Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    প্রবাদ মালা – রেভারেণ্ড কে. কে. জি. সরকার

    May 9, 2026

    প্লেটোর রিপাবলিক – সরদার ফজলুল করিম

    May 9, 2026

    অপেক্ষার বারোমাস – অর্পিতা সরকার

    May 1, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    রাধানগর – বাণী বসু

    বাণী বসু এক পাতা গল্প177 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    রাধানগর – ১০

    দশ

    কী রকম একটা অহঙ্কার হচ্ছিল। কীসের অহঙ্কার? আমি যেন রাস্তা দিয়ে চলছিলাম রাজার মত। রাজকুমারের মতো। কয়েক মাসের মধ্যে বিপুলা এ পৃথিবীর দুটো, অন্তত দুটো জায়গা —রাধানগর আর কলকাতা যেন চলে এসেছে আমলকীর মতো আমার হাতের মুঠোয়। আমি অনাথ-আতুর নই তো! আমার বাবা আছে, মা আছে, দিদিমা, বোন, এক মাসি … মারা গেছে তবু সে আমার আত্মীয়, ঠিক তেমনই আত্মীয় আমার দাদামশাই, দাদা, —আমার বড় জ্যাঠামশাই আছেন। এমন কী রাধামাধব, রাধামাধবের ওই মন্দির, ওই এস্টেট সে-ও আছে আমার। আর এত সব আপনজন থাকা সত্ত্বেও আমার এই আঠারো বছর বয়সে আমি এক অপরিচিত শহরে এসে নিজের তত্ত্বাবধানে নিজে থাকছি। না-খেয়ে, আধপেটা খেয়ে, প্রতিকূল পরিবেশে একজন প্রকৃত অনাথের মতো লড়াই করে বাঁচছি। এখন এই শহরের রাস্তাঘাট, এখানকার মিছিল ময়দান, এখানকার সমস্যা-সংবাদ সব নিজের উদ্যোগে, নিজের চেষ্টায় জানব, আবিষ্কার করব। বিপুল, বিরাট একটা জীবন, একটা পৃথিবী হাট হয়ে খুলে যাচ্ছে আমার সামনে। আগে যেমন মনে হত, এই পৃথিবীটাকে আমি জানি না। এই যে সব লোকে চারদিকে চলাফেরা করছে এদের আমি চিনি না, এখন সেই দেখাটাই এক মুহূর্তে যেন পাল্টে গেল। বুঝলাম—এদের না চিনলেও কোনও ক্ষতি নেই। পৃথিবীর অধিকাংশ জায়গা তো আমি চিনবই না, তাতে কী? এদের সঙ্গে আমার সম্পর্ক-স্থাপন হয়ে গেছে। এরা আমার কিছু-না কিছু হয়।

    ঘোরানো সিঁড়ি দিয়ে ঠিক লাফ দিয়ে দিয়ে ওঠা যায় না। কিন্তু উঠলাম খুব দ্রুত। দরজাটা আধ-ভেজানো। খুলে দেখি রাখালবাবু বিছানায় শুয়ে আছেন, একটা পায়ের ওপর আরেকটা পা, সিগারেট খাচ্ছেন। ঘরটা ধোঁয়ায় ভরে গেছে।

    আমাকে দেখেই উঠে বসলেন, কর্কশ গলায় বললেন—কটা বেজেছে খেয়াল আছে?

    আমি হাতঘড়ির দিকে চেয়ে দেখি সাড়ে আটটার ঘর ছাড়িয়ে যাচ্ছে কাঁটা।

    —দোকান-টোকান তো এবার বন্ধ হয়ে যাবে?

    আমি জিজ্ঞাসু চোখে ওঁর দিকে তাকাই, — কী বলতে চায় লোকটা?

    —আমার খাবার-টাবারগুলো কখন আনবে?

    আমি বললাম —আমি খেয়ে এসেছি। এখন আর বেরোব না। আপনি খেয়ে আসুন না।

    —তার মানে? তুই আমার খাবার আনবি না? ছিলি ঢোঁড়া, শহরের জল পড়েই হয়েছিস খরিশ। রোয়াব দেখাচ্ছিস?

     

     

    রাগ নয়, হঠাৎ কেমন করুণা হল লোকটার ওপর। শিশিরবাবুর কাছে শুনেছি লোকটার কেউ নেই। হাত বাড়িয়ে বললাম —পয়সা দিন। এনে দিচ্ছি।

    —যাক, তবু সুবুদ্ধি হয়েছে। পকেট থেকে কয়েকটা টাকা বার করলেন উনি। গালিগালাজটা চালিয়ে যেতে পারলেন না বলে যেন একটু বিমর্ষ।

    —রুটি আর পাঁঠা, —কাঁচা পেঁয়াজ বেশি করে দিতে বলবি।

    আমার মেজাজ খারাপ হয়ে গেল, আবার সেই মাংস আনতে হবে? তার মানে আজ বোতলও বেরোবে!

    যাই হোক, এনে দিলাম। দিয়ে বললাম—দেখুন আমি জীবনে কখনও মাংস খাইনি, ধারে কাছে কখনও রান্না হতে পর্যন্ত দেখিনি, আমার কী বিশ্রী লাগে আপনি বোঝেন না? তখনই ওঁর কয়েক ঢোঁক মদ গেলা হয়ে গেছে। বোতলটার দিকে আঙুল দেখিয়ে বললাম—এ সব খাওয়ার তো জায়গা আছে, সেখানে গিয়ে খেয়ে এলেই তো পারেন! আমার মতো একজন ছাত্রের সামনে মদ খেয়ে মাতলামি করেন, লজ্জা নেই আপনার?

     

     

    রাখালবাবু প্রথমটায় অবাক চোখে তাকিয়ে ছিলেন আমার দিকে, বোধ হয় বিশ্বাস করতে পারছিলেন না কথাগুলো আমিই বলেছি। তারপর হঠাৎ উনি উঠে এসে এক ধাক্কায় আমায় বিছানায় ফেলে দিলেন, আমার বুকের ওপর চড়ে বসে বললেন, লজ্জা? দেখাচ্ছি লজ্জা! তোর বাপের ঘরে থাকি? তোর বাপের টাকায় খাই? উনি উচ্চারণের অযোগ্য বিশ্রী-বিশ্রী কথা বলতে লাগলেন। তারপরে বললেন মাংস খাসনি কখনও? তো আজ খাবি, বলে ভাঁড় থেকে খানিকটা মাংসের ঝোল আমার মুখ ফাঁক করে ঢেলে দিলেন, বোতল থেকে খানিকটা তরল পদার্থও ঢাললেন।

    আমার ডান হাতটা পিঠের তলায় চলে গেছে, প্রচণ্ড লাগছে, বাঁ হাতটা উনি নিজের বাঁ হাত দিয়ে ধরে আছেন। আমি সমস্ত শক্তি দিয়ে উল্টে গেলাম, আর সঙ্গে সঙ্গে বিছানা ভেসে গেল বমিতে।

    লুঙ্গি পরা অশ্লীল চেহারার লোকটা — উল্টে পড়ে আমার বাপান্ত করতে লাগল। আমি মুখটুখ ধুতে আমার গামছা সাবান, পাজামা সব নিয়ে নীচের কলঘরে চলে গেলাম। শীতকাল বলেই বোধহয় চৌবাচ্চায় তলানি জল এখনও খানিকটা আছে, চান করে ওপরে উঠে দেখি, তক্তপোষের বিছানাটা গুটিয়ে পুঁটলি মতো করে এক দিকে সরানো, আমার বিছানাটা পেতে উনি শুয়ে পড়েছেন।

     

     

    —আমার বিছানায় শুলেন যে বড়? —আমি চেঁচাই।

    পুরো বোতলটা খেয়ে শেষ করেছে লোকটা, ভাঁড় থেকে মাংস ফাংস চেটেপুটে খেয়েছে, চারদিকে ছড়িয়েছে। বলল–শোন গেঁয়ো ভূত কোথাকার, এ ঘরে আর তোর জায়গা হবে না। ঠিক তিন দিন সময় দিচ্ছি। এর মধ্যে যা হয় ব্যবস্থা করবি।

    আমার পক্ষেও এখানে এ ভাবে আর থাকা সম্ভব নয়।

    সারারাত দেয়ালে ঠেস দিয়ে বসে কোনওমতে কাটিয়ে দিই।

    পরের দিন কলেজ থেকে ফিরে এদের লেটার-বক্সে একটা চিঠি পেলাম। শিশিরদা লিখেছেন-

    কল্যাণীয়েষু মন্দার,

    অনেক দিন তোমার চিঠি পাই না। রাখাল অবশ্য নিয়মিত তোমার খবরাখবর দেয়। আশা করি কলেজের পড়াশোনা, আর শহরের গতিশীল জীবনযাত্রার সঙ্গে মানিয়ে নিয়েছ। তোমার বয়সে একা থাকার অনেক বিপদ, চারদিকে প্রলোভন ছড়িয়ে আছে। অবশ্য মাঝে মাঝে মদ্যপান এমন কিছু দোষের নয়। কৌতূহলের বশে আমরাও ছাত্র-জীবনে একটু-আধটু চেখেছি। তবে, বুঝতেই পারছ জিনিসটা তোমার সহ্য হবে না। মেয়েদের থেকেও সাবধান। আর একটা কথা, রাখাল যেমন তোমাকে গাইড্যান্স দিচ্ছে, তুমিও যদি তেমন ওকে একটু আধটু সেবা করো, আমি সুখী হব। পরস্পরকে দেখাশোনার মধ্যে দিয়েই তো আমরা মানুষের সঙ্গে বোঝাপড়ায় পৌঁছই। আশীর্বাদ জেনো।

     

     

    শুভার্থী শিশিরদা।

    ব্যাপারখানা কী? মদ্যপান? মেয়েদের থেকে সাবধান, রাখালবাবুকে সেবা … উনি নিয়মিত আমার খবরাখবর দিয়ে থাকেন? কী খবর দিয়েছেন? আমি মদ্যপান করছি? বাঃ।

    বিরক্তিতে জ্বলতে জ্বলতে ওপরে উঠে দেখি ঘরটায় একটা নতুন শক্তপোক্ত তালা লাগানো। আমার চাবি তাতে লাগল না। নেমে এলাম, —উদ্দেশ্যহীনভাবে খানিকটা রাস্তায় রাস্তায় ঘুরলাম। আজ মন্দাকিনী কলেজে আসেনি। আচ্ছা, কী ভাবে ওর সঙ্গে কলেজে কথা বলব? যদি বলি, এ আমার বোন, রথী কী ভাববে? একদিন আগেও আমি বোনকে চিনতাম না? তার ওপর যদি ওদের বাড়িতে থাকতে যাই, সে-ও তো রথী জানতে পারবেই। ব্যাপারটা ওদের কাছে দুর্বোধ্য হবে। এক হিসেবে আমার ওখানে না থাকাই ভাল। মন্দাকিনীকেও আমি ঠিক বুঝতে পারছি না। ও বোধহয় খুব বিরক্ত হয়েছে। তারপরে যদি জানতে পারে আমিই আমার মায়ের আসল ছেলে, ওর বেশ জোরালো একটা ধাক্কা লাগবেই।

     

     

    কলেজ রো চলে গেলাম। রাধাবল্লভি, ছোলার ডাল, আর সন্দেশ দিয়ে রাতের খাওয়া সেরে, সাড়ে আটটা নাগাদ বাড়ি-ফিরে দেখি তখনও তালা একই ভাবে ঝুলছে। বাইরের ছোট্ট চাতালটুকুতে বসে রইলাম। রাত সাড়ে এগারোটা বাজলে বুঝলাম রাখালবাবু আর আজকে ফিরবেন না। তালাটা উনি ইচ্ছে করেই লাগিয়ে গেছেন আমাকে জব্দ করতে। একবার নীচে গেলাম। দোতলায় তিনটে ঘরে, তিন জন ভদ্রলোক থাকেন, সব-দরজা বন্ধ করে ঘুমিয়ে পড়েছেন। আর এক তলাটা তো কাপড়ের গো-ডাউন। সারা রাত অতএব চাতালটাতে মশায় আর শীতে উস্তমখুস্তম হই। সকাল হতে আবার নীচে খোঁজ নিই। কেউই কিছু জানে না। ওই ঘরে আমার যথা-সর্বস্ব। টাকা-কড়ি আমি সঙ্গে নিয়ে বেরোই না। বই-পত্র, খাতা টাতা, সব নতুন কেনা, জামাকাপড় তো বটেই, কিন্তু সবচেয়ে মূল্যবান হল বড় জ্যাঠামশাইদের দেওয়া সেই মাদুলিসুদ্ধ সোনার হার। যদিও উনি ওটা আমায় গলায় পরে থাকতে বলেছিলেন, দু বার ওটা চুরি যেতে-যেতে বেঁচে যাওয়ায় এখানে আর পরে থাকতে সাহস পাইনি, কলেজ বেরোবার সময়ে খুলে সুটকেসে রেখে দিতাম, এসে আবার চুপিচুপি পরে নিতাম। সমস্ত কিছু ওই ঘরের মধ্যে রয়ে গেছে। ওয়ালেট খুলে দেখি তার মধ্যে তিন টাকা নব্বই পয়সা পড়ে আছে।

     

     

    সকাল এগারোটা পর্যন্ত অপেক্ষা করলাম। খালি মনে হচ্ছে আমি চলে গেলে যদি রাখালবাবু সেই ফাঁকে তালা খুলে ঢুকে পড়েন? তারপর যদি আবার তালা দিয়ে বেরিয়ে যান? কার সঙ্গে পরামর্শ করব? রথীদের বাড়ি যাব? তাই যাই। এন্টালির মোড়ে যখন পৌঁছলাম, সাড়ে এগারোটা বেজে গেছে, বাসে-ট্রামে অজস্র মানুষের ভিড়। এখন তো রথী কলেজে বেরিয়ে গেছে। ও না থাকলে ওদের বাড়ি গিয়ে লাভ? আবার হাঁটছি, হাঁটছি।

    —মন্দার। কে পেছন থেকে ডাকল।

    মুখ ফিরিয়ে দেখি মন্দাকিনী।

    —এদিকে কোথায়? কলেজ যাবে না?

    মন্দাকিনী না ডাকলে আমি দিদিমার বাড়ি যেতাম না। যদি সেদিন ওভাবে আমার সঙ্গে ওর দেখা হয়ে না যেত, তা হলে আমি হাঁটতে হাঁটতে আবার শেয়ালদায় ফিরে আসতাম। সন্ধে হলে আবার হাঁটতে হাঁটতে রথীদের বাড়ি আসতাম। তার পরে? হয়তো রথীর কাছ থেকে কিছু টাকা ধার করে রাধানগরে ফিরে যাওয়ার কথা ভাবতাম। কিন্তু কী করে বড় জ্যাঠামশাইকে বলতাম? আর শিশিরদা? কত দিন চেনেন উনি রাখাল সরকারকে? আমাকে তো আজ সাত বছর ধরে চিনছেন খেলার মাঠে, স্কুলের ঘরে, কী করে রাখালবাবুর কথা বিশ্বাস করে নিয়ে ওরকম একটা চিঠি দিলেন আমাকে? এই যাঁর বিচার-বিবেচনা, তাঁর কাছে বিপদে পরামর্শ চাইতে যাওয়ার কী-ই বা মানে?

     

     

    সব কথা আদ্যোপান্ত যে ওকে খুলে বলতে পেরেছিলাম তা-ও না। মন্দাকিনী কলেজগামী ট্রামে উঠল না, বলল—চলো আমার সঙ্গে।

    এন্টালি বাজার থেকে ও একটা তালা কিনল, তারপর ফ্রিস্কুল স্ট্রিটে গেল আমাকে নিয়ে। একটা দোকানের মধ্যে দিয়ে ভেতরে ঢুকে গেল। একটু পরে একটি অ্যাংলো-ইন্ডিয়ান ছেলেকে নিয়ে কথা বলতে-বলতে বেরিয়ে এল। আমাকে বলল—মীট মাইকেল, মাই ফ্রেন্ড। —মাইকেলকে কিন্তু কিছুই বলল না আমার সম্বন্ধে। আমার হাতটা ঝাঁকিয়ে দিল মাইকেল। তার পর আরেকটা বাড়িতে গেল, রুডি, রুডি—চিৎকার করে ডাকতে লাগল মাইকেল। রুডি বলে ছেলেটি নেমে এল। এ ছেলেটি রীতিমতো ব্যায়ামবীর। ওকে একধারে ডেকে নিয়ে গিয়ে কথা বলল দুজনে। তারপরে মাইকেল একটা ট্যাক্সি ডাকল।

    আমার একটু একটু ভয়-ভয় করছে। মারামারি করবে, না কি? শেয়ালদার বাসা আমি চিনিয়ে নিয়ে গেলাম। সদর দরজা যেমন খোলা থাকে খোলাই। নীচের একটা গুদাম-ঘর খোলা, সেখানে কাজ করছে দুজন লোক। মন্দাকিনী বলল— এদের চেনো?

     

     

    আমি তো কোনওদিন গো-ডাউন খোলাও দেখিনি। দোতলার ঘরগুলো যথারীতি বন্ধ। তিনতলায় উঠে দেখি, তালাটা একভাবে ঝুলছে। ক্ষীণভাবে আশা করেছিলাম রাখালবাবু থাকবেন। মন্দাকিনী ওর কেনা তালাটা ওই তালার ওপরে লাগিয়ে দিল। আমাকে বলল—বাস, যদি ইতিমধ্যেই তোমার সুটকেস এই ঘরের মধ্যে থেকে হাওয়া হয়ে গিয়ে না থাকে, তা হলে আর যাবে না। — মাইকেল আর রুডি পালা করে পাহারা দেবে এখানে, তা হলেই তোমার ওই রাখাল না বাগালকে ধরে খোলা যাবে।

    —আর যদি ইতিমধ্যেই সুটকেসটা গিয়ে থাকে? —এ সম্ভাবনাটার কথা আমার আদৌ মনে হয়নি। এখন মন্দাকিনী বলাতে মনে হল।

    —তার ব্যবস্থাও হবে। এখন চলো।

    —কোথায়?

    —বাঃ, তোমার তো কাল থেকে চান-খাওয়া কিছুই হয়নি! ভাল কথা ওই লোকটা কোথায় কাজ করে যেন বলছিলে?

     

     

    —ক্যালকাটা কর্পোরেশনে।

    —ডিপার্টমেন্ট জানো?

    —নাঃ।

    —নেভার মাইন্ড।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleসমুদ্র-যাত্রা – বাণী বসু
    Next Article যে যেখানে যায় – বাণী বসু

    Related Articles

    বাণী বসু

    নূহর নৌকা – বাণী বসু

    November 3, 2025
    বাণী বসু

    ছোটোগল্প – বাণী বসু

    November 3, 2025
    বাণী বসু

    অন্তর্ঘাত – বাণী বসু

    November 3, 2025
    বাণী বসু

    খনামিহিরের ঢিপি – বাণী বসু

    November 3, 2025
    বাণী বসু

    খারাপ ছেলে – বাণী বসু

    November 3, 2025
    বাণী বসু

    মোহানা – বাণী বসু

    November 3, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    अनीश दास
    मौलाना शाह वलीउल्लाह
    रेवरेंड के. के. जी. सरकार
    অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিজ্ঞান রায়চৌধুরী
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমরেন্দ্র চক্রবর্তী
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অরিন্দম দেবনাথ
    অর্পিতা সরকার
    অশোককুমার মিত্র
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    কৌশিক সামন্ত
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যজ্যোতি মজুমদার
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    রেভারেণ্ড কে. কে. জি. সরকার
    লীলা মজুমদার
    লেইল লোনডেস
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শঙ্কর চ্যাটার্জী
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শাক্যজিৎ ভট্টাচাৰ্য্য
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সম্পাদনা : শৈলেন্দ্র হালদার
    সরদার ফজলুল করিম
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্মরণজিৎ চক্রবর্তী
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    প্রবাদ মালা – রেভারেণ্ড কে. কে. জি. সরকার

    May 9, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    প্রবাদ মালা – রেভারেণ্ড কে. কে. জি. সরকার

    May 9, 2026
    Our Picks

    প্রবাদ মালা – রেভারেণ্ড কে. কে. জি. সরকার

    May 9, 2026

    প্লেটোর রিপাবলিক – সরদার ফজলুল করিম

    May 9, 2026

    অপেক্ষার বারোমাস – অর্পিতা সরকার

    May 1, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }