Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    রাধানগর – বাণী বসু

    বাণী বসু এক পাতা গল্প177 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    রাধানগর – ১৫

    পনেরো – মন্দাকিনীর কথা

    আমাদের ব্রেকফাস্ট টাইম কাঁটায় কাঁটায় সকাল সাড়ে আটটা। বহুদিন থেকে এ নিয়ম চলে আসছে! সম্ভবত দাদার টাইম থেকে। এই সময়টা যাদের সুট করবে না, যেমন আমার, তারা পুরো ব্রেকফাস্ট না করে অল্পস্বল্প খেতে পারে, আমি যেমন একটি বিস্কিট, একটু দুধ বা চা খেয়ে থাকি, কিন্তু এই সময়টা আমাদের এই গোল টেবিল কনফারেন্সে যোগ দিতেই হবে।

    ঘর থেকে বেরিয়ে দেখি দিয়া আর মা ইতিমধ্যেই এসে গেছে। কথা বলছে। খাবার-দাবার এখনও এসে পৌঁছয়নি। ওরা দুজনে কথা বলবে বলেই বোধহয় একটু আগে এসে গেছে। আলাদা কথা বলার দরকার ছিল তো সেটা ঘরেই সারলে পারত! আমাকে আসতে দেখেই এই থেমে যাওয়া এটা তো এড়ানো যেত! এটা কি অভদ্রতা নয়? এর পর মন্দার বেচারি আসবে, তো তাকে দেখে তো এরা হাত বাড়িয়ে মুখোশ তুলে মুখে আঁটবে মনে হচ্ছে।

    আমার মুখোমুখি বসেছে দিয়া। দিয়া রোজই আজকাল বেশ সকাল-সকাল গোসল করে নিচ্ছে দেখছি। সাদা শাড়ি পরেছে। খুব ফাইন মিলের শাড়ি, ব্লু পাড়, দিয়া কি হিন্দু বিধবা সাজতে চায় না কি? কপালে আবার একটা চন্দনের ফোঁটা। এই ফোঁটাটা কাটলেই দিয়ার পুরো গেট-আপটা পাল্টে যায়। কৃষ্ণভক্ত-কৃষ্ণভক্ত দেখায়। দিয়া বোধহয় সেটা ভালই জানে। নাতিকে ইমপ্রেস করতে দিয়া এটা করছে। যদিও নাতি কৃষ্ণভক্ত কি না দিয়া এখনও জানে না।

    মা-ও দেখছি আজ শাড়ি পরেছে। মুসৌরিতে মা একেবারেই শাড়ি পরে না। ওবেরয়ে যখন যেত, তখন তো দারুণ সুন্দর সুন্দর ড্রেস পরে যেত, কোনও কোনও দিন বাঙালি সীজনে, অর্থাৎ পুজোর সময়ে ভাল ভাল সিল্কগুলো মার বেরোত, সে-ও ক্রেতা মজাতে। অন্য সময়ে মায়ের পোশাক হল প্যান্ট, কিংবা সালোয়ার কামিজ। আজকে এই পীচরঙের সুতির শাড়িটা মা কোথা থেকে আমদানি করল? এখানকার আলমারি থেকেই বার করেছে নির্ঘাত। ভাল। বাড়িতে একটা পুরুষ মানুষ এসেছে, এদের পোশাক-পরিচ্ছদ হাবভাব থেকেই বোঝা যাচ্ছে। আঠারো হোক উনিশ হোক আ ম্যান ইজ আ ম্যান।

    কাল রাতে, মা এসেছে শুনে একবার জাস্ট ঘরে গিয়ে দেখা করে এসেছিলাম। মাতৃদেবী তখন মন্দার নামক বৈদ্যুতিক শকে অপ্রকৃতিস্থ। শয্যা আশ্রয় করে উপুড় হয়ে শুয়েছিলেন। আমার সঙ্গেও বিশেষ কথা বলার মুডে ছিলেন না। কারও মুড-টুড খারাপ থাকলে আমি আবার তাকে বিরক্ত করবার পক্ষপাতী নই। মুড খারাপের ঝামেলা তো আমারও আছে কি না! সে সব সময়ে আমিও বিরক্ত হতে পছন্দ করি না।

     

     

    —হাই মিসেস রডরিগস।

    মা ফিরে তাকাল। পীচ রঙের শাড়ির আভা সত্ত্বেও মাকে খুবই শুকনো দেখাচ্ছে। চোখ দুটো বেড়ালের মতো সতর্ক হয়ে আছে। মুখটা ফ্যাকাশে। মেরুন কুমকুমের টিপটা কোনও কাজেই আসেনি। অন্য সময় হলে আমার সম্বোধনে মা নির্ঘাত তেলে-বেগুনে জ্বলে উঠত। আজ কিন্তু খেয়ালই করল না।

    —তুমি কি ওকে বলেছো?—মা জিজ্ঞেস করল সন্তর্পণে।

    —কী? কী বলব? আমিও জিজ্ঞেস করলাম যেন কিছুই বুঝছি না।

    দিয়া তাড়াতাড়ি বলল—হ্যাঁ বলেছে। তাইতেই তো সেদিন রাত্তির দশটায়।… বললাম না তোমায় গতকাল!

    মা বলল—ও ব্রেকফাস্ট করতে এখানে আসবে না? ওকে ডেকে নিয়ে এসো না বুলা।

    —সো য়ু আর রেডি নাও? আমি হেসে বলি।

     

     

    —নো। নট ফর ইয়োর সারকাজমস। ইয়েট। —মা ঝাঁঝিয়ে উঠল। অর্থাৎ এতক্ষণে নিজের স্থৈর্য ফিরে পেয়েছে।

    দিয়া বলল—বুলা প্লিজ আর কথা বাড়াসনি, যা।

    সুতরাং পুরুষমানুষটির ঘরে গিয়ে নক করি।

    —কে?

    —আমি বুলা—ভেতরে গিয়ে দেখি। চান হয়ে গেছে। ভাল করে দাড়ি কামিয়েছে। পায়জামা-পাঞ্জাবি পরে বেশ ফিটফাট হয়ে বসে আছে টেবিলের সামনে চেয়ারে।

    —চলো, ওয়েট করছ কীসের জন্য?

    —যাব?

     

     

    —বাঃ, যাবে বই কী!

    কী একটা বলতে গিয়ে চুপ করে গেল। বলল—তুমি যাও, আমি আসছি। আবার কী রাজকার্য আছে কে জানে?

    ফিরে দেখি খাবার-দাবার এসে গেছে। বাঃ। আজ রুটি-মাখন-ডিম প্রতিদিনের এই একঘেয়ে ব্রেকফাস্টোও নয়। ডলি বেবি এসেছে কি না, খালেদা তাই দু-তিন রকমের পরোটা করে এনেছে। জিভে-জল আনা আচার, গাজরের হালুয়া, আলু কপি কড়াইশুঁটি-বীন এ সব দিয়ে একটা শুকনো শুকনো বস্তু। তার মানে আজ আমি ব্রাঞ্চ খাব। এই সব মুখরোচক জিনিস তো আর রিফিউজ করতে পারি না। এইগুলো খেয়েই আজ কলেজ যাব।

    মন্দার আসছে। দাড়ি গোঁফ কামিয়ে কী অদ্ভুত দেখাচ্ছে ওকে। পাতলা পাতলা গজিয়ে ছিল, না কামালেই পারত। মায়ের সঙ্গে লড়াইটার কারণে শক্তি সংগ্রহ করবার জন্যেই হঠাৎ ক্ষুর ধরে ফেলল, না কী?

    মা পাশ ফিরে বসে আছে। মায়ের চেয়ার পর্যন্ত এগিয়েই, অদ্ভুত কাণ্ড, মন্দার নিচু হয়ে মাকে প্রমাণ করল।

     

     

    এমন অদ্ভুত, অত্যাশ্চর্য, সমস্ত প্রত্যাশার বাইরে জিনিসটা যে কেউ আমরা কথা বলতে পারলাম না। প্রণাম আমাদের অভ্যাসের মধ্যে পড়ে না। দিয়া বা মাকে গলা জড়িয়ে ধরে চুমো খাওয়াই আমাদের রীতি। তাই বলে কি আর প্রণাম জিনিসটা জানব না? স্কুলে কত করেছি। কিন্তু এখন, এই প্রণামটা এমন একটা শ্রদ্ধানিবেদনের মতো দেখালো যে চুপ, একেবারে চুপ হয়ে যাওয়া ছাড়া উপায় ছিল না। মায়ের চোখ দিয়ে দেখি ধারা নেমেছে। এখন তো আর হাতের কাছে রুমাল নেই। নিজের আঁচলটাই মা চেপে ধরেছে চোখে, অবিকল বাংলা সিনেমার নায়িকাদের মতো। মন্দারও না এবার ওর জীবনের তৃতীয় কান্নাটা কাঁদে।

    ডান হাতটা পুরো আশীর্বাদের ভঙ্গিতে মা ওর মাথায় রেখেছে। কিছু বলতে পারছে না। কিছু না বলেই ওকে নিজের দিকে টানল। পাশের চেয়ারটায় বসতে ইশারা করল। দিয়া মুখ নিচু করে প্লেটে প্লেটে খাবার তুলছিল। একটা প্লেট নিঃশব্দে আমার দিকে এগিয়ে দিল, সেটা আমি মন্দারের দিকে বাড়িয়ে ধরলাম।

    —এই যে বিগ বেবি, খান। আপনার মা কি আপনাকে খাইয়ে দেবেন?

     

     

    সকলেই একটু-একটু হাসছে। যাক, যে কোনও মুহূর্তে মেঘ ভেঙে তুমুল বর্ষণ হবার সম্ভাবনাটা রুখে গেছে, রুখে দিয়েছি।

    —আমি এগুলো খাব?—মন্দার জিজ্ঞেস করল।

    —খাবে না কেন? তোমার তো হয়েছিল ম্যালেরিয়া, হেপাইটাইটিস তো আর হয়নি।

    দিয়া বলল—খেতে কি ইচ্ছে করছে না?

    —না, না, খুব ইচ্ছে করছে।

    তাড়াতাড়ি পরোটা ছিঁড়ল ও। যাক বাবা। হালকা হয়ে যাচ্ছে হাওয়াটা। সবাই খালেদাকে বাহবা জানাতে জানাতে খাচ্ছে। মেথি পরোটার রেসিপি বলছে খালেদা মাকে। আমি দিয়ার কাছ থেকে আরও একটা নিই।

    —শাক দিয়ে এমন পরোটা হয় আমি জানতাম না—মন্দার বেশ সহজ ভাবে বলল।

     

     

    দিয়া বলল— তোমাদের ওখানে তবে কী হয়? আলু পরোটা?

    —পরোটা জিনিসটারই চল নেই তেমন। লুচিই হয় বেশির ভাগ। তবে কোনও কোনও পূর্ণিমার দিন শখ করে কেউ হয়তো ঢাকাই পরোটা ভোগ দিলেন ঠাকুরকে। সেই ঢাকাই পরোটার অংশবিশেষ প্রসাদ খেয়ে আমার অবস্থা কাহিল।

    —কেন? আমি জিজ্ঞেস করি।

    —ওইটুকু খেয়ে কি আর সাধ মেটে? — বাঃ মন্দার দেখছি সত্যিই সহজ হয়ে গেছে।

    মা এবার মন্দারের মুখের দিকে অসংকোচে তাকাল। এতক্ষণ তাকাতেই পারছিল না। দিয়ার দিকে চেয়ে বলল—মা, মন্দারকে একেবারে অবিকল বাবার মতো দেখতে হয়েছে দেখেছ!

    দিয়া এতক্ষণে হাসি হাসি মুখ করে বলল— তুই-ই বললি, আর আমার খালেদ বিবি, আর তো কেউ…..

    —কালকেই দেখেছি। স্ট্রাইকিং রিজেমব্ল্যান্স! দেখে একেবারে থ হয়ে গিয়েছিলাম। ঠিক যেন বাবা, বাবাই অ্যালবামের পাতা থেকে বেরিয়ে এসে আমায় দরজাটা খুলে দিল। তারপর দেখি মন্দার!

     

     

    —সেটাতেও থ হয়েছ কম না— আমি বললাম— ডাব্‌ল থ, এখন গলে জল। বাটি-টাটি দেব?

    —সবকিছুতেই এমন ইয়ার্কি করিস! মা বিরক্ত। মা জানে না এই ইয়ার্কিই মাকে বাঁচাচ্ছে।

    মন্দার বলল—আমার আসার খবর কি তোমরা মাকে দাওনি? মন্দাকিনী?

    দিয়া তাড়াতাড়ি বলে উঠল—আমরা ওকে সারপ্রাইজ দিতে চেয়েছিলাম মন্দার। আসতে লিখেছিলাম, কিন্তু কেন সেটা লিখিনি।

    ও বলল, সারপ্রাইজই হয়ে গেল। তবে ভেরি ভেরি আনপ্লেজেন্ট। তাই না মা?

    মা অভিমানের দৃষ্টিতে তাকাল একবার মন্দারের দিকে তারপর দিয়াকে বলল—খবরটা না দিয়ে ভাল করনি মা। বুলার কথা ছেড়ে দাও, তুমি যে এরকম ছেলেমানুষি করবে…।

    —জানলে কী করতে মা?—মন্দারের চোখে এবার হাসি চকচক করছে, যদিও হাসিটা ঠিক হাসির মতো নয়।

     

     

    —চলে আসতাম, তোমার ভর্তি-টর্তির ব্যবস্থা করতাম।

    —সে সব কি আর তোমার করার জন্যে বসেছিল? তুমি জানো না, এখন অ্যাডমিশন কী রকম ঝামেলার ব্যাপার হয়ে গেছে! বড় জ্যাঠামশাই, খুবই অপ্রত্যাশিতভাবে আমাকে সাহায্য করলেন, শিশিরদা স্কুলের একজন মাস্টারমশাই সঙ্গে এলেন … তুমি হঠাৎ দৈবাৎ আমার আসার খবর পেয়ে এত সব করতে পারতে? তুমি তো রেডিও ছিলে না।

    —তুই কি আমায় জেরা করছিস?

    —যদি করি মা। এতগুলো বছর। তুমি কি জানতে আমি বেঁচে আছি, না মরে গেছি!

    এবার মিসেস রডরিগস কী উত্তর দেন শোনবার জন্য কান খাড়া করে রয়েছি। এ তো তাঁর উদ্ধত, সভ্যতা-ভব্যতার-ধার-না-ধারা মেয়ে নয়, এ হল তাঁর মাথা নিচু করে প্রণাম করা বৈষ্ণব বিনয় আর ক্ষমার অবতার, পুত্র।

    —মন্দার, তোকে আমার অনেক কিছু বলার আছে। সব কথা বলা না হলে, তোর পক্ষেও কিছু বোঝা সম্ভব নয়। বিশ্বাস কর…

     

     

    আমার হঠাৎ ভীষণ রাগ হয়ে গেল, বললাম—ও তো একটা সিম্পল কোয়েশ্চন রেখেছে তোমার কাছে। ও বেঁচে আছে না মরে গেছে সে খবরটা তুমি রাখতে কি না। সেইটুকুর উত্তর দিলেই তো হয়। বাকি আর সব গল্প তুমি না হয় পরে কোরো। কৈফিয়তগুলো পরে দিয়ো।

    মায়ের মুখে রাগ ঝলসে উঠল। আমি গ্রাহ্যও করলাম না। বললাম —মন্দার তো তোমার কোনও রকম পাত্তাই জানত না। বেচারি থাকত শেয়ালদার একটা এঁদো ঘরে একটা বাজে লোকের সঙ্গে। লোকটা মাতলামি করত, ওকে ফরমাশ খাটাত আর যাচ্ছেতাই গালমন্দ করত। দিনের পর দিন এই শহরে না-খেয়ে ও ঘুরেছে। তুমি কি জানো আমার চেহারায় তোমার সঙ্গে মিল দেখে কপাল ঠুকে ও আমার পেছু নিয়েছিল! আমি যদি বাই চান্স ওর কলেজে ভর্তি না হতাম তা হলে ও কোনওদিনও তোমায় খুঁজে বার করতে পারত না, আর এই চেহারার মিল দেখে পেছু নেওয়ায় যদি ওর কোনও ভুল হয়ে যেত? তা হলে কী হত বুঝতে পারছ, স্রেফ গণপিটুনি খেয়ে ও মরে যেতে পারত, মা! ইউ ও হিম সাম এক্সপ্লানেশন!

    মার মুখটা থমথম করছে। কী বলবে ভেবে পাচ্ছে না। মুখটা তুলতে পর্যন্ত পারছে না। দু’ একবার কিছু বলতে গেল। বলতে পারল না।

     

     

    হঠাৎ মন্দার ভেজা-ভেজা গলায় বলল— বুলা, মাকে কষ্ট দিস না। আমি চলে যাচ্ছি। কোনও প্রশ্নের জবাব আর আমার চাই না।

    ও উঠে চলে গেল। আজ প্রথম ও আমাকে ‘বুলা’ বলল, ‘তুই’ বলল।

    আমার দশটা পঁয়তাল্লিশে কেমিষ্ট্রি প্র্যাকটিক্যাল। আমাকেও উঠে পড়তে হল। সারাদিন ওদের কেমন কাটবে জানি না। ভাবুক ওরা ভাবুক। দিয়া। মা। নিজেদের জীবনে ওরা নানান জট পাকিয়েছে। সে জটিলতার ভুক্তভোগী তো দেখছি আমরাই। ওরা কি মনে করে কতগুলো গল্প বলে দিলেই সব আবার যেমন কে তেমন হয়ে যাবে? সারাদিন প্রচুর ক্লাস। প্র্যাকটিক্যালের পর কয়েকটা ক্লাস লাস্ট বেঞ্চে বসে কাটিয়ে দিলাম। তারপর আর ভাল লাগল না। প্রথমে গেলাম কনভেন্ট রোড। নেক্সট্‌ মাস থেকেই মন্দার আসবে প্রদ্যুম্নদার কাছে পড়তে। সেটা ওঁকে বলা দরকার। আমারও বেশ কয়েকদিন বাদ গেছে। একটা ব্যাচ পড়াচ্ছে প্রদ্যুম্নদা। আমাকে অবশ্য বলল—ওয়েট করতে। দূর, বেশি কথা বলতেও আমার আজ ভাল লাগছে না। মা এসেছে—বসতে পারছি না বলে দিই। হাঁটতে হাঁটতে যাই।

     

     

    এন্টালি বাজারের বাইরে একটা লোক দেখি গ্ল্যাডিওলাস বিক্রি করছে, সাদা আর কমলা রঙের। আঠেরোটা স্টিক কিনলাম। গোলাপও নিলাম অনেকগুলো, দিয়ার জন্য হলুদ গোলাপ, মায়ের জন্য লাল। কেন গোলাপগুলো নিলাম কে জানে? গোলাপ হল ভালবাসার ফুল। এই ফুল দিয়ে কি আমি আসলে মা আর দিয়ার কাছে ক্ষমা চাইছি? না কি শুধুই এদের আশ্বস্ত করতে চাইছি—আমার ব্যবহারে দুঃখ পেও না মা, দুঃখ পেও না দিয়া, এই দেখো তোমাদের জন্য ভালবাসাও এনেছি।— কে জানে?

    লাইব্রেরির রকিংচেয়ারটায় হেলান দিয়ে মন্দার ‘ব্রাদার্স কারামাজোভ’ পড়ছে। আমি চুপিচুপি মায়ের ঘরে ঢুকে দেখি মা নেই,— লাল গোলাপগুলো টেবিলের ওপরে রেখে দিই। মা নিজের ইচ্ছে মতো সাজাবে এখন। মন্দারের ঘরে গ্ল্যাডিওলাসগুলো টেবিলের ওপর ফুলদানিতে সাজিয়ে রাখি। দিয়ার ফুলগুলো নিয়ে ঘরে ঢুকতে যাব, শুনি মায়ের গলা। মা এখানে? কয়েকটা কথা কানে আসতেই আর আমার ঘরে ঢোকা হয় না। চট করে থেমে যাই। পরের কথা আড়ি পেতে শোনা উচিত নয়? পর তো নয়! আমারই মা, আমারই দিদিমাকে আমার কথা বলছে। শুনব না?

    মা বলছে—এ সব কি ছেলেমেয়েদের বলা যায়? কী যে বলো মা।

    দিয়া—ওরা বড় হয়ে গেছে ডলি। একটু সাহস করে বলেই দেখ না।

    মা—কী বলব? রাজেনকে নিয়ে আমার আর মিলির মধ্যে রাইভ্যালরি ছিল? জেলাসি ছিল? এই কথা ওদের বলব? বলা যায়? আমি পারব না। তোমার আর কী? এখন তো আর কারও কাছে ইমেজ নষ্ট হবার ভয় নেই।

    দিয়া—ঠিক আছে, আমার না হয় ভয় নেই। কিন্তু তোমারই বা ভয় কীসের ডলি? তুমি তো ওদের নাগালের বাইরেই চলে গেছ।

    —না, নাগালের বাইরে যাওয়া যায় না মা। দে আর মাই চিলড্রেন, আই ডু কেয়ার ফর দেম। আমার আর সন্তান হবে না মা। ওরাই আমার প্রথম, ওরাই আমার শেষ। মে বি, এর পরে আমি হয়তো ঘন ঘন আসব এখানে। ওদের কেরিয়ারের ব্যাপারে ইন্‌ট্‌রেস্ট নেব। হতে পারে মুসৌরি ছেড়ে পাকাপাকি এখানেই চলে এলাম।

    —সে কী?—দিয়ার গলায় উদ্বেগ—আবার কিছু গোলমাল হয়েছে না কি স্যামুয়েলের সঙ্গে?

    —গোলমাল ঠিক নয়। হি ইজ ভেরি ভেরি ন্যাস্টি অ্যাট টাইম্‌স্‌। ন্যাস্টি অ্যান্ড মীন। ওর ওই স্বভাবের জন্যেই তো বুলা টিঁকতে পারল না ওখানে। আমাকে চাকরিটা ছাড়াল জোর করে। অতদিনের চাকরি। কিন্তু এখন টাকা পয়সা দেবার বেলায় হাত মুঠো। ভাবছি আবার চাকরি ধরব। ওখানে না পাই তো এখানে।

    —একজনকে ছাড়লে ডলি। তার জন্যে বোনের সঙ্গে কত কামড়া-কামড়ি। এখন আবার…

    —জানতাম এই কথাই বলবে। আচ্ছা সত্যি কথা বলো তো মা রাজেনকে দেখে যে তোমার মনে হয়েছিল আরেক বিনয়ভূষণ ফ্যামিলিতে এল, সেটা কেন? ওকে পেয়িং গেস্ট নেবার আগে কি তোমার দুবার ভাবা উচিত ছিল না? বাড়িতে আমরা উঠতি বয়সের দুটো মেয়ে।

    আমরা মানে আমি হলে তো ভাবতাম তুমি ভাবনি কেন না ওই মোহ, ও-ও বিনয়ভূষণের মতো! তুমি আমাদের এনকারেজ করোনি? আমরা ভুল করতেই পারি, ভুল করারই বয়স। কিন্তু ওর যে চেহারা, স্বাস্থ্য অর্থাৎ বডিটা ছাড়া আর কিচ্ছু ছিল না। একটা টোট্যালি অকর্মণ্য পুরুষ, এটা তোমার বোঝা উচিত ছিল।

    — বুঝিনি ডলি, এখনও বুঝি না। মিলি হয়তো ওর সঙ্গে সুখী হতে পারত। তোমার পথ পরিষ্কার করার জন্য তো মিলিকে চলেই যেতে হল।

    —মা এই দোষটা তুমি আমার ঘাড়ে কিছুতেই চাপাতে পারো না। মিলি ওর সঙ্গে ইনভল্‌ভ্‌ড্‌ হয়েছিল সমস্ত জেনে বুঝে। আমি কি ওকে বলেছিলাম—তুই মরে যা। আমি তোমাকে আবারও বলছি মা— মিলি নিজের জালে নিজেই জড়িয়ে ছিল। তখন আমাদের বিয়ে হয়ে গেছে। ও যদি আমার ওপর টেক্কা দিতে গিয়ে নিজেকে বিপদে ফেলে তার দায় কি আমার? ডু য়ু ওয়ান্ট মি টু আনডু দা পাস্ট অ্যান্ড বি ইন মিলিজ প্লেস। এ কথা তখন বলনি কেন মা? বিষ হয়তো খেতে পারতাম না। কিন্তু তোমাদের চোখের সামনে থেকে সরে যেতে তো পারতাম!

    —মা কি কান্নাকাটি করেছে না কি? বাইরে থেকে একটু আওয়াজ করে দিয়ার ঘরে ঢুকলাম। গোলাপগুলো দিয়ার হাতে দিলাম।—বাঃ— দিয়া বলল যন্ত্রের মতো। মাকে বললাম—তোমারও আছে। তোমার টেবিলে রেখে এসেছি।

    —আমি কি ফুল পাবার যোগ্য বুলা! আই ডোন্ট ডিজার্ভ এনিথিং ফ্রম য়ু।

    আমি মায়ের হাঁটু জড়িয়ে ধরে কোলের ওপর মাথা রাখলাম। রডরিগস্‌-এর সঙ্গে মায়ের বনছে না। বনবে না অনেক আগেই জানতাম। লোকটা যেমন হামবাগ, তেমনই মীন। মা আবার এখানে আসবে, এই এলিয়ট রোডে, আমরা সকলে আবার একসঙ্গে থাকব, প্লাস মন্দার। আমাদের পুরো পরিবার। আমার ভীষণ খুশি লাগছিল।

    পুরো পরিবার! পুরো পরিবার! ব্যাপারটা কেমন তাই-ই আমি জানি না। হয় থেকেছি দিয়ার কাছে, দিয়া আর আমি। নয় তো মায়ের কাছে—মা আর আমি। বাবা—নেই, দাদা—নেই। মাসি—নেই। আর কোনও ভাইবোনের কোনও প্রশ্নই ছিল না। আজ কোথা থেকে একটা সত্যিকারের ভাই তো জুটে গেছেই। মা-ও চলে আসছে। আর—বিনয়ভূষণ, মিলি, রাজেন্দ্রনারায়ণ—এদের নাম, এদের প্রসঙ্গ ঘুরে ঘিরে বারবার উঠছে, যেন এরা জীবিত।

    বিনয়ভূষণ অবশ্য এ বাড়ির সাজ-সজ্জায়, নিয়মকানুনে, গল্পগাছায় বেঁচে আছেন। দিয়া ক্রমশই তাঁকে পূজনীয় পুরুষ থেকে মহাপুরুষ বানিয়ে তুলছে। কিন্তু মাসি? মাসিকে নিয়ে যে দিয়ার মনে একটা কষ্ট আছে এ কথাটা আমি জানতাম। অত অল্প বয়সে মেয়ে মারা গেছে। কষ্ট থাকতেই পারে। কিন্তু তার পিছনে যে একটা ত্রিকোণ প্রেমের গল্প আছে। আত্মহত্যা আছে এতসব তো কোনওদিন শুনিনি। রাজেন্দ্রনারায়ণ তা হলে এ বাড়িতে পেয়িং গেস্ট হয়ে এসেছিল? এ বাড়ির দুই নন্দিনীকে একসঙ্গে জয় করে কেটে পড়ে? দিয়া তাকে অ্যাপ্রুভ করেছিল? দেখতে হয় লোকটাকে!

    —একটা কথা বলবে মা? —এখন আমি মাকে আদর করেছি, মার মনটা নরম আছে। মা আমার দিকে ছলছলে চোখে চেয়ে বলল—বলো, বলে ফেলো।

    —আমাদের দুজনের জন্মের তারিখে তফাত ঠিক পাঁচ দিনের। আমি আর মন্দার। দুজনেই তো তোমার বাচ্চা হতে পারি না। দিয়া মন্দারকে বলেছে আমি ওর মাসির মেয়ে, আর আমাকে বলেছে মন্দার আমার মাসির ছেলে। কোনটা সত্যি?

    মা গম্ভীর মুখে বলল— বলব, কিন্তু তোমাকে একটা কথা দিতে হবে তার আগে। ওয়ার্ড অফ অনর।

    —বলো কী কথা? না শুনে কিন্তু কিছু বলতে পারবে না।

    —এই সব নিয়ে কোনও প্রশ্ন এর পরে যেন আর তোমার মুখে না শুনি।

    —ফেয়ার এনাফ। তুমি ব্যাপারটা ক্লিয়ার করে দিলে, আর কেন জিজ্ঞেস করব?

    মা বলল—হতে পারে তোমাদের মধ্যে পাঁচদিনের তফাত। কিন্তু তোমরা দুজনেই আমার সন্তান। দিস ইজ গডস ট্রুথ। আমি তোমাদের দুজনেরই মা। না না। মায়ের কাছে ক্রস চেক করার চেষ্টা করে কোনও লাভ নেই। মা নিজেই তখন চোখের অপারেশনের জন্য ম্যাড্রাসে, নেত্রালয়ে। মা কিছু জানে না।—হয়েছে?

    —তুমি বেবি সুইচ করেছিলে?

    —আবার কথা?

    —বলো না!

    —আমার দুটো বেবি বুলা। একটাকে তার বাবার কাছে দিয়েছি। আর একটা আমার কাছে রেখেছি। একটা মেয়ের মা-ছাড়া বড় হয়ে উঠতে খুব অসুবিধে তাই গার্ল-চাইল্ডটাকে কাছে রেখেছিলাম। বাস। তুমি কিন্তু প্রতিজ্ঞা ভঙ্গ করছ বুলা। …মন্দার কী করছে? এখনও লাইব্রেরিতে? নাঃ আমি ওর কাছে যাই। মা তুমি বিশ্রাম করো।

    আমি ঘরে গেলাম হাত-মুখ ধুতে। জামাকাপড় বদলালাম। কিছুক্ষণ গান শুনলাম। গান মানে মিউজিক। আলি আকবর। আমার ঘরের দরজাটা খুলে রাখলাম। সরোদের আওয়াজটা বাইরে যাক। ওই ছেলেটা কীর্তন ছাড়া আর কিছু শোনেনি, আমরা যে সব গান শুনি, সেগুলো শুনে বলে—ওগুলো আবার গান না কি? ওকে ওর এই রোগশয্যায় বেশ কিছু গানবাজনা শোনালাম। সরোদ ওর খুব ভাল লেগেছে।

    শুনতে শুনতে ঘুম এসে গিয়েছিল, দালানের বড় ঘড়িটার আওয়াজে চোখ মেলে দেখি সাড়ে আটটা বাজল। আশা করি, এবার ওরা খাওয়া-দাওয়ার জোগাড় করবে।

    মা এখনও মন্দারের সঙ্গে কথা বলছে। রকিং চেয়ারটায় এখন মা। মন্দার সামনে একটা চেয়ার টেনে বসেছে। বইটা টেবিলের ওপর ফেস-ডাউন করে রাখা।

    —সর্বনাশ! এমন করে রেখেছ কেন? বইটা সোজা করে, পৃষ্ঠা সংখ্যা দেখে নিয়ে বন্ধ করে দিই।

    মন্দার বলল—ইস খুব ভুল হয়ে গেছে? আর কখনও হবে না। বুলা প্লিজ দিয়াকে বোলো না।

    ওরা নাকি সন্ধে থেকেই গল্প করছে। জিজ্ঞেস করলাম—কীসের গল্প?

    মন্দার বলল—রাধানগরের।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleসমুদ্র-যাত্রা – বাণী বসু
    Next Article যে যেখানে যায় – বাণী বসু

    Related Articles

    বাণী বসু

    নূহর নৌকা – বাণী বসু

    November 3, 2025
    বাণী বসু

    ছোটোগল্প – বাণী বসু

    November 3, 2025
    বাণী বসু

    অন্তর্ঘাত – বাণী বসু

    November 3, 2025
    বাণী বসু

    খনামিহিরের ঢিপি – বাণী বসু

    November 3, 2025
    বাণী বসু

    খারাপ ছেলে – বাণী বসু

    November 3, 2025
    বাণী বসু

    মোহানা – বাণী বসু

    November 3, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Our Picks

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }