Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    রাধানগর – বাণী বসু

    বাণী বসু এক পাতা গল্প177 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    রাধানগর – ১২

    বারো – মন্দারের কথা

    সত্যি আমি একটা ইডিয়ট, আহাম্মক মূর্খ। কোনও মা যে বিয়ে করতে পারে এ কথা অতি সুদূর কল্পনাতেও কখনও মনে স্থান দিতে পারিনি। মন্দাকিনী আমায় তোমরা বুঝতে পারবে না বোধহয়। কিন্তু, আঠারো বছর আমি রাধানগর নামে একটি জায়গায়, ঠাকুরবাড়ি নামক একরকম ধর্মীয় রীতিনীতির সংস্কৃতির ছকের মধ্যে বেড়ে উঠেছি। বেড়ে উঠেছি একা একা। কিছুই শেখাবার জন্য কেউ আমার পাশে কোনওদিন ছিল না। যা কিছু শিখেছি তা অনুমানে। অজানা হাতড়ে হাতড়ে বড় হয়ে উঠেছি। জন্ম, মৃত্যু, বিবাহ…জীবনের এই সব গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা ঘটেছে, রায়বাড়িতে, রাধানগরে। আমি দেখেছি দূর থেকে। অনুভব করিনি। এগুলো ঘটে গেছে যেন আমার বাইরে।

    মেজো জ্যাঠামশাই মারা গেলেন। শুনলাম মাঠে, ভোরবেলায় বেড়াতে গিয়ে। ভোরে উঠে বইপত্র নিয়ে আমি চলে যেতাম, লোকবসতি অঞ্চল থেকে একটু দূরে। একটা বটগাছ ছিল আমার খুব প্রিয়। এই বটগাছটার তলায় ঘুমিয়ে পড়ে রাত্রে হঠাৎ ঘুম ভেঙে আমার একবার একটা অদ্ভুত অভিজ্ঞতা হয়েছিল! বেড়াতে বেড়াতে আমি ওইখানে চলে যেতাম। শিশিরদারা আমাদের বলতেন শরীর তৈরি করতে বেশ কয়েক পাক ছোটা দরকার। বেশির ভাগ দিনই ওইখান থেকে আমি ছুটতে শুরু করতাম, কোনও কোনওদিন তারক এসে যোগ দিত। কিন্তু পরীক্ষা এসে যাওয়ায় ওই সময়টা রোজ পড়াশোনা করছিলাম। ওইখানেই একজন পথ চলতি লোক আমায় খবর দিয়ে গেল রায়বাড়ির বুড়োকর্তা দেহ রেখেছেন। ফিরে গিয়ে দেখি উঠোনে খাটিয়ায় মেজো জ্যাঠামশাইকে নামানো হয়ে গেছে। নতুন একটা কোরা ধুতি পরানো হয়েছে, গায়ে নামাবলী। কেউ কান্নাকাটি করছে না, কিন্তু সকলেই খুব গম্ভীর। ছোটরা সার বেঁধে প্রণাম করছে, পুরো দৃশ্যটা যেন একটা ছবি, আমি দেখছি। মনে হচ্ছিল মেজো জ্যাঠামশাই অনেকদিন আগেই মারা গেছেন। ওঁর হাত পা কেমন কাঠের মতো, খুব পাতলা কাঠ। তুলসীপাতার তলায় বুঝি চোখদুটো গলে গেছে। মৃত্যু, একে বলে মৃত্যু, আমি নিজেকে বললাম। কিন্তু নিজের মধ্যে কোনও থেমে-যাওয়া উপলব্ধি করলাম না। মৃত্যু একটা দৃশ্য হয়ে রইল। হয়তো খুব নিকটজনের মৃত্যু হলে সেটাকে আমি অনুভব করতে পারব, কিন্তু সে রকম নিকটজনই বা আমার কই? বাবা, মা এরা তো প্রায় অদৃশ্য অবাঙ্‌মনসোগোচর হয়েই রয়েছে। থাকলে আছে, চলে গেলেও সেটা কোনও আলাদা অভিজ্ঞতা নয়। এই যে মায়ের শেষবার কলকাতা চলে যাওয়া! তার পর থেকে দেখা নেই, চিঠিপত্র নেই, খবর নেই। এটা মৃত্যু ছাড়া কী? এটাকে সম্পূর্ণ করতে কি আবার একটা ফুল-সাজানো খাটিয়া আর তুলসীপাতা লাগবে?

    জন্ম সম্পর্কে আমার অনুভূতি তো আরও ধোঁয়াটে। একগাদা ছোট ছেলেমেয়ে দল বেঁধে খেলছে। ওদের তেমন কোনও বিশেষ মুখ নেই। সংখ্যা আছে। সংখ্যায় হয়তো একদিন থেকে একজন বেড়ে গেল। সেই একজন খুব ছোট ছিল, আরেকটু বড় হয়ে গেল, কোনও একজন কাকিমা, কি বউদি, কি কাজের লোক কাঁথা জড়ানো একটা বাচ্চাকে নিয়ে হয়তো ঘুরে বেড়াচ্ছে। বুঝতে পারলাম রায়বাড়িতে লোকসংখ্যা বাড়ল। দাওয়া দিয়ে হামা দিচ্ছে একটা বাচ্চা, টলটল করে হাঁটছে, পায়ে রুপোর মল, চোখে কাজল, কোমরে ঘুনশি, আমার কোনওদিন মনে হয়নি—বাঃ বেশ তো বাচ্চাটা, কবে হল, কার বাচ্চা? ওরা কেউ হাত বাড়িয়ে আমার কাছে আসতে চায়নি। আমিও নিতে চাইনি ওদের।

     

    আরও দেখুন
    বাংলা বইয়ের উপহার কার্ড
    বাংলা হস্তলিপি কুইল
    Books
    বাংলা সাহিত্য
    বাংলা বই
    বইয়ের
    বাংলা ক্যালিগ্রাফি কাগজ
    বইয়ের তালিকা
    পিডিএফ
    অনলাইন বুকস্টোর

     

    আর বিয়ে? এই আঠারো বছরে কি আর কম বিয়ে হয়েছে রায়বাড়িতে? বেশির ভাগই মেয়েদের বিয়ে। দিদিদের, পিসিদের। এরা সবাই আমার কাছে অতিশয় দূরের মানুষ। এদের হাসি, কথাবার্তা, সবই আমার চিরকাল বিদেশি-বিদেশি লেগেছে। বিয়ের অনুষ্ঠানটা যেখানে হচ্ছে, যজ্ঞ বা সম্প্রদান, গায়ে-হলুদ বা এ রকম কিছু সে সব জায়গায় কখনও আমার ডাক পড়েনি, যাইওনি কখনও। লোকের মুখে শুনে শুনে অনুষ্ঠানগুলোর নাম আমার শেখা। সবচেয়ে কাছাকাছি থেকে বিয়ে দেখার অভিজ্ঞতা আমার খুব সম্প্রতি হল। আমার এক দাদার বিয়ে হল, তার ঘর তোলা হল আমাদেরই উঠোনে। আমাদের ঘরের উল্টোদিকে। দিনের পর দিন উঠোনে মাটি মাড়াই হত। মাটির সঙ্গে খড়ের কুচি, আলকাতরা এই সব মিশিয়ে সেই মাটি তৈরি হত। ইঁট এল। ইঁট দিয়ে ভিত তৈরি হল। তারপর চাপ চাপ মাটি দিয়ে দেওয়াল উঠল, তাতে কাঠের জানলা-দরজা বসল, মাথায় বসল টালির চাল। শেষ কালে পুকুরের তলার মাটির সঙ্গে আলকাতরা মিশিয়ে যখন পলেস্তারা পড়ল দেওয়ালের গায়ে মেঝেতে, তখন ভাল শানের মেঝের সঙ্গে তার আর কোনও তফাত রইল না। কী ভাবে চারদিকে চ্যাঁচারির বেড়া দিয়ে বাগানের জন্য জমি আলাদা করা হল, তাতে ফুল গাছ বসল এই সমস্ত পদ্ধতিটা খুব মনোযোগ দিয়ে আমি লক্ষ করেছিলাম, তার পরে একদিন লাল চেলি আর শোলার মুকুট পরে একটি বউ এসে ওই দুটি ঘরে বসবাস করতে লাগল। সেই সময়ে অনেক রাতে কখনও কখনও ঘুম ভেঙে ওদের প্রণয়লীলার টুকরো-টাকরা দেখতে পেয়ে গেছি। ঠিক যেন রাধা-কৃষ্ণের গল্পের অভিনয় হচ্ছে, আমার দেখা বারণ, এক জায়গায় কানাত উড়ে গেছে, সেই ফুটো দিয়ে দেখছি।

     

    আরও দেখুন
    উপন্যাস সংগ্রহ
    বাংলা কৌতুক বই
    স্বাস্থ্য টিপস
    ই-বই সাবস্ক্রিপশন
    PDF বই
    বই পড়ুন
    বইয়ের তালিকা
    লাইব্রেরি
    বাংলা সাহিত্যের কোর্স
    বাংলা সাহিত্য ভ্রমণ

     

    মা বিয়ে করেছে? মা তো বাবার বউ? একটা অমোঘ সম্পর্ক। সেই মা! জুটের ব্যাগ থেকে বিস্কুটের প্যাকেট বার করছে, দুজনে মিলে চাইনিজ চেকার খেলছি, একটা রঙিন ডুরে শাড়ি পরে মা পশ্চিম পুকুর থেকে চান করে আসছে, আমাদের খাবার বেড়ে দিল! ওই মা চলে যাচ্ছে, ফুল-ফুল ছাপ সিল্ক শাড়ি পরে, পা-ঢাকা জুতো পায়ে, মোড়ের মাথায় দাঁড়িয়ে একবার পেছন ফিরে আমায় হাত নাড়ল। ব্যস, এবার মাকে আর দেখা যাবে না। আমার চোখ টনটন করছে, গলা ব্যথা করছে, কিন্তু ওই পর্যন্তই। আমি কাঁদব না তো! আমি কাঁদি না।

    আমার বিমূঢ় ভাব দেখে মন্দাকিনী বোধহয় ভয় পেল, বলল—তুমি কি কখনও ডিভোর্স, রিম্যারেজ এ সবের কথা শোননি?

    আমি কোনও জবাব দিলাম না।

    —তোমার কাছে যখন রাধানগরে যেত মা কোথায় থাকত?

    —আমার কাছে, আমার ঘরে।

    —ঠিক কবে মা ডিভোর্স নিয়েছিল জানি না, তবে ডিভোর্সে বাবাকে রাজি করাবার জন্যেই বোধহয় মা রাধানগরে যেত।

    এ-কথার মানে কী? আমি কেউ না? মা আমাকে দেখতে যেত না? উদ্দেশ্য, বাবাকে ডিভোর্সে রাজি করাবার উদ্দেশ্য নিয়ে যেত? কথাগুলো যেন বরফের কুচি, ঝরে পড়ছে আমার সমস্ত শরীরে, সমস্ত অস্তিত্বে। আমার যেন কেমন শীত করতে লাগল।

     

    আরও দেখুন
    বাংলা ফন্ট সাবস্ক্রিপশন
    গল্প, কবিতা
    PDF বই
    কৌতুক সংগ্রহ
    পিডিএফ
    বাংলা অডিওবুক
    বাংলা কৌতুক বই
    বাংলা বই
    বইয়ের
    অনলাইন বুকস্টোর

     

    —তোমার জন্যে টানও নিশ্চয় ছিল—অপ্রস্তুত মুখে বলল মন্দাকিনী, আমি বললাম—আগে কহো আর।

    —মানে?

    —মানে, ও কথা থাক।

    —মুসৌরিতে হোটেল ওবেরয়-এ রিসেপশনিস্ট হয়ে গেল মা, আমাকেও নিয়ে গিয়েছিল। বেশ ছিলাম। তারপরে মা বিয়ে করল। আমাদের বাড়ি কেমন বদলে গেল। অন্য লোকটাকে বাবা বলাবার চেষ্টা চলল কিছুদিন। পারিনি। তারপরে একদিন ডিসিশন নিলাম। মায়ের বাড়িতে যতদিন ছিলাম ঠিক ছিল। কিন্তু এখন মায়ের নতুন সংসার হয়েছে, ঠিক আছে মা এনজয় করুক। আমি চলে এলাম।

    মায়ের নতুন সংসার, মা এনজয় করবে? নতুন তৈরি সেই মাটির ঘর। দাদা, লাল-চেলি পরা দাদার বউ, বউটির জায়গায় আমার মা, দাদার জায়গায়, একজন অপরিচিত রোমশ লোক, ঠিক রাখালবাবুর মতো মুখ, খালি রাখালবাবুর মতো বেঁটে নয়, পোশাক-পরিচ্ছদ আরও দামি, কেতাদুরস্ত।

     

    আরও দেখুন
    বাংলা বইয়ের আলোচনা ফোরাম
    পিডিএফ
    বাংলা লেখকদের সাক্ষাৎকার
    বাংলা অডিওবুক
    বাংলা ই-বুক রিডার
    বই
    ডিজিটাল বই
    বাংলা কৌতুক বই
    বাংলা ক্যালিগ্রাফি কাগজ
    বাংলা ডিকশনারি অ্যাপ

     

    আমার চারপাশে তাসের প্রাসাদ ভেঙে ভেঙে পড়ছে। আশে পাশে, মাথার ওপর। ছিল না, কিছুই ছিল না, শুধু জীবনের কেন্দ্রে একটা মূর্তি ছিল, মায়ের মূর্তি। মা, অন্য কেউ না ভালবাসলেও যে আমাকে ভালবাসে, ভাবতাম অনেক দুঃখেই মা আমাকে ছেড়েছে। মায়ের এই দুঃখটুকুই অদৃশ্য মা আর তার ছেলের মধ্যে যোগসূত্র ছিল। কী বোকা! কী আপাদমস্তক আহাম্মক আমি!

    যতই ভাবি ততই মায়ের মূর্তি ক্লেদাক্ত হয়ে যায়। শেষে যখন মায়ের সঙ্গে রাখালবাবুর কোনও তফাতই রইল না, রাখতে পারলাম না, তখন শরীরটা এমন জ্বালা করতে লাগল যে সোজা বাথরুমে গিয়ে, বাথটবে জল ধরে, তার মধ্যে ডুবে শুয়ে রইলাম।

    অনেকক্ষণ পরে মনে হল কারা ডাকছে। দরজায় ধাক্কা দিচ্ছে,—মন্দার! মন্দার! কী করছ!

    উঠে দরজা খুলে দিলাম। সামনে দিদিমা—এলা চৌধুরী, বা আইলিন। খুব ভদ্র ইনি, অমায়িক, সদাশয়। আমি এখানে কোনওদিন আসব ইনি ভাবেননি। মেয়ের ডিভোর্স করা স্বামীর ছেলে তো আমি! এঁর মেয়েও যথেষ্ট দক্ষতার সঙ্গে নিজের পায়ের ছাপ মুছে ফেলে চলে এসেছেন। ভাবেননি, কিন্তু এসেই যখন পড়েছি, তখন অসীম ভদ্রতায় ইনি আমাকে আশ্রয় দিয়েছেন। এই তো, চমৎকার একটি ঘর, একটা বাথরুম দিয়েছেন আমার ব্যবহারের জন্য। এমন ঘরে কি জীবনেও কখনও থেকেছি? আর এই বাথরুম? একটা ঘরের মতো বাথরুম? আমার মতো কাঙাল কি স্বপ্নেও ভেবেছিল এই রকম এক বাথরুমে সাদা ধবধবে বাথটবে শুয়ে শুয়ে সে তার মন-খারাপ ধুয়ে ফেলবার সুযোগ পাবে?

    —এত রাতে তুমি চান করলে মন্দার? কী কাণ্ড! ঠাণ্ডা লেগে যাবে যে!—

    আমার কোনও শীতবোধ কিন্তু ছিল না। আমি যে ওঁর সামনে শুধু একটা তোয়ালে পরে খালি গায়ে দাঁড়িয়ে আছি, আমার গলায় রাধানগরের সেই মাদুলি সুদ্দু হার পরে, সে খেয়ালও আমার হয়নি।

     

    আরও দেখুন
    বইয়ের
    বাংলা সাহিত্যের কোর্স
    বাংলা কৌতুক বই
    বাংলা লেখকদের সাক্ষাৎকার
    ডিজিটাল বই
    নতুন বই
    উপন্যাস সংগ্রহ
    স্বাস্থ্য টিপস
    ই-বই সাবস্ক্রিপশন
    অনলাইন বুকস্টোর

     

    তাড়াতাড়ি রেডি হয়ে নাও— এবার আমরা খাব— আমি পাঁচ মিনিট পরে আসছি। উনি ঘর থেকে চলে গেলেন।

     

    আরও দেখুন
    PDF বই
    বাংলা কৌতুক বই
    নতুন বই
    বইয়ের
    বাংলা ক্যালিগ্রাফি কাগজ
    উপন্যাস সংগ্রহ
    বাংলা ডিকশনারি অ্যাপ
    বাংলা সাহিত্যের কোর্স
    ডিজিটাল বই
    বাংলা সাহিত্যের ওয়ার্কশপ

     

    আমার আর একটুও থাকতে ইচ্ছে করছে না এখানে। এক মুহূর্তও না। কীসের আত্মীয়তা এঁদের সঙ্গে আমার? যে-মুহূর্তে মায়ের সঙ্গে সম্পর্ক চলে গেছে সেই মুহূর্তে তথাকথিত এই মামা-বাড়ি, থুড়ি, দিদিমার বাড়ির সঙ্গেও আমার আর কোনও সম্পর্ক থাকার কথা নয়।

    মন্দাকিনীর আনা জামা কাপড়গুলো এখনও বিছানার ওপর পড়ে রয়েছে। আমি আলমারি থেকে আমার নিজস্ব সস্তার বেলবট্‌ম প্যান্ট আর স্ট্রাইপ দেওয়া শার্ট পরি। জীবনেও কখনও সোয়েটার পরিনি। রাধানগরে সম্বল ছিল একটা চাদর। এখানেও সেটাই নিয়ে এসেছি। রাতে যখন খাবার কিনতে বেরোতাম, এই চাদরই গায়ে জড়িয়ে যেতাম। দিনের বেলায় গরম জামাটামা আমার দরকার হত না। চাদরটা পাট করে কাঁধে ফেললাম। মন্দাকিনী নাক সিঁটকোবে। বলবে গাঁইয়া! আহাম্মক! বলুক। শীত করছে যখন চাদরটা আমায় গায়ে দিয়েই বেরোতে হবে।

    সুটকেসটা গুছিয়ে নিতে সময় লাগল না। বইগুলো আরেক দিন এসে নিয়ে যাব এখন। গুনে দেখলাম— তিন হাজার চারশো আট টাকা রয়েছে, আমার ব্রাউন খামে। আজ রাতটা কোনও হোটেলে-টোটেলে কাটিয়ে দেব। কাল আমার প্রথম কাজ হবে— প্রিন্সিপ্যালের সঙ্গে আরেকবার দেখা করা। হস্টেলের ব্যবস্থা যদি না-ও করতে পারেন, কোথাও পেয়িং গেস্ট থাকবার ব্যবস্থা ওঁকে করে দিতেই হবে। একটা কাঙাল অনাথ পড়ুয়া ছেলের জন্য এইটুকু উনি করবেন না? প্রিন্সিপ্যাল হয়েছেন কেন তবে?

    মিসেস চৌধুরী আবার ঢুকছেন। —আসব, মন্দার?

    —ও কী? এখন সুটকেস গোছাচ্ছো কেন?

    সুটকেসটা হাতে নিয়ে আমি উঠে দাঁড়াই। বলি— আমি যাই।

    —কেন? কোথায়?

    সত্যি কথাই বলি—কোনও হোটেলে আজকের রাতটা কাটিয়ে দেব।

    —সে কী? কেন?

    ওঁর ‘কেন’র উত্তর খুব লম্বা হয়ে যাবে। এত কথা ওঁকে শোনাবই বা কেন? মেমসাহেব মানুষ, অনেক ঝামেলা পুইয়েছেন, আমার জন্য। আর কেন?

    উনি আমার হাত ধরলেন, কাঁদছেন, অনর্গল জল পড়ছে চোখ দিয়ে—বললেন —বিনু, বিনু! কোথায় যাবে? যেও না।—কাকে ডাকছেন উনি?

    আমি কীরকম একটা ঘোলাটে পর্দার মধ্যে দিয়ে দেখতে পাচ্ছি ওঁকে। মেমসাহেব, কিন্তু শাড়ি পরেছেন। নাকে হিরের নাকছাবি। হাতে তিন-চার গাছা সোনার চুড়ি। কপালে একটা কালো টিপ। লাল চুলগুলো একটা বিনুনি করে পেছনে ফেলে রেখে দিয়েছেন।

     

    আরও দেখুন
    বই পড়ুন
    কৌতুক সংগ্রহ
    বাংলা ই-বুক রিডার
    বাংলা কৌতুক বই
    PDF
    বাংলা ডিকশনারি অ্যাপ
    রেসিপি বই
    বাংলা অডিওবুক
    অনলাইনে বই
    পিডিএফ

     

    হঠাৎ উনি গলা চড়িয়ে ডাকলেন— বুলা! বুলা! স্টিফেন! আমি বললাম, প্লিজ, কাউকে ডাকবেন না। আমি থাকব না।

     

    আরও দেখুন
    Books
    বাংলা বইয়ের উপহার কার্ড
    বাংলা সাহিত্য
    ডিকশনারি
    উপন্যাস সংগ্রহ
    অনলাইন বুকস্টোর
    বাংলা ফন্ট সাবস্ক্রিপশন
    রেসিপি বই
    বাংলা বই
    PDF বই

     

    সিঁড়ি দিয়ে নামতে নামতে মনে হল স্টিফেনকে একবার তড়বড় করে আসতে দেখলাম। মন্দাকিনীর মুখটাও যেন একবার দেখা গেল। কিন্তু কোথায়, কখন অতশত বলতে পারব না।

    এত নির্ভরশীল আমাদের মন যে এতগুলো দীর্ঘ বছর প্রায় কারও তত্ত্বাবধান বা পরামর্শ ছাড়া বাঁচার পরও আমি পাগলের মতো কারও সঙ্গে কথা বলতে চাইছিলাম। সোজা একটা হোটেলে চলে যাব, ঘর বুক করব— এই তো কথা! কিন্তু পারলাম না। আমি চলে গেলাম রথীদের বাড়ি। রথীকে নিয়ে কোনও হোটেলে যাব। যথেষ্ট রাত হয়ে গেছে, যদি কোথাও জায়গা না পাই, তো কী হবে! এমন একটা ভাবনা-ও হয়ে থাকবে।

    আমাকে দেখে রথী অবাক! স্বাভাবিক! আমি শুধু বললাম— যেখানে ছিলাম সেখানে থাকতে পারছি না। কোনও একটা হোটেলে গিয়ে উঠব।

    —হোটেলে? না, না, ও সব রিস্‌ক নিতে যেও না। দাঁড়াও একটু। রথী আমাকে বসিয়ে ভেতরে চলে গেল।

    ওর মা কিছুক্ষণ পর বেরিয়ে এসে বললেন— কী হয়েছে মন্দার? কী হল হঠাৎ?

    ওঁর দিকে আমি নির্নিমেষে তাকিয়ে ছিলাম। উনি একটা রঙিন ছাপা পরেছিলেন। লাল শাল গায়ে জড়ানো। এত নিশ্চিন্ত মুখ! আমি ওঁকে কী বলব? শুধু বললাম— যে লোকটির ঘরে আমার থাকার ব্যবস্থা হয়েছে, সে কয়েক দিন ধরেই খুব খারাপ ব্যবহার করছে, টিঁকতে পারছি না মাসিমা।

    —তাই ক’দিন কলেজে আসছ না? — রথী জিজ্ঞেস করল।

    আমি ঘাড় নাড়ি।

    রথীর মা চিন্তিত মুখে বললেন হোটেলে-টোটেলে ওঠার মতলব ছেড়ে দাও মন্দার, তুমি গ্রামের ছেলে, কোনও অভিজ্ঞতা নেই, কোথায় কী বিপদে পড়ে যাবে। আজকের দিনটা তুমি রথীর কাছে কাটিয়ে দাও। আমাদের বাড়িতেও তো খুব একটা জায়গা নেই। থাকলে…. আমি বললাম— না মাসিমা আমি কারও বাড়িতেই থাকতে চাই না। হোটেলেই যাব, কিন্তু আমি তো চিনি না কিছু তেমন, তাই রথী যদি….

    —রথীও তো খুব চেনে। শোনো মন্দার, আমি রথীর সঙ্গে তোমার বিছানা করে দিচ্ছি। আজ খেয়ে দেয়ে শুয়ে পড়ো। কাল দেখা যাবে।

    খেতে আমার ইচ্ছে করছে না। গা-বমি করছে। অদ্ভুত একটা স্থবিরতা সমস্ত শরীরে। এত গ্লানি যে বলার নয়। কেউ আমাকে চায় না, আমি কারও নই, নিজের অবাঞ্ছিত অস্তিত্বটাকে বারবার একজনের পর একজনের ওপর চাপিয়ে যাচ্ছি। কে রথী? কে-ই বা রথীর মা? একটা সুখী পরিবারের একজন ছেলে, একজন গৃহিণী, কী উটকো বিপদে আমি এঁদের ফেললাম! এত রাত্রে আমার মতো একটা ছেলেকে তো সত্যিই হোটেলে পাঠাতে এঁরা পারেন না! একটা দায়িত্ববোধও তো আছে! দয়া-মায়া-মমতা না হোক চক্ষুলজ্জাও তো আছে। নিজের ওপর প্রচণ্ড রাগ, তার চেয়েও বেশি ঘৃণা নিয়ে আমি রথীর পেছন-পেছন ওর চিলেকোঠার পড়ার ঘরে গেলাম।

    এটা পড়ার ঘর, এখানে ও শোয় না। কিন্তু আজ মাসিমা এ ঘরেই দুজনের বিছানা করে দিয়েছেন। আমি বললাম— রথী, তুমি কেন আবার কষ্ট করবে? তুমি নীচে যেমন থাকো, তেমনিই থাকো না, আমি একা শুতে পারব।

    রথী বলল— তুমি এত কিন্তু কিন্তু করছ কেন বলো তো? তুমি শুয়ে পড়ো, আমি খেয়ে তোমার জন্যে দুধ নিয়ে আসছি। শিওর খাবে না? আমি বললাম— একেবারে শিওর।

    কখন ঘুমিয়ে পড়েছি। এত উদ্বেগ, এত চিন্তার মধ্যেও দিব্যি ঘুমিয়ে গেছি।

    ঘুমিয়ে একটা অদ্ভুত স্বপ্ন দেখলাম। দেখি কী, আমার ভীষণ জ্বর হয়েছে। তাপমাত্রা ক্রমাগত এমন উঠে যাচ্ছে যে রথী ওর বাবা-মাকে ডেকে এনেছে। সেই সঙ্গে ওদের যৌথ পরিবারের আরও কেউ কেউ, তাঁদের আমি চিনি না, তাঁরাও এসে দাঁড়িয়েছেন। ওঁদের পারিবারিক ডাক্তার এসে ভাল করে পরীক্ষা করে দেখছেন। মাথায় আইস-ব্যাগ আর পায়ে হটব্যাগ লাগানো হয়েছে। উনি বলছেন জ্বরটা কমিয়ে রাখা ছাড়া এখন আর কিছু করবার নেই। রক্ত পরীক্ষা করতে হবে। রক্ত পরীক্ষার ফলাফলটা না পাওয়া গেলে কিছুই বলা যাচ্ছে না। ম্যালিগন্যান্ট ম্যালেরিয়া সন্দেহ করছেন উনি।

    রথীর বাবা বললেন— পরের ছেলেকে নিয়ে কী বিপদে পড়া গেল, দেখো তো! রথী ওর বাড়ির ঠিকানা-টিকানা বার করো। খবর দিতে হবে।

    এরপর বোধহয় ঘুমিয়েছি। সেই ঘুমটা পাতলা হয়ে এসেছে দেখি আরেকটা স্বপ্ন। আগেরটার সঙ্গে এ স্বপ্নটা দিব্যি জোড়া লেগে গেল। দেখি কী একটা স্ট্রেচার নিয়ে মাইকেল আর রুডি দাঁড়িয়ে আছে, ওরা আমায় স্ট্রেচারে তুলে নিল। একটা অ্যাম্বুলেন্সে করে আমাকে ওরা কোথায় নিয়ে যাচ্ছে। ওরা কি আমাকে রাধানগরে নিয়ে যাবে? না রাখালবাবুর কাছে সেই শেয়ালদার বাসা বাড়িতে? না কি কোনও হাসপাতালে নিয়ে গিয়ে ফেলবে!

    কখনও দেখি রাধানগরের রাস্তা। চারদিকে শিশু আর শিরীষ গাছের ছায়া, দামোদর নদ সরু ঘোলাটে ধারায় বয়ে যাচ্ছে। ঝুরিঅলা সেই বট গাছটা। তার থেকে জোড়ায় জোড়ায় ছায়ামূর্তি বেরিয়ে আসছে। কিন্তু ওদের আর আমার ভয় করছে না। কোনও এক সময়ে ওদের ভয় পেয়েছিলাম মনে করেও আমার কষ্ট হচ্ছে। কেন না, ওরা যে আমারই মতো। একেবারে একরকম। ওরা নাম পরিচয়হীন পরিত্যক্ত কতগুলো অস্তিত্ব। ওরা আমার বন্ধু। আমার সঙ্গে সঙ্গে চলেছে। রাস্তায় বড্ড গর্ত, তার মধ্যে পড়তেই আমার অ্যাম্বুলেন্স আমার শরীর মন ঝাঁকানি খেয়ে কাতরে উঠছে, দূরে দেখতে পাচ্ছি একটা দুর্গ, দুর্গের প্রাচীর সব নিশ্ছিদ্র, খালি বুরুজে বুরুজে কামান কাঁধে নিয়ে গোলন্দাজ সৈনিকরা দাঁড়িয়ে রয়েছে। কালো কাপড়ে ওদের মুখ ঢাকা।

    স্বপ্নের মধ্যেই আমি স্বপ্নের অর্থ বিশ্লেষণ করি। ওই দুর্গ ওটা মৃত্যু। ওইখানে যাবার জন্যই আমার এত আকুলিবিকুলি। জীবন ভেবে ওই মৃত্যুর দিকেই ক্রমাগত অভিযান চালিয়ে যাচ্ছি আমি। কামান হাতে মৃত্যুদূতরা দাঁড়িয়ে রয়েছে। ওরা গোলা ছুড়ছে, ওদের এড়িয়ে উল্লসিত হচ্ছি, কিন্তু মজা হচ্ছে, ওদের এড়িয়ে ওদের ঘাঁটির দিকেই ছুটে চলেছি ক্রমাগত। যাব, ওই দুর্গেই যাব, ঢুকব শেষ পর্যন্ত, কিন্তু এভাবে স্বপ্নের মধ্যে নয়, ঘুমের মধ্যে নয়, ঘুমের মধ্যে আমাদের নিজের ওপর কোনও নিয়ন্ত্রণ যে থাকে না, আমি তো ঢুকতে চেয়েছিলাম নিজের সিদ্ধান্তে টগবগে একটা ঘোড়ায় চেপে। তাই প্রাণপণে ঘুমটা ঝেড়ে ফেলে জেগে উঠতে চেষ্টা করি।

    আর এই চেষ্টার ফলেই পিছলে চলে যাই আর একটা স্বপ্নে। সেখানে সাদা দেয়াল, সাদা পর্দা, আমার নাকে কী যেন আটকানো থাকে, হাতের মণিবন্ধেও যেন চিনচিনে ব্যথার অনুভূতির মধ্যে দিয়ে কিছু একটা আটকানো থাকতে দেখি, সাদা ক্যাপ-পরা মসৃণ মুখ মেয়েরা আমার চারপাশে ঘোরাফেরা করতে থাকে। এত অচেনা মুখ! এত সাদা ক্যাপ! এই স্বপ্ন আমার পছন্দ হয় না। কিন্তু স্বপ্ন যে কিছুতেই ইচ্ছে মতো বদলানো যায় না। তাই আত্মসমর্পণ করে দিই। হে স্বপ্ন, কী দেখাতে চাও আমাকে, কী-ই বা বোঝাতে চাও! রাধামাধবের মন্দিরে ঢং ঢং করে ঘণ্টা বাজে। বড় জ্যাঠামশাই কপালে চন্দনের তিলক এঁকে কী করুণ স্বরে গাইতে থাকেন ‘বল বল তোমার কুশল শুনি, তোমার কুশলে কুশল মানি।’

    ক্রমে স্বচ্ছ হয়ে যায় ঘুমের অন্ধকার, স্বপ্নের পর্দা সাদা হয়ে যায়, দেখি সামনে মন্দাকিনীর মুখ, তার পাশে রথী, তার পাশে রথীর মা, তার পরে একেবারে পায়ের দিকে উনি দিদিমা। এটা স্বপ্ন নয়।

    আমি একেবারে মূক।

    —কেমন লাগছে এখন মন্দার! রথীর মা জিজ্ঞেস করলেন। ইনি কোথা থেকে এলেন? তার পরে মনে পড়ল রথীদের বাড়িতেই তো আমি গিয়েছিলাম! তা হলে মন্দাকিনী? দিদিমা? রথী— মন্দাকিনীর সঙ্গে কথা বলছে, ওরা কি পরস্পরকে চিনত?

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleসমুদ্র-যাত্রা – বাণী বসু
    Next Article যে যেখানে যায় – বাণী বসু

    Related Articles

    বাণী বসু

    নূহর নৌকা – বাণী বসু

    November 3, 2025
    বাণী বসু

    ছোটোগল্প – বাণী বসু

    November 3, 2025
    বাণী বসু

    অন্তর্ঘাত – বাণী বসু

    November 3, 2025
    বাণী বসু

    খনামিহিরের ঢিপি – বাণী বসু

    November 3, 2025
    বাণী বসু

    খারাপ ছেলে – বাণী বসু

    November 3, 2025
    বাণী বসু

    মোহানা – বাণী বসু

    November 3, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Our Picks

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }