Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    অপেক্ষার বারোমাস – অর্পিতা সরকার

    May 1, 2026

    শ্মশানকোকিলের ডাক – সৌভিক চক্রবর্তী

    May 1, 2026

    এসো না অসময়ে – অর্পিতা সরকার

    May 1, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    সংশয়ী রচনাবলী – আহমদ ছফা

    লেখক এক পাতা গল্প296 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ০৬. যন্ত্র এবং আবেগ

    যন্ত্র কি আবেগ সমূহকে হত্যা করবে? না আবেগসমূহ যন্ত্রপাতিকে বিনষ্ট করবে? অনেক আগে স্যামুয়েল বাটলার তার (EREWHON) এয়ার হোন-এ প্রশ্নটির অবতারণা করেছেন। যন্ত্রযুগের ব্যাপক প্রসারের সঙ্গে সঙ্গে এ প্রশ্নটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।

    যন্ত্র এবং আবেগের মধ্যে কোন বিবাদ কেনো থাকবে, আপাতঃদৃষ্টিতে তা ধরা পড়ার কথা নয়। প্রত্যেকটি শিশু স্বাভাবিকভাবে যন্ত্র ভালোবাসে। অত্যাধিক শক্তিধর এবং প্রকাণ্ড যন্ত্রের প্রতি তার আকর্ষণ প্রচণ্ড। জাপানিদের মতো যে জাতির ঐতিহ্য শৈল্পিক বিশেষত্ব আছে, সংস্পর্শে আসা মাত্রই প্রতীচ্যের যন্ত্রের, যান্ত্রিক পদ্ধতির প্রতি আকৃষ্ট হয়েছে এবং যত শিগগির সম্ভব অনুকরণ করার জন্যে উঠে পড়ে লেগেছে। (ইউরোপ) ভ্রমণ করেছেন এমন একজন শিক্ষিত, এশিয়ান প্রাচ্যের জ্ঞানরাজির প্রশংসা এবং এশীয় সভ্যতার ঐতিহ্যগত উৎকর্ষের কথা শুনতে যত বিরক্ত হবেন, তেমনটি আর কিছুতেই হবেন না। বালককে পুতুলের বদলে খেলনা মোটর দিলে যে পরিমাণ খুশী হয়ে ওঠে, তিনিও আসল মোটর পেলে তার শরীরের উপর দিয়ে চলে যেতে পারে সে কথা উপলব্ধি না করে খেলনা মোটর পাওয়া শিশুর মতো খুশী হয়ে উঠবেন।

    প্রতীচ্যে মুষ্টিমেয় কবি এবং নন্দনতাত্বিক ছাড়া অন্য সকলের চোখে প্রথমাবস্থায় যন্ত্র একই রকমের আনন্দদায়ক ছিল। উনবিংশ শতাব্দীকে পূর্ববর্তী শতাব্দীগুলোর তুলনায় যান্ত্রিক উৎকর্ষের জন্য উল্লেখযোগ্য বিবেচনা করা হয়। প্রথম জীবনে পিকক (peacock) gosto giusreo syfaro (Steam intellect society) Pos GT করতেন। তিনি ছিলেন সাহিত্যের মানুষ, তার কাছে গ্রিসিয় এবং লাতিন গ্রন্থকারেরা ছিলেন সভ্যতার প্রতীক। কিন্তু তিনি ছিলেন তার যুগের বহতা ভাবধারার প্রতি অত্যধিক সচেতন, কিন্তু যুগের মানুষের কাছে অপাংক্তেয় হওয়ার ভয়ে তা করেছিলেন। রুশোর শিষ্যদের সঙ্গে হ্রদের তীরের কবিরা মধ্যযুগীয় সমস্ত বৈশিষ্ট্যসমূহ প্রকৃতিতে ফিরে গেলেন। উইলিয়াম মরিস (William Morris) তার নিউজ ফ্রম নো হোয়ার (News from nowhere) কাব্যগ্রন্থে এমন একটি দেশের বর্ণনা দিয়েছেন (যেখানে সারাবছর জুন মাস, লোকজন পরমানন্দে তাদের কাজকর্ম গুছিয়ে নিচ্ছে) সবকিছুর মধ্যে একটি খাঁটি আবেগময়তা এবং যান্ত্রিকতার ভাব পরিদৃশ্যমান।

    স্যামুয়েল বাটলার ছিলেন একমাত্র ব্যক্তি যিনি সর্বপ্রথম নিরুত্তর আবেগে যন্ত্রের বিরোধিতা করেছিলেন, তবে তা তার মধ্যে দ্রুণরূপে বর্তমান ছিল। অন্তরের গভীর শেকড় প্রসার করতে পারেনি। তার সময় থেকে যন্ত্ৰোন্নত জাতিগুলোর কিছুসংখ্যক মানুষ (EREWHONLAN) এরয়ারহোনিয় মতবাদের সমগোত্রীয় একটা মতবাদের দিকে ঝুঁকে পড়েছে। এই মতবাদ শিল্পোৎপাদন পদ্ধতির প্রতি বিদ্রোহ মনোভাবাপন্ন অনেকের দৃষ্টিভঙ্গীতে প্রচ্ছন্ন অথবা প্রকাশ্যে ক্রিয়াশীল। যন্ত্রকে পূজা করা হয়, যেহেতু যন্ত্র সুন্দর, দাম দেয়া হয় শক্তিধর বলে, বিকট ভীষণ বলে ঘৃণা করা হয় এবং দাসত্ব ব্যবস্থা কায়েম করে বলে যন্ত্রের প্রতি বিতৃষ্ণা জ্ঞাপন করা হয়। এর মধ্যে কোন সিদ্ধান্তটা ভালো সে বিষয়ে মন্তব্য করব না, তা করলে মানুষের পা থাকা ভালো, মাথা থাকা খারাপ তাও আমাদের ধারণা করতে হয়। যদিও আমরা সহজে কল্পনা করতে পারি লিলিপুটের মানুষেরা গ্যালিভারের পা মাথা নিয়ে ঝগড়ায় মেতে উঠেছে। যন্ত্র হলো, আরব্যোপন্যাসের সে জ্বীনের মতো প্রভুর কাছে উপকারী এবং সুন্দর, শত্রুর কাছে ভয়াল ভীষণ। কিন্তু আমাদের যুগে কোন কিছুকে উলঙ্গ করে সহজভাবে দেখতে দেয়া হয় না। এটা সত্য যে যেখানে যন্ত্রের ঘর্ঘর শব্দ পৌঁছায়না, অবর্জনার নোংরা স্তূপদৃষ্টিগোচর হয়না, যেখানে দুর্গন্ধ বাতাসে নিশ্বাস নিতে হয় না, যন্ত্রের মালিকেরা তেমনি নিরাপদ ব্যবধানে বাস করেন। যদি কখনো আসেন তাহলে যন্ত্র চালু হওয়ার আগে যখন তিনি যন্ত্রের শক্তির প্রশংসা করতে পারেন, ধূলোবালি আর উত্তাপে অতিষ্ঠ না হয়ে খুঁটিনাটি দেখে মোহিত হতে পারেন। যারা যন্ত্রের সঙ্গে বাস করেন এবং যন্ত্রে কাজ করে তাদের দৃষ্টিতে যন্ত্রকে বিচার করতে চ্যালেঞ্জ করা হলে সব সময় তারা একই রেডিমেড জবাব দেবেন। তারা বলবেন, যন্ত্র চালু থাকার ফলে তারা বেশি পরিমাণে জিনিসপত্র কিনতে পারছেন। সুতরাং তারা তাদের পিতা পিতামহের চেয়ে অনেক অনেক বেশি সুখী। তা যদি সত্য হয়, সব মানুষে করে এমনি একটা ধারণাকে আমাদের স্বীকার করে নিতে হয়।

    ধারণাটা হলো বস্তুগত পণ্যদ্রব্যের অধিকারী হতে পারলে জীবনে সুখী হওয়া যায়। এটাও ধারণা করা যায় যে মানুষের দুটো কক্ষ, দুটো বিছানা এবং দুটো করে রুটি আছে সে মানুষটি একটি কক্ষ, একটি রুটি একটি বিছানা যে মানুষটির আছে তার তুলনায় ঢের বেশি সুখী। মানুষ সব সময়ই ভাবে মানুষের সুখ রুজি রোজগারের উপর নির্ভরশীল। মাত্র কিছু সংখ্যক মানুষ, সেও সব সময় আন্ত রিকতার সঙ্গে নয়, ধর্ম এবং নৈতিকতার নামে এ ধারণার বিরুদ্ধে চ্যালেঞ্জ করে থাকেন, আবার তারাও উচ্চ কণ্ঠ প্রচারের মাধ্যমে আয়ের পরিমাণ বাড়াতে পারলে মনে মনে খুব খুশী হন। কোন ধর্ম কিংবা নৈতিকতার বশে নয়, মনস্তত্ত্ব এবং জীবন পর্যবেক্ষণের দৃষ্টিকোণ থেকে আমি এ ধারণার প্রতিবাদ করতে চাই। জীবনের সুখ যদি রুজি-রোজগারের অনুপাতে হয়ে থাকে তাহলে যন্ত্রের বিপক্ষে বলার আমার কিছু নেই। তা যদি সত্য না হয়ে থাকে তাহলে আগাগোড়া সমস্ত প্রশ্নটা পরীক্ষা করে দেখার অপেক্ষা রাখে।

    মানুষের যেমন শারীরিক প্রয়োজন আছে, তেমনি তার মধ্যে আবেগ আছে। যেখানে মানুষের প্রথমটির অভাব মিটেনা সেখানে দ্বিতীয় অভাবগুলোই প্রথম এবং প্রধান হয়ে দাঁড়ায়। শারীরিক প্রয়োজন মিটলে পরে প্রয়োজনের সঙ্গে সম্পর্কহীন আবেগরাশি মানুষ সুখী কি অসুখী তা নির্ধারণ করতে তৎপর হয়ে ওঠে।

    আধুনিক শিল্পাঞ্চলসমূহের অনেক মানব-মানবী এবং শিশু প্রয়োজন মতো শারীরিক অভাব মিটাতে পারেনা। আয় বৃদ্ধি হলো তাদের সুখবৃদ্ধির প্রথম সোপান একথা আমিও স্বীকার করি। সেগুলো অতিরিক্ত নয় সংখ্যার সে জন্যে সকলের শারীরিক প্রয়োজনের উপকরণাদি সরবরাহ করা অসম্ভব কিছু নয়। আমি তাদের কথা বলছি না, বলছি তাদের কথা, যাদের বেঁচে থাকার প্রয়োজনের তুলনায় বেশি আছে, প্রয়োজনের তুলনায় অনেক বেশি যাদের আছে তাদের নয়, সামান্য পরিমাণ বেশি যাদের আছে তাদের কথাও বলছি। আমরা সকলে উপার্জন বাড়াতে চাই, তার কারণটা কী? প্রথম দৃষ্টিতে মনে হতে পারে আমাদের আকাঙ্ক্ষা পরিতৃপ্ত করতে পণ্যদ্রব্যের প্রয়োজন। আদতে আমরা প্রতিবেশীদের উঁট দেখাবার জন্যে পণ্যদ্রব্য কামনা করে থাকি। যখন একজন মানুষ পুরনো খারাপ বাসা ছেড়ে একটি রুচিসম্মত ঘরে উঠে আসে, তখন সে মনে করে এবার উন্নত ধরনের লোকেরা তার স্ত্রীকে নিমন্ত্রণ করবে, বিগত অসচ্ছল দিনের চিহ্ন জীবন থেকে এভাবে বুঝি মুছে যাবে। ছেলেকে ভালো স্কুলের অথবা ব্যয়বহুল বিশ্ববিদ্যালয়ে পাঠিয়ে বেশি মাইনে দিয়ে সামাজিক মর্যাদার আসন দখল করে নিলো বলে আত্মপ্রসাদ অনুভব করে। ইউরোপ, আমেরিকার বড় শহরে কোন কোন অঞ্চলের ভালো ঘরের ভাড়া অন্যান্য অঞ্চলের ভালো ঘরের ভাড়ার চাইতে অনেক বেশি এ কারণে যে সেগুলো অত্যন্ত সৌখিন। আমাদের মনের গভীরে সম্মানিত এবং প্রশংসিত হওয়ার আকাঙ্খ অত্যন্ত প্রবল। স্বাভাবিকভাবেই ধনীলোকেরা অত্যধিক শ্রদ্ধা এবং সম্মান পেয়ে থাকে। মানুষের ধনী হওয়ার আসল কারণ হলো এটি। টাকা দিয়ে তারা যে সকল জিনিস ক্রয় করে, তার ভূমিকা সেখানে প্রথম নয়, দ্বিতীয়। দৃষ্টান্তস্বরূপ বলা যেতে পারে, যে কোটিপতি এক ছবি থেকে আরেক ছবির পার্থক্য পর্যন্ত বোঝে না সেও বিশেষজ্ঞদের সাহায্য নিয়ে ওল্ড মাষ্টারদের ছবি কিনে আর্ট গ্যালারি রচনা করে। অন্যেরা কত খরচ করেছে তা অবাক হয়ে ভাববে-ছবিগুলো শুধু এই আনন্দই তাকে দিয়ে থাকে। নিজের শ্লাঘা বোধ থেকে এই আনন্দ সে কখনো পেতে পারে না।

    এই বোধ বিভিন্নভাবে প্রকাশ পেতে পারে এবং বিভিন্ন সমাজে এর প্রকাশভঙ্গী বিভিন্ন। অভিজাত সমাজে মানুষকে জন্মের জন্যে সম্মান করা হয়। প্যারির কোন কোন মহল মানুষকে, তার জীবন যতই বিচিত্র হোকনা কেনো শিল্পপ্রতিভার জন্যেই সম্মান করা হয়ে থাকে। জার্মান বিশ্ববিদ্যালয়ে একজন মানুষ তার জ্ঞানের জন্য সম্মানিত হয়। ভারতে সন্নাসীদের সম্মান করা হয়। চীনদেশে সাধুদের। বিভিন্ন সমাজ পর্যবেক্ষণ আমাদের বিশ্লেষণের যথার্থতাই প্রমাণ করে। সকল সমাজের মধ্যে এমন কতক মানুষের দেখা পাওয়া যায় তারা যতক্ষণ পর্যন্ত টাকা পয়সা ছাড়া বেঁচে থাকা যায় ততক্ষণ পর্যন্ত টাকা পয়সার প্রতি চরম ঔদাসীন্য প্রদর্শন করে। কিন্তু যে গুণটির বলে পরিবেশকে মুগ্ধ করে সম্মানিত হয় সে গুণটির পরিচর‍্যা করে তারা।

    এসব বাস্তব সত্যের প্রাধান্য এটা প্রমাণ করে যে সম্পদের প্রতি আধুনিক মানুষের আকাঙ্ক্ষা তার প্রবৃত্তির গভীরে প্রোতিত নয়। ভাসা ভাসা আকাঙ্ক্ষাকে বিভিন্ন সামাজিক সংস্থার মাধ্যমে চূর্ণ-বিচূর্ণ করে দেয়া যায়। যদি আইন করে সকলের আয় সমান করে বেঁধে দেয়া হয়, তাহলে প্রতিবেশীদের চাইতে নিজেদের শ্রেষ্ঠত্ব প্রমাণ করবার জন্য অন্য পথের সন্ধান করতে হবে। পণ্যদ্রব্য হস্তগত করার আকুলি বিকুলির অনেকাংশে নিরসন হবে। যতদিন প্রতিযোগীদের মধ্যে তীব্র আকাক্ষা বিরাজ করবে ততদিন আমরা প্রতিবেশীদের হারিয়ে দিয়ে তাদেরকে যতটুকু বেদনার্থ করতে পারব নিজেরাও ততটুকু পুলকিত হব। সম্পদের বৃদ্ধির ফলে প্রতিযোগিতামূলক কোন সুবিধা যেমন আসেনা, তেমনি দিতে পারে না প্রতিযোগিতামূিলক কোন সুখের সন্ধান। পণ্যদ্রব্য ক্রয় করে উপভোগ করার মধ্যে সত্যিকারের কিছুটা আনন্দ আছে। কিন্তু আমরা দেখেছি, যে বস্তু আকাঙ্ক্ষা করি এ তার কিয়দংশ মাত্র। এতদূর পর্যন্ত যখন দেখা গেলো আমাদের আকাঙ্ক্ষাগুলো প্রতিযোগিতামূলক এবং সে অনুসারে অতিরিক্ত ধনাগমের ফলে মানুষের সাধারণ অথবা বিশেষ কোন সুখের বৃদ্ধি সাধন করেনা।

    যন্ত্র মানুষের সুখ বৃদ্ধি করে। এর সমর্থনে যদি যুক্তি দেখাতে হয় তারপরেও যে পরিমাণ উন্নতি বিধান করে থাকে চরম দারিদ্রের নিরোধক হিসেবে ব্যবহৃত হওয়া ছাড়া এর সমর্থনে যন্ত্র কোন মূল্যমানের প্রতিষ্ঠা করে না। কোন যন্ত্র সেভাবে ব্যবহৃত হবে তার কোনও সংগত কারণ নেই। যেখানে জনসংখ্যা স্থির সেখানে যন্ত্র ছাড়াও দারিদ্রের নিরসন করা যায়। উদাহরণস্বরূপ বলা যেতে পারে, ফরাসিদেশে দারিদ্র খুবই কম, যদিও সে দেশে কল-কারখানা আমেরিকা, ইংল্যাণ্ড এবং যুদ্ধপূর্ব জার্মানির তুলনায় অনেক কম,পরোক্ষভাবে কল-কারখানা যেখানে বেশি সেখানে অভাবও বেশি। একশ বছর আগেকার ইংল্যাণ্ডের শিল্পাঞ্চলগুলো এবং বর্তমান জাপানকে তার দৃষ্টান্ত হিসেবে ব্যবহার করা যেতে পারে। যন্ত্রের সাহায্যে নয় শুধু, অভাব দূর করতে হলে আমাদেরকে অন্যকিছুর উপর নির্ভর করতে হবে। অভাবকে বিজয় করা ছাড়া সম্পদ বৃদ্ধি করার মূল্য তেমন বেশি কিছু নয়।

    ইতোমধ্যে যন্ত্র আমাদের দুটো জিনিস থেকে বঞ্চিত করেছে। মানুষকে সুখী হতে হলে তার চরিত্রে এ দুটোর অতীব প্রয়োজন। উপাদান দুটো হলো বৈচিত্র এবং স্বতঃস্ফূর্ততা। কলের নিজস্ব ক্ষুধা আছে এবং ক্ষুধা নিবৃত্তির জন্য নিজস্ব দাবি আছে। যে মানুষ কলের মালিক সে তা অবশ্যই চালু রাখবে। আবেগসমূহের দৃষ্টিকোণ থেকে যন্ত্রের নিয়মতান্ত্রিকতাই হচ্ছে সবচেয়ে বড় বিপত্তি। যে সব মানুষ নিজেদের সিরিয়াস বলে ধারণা করে তাদের যন্ত্রের সবগুলো বৈশিষ্ট্যমণ্ডিত বলে প্রশংসাও করা হয়। উদাহরণস্বরূপ তারা বিশ্বাসযোগ্য, সময়নিষ্ঠ, যথার্থ ইত্যাদি ইত্যাদি। এর কারণ হলো যন্ত্র মানুষের চিন্তাকে নিয়ন্ত্রণ করেছে। একটি খারাপ জীবন এবং একটি অনিয়মিত জীবনে বর্তমানে বিশেষ প্রভেদ নেই। বের্গসঁর দর্শন এ ধরনের দৃষ্টিভঙ্গীর বিরুদ্ধে প্রবল প্রতিবাদ। যদিও আমার মনে হয়, তিনি শুধু মানুষকে সর্বতোভাবে যন্ত্রে রূপায়িত হতে দেখে আতংকে অনুপ্রাণিত হয়েছিলেন।

    জীবনে আমাদের চিন্তার প্রতিকূল বিদ্রোহী প্রবৃত্তিগুলো যন্ত্রের দাসত্বে অস্বীকৃতি জানিয়ে একটি চরম অশুভ দিকে মোড় নিয়েছে। সমাজবদ্ধভাবে জীবনযাপনের শুরু থেকে যুদ্ধস্পৃহা বর্তমান ছিল কিন্তু আমাদের যুগের এত তা ভয়াল ভয়ংকর রূপ ধারণ করেনি কখনো। অষ্টাদশ শতাব্দীর প্রারম্ভে বিশ্বে নেতৃত্ব করার আকাঙ্ক্ষায় ইংল্যাণ্ড এবং ফরাসি দেশের মধ্যে অসংখ্য যুদ্ধ-বিগ্রহ সংঘটিত হয়েছে। কিন্তু সকল সময়ে তারা পরস্পর পরস্পরকে পছন্দ করত এবং পরস্পরের প্রতি শ্রদ্ধাবোধও তাদের অক্ষুণ্ণ ছিল। বন্দী অফিসারেরা সামাজিক ক্রিয়াকাণ্ডে যোগদান করতেন এবং ডিনার পার্টিতে সম্মানীয় অতিথি বলে গণ্য হতেন। ১৬৬৫ খ্রিস্টাব্দের প্রারম্ভে যখন আমাদের সঙ্গে হল্যাণ্ডের যুদ্ধ হয় তখন ওলন্দাজলের নিষ্ঠুর কার্যকলাপের গল্পসহ একজন মানুষ এলেন আফ্রিকা থেকে। আমরা বৃটিশ দ্বীপপুঞ্জের অধিবাসীরা উৎসাহিত হয়ে ধারণা করেছিলাম যে গল্পগুলো অলীক, তাকে শাস্তি দিয়েছিলাম এবং ওলন্দাজদের অস্বীকৃতি ছাপিয়ে প্রকাশ করেছিলাম। গতযুদ্ধে হলে আমরা তাকে নাইট উপাধিতে ভূষিত করতাম এবং তার সত্যনিষ্ঠায় কেউ সন্দেহ করলে আমরা তাকে জেলখানায় পাঠাতাম। যন্ত্রের কারণে আধুনিক যুদ্ধ জঘণ্যভাবে নৃশংস এবং এ নৃশংসতা তিনটি উপায়ে সক্রিয়। প্রথমতঃ যন্ত্র অধিক সংখ্যক সৈন্য রাখার সুযোগ দিয়ে থাকে। দ্বিতীয়তঃ খবরের কাগজের সস্তা প্রচার মানুষের অপকৃষ্ট বৃত্তিসমূহ আগুন ধরিয়ে দেয়। তৃতীয়তঃ মানব চরিত্রের স্বতঃস্ফূর্ত স্বৈরাচারী দিকটি যা অন্তঃশীলা স্রোতে অস্পষ্ট একটা অতৃপ্তির ভাব সৃষ্টি করে, যার ফলে যুদ্ধের আবেদন মানুষের চোখে অতৃপ্তি থেকে রক্ষা পাওয়ার একটা পন্থার এত ঠেকে। এই তৃতীয় পন্থাটিকে ঘিরেই আমাদের আলোচনা। গতযুদ্ধের এত বিরাট একটা রদবদলকে শুধুমাত্র রাষ্ট্রনৈতিকদের দুরভিসন্ধি মনে করা আমাদের পক্ষে ভুল হবে। রাশিয়ার মানুষের মধ্যে এ বোধ পর্যাপ্ত পরিমাণে ছিল বলে তারা বোধ হয় সর্বান্তঃ করণে যুদ্ধ না করে একটা বিপ্লবের মধ্য দিয়ে শান্তি প্রতিষ্ঠা করেছে। কিন্তু ১৯৭১ খ্রিস্টাব্দের জার্মানি ইংল্যাণ্ড এবং আমেরিকার কোন সরকার যুদ্ধের জনপ্রিয় দাবিকে ঠেকিয়ে রাখতে পারত না। এরকম জনপ্রিয় দাবির পেছনে অবশ্যই একটা প্রাকৃকিত ভিত্তি আছে। আমার মতে আধুনিক নিয়মনিষ্ট একঘেঁয়ে জীবনের অসন্তোষ, অতৃপ্তি (যা অনেকাংশে অচেতন) এই যুদ্ধপ্রিয় মনোভাবের সহায়ক হয়েছে।

    এটা স্পষ্টতঃ সত্য যে, আমরা যন্ত্রপাতিকে বিদায় করে পরিস্থিতির সম্মুখীন হতে পারিনে। এরকমের প্রচেষ্টা প্রতিক্রিয়াশীল এবং সর্বক্ষেত্রে অবাস্তব প্রমাণিত হবে। কল-কারখানা জীবনে যে দুর্বিসহ অভিশাপ বয়ে এনেছে, দুঃসাহসিক অভিযানের অনুপ্রেরণায় বেড়িয়ে পড়ে একঘেঁয়েমী ভঙ্গ করা হলো তা এড়িয়ে যাওয়ার একমাত্র পথ। জীবনের ঝুঁকি নিয়ে যারা আল্পস পর্বতের শিখরে আরোহন করেছে তারা তখনও যুদ্ধকে কামনা কররেব কি? শান্তির একজন উৎসাহী এবং কর্মক্ষম কর্মীর সঙ্গে পরিচিতি হবার সৌভাগ্য আমার হয়েছিল, যিনি অভ্যাসবশে আল্পসের সবচেয়ে বিপদ-সংকুল শৃঙ্গে আরোহণ করে সারা গ্রীষ্মকাল অতিবাহিত করেন। যদি প্রত্যেক শ্রমজীবী মানুষকে তাদের ইচ্ছানুসারে উড়োজাহাজ চালানো শিক্ষা দেয়া যায় অথবা সাহারায় নীলকান্ত মণির সন্ধানে পাঠানো হয় অথবা তার আবেগে নাড়া দিতে সক্ষম তেমন কোন উত্তেজনাপূর্ণ কাজে পাঠানো হয় তাহলে যুদ্ধের জনপ্রিয় দাবি প্রতিযোগিতায় এসে দাঁড়াবে এবং ধীরে ধীরে সময়-প্রীতি লোপ পেয়ে যাবে। বিবদমান শ্রেণীসমূহকে শান্ত করার কোন পদ্ধতি আমার জানা নেই, একথা আমি স্বীকার করি। কিন্তু আমি বিশ্বাস করি একটা বৈজ্ঞানিক দর্শনের আঙ্গিকে অন্তরঙ্গভাবে অনুসন্ধান করলে একটা পদ্ধতির সন্ধান অবশ্যই মিলবে।

    যন্ত্র আমাদের জীবনধারায় পরিবর্তন বয়ে এনেছে, কিন্তু প্রবৃত্তিকে নয়। ফলতঃ অসামঞ্জস্য ঘটেছে। আবেগ এবং দর্শন এখন পর্যন্ত শৈশবাবস্থায় রয়ে গেছে। মনঃসমীক্ষা সবেমাত্র সে দর্শনের সূত্রপাত করেছে, কিন্তু তাও আগে যেখানে ছিল বর্তমানেও সেখানে স্থির অনড়ভাবে রয়ে গেছে। মানুষ এমন অনেক কাজ করে, এমন অনেক কিছু চায় যা তার আসল কাম্য নয়। অযৌক্তিক বিশ্বাসের বশে না জেনে মানুষ জীবনের ভিন্নরকম পরিণতি কামনা করে অন্তত আমরা এটুকু মনসমীক্ষা থেকে গ্রহণকরতে পারি। কিন্তু গোঁড়া মনঃসমীক্ষা অন্যায়ভাবে আমাদের সচেতন উদ্দেশ্যেরও সরলীকরণ করে ফেলেছে এবং তা অসংখ্য আর ব্যক্তিতে ব্যক্তিত্বে বিভিন্ন। এটা আশা করা যায় যে শিগগির এমন রাজনৈতিক এবং সামাজিক পরিস্থিতির উদ্ভব হবে যখন এই দৃষ্টিকোণ থেকে মানবচরিত্রের উপর আলোকপাত করা সম্ভব হবে।

    শুধু নৈতিক আত্মনিয়ন্ত্রণ এবং আমাদের বাহ্যিক ক্ষতিকর কাজ বন্ধ করাকে আমাদের স্বৈরাচারী প্রবৃত্তিগুলোর নিরসনের পক্ষে পর্যাপ্ত বলে মনে করা উচিত নয়। এ কারণে নিরসন হয় না যে আমাদের প্রবৃত্তির মধ্যে কতকগুলো মধ্যযুগীয় শয়তানের মতো এমন ছদ্মবেশ ধরতে সক্ষম যে সবচেয়ে সতর্ক তা ফাঁকি দিতে পারে। আমাদের চরিত্রগত প্রবৃত্তিকে পরিতৃপ্তি বিধান করার একমাত্র পন্থা হলো ওগুলোর কিসের প্রয়োজন তা জানা এবং কিভাবে যথাসত্বর কম ক্ষতিকর উপায়ে তার পরিতৃপ্তি বিধান করা যায় তা আবিষ্কার করা। যেহেতু যন্ত্র স্বতঃস্ফূর্ততাকে বিনষ্ট করেছে, একমাত্র সুযোগকেই তার স্থলাভিষিক্ত করতে হবে এবং তা ব্যক্তিক অভিরুচির এখতিয়ারে ছেড়ে দেয়া উচিত। সন্দেহ নেই, এতে বিস্তর খরচ পড়বে, কিন্তু সে খরচ কোনক্রমেই একটা যুদ্ধের ব্যয়ের সঙ্গে তুলনা করা যায় না। মানবচরিত্রের সম্পর্কে সুস্পষ্ট জ্ঞান অবশ্যই মানবজীবনের যে-কোন রকমের উন্নতির ভিত্তি হবে। বহির্বিশ্বের প্রাকৃতিক আইনকে আয়ত্ব করে মানুষ অসাধ্য সাধন করেছে। এ পর্যন্ত আমরা ইলেকট্রোন এবং নক্ষত্রলোক সম্বন্ধে যতটা জানতে পেরেছি নিজেদের চরিত্রের সম্বন্ধে জানাশোনার পরিমাণ তার চেয়ে অনেক স্বল্প। যখন বিজ্ঞান মানবচরিত্র জানতে শুরু করেছে তখন আমাদের জীবনের সুখ সন্তুষ্টি বিধান করতে সক্ষম হবে যা এতকাল প্রকৃতি বিজ্ঞান কিংবা যন্ত্রপাতি দিয়ে বারবার অকৃতকার্য হয়েছে।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleসূর্য তুমি সাথী – আহমদ ছফা
    Next Article সাম্প্রতিক বিবেচনা : বুদ্ধিবৃত্তির নতুন বিন্যাস – আহমদ ছফা

    Related Articles

    আশাপূর্ণা দেবী

    সমুদ্র কন্যা – আশাপূর্ণা দেবী

    April 24, 2026
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    আমাদের মহাভারত – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    March 20, 2026
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়

    বিপিনের সংসার – বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়

    January 8, 2026
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    ভয় সমগ্র – হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    December 9, 2025
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    কিশোর অ্যাডভেঞ্চার সমগ্র – হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    December 9, 2025
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    প্রকাশ্য দিবালোকে – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    November 18, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    अनीश दास
    मौलाना शाह वलीउल्लाह
    रेवरेंड के. के. जी. सरकार
    অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিজ্ঞান রায়চৌধুরী
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমরেন্দ্র চক্রবর্তী
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অরিন্দম দেবনাথ
    অর্পিতা সরকার
    অশোককুমার মিত্র
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    কৌশিক সামন্ত
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যজ্যোতি মজুমদার
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেইল লোনডেস
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শঙ্কর চ্যাটার্জী
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শাক্যজিৎ ভট্টাচাৰ্য্য
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সম্পাদনা : শৈলেন্দ্র হালদার
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্মরণজিৎ চক্রবর্তী
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    অপেক্ষার বারোমাস – অর্পিতা সরকার

    May 1, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    অপেক্ষার বারোমাস – অর্পিতা সরকার

    May 1, 2026
    Our Picks

    অপেক্ষার বারোমাস – অর্পিতা সরকার

    May 1, 2026

    শ্মশানকোকিলের ডাক – সৌভিক চক্রবর্তী

    May 1, 2026

    এসো না অসময়ে – অর্পিতা সরকার

    May 1, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }