Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    অপেক্ষার বারোমাস – অর্পিতা সরকার

    May 1, 2026

    শ্মশানকোকিলের ডাক – সৌভিক চক্রবর্তী

    May 1, 2026

    এসো না অসময়ে – অর্পিতা সরকার

    May 1, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    সংশয়ী রচনাবলী – আহমদ ছফা

    লেখক এক পাতা গল্প296 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ০৪. মানুষ কি বিচারবুদ্ধিসম্পন্ন হতে পারে?

    আমি নিজেকে একজন বিচার বুদ্ধিসম্পন্ন মানুষ হিসেবে ভাবতে অভ্যস্ত এবং আমি চাই সব মানুষই বিচার বুদ্ধির অধিকারী হোক। বিচারবুদ্ধিসম্পন্ন সকল ব্যক্তিই স্বভাবতঃ এরূপ কামনা করবেন। এ যুগে বিচারবুদ্ধি নানাভাবে মার খেয়েছে বলে এর স্বরূপ জানতে পারলেও মানব-সাধারণ তা আয়ত্ব করতে পারে কিনা? বিচারবুদ্ধির দুটো দিক; ভাগ্যগত এবং বাস্তব। কিন্তু বিচারবুদ্ধিসম্মত মতামত এবং আচরণ বলতে কী বোঝায়? প্রয়োগবাদ (Pragmatisom) মতামতের অযৌক্তিকতার ওপর প্রাধান্য দিয়ে থাকে উভয়দিকের অনেকে শেষ পর্যন্ত সিদ্ধান্তে উপনীত হয়েছেন। মতামত এবং আচরণকে একসঙ্গে ধরে রাখার এত আদর্শ বিচারবুদ্ধির কোন মাপকাঠি নেই। ধরুন আমি আর আপনি দুজন যদি দু মতের সমর্থনে ঝগড়া করতে থাকি তাহলে যুক্তি অথবা তৃতীয় ব্যক্তির সালিশীর মাধ্যমে সমাধান করার কথা অর্থহীন, গলাবাজি বিজ্ঞাপন এমনকি আমাদের অর্থনৈতিক এবং সামরিক শক্তি অনুসারে শেষপর্যন্ত যুদ্ধের মাধ্যমে নির্ধারণ করা ছাড়া গত্যন্তর থাকে না। আমার মতে এ-ধরণের দৃষ্টিভঙ্গি খুবই ক্ষতিকর এবং শেষপর্যন্ত সভ্যতার পক্ষে মারাত্মক হয়ে দাঁড়াবে। সুতরাং আমি দেখাতে চেষ্টা করব, যে সব ধারণাকে বিচারবুদ্ধিবিরুদ্ধ বলে গণ্য করা হতো, তাও বিচারবুদ্ধিকে খর্ব করতে পারে না, পূর্বের মতো জীবন এবং চিন্তার একমাত্র পথনির্দেশক হিসেবে বিচারবুদ্ধিই থাকে ক্রিয়াশীল।

    মতামতের খাতিরে বলতে হলে বিচারবুদ্ধির সজ্ঞায়ন করার ব্যাপারে সত্যে উপনীত হওয়ার জন্যে প্রয়োজনীয় প্রমাণপঞ্জীর সাহায্য গ্রহণ করা উচিত। যেখানে নিশ্চিত করে কিছু বলা সম্ভব নয়, সেখানে একজন বিচারবুদ্ধিসম্পন্ন মানুষ সর্বাধিক সম্ভাব্য মতামতের উপর সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব প্রদান করেন এবং কম সম্ভাবনাসম্পন্ন মতামতগুলোকে মনে মনে রেখে দেন, উপযুক্ত প্রমাণের সাহায্যে সেগুলোও সম্ভাবনাময় হয়ে উঠতে পারে। বস্তুনিরপেক্ষ পদ্ধতিতে ঘটনার এবং ঘটনার সম্ভাব্যতা নির্ধারণ করা হয়। বস্তুনিরপেক্ষ পদ্ধতি অনুসারে দুজন মানুষ সতর্কভাবে এগুলো একই সিদ্ধান্তে আসতে পারে; কিন্তু অনেক সময় তাতে সন্দেহ পোষণ করা হয়। অনেকের মতে ব্যক্তির আকাঙ্ক্ষা এবং প্রয়োজনের সন্তুষ্টি বিধানই হলো বুদ্ধিবৃত্তির একমাত্র কাজ। ‘দ্যা প্লেবস টেক্সটবুক কমিটি, তাদের দর্শনের সীমারেখা গ্রন্থে বলেনঃ ‘সর্বোপরি বুদ্ধিবৃত্তি হলো একটি পক্ষপাতমূলক অস্ত্রবিশেষ (পৃষ্ঠা ৬৮) এর কর্ম হলো কোন ব্যক্তি অথবা শ্ৰেণীবিশেষের পক্ষে উপকারী কাজগুলোর সম্পাদন এবং অনুপকারী কাজগুলো বর্জন করা।

    কিন্তু একই গ্রন্থকার একই গ্রন্থে আবার বলেছেন মার্কসবাদীদের বিশ্বাস ধর্মীয় বিশ্বাসের চেয়ে ভিন্নতর ধর্মীয় বিশ্বাস, কামনা এবং ঐতিহ্যের উপর প্রতিষ্ঠিত। পক্ষান্তরে মার্কসীয় বিশ্বাসে নৈর্ব্যক্তিক বস্তুবাদের বৈজ্ঞানিক বিশ্লেষণের উপর প্রতিষ্ঠিত। মার্কসীয় মতবাদ গ্রহণে বুদ্ধিবৃত্তি যদি তাদেরকে পরিচালনা না করে থাকে, তা হলে বুদ্ধিবৃত্তিসম্বন্ধে তাদের মতবাদ সামঞ্জস্যহীন। যে ভাবেই হোক, যখন তারা নৈর্ব্যক্তিক বস্তুবাদের বৈজ্ঞানিক বিশ্লেষণকে গ্রহণ করেছেন, নৈর্ব্যক্তিক বস্তুবাদের বিচারবুদ্ধিসম্মত মতবাদকেও তারা অবশ্যই গ্রহণ করবেন।

    .

    প্রয়োগবাদী ও দার্শনিকদের মতো অনেক পণ্ডিত গ্রন্থকারও রয়েছেন যারা বিচারবুদ্ধিবিরুদ্ধ দৃষ্টিভঙ্গিকেই প্রাধান্য দিয়ে থাকেন। তাদেরকে চেনাও খুব সহজসাধ্য ব্যাপার নয়। তারা বলে থাকেন যে, সত্য হলেও আমাদের মতামতের সঙ্গে সঠিকভাবে মিলে যাওয়ার মতো কোন বস্তুবাদী সত্যের অস্তিত্ব টিকিয়ে রাখার সংগ্রামের অস্ত্র হিসাবে অভিহিত করবেন। এর মধ্যে যেগুলো মানুষকে বেঁচে থাকতে সাহায্য করে সেগুলোকেই বলা হয় সত্য। খ্রিস্টিয় ষষ্ঠ শতাব্দীতে ধর্ম যখন সর্বপ্রথম জাপানে এসে পৌঁছে তখন জাপানে এই মতবাদ প্রচলিত ছিল। সরকার নতুন ধর্ম গ্রহণের আদেশ দিলেন। তিনি যদি অন্যান্যের চেয়ে অধিকতর উন্নতি করেন তাহলে সর্বজনীনভাবে নতুন ধর্ম গ্রহণ করা হবে। তারা এই মতবাদ অনুসারে (আধুনিক যুগে খাপ খাওয়ার মতো পরিবর্তন সাধন করে। বিভিন্ন ধর্মীয় মতবাদের বিভিন্নতা স্বীকার করে নিয়ে থাকেন কিন্তু তবু তাদের কাউকে অন্যান্য ধর্মের চাইতে দ্রুত উন্নতি বিধান করতে সক্ষম ইহুদী ধর্ম গ্রহণ করতে আমি এ পর্যন্ত শুনি নি।

    প্রয়োগবাদীদের সত্যের সংজ্ঞা যাই হোক না কেন সব সময় তারা নিতান্ত সাধারণ জীবনযাপন করে থাকেন। এমন কি বাস্তবে যতটুকু প্রয়োজন তারও চেয়ে ভয়াবহ দারিদ্রের মধ্যে দিয়ে তারা জীবন অতিবাহিত করে থাকেন। একজন প্রয়োগবাদীকেও যদি জুরিতে বসিয়ে দেয়া হয়, তিনিও অন্যান্যদের মতো প্রমাণের ওপর গুরুত্ব প্রদান করে খুনের মামলার তদন্ত করবেন। কিন্তু তার প্রচারিত মতবাদ অনুসারে বিচার করতে হলে তাকে ভেবে দেখতে হবে। জনসমষ্টির মধ্যে কাকে ফাঁসিতে লটকানো লাভজনক হবে। তার সংজ্ঞা অনুসারে জ্ঞানের আসামীর অপরাধ অন্যান্যের তুলনায় অধিকতর সত্য। এ ধরনের প্রয়োগবাদ মাঝে মাঝে ঘটে থাকে বলে আমার ভয় হয়। আমি রাশিয়া এবং আমেরিকার ফ্রেম আপ’ (frame up) এর বর্ণনা শুনেছি যা এ ধরনের বহু ভয়ের বর্ণনা দিয়েছে। এসব ব্যাপারে গোপন করবার সকল সম্ভাব্য প্রচেষ্টা করা হয় এবং তাতে বিফল হলে বিষময় ফল ফলে। এই জাতীয় গোপন করার পদ্ধতি থেকে প্রমাণিত হয় যে ফৌজদারি মামলা পরিচালনা করার সময় পুলিশও এক জাতীয় বস্তুবাদী সত্য মেনে চলে। বিজ্ঞানে যাকে সেকেলে এবং পায়ে হাঁটা বলে। এটাও সে ধরনের বস্তুবাদী সত্য ধর্মের মধ্যে যা এতদিন সমাধান অনুসন্ধান করে আসছে। তারপর মানুষ, ধর্ম ঝজুভাবে সত্য এ বিশ্বাস পরিত্যাগ করে অন্য কোন নতুন দৃষ্টিভঙ্গি অনুসারে এর সত্যতা প্রমাণ করতে আত্ননিয়োগ করল। প্রমাণহীন কিছুর প্রতি বিশ্বাস এবং পর্যাপ্ত প্রমাণ যুক্ত কিছুকে অবিশ্বাস করা থেকে বস্তুবাদী সত্যের প্রতি অবিশ্বাসের উৎপত্তি, এটা খুব স্পষ্টভাবে দেখান যায়। নিরপেক্ষ বস্তুবাদে বিশ্বাস সবসময় চাকর নিয়োগ করার এত বিশেষ বিশেষ প্রশ্নের প্রতি সর্বাধিক গুরুত্ব প্রদান করে থাকে। যদি ঘটনা অনুসারে আমাদের বিশ্বাস কোথাও সত্য প্রমাণিত হয়, তা হলে অজ্ঞেয়বাদ অনুসারে সর্বত্রই তা পরীক্ষা করা যেতে পারে।

    উপরোক্ত আলোচনা আমাদের আলোচনার মূল বিষয়বস্তু অনুসারে খুবই অপর্যাপ্ত, তাতে সন্দেহ নেই। নিরপেক্ষ বস্তুবাদকে দার্শনিকেরা খুবই ঘুরালো প্যাঁচালো করে ফেলেছেন। সে জন্য আমি স্থানান্তরে খুবই সহজভাবে বিশ্লেষণ করতে চেষ্টা করেছি। এক্ষণে আমি ধরে নেব কতকগুলো ঘটনার সম্ভাব্যতা সম্পর্কে ধারণা করা যায়। আমাদের বিশ্বাস অনেক সময় আসল সত্যের বিপরীত, এমনকি যখন আমরা প্রমাণের সাহায্যে কোনকিছুর সম্ভাব্যতা সম্পর্কে নিশ্চিত ধারনা পোষণ করি, একই প্রমাণে তা অসম্ভবও প্রমাণিত হতে পারে। আমাদের বিশ্বাসসমূহ আমাদের কুসংস্কার, আকাঙ্খ এবং ঐতিহ্যের উপর স্থাপন করা উচিত নয়। কারণ বিশ্বাসসমূহের মধ্যেই বিচার-বুদ্ধির ভাষ্যগত অংশ নিহিত। বিষয়বস্তু অনুসারের একজন বিচারবুদ্ধিসম্পন্ন মানুষকে হয়ত একজন বিচারক অথবা একজন বৈজ্ঞানিকের দৃষ্টিভঙ্গি সম্পন্ন হতে হবে।

    .

    অনেকে চিন্তা করেন, মনঃসমীক্ষা মানুষের মনের বিচিত্র ধারণা এবং উন্মত্ত বিশ্বাসের উৎপত্তির দিকে অঙ্গুলি নির্দেশ করে আমাদেরকে দেখিয়ে দেয় যে বিশ্বাসের ক্ষোত্রে বিচারবুদ্ধিসম্পন্ন হওয়া অসম্ভব। মনঃসমীক্ষার প্রতি আমার যথেষ্ট শ্রদ্ধাবোধ আছে এবং প্রভত উপকার করতে পারে বলেও আমি ধারণা পোষণ করি ফ্রয়েড এবং তার শিষ্যবর্গকে কিসে অনুপ্রাণিত করেছিল সে সম্পর্কে অনেকেই কোন ধারণা রাখে না। উন্মত্ত রোগের এই পদ্ধতি অনেকাংশে চিকিৎসা সম্বন্ধীয় হিস্টিরিয়া এবং অন্যান্য উন্মত্ত রোগের নিরাময়ের জন্য আবিস্কৃত। যুদ্ধকালীন সময়ে মনঃসমীক্ষা যুদ্ধের ভীতিসঞ্জাত নিউরোসিস রোগীদের আরোগ্যের ক্ষেত্রে অনেকগুণে বেশি ফলপ্রসু প্রমাণিত হয়েছে। রিভার্স-এর প্রকৃতি এবং অচেতন (Instinct and unconscious) বহুলাংশে বোমায় আহত রোগীদের প্রত্যক্ষ অভিজ্ঞতার ভিত্তিতে ভয়ের ফলে রোগ উৎপত্তির একটা চমৎকার বিশ্লেষণ, যা সোজাসুজিভাবে দেখানো সম্ভবপর নয়। রোগীকে বিভিন্ন প্রক্রিয়ায় অবশ ইত্যাদি করে মানসিক চিকিৎসা করা হয়; এজন্য অনেকে বুদ্ধিবৃত্তিসম্মত বলে স্বীকার করেন না। বর্তমান মুহূর্তে সে সবের সঙ্গে আমাদের কোন সংশ্রব নেই, এটা হচ্ছে বুদ্ধিবৃত্তিক বিচ্যুতি! প্রবৃত্তিগত বাধাই পাগলের মতিভ্রমের কারণ এবং তাতে খাঁটি মানসিক পদ্ধতিতে চিকিৎসা করে আরোগ্যও করে তোলা যায় এবং এই চিকিৎসার দৃষ্টিভঙ্গি অনুসারে পূর্বনির্ধারিত মতে এক জাতীয় আদর্শ সুস্থতার কল্পনাও করা হয়, যে অবস্থা থেকে রোগীর পরিস্থিতি ভিন্ন পথে ধাবিত হয়েছে, তাকে এই পরিবর্তনের সমকালীণ সব ঘটনা সে ভুলে যেতে চায় তাও অবগত করিয়ে পূর্বের সুস্থ অবস্থায় ফিরিয়ে আনা হয়। যারা মাঝে মাঝে ভুল করে অথবা সংক্ষিপ্ত করার জন্য নির্দিষ্ট চিকিৎসা পদ্ধতি আখ্যা দিয়ে বিচারবুদ্ধিবিরুদ্ধ বিশ্বাসের প্রচলন দেখাবার অলস অভিযোগ করে থাকেন, মনঃসমীক্ষণ ঠিক তার বিপরীত। এর সঙ্গে সম্বন্ধযুক্ত সাদৃশ্যাত্মক পদ্ধতিতে যারা বদ্ধপাগল নয়, তাদেরও চিকিৎসা করা যেতে পারে, যদি তারা তাদের পাগলামির লক্ষণের সঙ্গে পরিচিত নয় এমন চিকিৎসকের কাছে স্বেচ্ছায় আত্মনিয়োগ করে।

    প্রেসিডেন্ট, কেবিনেট মন্ত্রীবৃন্দ এবং বিখ্যাত ব্যক্তিরা কোন চিকিৎসকের কাছে আত্মসমর্পণ করেন না বলে রোগমুক্তও হতে পারেন না।

    .

    এতক্ষণ পর্যন্ত আমরা বিচারবুদ্ধি ভাষ্যগত অর্থ নিয়ে পর্যালোচনা করেছি। এর বাস্তব দিকটি অধিকতর কষ্টসাপেক্ষ এবং সে দিকেই আমাদের দৃষ্টি ফেরাতে হবে। বাস্তব ক্ষেত্রে মতের বিভিন্নতা দ্বিতীয়তঃ আকাক্ষার বাস্তবায়নের উপায় পরিকল্পনার বিভিন্নতা। কিন্তু দ্বিতীয় প্রকারে বিভিন্নতা শুধুমাত্র থিয়োরিতে সীমাবদ্ধ এবং বুৎপত্তিগত অর্থে বাস্তব। উদাহরণস্বরূপ কোন কর্তৃপক্ষের মতে আমাদের প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার প্রথম লাইন যুদ্ধ জাহাজ দিয়ে গঠিত হওয়া উচিত। এখানে যে প্রস্তাবিত লক্ষ্য জাতীয় প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার ক্ষেত্রে কোনও রকমের মতদ্বৈততা নেই, শুধু উপায় পরিকল্পনার বিভিন্নতার বিবাদ। যে পর্যন্ত বর্তমানে অথবা ভবিষ্যতে নিশ্চিত অথবা সম্ভাব্য ঘটনাবলীর ক্ষতি করার সম্ভাবনা থাকে, সে পর্যন্ত যুক্তিকে পুরোপুরি বৈজ্ঞানিক পদ্ধতিতে পরিচালনা করা যায়। এ সমস্ত ক্ষেত্রে বিচারবুদ্ধির সঙ্গে বাস্ত বের সংযোগ থাকা সত্ত্বেও আমি ভাষ্য অথবা থিয়োরিগত অর্থেই বিচারবুদ্ধিকে ব্যবহার করেছি।

    সে যা হোক, বেশির ভাগ ক্ষেত্রে এই পরিমণ্ডলে এমন কিছু আসবে যা জটিল কিন্তু ফলিত দিক দিয়ে অত্যন্ত প্রয়োজনীয়। একজন মানুষ যখন নির্দিষ্ট পদ্ধতিতে কাজ করবার আকাঙ্ক্ষা পোষণ করে, তখন নিজেকে এই বিশ্বাসে অনুপ্রাণিত করে যে, তা করলে তার অভীষ্ট সিদ্ধি হবে, কিন্তু যখন তার কোনও লক্ষ্য থাকে না তখনও সে তার কাজের পেছনে যে বিশ্বাস তার মর্মমূল অনুসন্ধান করে দেখে না। বাস্তবে যা ঘটেছে এবং যা ঘটবার সম্ভাবনা রয়েছে সবকিছুকে সে তার চেয়ে ভিন্ন আকাঙ্খ পোষণকারী একজন যে ভাবে দেখে সে দেখে তার উল্টো। সকলেরই জানা কথা জুয়াড়িরা সবসময় বিচারবুদ্ধিরহিত বিশ্বাসে নির্ভর করে, সব সময় আশা পোষণ করে যে তারা জয়ী হবেই। রাষ্ট্রনীতিতে অংশগ্রহণকারী লোকদের স্থির ধারণা তাদের দলের নেতৃবৃন্দ বিপক্ষদলের নেতাদের এত কখন দুর্নীতি কলা-কৌশল অবলম্বন করে না। শাসকশ্রেনী বিশ্বাস করে জনগণের কল্যাণের জন্য তাদের সঙ্গে ভেড়ার পালের মতো ব্যাবহার করা উচিৎ! ধূমপায়ীরা ধূমপানের স্বপক্ষে যুক্তি প্রদান করে বলে, ধূমপানের ফলে স্নায়ুতে স্নিগ্ধতা আসে। মদ্যপায়ীদের মতে মদ রসবোধক সঞ্জীবিত করে। এ সকল কারণে সৃষ্ট একঘেঁয়েমীর ফলে ঘটনা সম্বন্ধে মানুষের মতামত মিথ্যা প্রতিপন্ন হয়ে পড়ে, যা এড়িয়ে যাওয়া খুবই কঠিন।

    স্নায়ুতন্ত্রের প্রক্রিয়া সম্বন্ধে বৈজ্ঞানিকদের জ্ঞানগর্ব আলোচনাতেও অনেক অন্তঃস্থ প্রমাণপঞ্জীর অনেককিছু বাদ পড়ে যায়। লেখক মদ্যপায়ী অথবা মদ্য অভ্যাসের যৌক্তিকতা প্রমাণ করবেন। ধর্ম এবং রাজনীতির ক্ষেত্রেও এ জাতীয় মনোভাব অপরিহার্য। রাষ্ট্রনীতিতে যারা অংশ নেন তারা ভাবেন জনগণের কল্যাণের আকাঙ্খই তাদেরকে মতবাদ স্থির করতে অনুপ্রাণিত করেছে। কিন্তু দশবারের মধ্যে নয় বার বলে দেয়া যায় যে একজন মানুষের রাষ্ট্রনীতিতে অংশগ্রহণ তার বাস্তব জীবনধারা থেকে উদ্ভূত। এর ফলে কিছু সংখ্যক মানুষ মনে করে এবং কিছুসংখ্যক মানুষ দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করে যে এসব ব্যাপারে বস্তুনিরপেক্ষ হওয়া অসম্ভব এবং পক্ষপাতমূলক শ্রেণীসমূহের মধ্যে টাগ অব ওয়ার ছাড়া এর কোন সমাধান নেই।

    .

    ঠিক এইরকম ক্ষেত্রে মনঃসমীক্ষণ অত্যাধিকভাবে কার্যকর, কারণ তা মানুষের অচেতন মনে যে পক্ষপাতিত্ব বোধ আছে সে সম্বন্ধে ওয়াকেফহাল করে। অন্যেরা যেমন আমাদেরকে দেখে এই পদ্ধতিতে, ঠিক তেমনি আমরাও নিজদেরকে দেখতে পাই এবং আমাদের মতামতের কারণ বিশ্লেষণ করে জানতে পারি ওসবে যত গুরুত্ব আমরা দিয়ে থাকি আদতে তত গুরুত্বপূর্ণ নয়। বৈজ্ঞানিক দৃষ্টিভঙ্গি অনুসারে এই পদ্ধতি ব্যাপকভাবে শিক্ষা দিলে মানুষকে বাস্তবে ঘটনা এবং প্রস্তাবিত কোন কর্মের ক্রিয়াশীলতার প্রতি অধিকতর বিচারবুদ্ধিসম্পন্ন করা যায়। এসবে মানুষ যদি দ্বিমত পোষণ না করে তাহলে যে ধরনের মতদ্বৈধতার অবকাশ থাকে, শান্তিপূর্ণ উপায়ে তার মীমংসা সম্ভবপর।

    এরপর যে অবশিষ্টাংশটুকু বর্তমানে থেকে যাবে তার সমাধান নিখুঁত বুদ্ধিবৃত্তিক পদ্ধতিতে সম্ভব নয়। একজন মানুষের আকাঙ্ক্ষা সর্বাংশে অন্য একজন মানুষের সঙ্গে মিল খায় না। স্টক এক্সচেঞ্জের দুজন প্রতিযোগী এ ব্যাপারে সে ব্যাপারে সম্পূর্ণ এক মত হলেও যতক্ষণ একে অন্যের বদৌলতে ধনী হওয়ার আকাঙ্খ। পরিত্যাগ না করবে, ততক্ষণ পর্যন্ত তাদের মধ্যে ঐক্যের প্রতিষ্ঠা হতে পারে না। এরকম বহু বিপত্তি এই বিশেষ স্থানে এড়িয়ে যেতে পারে। ভাবাবেগের তাগিদে মুখের আক্রোশে নাক কেটে ফোল এরকম একজন মানুষকে আমরা বিচারবুদ্ধি রহিত বলে আখ্যা দিতে পারি। সে বিচারবুদ্ধিরহিত, কেননা বর্তমান মুহূর্তের উগ্র আকাঙ্খা চরিতার্থ করার জন্য ভবিষ্যতের প্রয়োজনীয় আকাঙ্ক্ষাকে ভেঙ্গে চুরমার করে ফেলে। মানুষ যদি বিচারবুদ্ধিসম্পন্ন হতে পারে তা হলে বর্তমানে যা করে ভবিষ্যতে তার চেয়ে নির্ভুল সিদ্ধান্ত গ্রহণ করবে। যদি প্রত্যেক মানুষ জ্ঞাতভাবে নিজের স্বার্থের অনুকূলে কাজ করে যায় তা হলে পৃথিবীতে যা আছে তার তুলনায় স্বর্গরাজ্য হয়ে যেত। আমি এও বলতে চাইনি যে মানুষের নিজের স্বার্থের কাজ করার চেয়ে কাজের আর কোনও মহত্ত্বর উদ্দেশ্য নেই। কিন্তু আমি মনে করি অজ্ঞাতভাবে কাজ করার চেয়ে জ্ঞাতভাবে নিজের স্বার্থের অনুকূলে কাজ করা পরার্থপরতার মতো মহত্তর। এ সুশৃঙ্খল সমাজে অন্যের স্বার্থে আপত্তি করার মতো এমন কাজ করবে কদাচিত খুব কম লোককে দেখা যায়। একজন কম বিচারবুদ্ধিসম্পন্ন মানুষ, অন্যের পক্ষে যা ক্ষতিকর, তা তারও ক্ষতির কারণ একথা মনে করতে পারেনা, কারণ ঘৃণা এবং প্রতিহিংসা তাকে অন্ধ করে রাখে।

    যদিও আমি জ্ঞাতভাবে কাজ করাকে সর্বোচ্চ নৈতিকতা বলার ধৃষ্টতা পোষণ করি না, তবু মানুষ যদি জ্ঞাতভাবে নিজের স্বার্থের অনুকূলে কাজ করে পৃথিবীটা যা আছে তার চেয়ে অনেকগুণে ভালো হয়ে যাবে।

    এ মুহূর্তে যেটা তীব্রভাবে অনুভব করছি সেটা নয়, একসঙ্গে সমস্ত প্রয়োজনীয় আকাক্ষার প্রতি দৃষ্টি রাখাকেই ফলিত বিচারবুদ্ধির সংজ্ঞা বলা যেতে পারে। বিচারবুদ্ধি অনেকটা আনুপাতিক মতামতের ওপর নির্ভর করে, এবং তা সম্পূর্ণ আয়ত্ব করা অসম্ভব। তাই বলে যখন কিছু মানুষকে পাগল বলি, তখন এটা পরিস্কার। যে কিছু সংখ্যককে অন্যান্য মানুষের চেয়ে অধিক বিচাররবুদ্ধিসম্পন্ন এ কথা বলে থাকি। আমি বিশ্বাস করি ভাষ্যগত এবং বাস্তব বিচারবুদ্ধির ফলেই পৃথিবীর প্রকৃত উন্নতি হয়েছে। পরার্থপরতার নীতি প্রচার করা আমার কাছে অর্থহীন, কারণ তা একমাত্র তাদের কাছে সক্রিয় যারা পরার্থপরতাকে জীবনের নীতি হিসেবে গ্রহণ করেছেন। কিন্তু বিচারবুদ্ধি সম্পর্কে প্রচার করার অর্থ ভিন্নতর, কেননা বিচারবুদ্ধির সাহায্যে আমাদের আশা-আকাঙ্ক্ষা, তা যাই হোক না কেন, বাস্তবে রূপায়ণ করতে সক্ষম হয়ে থাকি। একে অন্যের ক্ষতি করার বিভিন্ন পদ্ধতি যখন বিজ্ঞান আবিস্কার। করেছে তখন আমি বিশ্বাস করি, শিক্ষাব্যবস্থা, সংবাদপত্র, ধর্ম এক কথায় পৃথিবীর প্রধান শক্তিগুলো বিচার বুদ্ধির বিরুদ্ধে। ওসব শক্তিগুলো এমন লোকের কর্তৃত্বাধীনে যা ধর্মরাজ ডেমোগোকেও ভুলিয়ে পথ ভ্রষ্ট করে। বীরত্বের হুংকারে নয়, আত্মীয় প্রতিবেশী এবং পৃথিবীর প্রতি ব্যক্তির সুস্থ এবং নিয়ন্ত্রিত ব্যবহারের মধ্যেই নিহিত এর প্রতিবিধান। একমাত্র ব্যাপক বিস্তৃতিশীল বুদ্ধির কাছেই আমাদের পৃথিবী যে দূর্ভোগে ভুগছে তার নিরসন কামনা করব।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleসূর্য তুমি সাথী – আহমদ ছফা
    Next Article সাম্প্রতিক বিবেচনা : বুদ্ধিবৃত্তির নতুন বিন্যাস – আহমদ ছফা

    Related Articles

    আশাপূর্ণা দেবী

    সমুদ্র কন্যা – আশাপূর্ণা দেবী

    April 24, 2026
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    আমাদের মহাভারত – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    March 20, 2026
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়

    বিপিনের সংসার – বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়

    January 8, 2026
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    ভয় সমগ্র – হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    December 9, 2025
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    কিশোর অ্যাডভেঞ্চার সমগ্র – হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    December 9, 2025
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    প্রকাশ্য দিবালোকে – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    November 18, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    अनीश दास
    मौलाना शाह वलीउल्लाह
    रेवरेंड के. के. जी. सरकार
    অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিজ্ঞান রায়চৌধুরী
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমরেন্দ্র চক্রবর্তী
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অরিন্দম দেবনাথ
    অর্পিতা সরকার
    অশোককুমার মিত্র
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    কৌশিক সামন্ত
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যজ্যোতি মজুমদার
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেইল লোনডেস
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শঙ্কর চ্যাটার্জী
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শাক্যজিৎ ভট্টাচাৰ্য্য
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সম্পাদনা : শৈলেন্দ্র হালদার
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্মরণজিৎ চক্রবর্তী
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    অপেক্ষার বারোমাস – অর্পিতা সরকার

    May 1, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    অপেক্ষার বারোমাস – অর্পিতা সরকার

    May 1, 2026
    Our Picks

    অপেক্ষার বারোমাস – অর্পিতা সরকার

    May 1, 2026

    শ্মশানকোকিলের ডাক – সৌভিক চক্রবর্তী

    May 1, 2026

    এসো না অসময়ে – অর্পিতা সরকার

    May 1, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }