Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    প্লেটোর রিপাবলিক – সরদার ফজলুল করিম

    May 14, 2026

    বৃশ্চিক – পিয়া সরকার

    May 14, 2026

    সংস্কৃতির ভাঙা সেতু – আখতারুজ্জামান ইলিয়াস

    May 14, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    রাধানগর – বাণী বসু

    বাণী বসু এক পাতা গল্প177 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    রাধানগর – ৮

    আট – মন্দারের কথা

    ময়লাটে সন্ধেটা শেষ হয়ে আসছে এখন। এইবারে কালচে রাত শুরু হবে। আমি তাড়াতাড়ি পা চালাই। চাপা শীত এখন, ধোঁয়া। এটা কি রাধানগর? রাধানগরের রাস্তা দিয়েই তো আমি চলেছি। উজ্জ্বল আকাশে একটা রুপোর চাঁদ ধীরে ধীরে জেগে উঠছে। উত্তুরে হাওয়া বইছে। মাঠের মধ্যে জায়গায় জায়গায় একটা করে ধোঁয়ার শিষ, হয়তো আগাছা পোড়াচ্ছে চাষিরা, হয়তো গোয়ালে ভিজে খড় জ্বালানো হয়েছে। সেই ধোঁয়াই ছড়িয়ে পড়ছে গোটা রাধানগরে, ঢেকে দিচ্ছে এক রহস্যের গুণ্ঠনে ওখানকার বাড়িঘরদোর গাছপালা, মন্দির, মন্দিরটাও। শাঁখের আওয়াজ খোলা আকাশ-বাতাসে ছড়িয়ে যাচ্ছে। ঠাকুর বাড়ি থেকে ঘণ্টা বাজার আওয়াজ আসছে। ঢঙ্‌ ঢঙ্‌ ঢঙ্‌ ঢঙ্‌ ঢঙ্‌ ঢঙ্‌।

    ধাক্কা লেগে গেছে কার সঙ্গে।

    —দেখতে পাও না? আচ্ছা তো! বিরক্তি প্রকাশ করে লোকটি ভুরু কুঁচকে আমার দিকে তাকিয়ে আছে। বোধহয় দেখছে কানা-টানা কি না।

    আরে! এ তো কলকাতার রাস্তা! রাধানগরে তো আমার কোনও পরিচয় ছিল না। তবু কেন রাধানগরে ফিরে যাচ্ছি বারবার? এ শহরে আমি আরও অপরিচিত, অজ্ঞাতকুলশীল, এ শহর কাউকে রেয়াত করছে না। কিন্তু তবু এ শহর আমাকে আমার নিজের মতো করে একটা অনুসন্ধানের সুযোগ দিয়েছে। এক ভীষণ জরুরি অনুসন্ধান। কে জানে হয়তো তদন্তও। যে ভাবে আমি মায়ের ঠিকানা পেলাম, তা রূপকথার চেয়েও অদ্ভুত। রোমাঞ্চকর।

    জুলাই, অগস্ট, সেপ্টেম্বর তিনটে মাস কাটল আশ্রয়ের সন্ধানে। কোথাও জায়গা পাই না। হস্টেলে শুনলাম এখন যারা পার্ট-টু দেবে তাদের পরীক্ষার পর কিছু সিট খালি হতে পারে। এখন কোনও আশাই নেই। ওয়েটিং লিস্টে নামটা তোলালাম অনেক কষ্টে, তাও শিশিরদা ছিলেন বলে সম্ভব হল। সে সময়টা ছিলাম শিয়ালদার একটা বাসা বাড়িতে, শিশিরদার বন্ধু রাখালবাবুর ঘরে গেস্ট হয়ে। আমার অবস্থা দেখে উনিই বললেন—কদিন তো থাকলে এ ঘরে। যদি খুব অপছন্দ না হয় থেকে যেতে পারো যতদিন প্রয়োজন। আমার যা সিটরেন্ট লাগে তার হাফ দিয়ে দেবে। বাস। আমিও সেমি-অভিভাবক রইলুম। কী বলো শিশির।

    আমার তো এ ছাড়া উপায়ও ছিল না। হাতে চাঁদ পেলাম।

    খাওয়া-দাওয়া পড়াশোনার তখন দারুণ অসুবিধা। ওই বাসাবাড়িতে তো আর কোনও রান্না-টান্নার ব্যবস্থা নেই! রাখালবাবুর দুপুরের খাওয়াটা বোধহয় অফিস-ক্যান্টিনে হয়। কিন্তু আমার সকালবেলায় চা পাঁউরুটির পর আর বিশেষ কিছু খাওয়াই হয় না। চা খেতাম না, পাঁউরুটিও কোনওদিন খাইনি, কিন্তু অন্য জিনিসগুলো আরও বিশ্রী। দোকানের ভাতে, মাছ, পেঁয়াজ-রসুনের আঁশটে উগ্র গন্ধ পাই, চারদিকে নোংরা। বেশির ভাগ সময়েই পালিয়ে আসতে পথ পাই না। কলেজ ক্যান্টিনে ঘুগনি কি সিঙ্গাড়া, ছুটির পর দোকানে গিয়ে মিষ্টি খেয়ে কাটিয়ে দিই। ও সবে কি আর পেট ভরে? কিন্তু কী করা যাবে? আমি হন্যে হয়ে নিরামিষ ভাতের হোটেল খুঁজি, কোন দোকানে একটু দুধ পাওয়া যাবে খোঁজ করি, আর ফলটল খেয়ে পেটে কিল মেরে বসে থাকি। তা ছাড়া রয়েছে এক বিল্ডিং থেকে আরেক বিল্ডিং-এ ছোটাছুটি করে ক্লাস করা, অজস্র ছেলে-মেয়ের ভিড়ের সঙ্গে মানিয়ে নেওয়া। মায়ের খোঁজ করবার সময়ই পাইনি। সত্যি কথা বলতে কী মনেও ছিল না। অক্টোবরের প্রথমে পুজো, তখন বাড়ি গিয়ে বাবার সঙ্গে দেখা হল না। পরে নভেম্বরে রাসপূর্ণিমার সময়েও গেলাম, সে সময়ে বাবা ছিল বটে, কিন্তু রাত্রে এসে স্রেফ শুয়ে পড়ত। তখন বাবাকে ডেকে মায়ের ঠিকানা জিজ্ঞেস করা আমার সাহসেই কুলোত না। মায়ের কথাবার্তা, গল্প-গাছার পুরনো স্মৃতি হাতড়ে বার হল কয়েকটা সূত্র— মা কোথা থেকে খেলনা এনেছ? —নিউ মার্কেট। নিউ মার্কেট কোথায়? —আমাদের বাড়ি থেকে কাছেই। এইসব সুন্দর সুন্দর ছবি কোথায় পেলে? —পার্ক স্ট্রিট। সেটা কোথায়? আমাদের বাড়ির কাছেই। এ ছাড়া— এলিট সিনেমায় মা ‘থ্রি মাস্কেটিয়ার্স’ ছবি দেখেছিল, সেই গল্প আমি মুগ্ধ হয়ে শুনেছি, ‘লোটাস’ সিনেমাতে মা ‘কিংকং’ দেখেছিল, সে-ও আর এক রোমাঞ্চকর গল্প। এ হলটাও মায়ের বাড়ির কাছে। মা পড়ত সিস্টার নিবেদিতার প্রতিষ্ঠিত স্কুলে, সেটা কিন্তু মায়ের বাড়ি থেকে বেশ দূর।

     

    আরও দেখুন
    বইয়ের
    উপন্যাস সংগ্রহ
    স্বাস্থ্য টিপস
    বই ডাউনলোড
    বাংলা ডিকশনারি অ্যাপ
    বাংলা হস্তলিপি কুইল
    ডিজিটাল বই
    অনলাইনে বই
    বাংলা বইয়ের উপহার কার্ড
    পিডিএফ

     

    এই সূত্রগুলো থেকে আমি একটা ম্যাপ আঁকতে চেষ্টা করি। এলিট থেকে লোটাস, লিন্ডসে থেকে পার্ক স্ট্রিট, ঘুরে ঘুরে বেড়াতাম, যদি মাকে হঠাৎ দেখা যায়! মা তো চাকরি করে, বেরোবে নিশ্চয়ই। এই অসম্ভবের অভিযান আমার হয়তো সারা জীবন ধরেই চলত, যদি না একদিন মাকে সত্যিই দেখতে পেয়ে যেতাম। দেখতে পেলাম, পার্ক স্ট্রিট বা লোটাস সিনেমার পাশে নয়, একেবারে আমার কলেজের মাঝ মধ্যিখানে।

    সেদিন আমার একটু দেরি হয়ে গিয়েছিল প্রায় ছুটছিলাম কলেজের করিডর ধরে। হঠাৎ দেখি সামনে খানিক দূরে মা চলেছে কয়েকটা মেয়ের সঙ্গে। ফুল ফুল ছাপ সিল্কের শাড়ি। পায়ে তেমনি পা-ঢাকা পাম্প শু’ পেছন থেকে দেখছি। বুঝতে পারছি অবশ্য ওটা মা নয়, মায়ের মতন ধরনটা। কিন্তু মেয়েটি যখন সামনে ফিরল আমি অবাক মায়ের সঙ্গে ওর মিল দেখে। মামার বাড়ির কথা আমি কিছুই তো জানি না, কিন্তু এই মেয়েটি কোনও না কোনওভাবে মামার বাড়ির পরিবারের সঙ্গে যুক্ত তো থাকতে পারে! এত মিল যখন! সেই থেকে আমি ক্রমাগত ওর পেছনে পেছনে ঘুরছি। ওর সঙ্গে আলাপ করে জানতে হবে ও আমার মাকে চেনে কি না। কিন্তু সাহসে কুলোয় না, তারকের বোন নমিতা ছাড়া আর কোনও এই বয়সের মেয়ের সঙ্গে কথা বলিনি আগে। রায় বাড়ির অল্প বড় দিদিরা আমাকে কোনওদিনই পাত্তা দেয় না। এমনকী গায়ত্রী বা তার দিদি সাবি বা সাবিত্রী আমার সমান সমান আর আমার থেকে সামান্য বড়, কিন্তু ওদের সঙ্গেও আমার কোনও কথাবার্তা হয় না। মহিলা বলতে ন’ জ্যাঠাইমা আর ফুলকাকিমা বাড়ির মধ্যে, আর বাইরে— মাসিমা, অর্থাৎ তারকের মা। এর বাইরে আমার কোনও মহিলা বা মেয়ের সঙ্গে কোনওরকম কথাবার্তারও সুযোগ হয়নি। এখানে এসে দেখছি রাশি রাশি মেয়ে। পথেঘাটে, ট্রামে-বাসে। কলেজটা তো মেয়েতে ভর্তি। ওদের কাছাকাছি হলেই আমার হাত পা পেটের ভেতর গুটিয়ে যেতে চায়। গলা শুকিয়ে যায়। কথা বলব কি? দূর থেকে আমি মায়ের মতো দেখতে মেয়েটির দিকে নজর রাখি। অন্য মেয়েদেরও দেখি। কোনও ভুল করছি না তো? হয়তো এক রকম দৈর্ঘ্য, দেহের গঠন, চুল ইত্যাদি হলেই মেয়েদের এক রকম লাগে। না, তা কিন্তু নয়, আমার মায়ের ছিল ছোট গোল করে কাটা চুল। মাথার চারপাশে চালচিত্রের মতো হয়ে থাকত। এ মেয়েটা দুটো বিনুনি করে, কখনও একটা বিনুনি। তা সত্ত্বেও ওকে দেখলেই মায়ের কথা মনে পড়বে। ওকে দেখতে দেখতে বুঝতে পারি হ্যাঁ, আমার মায়ের এইরকম একটু লম্বাটে মুখ ছিল বটে। এই রকম চেরা চেরা চোখ, পাতলা সরু নাক, ঠিক এইরকম ফুলো ফুলো ঠোঁট।

     

    আরও দেখুন
    বাংলা বইয়ের আলোচনা ফোরাম
    কৌতুক সংগ্রহ
    স্বাস্থ্য টিপস
    বাংলা অডিওবুক
    লেখকের বই
    বই
    বাংলা ই-বুক রিডার
    বাংলা লেখকদের সাক্ষাৎকার
    রেসিপি বই
    গ্রন্থাগার

     

    কিন্তু এত নজর করি বলে বুঝতেই পারছি মেয়েটা বিরক্ত হচ্ছে। অনেকেই বুঝতে পারছে। দু-চার বার কথা বলতে গিয়েও পিছিয়ে এলাম। এত সঙ্কোচ! কলেজে এত লোকের মাঝখানে জিজ্ঞাসাবাদ করাটাও বোধহয় ঠিক না। কী জিজ্ঞেস করব? আপনি কি আমার মায়ের কেউ হন।’ কিংবা ‘আমার মা ইরাবতী রায়কে চেনেন?’ ‘আমার মা হারিয়ে গেছেন, আপনি মনে হচ্ছে ওঁর কেউ হন, খুঁজে দেবেন, আমার মাকে?’ এই সব কিম্ভুত প্রশ্ন যদি আর কারও কানে যায়। আমাকে কি পাগল ভাববে না? একজন ছেলে তার মায়ের ঠিকানা জানে না। সুদ্ধু মুখের মিল দেখে একজন মেয়েকে ধরেছে মুশকিল আসান বলে। ভূ-ভারতে কেউ কখনও শুনেছে এমন কথা?

    কলেজ নয়। অন্য কোনও জায়গায় মেয়েটাকে ধরতে হবে। কিন্তু যতবার ওর সঙ্গে বেরোই, এক ট্রামে বা বাসে উঠি, ও উল্টোপাল্টা জায়গায় নেমে পড়ে। বোধহয় ভয় পেয়েছে। অন্য রকম কিছু ভাবছে।

    ইতিমধ্যে রাখালবাবুর ওখানে অবস্থা ঘোরালো হয়ে উঠেছে। উনি শিশিরদার কী রকম বন্ধু কে জানে! আমার ওপর রীতিমতো অত্যাচার শুরু করেছেন। যখন-তখন সিগারেট, পান, আনতে দেবেন। আমাকে দেখলেই ওঁকে ফরমাশে পায়। আমরা দুজনেই সকালে জলখাবার খেতে দোকানে যেতাম। উনি এক দিন বললেন- ‘আমারটা একটু নিয়ে আসবে মন্দার, শরীরটা ভাল লাগছে না।’

     

    আরও দেখুন
    উপন্যাস সংগ্রহ
    বাংলা হস্তলিপি কুইল
    বাংলা সাহিত্য
    বুক শেল্ফ
    বইয়ের তালিকা
    ই-বই সাবস্ক্রিপশন
    বাংলা ফন্ট সাবস্ক্রিপশন
    বই পড়ুন
    ডিকশনারি
    বাংলা সাহিত্যের কোর্স

     

    আমি যত্ন করে ওঁর জন্যে পাঁউরুটি মাখন, তার ওপর পুরু করে চিনি ছড়িয়ে রুমালে করে স্টিলের গরম গ্লাসের চা কোনও মতে ধরে নিয়ে এলাম। বাস, তারপর থেকে ওঁর সকালের জলখাবার নিয়ে আসাও আমার ডিউটি হয়ে গেছে। একটা ছোট্ট অ্যালুমিনিয়মের কেটলি কিনেছেন। তাইতে করে আমি চা এনে দিই। উনি বিছানায় বসে তারিয়ে তারিয়ে খান। রাত্তিরের খাবারটাও আমাকে আনতে হচ্ছে। প্রায়ই উনি রুটি-মাংস খান। মাংসের গন্ধে আমার অন্নপ্রাশনের ভাত উঠে আসে। তার পরে কালী মার্কা বোতল খুলে বিকট গন্ধঅলা মদ খান উনি। খেয়ে বেসামাল হয়ে যান, যা-তা কথা বলেন। এ সব ভাষা আমি আগে কখনও শুনিনি। এক ঢোঁক খাবেন, শয়তানি ভরা চোখে আমার দিকে পিটপিট করে চাইবেন আর বলবেন—কী ভাবছ ছোকরা? তোমার শিশিরদাকে বলে দেবে? তা শিশিরদা তোমার পদ্মপত্রে এক ফোঁটা শিশির বই তো নয়। কত গুণ জানো না তো আর! আমার মতো চারটে মাতালকে ও একা জব্দ করে দিতে পারে!

    এ বাসাবাড়িতে ফেরবার পর সমস্ত সময়টা আমার কাটে বিভীষিকার মতো। পড়াশোনা তো দূরের কথা। একটু নিশ্চিন্তে নিজের মনে থাকতে পর্যন্ত পাই না। অথচ এমন তো হবার কথা নয়!

    এইচ. এস. পাস করবার পর মনে হয়েছিল জীবনের একটা পর্ব আমার শেষ হয়ে গেল। অন্ধকার পর্ব। এবার হয়তো অন্যরকম দিনকাল শুরু হবে। তারকের বাবা প্রায়ই বলতেন কথাটা— ‘অ্যায়সা দিন নহি রহেগা। চিরকাল কখনও কারও এক রকম যায় না, খারাপ সময়টা আগে কেটে যাওয়া ভাল।’ পরীক্ষার ফল বেরোল। তারক হুগলিতে পড়তে যাবে। আরও কয়েকজন যাবে হুগলিতে। চন্দননগর, শ্রীরামপুরেও অ্যাপ্লাই করছে ওরা। কোথায় হবে তা তো বলা যায় না। হেড সার আমাকে বললেন— ‘কলকাতা চলে যাও মন্দার। আমি যতদূর জানি তোমার টাকা পয়সার অসুবিধে হবে না। তবে আর কী? বড় শহরে না গেলে চোখ খোলে না।’

     

    আরও দেখুন
    Books
    লাইব্রেরি
    বাংলা বই
    বাংলা ক্যালিগ্রাফি টিউটোরিয়াল
    বাংলা বইয়ের উপহার কার্ড
    বই ডাউনলোড
    বই
    বাংলা ডিকশনারি অ্যাপ
    বইয়ের তালিকা
    বাংলা ক্যালিগ্রাফি কালি

     

    শিশিরদা ইশারা করে আমায় ডেকে নিলেন স্কুলের মাঠে।

    —তোমার বাবার সঙ্গে কথা হয়েছে মন্দার?

    —না শিশিরদা, বাবা তো বাড়িতেই নেই। —আমার মুখ শুকিয়ে গেছে। শিশিরদার বোধ হয় দয়া হল। উনি বললেন— ঠিক আছে আমি আপাতত, যা লাগবে দিয়ে দিচ্ছি। ভর্তিটা তো হয়ে নাও। মার্ক শীট বেরোনো পর্যন্ত একটু অপেক্ষা করা তো যায়ই।

    সেদিন সন্ধেবেলাতেই পঞ্চা এসে বলে গেল— বড় জ্যাঠামশাই নাকি আমাকে ডেকেছেন। আমাকে ডেকেছেন? বড় জ্যাঠামশাই? আশ্চর্য! পঞ্চাও আমার সঙ্গেই পাস করেছিল। ওকে নাকি ইতিমধ্যেই সেরেস্তার কাজে লাগিয়ে দেওয়া হয়েছে। মেজো জ্যাঠামশাইয়ের ছেলের কাছে ও কাজ শিখছে। আমাকেও কি তাই দেওয়া হবে, না কী? তেমন কিছু হলে আমাকে কিন্তু অবাধ্যতা করতে হবে। তার পরে? তার পরে নিশ্চয় রাস্তা দেখা ছাড়া আমার সামনে আর কিছু থাকবে না।

     

    আরও দেখুন
    বাংলা বইয়ের প্রিন্ট কপি
    বইয়ের
    বাংলা লেখকদের সাক্ষাৎকার
    ই-বই পড়ুন
    বাংলা ক্যালিগ্রাফি কাগজ
    বাংলা সাহিত্য
    বাংলা ফন্ট সাবস্ক্রিপশন
    বাংলা কৌতুক বই
    Books
    গ্রন্থাগার

     

    বড় জ্যাঠামশাই বসে ছিলেন ঠাকুর বাড়ির সেই ডান দিকের ঘরে। বাতি জ্বেলে কী সব লেখাপড়ার কাজই করছেন। আমি গিয়ে দাঁড়াতে, মুখ তুলে বললেন— কে? সোনা? এসো এসো।

    আমি এত অবাক হয়ে গিয়েছিলাম যে কথা বলতে পারিনি গোড়ায়। ইনি আমার নাম জানেন? আমাকে নামে চেনেন? আমি তো রাজুর ছেলে, যে রাজু ম্যাম বিয়ে করেছে!

    টেবিলটা ঘুরে গিয়ে আমি ওঁকে প্রণাম করলাম। উনি উঠে দাঁড়িয়ে আমার মাথার ওপর হাত রাখলেন, বললেন।

    হরের্নাম, হরের্নাম, হরের্নামৈব কেবলং।

    কলৌ নাস্ত্যেব নাস্ত্যেব নাস্ত্যেব গতিরন্যথা।।

    উনি এভাবে আশীর্বাদ করেন কেন কে জানে!

    —তুমি তো এবার পাশ করলে? কী করবে ঠিক করলে?

     

    আরও দেখুন
    বুক শেল্ফ
    বাংলা অডিওবুক
    বাংলা সাহিত্য
    বইয়ের তালিকা
    স্বাস্থ্য টিপস
    লাইব্রেরি
    বাংলা বইয়ের আলোচনা ফোরাম
    বাংলা ক্যালিগ্রাফি কাগজ
    বই
    বাংলা রান্নার রেসিপি বই

     

    —পড়ব, কলকাতায়।।

    —‘বেশ’, উনি কথা না বার্তা না একটা সোনার হার আমার গলায় পরিয়ে দিলেন। তাতে একটা মাদুলি গাঁথা, বললেন— এটা পরে থাকবে, বুঝলে বাবা?—তা কী পড়বে?

    —সায়েন্স।

    —ভর্তি হতে তো তোমায় কলকাতায় যেতে হয় তা হলে? যে কোনও কলেজে ভর্তি হলেও চলবে না, হস্টেল চাই। তোমাদের কোনও দাদাকে বলি তা হলে। কবে যেতে চাও?

    আমি বললাম— মার্ক শীট বেরোলেই যেতে হবে। শিশিরদা নিয়ে যাবেন বলেছেন।

    —শিশিরদা কে?

    —আমাদের স্কুলের মাস্টার মশায়

     

    আরও দেখুন
    বুক শেল্ফ
    বাংলা হস্তলিপি কুইল
    উপন্যাস সংগ্রহ
    বাংলা সাহিত্যের কোর্স
    রেসিপি বই
    বাংলা লেখকদের সাক্ষাৎকার
    বইয়ের তালিকা
    গ্রন্থাগার
    বাংলা বইয়ের প্রিন্ট কপি
    বাংলা অডিওবুক

     

    —ভাল। দেখো তো এটা পছন্দ হয় কি না!

    উনি একটা লম্বাটে বাক্স আমার দিকে এগিয়ে দিলেন। দেখি স্টিল ব্যান্ডের কালো ডায়ালের একটা চমৎকার ঘড়ি। বেশ দামি মনে হয়।

    —পরের পরীক্ষাগুলোতে তোমার কাজে লাগবে।

    উনি কী করে জানলেন? পরীক্ষার সময়ে একটা ঘড়ির অভাবে কী কষ্টটাই পেয়েছি আমি। মুখ ফুটে বাবাকে বলেছিলাম, বাবা কোনও জবাবই দেয়নি! আমাদের এ বাড়ির পঞ্চা, সত্য, গায়ত্রী, আমার বন্ধু তারকের পর্যন্ত ঘড়ি আছে। আমি একাই খালি পনেরো মিনিট, আধ ঘণ্টা অন্তর সময়ের জন্য একে ওকে তাকে বিরক্ত করেছি। জ্যাঠামশাই বললেন, এখন তোমায় হাজার পাঁচেক দিচ্ছি। ভর্তি হয়ে এসো। বই পত্র কেনো, জামা কাপড় যা লাগে। এখন গিয়ে তোমার আর শিশির মাস্টারের কোথাও উঠতেও তো হবে! তারপর রেগুলার কলেজ শুরু হয়ে গেলে একটা মাসোহারার বন্দোবস্ত করে দেব। তখন একটা হিসেব দাখিল করতে হবে সেরেস্তায়। মানে এক্সট্রা কিছু লাগলে।

     

    আরও দেখুন
    বইয়ের
    বাংলা হস্তলিপি কুইল
    বইয়ের
    বাইশে শ্রাবণ
    বাংলা সাহিত্য ভ্রমণ
    গ্রন্থাগার
    গল্প, কবিতা
    PDF
    কৌতুক সংগ্রহ
    PDF বই

     

    আমি বললাম— তখন না হয় আমি ট্যুইশনি করে… মানে নিজের খরচ নিজে…

    জ্যাঠামশাই একটু অবাক হয়ে আমার দিকে তাকিয়ে রইলেন, বললেন তোমার মুখে এ কথা শুনে খুশি হলাম সোনা। এখানে তো সব সেই যাকে বলে— কাঁচা টাকা আর পাকা অন্ন এই দুইয়ে মতিচ্ছন্ন।

    কিন্তু এ সব কৃচ্ছ্র শুধু শুধু করবে কেন? তোমার পড়াশোনার খরচ তো সব এস্টেটের! রাধামাধবের সন্তান তুমি। খুব ভাল মানুষ হবার চেষ্টা করো। ভালও আবার কৃতীও। আমরা তো তোমার তেমন দেখাশুনো কিছু করতে পারব না। নিজেই নিজেকে বাঁচিয়ে বর্তে রাখতে হবে তোমায়। গর্তে পড়ে যেও না। আর দেখো, সায়েন্স পড়বে ঠিক করেছ। তেমন বুঝেছ, নিশ্চয় পড়বে। কিন্তু এস্টেটের তোমার কাছে আর্জি সময় মতো আইনটা পড়ে নিও। আইনটা পড়া থাকলে আমরা তোমার কাছ থেকে অনেক সাহায্য পাব।

    তা এর পরে বাবাও আমাকে সাহায্য করতে চেয়েছিল। নিজের ট্রাঙ্ক থেকে বাবা বালি-কাগজের খামে মুড়ে হাজার টাকা বার করেছিল। আমি যখন বললাম— লাগবে না, বড় জ্যাঠামশাই দিয়েছেন, তখন বাবা একেবারে হতভম্ব হয়ে যায়।

     

    আরও দেখুন
    ই-বই পড়ুন
    বাইশে শ্রাবণ
    বাংলা স্বাস্থ্য টিপস বই
    বাংলা রান্নার রেসিপি বই
    বাংলা সাহিত্য ভ্রমণ
    বাংলা ফন্ট সাবস্ক্রিপশন
    বই
    বাংলা বইয়ের উপহার কার্ড
    PDF বই
    কৌতুক সংগ্রহ

     

    বাবাকে ঘড়িটা দেখালাম। বাবার টাকা ছিল অথচ বাবা জিনিসটা আমায় দেয়নি। ঘড়িটা দেখল বাবা। কিছু বলল না। হারটা খালি আমি দেখালাম না। আমার মন বলল— এটা উপহার নয়, এটা কোনও সম্মান, সম্মানটা পেয়েছি আমি বাবাকে টপকে। দেখলে হয়তো বাবা দুঃখ পাবে। বাবা আমার সুখ দুঃখের কথা না ভাবলেও আমি বাবার সুখ দুঃখের কথা ভেবে থাকি।

    তা বাবা পরদিন ভোরে সেই যে বেরিয়ে গেল, তিন দিনের মধ্যে আর ফিরল না।

    আমার পছন্দমতো কলেজে ভর্তি হতে পারলাম কই? হস্টেল তো দূরস্থান। রেকমেন্ডেশন ছাড়া ও সব না কি হয় না। আমরা কি অতশত জানি? শেষ পর্যন্ত রাখালবাবুর ঘর!

    আজ কলেজে যাইনি। রথী আমাকে ওদের বাড়ি নিয়ে গিয়েছিল এনটালিতে। খাওয়াবে বলে। রথীই একমাত্র ছেলে যার সঙ্গে আমার একটু ঘনিষ্ঠতা হয়েছে। ও কিন্তু আমার সেকশনে পড়ে না। আমার পিওর সায়েন্স। ও ফিজিওলজি নিয়ে পড়ছে। ওর সঙ্গে আমার দেখা হয় কেমিস্ট্রি ক্লাসে।

     

    আরও দেখুন
    কৌতুক সংগ্রহ
    বাংলা রান্নার রেসিপি বই
    বই পড়ুন
    ডিকশনারি
    উপন্যাস সংগ্রহ
    অনলাইনে বই
    PDF বই
    অনলাইন বুকস্টোর
    বাংলা লেখকদের সাক্ষাৎকার
    Books

     

    একদিন কলেজের কাছাকাছি একটা মিষ্টির দোকানে ঢুকেছি, ভয়ে ভয়ে জিজ্ঞেস করছি ‘আপনাদের এখানে দুধ পাওয়া যায়?’ দুধের অভাবে আমার এত কষ্ট হচ্ছে যে বলার নয়। দোকানদার জবাবই দেয় না। এখানে এই কলকাতায় এইটা খুব দেখছি। বেশির ভাগ দোকানেই দোকানি ক্রেতার কথার জবাব দেয় না। তা, আমার পাশ থেকে কেউ বলে উঠল—‘যারা দুধ রাখে তারা কিন্তু একটা নোটিসও টাঙিয়ে রাখে।’ দেখি একটি চেনা ছেলে। চিনি কিন্তু নাম জানি না।

    ও বলল— আমার নাম রথী, রথী দাশ।

    —আমি মন্দার রায়।

    —এখনও দুগ্ধ পোষ্য আছ? না না লজ্জা পাবার কিছু নেই। আমিও তোমার দলে। আসলে আমরা নিরামিষাশী তো, দুধ ছাড়া থাকতে পারি না।

    ও-ও নিরামিষাশী জেনে ওর সঙ্গে আমার একটু ঘনিষ্ঠতাই হয়ে গেল। কথায় কথায় আমার খাওয়া-দাওয়ার কষ্টের কথা ও জেনে গিয়েছিল। ও-ই আমাকে দু-চারটে দোকান দেখিয়ে দেয় যেখানে দুধ ছানা ইত্যাদি পাওয়া যায়। আজ ও আমাকে খাওয়ার নেমন্তন্ন করেছিল। অনেকবার না-না করলাম ও শুনল না।

     

    আরও দেখুন
    বাংলা লেখকদের সাক্ষাৎকার
    বাংলা ফন্ট সাবস্ক্রিপশন
    অনলাইন বুকস্টোর
    ই-বই পড়ুন
    গ্রন্থাগার
    বাংলা কৌতুক বই
    ই-বই সাবস্ক্রিপশন
    বাইশে শ্রাবণ
    উপন্যাস সংগ্রহ
    ডিজিটাল বই

     

    অনেক দিন পর রথীদের বাড়ি খুব ভাল করে পেট ভরে খেলাম। ওর মা, ঠাকুমা, এঁরা বসে আমাদের খাওয়ালেন। এগুলো অবশ্য আমার অভ্যাস নেই। কিন্তু ওঁরা তো ছাড়বেন না। তবে সুখের বিষয়, বাবা-মা সম্পর্কে তেমন কোনও কৌতূহল ওঁরা দেখাননি। ধরেই নিয়েছেন সকলেই রাধানগরে থাকেন। ওখানকার ঠাকুরবাড়ির ছেলে শুনে আমার খাতির বেড়ে গেল।

    রথীদের বাড়ি থেকে বেরিয়েছি। রথীও আমার সঙ্গে আছে। হঠাৎ ও বলল— দেখো ট্রামে ওই মেয়েটি বসে আছে, ও আমাদের সঙ্গে পড়ে। ট্রামের দিকে চেয়ে আমি জানলার পাশে মায়ের মতো দেখতে মেয়েটির মুখটা দেখতে পেলাম। ও কারও সঙ্গে কথা বলছিল। সে ওর পাশে দাঁড়িয়ে ছিল।

    তারপরেই রথী বলল— এ মেয়েটা এলিয়ট রোডে থাকে। একটা দোতলা লাল বাড়ি আছে, বারান্দায় অনেক ফুল, সেই বাড়িটা থেকে ওকে বেরোতে দেখেছি। আলাপ করলে হয়। তবে বড্ড ডেঁটো। ফর্সা-টর্সা হলেই ডেঁটো হয় মেয়েগুলো। আমি তখন ভেতরে ভেতরে ভীষণ উত্তেজিত। উল্টো দিকের স্টপে গিয়ে দাঁড়াই। বাস ট্রাম সব ভীষণ ভিড়। কিন্তু রথীকে কাটাতে হবে।

    তাই ভীষণ ভিড় একটা ট্রামে কোনও রকমে উঠে পড়ি, অন্য যাত্রীদের গালাগাল খেতে খেতে। একটা স্টপ গিয়েই নেমে পড়ি। রাস্তা-ঘাট আমি তেমন কিছু চিনি না। সহজেই সব গুলিয়ে যায়। তবু সামনে যে গলিটা পেলাম ঢুকে পড়লাম। সার্কুলার রোড দিয়ে গেলে যদি রথীর সঙ্গে দেখা হয়ে যায়! সরু রাস্তাটা। নাম দেখি রিপণ স্ট্রিট। দোকানে-দোকানে জিজ্ঞেস করতে করতে এ মোড় ও মোড় ঘুরে এলিয়ট রোডে পৌঁছই। এবার বারান্দায় ফুলঅলা লাল বাড়ি। প্রচণ্ড নার্ভাস লাগছে। যদি পাই, আমি হয়তো মায়ের খুব, খুব কাছে এসে যাব, হয়তো। মায়ের কাছে এসে যাওয়া মানে অনেক প্রশ্ন, অনেক অনেক কৈফিয়ত। আর যদি না পাই? যদি সবটাই একটা মরীচিকার পেছনে দৌড়োনো হয়, তা হলে ওই ডাঁটিয়াল মেয়েটিকে কৈফিয়ত দিতে দিতে আমার প্রাণ যাবে। ও বিশ্বাসই করবে না, মায়ের সঙ্গে মিল দেখে ওর পিছু নিয়েছি আমি। কারও মা এরকম ভাবে নি-পাত্তা হয়ে যায় জীবন থেকে সে কথা কি কেউ বিশ্বাস করবে? এ জায়গাগুলো আমার সম্পূর্ণ অজানা, এ পাড়ার ছেলেদের হাতে বেধড়ক পিটুনি খাওয়ার সম্ভাবনাও রয়েছে। এবং তার পরেও আছে আবার অনুসন্ধান, আবার আরেকটা জীবন লেগে যাবে হয়তো তাতে।

    এই সময়েই আমার চোখ ঝলসে গেল হলুদ আলোর বন্যায়। কত ফুল? সূর্যমুখী, ডালিয়া, চন্দ্রমল্লিকা, গাঁদা, কসমস, কত? সমস্ত হলুদ রং। কী সুন্দর! কী অপূর্ব সুন্দর!

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleসমুদ্র-যাত্রা – বাণী বসু
    Next Article যে যেখানে যায় – বাণী বসু

    Related Articles

    বাণী বসু

    নূহর নৌকা – বাণী বসু

    November 3, 2025
    বাণী বসু

    ছোটোগল্প – বাণী বসু

    November 3, 2025
    বাণী বসু

    অন্তর্ঘাত – বাণী বসু

    November 3, 2025
    বাণী বসু

    খনামিহিরের ঢিপি – বাণী বসু

    November 3, 2025
    বাণী বসু

    খারাপ ছেলে – বাণী বসু

    November 3, 2025
    বাণী বসু

    মোহানা – বাণী বসু

    November 3, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    अनीश दास
    मौलाना शाह वलीउल्लाह
    रेवरेंड के. के. जी. सरकार
    অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিজ্ঞান রায়চৌধুরী
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমরেন্দ্র চক্রবর্তী
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অরিন্দম দেবনাথ
    অর্পিতা সরকার
    অশোককুমার মিত্র
    অসম্পূর্ণ বই
    আখতারুজ্জামান ইলিয়াস
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    কৌশিক সামন্ত
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোপেন্দ্র বসু
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যজ্যোতি মজুমদার
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    রেভারেণ্ড কে. কে. জি. সরকার
    লীলা মজুমদার
    লেইল লোনডেস
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শঙ্কর চ্যাটার্জী
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শাক্যজিৎ ভট্টাচাৰ্য্য
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সম্পাদনা : শৈলেন্দ্র হালদার
    সরদার ফজলুল করিম
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্মরণজিৎ চক্রবর্তী
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    প্লেটোর রিপাবলিক – সরদার ফজলুল করিম

    May 14, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    প্লেটোর রিপাবলিক – সরদার ফজলুল করিম

    May 14, 2026
    Our Picks

    প্লেটোর রিপাবলিক – সরদার ফজলুল করিম

    May 14, 2026

    বৃশ্চিক – পিয়া সরকার

    May 14, 2026

    সংস্কৃতির ভাঙা সেতু – আখতারুজ্জামান ইলিয়াস

    May 14, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }