Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    অপেক্ষার বারোমাস – অর্পিতা সরকার

    May 1, 2026

    শ্মশানকোকিলের ডাক – সৌভিক চক্রবর্তী

    May 1, 2026

    এসো না অসময়ে – অর্পিতা সরকার

    May 1, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    সংশয়ী রচনাবলী – আহমদ ছফা

    লেখক এক পাতা গল্প296 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ০২. স্বপ্ন এবং বাস্তব

    আমাদের বিশ্বাসসমূহে আমাদের আকাঙ্ক্ষার প্রভাব যদিও সধারণ জ্ঞান এবং পর্যবেক্ষণের বিষয়, তবু এ সকল বিশ্বাসের গতি-প্রকৃতি নির্ধারণ করতে গিয়ে বিস্তর ভুল ধারণা পোষণ করা হয়েছে। রীতিগতভাবে আমরা ধরে নিই যে আমাদের বেশির ভাগ বিশ্বাসের পেছনে সত্যের অকুণ্ঠ সমর্থন রয়েছে, যদিও আমাদের আকাঙ্ক্ষাগুলো সাময়িক বিরোধসৃষ্টিকারী শক্তি ছাড়া আর কিছুই নয়। কিন্তু সোজাসুজি বিপরীত বিন্দুর কাছাকাছি কোথাও আসল সত্যের অবস্থিতি। যে সব বিশ্বাস আমাদের দৈনন্দিন জীবনধারণের প্রধান অবলম্বন, তাতে অনেক আকাক্ষা বিম্বিত হয়ে ওঠে, আবার সে আকাক্ষা সমূহই এখানে-সেখানে রূঢ় বাস্তবের কঠিন আঘাতে পরিশুদ্ধি লাভ করে। আদতে মানুষ স্বাপ্নিক, তবে বাইরের পৃথিবীর বিচিত্র সংঘাতে মাঝে মাঝে জেগে ওঠে, কিন্তু খুব শিগগীরই আবার কল্পনার সুখের জগতে স্বেচ্ছায় ঝাঁপ দেয়। ফ্রয়েড দেখিয়েছেন স্বপ্নের চিত্রায়নের মধ্যে আমাদের অপূর্ণ কামনারা পরিতৃপ্তি লাভ করে। দিবাস্বপ্ন সম্বন্ধেও তার কথা একইভাবে সত্য। তার উপসংহারে তিনি যেগুলোকে দিবাস্বপ্ন বলে আখ্যায়িত করেছেন, সেগুলোকে আমরা বিশ্বাস বলে ধরে নিতে পারি।

    তিনটি নির্দিষ্ট পদ্ধতিতে আমাদের মনের অচেতন স্তরের অন্বিষ্ট বিশ্বাসের বিশ্লেষণ সম্ভব। মনঃসমীক্ষণ (Psycho analysis) মনের উন্মাদ হিষ্টিরিয়াগ্রস্ত জটিল পরিস্থিতি বিশ্লেষেণ করে মনের ধ্রুব প্রকৃতির দিক দিয়ে সুস্থ ও রোগাক্রান্ত ব্যক্তির তফাৎ কত স্বল্প তাই দেখানো হয়। (Sceptical) সংশয়াত্মক পদ্ধতিতে দার্শনিকেরা আমাদের অন্তরলালিত বিশ্বাসসমূহের প্রমাণপঞ্জী যে কত দুর্বল তাই স্পষ্ট করে তোলেন। সর্বশেষ হলো সাধারণ পর্যবেক্ষণ (common observation) পদ্ধতি। এই সর্বশেষ পদ্ধতিটিই আমার বিবেচ্য বিষয় হিসেবে ধরে নিচ্ছি।

    নৃতত্ত্ববিদদের পরিশ্রমের কল্যাণে আমরা সভ্যতার সৌরভবর্জিত আদিম অসভ্যদের সম্বন্ধেও জানতে পেরেছি। তারাও সজ্ঞানে অজ্ঞানতার অন্ধকারে বিচরণ করে না একথা সত্য; কিন্তু কোন কিছু সুস্পষ্টভাবে বুঝে ওঠার মতো তেমন প্রখরও নয় তাদের চেতনা। পক্ষান্তরে তাদের কাছে অসংখ্য সংস্কার, যা চেতনার গভীরে এত সুদৃঢ়ভাবে প্রোথিত যে জীবনের প্রায় সব প্রয়োজনীয় কার্যক্রম নিয়ন্ত্রিত করে সে অন্ধবিশ্বাস। তাদের অনেকেরই ধারণা, কোন প্রাণী কিংবা যোদ্ধার মাংসভক্ষণ করলে ঐ প্রাণী বা যোদ্ধা জীবদ্দশায় যে-সকল গুণের অধিকারী ছিল তা আয়ত্ব করা যায়। আবার অনেকে দলপতির নাম মুখে আনাকে মৃত্যুদণ্ডনীয় পবিত্রতা হানিকর কাজ বলে মনে করত। এমনকি তারা রাজা বা দলপতির নামের কোন অংশের সংগে সামঞ্জস্যপূর্ণ নাম উচ্চারণ করবার বেলায় ঐ অংশটির পরিবর্তন করে ফেলত। যেমন তাদের রাজার নাম জন, সুতরাং তারা জনকুইলকে উচ্চারণ করবে জর্জ কুইল ইত্যাদি ইত্যাদি। কৃষিভিত্তিক সমাজে পদার্পণ করার সঙ্গে সঙ্গে যখন তাদের খাদ্যের জন্য আবহাওয়ার ওপর নির্ভর করতে হলো অত্যধিক পরিমাণে, তখন থেকে মন্ত্রোচ্চারণ এবং হোমাগ্নি জ্বালিয়ে রোদবৃষ্টির সঞ্চার করা যায় বলে তারা বিশ্বাস করতে থাকে। তারা আরো বিশ্বাস করত খুনী ব্যক্তির প্রেতাত্মা প্রতিশোধস্পৃহায় হত্যাকারিকে খুঁজে বেড়ায়। আবার অতি সহজ ছদ্মবেশে যেমন মুখ রাঙ্গিয়ে অথবা শোকের লেবাস পরে প্রতিশোধকামী প্রেতাত্মাকে ফাঁকি দেয়া যায়। খুনে ভীতুদের কাছ থেকে বিশ্বাসের অর্ধাংশের উৎপত্তি এবং বাকি অর্ধাংশের জন্ম দিয়েছে খুনীরা।

    অযৌক্তিক বিশ্বাস শুধুমাত্র অসভ্যদের মধ্যে সীমিত নয়। মানব সমাজের অধিকাংশ মানুষ, যাদের ধর্মমত আমাদের মতো নয়, আমরা বলতে পারি ওগুলো অযৌক্তিক ভিত্তিহীন। রাজনীতিবিদ ছাড়া আর যারা রাজনীতিতে আগ্রহশীল, অসংখ্য প্রশ্নে তারা সংস্কারমুক্ত একজন মানুষ সম্পর্কে কোন যুক্তিসম্মত ধারণা পোষণ করতে পারে না। পরাজয়ের যতই ন্যায়সঙ্গত কারণ থাকুক না কেন, নির্বাচনের সময় স্বেচ্ছাসেবকেরা আশা পোষণ করে যে আপন পক্ষের জয় অবশ্যম্ভাবী। ১৯১৪ সনে জার্মানির অধিকাংশ নাগরিক বিন্দুমাত্র সন্দেহ না রেখে জার্মানির সর্বৈব বিজয় সম্পর্কে নিশ্চিত আশা পোষণ করেছিল, সে ক্ষেত্রে বাস্তব সত্যের সঙ্গে সংঘাতে স্বপ্ন মার খেয়েছে। অজার্মান ঐতিহাসিকেরা যদি কোনকারণে সে ইতিহাস রচনা থেকে বিরত থাকেন, তাহলে স্বপ্নের আবার পুনর্জাগরণ ঘটবে। প্রারম্ভিক বিজয়ের কাহিনী বারবার নিনাদিত হবে এবং অন্তিম পরাজয়ের কথা বেমালুম ভুলে যাবে।

    শিষ্টাচার হলো মানুষের বিশ্বাসের সেই স্তরের প্রতি শ্রদ্ধা প্রদর্শন করা, বিশেষভাবে যা তার অথবা তার দলের অন্যান্যদের মেধার পরিচিতি বহন করে। যেখানেই থাকুক না কেননা বিশ্বাসের একটা বেষ্টনী প্রত্যেক মানুষকে ঘিরে থাকে। গ্রীষ্মের দিনে মাছির মতো এ সবও মানুষের সঙ্গে সঙ্গে গমন করে। এরই মধ্যে কতেক ব্যক্তিগত, তাতে ব্যক্তির গুণাবলী সূতাবোধ,বন্ধুপ্রীতি পরিচিতজনের প্রতি শ্রদ্ধাবোধ চরিত্রের গোলাপি সুষমা ইত্যাদি পরিচয় বিধৃত থাকে। তারপর আসে পারিবারিক সংস্কৃতিচেতনার কথা। ইদানীংকালে দুর্লভ তার বাবার ঋজু মনোভঙ্গী, ছেলেমেয়েদের মানুষ করার ব্যাপারে তারা অসম্ভব কড়াকড়ি, যা বর্তমানে পিতামাতার কাছে স্বপ্নের মতো মনে হবে। স্কুলের খেলাধুলায় তার ছেলেরা কিভাবে আর সকলকে ছাড়িয়ে যাচ্ছে এবং তার মেয়েরা যেমন যাকে তাকে বিয়ে করে না বসে ইত্যাদি, ইত্যাদি। তার ওপরে আসে তার শ্রেণীগত বিশ্বাসের কথা, যা তার সামর্থের মধ্যে সবচেয়ে বেশি সামাজিক এবং অথবা সবচেয়ে বেশি বুদ্ধিমান কিংবা নৈতিকতার দিক দিয়ে অন্যান্য সম্প্রদায়ের তুলনায় সবচেয়ে বেশি কাক্ষিত। যদিও সকলে একবাক্যে স্বীকার করে যে প্রথমটি দ্বিতীয়টির চেয়ে এবং দ্বিতীয়টি তৃতীয়টির চেয়ে অধিকতর কাম্য। জাতিগতভাবে মানুষ কতগুলো আনন্দিত কল্পনাকে বিশ্বাস বলে গ্রহণ করে। মানবমনের গভীর আকুতির ভাষারূপ দিতে গিয়ে একটি কথার মধ্যে মি. পডস্ন্যাপ (Mr. Podsnap) বলেছেন, ওহ্ বিদেশী জাতিগুলো, তাদের সম্পর্কে কিছু বলতে আমরা দুঃখিত, তারা এই করে, এই তাদের রীতি। নিরঙ্কুশ মানবিক অথবা পাশব সৃষ্টির তুলনায় সর্বনরের সাধারণ পরিচয়বিধৃত থিয়োরিসমূহে শেষপর্যন্ত আমাদের আসতে হয়। মানুষের আছে আত্মা, পশুর তা নেই। মানুষ বিবেচনাসম্পন্ন জীব বলেই তার কোন বিশেষ নির্দয় এবং প্রকৃতিবিরুদ্ধ কাজকেই পাশবিক বলা হয়, যদিও সেসকল কাজ আদতে মানবিক। স্রষ্টা তো আপন স্বরূপের প্রতিরূপেই যদিও মানুষ সৃষ্টি করেছেন। সুতরাং মানুষের কল্যাণই হলো ব্রহ্মাণ্ড সৃষ্টির চরম উদ্দেশ্য।

    .

    সুতরাং আনন্দদায়ক বিশ্বাসসমূহের অনুকূলে কাজ করে যাই আমরা। কারো সঙ্গে প্রীতির সম্পর্ক রাখতে হলে এ সকল বিশ্বাস যেগুলো তার নিজস্ব, পারিবারিক জাতীয় এবং যেগুলো সকল মানুষের জন্য সমানভাবে আনন্দদায়ক তার প্রতি অবশ্যই শ্রদ্ধাশীল হতে হবে। কোন মানুষকে সামনে কিছু না বলতে পারলে তার পেছনেও কিছু বলা উচিত নয়। মনের সঙ্গে মনের দূরত্ব যত বেশি বাড়ছে মতের বিভিন্নতাও বাড়ছে তত বেশি। নিজের ভায়ের সঙ্গে কথা বলার সময় তার পিতামাতার প্রতি সচেতন শ্রদ্ধাশীলতা পোষণ করার প্রয়োজন নেই। কিন্তু বিদেশীদের সঙ্গে কথা বলার সময় শিষ্টাচার প্রদর্শনের প্রয়োজন হয় সর্বাপেক্ষা বেশি, যা উগ্র স্বদেশীদের কাছে অসম্ভব, যেহেতু তারা তাতে অভ্যস্ত নয়। বাইরে ভ্রমণ করেনি, এমন একজন আমেরিকানের সঙ্গে একবার আমার দেখা হয়েছিল। সামান্য কয়েকটি বিষয় ছাড়া বৃটিশ সংবিধানের সঙ্গে আমেরিকান সংবিধানের কোন প্রভেদ নেই, একথা শুনে ভদ্রলোক ভয়ানক চটে গিয়েছিলেন। পূর্বে তিনি কখনো এরকম মতামত শোনেন নি এবং কেউ যে সে মতামত গ্রহণ করতে পারে তাও ছিল তার কল্পনার অতীত। আমরা দুজনেই শিষ্টতা দেখাতে অক্ষম হয়েছিলাম বলে ফল দাঁড়ালো মারাত্মক।

    সামাজিক দৃষ্টিকোণ থেকে দেখলে শিষ্টাচার প্রদর্শনের অক্ষমতা খুবই খারাপ, কিন্তু প্রাচীন কুসংস্কারকে ছেদন করবার কারণে শিষ্টাচার প্রদর্শন না করাটা খুবই প্রশংসনীয়। দু’উপায়ে আমাদের স্বভাবজ বিশ্বাসই সমূহ পরিশুদ্ধি অর্জন করে। প্রথম হলো বস্তুর সঙ্গে বিশ্বাসকে যাচিয়ে নেয়ার পদ্ধতি, যেমন অনেকে বিছুটিকে ব্যাঙের ছাতা বলে মনে করে কষ্ট পেয়ে থাকে। দ্বিতীয়তঃ আমাদের বিশ্বাস সোজাসুজি বস্তুর সঙ্গে সংঘাত না বাধিয়ে ভিন্নমতের কারো সঙ্গে যখন সংঘাত বাধায় তা যাচাই করা। কেউ মনে করে শুকরের মাংস খাওয়া আইনানুগ আর কেউ গরুর মাংস খাওয়াকেই আইনানুগ মনে করে না। মতামতের এই বিভিন্নতার স্বাভাবিক পরিণতি হলো রক্তপাত। কিন্তু সে সঙ্গে বেরিয়ে আসবে একটি বিবেচনাপ্রসূত মাঝামাঝি পথ এবং তা অনেকটা এরকম, দুটোর কোনটাতেই দোষ নেই। শিষ্টাচারের সঙ্গে তার সম্বন্ধ হলো খুবই সুনিবিড়। তার মানে হলো যাদের সঙ্গে কথা বলছি তাদের চেয়ে নিজেদেরকে এবং নিজেদের ধনসম্পদকে নগণ্য দেখার ভান করা। একমাত্র চীনদেশেই এ নীতি সর্বত্র ব্যাপকভাবে অনুসৃত হয়। আমাকে বলা হয়েছে যদি কোন চীনাকে তার স্ত্রী এবং সন্তানের স্বাস্থ্য পানের উদ্দেশ্যে কোন মান্দারিন যদি আক্রমণ করেন, তিনি বলবেন, আমার স্ত্রীর মতো একজন কৃপাকাঙ্খীনি রোগাক্রান্তা খর্বাঙ্গীনির স্বস্থ্যোলাসে আপনার মতো একজন মহানুভব ব্যক্তি আহবান করেছেন, সেহেতু আমার আনন্দের অবধি নেই। এ ধরণের লেহাজ দুরস্ত করে বলার জন্যে জীবনের আয়েশ এবং সম্মান দুইয়েরই প্রয়োজন। কিন্তু বর্তমান ব্যবসা আর রাজনীতির দ্রুত সংযোগের ব্যাপারে তা একেবারে অসম্ভব। ধাপে ধাপে অন্য মানুষের সঙ্গে সংসর্গের ফলে সবচেয়ে কার্যকরী ধারণা ছাড়া আর সবগুলো ধ্বংস হয়ে যায়, ব্যক্তিগত বিশ্বাস ভাইয়ের সঙ্গে মেলামেশার ফলে নষ্ট হয়ে যায়, পারিবারিক সংস্কার স্কুলের সতীর্থদের প্রভাবে নষ্ট হয়, শ্রেণীগত সংস্কার রাজনীতির প্রভাবে এবং জাতিগত সংস্কার যুদ্ধে পরাজয় অথবা অর্থনীতিতে মার খাওয়ার ফলে ধ্বংসপ্রাপ্ত হয়। কিন্তু মানবিক ধরণা সবসময়ে অটুট তাকে এবং মানুষের আদানপ্রদানের যে ক্ষেত্র তাতে নতুন সংস্কার জন্ম নেয়ার যথেষ্ট সম্ভাবনা বিদ্যমান থাকে। এ ধরণের ভ্রান্তধারণার আংশিক পরিশুদ্ধি মিলে বিজ্ঞানে, কিন্তু তা কখন আংশিকের বেশি হতে পারে না। কিছু সংখ্যক বিশ্বাসের ভিত্তির উপর দাঁড় না করালে পরে বিজ্ঞান নিজের আঘাতে ধ্বংসপ্রাপ্ত হবে।

    .

    ০২.

    মানুষের ব্যক্তিগত অথবা দলগত স্বপ্ন হাস্যাস্পদ হতে পারে, কিন্তু যারা সামগ্রিকভাবে মানবিকতার স্বপ্নে বিশ্বাসী তারাও মানবিকতার পরিমণ্ডলে ছাড়িয়ে যেতে পারে না। জ্যোতির্বিদ্যার মাধ্যমে অন্তত ব্রহ্মাণ্ডের সম্বন্ধে আমাদের পরিচয় হয়েছে। টেলিস্কোপের মাধ্যমে যতটুকু দেখতে পারি তার বাইরে কি আছে কেউ বলতে পারে না। কিন্তু যেটুকু সম্বন্ধে আমরা জ্ঞান লাভ করতে পারি তা-ও অসীম অনন্ত। দৃশ্যমান ব্রহ্মাণ্ডের এক ভগ্নাংশ হলো ছায়াপথ, সৌরজগত হলো ছায়াপথের ক্ষুদ্রতর ভগ্নাংশ এবং এ সৌরজগতের ভগ্নাংশে আমাদের গ্রহটি হলো অনুবীক্ষণ। যন্ত্রের সাহায্যে প্রতীয়মান একটি কৃষ্ণকার বিন্দুমাত্র। এই ক্ষুদ্রবিন্দুতে একজাতীয় জলজ পদার্থের সঙ্গে পদার্থগত এবং রাসায়নিক গুণে সমৃদ্ধ অস্বাভাবিক গঠনের একজাতীয় কয়লার চাঙর নির্দিষ্ট কোন অবয়ব পরিগ্রহ করার আগ পর্যন্ত, কয়েক বছর ধরে নড়ে-চড়ে বেড়াত। তারা সময়কে বিভক্ত করে একদিকে নিজেরা অবয়ব রক্ষার এবং অপরদিকে সবকিছুকে তাদের মতো করে গড়ে তুলবার মানসে প্রচণ্ড সংগ্রাম পরিচালনা করতে থাকে। সাময়িক প্রাকৃতিক বিপর্যয় তাদেরকে হাজারে হাজারে ধ্বংস করে ফেলল। রোগ অকালে অনেককে ছিনয়ে নিয়ে গেল। এগুলোকে দুর্ভাগ্য বলে গণ্য করা হতো। কিন্তু মানুষ যখন নিজের চেষ্টায় সমপরিমাণ ক্ষতিসাধন করতে সক্ষম হলো তখন তারা আনন্দিত হয়ে বিধাতাকে ধন্যবাদ দিল। সৌরজগতের বয়সের তুলনায় মানুষের যখন সশরীরে বসবাস সম্ভব হলো তা অকিঞ্চিৎকর। কিন্তু এমন বিশ্বাস করারও অবকাশ রয়েছে যে বর্তমানের আগেও মানুষ পৃথিবীতে বসবাস করে নিজেদের মধ্যে দ্বন্দ্ববিবাদের ফলে ধ্বংসপ্রাপ্ত হয়েছে। বাইরে থেকে দেখলে এভাবেই মনবজীবন সম্বন্ধে চিন্তা করা যায়।

    আমাদের বলা হয়েছে যে জীবন সম্পর্কে এরকম দৃষ্টিভঙ্গি অসহনীয়, কেননা তার ফলে যে প্রবৃত্তির বলে মানুষ বেঁচে আছে, তারই ধ্বংসসাধন হবে। দর্শন এবং ধর্মের মধ্যে তারা এ প্রবৃত্তিকে এড়িয়ে যাবার পথ খুঁজতে চেষ্টা করেছেন। বাইরের পৃথিবীতে যথেষ্ট অরাজকতা ও বিশৃঙ্খলা থাকলেও তাদের কল্যাণে জানতে পেরেছি, পৃথিবীর মর্মমূলে একটা শৃঙ্খলাবোধ অবশ্যই আছে। আদি নিহারিকার যুগ থেকে প্রত্যেকটি দীর্ঘস্থায়ী পরিবর্তনের মাধ্যমে মানুষের উন্নতি সাধিত হয়েছে একথা ধরে নেয়া হয়। ‘হ্যামলেট খুবই জনপ্রিয় নাটক, তাহলেও অল্পসংখ্যক পাঠকের মনেই প্রথম নাবিকের সংলাপ মনে থাকার কথা। যা মাত্র চারটি শব্দের মধ্যে সীমাবদ্ধঃ আল্লাহ্ আপনার মঙ্গল করুন। কিন্তু ধরুন একটা সমাজ, যেখানে প্রত্যেক মানুষের জীবনের একমাত্র কর্তব্য হলো এই ভূমিকায় অভিনয় করা, হোরেসিও কিংবা হ্যামলেটের সঙ্গে তাদেরকে বিচ্ছিন্ন করে দেখুন; তাহলে তারা কি বিশেষ ধরনের সাহিত্য সমালোচনা আবিষ্কার করবে না, যেখানে প্রথম নাবিকের চারটি শব্দই হবে নাটকের একমাত্র উপজীব্য বিষয়। তাদের সমাজে কোন লোক যে অন্যান্য অংশকেও সমান প্রয়োজনীয় মনে করে তাকে শাস্তি অথবা নির্বাসনদণ্ড কি দেবে না? হ্যামলেট নাটকে প্রথম নাবিকের উক্তি যেমন তেমনি ব্রহ্মাণ্ডের তুলনায় মানুষের পরমায়ুও ততটুকু সংক্ষিপ্ত। আমরা নাটকের অন্যান্য দৃশ্য, চরিত্র এবং ঘটনা সম্পর্কে কিছুই জানতে পারি না।

    যখন আমরা মানুষের সম্পর্কে চিন্তা করি তখন প্রাথমিকভাবে নিজেদেরকে মানবজাতির প্রতিভূ হিসেবে ধরে নেই এবং তারপরে বিবেচনা করি যে তার নিরাপত্তার প্রয়োজন অপরিহার্য। ধরে নেয়া যাক, মি. জোনস হলেন এমন একজন মুদী দোকানদার, যিনি কোন গীর্জার শাসন মানেন না, কিন্তু তিনি তার অনন্ত জীবন সম্পর্কে একেবারে স্থির নিশ্চিত; তাই যে কেউ তার বিরোধিতা করলে তিনি তা মোটেই সহ্য করবেন না। কিন্তু তিনি যখন তার প্রতিদ্বন্দ্বী এ্যাঙ্গলিকান গির্জার মি. রবিনসন, যিনি চিনিতে বালি মিশান, তার সম্পর্কে ভাবেন তখন তার অনুভূতিতে জেগে ওঠে যে ব্রহ্মাণ্ডের এখন সুবিচার পুরামাত্রায় বিরাজমান। তখন তার সুখের জন্য মি. রবিনকে আগুনে পোড়াবার প্রয়োজন হয়ে পড়ে। এভাবে মানুষের মহাজাগতিক প্রয়োজনসমূহকে রক্ষা করা হয়। কিন্তু বন্ধুত্ব এবং শত্রুতার মধ্যবর্তী প্রভেদগুলো দুর্বল এবং সার্বজনীন প্রীতির আবরণে ঢেকে রাখা যায় না। মি. রবিনসনও অংশতঃ বাদ দিয়ে মানুষের সুখ-সন্তুষ্টি মতবাদে বিশ্বাস করেন।

    কোপার্নিকাসের পূর্ববর্তী সময়ে দর্শনে পৃথিবীর কেন্দ্রাভিমূখীতা রক্ষা করার কোন প্রয়োজন ছিল না। দৃশ্যমানভাবে জ্যোতিষ্কমণ্ডলী পৃথিবীর চারপাশে ঘুরে বেড়াত। কিন্তু পৃথিবী যখন কেন্দ্রীয় অবস্থান থেকে বিচ্যুত হলো মানুষও তার প্রাধান্য থেকে ছিটকে পড়ল। তাই বিজ্ঞানের স্থূলতা নিরসনের জন্য একধরনের মননশীল শক্তির প্রয়োজন দেখা দিল।

    যারা এ মহৎ কর্তব্য করার গৌরব অর্জন করলেন, তাদেরকে বলা হয়ে থাকে আদর্শবাদী। বিশ্বে যা কিছু চোখে দেখা যায়, তাঁদের মতে সব কিছুই অলীক। পক্ষান্তরে, আমাকেই তারা একমাত্র সত্য হিসেবে ধরে নিলেন। এই আত্মিক শক্তিতে বলবানেরা সাধারণের উপর প্রভাব বিস্তার করলেন। গৃহের চেয়ে ভালো কোন স্থান খুঁজে না পেয়ে তারা শেখালেন সব জায়গা গৃহের মতো হেগেল পৃথিবীকে তার সমকালীন প্রাশ্যান সাম্রাজ্যের সঙ্গে তুলনা করেছেন বেশি জোর দিয়ে। এসব মতবাদের স্বপক্ষে এত ফাপান-ফোলান যুক্তি প্রদান করা হয়েছে, স্বয়ং মতবাদ প্রণেতারা নিজেদেরকে মানুষের আশা আকাঙ্ক্ষা থেকে বিযুক্ত করে রেখেছেন। তর্কের নীরস কচকচি থেকে উপসংহার হিসেবে এসব মতবাদের সৃষ্টি। ভুলভ্রান্তি দিয়েই আকাঙ্খর ঐকান্তিকতাকে যাচাই করা হয়। হিসাবের বেলায় একজন মানুষ তার স্বার্থের বিপক্ষের বদলে স্বপক্ষেই ভুলটা করে বেশি। যখন একজন মানুষ যুক্তির মাধ্যমে অগ্রসর হয়, তখন তার আশা-আকাঙ্ক্ষা যে দিকে নাগাল পায় না, সে দিকে অগ্রসর হওয়ার চেয়ে আকাক্ষার স্বপক্ষে ভুলত্রুটির মধ্যে জড়িয়ে যাওয়া খুবই স্বাভাবিক।

    অনেকে বলতে পারেন, আবিস্কৃত পদ্ধতিগুলো যদি অসত্য হয় তাহলেও সেগুলো তো কারও ক্ষতি করে না বরঞ্চ উপভোগ্য, সেজন্য ওসবের বিরোধিতা করা উচিত নয়। প্রকৃত ক্ষতিকারক না হয়ে আনন্দ দিতে সক্ষম হলে এর ঋণ শোধ করতে হয়। আংশিকভাবে নৈসর্গিক অবস্থা থেকে এবং আংশিকভাবে পরস্পরের প্রতি বিদ্বেষের ফলেই জীবনে দুঃখ বেদনার সৃষ্টি হয়। সাবেক যুগে মানুষকে খাবারের প্রতিযোগিতায় যুদ্ধে নামতে হতো এবং জয়ী হতে না পারলে তারা খাবার পেত না। বর্তমানে বিজ্ঞানের উৎকর্ষের ফলে প্রকৃতি যা দিতে শুরু করেছে, একজন দু’জন না করে সামগ্রিকভাবে সকলে যদি একসঙ্গে বিজ্ঞানের সাধনায় আত্মনিয়োগ করে, তাহলে মানবসমাজকে অধিকতর সুখী এবং সমৃদ্ধিশালী করে গড়ে তোলা যাবে। অন্য মানুষের সঙ্গে সংগ্রামে প্রকৃতিকে সহায় অথবা, শত্রু হিসেবে ব্যবহার করার মধ্যে পৃথিবীতে মানুষের আসল অধিকার সূচিত হয় না। তা হলে, শক্তির বৈজ্ঞানিক প্রতীতি থেকে তার দৃষ্টি ভিন্ন দিকে ধাবিত হয়, অথচ বৈজ্ঞানিক সংগ্রামের মাধ্যমেই পৃথিবীতে স্থায়ী কল্যাণ প্রতিষ্ঠা করা যায়।

    ব্যবহারিক যুক্তিসমূহ বাদ দিলে সুখের সন্ধান করার যে প্রবৃত্তি তা অসত্য বিশ্বাসের উপর প্রতিষ্ঠিত হয়, যা মহৎ গৌরবান্বিত দু’টার কোনটাই নয়। পৃথিবীতে মানুষের সত্যিকারের স্থান কোথায় তা চিন্তা করে যারা সংস্কারের দেয়ালে আত্মরক্ষা করে এটা তাদের কাজে দুর্লভ জীবনের বলিষ্ঠ আনন্দের আস্বাদ। পক্ষান্তরে যারা চিন্তা দুর্ণাব্য সমুদ্রে পাড়ি জমাতে সাহস করে, তারাই আপন শক্তিহীনতার মুখোমুখি নির্ভয়ে দাঁড়াতে পারে। সর্বোপরি এতে ভয়ের পীড়ন থেকে মুক্তি মেলে-যে ভয় দিনের আলোকে ঢেকে রাখে এবং মানুষকে অত্যাচারী ও নিষ্ঠুর করে। যে মানুষ পৃথিবীতে তার স্থান কোথায় খুঁজে পায় না সে কখনও ভয় থেকে মুক্তি পায় না, সে কখনও সম্ভাব্য মহত্ব অর্জন করতে পারে না।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleসূর্য তুমি সাথী – আহমদ ছফা
    Next Article সাম্প্রতিক বিবেচনা : বুদ্ধিবৃত্তির নতুন বিন্যাস – আহমদ ছফা

    Related Articles

    আশাপূর্ণা দেবী

    সমুদ্র কন্যা – আশাপূর্ণা দেবী

    April 24, 2026
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    আমাদের মহাভারত – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    March 20, 2026
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়

    বিপিনের সংসার – বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়

    January 8, 2026
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    ভয় সমগ্র – হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    December 9, 2025
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    কিশোর অ্যাডভেঞ্চার সমগ্র – হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    December 9, 2025
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    প্রকাশ্য দিবালোকে – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    November 18, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    अनीश दास
    मौलाना शाह वलीउल्लाह
    रेवरेंड के. के. जी. सरकार
    অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিজ্ঞান রায়চৌধুরী
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমরেন্দ্র চক্রবর্তী
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অরিন্দম দেবনাথ
    অর্পিতা সরকার
    অশোককুমার মিত্র
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    কৌশিক সামন্ত
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যজ্যোতি মজুমদার
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেইল লোনডেস
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শঙ্কর চ্যাটার্জী
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শাক্যজিৎ ভট্টাচাৰ্য্য
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সম্পাদনা : শৈলেন্দ্র হালদার
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্মরণজিৎ চক্রবর্তী
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    অপেক্ষার বারোমাস – অর্পিতা সরকার

    May 1, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    অপেক্ষার বারোমাস – অর্পিতা সরকার

    May 1, 2026
    Our Picks

    অপেক্ষার বারোমাস – অর্পিতা সরকার

    May 1, 2026

    শ্মশানকোকিলের ডাক – সৌভিক চক্রবর্তী

    May 1, 2026

    এসো না অসময়ে – অর্পিতা সরকার

    May 1, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }