Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    রাজপাট – তিলোত্তমা মজুমদার

    তিলোত্তমা মজুমদার এক পাতা গল্প1633 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    রাজপাট – ৭৯

    ৭৯

    সাত-দিন সাত-রাত তাহাদের জানালায় পর্দায় উড়ে উড়ে কেবল ভেবেছি
    এই কথা—
    আবার পেতাম যদি সে শরীর—সে জীবন—তা হলে প্রণয় প্ৰেম সত্য
    হত:
    আজ তা বিস্ময়—
    আজ তা বিস্ময় শুধু—শুধু স্মৃতি শুধু ভুল হয়তো কর্তব্য বিহ্বলতা:
    সাত-রাত সাত-দিন পৃথিবীতে কেবলই ভেবেছি এই কথা।
    তারপর মৃত্যু তাই চাহিলাম—মৃত্যু ভালো—মৃত্যু তাই আর একবার,
    বিবর্ণ বিস্তৃত পাখা মেলে দিয়ে মাঝ-শূন্যে আমি ক্ষিপ্র শকুনের মতো
    উড়িতেছি—উড়িতেছি— ছুটি নয়— খেলা নয়—স্বপ্ন নয়—যেইখানে
    জলের আঁধার—

    .

    সব বাধা উড়ে গেছে আজ। খুলে গেছে সব গ্রন্থি। সব। সকল সম্পর্কের মিছে মিথ্যে সাজিয়ে তোলা ওই পরিহার করে উঠেছে নির্মম সত্য হাতে যৌন অভিজ্ঞতা।

    সময় পেরিয়ে গেছে কত! কতদূর ভ্রমণের নেশা তার পায়ে পায়ে জড়িয়েছে মহাকাল। তারই একটি কোণে তারা। মা ও ছেলে। মা মা মা এবং ছেলে। সকল সম্পর্ক শেষে লীন পরস্পরে।

    আজ সব বাধা উড়ে গেছে। উন্মাদ ক্রীড়ার তরে যা-কিছু অর্গল ছিল ভেঙে গেছে। মা ও ছেলে আজ পাশাপাশি আলিঙ্গনে নগ্ন রুপোলি ইলিশ। সারা দেহে মাখা আছে পরাগ রেণুকা। দেহে লিপ্ত।

    মা তিনি মা। গর্ভজাত না হলেও, আপন রক্তের পুত্তলি না হলেও তাঁকে মা বলেই ডেকেছিল সে তখন। ডেকেছিল কত বর্ষকাল! ডেকেছিল চূড়ান্ত স্খলিত সময়ে যখন হাতে স্তনখণ্ড, রূপখণ্ড, খণ্ড খণ্ড করে দেওয়া সকল সংস্কার। ও পাগল! পাগল! মা বলে কাকে রে? গর্ভ যিনি দেন। স্তন্য দেন যিনি! এতেই সকলি শেষ! আর কিছু নাই? স্নেহ নাই? দৃষ্টি নাই? নাই নীরব ঘোষণা? মায়ের ছেলের এ সম্পর্ক, শুধু দেহ বেয়ে আসে নাকি? শুধু এক গর্ভঋণ? আর কিছু নাই?

    শুয়ে ছিল। শুয়ে ছিল তারা আশ্লেষে-রমণে ক্লান্ত। আজ কতদিন পর বাঁধ ভেঙে গেছে। দেহে আছে দেহেরই পূর্ণ সমর্পণ। মৌসুমি-মায়ের দেহ, ভরা শরীরের নগ্ন রূপ ঢাকা আছে হারাধন পুরুষের বুকের পিঠের নীচে। সেই আদিকালে যে-রকম ছিল। মায়ের ছেলের মধ্যে ছিল না নিষেধ, পিতা ও পুত্রী চিহ্নিত হত না পৃথক, জন্মের লগ্নে ঘোষণা নারী বা পুরুষ এবং সেই তার একমাত্র পরিচয়। লিঙ্গ পরিচয়। আদিম সেই বোধে মা নেই বাবা নেই ভাই নেই বোন নেই—শুধু ভেসে থাকে যৌনক্ষুধার তৎপর আসঙ্গলিপ্সা। দীর্ঘ বিবর্তন যতগুলি নিষেধ কুড়িয়ে নাম দিল সভ্যতা—অদ্যাবধি তা নস্যাৎ হতে পারে। হয়। হারাধন এক যুবাপুরুষ, সকল নিষেধ ভুলে গভীর প্রবেশ করে নিষেধ-বিস্মৃত শ্রীমতীর অভ্যন্তরে।

    মৌসুমি বলছেন——হারাধন!

    —বলো মা।

    –এত আনন্দ আমি কখনও পাইনি।

    —জানি মা।

    —শরীরে এত সুখ থাকে! এত! ওঃ ভগবান! এতকাল পর, আমার ঋতু যখন বন্ধ হতে চলেছে, এতকাল পর, আমি বুঝলাম!

    —মা! আমি তোমাকে আনন্দ দেব। রোজ দেব। আর কোনও বাধা মানব না।

    —আজ আমি চূড়ান্ত পাপ করলাম। তোকে ছেলে বলে ডেকে…হারাধন….আমি আজ মরলাম, মরলাম!

    হারাধন মৌসুমির মুখ চুম্বন করে। খোলা বুকে নাক ঘষে দেয়। তার শরীরে অপূর্ব আরাম। যৌন অভিজ্ঞতা আছে বলেই সে জানে আজ সে পেয়ে গেছে এক অনাস্বাদিত-পূর্ব স্বর্গীয় সুখ। তার হৃদয়ে অনন্য প্রশান্তি। আনন্দ কানায় কানায়। আজ সে মরতে পারে। আজ সে পৃথিবীর সবচেয়ে তৃপ্ত মানুষ —অন্তত এই মুহূর্তের জন্য। সে এক হাতে মৌসুমির উদর বেষ্টন করে, এক পায়ে মৌসুমির ঊরু বেষ্টন করে। বলে—মা, আমরা বারবার মরব। বারবার। আমার ভয় নেই। লজ্জা নেই।

    মৌসুমি আঁকড়ে ধরেন তার হাত। বলেন—আমার ভয় করছে। লজ্জা করছে। আমার অর্ধেক বয়েসি তুই।

    —তাতে কী! মা!

    —আমাকে মা বলে ডাকিস তুই!

    —এ তো ডাক একটা মা। বরং এই ভাল হল। ছলনা থেকে বেরিয়ে এলাম। কী ডাকি সেটা তো বড় কথা নয়। বড় হল মনে মনে কীভাবে দেখি। কীভাবে চাই। মাগো, আমি ভালবাসি তোমাকে। পুরুষ নারীকে যেমন ভালবাসে, তেমন। আমাদের অকপট হওয়ার কাল পেরিয়ে গেছে। শুধু ছলনার আশ্রয় নিয়েছি বলে, মিথ্যের আশ্রয় নিয়েছি বলে মৌকে আমাদের মধ্যে এনে আমরা জটিলতা বাড়িয়ে তুলেছি। এর তো প্রয়োজন ছিল না কোনও

    —না, না। আমি পাপ করেছি। পাপ করেছি আমি।

    —আমাকেই দাও মা। তোমার পাপের ভাগ দাও।

    —না না। তোর নয়, তোর নয়। সব আমার। সব আমার। এই পাপে আর ভয় নেই। এই মরণ, এই মৃত্যু, বার বার চাই আমি। চিরকাল, চিরকাল চাই।

    মৌসুমি পাশ ফিরে হারাধনকে আলিঙ্গন করেন। তাঁর চুল বালিশে ছড়ানো। তাঁর পোশাক বিনা ঠিকানায় কবে গেছে উড়ে। তাঁর কোমরের ভাঁজে-ভাঁজে আবেগ। এই অবেলায়, এই অনিয়মিত ঋতুচক্রকালে নির্বোধ আবেগ প্লাবিত করে তাঁকে। আবার নতুন করে যৌবন পেতে ইচ্ছে করে তাঁর। আবার প্রথম থেকে বাঁচতে ইচ্ছে করে। তীব্র আর্তি তাঁর কণ্ঠে ফোটে ফিসফিসে প্রকাশে। বলেন—আজ আমার মুক্তি হল হারাধন। পাপের মধ্যে দিয়ে মুক্তি হল।

    —আজ আমারও মুক্তি ঘটেছে মা। আমি পেয়েছি মুক্তির স্বাদ! ওঃ! কী কষ্ট দিয়েছ তুমি! কী কষ্ট! কী কষ্ট!

    –বেশ বেশ বেশ করেছি! তুই আমার! আমার! তোকে যা খুশি করব আমি। নষ্ট করে দেব তোকে।

    —দাও দাও। নষ্ট করে দাও মা।

    আবারও উত্তপ্ত শ্বাসবায়ু ঝড় তুলে দেয়। আবারও রচিত হয় চূড়ান্ত শরীরী উচ্ছ্বাস। শুখা নদী ভিজিয়ে দেবার মতো নেমে আসে দেহরস জোয়ারে জোয়ারে। উন্মত্ত মন্থনের পর শৈথিল্য আসে এক মহান সত্যের মতো। কিছুক্ষণ নীরবতা ঘিরে থাকে। শুখা মরসুমের খরতা এই শয্যা পর্যন্ত পৌঁছয় না। ঝলসে যাওয়া ফসলের কান্না পৌঁছয় না। কর্মহীন অর্ধভুক্ত কৃষক ও জেলের নিশ্বাস এক ফুঁয়ে উড়ে যায়। এখানে নীরবতার গায়ে কেবল লেগে আছে মিলনের দাগ। মৌসুমি বলেন- হারাধন, হারাধন।

    হারাধন তাঁর পেটে হাত রাখে। সাড়া দেয়-বলো মা।

    —এভাবেই দিস ওকে না? রোজ দিস? রোজ?

    —না না না মা। বিশ্বাস করো। এইভাবে না। ওকে এইভাবে ইচ্ছেই করে না।

    মিথ্যে কথা। মিথ্যে মিথ্যে মিথ্যে কথা। একজন পুরুষ, সে কীভাবে আলাদা আদর করবে!

    —হয় মা। হতে পারে।

    —হয়?

    —হয় মা!

    —ওকে ভীষণ হিংসে হয় আমার! ভীষণ ভীষণ হিংসে। ইচ্ছে করে, ইচ্ছে করে ওর চোখ খুবলে নিই!

    —মা!

    —ইচ্ছে করে মুখ পুড়িয়ে দিই ওর যাতে তুই না তাকাস।

    —মা! আমার সোনা মা!

    —মনে হয় গায়ে আগুন লাগিয়ে দিই। ও পুড়ে যাক! পুড়ে যাক! কেন তুই বিয়ে করলি? কেন? ওকে ভীষণ হিংসে হয় আমার!

    —মা! তুমি…তুমি… তুমিই তো!

    —কাল কী হবে জানি না। কিন্তু আজ, এই মুহূর্তে, আমি এত তৃপ্ত, এত সুখী যে আমার এতটুকু হিংসে নেই। এতটুকু রাগ নেই আর। হারাধন!

    —মা!

    —আমি মিথ্যে বলেছি তোকে। ও আমাকে এমনি মারেনি রে। আমিই ওকে আগে মেরেছি। ও যে তোর সংসারে অকল্যাণ ডেকে আনছিল। কুলো কিনতে জানে না! কিচ্ছু জানে না! আমি মা হয়ে কী করে তা সহ্য করি বল! তাই! তাই! ওকে কিছু বলিস না তুই।

    —মা! তুমি এত ভাল! এত বড় তোমার মন! ওকে বাঁচাবার জন্য সব দায় তুলে নিচ্ছ তুমি!

    —না রে। এই সত্যি!

    –না! এ সত্যি নয়!

    —বিশ্বাস কর। বিশ্বাস কর!

    —না! আমি বিশ্বাস করি না। মা! এত ভাল তুমি! এত বড়! কে তোমাকে বুঝবে!

    বিশ্বাস করেনি সে। করেনি। মৌসুমি-মায়ের প্রতি আরও প্রেম আরও শ্রদ্ধা নিয়ে সে উঠে এল যখন, রাত্রি দশটা বেজে গেছে। সে চেয়েছিল থেকে যায় সারা রাত। মৌসুমি চেয়েছিলেন। তবু হয় না তো! সকল চাওয়া পূর্ণ হয় না।

    শুনশান পথে সে ফিরছিল একা। এই ভরা ভাদরে তার দেহে-মনে বসন্তের রাগ। খরা নেই, তাপের প্রবাহ নেই, নেই শস্যহীন মাঠ ও প্রান্তর, নেই ভেসে থাকা ভূখণ্ড পেতনির চরা। তার চারপাশে কেবল বসন্ত রাগ। কেবল পরজের ধ্বনি। কেবলই ফাগের রঙে রাঙানো নিকুঞ্জ সারি সারি।

    সে চলেছিল একা একা। গায়ে মেখে মৌসুমি-মায়ের শ্বাসের সুবাস। কিন্তু যতই নিজের গৃহের নিকট হল সে, ততই বিরস হল মন। মুখোমুখি হতে হবে তাকে। শাস্তি দিতে হবে চরম, চরম! কী শাস্তি? কী?

    জানে না সে। জানে না। শুধু রাগ বাড়িয়ে নিতে থাকে। তীব্র তীব্র রাগ। মধুর কাঙ্ক্ষিত মিলন তাকে ক্ষমাশীল হতেও শেখায় না এতটুকু। বরং তার মনে হয়, স্ত্রীকে চরম শিক্ষা দিতে না পারলে মৌসুমি মায়ের প্রতি তার নিবেদন অসম্পূর্ণ থেকে যায়। এবং দরজাঘণ্টি বাজলে আলুথালু মৌসুমি দরজা খুলে দেয়। সে ঘরে আসে। শার্ট খোলে। পূর্ণ গতিতে পাখা চালিয়ে দেয়। মৌসুমি চলে যাচ্ছে পাশ দিয়ে। সে ডাকে—শোন।

    মৌসুমি দাঁড়ায়। সে দাঁতে দাঁত ঘষে। এবার যথার্থ ক্রোধ এসে যাচ্ছে তার। যথার্থ রোষ। মৌসুমিকে দেখামাত্র সে বলে—এত সাহস তোমার! এত!

    মৌসুমি মুখোমুখি হয়। বলে—একতরফা শুনে এসেছ। পুরোটা শোন। আমারও বলার কিছু আছে।

    —কী বলার আছে তোমার? কী?

    সে মৌসুমির হাত ধরে। মোচড়ায়। মৌসুমি কঁকিয়ে ওঠে—উঃ! ছাড়! লাগছে!

    —ছাড়ব! ছাড়ব তোমাকে! ওঁকে আমি মা বলি জানো? জানো? টুকরো টুকরো করে কুকুর দিয়ে খাওয়াব তোমাকে আমি!

    মৌসুমি হাত ছাড়াবার চেষ্টা করে প্রাণপণ। বলে—ছাড়ো! ছাড়ো! কী পেয়েছ কি তোমরা আমাকে? পোষা কুকুর?

    হারাধনের হাত শক্ত শক্ত কঠিন কঠিনতর হয়ে চেপে বসে তার কবজিতে। ত্বকের আবরণে রক্ত জমাট হয়ে যায়। সে পরোয়া করে না আর। ব্যথা-বেদনার পরোয়া করে না। এতদিনের জমে ওঠা ক্ষোভ দুঃখ শোক যন্ত্রণা, একা একা সহ্য করা জ্বলন্ত অঙ্গার দহন, পুরো বিষে, পুরো আকারে, পুরো ক্ষতে গল-গল বেরিয়ে আসে পুঁজরক্ত হয়ে। গলগল বেরিয়ে আসে বিকার-বিবৃতি। সে চিৎকার করে-মা? তোমার মা? কীসের মা জানি না আমি? বুঝি না? ঘাসে মুখ দিয়ে চলি?

    কী কী কী বোঝো? কী বোঝো?

    হারাধন অতঃপর দুই কবজি ধরে তার। শক্ত শক্ত শক্ত নিরেট করে ধরে। ঝাঁকায়! ঝাঁকায়! সে বলে—ব্যভিচার করছ তোমরা! ব্যভিচার! মা-ছেলে সেজে নোংরামো করছ! লজ্জা করে না? আরে সাহস থাকে তো খুলে করো যা করার। ঘোমটা দিয়ে নাচছ কেন?

    —কী বললে তুমি? কী বললে? আর একবার বলো?

    –একবার কেন? একশোবার বলব। সবাইকে বলব। বাড়িতে বিয়ে করা বউকে দিনের পর দিন একা রেখে ওই বাড়িতে পড়ে থাকো কীসের জন্যে! প্রতিদিন! প্রতিদিন! নেশা তোমার! নেশা! কই! নিজের মায়ের জন্য তো দরদ দেখি না এত। একবারও তো শুনি না তাঁদের কথা! আমাকে শিখণ্ডি করে ভেবেছ যা খুশি তাই করবে? আমি তা হতে দেব না।

    হাত ছেড়ে হারাধন ধাক্কা দেয় তাকে। মোক্ষম ধাক্কা দেয়। সে পড়ে যায় নীচে। ব্যথা পায়, নাকি পায় না। আঘাত লাগে তার দেহে, নাকি লাগে না। হারাধন দাপিয়ে ওঠে। পা ঠোকে মেঝেয়। লাফায়। চিৎকার করে কুকুর! কুকুর! কুকুরের রক্ত তোমার! বেশ্যার রক্ত! যেমন বাপ-মা, তেমনি মেয়ে! বদ চিন্তা ছাড়া কী আসবে তোমার মাথায়? দেবীর মতো মা আমার! তাঁর গায়ে হাত তুলেছ তুমি! তাঁকে সন্দেহ করেছ! পায়ের নখের যুগ্যি তুমি? ওই মায়ের পায়ের নখের যুগ্যি?

    সে ঝাঁপায় মাটিতে। চেপে ধরে মৌসুমির কাঁধ। বলে বলো অন্যায় করেছ! বলো কাল মায়ের পা ধরে ক্ষমা চাইবে!

    —না!

    —বলো! বলো!

    —না!

    চুলের মুঠি ধরে সে। বলে বলো ক্ষমা চাইবে বলো!

    —না! যা করেছি ঠিক করেছি! চড় মেরেছি! এরপর এলে ঝ্যাঁটা মেরে তাড়াব।

    –কী কী কী বললি? কী বললি তুই কুত্তি!

    সে একটানে খুলে ফেলে শাড়ি মৌসুমির। একটানে খুলে ফেলে শায়া। পা থেকে খুলে নেয় ক্ষয়-লাগা হাওয়াই চপ্পল। আর মারে। এলোপাথাড়ি মেরে যায় কপালে, গালে, মুখে, বুকে। মেরে যায় আপাদমস্তক। মৌসুমি শব্দ করে না এতটুকু। প্রতিবাদ করে না। হাত তুলে বাঁচায় না প্রহার। মারতে মারতে, মারতে মারতে ক্লান্ত হয়ে যায় হারাধন নিজেই। চটি ছুঁড়ে ফেলে দিয়ে মৌসুমির পেটে লাথি মেরে বিছানায় ধ্বস্ত শুয়ে পড়ে। এবার মৌসুমি অস্ফুট শব্দে নড়ে—মা! মাগো!

    বমি ঠেলে ওঠে তার মুখে। সর্বাঙ্গে প্রহারের লাল ছোপ ছোপ নিয়ে নগ্ন শিথিল সে পড়ে থাকে। বমি, মুখ হতে বেরিয়ে গলায়, বুকে, কানের পাশ দিয়ে গড়িয়ে নামে। উড়ে উড়ে দেহে বসে অজস্র মশক। হুল ফুটিয়ে দেয়।

    হারাধন, কী মনে হয় তার, দু’হাতে মুখ ঢেকে কেঁদে ওঠে সহসাই। ডুকরে ডুকরে কাঁদে। কেন কাঁদে, জানে না নিজেই। হয়তো বা তীব্র ক্রোধের অবশেষ কান্না হয়ে নেমে এসে শান্ত করে তাকে। কিছু-বা করুণা জাগে তার! কিছু-বা মানবিক বোধ। শিক্ষা ও সুরুচির ভাপ লাগে মনে। তাড়া করে ফেরে পরিমিত আচরণের সামাজিক প্রশিক্ষণ। এ কী করল সে! এ কী করল! নিজের স্ত্রীকে জুতোপেটা করল! এসব কী হচ্ছে! কেন সে বিয়ে করল! অনুতাপে পরিতাপে দগ্ধে মরে সে। হৃদয়ে কোথাও আঁচড় লাগে। প্রেম সুন্দর এই সে জেনেছিল। প্রেম পবিত্র এই জেনেছিল। হায়! প্রেমও তবে পাশব করে দেয়। বিষ দেয় হৃদয়ে-মজ্জায়! বিবেকবুদ্ধির সর্বনেশে ধাক্কার সামান্য অভিঘাতে কী এক বোধ তাড়া করে তাকে! সে তোয়ালে ভিজিয়ে নিয়ে আসে। হাঁটু মুড়ে বসে মৌসুমির পাশে। বমি মুছে দেয়। স্বাভাবিক যুক্তির বোধ একটি-দু’টি করে ফুটে ওঠে মস্তিষ্কে। বিশ্বাস করতে ইচ্ছে যায় তার, হতে পারে মা-ই মেরেছিলেন ওকে আগে, হতে পারে, হতে পারে! মায়ের আচরণে সে-ও কি বিরক্ত হয়নি ইদানীং?

    সে শাড়ি তুলে ঢেকে দেয় দেহ। আলতো ডাকে—এই! ওঠো! ওঠো! এই! সুমি, সুমি! মৌ!

    মৌসুমি পড়ে থাকে নিঃসাড়। সে হাল ছেড়ে দেয়। দেহ জুড়ে ক্লান্তি তার, মন জুড়ে অতল অবসাদ! বিছানায় শুয়ে পড়ে সে। মশারি টাঙায় না। খায় না। শুয়ে পড়ে আর নিদ্রিত হয়। নিদ্রিত থাকে বহুক্ষণ

    মধ্যরাত্রে কী এক তাড়নায় তার ঘুম ভেঙে যায়। দেখে, আলো জ্বালা আছে তেমনই। নেভানো হয়নি। যেন আলোর অস্তিত্বই নেই এমন নির্বিকারে মৌসুমি জানালার পাশে বসে আছে নিশ্চুপ। ওই শাড়ি গায়ে জড়িয়েছে কোনও ক্রমে। দু’টি চোখ অপলক। রক্তলাল। খোলা চুলগুলি লক্ষ সাপিনীর ফণা হয়ে ছড়িয়েছে চারপাশে। মনে হল তার, স্বয়ং কেতকাই বসে আছেন ক্রুদ্ধ শোকাতুর। শৈশবে শোনা, বহুবার শোনা, মনসামঙ্গল তার মনে পড়ে যায়—

    অষ্ট-কোটি নাগ লইয়া শিবের কুমারী।
    বর-শিরো’পরি রহে হংসে ভর করি ॥
    চন্দ্রাতপ উড়ি গেল নাগের নিঃশ্বাসে।
    ভয় পেয়ে লখিন্দর চাহে চারিপাশে ॥
    নাগের গর্জ্জন শুনি চায় মাথা তুলি।
    সৰ্প সৰ্প বলি লখাই পড়িলেক ঢলি ॥

    তার সাহস হল না কথা কইতে। সাহস হল না ডাকতে একবার। সে ঘুমিয়ে পড়ল আবার। সকালে, নির্দিষ্ট সময়ের আগেই, স্নান করে বেরিয়ে পড়ল। খোঁজ নিল না মৌসুমি কোথায়। কেমন। সুস্থ আছে কি না। বরং রাত্রের যতটুকু গ্লানি, এই সকালে আর টের পেল না। যা হয়েছে, ঠিকই হয়েছে, এমন ভঙ্গিতে হেঁটে গেল পথে। দরজা এমন, টানলেই বন্ধ হয়ে যায়। বন্ধ দরজা রেখে হারাধন অবিকার চলে গেল তাই।

    বেলা হতে, নেমে এলেন নমিতা। কাল রাত্রে কিছু চিৎকার কানে গিয়েছিল তাঁর। দু’টি স্বরের পৃথক নির্ঘোষ। ভাবনায় ছিলেন তিনি। কী হল! মেয়েটা কি দুঃখে আছে আজও!

    দরজাঘণ্টি দিলেন তিনি। একবার, দু’বার, তিনবার। সাড়া নেই। ভাবলেন, স্নানঘরে গেছে বুঝি। ফিরে গেলেন ওপরে আবার। খুঁটিনাটি সংসারের কাজ করতে করতে আধঘণ্টা পরে আবার এলেন। এই বয়সে, এই ভারী শরীরে, বার-বার সিঁড়ি বাইতে কষ্ট হয়। তবুও এলেন। দরজাঘণ্টি বাজালেন। একবার, দু’বার, তিনবার। সাড়া নেই। জানালার কাছে গিয়ে ডাকলেন এবার—মৌসুমি! মৌসুমি! দরজা খোলো! মৌসুমি!

    সাড়া নেই। নমিতার মনে হল, প্রাগৈতিহাসিক কোনও স্তব্ধতা জুড়ে আছে চরাচর। সহসা বুক কেঁপে উঠল তাঁর। কী এক অমঙ্গল শঙ্কায় ছটফট করে উঠল প্রাণের ভ্রমর। তার ডানা- ঝাপটানি শুনে, নমিতা, তাড়াতাড়ি উঠে গেলেন ওপরে। স্বামীকে বললেন—এই, একবার নীচে এসো তো!

    শিবব্রত, নমিতার স্বামী, খুঁটিয়ে পড়ছিলেন খবরের কাগজ, সম্পত্তির লোভে ভাইকে মেরে দেওয়ালে গেঁথে রেখেছিল একজন, পণের অর্থ পুরো মিটিয়েও রেহাই পায়নি এক গৃহবধূ, আরও আরও সম্পদ নিষ্কাশন করতে না পেরে বধূটিকে পুড়িয়ে মেরেছে তার স্বামী, শ্বশুর, শাশুড়ি, ননদ। পাঁচ বৎসরের ফুল্লকুসুম মেয়েটি ধর্ষিতা হয়েছে তার পাড়াতুতো কাকাটির দ্বারা। জাতীয় স্তরে খ্যাত এক নেতার বিরুদ্ধে পাওয়া গেছে বৈদেশিক ঘুষ নেবার প্রমাণ! ত্রিকোণ প্রেমের জেরে মেয়েটির স্বামীকে খুন করে ঘরের মেঝেয় পুঁতে ফেলেছে তার প্রেমিক।

    হায় হায়! কত না খবর! কত না খবরের পর খবর! জবর খবর! কাঁচামিঠে আমের পর আমসি, আমসত্ত্ব, আচার, চাটনি খবরের হরেক বয়াম ভরতি।

    অতএব শিবব্রত এতটুকু ব্যস্ত না হয়ে সাড়া দিলেন—কী বলছ!

    —ওঃ! কাগজ রাখো! নীচে এসো একবার।

    বললেন নমিতা। শিবব্রত কাগজ সরিয়ে বললেন—কী হল বলবে তো?

    —কতক্ষণ ধরে ডাকছি মেয়েটার সাড়া নেই।

    —কোথাও গিয়েছে হয়তো। বাপের বাড়ি-টাড়ি। কাল তো দু’জনে ঝগড়া করছিল।

    —তুমি শুনেছ?

    —শুনব না?

    —কোথাও গেলে তো আমাকে বলে যায়।

    —রাগ করে গেছে হয়তো। তুমিও তো কতবার না বলে গিয়েছ।

    —ওঃ! রসিকতা ছাড়ো। আমার ভিতরে কু ডাকছে। চলো না।

    —সে তোমার স্বভাব। উদ্বেগে সারা হওয়া। চলো।

    নেমে এলেন দু’জনে আবার। আবার দরজাঘন্টি বাজালেন। একবার, দু’বার, তিনবার। সাড়া নেই। শব্দ নেই। শিবব্রতর ভ্রূ কুঁচকে গেল। বললেন—ঠিক জান, ও কোথাও যায়নি?

    নমিতা বললেন—হারাধন তো একাই বেরুল দেখলাম।

    —মৌসুমি! মৌসুমি!

    চড়া গলায় ডাকলেন শিবব্রত। একটানা দরজায় ঘণ্টি বাজিয়েও নিরস্ত হলেন না। জোরে জোরে ধাক্কা দিলেন দরজায়। প্রতিবেশীরা এসে দাঁড়াল জানালায়। বারান্দায়। কৌতূহলী হল তারা। কী ব্যাপার? কী ব্যাপার?

    —সাড়া দিচ্ছে না।

    —সাড়া দিচ্ছে না।

    লোক জমে গেছে। ভয়ে ও শঙ্কায় মুখ শুকিয়ে গেছে নমিতার। তিনি বলছেন—ওগো! দরজা ভাঙো!

    শিবব্রত বলছেন—দাঁড়াও। অত বিচলিত হয়ো না। আগে নিখিলেশকে ফোন করি। হারাধনকেও ডাকা দরকার।

    এল তারা। হারাধন এল নিখিলেশকে সঙ্গে নিয়ে। বর্ণালী এলেন। প্রত্যেকেই ডাকল একবার—মৌসুমি! মৌসুমি! মৌসুমি!

    নমিতা বললেন—তুমি যখন যাও, তখন কোথায় ছিল ও?

    হারাধন বিমূঢ় হয়ে রইল। বলল—আমি, মানে, বেরুবার সময় ওকে দেখিনি।

    —সে কী!

    ভাঙা হল দরজা। জিজ্ঞাসার অবসান হল। শোবার ঘরের সংলগ্ন বাড়তি ঘরটিতে গলায় শাড়ির ফাঁস দিয়ে পাখা হতে ঝুলে আছে মৌসুমি!

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44 45 46 47 48 49 50 51 52 53 54 55 56 57 58 59 60 61 62 63 64 65 66 67 68 69 70 71 72 73 74 75 76 77 78 79 80 81 82 83 84 85 86 87 88 89 90 91 92 93 94 95 96 97 98 99 100 101 102 103 104 105 106 107 108 109 110 111 112 113 114 115 116 117 118
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleকয়েদি – তিলোত্তমা মজুমদার
    Next Article বসুধারা – তিলোত্তমা মজুমদার

    Related Articles

    তিলোত্তমা মজুমদার

    শামুকখোল – তিলোত্তমা মজুমদার

    August 25, 2025
    তিলোত্তমা মজুমদার

    অর্জুন ও চারকন্যা – তিলোত্তমা মজুমদার

    August 25, 2025
    তিলোত্তমা মজুমদার

    ঝুমরা – তিলোত্তমা মজুমদার

    August 25, 2025
    তিলোত্তমা মজুমদার

    নির্জন সরস্বতী – তিলোত্তমা মজুমদার

    August 25, 2025
    তিলোত্তমা মজুমদার

    বসুধারা – তিলোত্তমা মজুমদার

    August 25, 2025
    তিলোত্তমা মজুমদার

    কয়েদি – তিলোত্তমা মজুমদার

    August 23, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Our Picks

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }