Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    রাধানগর – বাণী বসু

    বাণী বসু এক পাতা গল্প177 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    রাধানগর – ১৩

    তেরো

    —কী হয়েছিল আমার? — এক ঢোঁক ফলের রস ফীডিং কাপে করে আমার মুখে ঢেলে দিয়েছে মন্দাকিনী। ও কোনও জবাব দিচ্ছে না।

    —ম্যালিগন্যান্ট ম্যালেরিয়া? আমি প্রশ্ন করি।

    জিজ্ঞাসু দৃষ্টিতে আমার দিকে চায় ও। কী করে জানলে?

    —স্বপ্নে কেউ আমায় বলল। বলে গেল।

    —ও, স্বপ্নে? তবে ওটা তোমার বাইরের রোগ মন্দার, আসল রোগটা অন্য।

    —কী?

    —আসল রোগটার নাম হল — মান। মান হয়েছিল তোমার। এখনও সেটা সেরেছে কি না জানি না। ওর মুখে মৃদু হাসি।

    —মান সারে না, ভাঙে। — আমি বললাম।

    —তাও তো বটে। শেয়ালদায় সেই চাতালটাতে বসে বসে সারারাত মশার কামড় খেয়েছিলে, মনে আছে?

    আমি মাথা নাড়ি।

    —তখনই ওই মশাগুলো তোমাকে কামড়েছিল। রাত দশটার পর ওগুলো বেরোয় তো! যাক ঠাট্টা-টাট্টার মুডে আছ। — ও যেন স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেলল।

    ঘরটার চারদিকে চেয়ে দেখি। এটাই আপাতত আমার ভবিতব্য। নিয়তি আমাকে বারবার এখানে এনে ফেলছে। আমি তো এখানে আসতে চাইনি! এদের কাছে আশ্রয় চাইনি। — বরং পালাতে চেয়েছি। তবু আমার দু’ দুটো মারাত্মক বিপদের সময়ে এই মন্দাকিনী আর তার সাঙ্গোপাঙ্গরাই আমাকে উদ্ধার করেছে। এই মিসেস এলা আইলিন চৌধুরীই আমায় আশ্রয় দিয়েছেন। ইরাবতীর ওপর আমার রাগ হতে পারে। কিন্তু সে রাগ এঁদের ওপর ফলানো বোধহয় ঠিক হয়নি। আমার কাছে এঁদের কিছু পূর্বজন্মের ঋণ রয়ে গেছে, আর এঁদের কাছে আমার ঋণ এই জন্মেরই। ঋণ অনেক।

     

    আরও দেখুন
    বইয়ের তালিকা
    বাংলা কৌতুক বই
    বাংলা ক্যালিগ্রাফি কালি
    রেসিপি বই
    বাইশে শ্রাবণ
    বাংলা সাহিত্যের কোর্স
    বাংলা সাহিত্য ভ্রমণ
    পিডিএফ
    উপন্যাস সংগ্রহ
    অনলাইনে বই

     

    খুব ক্ষীণ হয়ে গেছে স্বর আমার, জিজ্ঞেস করলাম — কী করে আমার খোঁজ পেলে? — মন্দাকিনীকে একটু রোগা লাগল। চোখগুলো কেমন ক্লান্ত।

    —স্টিফেন তো সারাক্ষণ তোমার পেছন-পেছন ছিল। তুমি টের পাওনি? —ও বলল।

    —না তো। কেন?

    —কোথায় যাও দেখতে, বাড়িটা চিনে আসতে। আমি মাইকেল রুডি তিনজনে গিয়ে চিনে এলাম আবার। রুডি তো সারারাত পাহারা দিয়েছে।

    —কেন?

    —তুমি জিজ্ঞেস করছ মন্দার? এ কথা জিজ্ঞেস করছ? কী অবস্থা আমাদের! দিয়া তো পাগলের মতো করছিল, তা জানো? আমাকে শুধু মারতে বাকি রেখেছে। তুমি একটা বোকা ছেলে, কলকাতায় নতুন, রাত্তির দশটার সময়ে হোটেলে থাকবে বলে বেরিয়ে যাচ্ছ। রাখালবাবু তো কিছুই নয়। যদি গুণ্ডা বদমাসদের হাতে পড়তে? ভোরবেলা রথীদের বাড়িতে ডাক্তার ঢুকতে দেখে রুডিরা জিজ্ঞাসাবাদ করে জানতে পারে, তুমি অসুস্থ হয়ে পড়েছো। তখন আমি আর দিয়া গেলাম রথীদের বাড়ি।

     

    আরও দেখুন
    বাংলা বইয়ের প্রিন্ট কপি
    বাইশে শ্রাবণ
    বাংলা গানের লিরিক্স বই
    লেখকের বই
    বাংলা লেখকদের সাক্ষাৎকার
    বই
    বইয়ের তালিকা
    স্বাস্থ্য টিপস
    গ্রন্থাগার
    বাংলা ক্যালিগ্রাফি টিউটোরিয়াল

     

    —দিদিমা গেলেন?

    —যাবেন না? কী যে বলো! গেলেন, ওঁরা তো একেবারে অবাক। তবে সবকিছু ওদের কাছে প্রমাণ করা খুব মুশকিল হল।

    —কী প্রমাণ? কীসের?

    —এই আমাদের আইডেনটিটি। তোমার সঙ্গে আমাদের সম্পর্ক।

    —আমি কি হাসপাতালে ছিলাম?

    —এটাও কি তোমাকে কেউ স্বপ্নে বলে গেল?

    —ধরো তাই।

     

    আরও দেখুন
    বাংলা বইয়ের প্রিন্ট কপি
    গল্প, কবিতা
    কৌতুক সংগ্রহ
    বাংলা রান্নার রেসিপি বই
    রেসিপি বই
    ই-বই পড়ুন
    বাংলা সাহিত্যের ওয়ার্কশপ
    বাংলা সাহিত্য ভ্রমণ
    বাংলা লেখকদের সাক্ষাৎকার
    বই ডাউনলোড

     

    —ছিলে। তুমি নিশ্চিত মৃত্যুর হাত থেকে ফিরে এসেছ মন্দার।

    আমি দেয়ালের দিকে মুখ করে শুয়ে রইলাম। এত দুর্বল, যে কথা বলা তো দূরের কথা, কিছুক্ষণ অন্যের কথা শুনলেও আমার ক্লান্তিতে ঘুম এসে যাচ্ছে। ঘুমের মধ্যে বুঝতে পারি দিদিমা, দিয়া আমার মাথায় হাত বুলিয়ে দিচ্ছেন। আহ্, এইভাবেই যদি ভেসে চলে যেতে পারতাম।

    ভোরবেলা একবার ঘুম ভাঙে আমার। ঠিক ভোরও নয়। শেষ রাত। ঘরে একটা নীলচে আলো জ্বলে। সেই আলোতে ঘরের আসবাবপত্রগুলো কেমন অলৌকিক মনে হয়। কেমন একটা বিভ্রম হয় আমার। যেন কোনও অন্য জন্মে চলে গেছি। স্মৃতির জলের তলায় ভেসে আছে এই সব দেরাজ, আলমারি, টেবিল। দেয়ালে ঠিক আমার সামনে একটা ফটো। পাশাপাশি বসে আছেন আইলিন আর তাঁর স্বামী, আমার দাদামশাই। কৌচের হাতলের ওপর আইলিন, একটা নীল সিল্কের শাড়ি পরে, চুলটা ফাঁপানো, প্রচুর গয়না পরে আছেন, মাথার চুলগুলো খোঁপা করে বাঁধা, মুখটা সামান্য একদিকে কাত করা, তাই খোঁপা, খোঁপায় রুপোর কাঁটা দেখা যাচ্ছে। মাথায় ঘোমটা নেই আইলিনের। পাতলা মুখ, নীল চোখ, দুধেআলতা রং,—ঠিক যেন আমাদের ঠাকুরবাড়ির রাধারানি। —কৌচে বসে বিনয়ভূষণ। উনি পরেছেন হালকা হলুদ রঙের যোধপুরী, সেই রঙেরই, বোধহয় একটু গাঢ় শেডের শেরওয়ানি, তাতে বোতামপটির পাশে জরির কাজ। দিদিমা যদি রাধারানি হন তো ইনি হলেন কৃষ্ণ কালো, তমাল কালো। যে চিত্রকর এই ফটোতে রং লাগিয়েছেন, তিনি যেন রাধামাধবকে মনে করেই রং ব্যবহার করেছেন। এই শেষরাতে সবই কেমন অর্থময়, মনে হয় রাধানগরেই আছি। একটু ঘুরলেই দেখতে পাব রাধামাধবের মন্দির। ঠাকুরমশাই ঠাকুর সাজাচ্ছেন। প্রভাতী গাইছেন ছোট চক্কোত্তি। ছোটবেলাকার অভ্যস্ত আবহাওয়াটা সম্ভবত মানুষের চেতনার মধ্যে একেবারে ঢুকে থাকে। কোথাও একটা ছোট্ট মিল পেলেই একেবারে অন্যরকম, বিপরীত বা বিদেশি আবহাওয়াতেও টুক করে ঢুকে পড়ে। ক্রমশ ক্রমশ ছড়িয়ে পড়ে। এই যে ভোরবেলাটায় আমার এলিয়ট রোডের বাড়ির এই দক্ষিণের ঘরখানাকে রাধানগর-রাধানগর লাগে, কী মিল আছে দুটোতে? মিল তো নেই-ই, বরং চূড়ান্ত অমিল। চমৎকার চমৎকার আসবাবপত্রে সাজানো এই ঘরের সঙ্গে আমার সেই পশ্চিমের ঘরের সামান্যতম সম্পর্কও নেই। তবু পুরো রাধানগরীয় আলো-হাওয়া ঢুকে পড়ল এখানে এই ভোরবেলা আর ওই ফটোগ্রাফটাকে কেন্দ্র করে।

     

    আরও দেখুন
    বাইশে শ্রাবণ
    গল্প, কবিতা
    বাংলা সাহিত্য ভ্রমণ
    বই
    বাংলা বইয়ের উপহার কার্ড
    ই-বই সাবস্ক্রিপশন
    বাংলা ফন্ট সাবস্ক্রিপশন
    বাংলা সাহিত্যের কোর্স
    অনলাইনে বই
    বাংলা ই-বুক রিডার

     

    দক্ষিণের জানলার পর্দা একটু সরিয়ে দিই। ভোরবেলার ধারহীন রোদের একটা ভোঁতা-ভোঁতা ফলা বেঁকে পড়ে ওই ফটোগ্রাফটার ওপর। মেমসাহেব বলে মনে হয় না ওঁকে, মনে হয় একজন অসামান্য সুন্দরী, এমন সুন্দরী যাঁকে ঠিক আমাদের পরিচিত দেশজ মুখশ্রীতে কখনও দেখা যাবে না। এই সুন্দরী একজন বিস্ময়, সবসময়ে একটা চমক দেন ইনি। সেইজন্য যেন একটু বিদেশি-বিদেশি মুখে রাধার আদল আরও খুলেছে।

    ‘কাঞ্চন বরণী কে বটে সে ধনী

    ধীরে ধীরে চলি যায়

    হাসির ঠমকে চপলা চমকে

    নীল শাড়ি শোভে গায়,’

    ‘গোরোচনা-গোরী-নবীন কিশোরী’ নয় এই আইলিন? এঁর রঙে লালচে ভাব। তবু এঁকে দেখলেই মনে হয় ‘যঁহা যঁহা ঝলকত অঙ্গ তঁহি-তঁহি বিজুরী-তরঙ্গ।’ একটু যে মুখ কাত করে তাকিয়ে রয়েছেন বিনয়ভূষণের দিকে তাতেই যেন বিজুরি-তরঙ্গ বয়ে যাচ্ছে। আবার যে মুগ্ধতা, সজীবতা আইলিনের হাবে-ভাবে, — বিনয়ভূষণের মধ্যে তার কিছুই নেই। তিনি সত্যিই একটা তমালগাছের মতো, কালো, স্তব্ধ, মগ্ন। কেমন একটা বিষণ্ণতা ওঁর মুখে। আমাদের রাধামাধবের পেতলের মূর্তিতে খুব গতানুগতিক ভঙ্গিতে আয়ত চোখ, টানা ভুরু আর হাসিমুখ আঁকা, মাধবের মূর্তিটা কালো রং করা। হাতে বাঁশি, কিন্তু সে মূর্তিও আমার কেমন বিষণ্ণ-বিষণ্ণ লাগত। পুরো রাধানগরটাকেই উঠিয়ে নিয়ে এল এই ঘরে ওই ফটোগ্রাফ। ছোট্ট ছোট্ট কাশ্মীরি শাল দিয়ে মূর্তি দুটির অঙ্গ ঢেকে দেন ঠাকুরমশাই এমনই শীতে। রাত্তিরবেলায় হালকা নীল সার্টিনের লেপ ঢাকা দিয়ে শোন রাধামাধব। পৌষসংক্রান্তির দিনে কনকনে হাওয়া বইলে ঠাকুরমশাই বলেন ‘আজ আর স্নান দিয়া কাজ নাই।’ তুলসীপাতা বুলিয়ে ঠাকুরের শুদ্ধিকৰ্ম সারেন তিনি।

     

    আরও দেখুন
    বাংলা বইয়ের প্রিন্ট কপি
    বাংলা সাহিত্য
    বাংলা ফন্ট সাবস্ক্রিপশন
    PDF
    লাইব্রেরি
    বাংলা ক্যালিগ্রাফি কাগজ
    বইয়ের
    বাংলা অডিওবুক
    বই
    ডিজিটাল বই

     

    শুনেছি এ ঘরটা আমার মাসির। মাসি মিলির একটা সাদা কালো ফটোগ্রাফ আছে ঘরে। ঠিক আমার পড়ার টেবিলের পেছনের দেয়ালে। গালে হাত দিয়ে দূরের দিকে তাকিয়ে আছে মাসি। চোখগুলোর দৃষ্টি একটু নীচের দিকে, একটু দূরের দিকে। ছায়াময় এই ছবির মানুষটি একেবারেই অল্পবয়সী। হয়তো আমাদের মতোই হবে। এক আধ বছরের ছোটও হতে পারে। গাল গলার গোল-গোল ভাবে —অল্পবয়সটা বোঝা যায়। কিন্তু চোখের দৃষ্টিটা খুব পরিণত। যেন অনেক জেনেছে, অনেক বুঝেছে, তারপরে চুপচাপ শুধু তাকিয়ে আছে। কিছু বলা বৃথা, শুধু দেখে যাও —এই রকমই যেন বাণী ছবিটার। এ হল আরেক রাধিকা। না আমার দিদিমার মতো, না আমার মায়ের মতো। সাদা-কালো ফটোতে তো রং বোঝা যায় না। তবু মনে হয় ইনি শ্যামলী। দিদিমার মতো কমলিনী গোরীও নয়, আর আমার মায়ের মতো জ্বলজ্বলে বিজলী-গোরীও নন। মায়ের মুখটা যেমন ঈষৎ লম্বাটে, এর মুখটা একটু চৌকো ধাঁচের। চিবুকে একটা সুন্দর ভাঁজ, মায়ের চোখ চেরা চেরা, মাসির চোখ বড়বড়, পালক ছাওয়া, যেন আমাদের রাধানগরের পশ্চিমপুকুর, পাড়ে ভর্তি কলাগাছ, বেশি কেউ যায় না। নির্জন, পাখির ডাকে ভরা।

    আমি চোখ বুজিয়ে ফেলি। এতক্ষণ চেয়ে থেকে থেকে আমার আবার ঘুম এসে গেছে।

     

    আরও দেখুন
    PDF
    Books
    Library
    গল্প, কবিতা
    বাংলা সাহিত্য ভ্রমণ
    বাংলা বইয়ের আলোচনা ফোরাম
    বাংলা ই-বুক রিডার
    বাংলা সাহিত্য
    বাংলা অডিওবুক
    পিডিএফ

     

    এই ঘুম ভাঙাবে খালেদা-দিদি চমৎকার এক কাপ চা দিয়ে। এই সময়ের ঘুমটা কখনও খুব গভীর হয় না। হঠাৎ নিজেরই খেয়াল হয় আমি আসলে ভাবছি। ভাবছি দুটো মুখ। দেখছি। —মন্দাকিনী আর ইরাবতী। ইরাবতীর ওপর থেকে সেই বিধ্বংসী ক্রোধ বা তিক্ততা এখন আমার চলে গেছে। ওটা যেন একটা ঘুমিয়ে-থাকা ব্যথার জায়গা। — টিপলে বোঝা যায় আছে, কিন্তু সব সময়ে অনুভব করা যায় না। দিদিমা বলেন ‘ডলি’। দিদিমার এই ডলিকে আমি ভাল করে চিনতে পারি না। আমার মা সোজা হয়ে হেঁটে যেত রাধানগরের মেঠো-মেঠো রাস্তা দিয়ে। মাথায় ছোট চুল, সাধারণের চেয়ে একটু বেশি লম্বা, জ্বলজ্বলে চেহারা, জোরালো ধরন ধারণ, আমাদের দুর্গা কিম্বা জগদ্ধাত্রী-ঠাকুরের মতো। মা আমার মুখে চকলেট পুরে দিত, আমরা একসঙ্গে বসে চাইনিজ-চেকার খেলতাম, সাপলুডো খেলতাম, মা আমাকে অ্যাণ্ডারসেনের ফেয়ারি টেইলস-এর বই ধরে ধরে ইংরেজি শেখাত, টুনটুনির বই, ছোটদের রামায়ণ, ক্ষীরের পুতুল, রাজকাহিনী মা আমাকে কিনে দিয়েছিল। আজ পর্যন্ত আমার সবচেয়ে প্রিয় বই ‘রাজকাহিনী।’ কিন্তু মন্দাকিনী বলেছে মা কোনও বিশেষ উদ্দেশ্য সিদ্ধ করার জন্য রাধানগরে যেত। আমার জন্যে নয়। তা হলে ওই ‘ক্ষীরের পুতুল’ ‘রাজকাহিনী’ বা বিস্কুট-চকলেটের প্যাকেটের মানে কী? মানে কী সেই মেরুন সোয়েটারের যার ওপরে মিকি মাউস আর ডোনাল্ড ডাক বোনা ছিল?

     

    আরও দেখুন
    বাংলা লেখকদের সাক্ষাৎকার
    বাংলা সাহিত্যের ওয়ার্কশপ
    বাংলা কৌতুক বই
    Library
    বাংলা বইয়ের আলোচনা ফোরাম
    ডিকশনারি
    বাংলা হস্তলিপি কুইল
    রেসিপি বই
    বই ডাউনলোড
    বাংলা বইয়ের উপহার কার্ড

     

    মন্দাকিনীকে আমি ভাল বুঝতে পারি না। যদি জিজ্ঞাসা করা হয় মন্দাকিনীকে আমার কেমন লাগে, তারও কোনও সোজা জবাব আমি দিতে পারব না। ডলি বলে যে মানুষটির উল্লেখ করেন দিদিমা, মন্দাকিনীর মধ্যে তাকেই যেন দেখা যায়। — বেপরোয়া, ডানপিটে, দলের পাণ্ডাগিরিতে পটু, একটু খেয়ালি, একটু কি নিষ্ঠুরও? ওকে বোন বলেও ভাবতে পারি না আমি কিছুতেই। আঠারো বছর বয়সে কি আর নতুন করে কাউকে বোন ভাবা যায়? আর, আমি যেহেতু এতকাল একা একা কাটিয়েছি, ভাই, বোন এ সব সংস্কার আমার ভেতরেই নেই। মন্দাকিনী বড় জোর একজন আত্মীয়, যে অনেকটা বন্ধু হয়ে গেছে। তবে প্রথম প্রথম মন্দাকিনীর রূপ, তার সপ্রতিভতা যেমন আমার চোখ ঝলসে দিত, আমাকে কুঁকড়ে দিত, এখন আর সেটা হয় না। খুব তাড়াতাড়ি আমি সাবালক হয়ে উঠেছি। কেউ আর আমাকে দমাতে পারবে না।

    চোখের ওপর হাত চাপা দিয়ে শুয়েছিলাম।

    —মন্দার! জেগে আছ! খুব সন্তর্পণে নরম গলায় ডাকলেন দিয়া।

     

    আরও দেখুন
    গ্রন্থাগার
    গল্প, কবিতা
    বইয়ের
    অনলাইনে বই
    লেখকের বই
    বইয়ের তালিকা
    বই
    বাংলা ক্যালিগ্রাফি কালি
    বাংলা কৌতুক বই
    লাইব্রেরি

     

    চোখ মেলে দেখি ওঁর হাতে চা।

    —আপনি?

    উনি হাসলেন— নাও, চা নাও। আজকে আমার পূজা হয়ে গেছে।

    দেখি উনি একটা ঈষৎ হলুদ আভার শাড়ি পরেছেন। চুলগুলো পিঠের ওপর মেলা। কপালে একটা চন্দনের টিপ।

    কী পুজো ইনি করেন রোজ রোজ জিজ্ঞেস করতে সঙ্কোচ হয়। মন্দাকিনীর কাছে আমি যতটা স্বচ্ছন্দ, এঁর কাছে ঠিক ততটাই আড়ষ্ট।

    —কেমন বোধ করছ আজ?

    —ভাল। আর কয়েকদিনের মধ্যেই কলেজ যেতে পারব।

     

    আরও দেখুন
    গ্রন্থাগার
    বাংলা রান্নার রেসিপি বই
    বইয়ের
    বই ডাউনলোড
    কৌতুক সংগ্রহ
    বই পড়ুন
    বই
    বাংলা বইয়ের প্রিন্ট কপি
    গল্প, কবিতা
    বাইশে শ্রাবণ

     

    উনি একেক সময়ে কেমন নির্নিমেষে চেয়ে থাকেন আমার দিকে। আমার ভীষণ অস্বস্তি হয়।

    বললেন— তা বোধ হয় পারবে না। বাসের ভিড় আছে। সে সব কাটিয়ে যাওয়া তো! যদি একটা গাড়ি থাকত। অবশ্য খুব দরকার হলে তুমি ট্যাক্সি করে যেতে পারো। তা সে-ও এখনও দেরি আছে।

    এটা অবশ্য আমি মনে মনে জানিই। আমি পারব না। উঠে যখনই বাথরুমে যাই, আমার মাথা ঘুরতে থাকে। এই দুর্বলতা কাটানোর জন্যে আমাকে রোজ ডিম খেতে হচ্ছে। ডাক্তার বলছিলেন মুরগির জুস খেলে তাড়াতাড়ি বল পাব, কিন্তু সে আমি খেতে পারব না। একদিন মন্দাকিনী খাওয়াবার চেষ্টা করেছিল। তাতে আমার এমন বিধ্বংসী বমি হয় যে দ্বিতীয়বার আর চেষ্টা করা হয় নি।

    —কী ভাবছিলে শুয়ে শুয়ে? কী ভাবো? —উনি জিজ্ঞাসা করলেন।

    —ভাবিনি, দেখছিলাম।

     

    আরও দেখুন
    বই পড়ুন
    বাংলা অডিওবুক
    বাংলা সাহিত্যের ওয়ার্কশপ
    বাংলা কৌতুক বই
    রেসিপি বই
    বাংলা ক্যালিগ্রাফি টিউটোরিয়াল
    বই ডাউনলোড
    বইয়ের
    বাংলা সাহিত্যের কোর্স
    গল্প, কবিতা

     

    —কী?

    —আমি ফটোগ্রাফটা আঙুল দিয়ে দেখাই।

    উনি কি একটু লাল হলেন? ওঁর মতো প্রৌঢ়া আমি দেখিনি। ওঁর হাবভাব এখনও কিশোরীর মতো। চলাফেরা করেন নিঃশব্দে, হালকা পায়ে। যখন চলে যান, মুখ তুলে না দেখলে মনে হবে কোনও অল্পবয়স্ক মেয়ে চলে গেল বুঝি বা। হাত দুটো, বিশেষ করে হাতের পাতায় একটা শুকনো ভাব। মুখে কয়েকটা খয়েরি খয়েরি তিলের মতো। কিন্তু চোখ মুখের একটা ক্লান্ত ভাব, লাল চুলের মধ্যে একটা বিবর্ণতা, কপালের ওপরে কয়েকটা হালকা দাগ আর কয়েকটা রুপোলি চুল এ ছাড়া ওঁকে ঠিক প্রৌঢ়াও যেন বলা যায় না। দুঃখের আঁচে উনি যেন শুকিয়ে গেছেন, এমনটা মনে হয়। ওই ফটোগ্রাফের ফুটন্ত ফুলের মতো আইলিন আর নেই। ফুলের পাপড়ি শুকিয়ে উঠেছে। কিন্তু ফুলই। হঠাৎ আমার মনে হল ‘বিরতি আহারে। রাঙা বাস পরে। যেমতি যোগিনী পারা।’

    এই সব পদ আমাদের ঠাকুরবাড়ির হাওয়ায় উড়ে বেড়ায়, ঝুলন, রাস, দোল, জন্মাষ্টমী উপলক্ষে যে সমস্ত কীর্তনিয়া, কথকঠাকুর, নানা দেশের বৈষ্ণব জড়ো হন তাঁদের কথাবার্তায় গানে এই সমস্ত পদ ঘুরে ফিরে আসে, আমার স্মৃতিতে এগুলো গেঁথে আছে। আমি জানি না এ সব কার পদ, কিন্তু ওই বুলি ওই গান আমার হাত পা যেমন নিজস্ব তেমনই নিজস্ব হয়ে গেছে। কলকাতায় এসে যেটা আমার সবচেয়ে অসুবিধের ব্যাপার হয়ে গেছে সেটা হল ভাষা। এরা, কলকাতার ছেলেরা কেমন ভাঙা-ভাঙা ভাষায় কথা বলে। শব্দগুলো উচ্চারণ করে খুব অবহেলার সঙ্গে। যেন উচ্চারণের যোগ্যই নয় সেগুলো। আমি গোটা গোটা করে কথা বলতে অভ্যস্ত। আমি যদি এই সব পদ উদ্ধৃত করি ওরা আমার পেছনে লাগবে। এমনিতেই ওরা বলে ‘এই যে মন্দার মহারাজ কেমন আছেন?’ আমি অবশ্য বলি, ‘কেমন আছেন’-টা চলবে না—বলতে হবে ‘কুশল তো?’ তখন ওরা খুব হাসে। কিন্তু আমি কী করে আঠারো বছর ধরে শেখা আমার ভাষা, আমার চিন্তাধারা সব পাল্টে ফেলি?

     

    আরও দেখুন
    বই ডাউনলোড
    বাংলা বইয়ের আলোচনা ফোরাম
    ই-বই পড়ুন
    বই পড়ুন
    লাইব্রেরি
    Books
    PDF বই
    বইয়ের
    বাংলা বই
    লেখকের বই

     

    আজ সকালবেলা দিদিমাকে দেখে ওই চরণগুলো মনে এল—

    বিরতি আহারে/ রাঙা বাস পরে/ যেমতি যোগিনী পারা।

    উনি বললেন— কবেকার ফটো! তখন সবে মাস ছয়েক আমাদের বিয়ে হয়েছে। আমি জিজ্ঞেস করলাম উনি, দাদামশাই অত বিষণ্ণ কেন?

    দিদিমা চমকে উঠলেন, বললেন— বিষণ্ণ, না? আমি তখন বুঝতে পারিনি, পরে মনে হয়েছিল। তোমারও মনে হচ্ছে?

    আমি মাথা নাড়ি।

    উনি বললেন— তোমার দাদাকে তাঁর বাবা তো আর বাড়ি ঢুকতেই দিলেন না। হি ওয়জ ডিজওন্‌ড্‌। তাই-ই হয়তো! ফটোটা দেখে তোমার আর কী মনে হচ্ছে?

    আমি বললাম— রাধাকৃষ্ণ।

    উনি আবারও চমকে উঠলেন। আমার দিকে অবাক হয়ে চেয়ে আছেন। মন্দাকিনী ঢুকল। রাত পোশাকের ওপর একটা আলগা লাল কার্ডিগ্যান পরেছে ও। চুলগুলো রুক্ষ এলোমেলো হয়ে বেরিয়েছে। মুখে চোখে খুব কষে জল দিয়েছে বোধহয়, লাল হয়ে আছে মুখটা। সামনের চুলে কয়েক ফোঁটা জলও লেগে রয়েছে। হেসে বলল—

    ‘আজি এ প্রভাতে রবির কর

    কেমনে পশিল প্রাণের পর?’

    আমি বললাম— গুড মর্নিং।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleসমুদ্র-যাত্রা – বাণী বসু
    Next Article যে যেখানে যায় – বাণী বসু

    Related Articles

    বাণী বসু

    নূহর নৌকা – বাণী বসু

    November 3, 2025
    বাণী বসু

    ছোটোগল্প – বাণী বসু

    November 3, 2025
    বাণী বসু

    অন্তর্ঘাত – বাণী বসু

    November 3, 2025
    বাণী বসু

    খনামিহিরের ঢিপি – বাণী বসু

    November 3, 2025
    বাণী বসু

    খারাপ ছেলে – বাণী বসু

    November 3, 2025
    বাণী বসু

    মোহানা – বাণী বসু

    November 3, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Our Picks

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }