Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    রাজপাট – তিলোত্তমা মজুমদার

    তিলোত্তমা মজুমদার এক পাতা গল্প1633 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    রাজপাট – ৮৯

    ৮৯

    আসিবে আসিবে কন্যা
    আশ্বিনের এই ছিল বাসনা।
    আসিল সে বসিল সে
    সকল কথা বলিয়া গেল কই?
    চোখের জলে ভাসিল দেশ
    উমার মুখে চাহিতে পারি না।
    বিদায় বিদায় বুক ফেটে যায়
    শূন্য ঘরে একলা বসে রই।

    .

    কমরি বিলের পাশে গোমুণ্ডি গ্রাম। এ গ্রামেই রাত্রিবাস করছে তারা আজ। এ গ্রামেরই প্রান্তে জীবনের শেষটুকু ঢেলেছিল ময়না বৈষ্ণবী।

    এই শেষ আশ্বিনের রাত্রি, এখনই আকাশ ঢালছে কিছু হিম। গভীর রাত্তিরে এই হিম কিছু-বা শীতার্ত করে তুলবে দেহ।

    কালান্তর নিম্ন-জলাভূমি অঞ্চল। বহু পূর্বে গঙ্গা এই পথেই বয়ে যেত সাগরের দিকে। সরে যেতে যেতে গঙ্গার মরা সোঁতা স্থাণু হয়ে দাঁড়িয়েছে বিলে। কিন্তু নদীর সেই স্রোতধর্ম, সিক্ততা সেই, আজও এ অঞ্চলের মৃত্তিকা আঁকড়ে আছে। তাই হিম তীব্র এ অঞ্চলসমূহে।

    নিজামত আলির ছোট কুটিরের সামনে বসেছিল তারা। অনাবৃষ্টির খটখটে মাটি। বিলের কদমময় জল ঘন, কালো, ভারী। অপেয় এই জল। অস্বাস্থ্যকর। তবু এ গ্রামের এই-ই সম্বল। জলের ওপরে পড়া সর সরিয়ে সরিয়ে লোকে কলসিতে জল ভরে আনে। কেন না এ গ্রামে একটিও নলকূপ নেই। এই গ্রামে নেই, বাঘানে নেই। কলাবিবিতে নেই। সোনাটিকুরিতে নেই। এ নিয়ে তাদের কোনও অভিযোগও নেই। কার কাছে অভিযোগ? কোথায়?

    তারা পান করে কালোজল। শঙ্কাহীন পান করে। আর জল, সে তো ওই বিলের জল সকলই গঙ্গার অংশ! তাতে প্রাণ সমর্পিত থাকে। বিলে প্রসারিত থাকলে যে কালিবর্ণ, তা কলসিতে উঠলে দিব্য স্বচ্ছতা। তারা ভরসা করে। ওই জলেই ভরসা করে। রোগজীবাণুসমেত জলে তৃষ্ণা মেটায় এবং মরে। মরতে মরতে আবার বেঁচেও যায়! একেই তো বলে জীবন। এই মরতে মরতে বেঁচে যাবার আশীর্বাদ—এই প্রাপ্তিই হে জীবন, হে জীবন, হে সুন্দর!

    সমস্ত গ্রাম এই চরম দারিদ্রকে ঈশ্বরের প্রদত্ত শাস্তি বলে মানে। এই চরম অবহেলাকে খোদাতালার ইচ্ছা বলে মানে। অভিযোগ নিয়ে তারা কার কাছে যাবে?

    সম্বৎসর দু’মুঠো অন্ন জোগাড়ে দিন যায়। বর্ষা এলে সকলি ভেসে যায় জলে। এই বাঁশের বেড়ার ঘর ও বসতি গুটিয়ে, সামান্য সম্বল থালা-বাটি আগলিয়ে যে-যার উঠে পড়ে ডিঙিনৌকায়। কবেকার নৌকা সব। বানিয়েও নেয় তারা কলাবিবির বন হতে কাঠ-কুটো কেটে। বড় নদীর বড় স্রোতে সে নৌকা তাল পায় না। বর্ষায় জলঙ্গী হতে উপচানো জল, ভাগীরথী হতে উথলানো জল বুকে ধরে ভরে ওঠে বিলগুলি আর তারও চেয়ে বেশি জল হলে ভেসে যাওয়া গ্রামে ডিঙিনৌকায় বাঁচে তারা জোর। এক-একটি নৌকায় দু’ঘর-তিনঘর। ভাসে। ভেসে যায় একটুকু ডাঙার সন্ধানে।

    ওইসব ডিঙিনৌকা হতে কতদিন কতজনার সন্তান পড়ে গেছে জলে। কিংবা পলকা সে নৌকা ডুবে গেছে সংসারের ভারী চাপে সংসার সমেত। আর নৌকা—সেও সকলের আছে কই। সারা গ্রামে দু’চারখান। তাই নিয়ে ভেসে যাওয়া দূরে-দূরান্তরে। অথবা মাথায় নিয়ে সংসারের বস্তুগুলি, তারা যায় রেলপথের দিকে। এমনকী ঝুড়িতে চাপিয়ে সদ্যোজাত শিশু, তারা জল ভেঙে ভেঙে হাঁটে। আঃ! বর্ষা নেমেছে! ওঃ! বর্ষা কেটে গেলে আবার শুকনো জীবনে ফেরা! ক’টা দিন, বর্ষার এ ক’টা দিন জিইয়ে রাখো ঠাকুর! খোদাতালা। তোমারই কৃপা সব!

    এমন সব কামনা সমেত তারা হাঁটে। হেঁটে যায় কখনও সড়কপথের দিকে। জল কম হলে সড়কের ধারে ধারে অস্থায়ী বসবাস করে। পাকা সড়ক ধরে চলে যায় গঞ্জে শহরে। জীবনধর্মে ভিক্ষা মেগে খায়। কিংবা চুরি করে। যা পায় হাতের কাছে, চুরি করে। চুরির বস্তু বেচে দু’টি পয়সা পেলে চাল কিনে খায়। খায়। শুধু খায়। আহার্যের সন্ধানে চোখ খোলা, বন্ধ করা চোখ। কী-ই বা তারা করে! প্রাণধারণের জৈবিক আগ্রহবশে আর কোনও ধর্ম নাই।

    জল আরও বেশি হলে পাকা সড়কও ডুবে যায়। তখন তারা রেলের লাইন ধরে চলে। মাথায় বোঝা নিয়ে, কোলে শিশু নিয়ে, চলে সারি সারি। লাইনের নীচে পেতে রাখা পাটাতনে পা দিয়ে দিয়ে চলে যায় ইস্টিশন তক। খোলা প্ল্যাটফর্মে গা ঘেঁষাঘেঁষি করে চলে যায় দিন। অনাহারে-অর্ধাহারে রুগ্ণদেহ তারা। রোগ দেহ। এভাবেই কাটিয়ে দেয় বর্ষার অতিরিক্ত জলের নির্বাসন।

    বর্ষণ পরিমিত হলে তবু গ্রামে থাকা যায়। হাঁটুজলে থাকা যায়। তারই মধ্যে তারা চাষ করে ধান। সে হল সৌভাগ্যের বৎসর। গ্রামে থাকতে পারার, ধান্যসম্ভার গড়ে তুলতে পারার সৌভাগ্যের বৎসর। কোন বৎসর কেমন যাবে তার নিশ্চয়তা কী-ই বা! জানে না কেউ, আগামী বৎসর ভয়ংকর হয়ে উঠবে কি না। আশীর্বাদক হয়ে উঠবে কি না।

    সড়কের ধারে ধারে, কিংবা রেলের ইস্টিশনে তাদের কাটে যে দিন, রোগক্লিষ্ট, অনিশ্চিত, অনাহারী সেই সকল দিনে আছে আরও এক সম্ভাবনা। হারিয়ে যায় শিশু। হারিয়ে যায় কিশোরী ও বালিকা মেয়েরা। এমনকী শিশুরাও হারায় মেয়েজন্ম নিলে। কখন কোথায় তারা লুপ্ত হয়ে যায়, জানে না কেউ, দেখে না। মেয়ের মা বুক চাপড়ে কাঁদে। মেয়ের বাপ গুম হয়ে বসে থাকে। অতঃপর কিছুকাল দুইবেলা ভাত ফোটে তাদের ছাউনিতে। রঙিন ব্লাউজ, ধপধপে সাদা গেঞ্জি ওঠে মা-বাপের গায়ে। কারও শোকে কোল পেতে দেয় না কেউ। কারও এ বৈভবে কেউ কৌতূহলী প্রশ্নও করে না। কারণ, তারা সকলেই জানে এ সত্য, নারীজন্ম, মেয়েজন্ম, মূলধন হয়ে ওঠে দরিদ্রের ঘরে। এমনকী রাত্তির গভীর হলে স্ত্রী-ধন বিক্রয় হতে থাকে। সড়ক ও ইস্টিশনের জীবন-যাপনে কামুক পুরুষ এসে শুরু করে লুঠতরাজ। অর্থের বিনিময়ে ব্যবহার করে যায় নারীদেহ। অনাহারী, অর্ধাহারী, বহুপ্রসবী ইত্যাকার হাড় কাঁকলাস দেহেও উপগামী পুরুষ রেখে যায় দু’টাকা-পাঁচটাকা। তা বেশ। তা বেশ এ বেশ্যাবৃত্তি। বেশ্যাবৃত্তি পৃথিবীতে শাশ্বত উপার্জনের পথ।

    মরশুমি গৃহস্থ সব। মরশুমি পথবাসী। মরশুমি পিতা-মাতা, মরশুমি মানব-ব্যবসায়ী। মরশুমি গৃহবধূ, মরশুমি দেহোপজীবিনী!

    .

    বৃদ্ধ নিজামত আলি, তাঁর খোলা চোখ, সে-চোখে বুঝি-বা বয়সের পরদা পড়ে আছে। তিনি বিড়িতে টান দিয়ে আগুন স্ফুরিত করে বলেন—অর্ধেক অসৎ বাঁচি বাবু, অর্ধেক সৎ। আপনাদের নিকটে কী লুকাব! আপনেরা ভাল করতে এসেছেন। ভোটের সময় টাকা দিয়ে খাওয়া দিয়ে লোক ধরে নিয়ে যায়। এ ছাড়া কে কবে আমাদের জীবনের কথা শুনবে বলে এসেছে! আপনেরা এসেছেন। ভাল করতে এসেছেন। আপনদের সব বলি। অর্ধেক সৎ বাঁচি আমরা, অর্ধেক অসৎ। গ্রামে থাকলে, গেরস্তি করলে, আমাদের ন্যায়-নীতিবোধে কোনও কমতি নাই। কিন্তু গ্রাম ছেড়ে বেরুলেই আমাদের বুকের খাঁচা খুলে সকল ভাল উড়ে যায়। পাখা মেলে উড়ে যায়। আমরা তার নাগালও পাই না। যেই গ্রামে ফিরি, তারা পোষা পাখিটির মতো উড়ে এসে আপনি ধরা দেয়। হাড়-পাঁজরের দাঁড়ে বসে মুখ ঘষে। তখন বিবি-মেয়ে কেউ বেচাল হয় না বাবু, হায়া রাখে। চুরি-চামারির কথা ভাবেও না কেউ। সব শিশু বুকে চেপে খেলা দেয় বাপ। কিন্তু দেখেন, এইবেলা কী করি! এই অনাবৃষ্টির বেলা! জলাভাবে ফসল ফলল না। নদীতে-বিলে মিলে না মাছ। গ্রাম ছেড়ে ভিক্ষায় যায় সকলে। বেলা পড়লে গ্রামে ফিরে আসে। এখন, ওই ন্যায়-নীতির পক্ষীটি বড় দিশেহারা বাবু।

    তৌফিক সরল প্রশ্ন করেছিল —আপনারা বলছিলেন মেয়েরা হারিয়ে যায়। কোথায় হারিয়ে যায়? খোঁজেন না আপনারা?

    —খুঁজলে কি আর পাওয়া যায়? যা হারিয়ে যায় তা কি আর ফেরে?

    বৃদ্ধ নিজামত আলির স্বরে ব্যথার আভাস ফোটে। তৌফিক ঘন বিস্ময়ে স্ফুরিত থাকে তবু। ব্যথিতের আবেগ তার স্বরকে প্রকম্পিত করে দেয়। সে বলে—কত মেয়ে হারিয়েছে?

    —তা প্রতি ঘরেই কোনও না কোনও মেয়ে। পঞ্চাশ-পঞ্চান্ন ঘরের বাসিন্দে আমরা। তা ধরেন না কেন, শতখানেক মেয়ে।

    —কারওকে পাওয়া যায়নি? একজনকেও নয়?

    —না।

    তৌফিক স্তব্ধ বসে থাকে। এই মুহূর্তে যে-আঘাত সে পেয়েছে তা উপলব্ধি করে, তার জন্য কষ্ট পায় সিদ্ধার্থ। অজ্ঞতার আশিস হতে বঞ্চিত হচ্ছে তৌফিক। এমন নয়, জগদ্বিষয়ে তৌফিক সম্পূর্ণ অনভিজ্ঞ। ইদানীং মোল্লাগেড়ের বস্তিতে বসবাস তাকে করে তুলছে নানা অভিজ্ঞতায় ধনী। তবু এক অভিজ্ঞতার পাশাপাশি এক অনভিজ্ঞতাও থেকে যায়। তেমনই তৌফিকের।

    সিদ্ধার্থ জানে, ওইসব কন্যাশিশু, ওইসব বালিকা ও কিশোরীরা বিক্রি হয়ে যায়। তাদের কেনার জন্য নিরন্তর ঘোরে-ফেরে দালাল চতুর। তৌফিক এ বৃত্তান্ত জানে না এমন নয়। কিন্তু সে জানা ও এ জানায় তফাত বিস্তর। সে জানে, দালালেরা লোভ দেখিয়ে, ভুল স্বপ্ন দেখিয়ে নিয়ে যায়। মা-বাবার ভূমিকা সেখানে ঠকে যাবার। এই প্রবঞ্চনার মধ্যে তবু জিইয়ে রাখা যায় কিছু বা সম্মান। আহা বেচারা! বোঝেনি এমন জিঘাংসা জগতে চলে যাচ্ছে মেয়ে। যেমন ঘটেছিল কমলির বেলায়। এখানে মা-বাবার সঙ্গে চলে সরাসরি কেনা-বেচা দর ও দস্তুরি। মা-বাবার ভাবমুর্তির ক্ষেত্রে তা সহনীয় হয় না। সে জানে এই সমস্তই। এবং চুপ করে থাকে। কেউ প্রকাশ করবে এই সমস্তই, অপেক্ষা করে সে। এবং তার অপেক্ষা ধন্য করে কথা বলে একজন। রোগা হাড়-জিরজিরে সেই মানুষটার মাথায় ঝাঁকড়া চুল। চোখদু’টি দপদপে। উবু হয়ে বসেছিল সে এতক্ষণ। খরখরে নিরুত্তাপ স্বরে সে বলে—অত বেশি ফালুনি হ্যাঁয়লি করতিছ ক্যানে? কয়ে দ্যাও, মেইয়া বিক্কিরি করে দিই হামরালোক।

    —বিক্রি? বিক্রি করে দাও?

    তৌফিক তার প্রাপ্ত আঘাতে গুঙিয়ে ওঠে প্রায়।

    —হ্যাঁ। দিই। যে-বৎসর মোটামুটি ফসল পাই, বানের জলে ডুবে যাই না যে-বৎসর, ঘর-গেরস্থিতে খোদার কৃপা থাকে, সেই-সেই বৎসর আমরা ভাবতেও পারি না সন্তানকে বেচে দেবার কথা। কিন্তু আশ্রয়হীন হলেই, পেট ভুখা গেলেই, মানুষ আর মানুষ থাকি না আমরা বাবু। খিদে এক সাংঘাতিক অসুখ। এর চেয়ে বড় রোগ, বড় মহামারী আর নেই পৃথিবীতে। আর ওইসব ছাও-পাও ঘরে থেকে লাভ আছে। তাদের সুন্দর দেখায়। স্নেহ উথলায় দেখে। কিন্তু ইস্টিশনে বাস করলে না আছে স্নেহ, না আছে সুন্দর। না খেতে পেয়ে মারা যায় কত! রোগ-ভোগে মারা যায় কত! তার চেয়ে, যায় যেখানে, চলে যায়, খেয়ে-পরে বাঁচবে তো! বেঁচে তো থাকবে।

    এ কথার পর, স্তব্ধ থাকে বিশ্বচরাচর। কেউ কোনও কথা বলে না। এমতাবস্থায় বলবারও থাকে না কিছু। একাদশী চাঁদের আলো উছলে মাটিতে পড়ে। এই কালান্তরের দারিদ্রপীড়িত গ্রামও তাতে হয়ে ওঠে মায়াময়। চৌর্যবৃত্তির নারী ও পুরুষ, শিশুবিক্রয়ের নারী ও পুরুষ তারা ছায়া-ছায়া ঘুরে বেড়ায়। ভিক্ষের চাল দ্বারা অতিথি সৎকারের আয়োজন করে। কারও ঘরে গত বৎসরের সুফলা ধানের চাল জমা ছিল কিছু-বা, সে-ও দুই মুঠো এনে দেয়। ভাতে ভাত, নুন, লঙ্কা—এই সম্বল। নিজেদের মধ্যেই আলোচনা করে তারা। কেউ স্বপ্ন দেখতে চায়—ভাল হবে। আমাদের ভাল হবে।

    কেউ শঙ্কিত—কী ভাল হবে? আমাদিগের কপালপোড়া। এর আর ভাল হবে কী?

    কোনও পঞ্চায়েত সংগঠন নেই এখানে। জীবনের ঠিকঠিকানা নেই। বসবাসের ঠিকঠিকানা নেই, পঞ্চায়েত কে-বা গড়ে, কে ভাবে গ্রামীণ উন্নয়নের বিষয়ে। এমনই এই অঞ্চল। এমনই বাঘান, কলাবিবি এই সকল গ্রাম। এমনই ধুলামাটি।

    একাদশী চাঁদের উপছানো রূপ তারা দেখেও দেখে না। জ্যোৎস্না ফুটলে একমাত্র পুলক, অন্ধকারে দৃষ্টি দেওয়া যায়। ডিবরি না জ্বেলেই কাজ সারা যায় বিবিধ। রেশন কার্ড নেই কারও। কেরোসিন আক্রা। ডিবরি জ্বালানোও বিলাসিতা প্রায়। রেশনে সস্তায় চিনি ডাল মেলে বলে রেশন কার্ড করেছিল কেউ। বন্যায় ভেসে গেছে।

    সিদ্ধার্থর গলায় দলা পাকিয়েছিল শ্লেষ্মা। গভীর অন্ধকারে, অতল হতাশায় ডুবে যেতে চাইছে তার মর্ম, তার সৎ ইচ্ছাগুলি। কেন এতদিনে এতটুকু উন্নত হল না এ অঞ্চল! ভাঙন ও বন্যার প্রতিকারে ব্যয় হয় কোটি কোটি টাকা! কীভাবে ব্যয় হয়? কোন খাতে? সেইসবও জলে ভেসে যায় বুঝি!

    শুধু রবিশস্য সম্বলে বাঁচে এ জীবন, নির্দিষ্ট পরিকল্পনা ও সুষ্ঠু প্রয়োগ মাধ্যমে কিছু কি সুরক্ষা দেওয়া যায় না এখানে? যেত না?

    হায়! সড়কের ধারে ধারে পচে মরে কত না জীবন! সিদ্ধার্থ সে হতাশায় মুখ থুবড়ে পড়তে থাকে এবং পড়ে যেতে যেতে উঠে দাঁড়ায়। হতাশ হলে চলবে না। ভেঙে পড়লে চলবে না। সে তো দারুণ সমৃদ্ধি দেখবে বলে আসেনি এই গ্রামে। সে হাতের মুঠো শক্ত করে। বলে- যদি জীবন চলার মতো ব্যবস্থা হয়ে যায় কোনও দিন, ছেড়ে দিতে পারবেন, এইসব পেশা? এই চুরি-চামারি, ভিক্ষাবৃত্তি!

    বৃদ্ধ নিজামত আলি বিষণ্ণ হাসেন। মাথা নাড়েন কতকবার। বলেন—ছেড়ে দেব। নিশ্চয় ছেড়ে দেব। ছেড়ে দিতে চাই। এইভাবে বাঁচতে কি ভাল লাগে বাবু? তবে কী, কেউ থাকে জন্মভিক্ষুক! জন্মকাঙাল! কে জানে, কার মধ্যে ঘাপটি মেরে বসে থাকে উদগ্র ক্ষুধার আগুন! হাজার পেলেও তার মিটে না গো, মিটে না!

    আকাশে চাঁদের দিকে তাকায় সে। তারাদের দেখে। অজস্র তারাদের ভিড়। সে কথা খোঁজে। কথা। উপযুক্ত কথা। যে কথাই অবলম্বন মানুষের। স্বপ্ন দেখায় কথা। ভালবাসায়। অমৃতমুরতিমতী বাণী! এমনকী ভেঙে তুবড়ে দেয়ও ওই কথাই।

    নিজামত আলি বলেন তখন—এই কথা সে-ও বলত। যতবার আসত বলত।

    —কে বলত? কে?

    —বোষ্টুমি আসত যে। বলত।

    দুলুক্ষ্যাপার কাঁপা গলা শোনা গেল এবার—কে? ময়না বোষ্টুমি? কী বলত সে? কী বলত?

    —বলত, ছেড়ে দিয়ো। ভাল দিন এলে ছেড়ে দিয়ো দুষ্কর্ম। মানুষের এইসব করা সাজে না।

    —আর? আর কী বলত সে?

    —আমরা বলতাম, ভাল দিন আসবে কি? সুদিন সকলে দেখে না বোষ্টুমি! কত বৎসরকাল এইভাবে চলেছে। নবাবের আমলে, ব্রিটিশের আমলেও এইসব অঞ্চলে ছিল ডাকাতের বাস। পাশে ডাকাতপোতা গঞ্জই আছে একখানা। তা, ডাকাত হয়েছিল মানুষ কেন? কী লেগে? বলেন? অভাবের হতে বাবু। অভাবের হতে মানুষ চুরি-চামারি করে। ডাকাতিও করে। শেষে তা পেশা হয়ে দাঁড়ায়। নেশাও হয়। তা ডাকাতির নেশা বাবুলোকের কম কী! এই দেশ, মানুষজনা, তারা লুটে-পুটে নিচ্ছে না? ইস্টিশানে দেখেছি বাবু। কত কী দেখেছি। রেলবাবু ঘুষ নেয়। কেরানিবাবু ঘুষ নেয়। পুলিশবাবু ঘুষ নেয়। নেতাবাবুও নেয়। এগুলি ডাকাতি নয়? বলেন? ভদ্রবেশে ডাকাতি এইসব। তা তারা ডাকাতি করে লোভে। আরও আরও লোভে। খাওয়া জোটে, পরা জোটে, বাস জোটে, তবু লোভ করে। তাদের ইস্তিরির গায়ে সোনা-রূপা, তাদের সন্তান ইশকুলে যায়। তবু লোভ করে। সকলেই করে না। কেউ কেউ করে। যারা করে, তারাও ডাকাত। আমরাও। ছোট মুখে বড় কথা সাজে না বাবু। অন্যায্য কইলে মাপ করবেন। কিন্তু বলি কী, যার আছে, তার যদি লোভ হয়, যার নেই, তার লোভ না হবে কেন? গরিব মানুষ তারা, খেতে পেলে শুতে পেলে আর লোভ করবে না? একথা কি বলা যায়? কেউ কেউ করবে। কিন্তু কেউ কেউ ভালও হতে চায়। বয়স তিন কুড়ি পেরিয়েছে। কত কী দেখলাম। দু’ বৎসর আগে আন্ত্রিকে মারা গেছে আমার তিন ছেলে, বউ! রেল থেকে খাবারের প্যাকেট কুড়িয়ে খেয়েছিল। মারা গেছে। আমি বেঁচে আছি। মরে যাব কোনদিন। কথা কইতে ভয় নাই। কাকে ভয়? কিছু লোক ভাল হতে চায় বাবু। অর্ধেক সৎ বাঁচি আমরা বাবু, অর্ধেক অসৎ। এ কি জীবন, বলেন? এই কথা তারেও বলেছিলাম।

    —কী বলেছিল সে? কী?

    —বলেছিল, সুদিন আসবে। আসবেই। ঈশ্বরের ওপর আস্থা রাখো। তিনিই সব। কী বলব, ধুলামাটি গ্রামে, লোকে ডাকাতিও করে। দুই জেলায় পড়েছে ওই গ্রাম। মুর্শিদাবাদে, নদিয়ায়। পাশ দিয়ে জলঙ্গী রয়েছে। কিছু দূরে গেলে পায় ভাগীরথী। পায় আরও কিছুদুর গেলে বর্ধমান জেলা। তিন জেলা ঘুরে ঘুরে কুকর্ম সারে। সেই গ্রামে গিয়েছি আমি। পনেরো-কুড়ি বৎসর আগেই যা হোক! গিয়েছি! লোক সেথা আমাদেরই মতো বাবু। অসৎ বাঁচতে চায় না। কিছু বুদ্ধ আছে সে গ্রামে, আজও।

    —বুদ্ধ? না বৌদ্ধ?

    —ওই হল বাবু। বৌদ্ধ, বুদ্ধ সব একাকার। নিরন্ন হলে সব একাকার। সকলেই এক কথা বলে। একই চায়। হিন্দু যা চায়, মুসলমানে যা চায়, বৌদ্ধও তা-ই চায়। ধর্মের কারণে পরস্পর মারামারি কাটাকাটি করে না তারা। এখানে ধর্ম একটাই বাবু ক্ষুধা। ভুখা পেটের মানুষের ধর্ম বাবু সকল ক্ষেত্রেই এক। আর সেই ধুলামাটি গ্রাম, অভিশপ্ত। ধুলামাটি ও আশেপাশের যত গ্রাম, কলাবিবির বন হতে ওই জলঙ্গী, ভাগীরথী পর্যন্ত সব ডাকাতিয়া অঞ্চলের গ্রাম অভিশপ্ত। ডাকাতির পাপ, নরহত্যার পাপ সেখানে ভূমি জুড়ে লেগে আছে। সহজেই রোগ হয় সেখানে। লোকে মরে যায় সহজেই। এই জোয়ান মানুষ, করে-কর্মে খাচ্ছে, এই তার দেহ জুড়ে দগদগে ঘা। সে জানত। সে-ই জানত। ঘুরে ঘুরে বেড়াত সে। জানত সব। আমাদের আপনার ছিল সে। তাকে সব বলা যেত। কেবল মেয়েদের বিক্রি করে দেওয়া, কোনও দিন বলতে পারি নাই।

    দুলুক্ষ্যাপা সোজা হয়ে বসেছে এখন। সাগ্রহে চেয়ে আছে নিজামত আলির মুখপানে। ময়না বৈষ্ণবী সংক্রান্ত কথা যেন শুষে নিচ্ছে সে। সিদ্ধার্থ দেখছে তাকে। পড়ছে তার শারীরিক ভাষা। পড়তে পড়তে বৈরাগী ঠাকুরের হৃদয় সে দেখতে পাচ্ছে অনাবিল স্বচ্ছতায়। দুলুক্ষ্যাপা বলছে—বলতে পারোনি কেন? মিঞা? কেন?

    —সইতে পারত না সে। মেয়েদের বড় ভালবাসত বোষ্টুমি। ঘরের মেয়েছেলের গায়ে হাত তুললে বলত, ‘মেয়েদের সম্মান করো, মায়ের জাত, তাকে সম্মান করা মানুষের ধর্ম। এই দেশের ধর্ম।’ কার এতবড় বুক ছিল বাউল, তাকে বলবে? হয়তো জানত সে। হয়তো জানত না।

    —জানত না। জানত না। জানলে আমরা বুঝতে পারতাম ঠিক। সে যে হৃদয় খোলসা দিত আমাদেরই কাছে। তবে কি, শুধু মেয়ে বলে না, সে মানুষকেই ভালবাসত। প্রাণ দিয়ে ভালবাসত। মানুষের জন্য যার বুকে ভালবাসা আছে, তাকেও চিনতে পারত। যেমন এঁকে চিনেছিল। সিদ্ধার্থকে চিনেছিল।

    সিদ্ধার্থ আকাশের দিকে চেয়ে আছে। কেন না তার মনে পড়ে যাচ্ছে ময়না বৈষ্ণবীকে। কী আকুলতায় তার হাত চেপে ধরেছিল নারী সেই! তারা ফিরছিল তেকোনা গ্রামে তখন! কী স্নেহকোমলতা ছিল সেই স্পর্শে! সে আজও অনুভব করতে পারে সেই ছোঁয়ার মুহূর্তটুকু। আকাশের দিকে চেয়ে আছে সে। এখানে কোথাও আছে ময়না বৈষ্ণবী। তারা হয়ে আছে।

    নিজামত আলি এলোমেলো বলে চলেন— ঘুরে ঘুরে আসত সে। বিলের ধারে জলের পানে চেয়ে বসে থাকত। চলে গেল। মানুষকে ভালবেসে চলে গেল। ওঃ খোদা! এমন মৃত্যু যেন না হয় কারও! না হয়! বিশুদ্ধ মানুষ, তবু কোন পাপে এমন হল তার!

    কিছুক্ষণ, জ্যোৎস্নার ওপর, অঙ্গাঙ্গী বিছিয়ে থাকল নৈঃশব্দ্য। কিছুক্ষণ। তারপর একজন বলল—আমিই প্রথম দেখেছিলাম। কুত্তাগুলান তাকে ঘিরে চিল্লা করছিল।

    আর একজন বলল—ডাকছিল। করুণ ডাকছিল।

    ওঃ! রক্তে বুক ভেসে গিয়েছিল।

    শরীরে ছিল না কিছুই। একেবারে শেষ করে দিয়েছিল।

    তুলসীর গোটের মালা ছিঁড়ে ছড়িয়ে গিয়েছিল!

    এমনকী সে হতেও রক্ত ঝরছিল।

    দেহে পিঁপড়ে ধরেছিল!

    চুপ, চুপ করুন।

    সিদ্ধার্থ চাপা সপাট ধমকে থামিয়ে দিল কথা। বলল— আর নয়। ওইসব আর নয়। কী হবে এ আলোচনায়!

    .

    আবার নৈঃশব্দ্য এল ঘিরে। কুকুর ডেকে উঠল করুণ কেমন। দুলুক্ষ্যাপা উঠে গেল জনসভা ছেড়ে। তার আলখাল্লা পরা দীর্ঘ দেহে পড়েছে চাঁদের আলো। মনে হচ্ছে, জ্যোৎস্না ধরে ধরে সে বুঝি পৌঁছে যাবে চাঁদে। তারপর, চাঁদ হতে এক লাফে ধরে নেবে তারা হয়ে যাওয়া ময়না বৈষ্ণবীকে।

    সিদ্ধার্থর মনে হল, বৈরাগী ঠাকুরের কিছু রোদন প্রয়োজন। একান্ত রোদন। এখন সে জানে, সে নিশ্চিত, ময়না বৈষ্ণবীর তরে এ মানুষের হৃদয়ে আছে দুই কুল উপচানো ভালবাসা। তা রোদন বহায়। তা দাবি করে কিছু একান্ত সময়।

    তার মনে পড়ে, ময়না বৈষ্ণবী একা এক আন্দোলন তুলেছিল। নারী পাচারের মতো এক গর্হিত আন্তর্জাতিক অপরাধের বিরুদ্ধে আন্দোলন তুলেছিল। একাকী। নিঃসম্বলে। সেই দেখে, ময়না বৈষ্ণবীকে দেখে, তারা কি পারে না, সকল বঞ্চনার বিরুদ্ধে গড়ে তুলতে আন্দোলন?

    কার বিরুদ্ধে আন্দোলন? কার বিরুদ্ধে?

    সকল দুর্নীতিগ্রস্ত মানুষের বিরুদ্ধে! পচন ধরে যাওয়া দলীয় ব্যবস্থার বিরুদ্ধে! কর্কটরোগগ্রস্ত কেন্দ্রীয় শাসনের বিরুদ্ধে?

    সে বলে ওঠে—আপনারা শুনুন, এক সুন্দর জীবনের লক্ষ্যে, সৎ জীবনের লক্ষ্যে, যদি প্রয়োজন হয়, আপনারা আন্দোলনে রাজি?

    —আন্দোলন?

    তারা বিস্ময়ে বলে। এই পঞ্চাশঘর দরিদ্রতম মানুষ, যে-বস্ত্র ধোয়, সে-বস্ত্র পরে, এমন মানুষ, কে তাদের আন্দোলনে ডাক দেয়!

    সিদ্ধার্থ বলে চলে, কিংবা, কে জানে, হয়তো আকাশের সকল ব্যথিত নক্ষত্ররাজি, বলিয়ে নেয় তাকে দিয়ে, বলিয়ে নেয়—হ্যাঁ! আন্দোলন! ধরুন এমনকী অস্ত্র ধরতে হল আপনাদের? রাজি?

    —অস্ত্ৰ?

    —হ্যাঁ! ধরুন লড়াই করতে হল সেই অস্ত্র দিয়ে। রাজি?

    —লড়াই?

    —এবং সেই লড়াই, সেই সংগ্রাম, হতে পারে দীর্ঘ, দীর্ঘ সংগ্রাম। একেবারে হাতে হাতে ফল না-ও পাওয়া যেতে পারে। রাজি?

    —দীর্ঘ সংগ্রাম?

    —যদি হয়? যদি প্রয়োজন হয়?

    —আপনার কথাগুলি নেতার মতো শোনায় না বাবু। মনে হয়, ঘরেরই ছেলে বুঝি আপনি। কোনও বক্তৃতা নাই, কিছু নাই। হ্যাঁ বাবু, সংগ্রাম করে জীবন সুন্দর হয়?

    —অন্তত স্বপ্ন দেখা যায়। পাবার লক্ষ্যে এগিয়ে যাওয়া যায়। যা স্বাভাবিক পাবার কথা, না পেলে, গড়ে তুলতে হবে না?

    —আমরা পারব?

    —আমরা সবাই পারি, যদি চাই।

    —আমরা বাঁচব তো? হ্যাঁ বাবু? মরে তো যাব না!

    —মরা? কোন মৃত্যু? কোন মৃত্যু জানতে চান আপনারা?

    —আমরা যদি অস্ত্র ধরি, আমাদের উলটোদিকে যারা সব থাকবে, পুলিশ, সৈন্যসামন্ত, তারা আমাদের মেরে ফেলবে তো!

    —হ্যাঁ! মেরে ফেলতেও পারে। আমরা একজনও বেঁচে না-ও থাকতে পারি! কিন্তু ওই মৃত্যুর দ্বারা, প্রতিবাদী মৃত্যুর দ্বারা যে কল্যাণ রচিত হয়, তার ফল পায় ভাবীকাল!

    —আমরা তো মরে বেঁচে আছি বাবু। যদি কোনও কাজে লাগি, বলবেন। বলবেন… একটি কিশোরী মেয়ে এসে দাঁড়ায় তখন। রিনরিনে গলায় বলে—মা বলে দিল, পাক হয়ে গেছে।

    তাকে দেখে সিদ্ধার্থর বুক ভরে গেল। মনে হল, এই তো, এই মেয়েটি তো বিক্রি হয়ে যায়নি। কিছু থাকে। কিছু থাকে। যা থাকে, তাই নিয়েই এগিয়ে চলার কাজ শুরু করতে হয়।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44 45 46 47 48 49 50 51 52 53 54 55 56 57 58 59 60 61 62 63 64 65 66 67 68 69 70 71 72 73 74 75 76 77 78 79 80 81 82 83 84 85 86 87 88 89 90 91 92 93 94 95 96 97 98 99 100 101 102 103 104 105 106 107 108 109 110 111 112 113 114 115 116 117 118
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleকয়েদি – তিলোত্তমা মজুমদার
    Next Article বসুধারা – তিলোত্তমা মজুমদার

    Related Articles

    তিলোত্তমা মজুমদার

    শামুকখোল – তিলোত্তমা মজুমদার

    August 25, 2025
    তিলোত্তমা মজুমদার

    অর্জুন ও চারকন্যা – তিলোত্তমা মজুমদার

    August 25, 2025
    তিলোত্তমা মজুমদার

    ঝুমরা – তিলোত্তমা মজুমদার

    August 25, 2025
    তিলোত্তমা মজুমদার

    নির্জন সরস্বতী – তিলোত্তমা মজুমদার

    August 25, 2025
    তিলোত্তমা মজুমদার

    বসুধারা – তিলোত্তমা মজুমদার

    August 25, 2025
    তিলোত্তমা মজুমদার

    কয়েদি – তিলোত্তমা মজুমদার

    August 23, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Our Picks

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }