Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    সংশয়ী রচনাবলী – আহমদ ছফা

    লেখক এক পাতা গল্প296 Mins Read0
    ⤷

    ০১. মুখবন্ধ : সংশয়বাদের মূল্যনির্ধারণ প্রসঙ্গে

    সংশয়ী রচনাবলী (অনুবাদ)
    উৎসর্গ – অধ্যাপক কবীর চৌধুরী
    [সংশয়ী রচনা – বাট্রাণ্ড রাসেলের স্কেপটিক্যাল প্রসেজ-এর বাংলা অনুবাদ। ১৯৯০ সালে বাংলা একাডেমী প্রথম সংস্করণ প্রকাশ করেছিলো। পরে বাংলাবাজারের প্যারীদাস রোডস্থ খান ব্রাদার্স এ্যান্ড কোম্পানি একটি নতুন সংস্করণ প্রকাশ করেছে।]

    মুখবন্ধ : সংশয়বাদের মূল্যনির্ধারণ প্রসঙ্গে

    আমি পাঠকদের সুবিবেচনার জন্য এমন একটি মত উপস্থিত করতে চাই যা তাদের কাছে উদ্ভট এবং ধ্বংসাত্মক মনে হবে বলে আমার আশঙ্কা হয়। কোন বক্তব্য অথবা যুক্তিকে সত্য বলে স্বীকার করার পর্যাপ্ত কারণ না থাকলে তা সত্য বলে কোন ক্ষেত্রে অনুমান না-করাই হলো আমার প্রস্তাবিত মতবাদ। আমি নিশ্চিতভাবে বিশ্বাস করি যে এ রকম মতবাদ সাধারণ্যে গৃহীত হলে আমাদের সামাজিক জীবনধারা এবং রাজনৈতিক পদ্ধতি যে গুলোকে এখন নির্দোষ মনে করা হয়, তার মধ্য থেকে দোষ বের করে আমাদের রাষ্ট্রনৈতিক পদ্ধতি এবং সামাজিক জীবনধারার মধ্যে ব্যাপক পরিবর্তন আনা সম্ভব হবে। তা সম্ভব হলে ঝাঁঝালো বক্তা, বই ব্যবসায়ী, ধর্মযাজক এবং অন্যান্য যারা মানুষের অযৌক্তিক বিশ্বাসকে ভিত্তি করে বেঁচে থাকে, মানুষের ইহ-পরকালের সৌভাগ্যের জন্য কিছুই করে না, তাদের আয় যে সাংঘাতিকভাবে : কমে যাবে সে ব্যাপারেও আমি আত্মসচেতন (যা আরো বেশি বিপজ্জনক)। অনেক প্রতিকূল মারাত্মক যুক্তি থাকা সত্বেও আমি মনে করি, আমার অপ্রিয় মতবাদ সম্পর্কে বলবার মতো অনেক কিছু রয়েছে এবং বলতে আমি চেষ্টাও করবো।

    প্রথমতঃ, আমি নিজেকে চূড়ান্তবাদী করে তোলার বিপক্ষে- আত্মসংযম বজায় রাখার ইচ্ছা পোষণ করি। আমি একজন বৃটিশ হুইগ, সেজন্য আমার মধ্যেও বৃটিশ আপোষমূলক এবং উদারনৈতিক মনোভাব বর্তমান। পিরহোনিজমের (pyrrohonsim) প্রবর্তক পিরহো সম্বন্ধে একটি গল্প প্রচলিত আছে। (পিরহোবাদ বা পিরহোনিজম হলো সংশয়বাদের পুরনো নাম।) এক ধরণের কর্মপন্থা যে অন্য ধরণের কর্মপন্থা অপেক্ষা নিশ্চিতভাবে বিজ্ঞোচিত একথা তিনি বিশ্বাস করতেন না। একদিন বিকেল বেলায় যখন তিনি তার প্রাত্যহিক ভ্রমণ সারছিলেন, দেখতে পেলেন তার দর্শনের অধ্যাপক একটি খানার মধ্যে পড়ে মাথাসমান ডুবে আছেন। (এই অধ্যাপকের কাছ থেকেই তিনি দর্শন শিখেছিলেন। কোনরকমেই বেরিয়ে আসতে পারছেন না। কিছুক্ষণ তাকিয়ে থাকার পর চলে গেলেন। তিনি চিন্তা করলেন যে এই বুড়োকে টেনে তুলে তিনি যে ভালো কাজ করবেন তার কোন প্রমাণ নেই। যাঁরা কম সংশয়বাদী ছিলেন তারা তাকে উদ্ধার করে পিরহোর হৃদয়হীনতার নিন্দা করলেন। কিন্তু তার অধ্যাপক ছিলেন নীতিতে অটল বিশ্বাসী, তিনি পিরহোর নীতিনিষ্ঠার প্রশংসা করলেন। কিন্তু বর্তমানে আমি ততখানি বাহাদুরিপূর্ণ সংশয়বাদের ওকালতি করছি না। থিয়োরি হিসেবে না হলেও বাস্তবে আমি সাধারণজ্ঞানের সাধারণ বিশ্বাসরাজীর প্রতি সংশয়ের দৃষ্টি দিতে প্রস্তুত। আমি বিজ্ঞানের কোন প্রতিষ্ঠিত ফলাফলকে সত্য বলে না স্বীকার করে যুক্তিগত কর্মের অধিকতররা সম্ভাব্য ভিত্তি বলে মেনে নিতে প্রস্তুত। যদি বলা হয় অমূক তারিখে চন্দ্রগ্রহণ হবে আমার মনে হয় গ্রহণ হচ্ছে কি না দেখা অবশ্যই উচিত। পিরহো হলে অবশ্য অন্যরকম চিন্তা করতেন। কিন্তু এ ক্ষেত্রে আমি মধ্যমপন্থার কথা বলছি, একথা দাবি করা যুক্তিসঙ্গত বলে আমার ধারণা।

    এমন অনেক ব্যাপার আছে, সে সব ব্যাপারে যারা পরীক্ষা করে দেখেছেন,তারা একমত হয়েছেন। দৃষ্টান্ত হিসেবে গ্রহণের তারিখের কথা বলা যায়। এমনও অনেক বিষয় আছে, যে ব্যাপারে বিশেষজ্ঞরা একমত হতে পারেন না। আবার বিশেষজ্ঞরা একমত হলেও ভুল করতে পারেন। মধ্যাকর্ষণে আলোকের প্রতিসরণের যে গুরুত্ব আইনস্টাইন আবিস্কার করেছিলেন, বিশেষজ্ঞরা তার সঙ্গে বিশ বছর আগে একমত হন নি, কিন্তু তারপরেও তা সত্য প্রমাণিত হয়েছে। তা সত্বেও বিশেষজ্ঞরা যখন মতামতের ব্যাপারে একই মনোভাব পোষণ করেন, তখন বিরুদ্ধ কোন মতামতের চাইতে তাদের মতামতই সত্য হবে এটা আশা করা যায়। যে সংশয়বাদের পক্ষে আমি ওকালতি করতে চাই, তাহলো (১) যখন বিশেষজ্ঞরা একমত তখন বিরুদ্ধ মতামতকে নিশ্চিত বলে গ্রহণ করা হবে না। (২) যখন বিশেষজ্ঞরা একমত নন তখন অবিশেষজ্ঞের কোন মতামতকেই সত্য বলে গ্রহণ করবো না, এবং (৩) যখন নির্দিষ্ট কোন মত গ্রহণ করার পক্ষে প্রচুর যুক্তি থাকবে না তখন সাধারণ মানুষ কোন মতামত না দিলে ভালো করবে।

    আপাতদৃষ্টিতে এ সকল প্রস্তাব খুবই নাজুক বলে মনে হতে পারে, কিন্তু তা সত্বেও যদি গ্রহণ করা হয়, তাহলে সামাজিক জীবনকে তা ব্যাপকভাবে বিপ্লবায়িত করবে।

    যে সকল কারণে মানুষ যুদ্ধ করতে ইচ্ছুক হয় এবং অত্যাচার করে, উপরোক্ত শ্রেণীর যে কোন এক শ্রেণীর অন্তর্গত-সংশয়বাদ তাদেরকে তীব্রভাবে সমালোচনা করে। কোন মতামতের যুক্তিগত ভিত্তি থাকলে পরে মানুষ সেগুলোকে তুলে ধরে সন্তুষ্ট থাকে এবং কাজে প্রয়োগ করা পর্যন্ত ধৈর্য ধরে অপেক্ষা করে। এসব ক্ষেত্রে মানুষ মতামতের সঙ্গে আবেগকে জড়ায় না এবং শান্তভাবে মতামতকে তুলে ধরে এবং ধীরস্থিরভাবে পেছনের যুক্তির সাহায্যে বিশ্লেষণ করে। যে সকল মতামতের সঙ্গে আবেগের খুবই ঘনিষ্ট সম্পর্ক, সেগুলো সাধারণতঃ যুক্তির সুদৃঢ় ভিত্তির উপর সুপ্রতিষ্ঠিত নয় এবং আবেগের আধিক্যের সাহায্যেই যুক্তির অক্ষমতা প্রমাণ করা যায়।

    ধর্ম এবং রাজনীতির ক্ষেত্রে প্রায় সবসময় এমন সব মতামত গ্রহণ করা হয় যার সঙ্গে আবেগের সুগভীর অন্বয় বর্তমান চীনদেশ ছাড়া অন্যান্য দেশে এসব বিষয়ে জোরালো বক্তব্য যদি কোন মানুষের না থাকে তাহলে তাকে খুবই হতভাগ্য মনে করা হয়। মানুষ তাদের বিপরীত মনের আবেগবান সমর্থকদের যত বেশি ঘৃণা করে, তারও চেয়ে বেশি ঘৃণা করে সংশয়বাদীদের। এসব ব্যাপারে বাস্তব জীবনের দাবিতে যে সকল মতামতের প্রয়োজন হয় তা অতিযুক্তিবাদী হয়ে গেলে সামাজিক জীবন অসম্ভব হয়ে পড়বে। আমি বিশ্বাস করি এর বিপরীতে বিশ্লেষণ করলে, আমার এ মতামতকে সুস্পষ্টভাবে তুলে ধরার চেষ্টা করা হবে।

    ১৯২০ সালের বেকার সমস্যার কথা ধরা যাক। এক পার্টির মতে ট্রেড ইউনিয়নের অন্যায়ের ফলে তা হয়েছে, অন্য পার্টির মতে মহাদেশের বিশৃঙ্খলার কারণেই তা ঘটেছিল। তৃতীয় পার্টি এ সকল কারণ মেনে নিয়ে অধিকাংশ দোষ ইংল্যাণ্ডের ব্যাঙ্কের ঘাড়ে চাপিয়েছিল, যেহেতু ইংল্যাণ্ডের ব্যাঙ্ক পাউণ্ডের মান বৃদ্ধি করেছিল। আমি জানতে পেরেছি যে এই তৃতীয় পার্টির মধ্যে সকলেই ছিলেন বিশেষজ্ঞ, আনাড়ি কেউ ছিলেন না। পার্টির বক্তৃতায় যে মতামতকে প্রকাশ করা যায় না, সে মতামতে রাজনৈতিক ব্যক্তি কোন আগ্রহ পোষণ করেন না। যে সকল মতামত বিরুদ্ধপক্ষীয়দের দুর্ভোগের কারণ হয়ে থাকে, সে সকল মতামতকেই সাধারণ মানুষ পছন্দ করে বেশি। ফলতঃ মানুষ অসার মতামতের পক্ষে-বিপক্ষে সংগ্রাম করে। পক্ষান্তরে আবেগকে নিয়ন্ত্রণ করতে পারে না বলে অল্পসংখ্যক মানুষ, যাঁদের যুক্তিনিষ্ঠা রয়েছে, তাদের কথার কেউ কর্ণপাত করে না। মতে দীক্ষিত করতে গেলে ইংল্যান্ডের ব্যাঙ্ক যে খারাপ এ কথা বোঝাতে হবে। শ্রমিক দলীয়দের আস্থা অর্জন করতে গেলে ব্যাঙ্ক অব ইংল্যাণ্ডের ডিরেক্টরদের ট্রেড ইউনিয়নের বিরুদ্ধবাদী বলে দেখাতে হবে। লণ্ডনের ধর্মাধ্যক্ষের সমর্থন পাওয়ার জন্য এ সকল কাজকে নৈতিকতাবিরোধী দেখাতে হবে। মুদ্রা সম্পর্কে তাদের যে মতামত সত্য নয়, এমন মতবাদেও বিশ্বাস করতে হবে।

    আর একটা দৃষ্টান্ত দেয়া যাক। অনেক সময় বলা হয়ে থাকে, সমাজতন্ত্রবাদ মানবপ্রকৃতির পরিপন্থী। আবার সমাজতন্ত্রবাদীরাও তাদের বিরুদ্ধবাদীর বিপক্ষে এই উত্তপ্ত অভিযোগ করে থাকেন। পরলোকগত ড. রিভার্স (Dr. Rivers) বিশ্ববিদ্যালয় কলেজের একটি বক্তৃতায় এ প্রশ্নের আলোচনা করেছেন, যা পরে তার মূল্যবান বই ‘মনোবিজ্ঞান এবং রাজনীতিতে (Psychology and Politics) প্রকাশিত হয়েছে। আমার জানামতে এটিই হচ্ছে একমাত্র আলোচনা, যা বৈজ্ঞানিক বলে দাবি করতে পারে। কতিপয় নৃতাত্ত্বিক উপাদানের উপর নির্ভর করে দেখাতে চেয়েছিলেন যে মেলানেশিয়াতে (Melanesia) সমাজতন্ত্রবাদ মানবপ্রকৃতির পরিপন্থী নয়। পরে তিনি অবশ্য বলেছেন যে মানুষের প্রকৃতি মেলানেশিয়াতে যেমন ইউরোপেও তেমন কি না আমরা জানিনা। উপসংহারে তিনি মন্তব্য করেছেন যে ইউরোপের মানুষ প্রকৃতির পরিপন্থী কিনা আবিষ্কার করার চেষ্টা হলো এটি : এটি খুবই কৌতূহলপ্রদ যে এই উপসংহারের উপরই ভিত্তি করে তিনি শ্রমিকদলের প্রার্থী হতে চেয়েছিলেন। কিন্তু তার সঙ্গে তিনি রাজনৈতিক বিতণ্ডার মধ্যে যে পরিমাণ উত্তাপ এবং আবেগ জড়িত থাকে নিশ্চিতভাবে তা ঘটতে দেন নি।

    এখন আমি এমন একটি বিষয়ে আলোচনা করার দুঃসাহস করছি যা মানুষ নিরুত্তপ্ত আবেগে দেখতে অধিকতর অসুবিধার সম্মুখীন হয়। সে বিষয়টি হলো বিবাহরীতি। প্রতিটি দেশের অধিকাংশ মানুষ বিশ্বাস করে যে নিজের দেশের বিবাহপদ্ধতি ছাড়া আর সবরকমের বিবাহপদ্ধতি নীতিসম্মত নয়। যারা এ মতামতের বিরোধিতা করে, সাধারণতঃ আপনাপন অনিশ্চিত জীবনের খাতিরেই করে থাকে। ভারতে বিধবাদের পুনরায় বিবাহের কথা চিন্তা করাই হলো জঘণ্য অপরাধ। ক্যাথলিকপ্রধান দেশে বিবাহ বিচ্ছেদকে খুবই মন্দ কাজ বলে গণ্য করা হয়, তবে অন্ততঃ পুরুষের ব্যাপারে যৌথজীবনের সততা বজায়ের কিছু অক্ষমতাকে বরদাশত করা হয়। আমেরিকাতে বিবাহ বিচ্ছেদ খুবই সহজ, কিন্তু বিবাহ বহির্ভূত সম্পর্ক ভয়ঙ্করভাবে নিন্দিত হয়। মুসলমানেরা বহুবিবাহে বিশ্বাসী, অথচ আমরা চূড়ান্ত নিন্দনীয় মনে করি। এ সকল বিপরীত মতামতকে অপ্রতিরোধ্য এবং চূড়ান্ত বলে ধরে নেয়া হয় এবং যারা এর বিরোধিতা করেন, তাদের উপর নির্মম নির্যাতন করা হয়। কিন্তু বিভিন্ন দেশের কেউ প্রমাণ করতে চেষ্টা করে না যে তাদের আচারপদ্ধতি অন্যদের আচারের চাইতে মানুষের সুখ সমৃদ্ধির খাতিরে নতুন কিছু দান করেছে।

    এ বিষয়ে যখন আমরা বৈজ্ঞানিক আলোচনা (উদাহরণস্বরূপ) ওয়েস্টার ম্যাক (Westermack) এর মানবজাতির বিবাহের ইতিহাসের (History of Human Marriage) এর মতো বইয়ের পাতা খুলে দেখি, আমরা এমন একটি আবহাওয়ার সাক্ষাৎ পাই যা সম্পূর্ণভাবে প্রচলিত কুসংস্কার থেকে ভিন্নরকম। আমরা দেখতে পাই যে যত রকমের আচার-পদ্ধতি প্রচলিত আছে, তার মধ্যে অনেকগুলো মানবপ্রকৃতির পক্ষে ক্ষতিকর বলে অনেকসময় আমরা মনে করে থাকি। বহুবিবাহ বলতে আমরা মনে করি পুরুষেরা জোর করে নারীদের উপর এ অত্যাচারের বোঝ চাপিয়ে দিয়েছে। কিন্তু তিব্বতীয়দের আচার-ব্যবহার সম্বন্ধে কি মনে করবো। তিব্বতীয় রীতি অনুসারে একজন নারীর অনেকগুলো স্বামী থাকতে পারে। তিব্বতে যারা ভ্রমণ করেছে, তারা নিশ্চিত ভাবে এ কথাই বলেছে যে সেখানে পারিবারিক শান্তি শৃঙ্খলা অন্ততঃ ইউরোপের মতো আছে। এরকম কিছু পড়াশোনার পরে যে কোন সরলমনা মানুষই সংশয়বাদীতে পরিণত হবেন, কারণ এক জাতীয় বিবাহ যে অন্য জাতীয় বিবাহের চেয়ে ভালো বা মন্দ, হাতের কাছে তার প্রমাণ করবার মালমশলা নেই। নিজেদের বিধিনিষেধের প্রতি যারা অশ্রদ্ধেয় মনোভাব পোষণ করে, সাধারণত তাদের প্রতিশোধ গ্রহণ করার সবটুকুতেই নির্মমতা এবং অসহনশীলতা বর্তমান। অন্যথা তাদের মধ্যে কোনকিছুরই মিল নেই। এ থেকে মনে হয় মানুষের পাপ ভৌগোলিক। এই উপসংহার থেকে একপদ অগ্রসর হয়ে নতুন উপসংহারে পৌঁছলে বুঝতে পারবো যে মানুষের পাপের সেই কাল্পনিক পাপীকে শাস্তি দেওয়ার জন্য যে নির্দয়তা নির্মাতা এখনো প্রচলিত আছে, তার প্রয়োজন নেই। এই উপসংহারটি অনেকের মনে তেমন আনন্দ দেবে না, কারণ সুস্থ বিবেকে নির্দয়তার চর্চা করা নীতিবাগীশদের জন্য খুবই আনন্দদায়ক। সে জন্যে তারা নরক আবিষ্কার করেছে।

    সন্দেহজনক সবকিছুকে সত্য বলে জোরালোভাবে বিশ্বাস করার চূড়ান্ত নজির হলো জাতীয়তাবাদ। আমার মনে হয় এখন একজন দ্বিতীয় মহাযুদ্ধের বৈজ্ঞানিক ইতিহাস লেখক যে মতামত প্রদান করতে বাধ্য হবেন, যুদ্ধের সময়ে একই মন্তব্য করলে যুদ্ধলিপ্ত যে কোন দেশ তাকে কারাগারে নিক্ষেপ করতে বাধ্য হতো। চীনদেশ ছাড়া আর কোন দেশ নেই, যে দেশের জনসাধারণ নিজেদের সম্বন্ধে সত্য কথা বললে সহ্য করে। সাধারণতঃ সত্যকে অপ্রিয় ভাবা হয়, কিন্তু যুদ্ধের সময়ে সত্য বলা ভয়ঙ্কর গর্হিত কাজ। বিপরীতধর্মী যে বিস্ফোরক বিশ্বাসের সৃষ্টি করা হয়েছে, এসকল বিশ্বাসের মূলে যে ভ্রান্তি ছাড়া কিছু নাই, তা তখনই ধরা পড়ে যখন দেখা যায় জাতীয়তাবাদীরা ছাড়া কেউ তাকে বিশ্বাস করে না। বিশ্বাসের এ সমস্ত পদ্ধতির মধ্যে বিচার বুদ্ধির প্রয়োগকে আগেকার যুগে ধর্মবিশ্বাসের ক্ষেত্রে বিচার বুদ্ধির প্রয়োগের মতো মন্দ ভেবে থাকে মানুষ। সংশয়বাদ এ সকল ব্যাপারে কেননা মন্দ হবে, এ ব্যাপারে যদি চ্যালেঞ্জ করা হয়, তারা বলে যে পৌরাণিক বিশ্বাস যুদ্ধজয়ে সাহায্য করে অথচ একটা জাতি হত্যা করার চাইতে হত হয় বেশি। সমস্ত বিদেশীদের নিন্দা করে নিজেদের মুখরক্ষা করার মধ্যে যে নিন্দনীয় কিছু আছে তা একমাত্র কোয়েকার (Quaker) শ্রেণী ছাড়া পেশাদার নীতিবাগিশদের মধ্যে তার কোন সমর্থন পাওয়া যায় না। যখন বলা হয় যে একটি যুক্তিবাদী জাতিকে যুদ্ধে জড়িয়ে না পড়ার পন্থা আবিষ্কার করতে হবে, তাহলে উত্তরে জুটবে তিরস্কার।

    যুক্তিবাদী সংশয়বাদের প্রসারের কী প্রতিক্রিয়া হতে পারে? আবেগ থেকেই মানুষের কর্মের উৎপত্তি এবং তার ফলে কতেক অন্ধবিশ্বাস জন্মলাভ করে। মনঃসমীক্ষা স্বীকৃত এবং অস্বীকৃত উন্মাদের মধ্যে এর বহিঃপ্রকাশ নিরীক্ষণ করেছে। যে মানুষ লাঞ্ছিত হয়েছে, অনেক সময় একটা থিয়োরি আবিস্কার করে যে সে ইংল্যাণ্ডের রাজাধিরাজ এবং তার সপক্ষে এমন সব যুক্তি ও ব্যাখ্যা খাড়া করে তোলে যে মর্যাদা তার পাওয়া উচিত সে ততটুকু মর্যাদা পাচ্ছে না। এ ব্যাপারে তার এমন এক ধরণের চিত্তবিভ্রম ঘটেছে, যা তার প্রতিবেশীরা সহানুভূতির সঙ্গে বিচার করে দেখেন, সেজন্য তারা তাকে তালাবদ্ধ করে রাখেন। যদি শুধু নিজের মহত্ব না বাড়িয়ে জাতি, ধর্ম ঐতিহ্য ইত্যাদির মহত্ব বর্ধিত করে তাহলে সে তার আশপাশের মানুষের সমর্থন অর্জন করে এবং রাজনৈতিক অথবা ধর্মীয় নেতা বনে যায়। যদিও নিরপেক্ষ বিদেশীর কাছে তার মতামত পাগলাগারদের রোগির মতো মনে হয়, তাতে কিছু আসে যায় না। এভাবেই সমষ্টিগত পাগলামির স্বভাব গড়ে ওঠে যা ব্যক্তি-পাগলামির সমস্ত নিয়ম-কানুন মেনে চলে। সকলেই জানে যে, লোক নিজেকে ইংল্যাণ্ডের রাজা মনে করে, তার মতো উন্মাদের সঙ্গে বিবাদ করা অর্থহীন, কিন্তু তাকে বিচ্ছিন্ন করে অতিরিক্ত শক্তিশালী করা হয়। সমগ্র জাতি যখন একটা উন্মাদ স্বপ্নে মেতে ওঠে, তখন জাতির ক্রোধ অনেকটা পাগলে ক্রোধের মতো বাধা পেলে সহস্র শিখায় জ্বলে উঠে। কোনরকমের প্ররোচনাই তাকে যুক্তির কাছে নতি স্বীকার করাতে পারে না।

    বুদ্ধিবাদী উপাদান মানুষের আচরণে কী কী ভূমিকা গ্রহণ করে থাকে, সে সম্বন্ধে মনস্তত্ববিদদের মধ্যে প্রচুর মতভেদ রয়েছে। তার মধ্যে দু’রকমের মতভেদই প্রধান। (১) কাজের কারণ হিসেবে ধরে নিয়ে বিশ্বাসগুলো কতদূর ক্রিয়াশীল? (২) বিশ্বাসগুলো কতোদূর যুক্তিসঙ্গত প্রমাণ থেকে উদ্ভূত অথবা কতোদূর পরিমাণ তা সম্ভব এ দু’প্রশ্নেই মনস্তত্ববিদেরা সাধারণ মানুষ বুদ্ধিবৃত্তিক উপাদানকে যতটুকু স্থান দিয়ে থাকে, তার চাইতে যে কম প্রয়োজনীয় সে সম্বন্ধে একমত। কিন্তু সাধারণ ঐক্যের অভ্যন্তরে লক্ষণীয় অনেকগুলো। বৈপরীত্য রয়ে গেছে। আমরা তার মধ্যে পরপর দু’টোকেই তুলে ধরছি। (১) কাজের কারণ হিসেবে বিশ্বাসগুলো কতোদূর ক্রিয়াশীল? থিয়োরিগতভাবে প্রশ্নটা আলোচনা করা যাক। সে জন্যে একজন সাধারণ মানুষের একটি মামুলি দিনের জীবনকে নেয়া যাক। সকালে ঘুম থেকে উঠে তিনি জীবন শুরু করেন, এতে তার বিশ্বাসের কোন প্রভাব নেই। তিনি সকালে নাস্তা করেন, ট্রেন ধরেন, পত্রিকা পড়েন, অফিসে যান-এ সকল অভ্যাসবশেই করে থাকেন। তার জীবনে অতীতে এমনও এক সময় ছিল যখন তিনি এ অভ্যাসগুলোকে গঠন করেছেন এবং অন্ততঃ তার অফিস পছন্দের ব্যাপারে তার বিশ্বাসের প্রয়োজনীয় ভূমিকা ছিল। চাকুরি গ্রহণ করার সময়ে তিনি হয়ত ভেবেছিলেন, নিজের জন্য যা ভালো মনে করেন, ঐ চাকুরিতে যোগ দিলেই তার সব কিছু পেতে পারেন। অধিকাংশ মানুষের ক্ষেত্রে মৌলিকভাবে বৃত্তি নির্বাচন করার বেলায় বিশ্বাস অসামান্য ভূমিকা পালন করে থাকে। সুতরাং পছন্দ থেকেই মানুষের সকল রকমের বিশ্বাসের উৎপত্তি।

    অফিসে তাকে যদি পরের অধীনে কাজ করতে হয়, তাহলে কোন সক্রিয় সংকল্প অথবা বিশ্বাসের কোন প্রকাশ্য বাধার সম্মুখীন না হয়ে অভ্যাসবশে কাজ করে যেতে পারেন। যদি তিনি অঙ্কের সঙ্গে অঙ্ক বসিয়ে স্তম্ভ তৈরি করেন, তাহলে বলতে হবে তিনি যে গাণিতিক নিয়ম প্রয়োগ করেন, তাতে বিশ্বাস করেন;কিন্তু তা করলে এক বিরাট ভুল করা হবে, নিয়মগুলো টেনিস খেলোয়ারের স্বভাবের মতো তার শরীরের স্বভাবমাত্র। যৌবনে ওগুলোকে আয়ত্ব করা হয়েছিল, সংশ্লিষ্ট কোন বুদ্ধিবৃত্তিক বিশ্বাসের বশে নয়। কুকুর যেমন পেছনের পায়ের উপর উপবেশন করে খাবার খেতে শিক্ষা করে, তেমনি ওসব স্বভাবও স্কুল শিক্ষকদের সন্তুষ্ট করার জন্য আয়ত্ব করা হয়েছিল। আমি বলতে চাই না যে সকল শিক্ষা এক রকম, কিন্তু নিশ্চিতভাবে প্রত্যেক শিক্ষা প্রাথমিক স্তরে ঐরকম।

    সে যা হোক, যদি আমাদের কোন অংশীদার অথবা ডিরেক্টার বন্ধু থেকে থাকে, তাহলে জটিল কোন নীতি নির্ধারণের বেলায় তাকে ডাকা হতে পারে। এ সমস্ত সিদ্ধান্তের বেলায় তার বিশ্বাসের কিছু প্রতিক্রিয়া অবশ্যই থাকবে। কোনকিছুর দাম বাড়বে এবং কোনকিছুর দাম কমবে। অমুক অমুক ভালো মানুষ দেউলিয়া হওয়ার আগে এই এই করতে হবে, এসবে তিনি বিশ্বাস করেন। এ সকল বিশ্বাস অনুসারেই তিনি কাজ করেন। অভ্যাস ব্যতিরেকে বিশ্বাসের বলে তিনি কেরানির বদলে আরো শক্তিশালী মানুষ হলে কাজ করতে পারেন। যদি তার বিশ্বাসগুলো সত্য হয়, তিনি বেশি টাকা রোজগার করতে পারেন।

    পারিবারিক জীবনে বিশ্বাস যদি কাজের কারণ হয়ে থাকে, তাহলে এরকম সুযোগের ঘন ঘন পুনরাবৃত্তি ঘটে থাকে। সচরাচর, তার স্ত্রী এবং সন্তানের প্রতি ব্যবহার অভ্যাস অথবা অভ্যাস দ্বারা শোধিত প্রবৃত্তির বশেই নিয়ন্ত্রিত হয়। গুরুত্বপূর্ণ সময়ে তিনি বিয়ের প্রস্তাব করেন, যখন তিনি ছেলেকে কোন স্কুলে পাঠাবেন ঠিক করেন এবং যখন তিনি স্ত্রীর চরিত্রে সন্দেহের কারণ খুঁজে পান তখন তার কাজ সম্পূর্ণভাবে স্বভাবের দ্বারা নিয়ন্ত্রিত হয়। বিয়ের প্রস্তাব করার সময়ে তিনি প্রবৃত্তি দ্বারা নিয়ন্ত্রিত হন, অথবা ভদ্রমহিলার ধনী হওয়ার কারণেই আকৃষ্ট হন। যদি তিনি প্রবৃত্তি দ্বারা নিয়ন্ত্রিত হন, তিনি নিঃসন্দেহে বিশ্বাস করেন যে, ভদ্রমহিলার সকল গুণ রয়েছে এবং তা তার কাছে প্রস্তাব করার কারণ হয়ে দেখা দিতে পারে। প্রকৃতপ্রস্তাবে প্রবৃত্তিকে কাজের একমাত্র ভিত্তি মনে করা, প্রবৃত্তিরই আরেক রকম প্রতিক্রিয়া। তার ছেলের জন্য একটা স্কুল পছন্দ করার জটিল ব্যাপারে যেমন চিন্তা করেন, তেমনিভাবে চিন্তা করে দেখেন। সাধারণতঃ এখানে তার বিশ্বাসের সবল ভূমিকা বর্তমান। যদি প্রমাণ পান যে তার স্ত্রী তার প্রতি বিশ্বাস ত্যাগ করেছে, তাহলে তিনি প্রবৃত্তিগতভাবেই ব্যবহার করবেন। কিন্তু প্রবৃত্তির নিয়মকে পরিচালিত করে আমাদের বিশ্বাস এবং বিশ্বাসই হচ্ছে প্রবৃত্তিকে চালিত করার প্রথম কারণ।

    যদিও বিশ্বাসগুলি প্রত্যক্ষভাবে আমাদের কর্মের সামান্য ভগ্নাংশের সঙ্গে মাত্র। সংযুক্ত, যে সকল কাজের জন্য আমরা বিশ্বাসের কাছে দায়ী, সেগুলো খুবই গুরুত্বপূর্ণ এবং আমাদের জীবনের সাধারণ ছক নির্ধারিত করে। বিশেষভাবে আমাদের ধর্মীয় এবং রাজনৈতিক কাজগুলো আমাদের বিশ্বাসের সঙ্গে সম্পৃক্ত।

    (২) আমি এখন আমাদের দ্বিতীয় প্রশ্ন সম্বন্ধে আলোচনা করছি যার দুটো স্তর। (ক) আদতে আমাদের বিশ্বাসসমূহ কতদূর প্রমাণের উপর নির্ভরশীল এবং (খ) তাদের পক্ষে কতদূর প্রমাণনির্ভর হওয়া সম্ভব অথবা উচিত?

    (ক) বিশ্বাসসমূহ প্রমাণের উপর যে পরিমাণ নির্ভরশীল, তা বিশ্বাসীরা যতো মনে করে তার চেয়ে অনেক কম। যে সকল কাজ যুক্তিসঙ্গত কাজের কাছাকাছি, সেগুলোর কথা বলা যেতে পারে; যেমন একজন ধনী কিছু টাকা খাটালেন। উদাহরণস্বরূপ আপনি দেখতে পাবেন ফ্রাঙ্কের মূল্য বাড়বে কি কমবে সে সম্বন্ধে তার যে ধারণা, তা তার রাজনৈতিক সহানুভূতির উপর নির্ভরশীল। কিন্তু তা সত্ত্বেও তার বিশ্বাস এত প্রবল যে তিনি এত টাকা লোকসানের ঝুঁকি গ্রহণ করতে প্রস্তুত।

    যদি কোন কারণে তিনি দেউলিয়া হয়ে যান, অনুসন্ধান করলে দেখা যাবে, কতেক আবেগপূর্ণ আকাঙ্খই তার ধ্বংসের মূল কারণ। রাজনৈতিক মতামত প্রমাণের উপর প্রায়ই নির্ভরশীল নয়। সরকারি কর্মচারীদের প্রমাণের উপর নির্ভর করতে হয়। কিন্তু নীতি সম্বন্ধে তাদের কথা বলার কোন অধিকার নেই। অবশ্য তার ব্যতিক্রম রয়েছে। দ্রব্যমূল্য সংস্কারের ব্যাপারে পঁচিশ বছর আগে যে বিতর্কের সৃষ্টি হয়েছিল তাতে অনেক শিল্পপতি যে পক্ষে গেলে তাদের ব্যক্তিগত আয় বৃদ্ধি পাবে, সে পক্ষই সমর্থন করেছিলেন এবং তাদের আয় বৃদ্ধির কথাটা যতই ঢাকা-চাপা দিয়ে রাখার চেষ্টা করা হোক না কেন, যে কোন লোক তা ধরতে পারবে। এখানে একটা জটিলতার সৃষ্টি হয়েছে। ফ্রয়েডিয়রা আমাদেরকে সকল কিছু যুক্তিসম্মত করতে অভ্যস্ত করে তুলেছেন। তার মানে হলো, যে অযৌক্তিক বিশ্বাস এবং মতামতসমূহকে যুক্তিসম্মত মনে করি, তা সত্যি কি না যাচাই করার একটা পদ্ধতি আবিষ্কার করা। বিশেষতঃ ইংরেজি ভাষাভাষী জগতে তার সম্পূর্ণ বিপরীত একটা পদ্ধতি প্রচলিত আছে, তা হলো সবকিছুকে অযৌক্তিক ছাঁচে ঢালাই করা। একজন চালাক-চতুর মানুষ কমবেশি সচেতনভাবে তার স্বার্থের স্বপক্ষে একটি বিষয়ের খুঁটিনাটি সংগ্রহ করেন। (নিঃস্বার্থ বিবেচনা অবচেতনভাবে নিজের ছেলে ছাড়া অন্য কোন ক্ষেত্রে খুবই কম হয়ে থাকে)। অবচেতন মনে, একটা সোহংবাদী নির্ভুল সিদ্ধান্ত খাড়া করে, একজন মানুষ কতকগুলো উচ্চনিনাদিত শ্লোগান আবিষ্কার করে, অথবা অন্যের কাছ থেকে ধার করে দেখান যে কিভাবে জনগণের কল্যাণের জন্য তিনি আত্মোৎসর্গ করেছেন। এ সব শ্লোগানে যে মানুষ বুদ্ধি দিয়ে বিশ্বাস করে, যতক্ষণ পর্যন্ত কল্পিত জনগণের কল্যাণ তার কাজের মাধ্যমে আসবে না, ততক্ষণ পর্যন্ত তাকে প্রমাণের সাহায্যে যাচাই করা যাবে না। এ সকল বিষয়ে মানুষ যতো অনুসন্ধিৎসার বশে চলে, ততো যুক্তির অনুসরণ করে না। তার মনের সচেতন স্তর অযৌক্তিক এবং অবচেতন স্তরে যুক্তিগত বিশ্বাস বর্তমান থাকে। চরিত্রের এই বেশিষ্ট্যই হলো ইংরেজ এবং আমেরিকানদের সাফল্যের কারণ।

    চালাকি যখন প্রধান হয়ে উঠে, তখন আমাদের প্রবৃত্তির অবচেতনের চাইতে সচেতন স্তরের প্রভাবেই চালিত হয় বেশি। উদাহরণস্বরূপ ব্যবসায়ে সাফল্য লাভ করতে হলে যে প্রধান গুণগুলোর প্রয়োজন, তার কথাই ধরা যাক। নৈতিকতার দৃষ্টিকোণ থেকে সবসময়ে স্বার্থপর বলে তা খুবই নমনীয় গুণ, তা সত্বেও মানুষকে তা গুরুতর অপরাধ থেকে বিরত রাখবার জন্যে যথেষ্ট। জার্মানদের যদি এ গুণটি থাকত তাহলে তারা সীমাহীন সাবমেরিন অভিযান করত না। ফরাসিদের এ গুণটি থাকলে তারা রহুরে যেমনটি করেছিল। তেমন আচরণ করত না। নেপোলিয়ন এ গুনের অধিকারী হলে এ্যামিয়েনের সন্ধির পর আবার যুদ্ধ করতে যেতেন না। যেখানে মানুষ তাদের স্বার্থ কোথায় বোঝে না, সেখানে সে পথকে তারা সত্য বলে গ্রহণ করে, ভ্রান্ত হলেও তার বিরুদ্ধে আসল পথটি দেখিয়ে দেয়া যে আরো ক্ষতিকর তা নিয়ম হিসেবে ধরে নেওয়া যেতে পারে। সুতরাং মানুষের নিজের স্বার্থের কল্যাণের পক্ষে-যা মানুষকে বিচারশীল করে তোলে, তা কল্যাণকর। ভাগ্যের পথ প্রশস্ত করার অসংখ্য দৃষ্টান্ত রয়েছে। তার কারণ নৈতিকভাবে তারা এমন কিছু করেছে, যা তারা নিজের স্বার্থের বিপরীত বলে বিশ্বাস স্থাপন করেছে। উদাহরণস্বরূপ প্রাথমিক কোয়েকারদের সময়ে কিছু সংখ্যক দোকানদার তাদের যে পরিমাণ দাবি তার চাইতে বেশি না-চাওয়ার নীতি গ্রহণ করে। অন্যান্য দোকানদারের মতো দরাদরি না করে সকলে একদরে মাল বিক্রয় করতে থাকেন। তারা এ নীতি গ্রহণ করেছিলেন, কারণ তাদের বিশ্বাস ছিল যা ন্যায্য দাবী, তার চাইতে বেশি চাইতে গেলে মিথ্যা বলা হবে। কিন্তু গ্রাহকদের সুবিধা এত বেড়ে গেল যে সকলে তাদের দোকান থেকে সওদা নিতে লাগল এবং তারা ধনী হয়ে গেলেন। (এটা আমি কোথায় পড়েছি তা ভুলে গেছি, কিন্তু আমার মনে হচ্ছে কোন বিশ্বাসযোগ্য বইতেই পড়েছিলাম।) চালাকির থেকেও একই পদ্ধতি অনুসরণ করা হয়েছিল বলা যেতে পারে, কিন্তু তাদের কেউ অতিরিক্ত চালাক ছিলেন না। সচেতন বিশ্বাস আমাদের যে পরিমাণ ভালো করে তার চেয়ে বেশি ঈর্ষাপরায়ণ করে তোলে। সুতরাং মানুষ যে সকল কাজ স্বতঃস্ফূর্তভাবে করে সেগুলো নিজের স্বার্থের প্রতিকূলে। যে সকল মানুষ সচেতন বুদ্ধি দিয়ে যতটুকু সম্ভব আবেগ থেকে বিচ্ছিন্ন করে চিন্তা করে, আসে তাদের কথা। তৃতীয়তঃ তাদের কথা আসে, যারা অপরের ধ্বংস সাধন করতে গিয়ে নিজেদেরকে ধ্বংস করে। ইউরোপের শতকরা ৯০ জন মানুষ এই শেষোক্ত শ্রেণীর অন্তর্ভূক্ত।

    সে যাহোক আমি আমার আসল বক্তব্য বিষয় থেকে কিছুদূর সরে পড়েছি; কিন্তু অচেতন যুক্তি চালাকিকে সচেতন চিন্তা-বৈচিত্র থেকে আলাদা করার প্রয়োজন ছিল। মামুলি শিক্ষাপদ্ধতি আমাদের সচেতন মনোবৃত্তির উপর কোন প্রতিক্রিয়া করতে পারে না, বর্তমান পদ্ধতির সাহায্যে চালাকি শিক্ষাও দেয়া যায় না। নৈতিকতা যেখানে স্বভাবের মধ্যে প্রোথিত নয়, সেক্ষেত্রে বর্তমান পদ্ধতির সাহায্যে শিক্ষা দেয়া যায় না। যারা সদাসর্বদা পরামর্শের আলোচনা করে থাকে তাদের মধ্যে কোথাও আমি কল্যাণকর প্রতিক্রিয়া দেখতে পাই নি। সুতরাং আমাদের বর্তমান ধারা অনুসারে সকল প্রকারের স্বতঃস্ফূর্ত প্রচেষ্টা বুদ্ধিবৃত্তিক পন্থার মাধ্যমে সুসম্পন্ন করতে হবে। মানুষকে ধার্মিক অথবা চালাক করার কোন পন্থা আছে বলে আমাদের জানা নেই, কিন্তু কিছুদূর পর্যন্ত তাকে যুক্তিবাদীতা কিভাবে শিক্ষা দিতে হয় তা আমরা জানি। প্রত্যেকটি বিষয়ে শিক্ষাবিভাগীয় কর্মকর্তারা যা করেন তার বিপরীতে কিছু করতে শিক্ষা দেয়া হলেই তা করা হবে। তারপরে আমরা তার সনালী গ্রন্থিগুলোর ক্ষরণ নিয়ন্ত্রণ অথবা বৃদ্ধি করে তার মধ্যে গুণের বিকাশ ঘটাতে পারি। কিন্তু বর্তমান মুহূর্তে গুণের সৃষ্টি করার চাইতে যুক্তিবাদীতার সৃষ্টি করা অধিকতর সহজ, সে যুক্তিবাদীতার অর্থ হলো, মনের এক প্রকার বৈজ্ঞানিক স্বভাব, যা আমাদের কাজের প্রতিক্রিয়া সম্বন্ধে ভবিষ্যদ্বাণী করতে পারে।

    (খ) মানুষের কাজ কতটুকু যুক্তিবাদী হতে পারে অথবা কতটুকু তার যুক্তিবাদী হওয়া উচিত, এখন আমি সে প্রশ্ন আলোচনা করছি। কতটুকু যুক্তিবাদী হওয়া উচিত, তাই প্রথম আলোচনা করা যাক। আমার মতে মনের নির্দিষ্ট গণ্ডীর মধ্যে বিচারবুদ্ধি সীমিত থাকা প্রয়োজন। বিচার-বুদ্ধির আক্রমণে জীবনের কতকগুলো অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বিষয় ধ্বংস হয়ে গেছে। লাইবনিজ বুড়ো বয়সে একবার খবরের কাগজের একে প্রতিনিধিকে বলেছিলেন যে তিনি পঞ্চাশ বছর বয়সে এক ভদ্রমহিলার কাছে বিয়ের প্রস্তাব করতে কিছুদিন সময় চাইলেন। এই সময়ের মধ্যে তিনি বিবেচনা করে দেখে প্রস্তাব বাতিল করলেন। তার আচরণ যে বিচারবুদ্ধিসম্পন্ন তাতে সন্দেহ করবার কোন হেতু নেই। কিন্তু আমি প্রশংসা করি তা বলতে পারব না।

    শেক্সপিয়র পাগল, প্রেমিক এবং কবিদেরকে এক সূত্রে সম্পূর্ণভাবে কাল্পনিক জীব বলে অভিহিত করেছেন। এখন প্রশ্ন হলো, কিভাবে উন্মাদদের বাদ দিয়ে পাগল এবং প্রেমিকদেরকে নেয়া যেতে পারে। আমি তার একটা দৃষ্টান্ত দিচ্ছি।

    ওল্ডভিক নাট্যমঞ্চে ১৯১৯ সালে ট্রোজান উ’ম্যান নাটকের অভিনয় দেখি। সে নাটকে অস্ট্রান্যাক্স দ্বিতীয় হেক্টর হয়ে যেতে পারে, সে আশঙ্কায় তাকে হত্যা করার একটি মর্মান্তিক দৃশ্য আছে। থিয়েটারে কোন দর্শকের চোখ শুষ্ক ছিল না। তবু দর্শকেরা যে গ্রিক নির্মমতা দেখেছিল, তা তাদের কাছে মোটেই বিশ্বাসযোগ্য ছিল না। তা সত্বেও যে সব লোক থিয়েটারে কেঁদেছিল, সে মুহূর্তে এমন এক হৃদয়হীনতাকে প্রত্যক্ষ করেছিল, যা ইউরিপিডিসের কল্পনায় অসহনীয় হয়ে উঠেছিল। যা জার্মানিকে বিচ্ছিন্ন করে রেখেছিল। এ সকল বিচ্ছিন্নকরণের ফলে অসংখ্য শিশুর যে মৃত্যু হয়েছে, তাতো সকলের জানা কথা। কিন্তু তারা অনুভব করেছিল তার ফলে শত্রুদেশের জনসংখ্যা হ্রাস পাবে। তা তাদের পিতৃপুরুষের গর্ব ধ্বংসকারী অস্ট্রান্যাক্সকে ধ্বংস করার মতো। ইউরিপিডিস দর্শকদের কল্পনায় প্রেমিককে জাগিয়েছিলেন কিন্তু তাদের কল্পনা থেকে প্রেমিক কবির স্মৃতি থিয়েটার হলের দরজাতেই মুছে গিয়েছিল। উন্মাদেরা (নরহত্যার রোগে যারা ভুগছে) যে সকল মানুষ নিজেদেরকে দয়ালু এবং ধার্মিক মনে করে সে সকল নরনারীর রাজনৈতিক কার্যকলাপ নিয়ন্ত্রিত করেছিল।

    উন্মাদসত্তাকে বাদ দিয়ে কবি এবং প্রেমিকসত্তাকে কি অটুট রাখা সম্ভবপর? আমাদের সকলের মধ্যে এ তিন সত্তা বিভিন্নভাবে বর্তমান। কিন্তু সেগুলো কি এতই অবিচ্ছিন্ন যে, একটাকে নিয়ন্ত্রণের অধীনে আনলে অন্যটা ধ্বংস হয়ে যাবে। আমি তা বিশ্বাস করি না। আমি বিশ্বাস করি আমাদের মধ্যে কিছু শক্তি রয়েছে, যা বুদ্ধিবৃত্তির সাহায্যে অনুপ্রাণিত নয়-এমন সব কাজের মধ্য দিয়ে প্রকাশ পেতে পারে। অবস্থাভেদে শিল্পকলা আবেগময় ভালোবাসাও আবেগময় ঘৃণার মধ্যে তার প্রকাশ ঘটাতে পারে। পরস্পরা নিয়মানুবর্তিতা এবং সময়সূচি হলো আধুনিক শিল্পব্যবস্থার লৌহশৃঙ্খল, যা আমাদের ভালোবাসাকে অকেজো করে ফেলেছে, যাতে করে তা সৃজনশীল এবং প্রধান না হয়ে একদেশদর্শী হয়ে উঠেছে। যে জিনিশ সম্পূর্ণভাবে স্বাধীন এবং মুক্ত হওয়া উচিত ছিল, তার উপর বিধি-নিষেধের আরোপ করা হয়েছে। পক্ষান্তরে সমস্ত যাজকদের আশীর্বাদের এত হিংসা-দ্বেষ ঘৃণা এবং অত্যাচারকে মুক্ত করা হয়েছে। আমাদের প্রবৃত্তিগত প্রক্রিয়ার দুটি অংশ। একটি আমাদের জীবনকে আমাদের বংশধরের মধ্যে দীর্ঘতর করে, অন্যটি আমাদের কল্পিত শত্রুদের জীবনকে ধ্বংস করতে চায়। প্রথমটির মধ্যে আছে জীবনের আনন্দ ভালোবাসা এবং শিল্পচেতনা, যা আমাদের ভালোবাসার মনস্তাত্ত্বিক প্রকাশ। দ্বিতীয়টির মধ্যে আছে প্রতিযোগিতা দেশপ্রেম এবং যুদ্ধ। প্রচলিত নৈতিকতা প্রথমটাকে অবদমন করে দ্বিতীয় প্রবৃত্তিকে ত্বরান্বিত করে। কিন্তু সত্যিকারের নৈতিকতার ক্রিয়া হবে এর বিপরীত। আমরা যাদেরকে ভালোবাসি তাদের সঙ্গে আমরা প্রবৃত্তিগতভাবে আচরণ করতে পারি এবং যাদেরকে ঘৃণা করি তাদের বেলায় আমাদের যুক্তিসম্মত আচরণ করা উচিত। আধুনিক বিশ্বে যাদেরকে আমরা সক্রিয়ভাবে ঘৃণা করি তারা হলো দূরবর্তী মানুষ, বিশেষ করে বলতে গেলে বিদেশী জাতিসমূহ। আমরা তাদের সম্বন্ধে বিমূর্তভাবে ধারণা পোষণ করি এবং যেসব কাজ ঘৃণ্য এবং জঘণ্য সেগুলোর বিচারে প্রেম অথবা তেমন উচ্চাদর্শের বশবর্তী হয়ে তাদের ক্ষতি করে নিজেদেরকে প্রতারিত করি। একমাত্র অধিকমাত্রায় সংশংয়বাদই, যে-আবরণের অন্তরালে সত্য লুকিয়ে থাকে তা দূরীভূত করে আমাদের চোখে সত্যকে জাজ্বল্যমান করে তুলতে পারে। তাতে সফলতা অর্জন করতে পারলে আমরা নতুন নৈতিকতার জন্ম দিতে পারব, যার ভিত্তি প্রতিবন্ধকতা এবং হিংসার মধ্যে প্রোথিত নয়, বরং তা সম্পূর্ণ জীবনের আকাক্ষার রূপায়নে দেদীপ্যমান। হিংসার রোগ থেকে আরোগ্যলাভ করলে মানুষকে তার পথের বাধা মনে না করে সহায়ই মনে করবে। এটা কোন কাল্পনিক আকাক্ষা নয়, রাণী প্রথম এলিজাবেথের যুগে অংশতঃ এর বাস্তবায়ন হয়েছিল ইংল্যাণ্ডে এবং যদি মানুষ অন্যের ক্ষতি না করে নিজের আনন্দ খুঁজে নিতে পারে তাহলে আগামীকাল তার বাস্তবায়ন সম্ভব। এটা, আয়ত্ব করা অসম্ভব-এমন কোন নৈতিকতা নয়। কিন্তু তা গৃহীত হলে আমাদের পৃথিবীর স্বর্গরাজ্যে পরিণত হবে।

    ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleসূর্য তুমি সাথী – আহমদ ছফা
    Next Article সাম্প্রতিক বিবেচনা : বুদ্ধিবৃত্তির নতুন বিন্যাস – আহমদ ছফা

    Related Articles

    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়

    বিপিনের সংসার – বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়

    January 8, 2026
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    ভয় সমগ্র – হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    December 9, 2025
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    কিশোর অ্যাডভেঞ্চার সমগ্র – হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    December 9, 2025
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    প্রকাশ্য দিবালোকে – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    November 18, 2025
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    তারপর কী হল – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    November 17, 2025
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত

    শর্ম্মিষ্ঠা নাটক – মাইকেল মধুসূদন দত্ত

    November 11, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Our Picks

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }