Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    প্রবাদ মালা – রেভারেণ্ড কে. কে. জি. সরকার

    May 9, 2026

    প্লেটোর রিপাবলিক – সরদার ফজলুল করিম

    May 9, 2026

    অপেক্ষার বারোমাস – অর্পিতা সরকার

    May 1, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    রাধানগর – বাণী বসু

    বাণী বসু এক পাতা গল্প177 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    রাধানগর – ২

    দুই

    পাকুড় গাছটার তলায় দাঁড়িয়ে, আমার বাবা চোখ বুজিয়ে নিম ডাল দিয়ে দাঁতন করছে। জানলা দিয়ে দৃশ্যটা দেখতে দেখতে আমি বিছানা থেকে নেমে পড়ি। কেমন মনে হল, আচ্ছা এত কিছু বদলে যায়, বাবার এই চোখ বুজিয়ে দাঁতন করার দৃশ্যটা বদলে যায় না কেন? ধরা যাক উনিশশো বিয়াল্লিশ সালের বিপ্লবের আগস্ট, ভারত ছাড়ো আন্দোলন শুরু হল, বাবা কি সেদিনও এমনি করে দাঁতন করছিল? কিম্বা উনিশশো একচল্লিশ সনের ৮ই আগস্ট, বাইশে শ্রাবণ যে দিন রবীন্দ্রনাথ মারা গেলেন? ভুল করছি, বাবা বোধহয় সে সময়ে জন্মায়নি, আচ্ছা ধরা যাক, বাবারই ব্যক্তিগত জীবনের কথা, বাবার তো একজন মা ছিলেন, তিনি তো এইখানে এই রাধানগরেই থাকতেন, তা তিনি যেদিন মারা গেলেন? যদি বাবার জীবৎকালে ভারতবর্ষের কিংবা সমগ্র পৃথিবীরই অন্তিম দিন এসে যায়? সেদিনও বাবা এমনি পাকুড়তলায় দাঁড়িয়ে…। এরপর বাবা ছোলা ভিজে চিবিয়ে বেশ কয়েকটা ডন মারবে। বাবার জলখাবার হল প্রকান্ড এক কাঁসি মুড়ি, জবজব করে তেল দিয়ে মাখা, গোটা সাত আট লাল টকটকে কাঁচা লংকা, আর তারপরে এক ঘটি দুধ। লাল পাড় ধুতি পরে বাবারা। এই ধুতি আর এইরকমই লাল পাড় শাড়ি, ভক্তরা নানান উপলক্ষে পুজো দেয় রাধামাধবকে। অগুন্‌তি এরকম ধুতি শাড়ি টাল করে রাখা থাকে মন্দিরের ডাইনের ঘরে। সেই কাপড়ই পরে আছে বাবা। কোরা কাপড়। কয়েক কাচের পরে কেমন ময়লাটে হয়ে যায়, সদু ধোপানি অনেক সেদ্ধ করেও আর ধবধবে করতে পারে না।

    ভাল করে রোদ না হতেই বাবা হিজলবাগানে চলে যাবে। সারাদিন সেখানেই কাটবে বাবার। মাঝখানে হয়তো খেতে আসতে পারে, না-ও পারে। সূর্য ডুবে গিয়ে সন্ধের অন্ধকার বেশ ভাল করে নেমে না আসা পর্যন্ত বাবা বাড়ি ফিরবে না। অনেক দিন সন্ধেতেও বাবা বাড়ি ফেরে না। কোথায় থাকে এ সময়টা আমি জানি না। হয়তো বন্ধুদের বাড়ি। বুড়ো ভঞ্জ, সেতাব চাচা, মোটা ভটচায্যি, ছোট চক্কোত্তি, ভবতারণ খোলবাজিয়ের দাদা রামতারণ যাকে সবাই বলে গেঁজেল রাম।

    যখন ছোট ছিলাম, অনেক সময়ে তাড়াতাড়ি স্কুল ছুটি হয়ে গেলে আমি ছুটতে ছুটতে হিজলবাগানে চলে যেতাম।

    ‘এই আম্রকানন ঁশ্রীশ্রী রাধামাধব জিউর সেবা বিধায় শ্রীযুক্ত উপীন্দ্রনাথ রায়কে দেবত্র অর্পিত হইল, বং ১২৭৩, তাং উনত্রিশে আষাঢ় শ্রীশ্রীরথযাত্রা ইতি’—এইরকম একটা নোটিস হিজলবাগানের ফটকে টাঙানো আছে। নীল টিনের ওপর সাদা দিয়ে লেখা। পুরনো হয়ে গেলে এটা আবার রং করে ঠিকঠাক করা হয়। কত বড় এ বাগানটা আমার কোনও ধারণাই নেই। শয়ে শয়ে আমগাছ ঠিক বড় বড় খোলা ছাতার মতো বাগান জুড়ে আছে। চন্দননগর থেকে একবার কয়েকজন সাহেব বাগান দেখতে এসেছিল। তখন বাবা তাদের বোঝাচ্ছিল ‘ম্যাংগোজ অফ দা বেস্ট কোয়ালিটি হিমসাগর ভ্যারাইটি।’ তবে আম ছাড়াও এ বাগানে আছে আরও বহু রকমের ফল গাছ। জাম, জামরুল, লিচু, বাতাবি লেবু, কাঁঠাল, পেয়ারা, ফলসা, ডালিম..। হিজলপুকুর বলে একটা মস্ত পুকুর আছে এক দিকে। তার পাড় থেকে অনেকটা জুড়ে শীতের সবজির ক্ষেত। এটা বোধহয় আমার বাবার বিশেষ শখের। অনেক সময়েই দেখেছি, বাবা উবু হয়ে বসে টোম্যাটো গাছের পাশে কাঠি পুঁতে দিচ্ছে রঘুদার সঙ্গে, তার ওপর তুলে দিচ্ছে গাছের নরম ডাল। বাবারা বলে বিলিতি বেগুন। তবে বাবার আসল জায়গা হল হিজল পুকুর। প্রকাণ্ড দিঘি। মূলবাগানটার থেকে তারের ঘের দিয়ে আলাদা করা। চোপর দিন এইখানে ছিপ হাতে করে বসে থাকবে বাবা।

    আমরা রাধামাধবের সেবাইত। মাছ খাই না। ধরারও কথা নয়। বাবাও খায় না। কিন্তু ধরে। হিজলপুকুরে বোধহয় বাবা প্র্যাকটিস করে। অনেকদিন দেখেছি একটা চ্যাটালো কালচে কাতলা মাছ বাবা ছিপের মুখ থেকে ছাড়িয়ে আবার জলে ফেলে দিল। কিন্তু বাবা বেশ নাম করা মাছ শিকারি। মাঝে মাঝেই বন্ধুদের নিয়ে মাছ ধরতে যায়। সে-সব দিনে বাবার ওই বন্ধুরা—বুড়ো ভঞ্জ আর সেতাব চাচা, মোটা ভটচায্যি আর গেঁজেল রাম আমাদের দাওয়ায় বসে গেলাস গেলাস কড়া চা আর বিড়ি খায়; আর এনতার মাছ ধরার গল্প করে। মাছ ধরার গল্পের সঙ্গে ছিঁচকে চোর আর ডাকাতের দলের গল্পও থাকে, আর থাকে ভূত পেতনির গল্প। গল্পগুলো শুনতে ভাল লাগলেও বাবার এই দোস্তদের আমার ভাল লাগে না।

    নস্যি-নেওয়া খোনা গলায় বুড়ো ভঞ্জ বলে—রাজির ব্যাটা পাজি, অ্যাই রাজির ব্যাটা পাজি, ভেতর বাড়ি থেকে এক ঝোড়া তেলে ভাজা ভাজিয়ে নিয়ে এসো তো বাপ।

    বাবা আমাকে বাঁচায়—খেতে হয়, কেষ্টর দোকান থেকে আনিয়ে দিচ্ছি। ও সব মতলব ছাড়।

    যখন ছোট্ট ছিলাম, সেতাব চাচা দুটো আঙুল সাঁড়াশির মতো করে আমার নরম পেট চিপটে ধরত। কী যে ভীষণ লাগত।

    বাবার ঘরে একগাদা ছিপ আর বঁড়শি। খুব সাবধানে সে সব থেকে একটা দুটো বেছে নিত বাবা, বিটকেল সব চার তৈরি করত। রাত থাকতে উঠে বন্ধুদের সঙ্গে চলে যেত সেজেগুজে। মাছ শিকারেই যাচ্ছে না বাঘ শিকারেই যাচ্ছে।

    —কোথায় গিয়েছিলে বাবা?

    —সে একটা জায়গায়।

    —কোথায়?

    —হুগলি বর্ধমানের বর্ডারের দিকে।

    —কত বড় মাছ ধরলে?

    —হুঁ।

    —কত বড়? পাঁচ ছ’ সের?

    —হুঁ।

    —আর ওরা? চাচারা?

    —ভালই।

    —কত বড়?

    —দেখিনি।

    এর চেয়ে বেশি কথা বাবার মুখ দিয়ে বার করা শক্ত ছিল।

    কেউ জিজ্ঞেস করলে সে সময়ে আমি বলতাম—‘আমার মা চাকরি করে আর বাবা মাছ ধরে।’

    ছোট ছেলের কথায় বোধহয় সবাই মজা পেত। আমার স্কুলের বন্ধু তারক-এর মা বলতেন—আবার বলো! কী, কী করেন তোমার বাবা-মা!

    —মা চাকরি করে আর বাবা মাছ ধরে।

    মাকে চাকরি করতে হয় বলেই যে মা আমাদের সঙ্গে থাকে না, এ-কথা মা-ই আমাকে বুঝিয়ে ছিল। খুব মস্ত চাকরি। সেখানে মাকে না হলে চলেই না। পরে বুঝেছি, চাকরি হয়তো মা করে। কিন্তু না করলেও মা আমাদের সঙ্গে থাকত না। থাকতে পারত না। মাকে এখানে, এই রাধানগরে কেউ পছন্দ করে না। নন্দপিসি ছাড়া কাউকে তো মায়ের সঙ্গে কথা বলতেই দেখিনি। মা এলে সবাই কেমন সন্ত্রস্ত হয়ে থাকত। তবে, মা চলে যাবার পর ফুলকাকিমা কি রাঙাবউদি, নিজেদের ঘরে ডেকে আমাকে এটা-ওটা দিত, হঠাৎ-হঠাৎ জিজ্ঞেস করত মা কী বলল, কী আনল, বাবার সঙ্গে মায়ের কী কথা হল! কৌতূহলটা আমার কান এড়াত না, যদিও খুব স্বাভাবিক হবার চেষ্টা করত ওরা। অন্য সময়ে আমাদের নিয়ে কারও মাথা-ব্যথা ছিল না।

    অনেক দিন পর্যন্ত মা খুব নিয়মিত এসেছে। মাসে একবার কি দুবার। জুটের বাহারি ব্যাগ থেকে তখন বেরোত আমার জামা-কাপড়, জুতো, বই, খেলনা, চকলেট, লজেন্স, প্যাকেট প্যাকেট বিস্কুট, বাবার জন্যে সিগারেট।

    মা যে কদিন থাকত, আমাদের দাওয়ার এক পাশে চ্যাটাইয়ের আড়াল দিয়ে কেরোসিন স্টোভে রান্না হত। পোলাও রাঁধত মা। আমাদের ঠাকুর বাড়ির পোলাওয়ের মতো মিষ্টি খেতে নয়। মটরশুঁটি দিয়ে মায়ের সাদা পোলাও, টক ঝাল কপির তরকারি, কড়কড়ে আলুভাজা খুব ভাল লাগত। সারা বছর মিষ্টি মিষ্টি আর মিষ্টি খেয়ে আমাদের মুখ পচে থাকত তো!

    ক্রমে ক্রমে মায়ের আসা খুব অনিয়মিত হয়ে গেল। আমি হয়তো জিজ্ঞেস করলাম—সরস্বতী পুজোর সময়ে এলে না তো মা!

    মা বলল—কাজ ছিল। —তারপর আমার মাথায় হাত বুলিয়ে বলল—তা ছাড়া তুই তো বড় হয়ে যাচ্ছিস মন্দার!

    আমি বড় হয়ে যাচ্ছি বলে মায়ের আর আসার দরকার নেই না কী! সোজাসুজি না বললেও কথাটার অর্থ তো তাই-ই দাঁড়ায়! সত্যিই কমতে কমতে কবে যে মায়ের আসা একেবারে বন্ধ হয়ে গেল! খুব সইয়ে সইয়ে একটু একটু করে ব্যাপারটা হয়েছে বলে আমার নিজেরই খেয়াল হয়নি। সত্যিই তো আমি বড় হয়ে যাচ্ছিলাম! স্কুলে শিশিরদা, বিপিনদা, হেডসার এঁরা আমার বাবার জায়গা নিয়ে নিচ্ছিলেন। ক্রিকেট খেলছি তখন। টিম তৈরি হচ্ছে। তারকের সঙ্গে আমার খুব ভাব। প্রায়ই স্কুল-ফেরত তারকদের বাড়িতে চলে যাই। তারকদের পরিবার একটা স্বাভাবিক পরিবার। ওর বাবা মা ছাড়াও দুজন বোন আছে, ঠাকুমা আছেন, দিদিমা মাঝে মাঝে মামাকে নিয়ে বেড়াতে আসেন। আমি কারও সঙ্গে খুব ঘনিষ্ঠ হতে পারি না, তবু তারকের সঙ্গে আমার পটে। ও আমায় কথা বলায় না। নিজেই সাতকাহন কথা বলে। আর ওর বাবা আমার সঙ্গে কত গল্প করেন, আমার ইংরেজি অঙ্ক দেখিয়ে দেন, কত রকমের গল্প বলেন, তারকের মা আমাকে কত যত্ন করেন।

    তারকের মা-ই একদিন বললেন আমায় কথাটা।

    —স্কুলের পাশটা দিয়ে তুমি মায়ের কাছে চলে যেও মন্দার। এভাবে মানুষ বাঁচে? আসলে সেদিন উনি আমায় জিজ্ঞেস করেছিলেন,

    —সকালে কী দিয়ে ভাত খেয়েছ মন্দার?

    —ভাত তো খাইনি আজ মাসিমা! অত সকালে আমাদের ভাত হয় না।

    —সে কী? তবে কী খেলে?

    —দুধ-মুড়ি।

    তখনই উনি দীর্ঘশ্বাস ফেলে বললেন কথাটা। —স্কুলের পাশটা দিয়ে তুমি মায়ের কাছে চলে যেও মন্দার। এভাবে মানুষ বাঁচে?

    উনি বোঝেননি, মানুষ যেটা কখনও পায়নি, তার জন্য তার অভাববোধও থাকে না। আমি জানতাম না একটা আঁটসাঁট পরিবারের মধ্যে মায়ের স্নেহ, বাবার যত্ন, ভাইবোনেদের সঙ্গে খেলাধুলো ঝগড়াঝাঁটির জীবনটা কীরকম। তাই তার জন্যে আমার কোনও কষ্ট ছিল না। কিন্তু যেই ওঁর কথাটা শুনলাম অমনই কী যেন একটা আমার মধ্যে খুলে গেল। আমি ভাবতে শুরু করলাম।

    —এ-ভাবে মানুষ বাঁচে?—কথাটার গুরুত্ব ভীষণ।

    কী ভাবে? কী ভাবে বেঁচে আছি?

    ওঁর মায়ের মন। শুধু আমার খাওয়া-দাওয়ার অনিয়মের কথা মনে করেই হয়তো করেছিলেন মন্তব্যটা। কিন্তু আমি আমার পুরো জীবনযাত্রাটা সম্পর্কেই জিজ্ঞাসু হয়ে উঠলাম। কী ভাবে? কী ভাবে বেঁচে আছি?

    আমরা থাকি পশ্চিম প্রান্তে। আমি আর বাবা। মাটির উঁচু দাওয়ার ওপর খাপরার চালের দুটো ঘর। একটায় বাবা থাকে, শোয়, একা। অগত্যা অন্যটাতে আমি থাকি, শুই একা।

    আমরা খাই ন’ জ্যাঠাইমার হেঁশেলে। সকালে স্কুলে যাবার সময়ে ন’ জ্যাঠাইমাদের সবে প্রথম হাঁড়ি চালের ভাত নেমেছে। পঞ্চা, নিতাই, রবি, গায়ত্রী, বিনু, সত্য…এই রকম জনা ছয় সাত স্কুলযাত্রী গরম ভাতে ঘি দিয়ে আলুভাতে মেখে খেয়ে উঠে যায়। আমি বারবার ভাত খেতে পারি না। নন্দপিসি মুড়ির মধ্যে দুধ ঢেলে আমার জন্যে নিয়ে আসে। নারকোল কোরা আর বাতাসা ঢেলে দেয় ওপরে। বিকেল সাড়ে তিনটে চারটের সময়ে স্কুল থেকে ফিরে আমরা ভাত খেতে বসি। শুকতো থেকে অম্বল সব কিছু খেতে হয় আমাদের। তখনও ন জ্যাঠাইমাদের পাত পড়েনি। আমরা উঠব, তবে ওঁরা বসবেন। উনি, ফুলকাকিমা, রাঙাবউদি, লীলাপিসিমা, নন্দপিসি।

    ন’ জ্যাঠাইমা হয়তো একদিন বললেন—হ্যাঁরে ছোট সোনা, তোর বাপকে যেন কদিন বসতে দেখিনি!

    আমি কী করে জানব? আমি কিছুই জানি না।

    নন্দপিসিই বলল—ওর বাপের তো কদিন খুব সর্দি, জ্বরোভাব। আমাকে বললে দুধ-বার্লিক করে দিতে তো তাই দিচ্ছি।

    এত মানুষ আর এত বিশৃঙ্খলা যে নিজে উদ্যোগ করে পাতা পেতে না বসলে খাওয়াই জুটবে না এ বাড়িতে। নন্দপিসির যত্ন-আত্তিটুকু ছাড়া ঠাকুর বাড়ির সবই এজমালি, সবই ভাগের—তরিতরকারি, চাল, ডাল, তেল মশলা, কাপড়চোপড় কিছুরই অভাব নেই। কিন্তু হাত পেতে চেয়ে নিতে হবে। যদি না পারো তো পাবে না।

    আমি পারি না, পেতামও না কিছু। হয়তো অযত্নে, অবহেলায়, না খেয়ে মরেই যেতাম। নন্দপিসির দয়ায় বেঁচেছি। ওর দয়াতেই পাই ঠাকুরের প্রসাদ, বছরের জামাকাপড়, রোগের ওষুধ পথ্য। আমার মা থেকেও নেই, বাবা খোঁজ করে না। কিন্তু পঞ্চা, রবি, নিতাই ইত্যাদি আমার জাড়তুত খুড়তুত পিসতুতদের মায়েরা শত কাজেও তাদের ওপর নজর রাখেন। কে তেতো ভালবাসে না, কর মুগের ডাল আর আলুভাজা ছাড়া খাওয়া হয় না, কার প্যান্ট ছিঁড়ে গেছে, কার জুতো ছোট হয়ে গেছে এ সমস্ত খোঁজ খবরই তাঁরা রাখেন, সেই মতো ব্যবস্থাও নেন। এদের অনেকেরই বাবা চাকরি করেন কোথাও না কোথাও। হয়তো সপ্তাহ শেষে বাড়ি আসেন, সেই সময়ে এস্টেটের হিসেব বহির্ভূত শখের জিনিসও তাঁরা ছেলেমেয়েদের জন্যে আনেন। কিন্তু আমার বাবা হিজল বাগানে জামগাছতলায় বসে মাছ ধরে কিংবা রঘুদার কালো ছাগলছানাটার সঙ্গে কঞ্চি কাড়াকাড়ি খেলে। বাবা নিজেও এস্টেটের কোরা লালপাড় ধুতি ছাড়া পরে না, আমিও বারো মাস তিরিশ দিন পরি এস্টেটের খাকি হাফপ্যান্ট আর ছাই রঙা শার্ট। মা যতদিন আসছিল আমারও কিছু শহুরে শখের জিনিস প্রাপ্তি হচ্ছিল। তখনকার ক্রেয়ন, জলরং, স্কেচবুক, তখনকার গেমস আমি যত্ন করে রেখে দিয়েছি। কিন্তু এখন মা আর আসে না, বাবাও যত দিন যাচ্ছে আরও আলগা, আরও ভুলো হয়ে যাচ্ছে।

    রাত্তির সাতটা অবধি আমি তারকদের বাড়িতে রয়েছি। সাতটা বেশ রাত। তারকের বাবা জিজ্ঞেস করলেন—বাড়িতে বকুনি খাবে না এতক্ষণ অবধি বাইরে রয়েছ।

    —কে বকবেন?—আমার উত্তরে কি দার্শনিকতা মিশে থাকে?

    —কেউ ভাববেন না? চিন্তা করবেন না?

    —না।

    আদরও নেই, শাসনও নেই আমার। আর সব ছেলেমেয়ে অবশ্য বিকেল হলেই বাড়ি ফিরে যায়, সন্ধে হলেই পড়তে বসে, রাত হলেই খেয়ে নেয়, ঘুমিয়ে পড়ে। আমি যদি একদিন হিজলপুকুরে চলে যাই, কোনও বাহাদুরি দেখাতে দিয়ে ডুবে যাই, আমার লাশ ভেসে না ওঠা পর্যন্ত কারও হয়তো খেয়ালই হবে না আমি নেই।

    বাড়ির অন্য ছেলেমেয়েদের সঙ্গেই বা আমার যোগ কতটুকু? একই স্কুলে পড়ি, একই বাড়িতে থাকি, কত সময়ে একই সঙ্গে খাই, কিন্তু অনেক লোভ দেখিয়েও ওদের আমি কখনও আমাদের ঘরে বেশিক্ষণ আটকে রাখতে পারিনি। চাইনিজ চেকার, তাস, দাবা, লুডো, কিছু দিয়েই না। কিছুক্ষণ গেলেই বড়রা ওদের ডেকে নেন।

    একবার, একবারই মাত্র বাড়ির ছেলেদের একজন হবার সুযোগ এসেছিল। শুনলাম পঞ্চা, ভুতু আর আমি—আমাদের তিনজনের নাকি পাঁচ বছর বয়স হয়েছে, এক সঙ্গে হাতে-খড়ি হবে। নতুন কাপড় পরেছি, নতুন স্লেট-পেনসিল হাতে। ফট করে স্লেটে একখানা ‘অ’ লিখে ফেললাম। বিরাট একটা ‘অ’। ফুলকাকিমা আমাকে নিতে এসে সেই লেখা দেখে মুখ কালো করে ফিরে গেলেন। তারপরে নন্দপিসি এসে ধমকে বলল—‘কে তোমাকে বাহাদুরি করতে বলেছিল? নাও, এখন ওরা কেমন মজা করে হাতে খড়ি করবে, তুমি ন্যাড়া-নুলো হয়ে বসে থাকো। বোকা ছেলে কোথাকার!’ জীবনে প্রথম রায়বাড়ির একজন হয়ে, আচার-অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে গৃহীত হবার একটা সুযোগ এসেছিল, গেল। যে তিমিরে ছিলাম, সেই তিমিরেই রয়ে গেলাম।

    সাধারণত আমি পেছন দিক দিয়ে ঢুকি বাড়িতে। আমাদের ঘর কাছে হয়। আজ সামনে দিয়ে ঢুকি। বাগান ঘেরা—রাধামাধব জিউর মন্দির। মন্দিরটা পোড়ামাটির। কিন্তু পাশে মন্দিরের গা দিয়েই পাকাঘর তোলা হয়েছে কয়েকটা। ডাইনে দুটো, বাঁয়ে দুটো। সামনে লম্বা চওড়া বারান্দা। ঘরগুলোতে ঠাকুরের সাজ-সরঞ্জাম থাকে।

    একেবারে ডাইনের ঘরটায় চেয়ার-টেবিল আর গোটা চার স্টিলের আলমারি আছে। এখানে বড় জ্যাঠামশায়কে কাজ করতে দেখেছি।

    মন্দিরের পেছনে আছে ঠাকুরের রান্নাঘর। একটা মাটির ঘর, খড়ের চাল। এখানটা সব সময়ে ঘি-এর গন্ধে ম-ম করে। সামনে মন্দিরটা রেখে রায়বাড়ি ক্রমশ পেছন দিকে বিস্তৃত হয়েছে। বাড়ি বললেও, আসলে তো এটা বাড়ি নয়, একটা পাড়া বিশেষ। থেকে থেকেই দুখানা কি তিনখানা ঘরের এক একটা ইউনিট। সামনে বারান্দা। ঘরগুলো বেশির ভাগই মাটির, কয়েকটা মাত্র পাকা ঘর আছে। কিন্তু চাল সবগুলোরই টালির কিম্বা খাপরার, কোনও ঘরই দোতলা নয়। গাছপালায় ভর্তি রায়বাড়ির চৌহদ্দি। কিছুটা কিছুটা অংশ তো রীতিমতো বাগান। পুকুরও আছে গোটা তিনেক। কারও বিয়েটিয়ে হলেই অমনি নতুন ঘর ওঠে। প্রকাণ্ড প্রকাণ্ড কয়েকটা উঠোন আছে, তারই চারপাশ ঘিরে ঘরগুলো। উঠোন কিন্তু বাঁধানো নয়। খালি জমি বেশ সমান করে পেটানো, তার ওপর সুরকি চালা। ভেতর দিয়ে পথও গেছে, পথের ওপর নুড়ি বিছোনো। আমি পুব দিকে ঠাকুরবাড়ির বাগানের গেট ঠেলে ঢুকলাম। যখন এখানে অনেক লোকের ভিড় থাকে, তখন আমি এ মুখো হই না। আসি যখন কেউ বিশেষ থাকে না।

    এখন আরতি হচ্ছে। ভারী ঘণ্টাটার গং গং আওয়াজের ফাঁকে ফাঁকে ছোট ঘণ্টার নিরবচ্ছিন্ন পাতলা টুং টুং আওয়াজটা শোনা যাচ্ছে। বারান্দার ওপর আরতি দেখতে রাধানগরের অনেক লোক দাঁড়িয়ে রয়েছে। রায়বাড়ির মহিলারা অনেকেই রয়েছেন। কাকা জ্যাঠাদের মধ্যেও কেউ কেউ জোড় হাতে দাঁড়িয়ে রয়েছেন। শঙ্খ বাজছে, কাঁসর বাজছে। চক্কোত্তিমশাই পঞ্চপ্রদীপটা নামিয়ে রেখে কর্পূরের দীপটা তুলে নিলেন। পঞ্চপ্রদীপ হাতে নিয়ে সেজ জ্যাঠাইমা এগিয়ে আসছেন ভিড়ের দিকে।

    আমি কি একটু তাপ পাব? নাঃ, সেজ জ্যাঠাইমা আমাকে দেখতে পেলেন না। ঠাকুরের পেতলের হাতে মুখে পঞ্চপ্রদীপের ছায়া নাচছে। কিছুক্ষণ দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়ে রাধামাধবের চোখে চোখ ফেলবার চেষ্টা করি। কিন্তু চারদিকে এত আলো এত শব্দ, এত ভক্তি, কেনই বা ওঁরা আমার অন্ধকার কোণের দিকে তাকাবেন?

    চক্কোত্তিমশাই তামার থালা থেকে চামর তুলে নিলেন। আমি আর অপেক্ষা করি না, এ ঘর সে ঘরের পাশ দিয়ে দিয়ে নিজেদের আস্তানার দিকে এগোতে থাকি।

    মেজ ঠাকুরদার ঘরের সামনের বারান্দায় কয়েক জন বসে। মেজ ঠাকুরদা আমার চলার আওয়াজ পেলেন বোধহয়। চেঁচিয়ে বললেন —কে যায়?

    —আমি সোনা।

    —সোনারুপো আবার কেডা?

    মেয়ে গলার আওয়াজ পাই— ওই তো ছোট খুড়োমশায়ের ঘরের রাজু গো, ওরির ছেলে।

    —রাজু? কোন রাজু?

    —আহা বললুম তো! রাজেন যে ম্যাম বিয়ে করেছে।

    —তাই বলো।

    আমাকে এঁরা ‘আমি’ বলে চেনেনই না আমার পরিচয় আমার বাবার পরিচয়ে রাজুর ছেলে। আবার বাবার পরিচয় আমার মার পরিচয়ে। ‘যে রাজু ম্যাম বিয়ে করেছে।’

    মাকে এঁরা মেম বলেন কেন? মা তো শাড়ি-পরা বাঙালি মেয়েই। খুব ফর্সা বলে? না ছোট চুল বলে? ছেলেদের মতো পা-ঢাকা নিউ কাট জুতো পরে আসত মা। চলার ভঙ্গি খুব সোজা। দৃপ্ত ধরনের। তাতে তো বরং মাকে দুর্গা কি জগদ্ধাত্রী ঠাকুরের মতো লাগত! মেম-মেম নয় মোটেই। আর সুদ্ধু ছোট চুল আর সোজা হাঁটার জন্যেই কি এত ব্যঙ্গ? অদ্ভুত তো!

    পারা-চটা গোল আয়নাটায় বাবা খুব মনোযোগ দিয়ে দাড়ি কামাচ্ছে। আমি বিনা ভূমিকায় জিজ্ঞেস করলাম— ‘বাবা, মা আর আসে না কেন?’

    থতমত খেয়ে গেল বাবা, কোনওদিন কোনও জরুরি প্রশ্ন তো বাবাকে করিনি। তবে বাবা যা বলল, তাতে আমারও থতমত খাবার কথা। বলল— ‘আমি কী করে জানব?’

    যদি বলত— ‘জানি না’, তার একটা মানে হত। কিন্তু ‘আমি কী করে জানব?’ বাবার জানার কথাই নয়? মা তো বাবারই বউ? সেই মা কেন আসে না, বাবা জানে না, জানার কথা বলেও মনে করে না!

    —কে জানবে তা হলে? কে জানে? আমি ছাড়ব না আজ।

    — কেন আসে না, মা?—আর একটু দৃঢ় গলায় জিজ্ঞেস করি।

    —তোমার মা-ই জানে।

    এর ওপরে আর কী কথা চলতে পারে! মায়ের আসা-না-আসা নিয়ে বাবার কোনও আগ্রহ উদ্বেগ নেই। কোনও ভূমিকাই নেই। মা নিজের ইচ্ছেয় আসত, নিজের ইচ্ছেয় আসা বন্ধ করেছে— এমনটাই বুঝতে হয়। তা যেন হল। কিন্তু আমি তো মায়ের ছেলে? যতই এরা ব্যঙ্গ-বিদ্রূপ করুক, যতই বাবা উদাসীন থাকুক, আমার জন্যেও মা আসবে না? আমার কথা মনে করে…। তবে কি মা আর নেই? মারা গেছে? আমাকে লুকিয়ে যাচ্ছে বাবা? লুকোবেই বা কেন? আমার দুঃখ-কষ্ট নিয়ে বাবার বা আর কারও তো এত মাথাব্যথা দেখিনি? তা ছাড়া মা মারা গেলে শ্রাদ্ধ বলেও তো কিছু আমার করণীয় থাকে! বাচ্চা তো আর নই! হাতে-খড়ি বাদ দিলেও চলে। কিন্তু মাতৃশ্রাদ্ধ? নাঃ, মা মারা যায়নি। বেঁচে আছে কোথাও। আমার মন বলছে ভালই আছে। খারাপ থাকার মানুষ আমার মা নয়। কোনও অজ্ঞাত, রহস্যজনক কারণে এখানে আসা মায়ের বন্ধ হয়ে গেছে। চিঠিপত্র দেওয়ারও উপায় নেই। হয়তো দেয়, আমি পাই না। এ সম্ভাবনাও উড়িয়ে দেওয়া যায় না।

    ছোট থেকেই আমি আমার ব্যথা-বেদনা না প্রকাশ করে অভ্যস্ত। ব্যথা-বেদনার অনুভূতিই কি আমার আছে? বুঝি না। তবে স্কুলের পরীক্ষাটা পাশ করে আমি মায়ের কাছে চলে যাব। কেন না, এভাবে কি মানুষ বাঁচে?

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleসমুদ্র-যাত্রা – বাণী বসু
    Next Article যে যেখানে যায় – বাণী বসু

    Related Articles

    বাণী বসু

    নূহর নৌকা – বাণী বসু

    November 3, 2025
    বাণী বসু

    ছোটোগল্প – বাণী বসু

    November 3, 2025
    বাণী বসু

    অন্তর্ঘাত – বাণী বসু

    November 3, 2025
    বাণী বসু

    খনামিহিরের ঢিপি – বাণী বসু

    November 3, 2025
    বাণী বসু

    খারাপ ছেলে – বাণী বসু

    November 3, 2025
    বাণী বসু

    মোহানা – বাণী বসু

    November 3, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    अनीश दास
    मौलाना शाह वलीउल्लाह
    रेवरेंड के. के. जी. सरकार
    অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিজ্ঞান রায়চৌধুরী
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমরেন্দ্র চক্রবর্তী
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অরিন্দম দেবনাথ
    অর্পিতা সরকার
    অশোককুমার মিত্র
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    কৌশিক সামন্ত
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যজ্যোতি মজুমদার
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    রেভারেণ্ড কে. কে. জি. সরকার
    লীলা মজুমদার
    লেইল লোনডেস
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শঙ্কর চ্যাটার্জী
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শাক্যজিৎ ভট্টাচাৰ্য্য
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সম্পাদনা : শৈলেন্দ্র হালদার
    সরদার ফজলুল করিম
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্মরণজিৎ চক্রবর্তী
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    প্রবাদ মালা – রেভারেণ্ড কে. কে. জি. সরকার

    May 9, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    প্রবাদ মালা – রেভারেণ্ড কে. কে. জি. সরকার

    May 9, 2026
    Our Picks

    প্রবাদ মালা – রেভারেণ্ড কে. কে. জি. সরকার

    May 9, 2026

    প্লেটোর রিপাবলিক – সরদার ফজলুল করিম

    May 9, 2026

    অপেক্ষার বারোমাস – অর্পিতা সরকার

    May 1, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }