কী কুৎসিত মন তোমার! কী নোংরা!

    দুটি মানুষের ঘনিষ্ঠতার শর্ত ছিল কী? দু’জনেই চাহিদা বুঝে পরস্পরকে জড়িয়ে ধরেছিল। শিখারানির প্রয়োজন ছিল বাঁচার অবলম্বন। বুদ্ধির, সাহচর্যের অবলম্বন। অলকের প্রয়োজন ছিল ।দেহতৃপ্তি। দেহের দাবি শিখারানিরও ছিল না এমন নয়। এই জড়ানো, এই এমনধারা জাপটানো সম্পর্ক মানুষ গড়ে তোলে সহজেই এবং সম্পর্ক ব্যথিয়ে উঠলে জড়ো করে বিষ। যত সহজে জড়ায়, ততখানি অবলীলাক্রমে ছাড়ায় না। বিষ ঢেলে, বিষ ঢেলে, দাঁতে কামড়ে ক্ষতবিক্ষত করে ছাড়ে। যে-শত্রুতা গোড়া থেকে জমে ওঠে, তা ভয়ঙ্কর। কারণ শত্রুতা মানেই এক বিষাক্ত বপন। কিন্তু পূর্বের ঘনিষ্ঠতা শত্রুতায় পর্যবসিত হলে তার বিষ পৃথিবীর আর সব বিষের চেয়ে গাঢ়।

    শিখারানি ও অলক—তাদের লেগেছে স্বার্থের সংঘাত। তারা আর বিশ্বাস রাখছে না পরস্পরে। শিখারানি বলছে—কী নোংরা তুমি! বিষ বিষ বিষ তোমার মন।

    অলক ধুয়ো দেয়—হ্যাঁ, আমি বিষ, তুমি সাপ। সাপ সাপ সাপিনী তুমি।

    —নোংরা! কুৎসিত!

    —হ্যাঁ! আমি নোংরা! আমি কুৎসিত! তুমি সতী-সাবিত্রী! ঢঙ করে শাঁখা পরা হচ্ছে!

    —বেশ করেছি পরেছি। আমার টাকায় পরেছি আমি।

    —তোমার টাকা! তোমার!

    অলক প্রায় নেচে উঠল। বিষ হাসি মুখে ছড়িয়ে বলল—তোমার টাকা! কী করে? কী করে?

    —হ্যাঁ। আমার টাকা। আমার রোজগার। যা করার সব আমি করি।

    –হুঁ! আমি না থাকলে কী করতে শুনি! সতী-মা না হয়ে বেবুশ্যে হতে হত! অবশ্য হতে আর বাকি কী রেখেছ!

    —কী কী কী বললে তুমি! আমি বেবুশ্যে! অত বড় কথা বলতে পারলে তুমি আমাকে অলক!

    দাওয়ার ওপর কাঁপতে কাঁপতে বসে পড়ল শিখারানি! চোখে আঁচল চাপা দিল। তার মাথায় আঘাত করতে লাগল একটিই শব্দ—বেবুশ্যে! বেবুশ্যে!

    সকল কঠিন কথা, কড়া কথা হারিয়ে গেল তার। সে কাঁদতে লাগল! অসহায় কান্না! কী করবে সে। তার যে আর মরণ ছাড়া গতি নেই। তাকে দেখে অলকের মন গলল না এতটুকু। সে আঘাত করার জন্যই যেন আঘাত করতে লাগল শিখারানিকে। বলল যাও! বাইরে বসে ন্যাকাকান্না কেঁদো না। ঘরে যাও।

    শিখারানি বলল—কথাটা ফিরিয়ে নাও অলক। এ আমার সহ্য হবে না। ফিরিয়ে নাও।

    কোনও কথা না বলে অলক ফিরে গেল ঘরে। শিখারানিও নিজের ঘরে গিয়ে দোর দিল। এই দোর দেওয়া না-দেওয়া সমান। তবু এতটুকু নিভৃতি তার প্রয়োজন ছিল খুব। উপুড় হয়ে শুয়ে কাঁদল সে অনেকক্ষণ। লোকে সংসারে অশান্তি হলে, স্বামীর সঙ্গে বনিবনা না হলে, অসুখ-বিসুখ করলে তার কাছে আসে প্রতিকারের আশায়। দিনের পর দিন ওই প্রতারণার সঙ্গে থাকতে থাকতে, অভিনয়ের মধ্যে থাকতে থাকতে, সে তার মধ্যেই ভরিয়েছে তার জীবন। আজ সকল প্রতারণার প্রত্যাঘাত এসেছে তার কাছে। প্রতিকারের আশায় সে কোথায় যাবে?

    কী বলবে? তার মতো বঞ্চিত কি এ-জগতের কোথাও কেউ আছে? স্বামী থেকেও নেই। সুখ-স্বাচ্ছন্দ্য নেই। এতটুকু ভাত-কাপড়ের জন্য সে ছল করে, প্রতারণা করে। কোলে একটা এল না যে, ভালবাসার আধার পূর্ণ হবে। হায়! তাকে ভালবাসার কেউ নেই। এতটুকু ভালবাসা কি পেতে পারত না সে? জীবনের কত-শত বঞ্চনাই তো ভালবাসার স্পর্শে সার্থক হয়ে ওঠে! সে কেন এমন একটু ভালবাসাও পেল না? একটা সময় সে তো ছিল নিষ্পাপ। পেটের দায়ে যে-পথ ধরেছে, শরীরের দায়ে যে-স্খলন ঘটিয়েছে, কোথাও যাবার নেই বলেই যে অশোকের দাবিও মিটিয়েছে, তারই জন্য কি ভালবাসা তার জীবনের আঙিনাও স্পর্শ করল না? অলকের মোহকে সে প্রেম বলে ভুল করেছিল। অথচ, ভালবাসা কোনও শর্তসাপেক্ষ নয় এমনই সে জেনেছে। কোন পথে আসবে প্রেম এবং হৃদয়কে পৌঁছে দেবে কোথায়, তার জন্য কোনও মহত্ত্বের দাবি কোথাও নেই। ময়না বৈষ্ণবীকে তার মনে পড়ে এই অবেলায়। ভালবাসার মর্ম তারই কাছে সে বুঝেছিল। ময়না বৈষ্ণবী! কী এক আশ্চর্য দৃষ্টি তার ছিল, হৃদয়ের অন্তঃস্থল অবধি যেন দেখতে পেত।

    .

    সে কখনও শিখারানির দাওয়ায় আপনা হতে বসেনি। শিখারানি শুনতে পায় তার শ্রীকণ্ঠ সুমধুরা। এক আশ্চর্য আকর্ষণ সে অনুভব করে। অলকা-তিলকা পরা চিরপথিক সেই বৈষ্ণবীকে তার মনে হয়, এ-মানুষকে ধরা-ছোঁয়া যায় না। সে যেন মাটির ওপরে থেকেও মাটির মানুষ নয়। একেবারে মালিন্যহীন প্রাণ দেখার অপার্থিব অনুভূতিই শিখারানির হয়েছে ময়না বৈষ্ণবীকে দেখলে। তাকে অস্বীকার করার চেষ্টাও সে কম করেনি। অমন রূপ যার, অমন ভরা বয়সের থৈ-থৈ শরীর, একলা, স্বাধীন, পথচারিণী নারী—এমন জীবনে স্বেচ্ছাচারের মালিন্য কোলে কোলে ফেরে। ময়না বৈষ্ণবীর প্রতিটি অঙ্গে চোখ বুলিয়ে শিখারানি সেই মালিন্য খোঁজার চেষ্টা করেছে। কিন্তু ভেবে পায়নি, তবু কেন এমন নিষ্পাপ লাগে তাকে! সে বোঝেনি। বুঝত না। বুঝত না বলেই একদিন সে নিজে ময়না বৈষ্ণবীকে পথ হতে ডেকে আনে। বলে—এসো না! কত বাড়ি যাও, আমার ঘরে দুটি ধুলো পা রাখো না কেন বোষ্টুমি-দিদি?

    ময়না বৈষ্ণবী দাঁড়িয়েছিল। হেসেছিল মৃদু। স্থির চোখ ন্যস্ত করেছিল শিখারানির দিকে। সেই মৃদু হাসি ও দৃষ্টির সামনে শিখারানির গায়ে কাঁটা দেয় তখন। সে বলে—এসো না একবারটি। ঘরে বসো। দুটি কথা কও। একটু জল-বাতাসা খেয়ে কেত্তন শোনাও।

    এসেছিল ময়না বৈষ্ণবী। দাওয়ায় বসে বলেছিল—ঘরে যাবার দরকার কী? এই বেশ ভাল জায়গা।

    শিখারানি বলে তখন—যদিও তুমি বোষ্টুমি, তবু বলি, সতীর থানে এসেছ, একটু দর্শন করো।

    ময়না বৈষ্ণবী ঝোলা হতে পান বের করে মুখে পোরে। শিখারানিকেও সাথে একখানা। শিখারানি নেয়। বৈষ্ণবী বলে—তা বলছ যখন, যাব। ভগবতীর ইচ্ছা হয়েছে, দর্শন দেবেন। পূজা কি তুমিই করো?

    —হ্যাঁ।

    —শুনি নাকি ভর হয় তোমার। সতীমায়ের দর্শন পাও।

    —হ্যাঁ দিদি। সবই তাঁর ইচ্ছা!

    এই চতুর ও বিচক্ষণ জবাব ময়না বৈষ্ণবী শুনেছিল ও পান চিবোতে চিবোতে শিখারানির জটা হতে পা পর্যন্ত দৃষ্টি বুলিয়ে বলেছিল—এই বেশ। সেবার পথ কী হবে, কে বলতে পারে? প্রেম, ভক্তি, ভালবাসা সকলমার্গগামী। অমৃতেও তার আগমন, গরলেও। সৎ হৃদয়ে তার অধিষ্ঠান, অসতেও। প্রেম, ভক্তি, ভালবাসা সব এক। একই চিৎশক্তির বিবিধ রূপ। বিবিধ প্রকাশ। দস্যু রত্নাকর মরা জপতে জপতে রাম বলেছিল।

    শিখারানি থমকে গিয়েছিল শুনে। নিহিত অর্থটি বুঝতে বেগ পেতে হয়েছিল তাকে। তখন ময়না বৈষ্ণবী তার খঞ্জনি পাশে গুছিয়ে রেখে বলে—গান তো শুনেছ।

    —হ্যাঁ গো! বড় মিঠে সুরেলা তোমার গলা।

    —আজ একটি গল্প শোনো।

    হাসিমুখে সে বর্ণন করেছিল সেই অদ্ভুত গল্প, যা তার বোধকে প্রশস্ত করেছিল, কামনাকে পরিশীলিত করেছিল, প্রায় একরকম দীক্ষামন্ত্রের মতো সেই গল্প প্রতিটি অক্ষরে অক্ষরে তার বুকে জেগে আছে অদ্যাবধি।

    .

    রাজবাড়িতে কাজ করে মেথরের বউ মেথরানি। একদিন তার শরীরটা খারাপ করেছে। তাই মেথর চলল রাজবাড়ির ময়লা সাফ করতে। সান্ত্রী তাকে নিয়ে চলল খিড়কি দুয়ারে। ওদিকেই রাজা-রানির খাটা পায়খানা। পায়খানার তল থেকে মেথর সরিয়ে নেবে মলভর্তি চাড়ি।

    এ কাজ সারতে সে পায়খানার তলায় গেল। রানি তখন মলত্যাগ করতে বসেছেন। মেথর খানিক মুখ তুলতেই দেখতে পেল মসৃণ, ফর্সা, কোমল উরু, রেশমি যোনি, দুটি অর্ধেক চাঁদের মতো পশ্চাদ্দেশ। এক ঝলকে যতটুকু দেখা সম্ভব, দেখে, রানিকে পাবার জন্য কামনায় অধীর হল সে। আহা! ওই অংশটুকুই যদি জুঁইফুলের পাপড়ির মতো কোমল ও সুন্দর, তা হলে বাকি অংশের রূপ তো অসহ্য ঠেকবে!

    সে কাজ করল, পথ চলল, ঘরে ফিরল —সারাক্ষণ তার মনে জেগে রইল রানির শরীরের ওই অংশটুকু। সে খেতে পারে না, ঘুমোতে পারে না, কী এক অস্থির যন্ত্রণা তাকে তাড়িয়ে ফেরে। মেথরানি শুধোয়—কী হয়েছে তোমার? অসুখ-বিসুখ করে তো বদ্যির কাছে যাও।

    মেথর বলে—বদ্যির সাধ্য কী, এ অসুখ সারায়!

    –কী অসুখ তোমার, আমাকে তো বলো!

    –রানির শরীরের একটুখানি আমি দেখে ফেলেছি বউ। দেখা ইস্তক পাগল হয়ে গেছি। রানিকে আমার চাই।

    —হে ভগবান! তুমি কি সত্যি পাগল হলে? তুমি রানিকে পেতে চাও? রানিকে? তুমি? একজন সামান্য মেথর? অন্য কোনও মেয়ে হলে নয় ভাবা যেত। কিন্তু স্বয়ং রানি! মরণ ঘনিয়েছে তোমার। প্রাণের মায়া থাকে তো ওই মতলব ছাড়ো!

    বউ কত বোঝায়। স্বামী বউয়ের কথার যুক্তি স্বীকার করে। কিন্তু দুর্ভাগা মেথর, রানির শরীরের অংশটুকু ছাড়া কিছু ভাবতে পারে না। তার মন গুড়ের মাছির মতো কামনার ফাঁদে পড়েছে। ক্রমে মেথর ক্ষ্যাপা-ক্ষ্যাপা হয়ে উঠল। খায় না, নায় না, ঘুমোয় না, কথা কয় না। একদিন সে ঘর ছেড়ে গেল। এখন সে পথের মানুষ। এখনও নিরন্তর রানির উরু ও যোনিদেশের কথা ভাবছে। একদিন এক বটগাছের তলায় বসে আছে, মনে সেই ভাবনা, কয়েকজন গ্রামবাসী এল তার কাছে।

    এতদিনে মেথরের চুল-দাড়ি বেড়ে উঠেছে। একই ভাবনা ভাবতে ভাবতে দৃষ্টি যেন কোন সুদূরে, কোন ক্রান্তদর্শনে নিবদ্ধ রয়েছে। খায় না, ঘুমোয় না, কথা কয় না। দেহ স্থির পাষাণবৎ। শোকের চোখে মেথর ধ্যানমগ্ন মুনিঋষির মতোই প্রতিভাত হল। তারা ফুল দিল, অর্ঘ্য দিল, ভোগ দিল। মেথর ফিরেও চাইল না। এমন অপার ঔদাসীন্য প্রত্যক্ষ করে লোকের আর সন্দেহ রইল না যে, ইনি একজন পবিত্র মহামানব। তাকে ঘিরে ভক্তের ভিড় জমল। দিকে দিকে তার কথা প্রচারিত হল। কিন্তু সে নির্লিপ্ত, উদাসী।

    এক মাসে তার খ্যাতি সারা দেশব্যাপী রটে গেল। রানিও তার কথা শুনলেন। পুণ্যাত্মাকে দর্শন করতে চাইলেন। দাস-দাসি, পাদ্য-অর্ঘ্য, ভোগ-প্রদীপ নিয়ে তিনি এসে দাঁড়ালেন মেথরের সামনে। মাটিতে লুটিয়ে, মেথরের পা ছুঁয়ে, সাষ্টাঙ্গে প্রণাম করে নৈবেদ্য রাখলেন সামনে। মেথর রানির দিকে ফিরেও তাকাল না। জানতেও চাইল না এই অপরূপা, অভিজাত, ভক্তিমতী রমণীটি কে। রানির উপস্থিতি তাকে স্পর্শও করল না।

    মেথরের কামনা ছিল উদগ্র। তা তাকে নিয়ে গেল সেই অবস্থায়, যেখানে সে সম্পূর্ণ নিষ্কাম।

    .

    চরম বেদনা, চরম অপমানের মধ্যে, আজও এই কাহিনি মনে পড়ে শরীর কণ্টকিত হল শিখারানির। দু’চোখ ভরে জল। একবার মনে হল, ময়না বৈষ্ণবী জীবিত থাকলে সে সংসার ত্যাগ করে বৈষ্ণবীর সঙ্গে নিত। হায়, সে নেই। শিখারানির পোড়াকপাল। তার জন্য কেউ নেই। সে সম্পূর্ণ নিঃসঙ্গ, বঞ্চিত, ব্যর্থ। কই, সে তো মেথরের মতো নিষ্কাম হতে পারল না। সেও ভালবাসে তো, ভালবাসে, তীব্র ভালবাসে। অলক অলক অলক, কেন তুমি আমাকে কষ্ট দাও? কেন অপমান করো? কেন আমাকে ছেড়ে অন্য মেয়ের কাছে যাবে তুমি? আমি তো তোমাকে আমার সর্বস্ব দিয়েছিলাম…সে আত্মগত বিলাপ করে। নদীর পাড় ভাঙে আর শিখারানির চোখ- নাক উপচে নামে বুকভাঙা কান্না।

    বহুক্ষণ কেঁদে খানিক হালকা হল সে। বিকেল গড়িয়ে গেছে। এখন আরও একবার স্নান করে ঠাকুরঘরে যাবার পালা। সে উঠল। মনে মনে বলল–ঠাকুর, না হয় ছল করি, মিথ্যাচার করি, পাপেরও সীমা নেই আমার। কিন্তু এই যে দু’বেলা তোমার পূজা করি, তাতে কি দোষ কাটে না?

    স্নান সেরে এসে ধোয়া শাড়ি পরল সে। তার মনে পড়ল, এই সেদিনও ভেজা কাপড় ছাড়ার সময়টায় ওত পেতে থাকত অলক। এই বিশেষ দৃশ্যের প্রতি, মুহূর্তর প্রতি তার আছে বিশেষ পক্ষপাত, বৃহৎ দুর্বলতা। ইদানীং সে আর আগ্রহ প্রকাশ করে না। নানা ঘটনাক্রমের মধ্যে দিয়েই মানুষ নিজের গুরুত্ব উপলব্ধি করে, গুরুত্বহীনতাও। মুখে বলে যা বোঝানো যায় না, তার অনেক বেশি ব্যঞ্জনা নিয়ে আসে ঘটনার অভিব্যক্তি। অতএব, এমনি করেই শিখারানি বুঝে যাচ্ছে তার গুরুত্ব কমছে।

    ঘরে বৈদ্যুতিক আলো নেই আজও। রাস্তার খুঁটি থেকে তার টেনে সতী-মায়ের মন্দিরে আলো জ্বেলেছে অলক। কিন্তু বাকি ঘরগুলোয় পারেনি। অশোক প্রায়ই বিদ্যুৎ সংযোগ নেবার কথা বলে, কিন্তু হয়ে ওঠে না। এভাবেই চলে যাচ্ছে দিনের পর দিন।

    টিমটিমে লণ্ঠন জ্বেলে একটি ছোট হাত-আয়নার কাছে দাঁড়াল শিখারানি। রোজই দাঁড়ায়। সিঁদুর দেয় কপালে, সিঁথিতে। দীর্ঘ অভ্যাসে শুধু সিঁথি আর কপালটুকুই দেখা হয় তখন। আর কোনও দিকে চোখ যায় না। ঘুরিয়ে ফিরিয়ে নিজেকে দেখার বাসনা উড়ে গেছে কবেই। আজ এতদিন পর, শাঁকচুন্নি বেবুশ্যে ইত্যাকার অভিধাগুলি পাবার পর, শিখারানি লণ্ঠন এনে রাখল দেওয়ালের তাকে। হাতে আয়না নিল। আলোর কাছে মুখ এনে ঘুরিয়ে-ফিরিয়ে দেখল নিজেকে। তার মনে হল, সত্যিই সে এক শাঁকচুন্নি। মাথায় জটা। রুক্ষ চুল। মুখের কোমল লাবণ্য চলে গিয়ে ঘাঁটি গেড়েছে ধূর্ত প্রৌঢ়ত্ব। গালের হাড়ের ওপর, চোখের কোলে পরতে পরতে অন্ধকার। যত মিথ্যা সে বলেছে, যত তঞ্চকতা সে করেছে, যত পাকা প্রতারণা-সব এক-একবার করে কালি লেপে দিয়ে গেছে মুখে।

    শাস্ত হয়ে গেল সে! অলককে এতটুকু দোষ দিতে পারল না তাকে শাঁকচুন্নি বলার জন্য। সে নিজেই বিশ্বাস করে বসল, যাকে দেখেছে আয়নায়, শিখারানির আত্মা ঘিরে যে দেহের অস্তিত্ব, সে শিখারানি নয়। পূর্বের শিখারানি নয়। প্রেত। শিখারানির প্রেতমাত্র। সেই প্রেতের বুকের মধ্যে জ্বলে রইল ঈর্ষার হলুদ শিখা। শিখারানির প্রতিমূর্তি হয়ে জ্বলে রইল তা।

    এমনই বিচিত্র এ জগৎ, এমনই অত্যাশ্চর্য এ জীবনের লীলা—এক পুরুষ অলক—যার ধন নেই, মান নেই, রূপ নেই মনোহর, ধূর্ততায় এক কাহন সে, শিক্ষা নেই এমন যে আপন পিতৃনাম শুদ্ধ বানানে লিখতে পারে, তবু তাকে ঘিরে গড়ে ওঠে দুই নারীর অধিকারের লড়াই। ভালবাসা-বাসির সঙ্গে অধিকার-অনধিকারের বোধে থাকছে না কোনও প্রত্যক্ষ যোগ। অপছন্দের মানুষটির প্রতিও গড়ে উঠতে পারে অধিকার দখলের ইচ্ছা। এ আমার এই উপলব্ধিটুকুই সেখানে যথেষ্ট, এ কীরকমভাবে আমার, তা বিবেচ্য নয়।

    শিখারানির প্রতি অলকের এই বোধ জন্মাতে পারত, যদি শিখারানিকে অধিকার করতে আসত কোনও বাইরের পুরুষ। ভর-পড়া শিখারানির ভড়ং-সম্বলিত উপার্জনসমেত যদি সেই পুরুষ শিখারানিকে আত্মসাৎ করতে চাইত। হয়তো, অলক ঘোষালের মধ্যে তখন-শিখারানি আমাদের কুলবধু—এই বোধ জাগলেও জাগতে পারত, অথবা, বিবিধ রকমে হতে পারত এই অধিকারের প্রকাশ, যেমন, এই নারীকে আমি ভোগ করি, আমার ভোগ্যা এ, অপরের ভোগ্যা এ হয় কী প্রকারে!

    অশোকের ক্ষেত্রে এমন মনোভাব প্রকাশ পায়নি, তারও আছে নানাবিধ কারণ। বড়ভাই অমর ঘোষাল দ্বারা উপেক্ষিত অবহেলিত নারীসম্পদটির প্রতি মাত্র এক ভাইয়ের অধিকার জন্মায় না কোনও নিয়মেই। এবং এই সম্ভাবনা ছিলই, অলক এবং শিখারানির অবৈধলিপ্ত সংসর্গ অশোক জানতেই পারে ও তদ্দ্বারা কিছু প্রতিবাদ রচে, কিংবা ভবিষ্যতে আরও কোনও বিপর্যয় করে আহ্বান, যেমন, অলকের অনাগত বৈধ স্ত্রীর কানে লাগানি— ভাঙানির সম্ভাবনাকে ফেলে দেওয়া যায় না মোটে, অতএব, সে বরং ভাল যে মাঝে মাঝে অশোক অলকপথগামী হল আর দুই ভাই পরস্পরের মুখ শোঁকাশুঁকি করে লাঙ্গুল ইঙ্গিতে বুঝিয়ে দিতে পারল শিখারানি বৃত্তান্ত, যা হতে তারা কেউ-ই অব্যাহতি পায় না।

    এমত ভোগ্যা শিখারানি, বুঝি-বা বেবুশ্যে তাকে বলা যায়, কারণ পুরুষ নারীকে একা ভোগ করতে চায় এবং বহুভোগ্যা নারীকে দেয় তকমা। যারা ভোগ করে, শুদ্ধতার বিচারও করে তারাই। আসলে সকলই অধিকারের ছক, সকলই ভোগের ইতিবৃত্ত। অতএব এমত ভোগ্যা শিখারানি একা একা গেল সতী-মায়ের মন্দিরে আর সারতে লাগল সান্ধ্যকৃত্য। ঘরখানি পরিষ্কার রাখতে হয়। সাজিয়ে তুলতে হয় ঠাকুরদেবতার ছবি চন্দনে সিন্দুরে। ভক্তির উপকরণে অভাব রচিত না হয় যাতে তারই আয়োজন। কিছুকাল পূর্বেও অলকের নিত্যসাহচর্য ছিল এই আয়োজনে। ইদানীং একা সে প্রায়শই। সে চুলের জটাভারে গুঁজে দিল একটি শুকনো জবা ফুল আর কাজ করতে লাগল।

    কখনও, মানুষের মন হয়ে থাকে এমনই ভারগ্রস্ত যে, ভারী মন অস্থির নয়, বরং শান্ত সমাহিত। সেই সমাহিত মনেই আসে বিনষ্টিকামনা, আসে শাপমন্যি। শিখারানিও করছিল তেমনই কামনা কিছু। ভাবনার মতোই, আত্মকথনের মতোই বলে চলেছিল সে—না হয় অভিনয়ই করি, কিন্তু ডাকি তো ঠাকুর তোমাকে! সতী-মা যদি সত্যি হও তুমি, তবে মিথ্যার ভিতর দিয়েই কিছু শক্তি আমি পেয়েছি নিশ্চিতই।…

    নিশ্চিতই। কারণ কারও রোগ তো সারে। তার মন্ত্র পড়ে ফুঁ দিয়ে দেওয়া নিমের কাঠি রোগহরণ হয়ে ওঠে তো! এই যে বাঁধন দিয়ে এল সে পোদ্দারবাড়ি, তারপর হতে আজও পর্যন্ত সেই অতৃপ্ত আত্মা, সেই হতভাগী প্রেত দেখা তো দেয়নি আর। এ সম্ভব হয় কী প্রকারে! অতএব, কিছু শক্তি সে আত্মস্থ করেছে এমনই বিশ্বাসের ইচ্ছা, তাকে নির্ভরতা দেয় কিছু। সে বলে—সুখী হবে না তুমি ঠাকুরপো। অলক ঘোষাল তুমি মা-সতীর কৃপা পাবে না। ধনে-বংশে সর্বনাশ হোক তোমার যদি ওকে বিবাহ করো। ধনে-বংশে সর্বনাশ হোক হোক হোক!

    মেঝেয় জল পড়েছিল, কেননা ধোয়া-মোছার কাজে লাগে জল, চন্দনের ঘন রস তৈরি করতে লাগে জল এবং অসাবধানে সেই জল মেঝেয় পড়ে পিছল সে-ভূমিতে শ্রীমতী সেবিকা শিখারানির পা হড়কে গেল আর সে শরীরের ভারসাম্য রাখতে পারল না, ফলে পড়ে যেতে যেতে সে শূন্য আঁকড়াতে চাইল এবং পড়তে পড়তে সমস্ত শরীর তার অসহায় মেঝেতে শয়ান, পা গিয়ে লাগল সজোরে ওই সতী-পদচ্ছাপ লাগা পাথরে। পাথর সরে গেল।

    পা ব্যথায় ঝনঝন করছিল। সে হাঁচোড়-পাঁচোড় করে উঠতে উঠতে বলল—উঃ! মাগো!

    এক ঝলকের জন্য তার মনে হল, সে অপরের অমঙ্গল কামনা করছিল বলেই কি পড়ল এমন।

    উঠল সে। লেগেছে বেশ। কনুই ছড়ে গেছে। কোমরে আঘাত লেগেছে। কপালের কোণ ফুলে গেছে। মাথা বেঁচে গেছে তবু। আর পা। পায়ে লেগেছে বড়। যন্ত্রণাকাতর সে। উঠে বসে পায়ে হাত বুলোতে বুলোতে দেখছে হাড় ভেঙে গেল কি না। দেখছে ফুলে গেল কি না। দাঁড়াল সে। কাঁপছে শরীর। কেন-না পড়ে যাওয়ার এই অতর্কিত প্রক্রিয়া তার স্নায়ুকে দুর্বল করেছে। সে পা ফেলছে। ব্যথা পা-কে ফেলছে ধীরে। যত্নে। ভালবেসে। আর চোখে পড়ে যাচ্ছে এক আশ্চর্য দৃশ্য। এ কী! এ এ এ কী! নড়ে গেছে! সতীর পাথর নড়ে গেছে! এ পাথর অনড় এমনই তো শুনেছিল সে। তারাও দিনের পর দিন, স্নান করিয়েছে, ধুয়েছে মুছেছে কতবার, নড়েনি তো, সরেনি একচুলও, আর আজ, তার পদাঘাতে, অনিচ্ছার পদাঘাতে সতীর পদচ্ছাপ সরে গেল! কতদিন পর! কতদিন কতদিন কতদিন পর! আর বেরুল এ কী! এ কী! আলোর বিভার মতো লাগে!

    আধ হাত গভীরতা গর্তের। ছ’আঙুল পরিমাণ চওড়া। তার মধ্যে হলদে আলোর উৎস যেন বিদ্যুতের খুঁটি হতে টানা তারের প্রান্তে ঝোলানো মিটমিটে আলোটুকুর প্রতিফলনে জেগে ওঠা বিভা!

    শিখারানি, পায়ের ব্যথা ভুলে, উবু হয়ে বসল। কোমরের ব্যথা ভুলে নিচু হল, কপালের আঘাতে ভুলে বাড়িয়ে দিল হাত। এ কী! এ কী! আধহাত গভীর গর্ত জুড়ে রুপোর ঘট একখানি। গায়ে মাটি জমে আছে। শুধু জেগে আছে তার বাঁকা গলা। ভেতরে তার সোনার আভা উঁকি দেয়। শিখারানি দু’ আঙুলে তুলে নিল আভাকিরণের বস্তু। একখানি সোনার বিছেহার। রাখল সে। তার শরীর কাঁপছে যেমন ম্যালেরিয়া জ্বরের আগে কাঁপে রোগী। সে কাঁপা হাত মুঠো করে ঢোকাল আবার। একখানি রতনচূড়। আরও একখানি। মকরমুখী বালা। কানপাশা। চূড়ো-বাঁধা আংটি। তিন লহরী হার। টিকলি। সোনার নূপুর। দশ গাছা চুড়ি। চুড়িগুলি ছোট, যেন বালিকার। আংটি ছোট। যেন চাঁপাকলি আঙুলের। রতনচূড় ভারী, তবু কোনও কোমলাঙ্গী ক্ষীণতনু মৃদুহস্তাই তা পরিধান করতে পারে।

    শিখারানি দিশাহারা। গলা শুকিয়ে কাঠ। কম্পিত হাতে সে দেখল নকশার খাঁজে খাঁজে জমে থাকা ধুলো, মাটি। তবু স্বর্ণপ্রভা কী মোহময়!

    তখন পথে কার স্বর শোনা যায়! কে যেন এগিয়ে আসে! শিখারানি সন্ত্রস্ত হল। দ্রুত হাতে গহনাগুলি পূর্ববৎ ফেলে দিল ঘটে। দু’হাতে টেনে দিল সতীর পদচ্ছাপ দেওয়া পাথর। ভাল করে দেখল, যেরকম ছিল, সেরকমই আছে তো!

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44 45 46 47 48 49 50 51 52 53 54 55 56 57 58 59 60 61 62 63 64 65 66 67 68 69 70 71 72 73 74 75 76 77 78 79 80 81 82 83 84 85 86 87 88 89 90 91 92 93 94 95 96 97 98 99 100 101 102 103 104 105 106 107 108 109 110 111 112 113 114 115 116 117 118
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleকয়েদি – তিলোত্তমা মজুমদার
    Next Article বসুধারা – তিলোত্তমা মজুমদার

    Related Articles

    তিলোত্তমা মজুমদার

    শামুকখোল – তিলোত্তমা মজুমদার

    August 25, 2025
    তিলোত্তমা মজুমদার

    অর্জুন ও চারকন্যা – তিলোত্তমা মজুমদার

    August 25, 2025
    তিলোত্তমা মজুমদার

    ঝুমরা – তিলোত্তমা মজুমদার

    August 25, 2025
    তিলোত্তমা মজুমদার

    নির্জন সরস্বতী – তিলোত্তমা মজুমদার

    August 25, 2025
    তিলোত্তমা মজুমদার

    বসুধারা – তিলোত্তমা মজুমদার

    August 25, 2025
    তিলোত্তমা মজুমদার

    কয়েদি – তিলোত্তমা মজুমদার

    August 23, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Our Picks

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }