Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    রাজপাট – তিলোত্তমা মজুমদার

    তিলোত্তমা মজুমদার এক পাতা গল্প1633 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    রাজপাট – ৮৪

    ৮৪

    আশ্বিনে অম্বিকা পুজা
    ঘটে আলিপন।
    অবশ্য আসিবেন প্রভু
    করিবেন স্থাপন!
    অম্বিকাপূজার দিনে
    সুখী সব নারী।
    কাঁদিয়া গোঙাই আমি
    দিবস শর্বরী ॥

    সকল হাসি-ঠাট্টা হইচই-এর মধ্যে আপাতত প্রধান ছিল মোহনলালের বিয়ের প্রসঙ্গ। সকলেই আসতে পারবে কিনা বিবাহে, তারই আলোচনা, পরিকল্পনা। হিসেব করলে বাকি মাত্ৰ চার মাস। এরই মধ্যে আরও একবার আসার জন্য কতখানি গুছিয়ে নেওয়া সম্ভব হবে, জানে না কেউ। তবু, এক আসন্ন বিবাহ ঘিরে বহুদিন পর একসঙ্গে হওয়া ভাইবোনগুলি নানা স্বপ্ন বুনে চলেছিল। সেই রঙিন কল্পনার মধ্যে সহসাই এক গভীর, বিষণ্ণ, অনুচ্চারিত প্রসঙ্গের অবতারণা করে বসল নয়াঠাকুমার নাতজামাই শুভ্র। সে বলল— তোমরা সব আধুনিক প্রগতিশীল মানুষ। তোমরা কি জান, এ বাড়িতে প্রতিদিন একজনের ঘোর অবমাননা চলে?

    —কী শুভদা?

    জানতে চায় সকলে। ব্যগ্র ও উৎসুক মুখে। কিছু-বা আশাহতও। এমন আনন্দের প্রসঙ্গে এ কোন হৃদয়বিদারক উক্তি?

    শুভ্র বলে তখন—তোমরা কি জান, তোমাদের ঠাকুমা পুজোর ঘরে ঢোকেন না? শৌভ বলে—জানব না কেন? ছোট থেকে দেখছি।

    —কেন ঢোকেন না, তা জান?

    —হ্যাঁ। জানি। ঠাকুমা কায়স্থকন্যা ছিলেন বলে ওঁর ঢোকা নিষেধ ছিল।

    —তোমাদের কি উচিত নয় এই নিষেধ ভেঙে দেওয়া? তোমাদের সকলের ধমনীতে ওঁরই রক্ত বইছে। অথচ তোমরা এরকম একটা অন্যায়কে মেনে নিচ্ছ?

    —শুভ্রদা, তুমি দেখেছ এ বাড়ির পূজায় মুসলমানেরাও অংশ নেন। বরকত চাচা আবদুস চাচা চিরকাল ঠামাকে, মাকে শাড়ি দিয়ে আসছেন ঈদের সময়। আমাদের বাড়িতে ওসব মানামানি কোনওদিনই নেই।

    কথাগুলো বলেছিল মোহনলাল। দুলু বাউলের সঙ্গে কথা বলে ফিরেছিল সে। সিদ্ধার্থ ফেরার পথে বরকত আলির বাড়ি গিয়েছিল। আপাতত এই মজলিশে সে উপস্থিত ছিল না। থাকলেও, এই পারিবারিক বিষয়ে সে কোনও মন্তব্য নিশ্চয়ই করত না।

    মোহনলালের কথা শুনে শুভ্র বলল—সেই তো বলছি। তোমরা এত উদার, আধুনিক, ঠামা নিজে এত শিক্ষিত এত প্রগতিশীল—তোমাদের বাড়িতে এতদিন ধরে একজনের ওপর অন্যায় হয়ে চলেছে। এটা মানা শক্ত।

    মোহনলাল বলল—প্রথমদিকে নিষেধ ছিল নিশ্চয়ই। কিন্তু পরে সেই নিষেধ তুলে নেওয়া হয়েছিল। আমি জানি বাবারা চেষ্টা করেছেন।

    শৌভ বলল—হ্যাঁ। চেষ্টা করেছেন। আমিও জানি। এখন এটা ঠামারই জেদ। তিনি ভেতরে যাবেন না।

    শুভ্র বলে—জেদ নয়। অভিমান। কেউ তো জোর করেনি তাঁকে। হয়তো শুধু বলেছিল।

    —ঠামা কারও জোর শোনার মানুষ? ওঁকে কে জোর করবে?

    —এই তো তোমাদের ভুল ভাই। নারীচরিত্র দেবতাও জানেন না, তো মানুষ। উনি হয়তো ওই জোরের অপেক্ষাতেই আছেন। উনি হয়তো ভাবছেন, কেউ জোর করল না মানে কেউ-ই হয়তো মনে মনে চায় না উনি ঠাকুরঘরে যান। আমাদের উচিত ওঁকে জোর করা।

    মোহনলাল বলল—আমার তা মনে হয় না শুভ্রদা। ঠামাকে আমি জন্ম থেকে দেখছি তো! ঢাক-ঢাক গুড়-গুড় ওঁর স্বভাবে নেই। তা ছাড়া নিজের সন্তানদের সম্পর্কে ওঁর কোনও ধোঁয়া-ধোঁয়া মনোভাবও নেই। ঠামা তাঁর অভিমান নিয়ে আছেন তো ঠিকই। কিন্তু তার দায় উনি ওঁর সন্তান-সন্ততির ওপর চাপান বলে আমার মনে হয় না। তা ছাড়া, ঠামা কেন ঠাকুরঘরে যান না সে কারণ তুচ্ছ হয়ে গেছে বলে আমার মনে হয় এখন। সে অনেক আগের ব্যাপার। আমাদের কাছে ঠামা ঠামাই। ঠাকুর ছোঁয়া না-ছোঁয়ায় কী যায় আসে!

    শুভ্র বলে—তাঁর যত অভিমানের দায় তাঁরই ওপর চাপিয়ে দিয়েও কিন্তু আমরা অন্যায় করছি। অসম্মান করছি ওঁকে। ছোঁয়া না-ছোঁয়ায় নিশ্চয়ই যায় আসে। তুমি কমিউনিস্ট। তুমি বুঝবে না।

    মধুঋতা এতক্ষণ চুপ করে শুনছিল। এবার বলল— হ্যাঁ। আমি শুভ্রদার সঙ্গে একমত। আমাদের জোর করাই উচিত। যে অন্যায় ঠাম্মার সঙ্গে হয়ে আসছে তা বন্ধ হওয়া উচিত।

    সকলেই স্বীকার করে এমন। একমত হয়। মোহনলালের সামান্য দ্বিধা বা অন্যমত সকলের উদ্ভাসিত আবেগ ও উদ্যমের কাছে হার মানে। সে অধিক সময় নয়াঠাকুমার কাছে থাকে বলেই ঠাকুমার প্রতি অন্যদের অধিকার কিছু কম হয় না, এমন মনোভাবের উপলব্ধিও তাকে সহমত হতে বাধ্য করে। এবং সকলে মিলে পরিকল্পনা রচনা করে। বিসর্জনের পর ঠাকুমাকে প্রণাম করতে এসে নাতিরা তাঁকে কোলে তুলে নেবে। এ বাড়ির শরীরের গড়ন লম্বা, সুগঠিত। তার ওপর শৌভ নিয়মিত চর্চা করে অধিক বলশালী। কোলে তুলে নেবার দায়িত্ব সে-ই নেয়। এবং কথা হয়ে থাকে, সকলে মিলে নয়াঠাকুমাকে বসিয়ে দেবে সিংহাসনের কাছে। স্পর্শ করিয়ে দেবে নিত্যপূজার ঘট।

    এক উত্তেজনা তাদের হৃদয়ে ছড়িয়ে যায়। কোনও এক মহান লক্ষ্যের ঔদার্য উপভোগ করতে করতে নদীর পাড়ে এসে দাঁড়ায় তারা। মধুঋতা আবদার করে-মোহনদা, নৌকা চড়ব। নৌকা চড়াও আমাদের মোহনদা।

    মোহনলাল বলে—নৌকা কী করে চড়বি! জল নেই নদীতে!

    —ওই তো জল! ওই তো! ওতে নৌকা চলবে না?

    —ধুর! ওতে নৌকা ভাসে নাকি? আটকে যাবে যে কাদায়।

    মোহনলাল বেরিয়েছে। অতএব তাকে অনুসরণ করে কিছু-বা দূরত্ব রেখে দাঁড়িয়ে আছে সমিরুদ্দিনের দল। পুজোর ক’দিন তাদের সীমান্ত ব্যবসা নেই। কারণ এইসময় পুলিশ বড় তৎপর থাকে। মালসমেত ধরে ফেলে, উপরি রোজগারের উপরেও কিছু বাড়তি উপার্জন করতে ইচ্ছুক থাকে তারা। অতএব এই সময় কিছুদিন, দীপাবলী পর্যন্ত, তাদের কাজের মন্দা। ইদানীং যদিও কিছু অস্ত্র-শস্ত্রের দায়িত্ব পাচ্ছিল তারা, কিছু মাদকের ব্যাগও বইছিল, অতএব মালের গুরুত্ব অনুযায়ী তাদের উপার্জনও হয়েছে ভাল রকমের। একান্তে টাকাকাড়ি গুনে দেখেছে মাতিন শেখ। পনেরো হাজার টাকা জমে গেছে তার। সে এখন ফিকির খুঁজছে। এইবার ঝপ করে একদিন মোহনলালের কাছ হতে বাইক ক্রয় করার প্রস্তাব সে করে বসবে। মোহনলালের বিয়ে ঠিক হয়েছে। সে আশা রাখছে, বিবাহে মোহনলাল পেয়ে যেতে পারে একখানি ঝকঝকে নতুন বাইক। কিংবা নিজেও সে কিনে নিতে পারে নতুন একখানা। তখন পুরনো বাইকের আর দরকার হবে না কোনও। এই ফাঁকে, মাতিন শেখ সে, কিনে নেবে বাইক। ভাবলেই, আবেগে বুক দুরু দুরু করে তার। কিছু-বা ভয়েও করে। একথা ঠিক, সে বাবা-মায়ের মতামত পরোয়া করে না। তবু, তার আব্বাজানের ক্রুদ্ধ চাহনি, মায়ের বিস্ময়াহত দৃষ্টি, আর সেই দৃষ্টির ভাষা এমন—’ঘরে কত অভাব, আর এত টাকা দিয়ে তুই ওই বস্তুটি কিনলি বাপ! এমনই সব ভাষা, এমনই সব ক্রোধ, অনুযোগের কল্পনা তাকে স্তিমিত করে দেয়। অথবা হতে পারে এমন, মাতিন শেখ সে, বাইক কেনার স্বপ্নকে হুবহু বাস্তব করে তোলার সঙ্গতি লাভ করেও, প্রকৃতই সাহস অর্জন করতে পারছে না। নিজেরই দ্বিধা ও ভীরুতাকে সে মা ও বাবার আপত্তিরূপে দেখছে। তবে একথা ঠিক, এই ভীরুতাকে জয় করবেই সে। বলে ফেলবেই একদিন। কী বলবে? কী? মোহনদা আপনি কি বাইকটা বেচবেন? না। এরকম নয়। বলবে সে, মোহনদা আপনি বলেছিলেন, পনেরো হাজারে দিয়ে দেবেন বাইকটা! না। ঠিক হল না এটাও তা হলে কী বলা যায়?

    মাতিন শেখ ভাবতে ভাবতে তার কাটা হাতখানি দোলায়। তার চোখে পড়ে মধুঋতা। সে মধুঋতার আবদার শুনতে শুনতে তার রং দেখে, দেহের গড়ন দেখে, নিপুণ করে কাটা চুল দেখে, ঠোঁটের টকটকে রঙে আঙুল বোলায় মনে মনে। আর কল্পনা করে, বাইক চালাচ্ছে সে, পেছনে বসে আছে ওই মেয়ে। ওই সেই স্বপ্নের মেয়ে। স্বপ্নের মেয়েরা যে এরকমই হয়। হুবহু এইরকম। সে নিরুচ্চারে বলে—সুন্দরী! নৌকায় নয়! আমি আমার বাইকের পিছনে তোমায় বসিয়ে সারা দুনিয়া ঘুরব।

    সমিরুদ্দিন এসে মোহনলালের কাছে দাঁড়াল তখন। বলল—মোহনদা, উনি নৌকা চাপতে চাইছেন, চাপিয়ে দিন না।

    মোহনলাল বলে—আরে, তুই-ও অবুঝ হয়ে গেলি নাকি সমির? এই জলে নৌকা চলবে?

    —লিয়াকত মাঝি আর তার ছেলেকে ডেকে নিয়ে আসব আমরা।

    —তারা এসে কী করবে?

    —ওঁরা নৌকায় বসবেন। লিয়াকত মাঝি আর তার ছেলে আবদুল, গায়ে খুব জোর, কাছি ধরে টেনে নিয়ে যাবে নৌকা।

    —পারবে?

    —পারবে না কেন? অনেকদূর যেতে না পারলেও ওই ধরেন এই গ্রামের সীমানা পর্যন্ত পারবে। দিদিদের কিছু তো নৌকা চড়া হবে।

    —যা ডেকে আন তা হলে।

    কিছুক্ষণের মধ্যেই লিয়াকত মাঝি ও আবদুলকে ধরে নিয়ে এল সমিরুদ্দিনের দল। নৌকা বাঁধা ছিল বাঁশের সাঁকোয়। কোনও কথা না বলে বাপ-ছেলে নেমে গেল হাঁটু-ডোবা কাদা পেরিয়ে পায়ের পাতা-ডোবা জলে। নৌকা টেনে সাঁকো বরাবর করে বলল—ওঠেন।

    গোটা দল চেপে বসল নৌকায়। লিয়াকত মাঝি একলাফে গিয়ে বসল নৌকার গলুইয়ে। হাতে নিল লম্বা বাঁশের লগা। নৌকা এধার-ওধার হয়ে গেলে ঠেকাবে। তার কাঁচাপাকা চুল আর কাঁচাপাকা দাড়ি। সারা দেহে জট পাকিয়ে আছে শিরা-উপশিরা। তাদের ঘরের বাঁশের বেড়া ঝুরো ঝুরো হয়ে গেছে। খড়ো চালে অসংখ্য খোঁদল। ঘর না ছাইলেই নয়। শিকনি ঝরানো একপাল ছাওয়াল-পাওয়াল নিয়ে তারা দিনে একবার মাত্র আহার করতে পারে নুন-ভাত। কোনও দিন শিশুদের সংগ্রহ করে আনা গেঁড়ি-গুগলি সঙ্গে থাকে অতি উপাদেয় পদ। এক থালা ভাত, এ খরায়, উপার্জন দুঃসাধ্য প্রায়! ওই ডিঙিনৌকা একখানি, সে তাদের প্রাণ! তাদের সর্বস্ব! এ নৌকায় গ্রামের সবচেয়ে ধনী পরিবারের উত্তরাধিকারীদের নিয়ে কাদা ঠেলে যাবার প্রাক্ লগ্নে তাদের হৃদয়ে সম্মতি আছে কিনা, আনন্দ আছে কিনা, বোঝার উপায় নেই, কেন না তাদের মুখ, নীরব মুখ, এক প্রকার নির্বিকার ভাব ধরে রাখতে সক্ষম! কেন না সম্মতি-অসম্মতি, আনন্দ-নিরানন্দের ভাব প্রকাশ করার জন্যও মানুষের লাগে কিছু স্বাধীনতা! সেই স্বাধীনতার সঙ্গে দেশের স্বাধীনতার যোগ নেই। বিবিধ বৈষম্যে সেই স্বাধীনতার বুকে বাঁশ চেপে দাঁড়িয়ে থাকে উদ্ধত দুর্বিনীত সফল সমাজ! পীড়নে পীড়নে হৃদপিণ্ড ফাটিয়ে টেনে আনে রক্তজল। তাই নিয়ে তৈরি হয় লিয়াকত মাঝি। সে তৈরি হওয়ার পর আবদুল কাছিতে দিল টান। তার হাত ও পিঠের পেশি ফুলে উঠল। নরম কাদার ওপর দিয়ে, জলের পিচ্ছিলতা কাটিয়ে সরসর করে এগিয়ে চলল নৌকা। অপূর্ব দক্ষতায় লিয়াকত মাঝি লগা নিয়ন্ত্রণ করে নৌকাকে দিকভ্রষ্ট হতে দিচ্ছিল না।

    সকলে হইহই করে উঠছিল। যেন এক মজার খেলায় মেতেছে সবাই। জলবিহীন নদীতে নৌকা চেপে এক জাদুর সৃষ্টি করেছে। এমন জাদুর জাদুকর মোহনলাল। সে নায়ক। সে নেতা এই ব্যবস্থাপনায় সকলে তাকেই দিচ্ছে ধন্য রব। তার মুখে জয়ের হাসি। লোককে দিয়ে যা-খুশি করিয়ে নেবার গৌরবে, প্রভুত্বের অহমিকায় সে টান-টান। তার চোখে পড়ল না, আবদুলের সারা শরীরে স্বেদস্রোত। তার ফুলে ফুলে ওঠা পেশিগুলিতে জন্মাচ্ছে আক্ষেপ। আর শুধু পেশিমাত্র নয়, ফুলে ফুলে উঠেছে তার শিরা-ধমনী। বেশ কিছুটা টেনে চলার পর সে দাঁড়িয়ে পড়ছে। হাঁপাচ্ছে। শ্বাস নিচ্ছে লম্বা করে। মধুঋতা হাততালি দিচ্ছে—কী মজা! ওঃ কী মজা! আরও চল! আরও!

    শৌভ ধমক দিচ্ছে মধুঋতাকে—এই থাম। এবার ফিরতে হবে। ছেলেটার কষ্ট হচ্ছে না!

    মোহনলাল, নিজের ক্ষমতা কায়েম রাখার উদ্দেশ্যে বলছে—ওতে কিছু হবে না। যাক আরেকটু। আরেকটু চল আবদুল!

    আবদুল হাঁপাতে হাঁপাতে বলল—ওদিকে আর যাওয়া যাবে না। কাদা শক্ত হয়ে উঠেছে।

    শৌভ বলল—না না! ঘুরিয়ে নাও। অনেক হয়েছে।

    লিয়াকত মাঝি আবার নামল এক লাফে। এই কাদায় নৌকা ঘোরানো সহজ নয়। দু’জনে মিলে কাছি ধরে নৌকা টেনে নিয়ে গেল কর্দমাক্ত কিনারে। এ ধারে, এই পশ্চিমভাগে উঁচু প্রাচীরের মতো পাড়। পূর্বভাগে নদীবক্ষ হতে পাড়ের উচ্চতা বেশি নয়। মাটি ভাঙতে ভাঙতে ক্রমশ পশ্চিমদিকে সরে যাচ্ছে ভৈরব। উঁচু পাড় ভেঙে ভেঙে গ্রামকে টেনে আনছে নীচের স্তরে। মাটির ক্ষয়চিহ্ন লেগে আছে পাড়ের গায়ে। স্তরে স্তরে সাজানো মৃত্তিকার মধ্যে থেকে বেরিয়ে এসেছে পাড়-ঘেঁষে দাঁড়ানো গাছগুলির শিকড়। মূল। শাখামূল। মাটি আঁকড়ে ধরেছিল তারা কবে, নিরাপদ জীবনের জন্য; হায়, এখন মৃত্তিকা স্বয়ং ঝরে পড়েছে নিরাপত্তাহীনতায়। শিকড় মূল সমস্তই শূন্যতায় হাতড়ে মরছে অবলম্বন। আর সেই মৃত্যুর প্রহর গোনা নিরালম্ব শিকড় দেখে পুলকে বিস্ময়ে শব্দ করে উঠছে শহরের মানুষগুলি। তারা জানে না, উপলব্ধি ও করে না, ভাঙা-পাড়ের ভয়াবহতা। আগামী কোনও বিপর্যয়ের সংকেত এইসব, তারা ধারণা করতেও পারে না। তাদেরও শিকড় যে হয়ে আছে এমনই নিরালম্ব, ভাবে না তা। যদি তারা সকলেই থেকে যেত এই গ্রামে, যদি সকল সম্ভাবিত খরা-বন্যা, ভাঙা-গড়া দৈনন্দিন জীবন হত তাদের, তা হলে ভাঙা পাড়ের বেদনাবিধুরতা তারা উপলব্ধি করতে পারত। অসহায় নদী, ক্ষয় না করে উপায় নেই তার। অসহায় মাটি, ভেঙে পড়ে নির্জীব, অনন্যোপায়। তথাপি, এই জল, এই মাটি—নদী ও ভূস্তরের যতেক কণা, শিলাচূর্ণ, ধাতুপিণ্ড, অধাতু মৌল ও যৌগিক বস্তু যত, এমনকী ধাতুকল্পগুলি, তারা ভালবাসে জীব। ভালবাসে প্রাণ। তারা জীবনের অনন্য সুহৃদ। কিন্তু হায়! এক হাতে সৃষ্টি, অন্য হাতে বিনাশের উপকরণ সমেত প্রকৃতিকে মান্য করা ছাড়া মানুষের উপায় নেই। মাতৃ-দ্বারা প্রহৃত সন্তান ব্যথায় কাঁদে, কিন্তু মায়ের স্নেহের কাছে তার সদা সমর্পণ!

    ভাঙনের এই করুণ মূর্তি এ গ্রামের মানুষের মনে প্রকৃতির বিনাশী রূপের কথা সদা জাগরূক রাখে! এই নাগরিক প্রাণীগুলি তা বোঝে না। তারা চিৎকার করে-দেখ দেখ, কেমন শিকড় বেরিয়েছে!

    —মাটির এমন তলা থেকে শিকড় বেরুতে তুই দেখেছিস দিদি?

    —নারে। দেখিনি।

    —অ্যাই! দেখিসনি কী! এর আগে এখানে এসে নৌকো চড়েছিস, তখন দেখিসনি?

    —কী জানি! মনে নেই!

    —কী দারুণ না! ইস ক্যামেরাটা রেখে এলাম। এগুলো যেন ন্যাচারাল আর্ট।

    —এখানে ইংরিজি বলিস না। লোকে গালাগালি ভাববে।

    —হা হা হা!

    —হি হি হি!

    —ইংরিজি শুনে গাছও ভেঙে পড়তে পারে।

    —নৌকাও ডুবে যেতে পারে।

    —এই কাদায় নৌকা ডুববে! হি হি হি! এ তো এক মগ জলে সলিল সমাধির মতো!

    লিয়াকত মাঝি আর আবদুল সারা গায়ে কাদা মেখে, ঘাম মেখে, নৌকা একটু এগিয়ে নিচ্ছে, আবার পিছিয়ে দিচ্ছে। প্রত্যেক এগনো-পেছনোর সঙ্গে সঙ্গে মুখ ঘুরিয়ে নিচ্ছে অল্প অল্প করে।

    নৌকায় দোলা লাগছে এমন, যেন নাগরদোলায় চড়ার মজা। আরোহীরা উল্লাসে আতঙ্ক মিশিয়ে চিৎকার করছে। এ ওকে জড়িয়ে ছদ্ম-বিপদের ছদ্ম-ত্রাস ছড়িয়ে দিচ্ছে আকাশে বাতাসে। তাদের গায়ের ওপর এসে পড়েছে শারদীয় বৈকালের গাঢ় লাল রোদ। সমিরুদ্দিনের দল নৌকার সমান্তরালে চলেছিল পাড় বরাবর। তারা ওই উল্লাস দেখছে আর উৎসাহিত করছে বিপ্রতীপ উল্লাসে মাঝিদের। হুইপ! টান! লাগিয়েছে! জোরসে! নৌকা কাদা ভেঙে ভেঙে ঘুরছে। ঘুরে চলেছে। লিয়াকত মাঝি আবার লাফিয়ে বসছে নৌকায়। আবদুল কাছি ধরে টান মারছে। চলেছে সাঁকোর দিকে। তার পেশি ফুলে উঠছে। শিরা ধমনী ফুলে উঠছে। অবিরল ধারায় ঘাম ঝরে পড়ছে ভৈরবের জলে ও কাদায়।

    নদীপাড়ের জমিতে কাঁঠালতলার বাঁশের আসনে বসে এ দৃশ্য দেখছিল সিদ্ধার্থ। বরকত আলি ছিলেন তার সঙ্গে। তিনি বললেন—দেখেছ কাণ্ডটা! এটা করা কি ঠিক হল মোহনের?

    —না ঠিক হল না।

    সিদ্ধার্থর স্বর থমথমে। বিষণ্ণ। সে টের পাচ্ছে, মোহনলাল তবে এলাকার প্রভু হতে চলল! এলাকার অধীশ্বর! সে বলছে—এ অন্যায়! এইভাবে লোক দিয়ে নৌকা টানানো! এ অন্যায়! ওরা রাজি হল কেন?

    বরকত আলি বললেন- সমিরুদ্দিনের দলটাকে এখন গোটা গ্রাম ভয় পায়। আগে অপছন্দ করত। এখন ভয় পায়। আস্তে আস্তে আমিও ভয় পেতে শুরু করেছি ওদের সিদ্ধার্থ।

    —চাচা!

    —লিয়াকত মাঝি সোমেশ্বরের কাছে টাকা ধারে। আমার কাছেও ধারে। ভৈরবের মৎস্যজীবীদের বড়ই দুর্দশা। তার ওপর এক বছর হল বৃষ্টি নেই। কী করবে ওরা। সোমেশ্বরের মধ্যে এ জিনিস ছিল না। লোককে টাকা ধার দিচ্ছে বলে প্রভু হয়ে উঠছে, এমন মানসিকতা ছিল না। এই মন মোহনলালের। আমিও ভয় পাই ওকে এখন সিদ্ধার্থ। কারণ আমিও ওদের কাছে টাকা ধারি। সেই জোরেই মোহন সর্বসমক্ষে আমাকে ধমকে দেয়। আমি, নিজের সম্মান বাঁচাবার জন্যই এখন হ্যাঁ হ্যাঁ করি। ওর সব কথায় হ্যাঁ হ্যাঁ করি। আর ক’টা দিন। পরের পঞ্চায়েত নির্বাচনেই সরে যাব আমি।

    —না চাচা। আপনি থাকবেন। আপনাকে আমাদের দরকার।

    —তুমি কি জানো সিদ্ধার্থ, এই রাজনৈতিক পদ হয়ে উঠছে আমার জীবন-মরণ সমস্যা।

    —কেন চাচা?

    —মোহনলাল সার্বিক অধিকার চায়। করম মণ্ডলের কথা তো শুনেছ?

    —হ্যাঁ।

    —করম মণ্ডল পঙ্গু হয়ে গেল মানে এ অঞ্চলে লিগও পঙ্গু হয়ে গেল। কংগ্রেস এমনিই দুর্বল ছিল। তার ওপর জব্বারকে হাত করে মোহন অর্জুন সেনের কোমর ভেঙে দিয়েছে। লোকে এখন হতেই ওকে মান্য করতে শুরু করেছে। এবার ওর সিংহাসনের কাঁটা কে বল? আমি ছাড়া? আমি থাকলে এই অঞ্চল পুরোপুরি ওর দখলে আসবে না। অতএব আমাকে সরানোর ছক কষবে ও।

    —চাচা! ও কি এত নীচে নামবে?

    —নীচে নামতে বাকি রেখেছে কিছু? তুমি জানো না?

    —জানি।

    —তা হলে? কথা কী জানো, ও যেভাবে চটজলদি নেতা হয়ে উঠছে তার পথটা সরল নয়। গ্রামাঞ্চল বলে আর পয়সাওয়ালা ঘরের ছেলে বলে পারছে। এখানে মাথা হয়ে বসতে গেলে আজও পয়সার জোর কাজে লেগে যায়! ও যখন গ্রামে থাকবে বলে এল, আমি খুশি হয়েছিলাম। অত শিক্ষিত ছেলে, গ্রামে থাকবে, সংগঠনের কাজ করবে, এ তো ভাল কথা। দিন-কাল পাল্টেছে। মানুষকে আজ আর অশিক্ষিত থাকতে দেওয়া চলে না। কিন্তু দুঃখ কী জানো, ও শিক্ষিত ছেলে হয়ে গ্রামে যে বিষ ঢুকিয়েছে, তা কিন্তু আমাদের এতকালের অশিক্ষিত জমানাতে ছিল না। তা হলে আর শিক্ষায় কী লাভ বলো? ওই বদমাশ ছেলেগুলোকে এইরকম প্রশ্রয় দেয়! এই তরুণ বয়স, এখনই ও এইরকম করছে। পরে, পোড়-খাওয়া, ঝানু হলে ওর কি মনুষ্যত্ব বলে কিছু থাকবে? আমরা যখন পার্টি শুরু করেছিলাম তখন বড়দের মান্য করতাম কত! নেতৃত্বের ওপর কথা বলার ভাবনা মনেও আসত না। এমন কোনও কাজ করতাম না যাতে দলের গায়ে কোনও দাগ পড়ে! আজ পঁচিশ-তিরিশ বৎসরে কমিউনিস্ট পার্টিগুলির কত পরিবর্তন হল! কত আর বলব! ও এখন দাপট দেখায়! সেদিনের এক ফোঁটা ছেলে!

    —আপনারও তো লোক আছে। আপনি তাদের সংগঠিত করুন। ওর দাপট ভাঙুন। লড়াই করুন।

    —না সিদ্ধার্থ। লড়াই তুমি করবে। আমরা তোমার দিকে তাকিয়ে আছি। অনেক শক্তি আছে তোমার। একদিন গোটা দলকে নেতৃত্ব দেবে তুমি। কে জানে, হয়তো দেশকেও নেতৃত্ব দেবে। সিদ্ধার্থ আবেগ বোধ করে। নিচু হয়ে বরকত আলির পা ছোঁয় সে। বলে—আশীর্বাদ করুন।

    —আশীর্বাদ করি। সবসময় আশীর্বাদ করি। সিদ্ধার্থ, বয়স হয়েছে আমার, রাজনীতি করছি, সেও আজ তিরিশ বৎসরের কম নয়। আগে প্রত্যক্ষভাবে এমন জড়িত ছিলাম না। আসলে গ্রামদেশে রাজনীতি এমন প্রত্যক্ষ ছিল না তো আগে। তবু পার্টির নেতারা আসতেন। থাকতেন। তাঁদের কাছে কত শিখেছি! শুধু কমিউনিস্ট নেতারাই নয়। অন্য পার্টিতেও অনেক মাননীয় নেতা ছিলেন। মত আলাদা ছিল কিন্তু শ্রদ্ধা করতে অসুবিধে হয়নি। গ্রামে থেকেছি। তবু বড় বড় নেতাদের দেখেছি। শিবেশ্বর সাধুখাঁ, ত্রিদিব চৌধুরী, অরুণ সেনের মতো নেতারও বক্তৃতা শুনেছি। দেখেছি কাছ থেকে। নমস্য মানুষ তাঁরা। কারণ কী জানো? রাজনীতি করতে এসে তাঁরা হৃদয় হারাননি। ন্যায়-নীতি হারাননি। যে-নেতা, তার শুধু বুদ্ধি আর সাহস থাকলেই চলে না, তার হৃদয় থাকতে হয়। তার ভালবাসা থাকতে হয় মানুষের প্রতি। তোমার তা আছে। তোমার বুদ্ধি, বিবেচনা, হৃদয়, ব্যক্তিত্ব সকলই আছে।

    —চাচা! আপনারা আছেন বলেই তো আমি কাজে ভরসা পাই। আপনারা না থাকলে আমার কোনও অস্তিত্বই নেই।

    —মানুষকে পাশে পাবে তুমি সিদ্ধার্থ। মানুষেরও যে তোমাকে দরকার। কী জানো, তোমাকে কাছ থেকে দেখার আগে পর্যন্ত আমার লোভ ছিল এম এল এ হওয়ার। কতদিন ভেবেছি বরকত আলি এম এল এ! আহা! কিন্তু এইসব সাধ আর নেই এখন। আল্লাহতালার দেওয়া এ জীবন, এই প্রাণ, এ তো মানুষের প্রয়োজনেই লাগার কথা ছিল। মানুষের কাজে লাগার সুযোগও পেয়েছিলাম। কিন্তু স্বার্থ ভেবেই দিন কেটে গেল।

    —আপনি তো করছেন চাচা। মানুষের জন্য করছেন। করবেন আরও। আপনাকে থাকতে হবে।

    —কী জানো সিদ্ধার্থ, মন ভেঙে গেছে। মোহন—এই মোহনকে জন্মাতে দেখেছি। আমার ছেলেদেরই মতো ও একজন। আমার বন্ধুর ছেলে। ওকে কত স্নেহ করেছিলাম। ওর বাড়ির সঙ্গে আমার আত্মীয়ের সম্পর্ক। কতবার কত জায়গায় হিন্দু-মুসলমানের রায়ট লেগেছে। এ গাঁয়ে ওই দু’টি মাত্র হিন্দুর ঘর। তাদের গায়ে আমরা আঁচও লাগতে দিইনি। আমাদের ভরসাতেই দিনের পর দিন মা’কে বউকে ফেলে শহরে গিয়ে ব্যবসা করছে সোমেশ্বর। আমরা তার মর্যাদা দিয়েছি। আলাদা করে ভেবে কিছু করিনি। যেমন ঘরের লোকের জন্য ভাবি, তেমন ওদের জন্যও ভেবেছি। সেনরা আলাদা পার্টি করে। তাদের সঙ্গে জমি নিয়ে কাজিয়া আছে আমার। তবু জানি, তেমন প্রয়োজনে কাঁধে কাঁধ দিয়ে সব দাঁড়াব। কিন্তু মোহনলাল গ্রামে এক নতুন সম্পর্কের আমদানি করছে। এ হল শক্তিমানের সঙ্গে শক্তিহীনের সম্পর্ক। সিদ্ধার্থ, বাম জমানায় এমন হওয়ার কি কথা ছিল? কংগ্রেস আমলের সঙ্গে তা হলে আর তফাৎ রইল কী! ঢাকের শব্দ এগিয়ে আসছিল ক্রমশ। ঘট বিসর্জন দিতে আসছে চাটুজ্যেবাড়ির লোকজন।

    প্রতিমা নিরঞ্জন হচ্ছে না। তবু ঘাটে ভিড় করে আছে মানুষ। দেখছে। বিসর্জনের বাজনায় আছে এক করুণ সুর। সিদ্ধার্থর হৃদয়, বরকত আলির হৃদয়, এমনকী সমবেত মানুষগুলির সকল হৃদয় তা ছুঁয়ে যাচ্ছিল। অনাবৃষ্টির এ মরসুমে স্বয়ং দেবীই রয়ে গেলেন অনৈরঞ্জনা। হায় গো! হায়!

    শেষ আলোর রেশ বিলিয়ে সূর্য নিঃশব্দে ডুবে গেল। মর্ত্যে আঁধার নামল।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44 45 46 47 48 49 50 51 52 53 54 55 56 57 58 59 60 61 62 63 64 65 66 67 68 69 70 71 72 73 74 75 76 77 78 79 80 81 82 83 84 85 86 87 88 89 90 91 92 93 94 95 96 97 98 99 100 101 102 103 104 105 106 107 108 109 110 111 112 113 114 115 116 117 118
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleকয়েদি – তিলোত্তমা মজুমদার
    Next Article বসুধারা – তিলোত্তমা মজুমদার

    Related Articles

    তিলোত্তমা মজুমদার

    শামুকখোল – তিলোত্তমা মজুমদার

    August 25, 2025
    তিলোত্তমা মজুমদার

    অর্জুন ও চারকন্যা – তিলোত্তমা মজুমদার

    August 25, 2025
    তিলোত্তমা মজুমদার

    ঝুমরা – তিলোত্তমা মজুমদার

    August 25, 2025
    তিলোত্তমা মজুমদার

    নির্জন সরস্বতী – তিলোত্তমা মজুমদার

    August 25, 2025
    তিলোত্তমা মজুমদার

    বসুধারা – তিলোত্তমা মজুমদার

    August 25, 2025
    তিলোত্তমা মজুমদার

    কয়েদি – তিলোত্তমা মজুমদার

    August 23, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Our Picks

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }