Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    অপেক্ষার বারোমাস – অর্পিতা সরকার

    May 1, 2026

    শ্মশানকোকিলের ডাক – সৌভিক চক্রবর্তী

    May 1, 2026

    এসো না অসময়ে – অর্পিতা সরকার

    May 1, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    সংশয়ী রচনাবলী – আহমদ ছফা

    লেখক এক পাতা গল্প296 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ০৭. আচরণবাদ এবং মূল্যবোধ

    একখানি আমেরিকান উন্নত ধরনের সাময়িকীতে আমি একদিন এ বক্তব্য দেখতে পেলাম যে পৃথিবীতে একজন মাত্র আচরণবাদী আছেন, তার নাম হলো ড. ওয়াটসন। কিন্তু পৃথিবীতে আধুনিকমনা মানুষের সংখ্যা বেশি বলে আমার মতে তাদের সংখ্যাও বেশি। তার অর্থ আমি এ বলছি না যে বিশ্ববিদ্যালয়ে যত্রতত্র আচরণবাদীদের দেখা মেলে। তা সত্ত্বেও আমি ছিলাম আচরণবাদী, কিন্তু রাশিয়া এবং চীন না দেখা পর্যন্ত, আমি যে আধুনিক নই সে কথা আমি হৃদয়ঙ্গম করতে পারিনি। নিরপেক্ষ আত্মসমালোচনা আমাকে এ সত্য বিশ্বাস করতে বাধ্য করল যে, যদি আমি তা হই তাহলে মঙ্গলজনক হবে। এ প্রবন্ধে আমার মতো মানুষেরা অনুভব করে এমন কতক অসুবিধা সম্বন্ধে আলোচনা করতে চাই। বিজ্ঞানে আধুনিকতা কী তা গ্রহণ করতে গিয়ে মধ্যযুগীয় ধারণা থেকে আলাদা করার বেলায় জীবনধারণের ক্ষেত্রে বিপদের সম্মুখীন হতে হয়। মূল্যবোধের উপর আচরণবাদের কি যুক্তিগত প্রভাব পড়েছে আমি শুধু সে সম্বন্ধে জিজ্ঞেস করতে চাইনে; কিন্তু সাধারণ মানব-মানবীর উপর এর যা প্রতিক্রিয়া হতে পারে, যদি তাও ব্যাপকভাবে অশোধিত উপায়ে গৃহিত হয়, আমি সে সম্বন্ধেও প্রশ্ন জিজ্ঞেস করতে চাই। আচরণবাদ মনঃসমীক্ষার এত উম্মত্ত হয়ে এখনো ওঠেনি, তা যদি কখনো তেমন হয়ে ওঠে তাহলে ড. ওয়াটসনের শিক্ষার সঙ্গে তার আসমান জমিন তফাৎ হবে। যেমন প্রচলিত ফ্রয়েডবাদ বহুলাংশে ফ্রয়েডের চেয়ে ভিন্নতর।

    আচরণবাদের মোদ্দাকথা হলো আমার মতে, অতীতে মন বলে একটা জিনিস ছিল যা অনুভব, জানা এবং ইচ্ছা এই তিনরকম ক্রিয়া করতে সক্ষম ছিল। মন বলে যে কিছু নেই বর্তমানে তা উদঘাটিত হয়েছে, শরীরটাই সব। শারীরিক ক্রিয়া প্রতিক্রিয়ার মধ্যেই আমাদের সকল রকম কর্মপ্রক্রিয়া নিহিত। অনুভূতি হচ্ছে অন্তর যন্ত্র সম্পর্কিত ক্রিয়া-প্রতিক্রিয়া, বিশেষ করে গ্রন্থির সঙ্গে সংযোগশীল যে সকল প্রতিক্রিয়া। জানা হচ্ছে গলঃনালীর সঙ্গে সম্পর্কশীল ক্রিয়া প্রতিক্রিয়া। ইচ্ছা হচ্ছে আমাদের শরীরের ডোরাকাটা পেশীর আর সকল ক্রিয়া-প্রতিক্রিয়া। সম্প্রতি একজন বিখ্যাত নর্তকী যখন একজন বিখ্যাত বুদ্ধিজীবীকে বিয়ে করলেন, তাদের মধ্যে সমতার অভাব দেখতে পেলেন কেউ কেউ। কিন্তু আচরণবাদে এ ধরণের সন্দেহের কোন অবকাশ নেই। নৃত্যপটিয়সী ভদ্রমহিলা হাত এবং পায়ের চর্চা করেছেন এবং ভদ্রলোক গলঃনালীর পেশীসমূহের চর্চা করেছেন, সুতরাং আলাদা পেশার আলাদা পদ্ধতি হলেও তারা দুজনেই পেশীসঞ্চালনকারী। আমরা একমাত্র শরীরসঞ্চালন করতে পারি বলে সাধারণের পক্ষে স্থির ধারণা পোষণ করা খুবই স্বাভাবিক, যে আমরা শরীরকে যদৃচ্ছা সঞ্চালন করতে পারি। এ ক্ষেত্রে আপেক্ষিকতত্ত্ব অথবা রিলেটিভিটি সম্বন্ধীয় অসুবিধার সৃষ্টি হবে। প্রশ্ন হলো, শরীরের বিভিন্ন অঙ্গ-প্রত্যঙ্গের কি পরস্পর আপেক্ষিকভাবে কাজ করা উচিত? না শরীর সামগ্রিকভাবে শরীরযন্ত্রের নিয়মানুসারে কাজ করে অথবা পৃথিবীর সঙ্গে সম্পর্কশীল যে গতি তাই কি এ গুণের একমাত্র বৈশিষ্ট্য। প্রথম মতামত অনুসারে অঙ্গ সঞ্চালনকারী দড়িবাজিকর হবে আদর্শ মানুষ; দ্বিতীয় মতানুসারে আদর্শ মানুষ হবে ক্রমশ নিম্নে অবতরণকারী মই বেয়ে উঠে যাওয়া মানুষ; তৃতীয় মতানুসারে যে মানুষ সারাজীবন উড়োজাহাজে কাটিয়ে দেয় সে আদর্শ মানুষ হিসেবে বিবেচিত হবে। ফলশ্রুতিস্বরূপ যে বিতর্কের সৃষ্টি হবে কোন নীতি অবলম্বন করলে পরে তার নিষ্পত্তি হবে তা বলা খুব সহজ হবে না। সে যাহোক শেষমেষ আমি শূন্যচারীদের কথা বলছি।

    সবচেয়ে শক্তিশালী দেশের সবচেয়ে শক্তিশালী সম্প্রদায়কে যে উৎকর্ষ সাধিত ধারণাসমূহ পরিচালিত করে সে সব বিবেচনা করলে আমরা এ উপসংহারে আসতে বাধ্য হব যে আচরণবাদকে সত্য বলে বিশ্বাস করে নেয়া হয়েছে তা শুধুমাত্র থিয়োরিগত যৌক্তিকতাই প্রদান করে। যারা শরীরচর্চায় বিশ্বাসী এবং যাদের মতে খেলোয়ারদের উপর জাতির পৌরুষ নির্ভরশীল, অঙ্গ সঞ্চালনকারী দড়িবাজিকররা তাদের নিকট আদর্শ মানুষ হিসেবে বিবেচিত হবে। বৃটিশ শাসকশ্রেণীর অনুসৃত মতবাদ হলো তাই। নিম্নে অবতরণকারী মইয়ে চড়ে উপরে উঠে যাওয়া মানুষ পেশীবান খ্রিষ্টানদের আদর্শ মানুষ বলে স্বীকৃতি অর্জন করবে। তারা মনে করে পেশীর উৎকর্ষ সাধন করা চূড়ান্ত মঙ্গলজনক কিন্তু তার সঙ্গে আনন্দের কোন সংযোগ থাকতে পারবে না। এই মতবাদ ওয়াই. এম. সি. এ চীন দেশে প্রবর্তন করার চেষ্টা করেছে এবং শাসকেরা শাসিত সকল জাতি এবং শ্রেণীর জন্য নির্দিষ্ট করে দেয়ার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। শূন্যচারীরা, যান্ত্রিক শক্তি ব্যবহারকারীদের জন্য সংরক্ষিত অভিজাত আদর্শ। কিন্তু এসবের উর্ধ্বে একটি সর্বোচ্চ ধারণা রয়েছে যা এরিস্টটলের আনমুভড মুভার (Unmoved mover) বা অচলা চালকের কথা স্মরণ করিয়ে দেয়। সে হলো কেন্দ্রের শাসনকর্তা আর সকলে তার চতুর্দিকে বিভিন্ন গতিতে পরিভ্রমণ করে তার জন্য সর্বোচ্চ গতিসঞ্চয় করবে। এই ভূমিকা আমাদের অতিমানুষ, বিশেষ করে পুঁজিপতিদের জন্য সুনির্দিষ্ট। আমাদের কল্পনার উপর যন্ত্রের ক্রমশ জবরদখলের ফলে মানবোকর্ষের যে ধারণা গ্রিকযুগ এবং মধ্যযুগ থেকে আমরা পেয়েছি, তার চাইতে আলাদা একটি দৃষ্টিভঙ্গি যুক্তিগতভাবে আচরণবাদের সঙ্গে খাপ খেতে পারে, কিন্তু মনস্তাত্ত্বিক ভিত্তিতে গড়পড়তা নাগরিকের ক্ষেত্রে তা অচল। সে প্রাচীন দৃষ্টিভঙ্গি অনুসারে অনুভূতি এবং জানাকে কর্মের সঙ্গে গুরুত্বপূর্ণ বিবেচনা করা হতো। শিল্পকলা এবং ধ্যান-ধারণাকে বিশাল পরিমাণ পদার্থের পরিবর্তন সাধন করার মতো প্রশংসনীয় জ্ঞান করা হতো। নিষ্কাম ঈশ্বরপ্রেম এবং নির্মল ঈশ্বরভক্তিই তাদের দৃষ্টিতে মানবের সর্বোচ্চ উৎকর্ষ করা হতো। আদর্শের সবটাই ছিল স্থির অনড়। স্বর্গে সঙ্গীত গাওয়া হয় এবং বীণা বাজানো হয় একথা সত্য, কিন্তু প্রত্যেকদিন একই সঙ্গীত গাওয়া হয় বীণা যন্ত্রের কেননা উন্নতি সহ্য করা হয় না। এরকম কিছুর অস্তিত্ব আধুনিক মানুষের কাছে বিরক্তিকর। মিলটন নরকে যন্ত্রপাতি পাঠাতে পারলেও স্বর্গে তার পক্ষে উন্নত ধরণের যন্ত্রপাতি পাঠানো সম্ভব হয় নি। ধর্ম মতের মার খাওয়ার কারণসমূহের মধ্যে এটি হলো একটি।

    প্রত্যেক নৈতিক পদ্ধতি কতকগুলো বিশ্লেষণাতীত বিষয়ের উপর প্রতিষ্ঠিত, একথা ধরে নেয়া যায়। দার্শনিক প্রথমে বস্তুর প্রকৃতি সম্বন্ধে একটা মিথ্যা থিয়োরি আবিষ্কার করে, তারপরে উপসংহারে, যে সকল কর্ম সে থিয়োরিকে মিথ্যা বলে দেখিয়ে দেয়, সে গুলোকে খারাপ কাজ বলে আখ্যায়িত করে। ঐতিহ্যবাদী খ্রিস্টানদের দিয়ে শুরু করা যাক। তাদের মতে প্রত্যেক জিনিস ঈশ্বরের হুকুম মেনে চলে, সুতরাং ভগবানের হুকুম অমান্য করাটাই হলো গর্হিত কাজ। তারপরে ধরা যাক হেগেলপন্থীদের কথা, তাদের মতে ব্রহ্মাণ্ড হলো বিভিন্ন অংশের সমন্বয়ে সৃষ্টি একটি পরিপূর্ণ জীবদেহ বিশেষ, সুতরাং তাদের মতে সে সমস্ত হলো মন্দস্বভাব যে গুলো ব্রহ্মাণ্ডের মৃসণগতিকে খাট করে দেখে, কি রূপে এ জাতীয় ব্যবহারের উৎপত্তি হয় যদিও তা তলিয়ে দেখা কষ্টসাধ্য ব্যাপার, কেননা এ তাদের থিয়োরির জন্যে ব্রহ্মাণ্ডের নিরংকুশ সঙ্গতি বিজ্ঞানের প্রয়োজন। ফরাসি জনগণের জন্য লিখবার সময় বের্গসঁকে যারা সমর্থন করেন নি তাদের তিনি ভয় দেখিয়েছেন যা নৈতিকভাবে ঘৃণা করার চাইতেও মারাত্মক। আমি তার হাস্যাস্পদ করার ভয়ের কথাই বলছি। তিনি দেখিয়েছেন যে মানুষ কখনো যান্ত্রিকভাবে ব্যবহার করে না এবং হাসি (Laughter) বইতে তিনি বলেছেন কোন মানুষকে যান্ত্রিকভাবে ব্যবহার করতে দেখলেই আমাদের হাস্যোদ্রেক হয়। সুতরাং বের্গসঁর দর্শনকে যখন আপনি ভ্রান্ত বলবেন তখনই আপনি হাস্যাস্পদ ব্যক্তিতে পরিণত হবেন। দর্শনের কোন নৈতিক ফলশ্রুতি যে মিথ্যার উপর ভর করা ছাড়া থাকতে পারে না, এই উদাহরণগুলো তা পরিষ্কারভাবে বুঝিয়ে দেবে বলে আমি আশা করি, বরঞ্চ সত্যিকারের নৈতিক ভিত্তি বলে কোন কিছু থাকলে যে কাজগুলো তা পাপ বলে সংজ্ঞায়িত করে কখনো সে সব করা সম্ভব হতো না।

    আচরণবাদের ক্ষেত্রে এসকল মন্তব্য প্রয়োগ করে, আমি এ সিদ্ধান্তে এসেছি যে, এর যদি কোন নৈতিক ফলাফল থেকে থাকে তা ভ্রান্ত। পক্ষান্তরে সত্যিকারের কে” নৈতিক ভিত্তি থাকলে আচরণের উপর এর কোনও প্রভাব নেই। প্রচলিত আচরণবাদের ক্ষেত্রে (যদিও কড়াকড়ি বৈজ্ঞানিকভাবে নয়) এগুলো প্রয়োগ করে আমি ভ্রান্তির কয়েকটা প্রমাণ পেয়েছি। প্রথমতঃ কোন নৈতিক ফলাফল নেই একথা মানুষ জানতে পেলে সবরকমের বিশ্বাসের প্রতি আগ্রহ হারিয়ে ফেলবে। এক্ষেত্রে আলাদা করার প্রয়োজন আছে। সত্য মতবাদের নৈতিক ফলাফল না থাকলেও বাস্তব ফলাফল রয়েছে। যদি কোন স্বয়ংক্রিয় যন্ত্র যেটাতে দুটো মুদ্রা দিয়ে জিনিস নেয়া যায় এত করে তৈরি করা হয়েছে, একটাকে দিয়ে নিতে চাইবার চেষ্টা করে যখন বিফল হবেন, সেখানে সত্যের বাস্তব ফলাফল মানে আপনাকে আর একটা মুদ্রা দিতেই হবে। কেউ একে নৈতিক বলবে না, কিভাবে আপনার ইচ্ছাকে সন্তুষ্ট করতে হবে তার সঙ্গেই এর সম্বন্ধ। একইভাবে ড. ওয়াটসনের বইয়ে এমন সব বিষয় বিকশিত করা হয়েছে, যেগুলো বিশেষ করে শিক্ষাব্যবস্থার মধ্যে রাজনৈতিক গুরুত্বপূর্ণ ফলাফল রয়েছে। আপনি যদি একটি শিশুর ব্যবহার বিশেষভাবে চালিত করতে চান, তাহলে ফ্রয়েডের চেয়ে ড. ওয়াটসনের উপদেশ অনুসরণ করা আপনার পক্ষে বুদ্ধিমানের কাজ হবে। কিন্তু তা নৈতিক নয়। বৈজ্ঞানিক ব্যাপার, যখন কতেক কাজকে তাদের ফলাফলের চাইতে স্বাধীনভাবে করা উচিত বলে আপনি মনে করেন, তখনই আসে নৈতিকতা।

    আমরা এখন দেখতে পাচ্ছি যে আচরণবাদ যতই অযৌক্তিক হোকনা কেননা প্রকৃত অর্থে একটা নীতিশাস্ত্রের অনুমোদন করে। এর যুক্তি হতে পারে, আমরা শুধুমাত্র পদার্থকে গতিশীল করতে পারি, সুতরাং আমাদের পক্ষে যতটুকু সম্ভব সে পরিমাণ পদার্থ গতিশীল করা উচিত এবং শিল্পকলা ও চিন্তাভাবনা যে পর্যন্ত বস্তুর গতিকে ত্বরান্বিত করতে পারে, সে পরিমাণ মূল্যবান। সে যাহোক, এ হলো দৈনন্দিন জীবনধারণের একটি অতি দার্শনিক বৈশিষ্ট্য। এর বাস্তব বৈশিষ্ট্য হলো উপার্জন। ড. ওয়াটসনের থেকে নিম্নোক্ত অনুচ্ছেদটি নেয়া যাক।

    “চরিত্র এবং ক্ষমতা ব্যক্তির বার্ষিক সাফল্যের নিরিখে পরীক্ষা করাই হলো আমার মতে ব্যক্তিত্ব বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ উপাদানসমূহের মধ্যে একটি। আমরা তা নিরপেক্ষভাবে সময়ের দীর্ঘতা অনুসারে যে বিভিন্ন পরিস্থিতিতে তার আয়ের বৃদ্ধি সাধন করেছে বার্ষিক হিসাব যে অনুসারে করতে পারি। যদি ব্যক্তিটি একজন লেখক হয় তাহলে বছর বছর গল্প লেখার সে টাকা পেয়েছে একটি বক্ররেখা এঁকে তা দেখাতে পারি। আমাদের প্রধান সাময়িকী থেকে তিরিশ বছর বয়সে গড়পড়তা যা পাচ্ছে, চল্লিশ বছর বয়সেও সে একই টাকা পেয়েছিল তাহলে আমাদের ধরে নিতে হবে সে একজন বাজে লেখক, এছাড়া আর কিছু সে করতে পারবে না!”

    বুদ্ধ, খ্রিস্ট, মুহম্মদ, মিলটন এবং ব্লেক সম্পর্কে একই বৈশিষ্ট্য আরোপ করলে আমাদের ব্যক্তিত্বের স্বরূপ নির্ধারণের বেলায় একটি আকর্ষণীয় পুনঃসামঞ্জস্য বিধানের দেখা পেয়ে থাকি। উল্লিখিত অনুচ্ছেদে ব্যক্ত বিষয় ছাড়া আরো দু’টো মতামত সংগোপনে বিরাজমান। তার একটা হলো উৎকর্ষকে সহজে অনুধাবনশীল হতে হবে, অন্যটা আইনত তাতে একটা পারস্পর্য বজায় থাকতে হবে। এ দুটো হলো পদার্থবিজ্ঞানের থেকে উপসংহার হিসেবে নীতিশাস্ত্রে অবতরন করার পদ্ধতি। কিন্তু আমার মতে, উল্লেখিত অনুচ্ছেদে ড. ওয়াটসন যে নীতিশাস্ত্রের বর্ণনা করেছেন তা আমার পক্ষে গ্রহণযোগ্য নয়। গুণ যে আয়ের অনুপাতে নির্ধারিত হয় একথা আমি কিছুতেই বিশ্বাস করতে পারিনে। অথবা দলের সঙ্গে না মিশতে পারার অসুবিধাকেও আমি দোষ মনে করিনে। এসব বিষয়ে আমার মত যে একপেশে তাতে সন্দেহ নেই, কেননা আমি হলাম গিয়ে দরিদ্র এবং যান্ত্রিক। তারপরেও এ সত্য আমি স্বীকার করি যে, সেগুলো আমারই মতামত, নির্দ্বিধায় তা আমি বলতে পারি। এখন আমি আচরণবাদের আরেকটি দিক-নাম করে বলতে গেলে এর শিক্ষাগত দিকটি সম্পর্কে আলোচনা করব। এখানে আমি ড. ওয়াটসনের উদ্ধৃতি দেবো না, কারণ শিক্ষাক্ষেত্রে তার মতামতসমূহকে আমার খুবই সুন্দর মনে হয়েছে। কিন্তু তিনি তার বইতে শিক্ষার পরবর্তী স্তর সম্পর্কে কিছুই বলেননি এবং সেখানেই আমার ঘোরতর সন্দেহ। আমি একটা বই নিচ্ছি যা সম্পূর্ণভাবে আচরণবাদী না হলেও আচরণবাদ সম্পর্কিত দৃষ্টিভঙ্গীর অনুপ্রেরণায় লেখা হয়েছে। বইটির নাম ‘শিশু, তার প্রকৃতি এবং প্রয়োজন।’ (The child, his nature and his needs) বইটির প্রতি আমার শ্রদ্ধাবোধ রয়েছে। কেননা মনস্তত্ব বইটিতে খুবই প্রশংসনীয়ভাবে ব্যক্ত করা হয়েছে; কিন্তু নীতিশাস্ত্র এবং সৌন্দর্যের তত্ত্বে সমালোচনার প্রচুর অবকাশ রয়ে গেছে বলে আমি মনে করি। তত্ত্বের অপর্যাপ্ততা দেখাবার জন্য আমি নীচের অনুচ্ছেদটির উদ্ধৃতি দিচ্ছি। (পৃঃ সংখ্যা ৩৮৪)

    “পঁচিশ বছর আগে ছাত্রেরা দশ থেকে পনের হাজার শব্দ বানান করতে শিখতো। পরের দু’দশকে অনুসন্ধান করে দেখা গেলো যে উচ্চবিদ্যালয়ের ছাত্রদের পড়াশোনার জন্য কোন গ্রাজুয়েটের দরকার হয় না, এমনকি ভবিষ্যৎ জীবনের জন্যও দরকার পড়ে না, যদি না তার বিশেষ ধরনের কারিগরী কথাবার্তা রপ্ত করতে হয়। সাধারণ আমেরিকানরা চিঠি-পত্র লেখা এবং সংবাদপত্রের জন্য লিখবার সময় পনেরশ’র বেশি শব্দ ব্যবহার করে না। এসকল বিষয় বিবেচনা করে, দৈনন্দিন জীবনে যে-সকল শব্দের প্রয়োজন তার উপর ভিত্তি করে উচ্চারণ শিক্ষার কোর্স নির্ধারণ করা হয়েছে এবং অতি প্রয়োজনীয় শব্দসমূহ স্বাভাবিকভাবে উচ্চারণ করার এত দক্ষ করে তোলা হবে। প্রচলিত কারিগরী শব্দসমূহ আগে শিক্ষা দেয়া হতো এবং যেগুলোর ভবিষ্যতে ব্যবহৃত হবার সম্ভাবনা নেই থিয়োরিগতভাবে যা অন্ততঃ স্মৃতিশক্তির পরীক্ষায় মূল্যবান বলে বিবেচিত হতে পারে।”

    শেষ বাক্যে প্রথম বাক্যের মুখস্ত করার যুক্তির বিপক্ষে একটি সুষ্ঠু মনস্তত্ত্ব সম্মত আবেদন লক্ষ্য করেছি। তার থেকে মনে হয় যে বাস্তবকে জানা ছাড়া আর কোন ক্ষেত্রে মুখস্ত করা উচিত নয়। তা মেনে নিয়ে আমরা অনুচ্ছেদটির অন্যন্য বক্তব্যসমূহের দিকে নজর দিচ্ছি।

    প্রথমতঃ কোন কিছু উচ্চারণ করতে পারা সম্বন্ধে কিছুই বলা হয়নি। অনেকে শেক্সপিয়র এবং মিলটন উচ্চারণ করতে পারতেন না। আবার মেরি করেলি এবং আলফ্রেড অস্টেন উচ্চারণ করতে পারতেন। অশিক্ষিত আর শিক্ষিতের মধ্যে সহজে ভেদ রেখা টানা যায় মতো আংশিকভাবে হামবড়ামী, আংশিক নিখুঁত পোশাক পরে দলে বৈশিষ্ট্য অর্জন এবং অংশত প্রাকৃতিক আইনের অনুরাগীরা ব্যক্তির স্বাধীনতার আওতার মধ্যে অন্ততঃপক্ষে আনুষ্ঠানিকভাবে উচ্চারণ করার জন্য হয়, তাহলে সব সময়ে পাঠকদেরকে উদ্দেশ্যের প্রতি সজাগ রাখা সম্ভবপর।

    দ্বিতীয়তঃ চীনা ছাড়া অন্য সকল লিখিত ভাষা কথা বলার ভাষার প্রতিনিধিত্ব করে, যার মধ্যে ভাষার যাবতীয় সৌন্দর্য-তত্ত্ব নিহিত, যে যুগে মানুষ অনুভব করল যে ভাষাকে সুন্দর করা যায় এবং ভাষা সুন্দর হওয়া উচিত; তখন থেকেই তারা উচ্চারণ করতে সাবধানী এবং লিখতে অসাবধানী হয়ে উঠলো। আজকের দিনে বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রেরাও সাধারণ শব্দ ছাড়া অন্যান্য শব্দ উচ্চারণ করতে পারে না। সে জন্য তারা অনেক কবিতার অর্থ হৃদয়ঙ্গম করতে পারে না। বিশ্ববিদ্যালয়ের সাহিত্যের পেশাগত ছাত্র ছাড়া আজকের আমেরিকায় চল্লিশ বছরের নিচে এমন একজন মানুষও খুঁজে পাওয়া যাবে না যে শব্দ ক’টির অর্থ বের করতে পারে।

    Scattering unbeholden
    Its aerial hue.
    ছড়িয়ে আছে না দেখা তার
    বায়বীয় রঙ

    শিক্ষার মধ্যে যদি সৌন্দর্যতত্ত্ব সম্বন্ধীয় কোন প্রচেষ্টা গ্রহণ করা উচিত বলে বিবেচনা করা হয়, তাহলে শিশুদের উচ্চারণ শেখানোর চাইতে উচ্চস্বরে আবৃত্তি শিক্ষা করতে দেয়া উচিত। আগে উচ্চস্বরে বাইবেল আবৃত্তি করা হতো যা সে উদ্দেশ্য সাধন করত, বর্তমানে তার প্রচলন একেবারে নেই বললেই চলে।

    উচ্চারণ করতে জানাই শুধু প্রয়োজন নয়। সৌন্দর্যতত্বের জন্য অপর্যাপ্ত শব্দসম্ভার থাকাও উচিত। যারা পনেরশ শব্দ শুধু ব্যবহার করতে জানে তারা কখনো নিজেদের সংক্ষিপ্ত অথবা সুন্দরভাবে সহজ সরল বিষয় ছাড়া প্রকাশ করতে পারবে

    এবং তাও অনেক সময় কপাল গুণে। আজকের আমেরিকার অর্ধেক জনসাধারণ শেক্সপিয়র যত সময় স্কুলে কাটিয়েছেন, তত সময় ব্যয় করেন, কিন্তু তাদের শব্দসম্ভার শেক্সপিয়রের দশভাগের একভাগও নয়। তা সত্বেও তাকে সেম যুগের সাধারণ মানুষ বুঝতে পেরেছিল, কেননা তা তার নাটকসমূহের বাণিজ্যিক সফলতা লাভের প্রয়োজন ছিল। আধুনিক মতামত হলো যে মানুষ নিজেকে ভাষার মধ্যে অপরকে বোঝাতে পারার এত প্রকাশ করতে পারে, ভাষার ওপর তার যথেষ্ট অধিকার আছে বলে স্বীকার করা হয়। পুরনো মতামত ছিল, কথা এবং লেখায় সৌন্দর্য এবং আনন্দ দেয়া তার উচিত।

    আধুনিক লেখকের মতো যে বাস্তব বিষয় বর্ণনার ব্যাপারে ছাড়া অন্যান্য বিষয় বর্ণনার ক্ষেত্রে অনুমিত নৈতিকতা এবং সৌন্দর্য তত্ত্বকে বর্জন করে আচরণকে গ্রহণ করেছে তার সম্বন্ধে কোন সিদ্ধান্তে আসা যায়? ড. ওয়াটসনের প্রতি আমার প্রগাঢ় শ্রদ্ধাবোধ রয়েছে এবং তার বইগুলো অত্যন্ত প্রয়োজনীয়। আমার বিবেচনায় পদার্থবিজ্ঞান হলো থিয়োরিটিক্যাল বিদ্যার মধ্যে সবচেয়ে প্রয়োজনীয় এবং শিল্পায়ন ব্যবস্থা হলো সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ সমাজতান্ত্রিক লক্ষণ। তাই বলে আমি অকেজো জ্ঞান এবং শিল্পকলা, যেগুলো শুধুই আনন্দ বিতরণ করে, তার প্রশংসা করা থেকে বিরত থাকতে পারিনে। সমস্যাটা যুক্তিভিত্তিক নয়, যেহেতু আমরা দেখেছি। আচরণবাদ সত্য হলে অপ্রধানভাবে কোন একটা নির্দিষ্ট কাজের সমাপ্তির কারণে কী পদ্ধতি অবলম্বন করা উচিত তা দেখিয়ে দেয়া ছাড়া মূল্যবোধের প্রশ্নে আচরণবাদের কোনও প্রভাব নেই। ব্যাপক অর্থে এটা হলো রাজনৈতিক প্রশ্ন, যেহেতু এটা ধরে নেয়া যেতে পারে যে অধিকাংশ মানুষ ভুল করতে বাধ্য, সে ক্ষেত্রে অসত্য বিষয় থেকে সত্য সিদ্ধান্ত টানা ভালো? এ জাতীয় কোন প্রশ্নের সমাধান সম্ভব নয়। এর ন্যায়শাস্ত্র শিক্ষা দেয়া উচিত, যাতে করে তারা যেন-তেন বক্তব্য থেকে উপসংহার টানতে বিরত থাকে। উদাহরণস্বরূপ যখন বলা হয় যে ফরাসিরা যুক্তিবাদী, তারা তখন সামগ্রিকভাবে একজন মানুষের যুক্তি বহির্ভূত সূক্ষতা যা ভুলবশতঃ আসল বক্তব্য থেকে উদ্ভূত হয়েছে তাও হিসেবের মধ্যে গণ্য করে। তাহলো একটি সর্বশ্রেষ্ঠ অনভিপ্রেত গুণ, তা থেকে সার্বিকভাবে ইংরেজি ভাষাভাষী জাতিগুলো অন্যান্যের তুলনায় অধিকতর স্বাধীন ছিল। কিন্তু তার অনেকগুলো লক্ষণ রয়েছে যে তারা যদি এ বিষয়ে স্বাধীন থাকতে চায় তাহলে তাদের পক্ষে অতীতের চাইতে অধিকতর দর্শন এবং ন্যায়শাস্ত্রর প্রয়োজন রয়েছে। আগে ন্যায়শাস্ত্রকে অনুমান করার পদ্ধতি বলে বিবেচিত করা হতো।

    কিন্তু এখন ন্যায়শাস্ত্র অনুমান করা থেকে বিরত হওয়ার পদ্ধতিতে পরিণত হয়েছে; যেহেতু এটা দেখা গেছে যে, যে সকল অনুমানের প্রতি আমরা স্বভাবতইঃ অনুরক্ত সেগুলো ধোপে টিকার মতো নয়। সুতরাং উপসংহারে আমি বলতে চাই যে, স্কুলে এমনভাবে ন্যায়শাস্ত্র শিক্ষা দেয়া উচিত, যাতে করে মানুষকে অনুমান না করতে শিক্ষা দেয়া হয়, যদি তারা অনুমান করে, তাহলে তারা ভুল অনুমান করবে।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleসূর্য তুমি সাথী – আহমদ ছফা
    Next Article সাম্প্রতিক বিবেচনা : বুদ্ধিবৃত্তির নতুন বিন্যাস – আহমদ ছফা

    Related Articles

    আশাপূর্ণা দেবী

    সমুদ্র কন্যা – আশাপূর্ণা দেবী

    April 24, 2026
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    আমাদের মহাভারত – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    March 20, 2026
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়

    বিপিনের সংসার – বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়

    January 8, 2026
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    ভয় সমগ্র – হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    December 9, 2025
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    কিশোর অ্যাডভেঞ্চার সমগ্র – হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    December 9, 2025
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    প্রকাশ্য দিবালোকে – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    November 18, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    अनीश दास
    मौलाना शाह वलीउल्लाह
    रेवरेंड के. के. जी. सरकार
    অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিজ্ঞান রায়চৌধুরী
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমরেন্দ্র চক্রবর্তী
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অরিন্দম দেবনাথ
    অর্পিতা সরকার
    অশোককুমার মিত্র
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    কৌশিক সামন্ত
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যজ্যোতি মজুমদার
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেইল লোনডেস
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শঙ্কর চ্যাটার্জী
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শাক্যজিৎ ভট্টাচাৰ্য্য
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সম্পাদনা : শৈলেন্দ্র হালদার
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্মরণজিৎ চক্রবর্তী
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    অপেক্ষার বারোমাস – অর্পিতা সরকার

    May 1, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    অপেক্ষার বারোমাস – অর্পিতা সরকার

    May 1, 2026
    Our Picks

    অপেক্ষার বারোমাস – অর্পিতা সরকার

    May 1, 2026

    শ্মশানকোকিলের ডাক – সৌভিক চক্রবর্তী

    May 1, 2026

    এসো না অসময়ে – অর্পিতা সরকার

    May 1, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }