Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    শ্রীকান্ত – চলিত ভাষার

    May 11, 2026

    প্রবাদ মালা – রেভারেণ্ড কে. কে. জি. সরকার

    May 9, 2026

    প্লেটোর রিপাবলিক – সরদার ফজলুল করিম

    May 9, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    রাধানগর – বাণী বসু

    বাণী বসু এক পাতা গল্প177 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    রাধানগর – ৬

    ছয়

    এন্টালির বাস স্টপে এসে দেখি স্টিফেন আসছে। এতবার বারণ করা সত্ত্বেও দিয়া ওকে পাঠাবেই।

    রাগ করতে যেতেই, স্টিফেন হাত তুলে বলল—আহা আহা বেবি, শোনোই তো আগে আমার কথা। চিকেন কিনতে এসেছিলাম এন্টালি বাজারে, মনে হল তুমিও তো এদিক দিয়েই যাবে। যদি দেখা হয়ে যায়, আমার ট্রাম ভাড়াটা বেঁচে যাবে।

    আমার হাসি পেয়ে যায়।

    —কী সুন্দর শাড়ি পরেছ আজ বেবি। —বলতে বলতে স্টিফেনের চোখ দুটো কেমন হয়ে যায়।

    —কী হল?

    —শাড়িটা যে ছিঁড়ে ফেলেছ বেবি! —ওর চোখ অনুসরণ করে দেখি কাঁধের ওপর, বেশ খানিকটা ছিঁড়ে গেছে।

    —এমা, অপ্রস্তুত হয়ে বলি— এত পুরনো শাড়ি, দিয়াকে বললাম পরব না। দেখো তো কী হল!

    স্টিফেন বলল— ইসস্‌ —এখন কী করবে? এতটা ছেঁড়া পরে কি তুমি ট্রামে উঠতে পারবে?

    আমি ততক্ষণে হাঁটতে শুরু করে দিয়েছি। প্রতিবার পা ফেলছি মনে হচ্ছে, অন্য মচকানো জায়গাগুলোও যদি অমনি ছিঁড়ে যায়!

    বাড়ি ফিরতেই দিয়ার ডাক।

    বুলা—অ, বুলা—আ।

    আচ্ছা জ্বালালে তো বুড়ি?

    আত্মরক্ষার সবচেয়ে ভাল উপায় হল আক্রমণ।

    আমি ঝাঁঝিয়ে উঠি।

     

     

    —দেখেছ তো, পুরনো পচা একটা শাড়ি আমায় জোর করে পরালে, পিঁজে গেছে, ছিঁড়ে ছিঁড়ে যাচ্ছে।

    —কই দেখি? —বুড়ি ছাড়বে না। আমাকে কাছে ডেকে ছেঁড়াগুলো পরীক্ষা করে দেখল। এবার কি গোল্ডিকে দিয়ে আমায় শোঁকাবে না কি?

    —তুই মুসৌরি চলে যা বুলা— কর্কশ গলায় বুড়ি বলল।

    আমি খাচ্ছিলাম। টোম্যাটো সুপ করেছে আজ খালেদা। একেবারে টাটকা টোম্যাটো সুপ। টোস্ট খাচ্ছি কামড়ে, পেঁপে-মরিচ আছে। রাত্রে দিয়া এইরকমই খায়। আমিও খাই তাই। জিনিসগুলো তো খারাপ নয়! শেষকালে আমি একটা ফুট সালাড খাব। ক্রিম আর মধু দিয়ে, দিয়া ক্রিমটা বাদ দিয়ে খাবে। খাচ্ছিলাম, খেতে থাকলাম। আমি চুপ করে থাকলেই যাবতীয় বলার কথা বুড়ি বলে ফেলবে।

    আমার চেয়ারের পাশে পা মুড়ে বসে আছে গোল্ডি। বাঁ হাত দিয়ে গোল্ডিটাকে একটা আদর করে দিই।

     

     

    —কিছু বলছিস না যে?

    —কী বলব?

    —ওই যে বললুম মুসৌরিতে চলে যা।

    —তুমি নিজেই জানো সেটা সম্ভব না। ফাইন্যাল পরীক্ষা দেখতে দেখতে এসে যাবে। প্র্যাক্টিকাল ক্লাসগুলো আছে।

    —ঠিক আছে। পরীক্ষাটা হয়ে গেলে চলে যাস, আমি তোর ভার নিতে পারব না।

    —আরে মেমসাব। একটা হাসির কথা বললে আজ। কে কার ভার নেয় এ বাড়িতে। —আমি হেসে বলি— তাছাড়া একটা ফাইন্যালের পর আর একটা ফাইন্যাল থাকে, তারপর আরেকটা ফাইনাল…।

    —মুসৌরিতে মায়ের চোখের সামনে সুবিধে হচ্ছিল না, না?

     

     

    —মায়েরও অসুবিধে হয়ে থাকতে পারে দিয়া।

    —কী বললি?

    —ঠিকই বললাম। মা তো এখন একটা কনে বউ। আমার মতো এত বড় একটা মেয়ে সর্বক্ষণ পাহারাদারের মতো ঘুরে বেড়ালে অসুবিধে হবে না?

    —একেবারে গোল্লায় গেছিস।

    —যাক গোল্লায় যখন চলেই গেছি, মুসৌরিতে আর যেতে হচ্ছে না। দুটো জায়গায় তো আর একসঙ্গে যাওয়া যায় না।

    রাগ করে চামচটা হাত থেকে ছুড়ে ফেলে দিল দিয়া।

    —কেন মেজাজ খারাপ করছ? কী বলতে চাও, বলো না। ঝেড়ে কাশো, ওল্ড গার্ল, ঝেড়ে কাশো।

     

     

    —শাড়িটা ছিঁড়ল কী করে?

    —আদ্যিকালের শাড়িটা গেছে বলে রাগ করছ? আরে বাবা আমি জানি শাড়িটার সেন্টিমেন্টাল ভ্যালু অনেক। কেন দিলে পরতে?

    প্রশ্নটা করেই আমার মনে হল, ইচ্ছে করেই দিয়েছিল দিয়া। তারপর বুঝতে পারলুম স্টিফেনকেও ইচ্ছে করেই পাঠায়। যাতে বেশিক্ষণ না থাকি, স্টিফেন গিয়ে বন্ধ দরজায় ধাক্কা দেয়। সমস্তটাই পরিকল্পিত। তবু দিয়ার পরিকল্পনা আমি ভেস্তে দিয়েছি। তাই রাগ।

    —এর পর থেকে তোকে আর ওই টিউটরের কাছে যেতে হবে না।

    —বাঃ, না গেলে প্রবলেমগুলো কে সলভ্‌ করবে! ফেল করে যাব যে দিয়া।

    —করো ফেল।

     

     

    —তা হয় না। তুমি বরং স্টিফেনকে আরও একটু তাড়াতাড়ি পাঠিও। ও বসে থাকবে। ভালই। ওরও ফিজিক্স অঙ্কটা শেখা হয়ে যাবে।

    আমার নিশ্চিন্ত ভাব দেখে বোধহয় দিয়া একটু আশ্বস্ত হল। আরেকটা চামচ দিয়ে খাওয়াটা শেষ করল। উঠতে উঠতে বলল —ইয়ার্কি করছ করো বুলা। এভাবে চললে পস্তাবে। ভীষণ বিপদে পড়বে। ভেবো না সব বিপদ-আপদ থেকেই আমি তোমায় বাঁচাতে পারব।

    —আশ্চর্য দিয়া, আমি আর থাকতে পারি না, —তুমি চেয়েছিলে না প্রদ্যুম্নর সঙ্গে আমি প্রেম করি!

    —কে বললে?—ফোঁস করে উঠল বুড়ি, —তাকে তো আমি চোখেই দেখিনি আজও।

    —সেটাই কি তোমার আপত্তির কারণ?

    —বাজে কথা বলিস না বুলা, প্রেম এক জিনিস আর… এ লোকটা একদম ভাল নয়।

     

     

    এবার আমি হাসতে থাকি। হাসতে থাকি। দিয়া ভীষণ অস্বস্তি বোধ করতে থাকে। শেষকালে বলে— তুই আমার নাতনি… আমার নাতনি একটা সিনিক হয়ে গেছিস। আমি ভাবতেও পারি না।

    দিয়া শুতে চলে যায়। আমি উচ্ছৃঙ্খল, আমি অপ্সরা, আমি আবার সিনিক হলাম।

    দিয়াকে কষ্ট দিলাম। দিতে চাইনি। কেন দিলাম? আজ দিয়ার কথায় নিজের একটা নতুন দিকই আবিষ্কার করলাম। আমি তা হলে সিনিক? পৃথিবীর কোনও জিনিস, পবিত্র বলে মান পায় না আমার কাছে। সব কিছুর মূল্য সম্পর্কে আমি সন্দিহান। একটা তিক্ত তামাশার দৃষ্টি নিয়ে তাকিয়ে দেখি জীবনটাকে। অথচ আমি এই আমিই স্বভাবে আবার একজন অপ্সরাও বটে, নিজের মধ্যে প্রচণ্ড সঙ্কল্পের নড়াচড়াও তো টের পাই। ঠিক বিপরীত প্রবৃত্তি না হলেও এগুলো তো একসঙ্গে একজনের মধ্যে পাওয়াও দুষ্কর। কেন এরকম উল্টোপাল্টা চরিত্র আমার?

    একজন পুরুষ অভিভাবক আমার খুব দরকার ছিল। একজন বাবা, একজন দাদু। বাড়িটাতে শুধু মেয়ে, মেয়ে আর মেয়ে, নানান বয়সের মেয়ে। আর স্টিফেন? ও এতদিন ধরে মহিলাদের চাকরি করছে যে ও-ও মেয়েই হয়ে গেছে। আমার বন্ধুরা, পাড়ার বন্ধুরা তো ওকে স্টিফেন বুড়ি, হাই ওল্ড উওম্যান বলেই ডাকে।

     

     

    শোবার সময়ে পা টিপে টিপে দিয়ার ঘরে ঢুকি। হালকা নীল আলোয় আমার নিজেকে একটা অলৌকিক প্রাণী বলে মনে হচ্ছে। মানুষ সমান আয়নায়, আমার প্রেতিনী শরীরের ছায়া পড়েছে। দিয়ার বিছানার কাছে এগিয়ে যাই। ঘুমোয়নি এখনও দিয়া? নিঃশব্দে কাঁদছে। মুখটা চোখের জলে মাখামাখি।

    আমি ওর কপালে একটা চুমু খাই, আলতো করে গলা জড়িয়ে ধরে।

    —তুই ঠিকই বলেছিস— ধরা ধরা গলায় দিয়া বলে— প্রেমের কথা বলবার অধিকার আমার নেই।

    —কী বলছ দিয়া? ও কথা আবার আমি কখন বললাম? তুমি বলবে না তো কে বলবে প্রেমের কথা?

    —ঠিক নয়। এ কথা ঠিক নয় বুলা। সে বলতে পারত, সে অনেক স্যাক্রিফাইস করেছিল আমার জন্যে। আমি কী করেছিলাম? বড়জোর সহ্য করেছিলাম। সিঁড়ির মতো ব্যবহার করেছিলাম তাকে। আমি যা যা চাই, —তা পাওয়ার জন্যে… আমার সৌন্দর্য ঠিকঠাক প্রকাশিত হতে পারবে এমন সব জায়গায় যাবার জন্য… দিয়া কাঁদতে লাগল।

     

     

    আমি বললাম— এ ভাবে কেঁদো না দিয়া। সবাই দিতে পারে না, গ্রহণ করাও এক রকমের দেওয়া কিন্তু দিয়া। তুমি রবীন্দ্রনাথের ‘শেষের কবিতা’ পড়েছ? দাদা তোমাকে পড়িয়েছিল?

    তোমারে যা দিয়েছিনু সে তোমারি দান।

    গ্রহণ করেছো যত ঋণী তত করেছ আমায়।

    দিয়া কিন্তু সান্ত্বনা পেল না। বলল— তোর দোষ কী? তোর শরীরে আমারই রক্ত বইছে।

    —দাদার রক্তও বইছে দিয়া। আমার বাবার রক্তও বইছে।

    অনেকক্ষণ কাঁদল দিয়া, তারপর ফোঁপাতে ফোঁপাতে ঘুমিয়ে পড়ল।

    আজ এতদিন পর হঠাৎ আমার মনে হল বাড়িটা বড্ড বদ্ধ। এটাই সবচেয়ে ক্ষতিকর—এই বদ্ধতা। এই পুরনো পাড়ায় বাড়ি তৈরি করে ভাল করেনি দাদা। নিশ্চয় দিয়া চেয়েছিল বলেই এখানে বাড়ি করেছিল। ইচ্ছে করলেই তো অন্য কোথাও করতে পারত! আইলিনকে তার পুরনো পরিবেশ থেকে একেবারে তুলে নিয়ে গেল না কেন বিনয়ভূষণ? ভয় পেয়েছিল তুলে নিয়ে যেতে? এখানে রাখতে আরও ভয় পাওয়া উচিত ছিল। যতই এলা চৌধুরী হয়ে থাক, পাশের গলির আইলিনের কথা নিশ্চয় অনেকে ভুলতে পারেনি। ভুলতে দেয়ওনি। বড্ড বেশি মাংসের গন্ধ এ পাড়ায়। রক্ত-মাংস।

     

     

    স্কুলের বন্ধুদের মধ্যে অনীতার সঙ্গে আমার খুব ভাব। উত্তর কলকাতার গড়পাড়ে ওর বাড়ি। কয়েকবার আমায় নিয়ে গেছে অনীতা। ওখানে ওর মা, বাবা, ভাই, বোন, বিধবা জেঠিমা, কাকা, কাকিমা এতজন থাকেন। ওদের বাড়ির আবহাওয়া একেবারে অন্যরকম। মনে হয় যেন অন্য দেশ। ওখানে ওরা অনেক মুক্ত, স্বচ্ছন্দভাবে বাস করে। ওদের তেমন কিছু লুকোবার নেই। অন্যদিকে আমি? আমাকে ভেবে-চিন্তে সাবধানে কথা বলতে হয়।

    অনীতার বাবা জিজ্ঞেস করলেন—কোথায় থাকো?

    রাস্তার নাম শুনে ওর মা বললেন— ওটা তো একেবারে অ্যাংলো পাড়া। অনীতার বাবা অসন্তুষ্ট চোখে ওর মায়ের দিকে তাকালেন।

    —আমি তো তখন বলতেই পারতাম আমার দিদিমাই তো একজন অ্যাংলো-ইন্ডিয়ান। কিন্তু বললাম না তো! আমার মা বাবার কথা জিজ্ঞেস করলে সংক্ষেপে মুসৌরির কথা বললাম। কিন্তু একবারও বললাম কি মুসৌরি থেকে কেন আমি চলে এসেছি। এই সমস্ত সামাজিক অনিয়ম ওঁরা কীভাবে নেবেন সেটা তো জানি না! ওঁদের উদারতার ওপর আমার ভরসা নেই।

     

     

    অনীতাদের পরিবারের চেয়েও উদার, স্বাধীনচেতা রঙিনদের বাড়ি। রঙিনের বড়দা ইংল্যান্ডে থাকেন, ওদেশিই বিয়ে করেছেন। রঙিন আর ওর বোন সুবচনী একেবারে নিজেদের নিয়ে থাকে। ওদের মা-বাবা দুজনেই বড় চাকরি করেন। তাঁদের ছেলে-মেয়েদের বন্ধু বান্ধবের ব্যাপারে মাথা গলাবার অত সময়ই নেই। তবু, কল্পনা করতে পারি, যদি ওঁরা জিজ্ঞেস করতেন, সব সব কিছু আমি ওদেরও বলতে পারতাম না।

    এখন রাস্তা দিয়ে যেতে যেতে দুপাশের বাড়িগুলোর দিকে তাকালে আমার মনে হয় প্রত্যেকটা একটা দুর্গ, একটা আলাদা দুনিয়া। নিয়মকানুন, বোধ-বুদ্ধি-অনুভূতি, আবহাওয়া সব আলাদা। এ সব জায়গা থেকে নিজের বাড়িতে ফিরে একই সঙ্গে আমার একটা স্বস্তিও হয়। আবার খেদও হয়। স্বস্তির কারণটা বোঝা শক্ত নয়। জলের মাছ জলে ফিরলে স্বস্তি তো হবেই। কিন্তু খেদ কেন? স্বাভাবিক সাধারণ একটা পরিবারে জন্মাইনি বলেই কি খেদ? আপাতদৃষ্টিতে তো আমাদের পরিবারের অস্বাভাবিক কিছু নেই! কত ছেলে-মেয়েই তো মামার বাড়িতে মানুষ হয়। আসল কথা, ওপরের মাটি খুঁড়তে গেলেই, ভেতরকার জলকাদাওলা নরম মাটি বেরিয়ে পড়ে। যেমন আজ। দিয়ার এই কান্না, এই খেদোক্তি যে সে দাদার উপযুক্ত ছিল না, ভালবাসার কথা বলা তার সাজে না, আমার শরীরে তার রক্ত বইছে বলে আক্ষেপ, এ সব কেন? দিয়া আমার কাছ থেকে লুকোতে পারবে না, এর পেছনে কোনও গোপন কারণ আছে।

     

     

    রহস্যভেদ করার জন্যে যতটা কৌতূহল থাকা দরকার, ততটা যেন আমার আর নেই। যত মাটি খুঁড়ছি জট বেরিয়ে পড়ছে, আরও জট, আরও জট। খুব ক্লান্ত লাগছে। মনে হচ্ছে কী সেই রক্তের অভিশাপ যা আমাকে শুধু শুধুই বহন করতে হবে। কেন মাঝে মাঝেই শুনতে হবে রক্ত তুলে এই তিরস্কার?

    আমি চলে যেতে চাই। এই বাড়ি, এই ঘর ছেড়ে। এইসব আসবাব ছবি এখন যেন আমার বিষ মনে হচ্ছে। কী করে লোকে সারা জীবন এক বাড়িতে থাকে? আমি যদি কখনও চাকরি করি, এমন চাকরি করব যাতে আমাকে অনবরত এক জায়গা থেকে আরেক জায়গায় বদলি হতে হয়।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleসমুদ্র-যাত্রা – বাণী বসু
    Next Article যে যেখানে যায় – বাণী বসু

    Related Articles

    বাণী বসু

    নূহর নৌকা – বাণী বসু

    November 3, 2025
    বাণী বসু

    ছোটোগল্প – বাণী বসু

    November 3, 2025
    বাণী বসু

    অন্তর্ঘাত – বাণী বসু

    November 3, 2025
    বাণী বসু

    খনামিহিরের ঢিপি – বাণী বসু

    November 3, 2025
    বাণী বসু

    খারাপ ছেলে – বাণী বসু

    November 3, 2025
    বাণী বসু

    মোহানা – বাণী বসু

    November 3, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    अनीश दास
    मौलाना शाह वलीउल्लाह
    रेवरेंड के. के. जी. सरकार
    অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিজ্ঞান রায়চৌধুরী
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমরেন্দ্র চক্রবর্তী
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অরিন্দম দেবনাথ
    অর্পিতা সরকার
    অশোককুমার মিত্র
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    কৌশিক সামন্ত
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যজ্যোতি মজুমদার
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    রেভারেণ্ড কে. কে. জি. সরকার
    লীলা মজুমদার
    লেইল লোনডেস
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শঙ্কর চ্যাটার্জী
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শাক্যজিৎ ভট্টাচাৰ্য্য
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সম্পাদনা : শৈলেন্দ্র হালদার
    সরদার ফজলুল করিম
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্মরণজিৎ চক্রবর্তী
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    শ্রীকান্ত – চলিত ভাষার

    May 11, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    শ্রীকান্ত – চলিত ভাষার

    May 11, 2026
    Our Picks

    শ্রীকান্ত – চলিত ভাষার

    May 11, 2026

    প্রবাদ মালা – রেভারেণ্ড কে. কে. জি. সরকার

    May 9, 2026

    প্লেটোর রিপাবলিক – সরদার ফজলুল করিম

    May 9, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }