Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    রাজপাট – তিলোত্তমা মজুমদার

    তিলোত্তমা মজুমদার এক পাতা গল্প1633 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    রাজপাট – ৭৫

    ৭৫

    চারিদিকে সরবরাহের সুর সারাদিনমান
    কী চাহিদা কাদের মেটায়।
    মানুষের জন্যে মানুষের সব সম্ভ্রমের ভাষা, ভাঙাগড়া, ভালোবাসা
    এতদিন পরে এই অন্ধ পরিণতির মতন
    হয়ে গিয়ে তবুও কঠিন ক্রান্তি না কি?
    কোলাহলে ভিড়ে গেছে জনসাধারণ;
    জীবনের রক্তের বিনিময়ে ফাঁকি
    প্রাণ ভরে তুলে নিয়ে পরস্পরের দাবি হিংসা প্রেম ঊর্ণাকঙ্কালে মিলে গিয়ে
    তবুও যে যার নিজ অন্ধ কাঠামোর কাছে ঠেকে—অহরহ—

    .

    যখন দিনের আলোর তাপে শ্রান্ত বিকেল, তারা পৌঁছল ঘাটলায়। ভাঁটির সময়। জল নেমে গেছে। একেবারে ঘাটের কানা অবধি পৌঁছল না নৌকা। নদীর জলপ্রান্ত হতে থকথকে কাদা পাড় অবধি গিয়েছে। নৌকা হতে তক্তা পেতে দিলে গড়িয়ে লোক নামবে যেখানে, সেখানেও পায়ের পাতা-ডুবি কাদা।

    তারাও নামল হাতে চটি নিয়ে, পায়ে কাদা মেখে। হাঁটু অবধি গুটনো প্যান্ট। তারা— সিদ্ধার্থ, হারাধন, তৌফিক। হারাধন মৌসুমিকে আনেনি সঙ্গে। আসতে চেয়েছিল সে। তবু আনেনি। আনলে রাত্রিবাস করতে হবে। এ বাড়িতে বউ নিয়ে এত লোক শোবে কোথায়!

    মৌসুমি বলেছিল—সবার মধ্যেই শোব। তোমার মা-বাবা ভাই-বোন থাকতে পারলে আমি কেন পারব না?

    হারাধন বিরক্ত বোধ করেছিল। বলেছিল—তুমি পারবে না কারণ তোমার অভ্যাস নেই।

    —অভ্যাস করব।

    —না।

    —না কেন? লোকে শুনলে কী বলবে বলো তো? বছর ঘুরতে চলল বিয়ে হয়েছে। এখনও শ্বশুরের ভিটেতে রাত্রিবাস করিনি।

    হারাধনের কান গরম হয়ে উঠেছিল। ভিটে! ওই এক ফোঁটা ধারার বেড়া দেওয়া বাড়ি, ওই পেতনির চরে ভাসমান জীবন, তার নাম ভিটে! ভিটে তাকেই বলে যেখানে আছে বংশ-পারম্পর্যের স্থায়িত্ব! যে-ভূমির অস্তিত্বই নেই এ দেশের ডাঙাজমির হিসেবে, তার ওপর ভিটে জন্মায় কী প্রকারে!

    অতএব, তার মনে হয়েছিল, মৌসুমি ব্যঙ্গ করছে তাকে। চোখে আঙুল দিয়ে দেখিয়ে দিচ্ছে, তারা কী! কেমন! কতখানি নিঃস্ব! কতখানি ভিখিরি প্রকৃতির! একেবারে হাতে-কলমে প্রমাণ করে দেবার জন্যই সে যেতে চায় ওই অকুলান গৃহে।

    অপমানের বিনিময়ে পাল্টা অপমান হেনে দেবার অভিপ্রায় অতএব জেগেছিল তার। তবু, সংযমে, ভদ্রতার শ্লীল আচরণ টানতে টানতে সে বলেছিল— লোকের কথায় কী আসে যায়?

    —অনেক কিছুই যায়। আমার খারাপ লাগে জানো! একসঙ্গে রাত্রিবাস না করলে সম্পর্ক গড়ে ওঠে না। শ্বশুরবাড়ির সঙ্গে আমার তো একটা সম্পর্ক তৈরি হওয়া উচিত। ওঁরা তো জানলেনই না আমি কেমন।

    বলেছিল মৌসুমি। গুছিয়ে বলেছিল। তার কথা, তার বাক্যগুলি, কখনও খাপছাড়া নয়। একের পর এক নিপুণ দক্ষতায় সাজিয়ে তোলা এমন যেন তাকে অনায়াসে বলা চলে বাকশিল্পী। তার যুক্তির কাছে হারাধন প্রায়শই বিমূঢ় বোধ করে। পৌরুষের অহংকৃত জোর খাটিয়ে বেরিয়ে যেতে চায়। মৌসুমিকে বুঝতে চাওয়ার তাগিদ সে বোধ করে না, কিন্তু মৌসুমি নিজেকে বুঝিয়ে ফেলে, জানিয়ে ফেলে সে ঋজু অথচ আবেগপ্রবণ। সে যুক্তিবাদী অথচ তীব্র অভিমানী। তার সঙ্গে সারাক্ষণ অভিমান ভাঙতে ভাঙতে চলার চেষ্টা করে চলেছে মৌসুমি হারাধন টের পায়। কিন্তু সেই প্রচেষ্টাকে দেয় না প্রশ্রয়, দেয় না স্বীকৃতি বা সম্মান।

    অনুগ্রহে পালিত সে, মেধাবী ও উন্মাদ প্রেমিক–সে জানে না, অভিমানী মানুষ-মানুষী যারা, অভিমান ভেঙে ভেঙে এলে, সমাদর না যদি পায়, তাহলে পাথর হয়ে যায়, জমাট পাথর হয় ক্রমে।

    সে খবর জানে না সে। অতএব বলেছিল—তাই নাকি? তা হলে খুব ক্ষতি হচ্ছে সবার!

    মৌসুমি, খানিক থমকে বলেছিল—তুমি জান আমি ঠিক বলছি। তাই ব্যঙ্গ করছ!

    হারাধন বলেছিল—বেশি জানার দরকার কী! শেষে কেঁচো খুঁড়তে সাপ বেরুবে। তখন তোমার ওই লোকলজ্জা সামলাতে প্রাণান্ত হবে আমার।

    —কী বলতে চাইছ তুমি?

    —তুমি খুব ভালই বুঝতে পারছ আমি কী বলছি!

    —এভাবে…এভাবে অপমান করতে পারলে তুমি আমাকে?

    মৌসুমির চোখে জল এসেছিল। সে অশ্রুপাতে মন গলেনি হারাধনের। এই ক’মাসে সে বুঝেছে, মৌসুমি অল্পে কাঁদে। অল্পে রেগে যায়। দুঃখ পায় অল্পেই। যদিও তখন সে চাইছিলই দুঃখ দিতে। অপমানের বিনিময়ে অপমান। আঘাতের বিরুদ্ধে প্রত্যাঘাত-এই তো পৃথিবীর নিয়ম। কোথাও এর ব্যতিক্রম নেই। স্বামী-স্ত্রী হোক, প্রেমিক-প্রেমিকা হোক, বন্ধু-বন্ধু হোক— প্রত্যাঘাত না করা অবধি স্বস্তি নেই। সহিষ্ণুতা দুর্বলতা মাত্র। কী তার দাম! ক্ষমা নির্বোধের ধর্ম! তাই নখরে নখর বসে। দাঁতে দাঁত। আঁচড়ে কামড়ে ক্ষতে ও বিক্ষতে কেটে যায় জীবনের অর্থহীন সিংহভাগ। সে আর মৌসুমি, একসঙ্গে থাকতে শুরু করা যাবৎ, চলেছে এ নিয়মেই। যে-যার দাঁত ও নখরে তারা শান দিতে থাকে সারাক্ষণ। কাটে, ছেঁড়ে, আহত করতে চায় পরস্পরকে। তবু তাদের সম্পর্ক আছে। তবু তারা যৌনতায় আবদ্ধ হচ্ছে। তবু তাদের দাম্পত্য জীবন মুখর।

    হারাধন জানে না সকল দাম্পত্যই এমনই এরকমই কি না। কাছ থেকে সে দেখেছে তার মা মৌসুমি ও অসিতস্যারের দাম্পত্য। তার মধ্যে কেবলই শৈথিল্য, কেবলই শীতলতা। হতে পারে সন্তানহীনতা তার কারণ, হতে পারে নিষ্প্রেম বন্ধন। প্রকৃত কারণ সে জানে না।

    তাদের পরিবারে দারিদ্রের দারুণ দাপটে প্রেম এক অন্য রূপ নিয়ে আসে। দানাপানি খুঁটে নিতে নিতে সেখানে অন্য মায়ার পরিসর। খেতে বসলে, বাড়িতে, সে-ই পায় সেরা। দ্বিতীয় সেরাটি তার মা আলতা নিঃশব্দে নারানমুদির পাতে তুলে দেয়। এর মধ্যে কী আছে সে জানে না, প্রেম কতখানি, আর কতখানি নির্ভরশীলতার জন্য আত্মনিবেদন, বোঝে না সে। বরং রেজাউলের দাম্পত্যে সে পায় কিছু মধুরতা। একমাত্র ওখানেই সুখী সরল দাম্পত্যের পেনসিলে আঁকা রেখাচিত্র সে পায় কিছু পরিমাণ! কিন্তু তার দেখা আর কতটুকু! লোকের দেখার বাইরেও যে না-দেখার অনেকখানি জগৎ, দাম্পত্যের মাঝখানে জেগে থাকে অতি নিজস্ব গোপনীয়তায়, তা রম্য কী কদর্য, জানে দু’জন কেবল। যাকে ঘিরে গড়ে ওঠে দাম্পত্য। হারাধন সে, বিবাহের আগে কেবলই যৌনক্ষুধা মেটাবার তরে এক নারীদেহ চেয়েছিল। সেই কামনা চরিতার্থ করার পথ এই বিবাহ। বিবাহকে কেন্দ্র করে আগামির সরণি সে সাজায়নি স্বপ্ন দিয়ে। কোনও মধুরের প্রত্যাশা তার ছিল না। অমধুরের প্রত্যাশাও নয়। যা হয়, যা হচ্ছে, তারই মধ্যে দিয়ে যেতে হবে বলে যাওয়া।

    সে ভাবে না বিশেষ। ভাবে না তার স্ত্রী মৌসুমির কথা। যতটুকু সময় দর্শনের, স্পর্শের, ততটুকুর জন্যই ওই নারী সকল অস্তিত্ব সমেত এসে দাঁড়ায় তার কাছে। তার বাইরে তার ভাবনার অনুভূতিময় আনন্দজগতে আছেন তিনি। মৌসুমি। হারাধনের স্ত্রীর নাম হতে মৌ ছেঁটে তিনি করেছেন সুমি। মৌ রেখেছেন নিজের জন্য।

    এমতাবস্থায়, যখন সে নিয়ে যাচ্ছে এক ভবিষ্য নায়ককে তার গৃহে, যখন এক ভূমিখণ্ডের অস্তি ইতিহাস লিখে নিচ্ছে নিজস্ব ভাষায়, তখন সুমির কথা মনে পড়ে যাওয়াকে হারাধন শুভ দেখল না এতটুকু। সে জোর করে, যেন ঠেলে বার করে দিচ্ছে গৃহে আশ্রয়কামী পাগলকে, এমনই ভুলে রইল সুমির ভাবনা। বরং তার মনে পড়ল মৌসুমিকে। ক’দিন যাওয়া হয়নি। ক’দিন? সে সকলের অলক্ষ্যে কর গুনল। একদিন দু’দিন। দু’দিন? তার মনে হল, মৌসুমি প্রতীক্ষা করে আছেন এই সন্ধ্যায়। অভিমানী মুখ নিয়ে, চোখে ক্লান্তি জলভরা।

    আজ নয়। অপেক্ষা করেছিলেন তিনি কাল। তিনি জানেন, আজ এই পেতনির চরে হারাধনের আসার কথা। এর মধ্যে কোনও দিন পেতনির চরে আসার বাসনা মৌসুমি প্ৰকাশ করেননি। সেদিন কী হয়েছিল তাঁর, বলেছিলেন, হঠাৎই কোনও ভূমিকা ছাড়াই, উদাস অন্যমনস্কতার ভিতর—আমাকে নিয়ে যাবি?

    —কোথায়?

    সে জিগ্যেস করেছিল।

    —তোদের ওই পেতনির চরে।

    —পেতনির চরে যেতে চাও তুমি!

    সে বিস্ময় প্রকাশ করেছিল।

    —কেন? যেতে নেই?

    –না। তা কেন?

    সে কথা খুঁজে পায়নি সহসা। কাজ থেকে ফিরে ক্ষুধার্ত বোধ করায় মৌসুমি তাকে খেতে দিয়েছিলেন। এমনিতেই তার জন্য তৈরি করা থাকে নানাবিধ পদ। যত রান্না মৌসুমি জানেন, উজাড় করে দিয়েছেন তার জন্য। রান্নার বই কিনে রেঁধেছেন নতুন নতুন পদ। সে যদি খেতে চায় কোনওদিন, যদি বলে—মা খিদে পেয়েছে—মৌসুমি ব্যস্ত হয়ে ওঠেন। আগল-পাগল হয়ে বলতে থাকেন—সেই তো, খিদে পেয়েছে আমার ছেলেটার, কী দিই! তোর জন্য যে শুধু একটু পুডিং করেছিলাম আজ। তাতে কি তোর হবে? চট করে একটু লুচি ভেজে দিই!

    এইসব সময় মৌসুমি যেন এক অন্নপূর্ণা হয়ে উঠতে চান। পক্ষীমাতা, কথাটি শুনেছে হারাধন। শাবকগুলিকে আড়াল-আবডাল দেবার জন্য যে ডানাদুটি দিয়ে ঢেকে দেয় তাদের। ঠুকরে দেয় নিকটতর ক্ষতিসম্ভাবনার যা কিছু। পাখির চোখ তখন হয়ে ওঠে ত্রাসে বিস্ফারিত, রাগী, প্রতিহিংস্র। শাবকগুলির প্রতি অধিকারবোধ এবং সুরক্ষার উগ্র চাহিদায় সারা শরীরে ফুটে ওঠে বেপরোয়া অভিব্যক্তি।

    মৌসুমিও এমন। এমনই। হারাধনকে তিনি ডানার আড়ালে রেখে দিতে চান সর্বদা। তাঁর সর্ব অবয়বে ফুটে থাকে আগ্রাসী অধিকারবোধের অভিব্যক্তি। সেই অভিব্যক্তির দর্শনে আরাম পায় হারাধনের মন। তৃপ্তি পায়। ওই ত্রস্ততা বাড়িয়ে তুলতে তার মন নিত্য ফিকির খোঁজে। স্ত্রী মৌসুমির সঙ্গে নানান ছন্দহারা মুহূর্তের গ্লানি মুখে চপচপে করে মেখে সে আসে। দাঁড়ায় মৌসুমির কাছে। তার ক্লিষ্ট মুখ দেখে মৌসুমির স্নেহ উথলে ওঠে। তিনি সকল উদ্বেগ গলায় ঢেলে জিগ্যেস করেন—কী হয়েছে হারাধন?

    সে বলে-কেন আমাকে বিয়ে করতে বলেছিলে মা? আমার সব শান্তি গিয়েছে। আনন্দ গিয়েছে।

    মৌসুমি বুকে চেপে ধরেন তার মুখ তখন। সে ওই পরিচিত গন্ধের বুকে নাক ঘষে ঘষে বৃত্তে ঠোঁট চেপে ধরে ব্লাউজের ওপর দিয়েই প্রথমে। বস্তুটি চিনতে বুঝতে খুঁজে নিতে অসুবিধে হয় না তার কারণ সে ছোঁয়া মাত্রই বৃত্তগুলি ব্লাউজের ওপর দিয়ে ফুটে ওঠে, যেন ছিঁড়ে বেরুতে চায় বস্ত্র-আবরণ।

    সেদিন, সে খাচ্ছিল তখন, মৌসুমি তাঁর দূরের চেয়ারে। বিষণ্ণ। উদাসীন। ইদানীং বিষণ্ণতা বেড়ে গেছে তাঁর। গাম্ভীর্য বেড়ে গেছে। সে হাঁচোড়-পাঁচোড় করে গাম্ভীর্য সরিয়ে দিতে চায়। যেন এক ভারী পর্দা সরাতে সরাতে সরাতে হাঁপ ধরে যাওয়া সে অবসন্ন হয়ে পড়ছে যখন, এতটুকু প্রসন্নতা উপহার দিচ্ছেন তাকে মৌসুমি। তাই নিয়ে খুশি সে। তাই নিয়ে সার্থক জীবন। মৌসুমী মায়ের মুখে এতটুকু প্রসন্নতা, এতটুকু হাসি দেখতে পাওয়াই এখন, ইদানীং তার প্রাণের উদ্দেশ্য।

    সেদিন, তিনি বলেছিলেন—কখনও তো বলিসনি হারাধন, চলো, আমার সঙ্গে চলো।

    সে বলেছিল—মা, তুমি জানো আমাদের বাড়ি…

    –তোর বউকে তো নিয়ে গেলি। তখন তো মনে হল না ওই বাড়ির কথা। সঙ্কোচ হল না তো তোর। আমার চেয়ে তোর বউ তোর বেশি আপন তা হলে বল।

    —মা, তুমি জানো, তোমার চেয়ে বেশি আপন আমার কেউ নেই।

    —তাহলে নিয়ে চল আমাকে হারাধন! বউকে নিলে আমাকে কেন নিবি না?

    –কী করবে তুমি মা? ওখানে তো দেখার কিছু নেই।

    —সুমি কী করেছে?

    —মা, ওকে নিয়ে যাওয়াটা ছিল ভদ্রতা। সামাজিক ভদ্রতা। তুমি তো জানো।

    —সেই তো। আমার জন্য তো সামাজিক প্রয়োজন নেই। আমি তোর বাড়ি দেখতাম। তোর মা-বাবা। হারাধন, যেখানে বেড়ে উঠেছিস তুই, সেই মাটি কি আমার প্রিয় হতে পারে না?

    বিস্ময়ে তাকিয়েছিল সে মৌসুমির দিকে। দেখেছিল। কী বলছেন ওই মহিলা! সত্য? এ কী! এ কি সত্য? বেড়ে ওঠার স্থল, সময় কাটাবার গৃহ, লেখার টেবিল, শোবার বিছানা —এ সমস্তই দর্শনীয় হয়ে ওঠে, স্মৃতিতাড়িত হয়ে ওঠে মহান মানুষের জন্য। তার মতো কারও জন্য তো নয়। অথচ সে একজনের কাছে, অন্তত একজনের কাছে হয়ে উঠেছে তেমনই পরম, তেমনই তুলনাহীন প্রিয়! চোখে জল এসেছিল তার। ধরা গলায় বলেছিল সে—মা! নিয়ে যাব তোমাকে!

    জল, চোখ হতে উপচে নেমেছিল গালে। মৌসুমি উঠে এসেছিলেন। বুকে টেনে নিয়েছিলেন খাবারে পুরন্ত মুখ-মাথা। শান্ত স্বরে বলেছিলেন —কাঁদিস না। সোনা! খেতে খেতে কাঁদলে দুখী হয়।

    তার খাওয়া হয়ে গেলে তাকে জড়িয়ে মৌসুমি বলেছিলেন— তোর অসিতস্যার কোথাও নিয়ে যায়নি আমাকে। আজ চব্বিশ বছরের বিবাহিত জীবনে বারকয়েক কলকাতা গিয়েছি। তোর স্যারের বন্ধু আছেন, উজ্জ্বল পরামাণিক, উঠেছি তাঁদের বাড়িতে। ব্যস। ওইটুকু। কলকাতাতেও তো দেখার আছে কতকিছু! কোথাও নিয়ে যায়নি।

    —আমি নিয়ে যাব।

    —কোথায় নিয়ে যাবি?

    —বল কোথায় যেতে চাও তুমি?

    —দার্জিলিং, পুরী, রাজস্থান, পণ্ডিচেরি। নিয়ে যাবি?

    —যাব।

    —আর তোদের চরে?

    —নিয়ে যাব মা।

    —আমি তা হলে ব্যাগ গুছিয়ে রাখি?

    –এবার হবে না মা। সিদ্ধার্থ যাচ্ছে আমার সঙ্গে। সঙ্গে তৌফিক বলে আরও একজন। এবারে অসুবিধে হবে তোমার। আমিও অন্য কাজে ব্যস্ত থাকব।

    —এড়িয়ে যাচ্ছিস, না? আসলে তুই সুমিকে নিয়ে যাবি।

    —মা!

    রাগ করেছিল সে। মৌসুমির আলিঙ্গন থেকে নিজেকে ছাড়িয়ে নিয়েছিল। উঠে যেতে যেতে বলেছিল—এমন অবুঝ অভিমান তো তুমি করতে না মা! আমাকে আর বিশ্বাস করো না তুমি!

    —করি, করি, করি।

    মৌসুমি ঝাঁপিয়ে পড়েছিলেন তার ওপর।

    —ছেড়ে যাস না! চলে যাস না!

    আর্তনাদ করেছিলেন তিনি।

    এক বিমুখ জেদ চেপে বসেছিল তার ওপর। মৌসুমিকে ঠেলে সরিয়ে দিয়েছিল সে। এরকম হয়নি এর আগে কখনও। মৌসুমি ঠেলে দিয়েছেন তাকে। কিন্তু সে ফিরে এসেছে বারবার। সেদিন সে-ই ঠেলে চলে এসেছিল। মৌসুমির পিছুডাকে সাড়া দেয়নি। বিরক্তি ঘিরেছিল তাকে, ক্রোধী জেদ ঘিরেছিল। সারা জগতের অবুঝপনায় অসহায় লেগেছিল তার। মনে হয়েছিল, এমন একজনও কি নেই যে কোনও দাবি ছাড়া, অভিযোগ ছাড়া, ভুল বোঝা ছাড়া নির্মলতায় তাকে কাছে টেনে নেবে?

    আজ কষ্ট পাচ্ছে সে মৌসুমির জন্য। মৌসুমির চেয়ে কাছের মানুষ আর কে হতে পারে! অতখানি ভালবাসা কে দিতে পারে তাকে! অতখানি ভালবাসা আছে বলেই অত অতৃপ্তি, অত ঘোর অতৃপ্তি তাঁকে তাড়িয়ে বেড়ায়। ওই ঘোর সন্দেহ, ওই কুটিল অবিশ্বাসের আড়ালেই আছে এক তীব্র অধিকার। নির্যাতন করতে চাওয়ার ইচ্ছা। কষ্ট দিতে পারার আনন্দ। এও এক প্রেম। বোঝে সে। জানে সে। মৌসুমির সকল আচরণে তার প্রকাশ এমন—তোকে ছিঁড়ে-খুঁড়ে দিতে পারি, আঁচড়ে-কামড়ে দিতে পারি, ফালা ফালা করে ছড়িয়ে-ছিটিয়ে দিতে পারি নুন-লঙ্কা। শুধু অধর বুলিয়ে স্নান করিয়ে দিতে পারি তোকে। শুধু ওষ্ঠ দিয়ে তোকে শুষে নিতে পারি।

    চারিদিকে ধুলোমাখা হেমবর্ণ সন্ধ্যা। নারানমুদি আজ দোকানে বসে আছে টানটান। চরের বিজ্ঞজনের ভিড় তার দোকানেই আজ। হারাধনের জন্য লোকে তাকে দেখে কিছু সম্ভ্রমের চোখেই। তদুপরি আজ তার প্রাপ্তি কিছু বাড়তি সম্মান। কারণ সিধুবাবু আসবেন আজ খ্যাতিমান সিধুবাবু। নেতা সিদ্ধার্থ বন্দ্যোপাধ্যায়। অতিথি হবেন নারানমুদির গৃহেই। এমন সজ্জন অতিথি পাওয়া কম সৌভাগ্যের নয়!

    সিদ্ধার্থর থাকার ব্যবস্থা অনায়াসেই হতে পারত, দরিদ্রের মধ্যে অনতিদরিদ্র হকসেদ মণ্ডলের বাড়ি। কিন্তু সিদ্ধার্থ নিজেই তাতে রাজি ছিল না। বন্ধুর গৃহ থাকতে—তা সে যেমনই হোক—অন্যগৃহে আতিথ্য নেয় সে কী প্রকারে! যদিও রেজাউলও বন্ধু তার। অতি নিকটজন। কিন্তু সে এসেছে যখন হারাধনের সঙ্গে তখন আর অন্যত্র থাকার প্রশ্ন ওঠে না।

    তবু হকসেদ মণ্ডল কালকের মধ্যাহ্নভোজনের দায়িত্ব নিয়েছেন অতি আহ্লাদে। দখলিকৃত এইসব চরের জমিজমায় চাষ-বাস করে তিনি দুধেভাতে রেখেছেন পরিবার ও সন্তানাদিকে। কিন্তু সারাক্ষণ মনে এক আশঙ্কা! এই বুঝি চরা ডুবে যায়! ভেসে যায়! এখানকার জমি বেচে অন্য কোথাও চলে যাবেন তার উপায় নেই, কারণ কানাকড়ি মূল্য নেই এ জমির। বিনা পাট্টায়-দলিলে চরের জমিজমা বিনিময় হয় কেবল চরের মানুষের মধ্যেই। ইদানীং কিছু ফড়ে ও দালালের আনাগোনা ঘটছে। সীমান্ত পেরিয়ে আসা লোকগুলো সামান্য মূল্যে জমি কিনে ঘাঁটি গেড়ে বসতে চায়। কেউ কেউ জমির কিছু অংশ বেচে দিয়ে কাঁচা টাকা পেয়েছে। কিন্তু পুরো জমি বিকিয়ে উঠে যাবে, সে উপায় নেই কারও। এই চরে যারা এসেছিল দখলদার তারা সবই ছিল ভূমিহীন, ছিন্নমূল লোক। এখানকার পুরো জমি বেচে যাবার জায়গা নেই। সঙ্গতিও তৈরি হয় না।

    হকসেদ মণ্ডল, এক সমৃদ্ধ চাষি, তবু তাঁরও আছে, এমনই অসুবিধা। সরকারি স্বীকৃতি পেলে বহু কিছু সুবিধার পথ খুলে যায়। রেশন মিলতে পারে। কেরোসিন মিলতে পারে রেশনের দামে। জমিজমা বন্ধক দিয়ে নেওয়া চলে ঋণ। বিপর্যয়ে সরকারি সুবিধার প্রত্যাশা করা যেতে পারে। এবং…এবং হতে পারে স্থায়ী এক ঠিকানা। একটি ডাকঘর হতে পারে তখন এই চরে। কিংবা কে জানে, ডাকঘর না হলেও, নৌকা বেয়ে আসতে পারে ডাকপিয়ন। কে জানে, হয়তো ঠিকানার জোরেই এই চরা হয়ে উঠতে পারে এক চিরস্থায়ী ভূমিখণ্ড! এতগুলি বছর ধরে বেঁচে আছে যে-মাটি, তাঁদের ধারণ করে ধাত্রী হয়েছে যে, সে আরও একশো দু’শো তিনশো বৎসর কেন বাঁচবে না?

    নারানমুদির দোকানের সামনে পৌঁছল সিদ্ধার্থরা যখন, ভদ্রজনেরা প্রত্যুদগমন করলেন।

    —আসুন, আসুন, আমাদের পেতনির চর আজ ধন্য হল।

    এমনই রব তুললেন তাঁরা। লুঙ্গি গেঞ্জি পরা কেউ, কেউ ধুতি পরা খালি গা, প্রাজ্ঞ মানুষগুলির চোখে-মুখে কর্মনিষ্ঠতার ছাপ। তাঁদের পেছনে যুবকের সারি। তাদের লাজুক মুখে লেগে আছে দিনশেষের নীলাভ আলোর রেশ। সিদ্ধার্থ বিব্রত বোধ করছিল এমন সম্বোধনে। থমকে দাঁড়িয়ে পড়ল সে। হারাধন হাসল। বলল— কী হল? চল।

    —হ্যাঁ!

    এগিয়ে গেল সিদ্ধার্থ। নারানমুদি এবং হকসেদ মণ্ডল সকলের আগে এসেছেন। ‘ভাল আছ তো বাবা?’ প্রশ্ন করছেন দু’জনেই। সিদ্ধার্থ প্রণাম করল নারানমুদিকে। হকসেদ মণ্ডলকে কদমবুসি করল। হর্কসেদ মণ্ডল জড়িয়ে ধরলেন সিদ্ধার্থকে অতি আন্তরিকতায়। বললেন— আমার ছেলের বন্ধু তুমি। তোমাকে নিয়ে আমরা গর্বিত। আমরা, আমাদের চরা, তোমার মুখ চেয়ে আছে।

    হকসেদ মণ্ডলের আলিঙ্গন হতে বেরিয়েই সে ধরা পড়ল নারানমুদির আলিঙ্গনে। এবম্বিধ আলিঙ্গনের ইচ্ছা ছিল না নারানমুদির। কিন্তু হকসেদ মণ্ডল সিদ্ধার্থকে বুকে টানলে তাকেও টানতে হয়। নইলে হারাধনের সঙ্গে সিদ্ধার্থর বন্ধুত্বের গৌরবে ভাগ কিছু কম পড়ে বুঝি-বা।

    এক নাতিবৃহৎ জনতা এই আলিঙ্গন ইত্যাদি সান্ধ্যদৃশ্য ঘিরে ধরেছিল তখন। ছেলে কোলে রেজাউল এসে দাঁড়াল। সিদ্ধার্থ শিশুটিকে কোলে নেবার জন্য হাত বাড়িয়েছিল। তখন সে শুনতে পেল গান—ধনধান্য পুষ্পে ভরা আমাদের এই বসুন্ধরা-কচি স্বরের মিছিল এগিয়ে আসছিল তার দিকে। সিদ্ধার্থর বাড়িয়ে দেওয়া হাত নেমে এল আপনা-আপনি। সে অবাক হয়ে রেজাউলকে বলল—এ কী!

    রেজাউল বলল—তোর জন্য। আপত্তি করিস না। দু’ঘণ্টা ধরে সেজে বসে আছে সব।

    বড়রা পথ ছেড়ে দাঁড়িয়েছেন দু’পাশে। এগিয়ে আসছে ছোটদের মিছিল। মেয়েরা পরেছে শাড়ি। হাতে নিয়েছে মালা। কাগজের। ফুল নেই এ চরায় মালা গাঁথবার মতো। ছেলেরা নিয়েছে ছোট ছোট মোমবাতি। অন্ধকার হয়ে আসছে গাঢ়। দিন ও রাতের সন্ধিতে যেন রচিত হয়ে যাচ্ছে চিরন্তনের ছবি। অভিজ্ঞজনেরা পথ করে দিয়েছেন, নতুন প্রজন্ম বরণ করে নিতে আসছে এক নতুন নায়ককে।

    সিদ্ধার্থ অভিভূত হয়ে গেল। এ ছবি যেন তার হৃদয়ে চিরমুদ্রিত হল। কিছু-বা লজ্জা, কিছু-বা বিস্ময়ের মধ্যে দিয়ে সারা শরীর জুড়ে ছড়িয়ে গেল শিহরণ। এক বিশ্বাসে, এক প্রত্যয়ে ভরপুর হয়ে উঠল তার মন। এত প্রতিহিংসা সত্ত্বেও, এত হানাহানি অপরাধ সত্ত্বেও মানুষ আসলেই বড় ভাল। ভাল তার আবেগ। ভাল তার প্রীতি ও প্রত্যাশা। এই গানেরই মতো সুকোমল ধনধান্য পুষ্পেভরা দেশ গড়ে তোলার অঙ্গীকার জাগরূক হল তার মধ্যে।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44 45 46 47 48 49 50 51 52 53 54 55 56 57 58 59 60 61 62 63 64 65 66 67 68 69 70 71 72 73 74 75 76 77 78 79 80 81 82 83 84 85 86 87 88 89 90 91 92 93 94 95 96 97 98 99 100 101 102 103 104 105 106 107 108 109 110 111 112 113 114 115 116 117 118
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleকয়েদি – তিলোত্তমা মজুমদার
    Next Article বসুধারা – তিলোত্তমা মজুমদার

    Related Articles

    তিলোত্তমা মজুমদার

    শামুকখোল – তিলোত্তমা মজুমদার

    August 25, 2025
    তিলোত্তমা মজুমদার

    অর্জুন ও চারকন্যা – তিলোত্তমা মজুমদার

    August 25, 2025
    তিলোত্তমা মজুমদার

    ঝুমরা – তিলোত্তমা মজুমদার

    August 25, 2025
    তিলোত্তমা মজুমদার

    নির্জন সরস্বতী – তিলোত্তমা মজুমদার

    August 25, 2025
    তিলোত্তমা মজুমদার

    বসুধারা – তিলোত্তমা মজুমদার

    August 25, 2025
    তিলোত্তমা মজুমদার

    কয়েদি – তিলোত্তমা মজুমদার

    August 23, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Our Picks

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }