Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    রাধানগর – বাণী বসু

    বাণী বসু এক পাতা গল্প177 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    রাধানগর – ১৪

    চোদ্দো

    মন্দাকিনী কলেজ গেছে। আমার এখনও বেরোবার অনুমতি মেলেনি। পড়াশোনার ভীষণ ক্ষতি হচ্ছে। মন্দাকিনী অবশ্য আশ্বাস দিয়েছে ওর টিউটর প্রদ্যুম্নদার কাছে আমাকে নিয়ে যাবে। উনি নাকি সব মুশকিলের আসান। দিয়া বিশ্রাম করছেন নিজের ঘরে। স্টিফেন আর খালেদাও তাই। আমার আর শুয়ে বসে থাকতে ইচ্ছে করে না। ঘর থেকে বেরিয়ে পড়ি। বারান্দাটা যেখানে ঘুরে গেছে সেখানে দাদামশাইয়ের লাইব্রেরি। দিয়া নিজে ঘুরিয়ে ঘুরিয়ে আমাকে এ সব ঘর দেখিয়েছেন। লাইব্রেরিতে গিয়ে সারি সারি আলমারিতে বইগুলো দেখি। রবীন্দ্র রচনাবলী, শরৎচন্দ্রের বা বিভূতিভূষণের রচনাবলী নেই, আলাদা আলাদা করে সব বই রয়েছে। বঙ্কিমচন্দ্র, বৈষ্ণব পদাবলী, কালিদাসের মেঘদূত/ কান্তিচন্দ্র ঘোষের অনুবাদ, সত্যেন্দ্রনাথ দত্তের কবিতাসংগ্রহ, নজরুলের ‘অগ্নিবীণা’ ‘বিষের বাঁশি’ … পুরো দুটো আলমারি ভর্তি বাংলা বই। ইংরেজি বইয়ের সংগ্রহ আরও ভাল। এগুলো পাওয়াও যেত তখন ভাল প্রকাশনার ভাল বাঁধাই-এ। শেকসপীয়র তো রয়েছেই। ডিকেন্স, এইচ. জি. ওয়েলস, স্টিভেনসন, বার্নার্ড শ এ সব পুরো সেট রয়েছে। বাংলা পড়া থাকলেও, ইংরেজি ক্লাসিক তো আমার তেমন কিছুই পড়া নেই। এখান থেকে নিয়ে পড়ব। আলমারি খুলতে গিয়ে দেখি চাবি দেওয়া। মন্দাকিনী বলেছিল বটে, দাদার জিনিসপত্র সম্পর্কে দিয়া খুব সাবধান। রকিং চেয়ারটাতে বসে দোল খেতে খেতে কাগজ পড়ি অগত্যা।

    হঠাৎ দেখি সামনে একজন স্যুট টাই পরা ব্যক্তিত্ববান ভদ্রলোক দাঁড়িয়ে। এত কাছে দাঁড়িয়ে যে প্রথমটা আমি ভাবতেই পারিনি এটা আমার দাদামশাই। দাদামশাই আর কী! শিশিরদাদের থেকেও বয়সে ছোট। উনি আমাকে ডাকলেন। ওঁর পেছন পেছন যাচ্ছি। উনি একটার পর একটা আলমারির চাবি খুলে দিচ্ছেন। ‘তোমার’ বলছেন মুখে শব্দটা ফুটছে না। কিন্তু বুঝতে পারছি। টেবিল থেকে হাতির দাঁতের কলমদানিটা তুলে উনি আমার হাতে গুঁজে দিলেন। তার পরে বেরিয়ে গেলেন। ঠিক দরজার চৌকাঠে দাঁড়িয়ে একবার আমার দিকে ফিরে চাইলেন— কী যেন একটা বললেন— অমনই অস্ফুটে, ভাল বুঝতে পারলাম না। কী যেন একটা দেখতে বললেন, ‘দেখো’টা বুঝতে পারলাম। তারপরেই চটকা ভেঙে গেল। আলমারিগুলো যেমন বন্ধ ছিল তেমনই আছে। হাতির দাঁতের কলমদানিটা টেবিলের ওপর যেখানে ছিল সেখানেই রয়েছে।

    উঠে পড়লাম চেয়ারটা থেকে। ঠিক ভয় নয়, কেমন একটা অস্বস্তি। যেন অনেকদিন আগে, একটা অতীত ইতিহাসের সময়ে ফিরে গেছি। সেই সময়টা আমার চেতনার ওপর থাবা বসাচ্ছে। ক্রমাগত বসিয়ে যাচ্ছে। সেই থাবাটা আমি হাজার চেষ্টা করেও নামিয়ে দিতে পারছি না।

     

     

    ঘরটা ছাড়িয়ে কিছুটা এসেছি নীচে সদর দরজার বেলটা বেজে উঠল। আমি নীচে যাই। এদিকে ওদিকে কাউকেই তো দেখতে পাচ্ছি না। খিল দুটো আস্তে আস্তে নামাই। মনে হচ্ছে দরজা খুললে সেই ভদ্রলোককে দেখতে পাব, যিনি লাইব্রেরির বইগুলো আমাকে দাতব্য করে গেলেন। খিল নামিয়ে দরজার একটা পাল্লা ধরে আমি পেছনে সরে যাই। বাইরে সালোয়ার কামিজ পরা এক ভদ্রমহিলা, হাতে একটা পাতলা সুটকেস তুলে নিতে নিতে তিনি বলেন, ও স্টিফেন, ট্রেনটা যা লেট না! দীজ রেলওয়ে পীপ্‌ল… একটা শক খেয়ে উনি থেমে গেলেন। আমার দিকে চোখ বড় বড়, বিস্ফারিত করে তাকিয়ে আছেন। এগারো কি দশ বছর বয়সে আমায় উনি শেষ দেখেছেন। তখন বালক ছিলাম। ছোটখাটো, রোগা রোগা, খাকি হাফপ্যান্ট পরে থাকতাম, ছাই রঙের হাফশার্ট, দুটোই গ্রামগঞ্জের হাট থেকে কেনা, তখনও আমার শিশুর ত্বক, শিশুর মুখ। এখন সাত-আটটা বছর চলে গেছে। হু হু করে লম্বা হয়ে গেছি। গোঁফ দাড়ি গজিয়ে গেছে। কে জানে গত ছ-সাত মাস শহরের জল গায়ে লাগায়, আর গত একমাসের রোগভোগ রোগমুক্তি আর বিশেষ সেবাযত্নের ফলে আর কী পরিবর্তন হয়েছে আমার।

    শক কি আমিই খাইনি? ছিলাম ঘোরের মধ্যে। ঘুম-ঘুম চোখে নেমে আসছিলাম, মাথার মধ্যে ছিলেন বিনয়ভূষণ চৌধুরী। ভেবেছিলাম মন্দাকিনী ফিরে এল বোধহয়; কী করে জানব যাঁকে আজ প্রায় ছ’ বছর ধরে হন্যে হয়ে খুঁজছি, যাঁর কাছে আশ্রয় নেবার জন্য আমার এই শহরে আসা, যাঁর জন্য আমার মাঝরাতে গৃহত্যাগ, সেই তাঁকেই আমি দরজা খুলে দেব? অবশ্য এ বাড়ি ওঁরই। উনি এখানে আসতেই পারেন। আমার চাওয়া-না-চাওয়ার ওপর ওঁর আসা নির্ভর করে না। আমিই বরং এখানে বহিরাগত। এখানে আমার উপস্থিতির কোনও সদুত্তর নেই। ইনি তো চাননি আমি এখানে আসি। কিন্তু দেখতে দেখতে এতগুলো দিন কেটে গেল মিসেস এলা চৌধুরী কি মন্দাকিনী কেউই কি চিঠি লিখেও ওঁকে জানায় নি আমি এখানে আছি?

     

     

    স্টিফেন এসে দাঁড়িয়েছে। কী যেন বলছে হড়বড় করে। খোলা দরজা-পথে ওদের দুজনকে দাঁড় করিয়ে রেখে আমি চলে গেলাম। উঠোনটা পার হচ্ছি, সিঁড়ি বেয়ে উঠলাম, বারান্দা পেরিয়ে যাচ্ছি, এঁরা যে ঘরটায় আমায় থাকতে দিয়েছেন সে ঘরে ঢুকলাম। দরজাটা কি বন্ধ করে দেব? নাঃ, নাটকীয় হয়ে যাবে ব্যাপারটা। তা ছাড়া এ ঘরে ওঁর অধিকার তো আমার চেয়ে অনেক বেশি। ওঁর অনুমতি ছাড়া এ ঘরে থেকে আমিই বরং আইন লঙ্ঘন করেছি। পর্দাটা টেনে দিলে কি খুব দোষ হবে?

    মাথার মধ্যেটা কী ভীষণ ভোঁ ভোঁ করছে। এই অসুখটা যে আমাকে কী করে ফেলল! কত হেলাফেলায়, কত অযত্নে বড় হয়েছি কই দু-এক দিনের জ্বর-টর ছাড়া বড় কিছু কখনও হয়েছে বলেও তো মনে পড়ে না। শরীর স্বাস্থ্যও ছিল খুব ভাল। কলকাতায় প্রথম আসার পর শেয়ালদায় কয়েক মাস যখন-তখন খেয়ে, না খেয়ে, যা তা খেয়ে, বাজে পরিবেশে অতগুলো দিন কাটালাম, তখনও কোনওদিন এমন মাথা ভোঁ ভোঁ করেনি, যেমনটা এই বাড়ির আরামে আয়েসে রাশি রাশি ফল, ভিটামিন, ডিম ইত্যাদি খেয়েও হচ্ছে। এদের এই বাড়ির এই পরিবারের জীবনযাত্রাতেই কোনও ভাইরাস, ব্যাকটিরিয়া আছে যা আমার সহ্য হয় না, আমি কাবু হয়ে যাই, এরা অবশ্য বেশ ভালই থাকে, হয়তো একটু বেশিই ভাল। মন্দাকিনীর কী স্বাস্থ্য। ও পাশ দিয়ে চলে গেলে মনে হয়, ওর গায়ের বাতাসেই আর্ধেক লোক পড়ে যাবে। যেন একটা জোরালো বাস্কেটবল খেলোয়াড়। পুঞ্জীভূত শক্তি সামর্থ্য নিয়ে ঘুরে বেড়াচ্ছে। আর ইনি? এই মহিলা? আজ তাঁকে সম্পূর্ণ বাইরের একজন তৃতীয় ব্যক্তির চোখ দিয়ে দেখলাম। কারও মা বলে ওঁকে মোটেই মনে হয় না। উনিও একজন খেলোয়াড়। কাউকে কোথাও ত্যাগ করে আসার কোনও গ্লানি ওঁর চেহারায়, হাবে ভাবে নেই। হবে না-ই বা কেন। উনি তো লাইফ এনজয় করছেন। মন্দাকিনী বলছিল না?

     

     

    ক’টা বাজে? খালেদাদিদি আমার বৈকালিক ফলাহারের আয়োজন হাতে করে উপস্থিত। যেন আমি ঠাকুর। টেবিলের ওপর টাইম-পীসটার ওপর রোদ পড়ে চোখ ঝলসে দিচ্ছে, সময়টা দেখতে পাচ্ছি না। চারটে হবে আর কী! খাচ্ছি, দাচ্ছি আর ঘুমোচ্ছি। সময় কাটছে না। আজই সন্ধে থেকে ওই লাইব্রেরির বই ধার করতে হবে। পৃথিবীর যেখানে যা-ই-ই ঘটুক, আমাকে স্থির থাকতে হবে নিজের লক্ষ্যে। আমাকে মনে রাখতে হবে আমি বাবা-মার পরিত্যক্ত সন্তান। সোজা সিধে ভাষায় বলতে গেলে বাপে-তাড়ানো, মায়ে-খেদানো। জীবনে যা পাচ্ছি সবই দয়ার দান, বিন্দুমাত্র অধিকার নেই আমার বড়জ্যাঠামশাইয়ের দেওয়া টাকা-পয়সার ওপর। দিয়ার এই আদর-যত্ন, মন্দাকিনীর সাহায্য এ সবই আমার অধিকার-বহির্ভূত পাওয়া, যার দাম ভবিষ্যতে আমায় চুকিয়ে দিতে হবে যেমন করে হোক। কী ভাবে দেব? যদি টাকা-পয়সা ভাল উপার্জন করতে পারি দিয়াকে আমি তীর্থ-ভ্রমণ করাব। ওঁকে কেদার-বদরি, অমরনাথ, সোমনাথ, সব দেখাব, দক্ষিণে তিরুপতি, মীনাক্ষী, কন্যাকুমারী সব ঘুরিয়ে নিয়ে আসব। আর মন্দাকিনী? মন্দাকিনীর বিয়েতে একটা খুব চমৎকার খুব দামি গয়না উপহার দেব। ওই ছবির আইলিন গলায় যেমন পরে রয়েছেন ওই রকম কিছু।

    —সন্ধেবেলায় ঘুমোচ্ছ কেন? মন্দাকিনী আমায় অল্প অল্প ঝাঁকাচ্ছে। সত্যি তো! আমি ঘুমিয়ে পড়েছিলাম!

     

     

    উঠে বসে বললাম— দূর, কাল থেকে আমি কলেজ যাব।

    —একদিন গিয়ে দেখো। তোমাদের ক্লাসের দু-একজনের সঙ্গে আলাপ হয়েছে। তেমন কিছু এগোয়নি। আসল তো প্র্যাকটিক্যাল? ধরো আড়াইটে থেকে চারটে। ওই সময়টায় যদি যাও তো…, অতক্ষণ দাঁড়িয়ে থাকতে পারবে? বললাম জাক সুপটা খাও, তিন চার দিনে খাড়া হয়ে যাবে। তা মাছ খাবে না, চিকেন খাবে না সারবে কী করে? এখন চলো, চা খাবে।

    দোতলার সিঁড়ির মুখেই আমাদের চা খাওয়ার জায়গা। একটা গোল মাৰ্বল-টপ টেবিল আছে। এটাকে ঘিরে চারটে চেয়ার। আজকে চারটে চেয়ার ভরে যাবে।

    কিন্তু বারান্দা দিয়ে যাবার সময়ে দেখলাম—ডলির ঘরের দরজা বন্ধ। যতক্ষণ এঁরা কিছু না বলছেন, আমিও কোনও কথা তুলব না। অনেক প্রশ্ন আসছে মনে, আগেও এসেছিল। আগে প্রশ্নগুলো চাপা পড়ে ছিল, আজ সেগুলো আবার সব বাধা ঠেলে উঠে আসতে চাইছে। কিন্তু এঁদের কোনও রকম সুবিধে করে আমি দেব না। আমার দিক থেকে নীরবতা-ই হবে এখন একমাত্র প্রশ্ন। আমি এসেছি এ খবর কি ওঁরা ডলিকে দেননি? না দিয়ে থাকলে—কেন? আমার যে এত বড় একটা অসুখ করেছিল সেটাও ওঁকে জানাবার প্রয়োজন ছিল না? হোক অবাঞ্ছিত সন্তান, তার কঠিন অসুখ বা মৃত্যুর সময়েও মা কি উদাসীন থাকতে পারে? এ সব প্রশ্ন আমি করব না, প্রশ্নগুলো ওঁরা যদি অনুভব করে থেকে থাকেন, তা হলে উত্তর দেবার তাগিদও ওঁদের ভেতর থেকেই আসবে। আর, যদি তা না আসে, তা হলে বুঝতে হবে এঁরা এতকাল যেমন এ সব এড়িয়ে ছিলেন, আজও তাই করতে চাইছেন। যে জেগে জেগে ঘুমোয়, কে তাকে জাগাতে পারে? সুতরাং কথাবার্তা এই রকম নিরীহ সব বিষয়ে হল:

     

     

    আমি—আজ দুপুরে আমি লাইব্রেরিতে গিয়েছিলাম। বইয়ের আলমারিগুলো দেখলাম বন্ধ।

    দিয়া—তোমার কিছু দরকার?

    আমি—বইয়ের কালেকশন দেখলাম খুবই ভাল। আমি কি বইগুলো পড়তে পারি?

    দিয়া—বাঃ বই তো পড়বার জন্যেই।

    আমি—মন্দাকিনী পড়নি ওখান থেকে কিছু?

    মন্দাকিনী—পড়েছি। তবে দিয়া লাইব্রেরির বই নিয়ে এত ফাস্ করে…। ওইখানেই বসে পড়তে হবে। অন্য কোথাও নিয়ে যাওয়া চলবে না। বইয়ের পাতা-টাতা মোড়া চলবে না। দাগ দেওয়া চলবে না। এত বিধিনিষেধ মেনে কি আর পড়া যায়? শেকসপীয়র টিয়র আমি যেটুকু পড়েছি, নিজে কিনে পড়েছি।

    আমি—আছে বাড়িতে, তবুও কিনেছ?

     

     

    মন্দকিনী—হ্যাঁ! খুঁটিয়ে পড়তে গেলে তো একটু দাগ দিতে হয়ই, হয় না?

    আমি—শেকসপীয়র ছাড়া?

    মন্দকিনী—ক্ল্যাসিকগুলো কী রকম মোটা মোটা হয় তো দেখেছই! সারাক্ষণ বসে বসে পড়া যায়? আমি শুয়ে শুয়ে পড়তে ভালবাসি। নিজের ঘরে, বারান্দায়, স্কুলের লাস্ট বেঞ্চে পড়তে ভাল লাগে। তাই স্কুল কলেজের লাইব্রেরি থেকে ধার নিতে হয়েছে। —হঠাৎ মন্দাকিনী হেসে উঠল।

    —প্রদ্যুম্নদা যদি শোনেন আমাদের বাড়ি ‘আনা কারেনিনা আছে, তারাশংকরের ‘ধাত্রীদেবতা’-টেবতাও আছে, তো ওঁর ফিট হয়ে যাবে।

    আমি—কেন?

    —ওই বইগুলো আমাকে পড়াবার জন্যে উনি লাইব্রেরিগুলো চষে ফেলেছেন তো! এক বই রিনিউ করতে কতবার যেতে হয়েছে ব্রিটিশ কাউন্সিল, বঙ্গীয় সাহিত্য পরিষদ….

     

     

    দিয়া এতক্ষণ চুপই করেছিলেন, বললেন—বইয়ের যত্ন করা কি খুব দোষের? বলো মন্দার?

    মন্দাকিনী বলল—যত্ন করা দোষের নয়, তুমি যেটা করো সেটা হল আগলানো ‘যক্ষের’ মতো।

    —মন্দার সব বই পড়তে পারে, যেখানে খুশি—দিয়া বললেন।

    —‘আনা কারেনিনা?’ ওটা কার? আমি জিজ্ঞেস করি।

    —টলস্টয়ের নাম শুনেছ?

    টলস্টয়ের ‘শর্ট স্টোরিজ’ হল শেষ গল্পের বই যা আমাকে মা দিয়েছিল। জানি বই কী, টলস্টয়ের নাম ভাল করেই জানি।

    —মন্দাকিনী আমাকে একটু ভাল ভাল বই বেছে দেবে?

     

     

    —তুমি দিয়াকে বলো, দিয়া আমার চেয়ে অনেক বেশি পড়েছে।

    দিমিত্রি, আইভান, আলিওসার গল্প পড়ছি আমি। এরা সকলেই এক পিতার সন্তান। কিন্তু দিমিত্রি এক মায়ের, আইভান আর আলিওশা আর এক মায়ের। কেউই এরা মাকে পায়নি। আত্মীয় বন্ধুদের দয়ায় মানুষ হয়েছে। এদের বাবা একটা আস্ত শয়তান। দিমিত্রি ছেলেটা ভীষণ রাগী জেদি, উচ্ছৃংখল। আইভান হল স্থিরবুদ্ধি, ভীষণ বুদ্ধি ধরে। আর আলিওশা সরল, নরম মনের ক্ষমাশীল…।

    পৃথিবীতে দুটো পরিস্থিতি, দুটো সঙ্কট, দুটো মানুষ বোধহয় কখনও পুরোপুরি একরকম হয় না। আমার অবস্থাও এদের মতো। মা বাবা থেকেও নেই। অনাথ… আত্মীয়দের বদান্যতায় এত বড়টা হয়েছি। তবু আমার অবস্থা আর ওদের অবস্থা ঠিক এক নয়। কত বিভিন্ন রকমের অনাথ হয়, পড়তে পড়তে আমি ভাবলাম। দিমিত্রির মতো হতে পারতাম তো আমি! ওইরকম বন্য, উদ্দাম! বাবার উদাসীনতা দিনের পর দিন সহ্য করেছি কেন? দাবি করতে পারতাম তো! একদিন একটা কথা কাটাকাটিও তো হল না?

     

     

    মা নিঃশব্দে ডিভোর্স করে চলে এল, না করল বাবা সে নিয়ে কোনও বিষোদগার, না করলাম আমি। জানলামই না। যে ভাবে লেখাপড়াটা চালিয়ে গেছি, মোটামুটি ভালই করছি। তাতে বলা যায় আইভানের পথে চলেছি আমি। কিন্তু অত চাতুর্য, অত বুঝে সুজে গুনে গেঁথে চলা আমার বুদ্ধিতে কুলোবে না। আর, আলিওশার মতো অমন দয়ালু, পরার্থপর, সাধু-সন্ত প্রকৃতির মানুষ আমি নই, হবার ইচ্ছেও নেই।

    —মন্দার! আমার মাথায় একটা নরম হাতের ছোঁয়া।

    —এত রাত পর্যন্ত পড়ছ? শরীরটা তো ঠিক নেই। শরীর খারাপ হবে যে!

    —তাতে তোমার কী?

    —তুমি কদিনেই কত বড় হয়ে গেছো!

    ইনি কি ভেবেছিলেন আমি ক্রমশ ছোট হয়ে যাব? ছোট হতে হতে হাওয়ার সঙ্গে মিলিয়ে যাব? সেটা হলে অবশ্য ভালই হত এঁর। মুখোমুখি হতে হত না।

     

     

    আমি বইটা রেখে পাশ ফিরে চোখ বুজলাম। মাথার কাছে বেড ল্যাম্পটা নিভে গেল। যখন উনি ঘর থেকে বেরিয়ে যাচ্ছেন তখনই আমি বুঝতে পারলাম—মা নয়, দিয়াই এসেছিলেন। এত তীব্র ছিল আমার মাকে প্রত্যাশা যে দিয়াকেই আমি মা ভেবে নিয়েছি। আর উনি, উনিও সেটা বুঝতে পেরেছেন।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleসমুদ্র-যাত্রা – বাণী বসু
    Next Article যে যেখানে যায় – বাণী বসু

    Related Articles

    বাণী বসু

    নূহর নৌকা – বাণী বসু

    November 3, 2025
    বাণী বসু

    ছোটোগল্প – বাণী বসু

    November 3, 2025
    বাণী বসু

    অন্তর্ঘাত – বাণী বসু

    November 3, 2025
    বাণী বসু

    খনামিহিরের ঢিপি – বাণী বসু

    November 3, 2025
    বাণী বসু

    খারাপ ছেলে – বাণী বসু

    November 3, 2025
    বাণী বসু

    মোহানা – বাণী বসু

    November 3, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Our Picks

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }