Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    মাহতাব উদ্দিন : জীবন ও গান

    May 18, 2026

    পরমপুরুষ শ্রীশ্রীরামকৃষ্ণ ২ – অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত

    May 18, 2026

    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়ের প্রেমের গল্প – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    May 16, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    সংশয়ী রচনাবলী – আহমদ ছফা

    লেখক এক পাতা গল্প296 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ০৩. বিজ্ঞান কি কুসংস্কারাচ্ছন্ন?

    আধুনিক জীবন দু’ভাবে বিজ্ঞানের উপর প্রতিষ্ঠিত। একদিকে আমাদের সকলকে দৈনন্দিন রুটি-রোজগার এবং আরাম-আয়েশের জন্য বিজ্ঞানের উপর নির্ভর করতে হয়। অন্যদিকে মনের কতেক স্বভাব যা বৈজ্ঞানিক দৃষ্টিভঙ্গীর সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে সংযুক্ত, বিগত তিনশ বছর ধরে কয়েকজন প্রতিভাবানের কাছ থেকে সমাজের বৃহত্তর অংশে ছড়িয়ে পড়েছে। বিজ্ঞানের এ দু’রকমের প্রভাব যে পরস্পর অনিষ্ট তা সুদীর্ঘকাল ধরে বিচার বিশ্লেষণ করলে ধরা পড়ে, কিন্তু একটা অন্যটাকে ছাড়া কয়েকশ বছর পর্যন্ত চলে যেতে পারে। অষ্টাদশ শতাব্দীর শেষের দিক ছাড়া মনের বৈজ্ঞানিক স্বভাব আমাদের দৈনন্দিন জীবনে তেমন প্রভাব ফেলতে পারে নি। কারণ তার আগে বিরাট বিরাট আবিষ্কারের ফলে শিল্পোৎপাদন পদ্ধতিতে বিপ্লবের সঞ্চার হয় নি। অন্যদিকে বিজ্ঞান যে ধরণের জীবন পদ্ধতির সৃষ্টি করেছে তা তারাই গ্রহণ করল শুধু বিজ্ঞান সম্বন্ধে যাদের সামান্য বাস্তব জ্ঞান আছে এবং এ সমস্ত লোকেরা যেখানেই আবিষ্কৃত হোক না কেন যন্ত্র তৈরি, ব্যবহার এমনকি অল্পস্বল্প উৎকর্ষ সাধনও করতে পারে। মানবজাতির সামগ্রিক বুদ্ধিবৃত্তি যদি লোপও পায় তাহলেও যে কারিগরি এবং দৈনন্দিন জীবনের সৃষ্টি করেছে তা সমগ্র সম্ভাবনাসহ কয়েকপুরুষ ধরে অক্ষয়ভাবে বিরাজ করবে। কিন্তু চিরদিনের মতো স্থায়ী হতে পারবে না, কেননা কোন আকষ্মিক বিপত্তির ফলে ধ্বংস হয়ে গেলে এর পূণর্নির্মাণ অসম্ভব হয়ে পড়বে।

    সুতরাং ভালোর জন্য হোক, মন্দের জন্য হোক বৈজ্ঞানিক দৃষ্টিভঙ্গি মানবজাতির একান্তই প্রয়োজন। শৈল্পিক দৃষ্টিভঙ্গীর মতো বৈজ্ঞানিক দৃষ্টিভঙ্গীও দু’ভাবে বিভক্ত। স্রষ্টা এবং সমালোচক, দু’জনেই আলাদা মানুষ এবং তাদের প্রত্যেকেরই মনের আলাদা স্বভাব। অন্যান্য স্রষ্টার মতো বৈজ্ঞানিক স্রষ্টারাও আবেগে উদ্দীপিত হন, যার ফলে তারা অপ্রকাশিত সত্যের বুদ্ধিগ্রাহ্য বর্ণনা দিতে পারেন। এ না হলে কিন্তু তিনি কিছুই করতে পারবেন না। সমালোচকের এ ধরনের বিশ্বাস বা প্রত্যয় না থাকলে চলে। তিনি প্রয়োজন মতো আনুপাতিকভাবে জ্ঞাত হয়ে সংরক্ষণ করেন এবং নিজের তুলনায় স্রষ্টাকে একজন কদর্য বর্বরব্যক্তি হিসেবেও ভাবতে পারেন। যখন সভ্যতা অত্যধিক পরিব্যপ্ত এবং ঐতিহ্যাশ্রয়ী হয়ে পড়েছে তখন সমালোচকদের মনে স্রষ্টাদের মন জয় করবার প্রবৃত্তিও দেখা গেছে। এর ফলে সভ্যতার প্রশ্ন বাইজানটাইনের মতো পুরনো এবং বহিদর্শনের ব্যাপার হয়ে দাঁড়িয়েছে। বিজ্ঞানেও অনুরূপ কিছু বোধকরি ঘটতে শুরু করেছে। যে সরল বিশ্বাসের রজ্জু ধরে পুরোধা ব্যক্তিরা অগ্রসর হচ্ছিলেন তার মর্মমূল এখন শুকিয়ে গেছে। বাইরের জাতিগুলো যেমন রাশিয়ান জাপানি এবং তরুন চীনারা এখনও বিজ্ঞানকে সপ্তদশ শতাব্দীর বৈশিষ্ট্যেমণ্ডিত হিসাবে দেখতে চান, তেমনি চান প্রতীচ্যের অনেকগুলো জাতি। কিন্তু ধর্মযাজকেরা এখন তাদের আনুষ্ঠানিকভাবে নিবেদিত ধর্ম-কর্মে আস্থা স্থাপনে ক্লান্ত হয়ে পড়েছেন। ধার্মিক তরুণ লুথার একজন মুক্তবুদ্ধিসম্পন্ন পোপকে শ্রদ্ধা নিবেদন করেছিলেন। তিনি তার রোগমুক্তি কামনা করে রোমের মন্দিরে জুপিটার দেবতার কাছে ষাঁড় বলি দিয়েছিলেন। বর্তমানে সভ্যতা সংস্কৃতির পীঠস্থান থেকে যারা দূরবর্তী তারাও বিজ্ঞানের প্রতি তেমনি শ্রদ্ধাশীল হয়ে উঠেছেন। জার্মান প্রোটেস্টানিজমের মতো বলশেভিকদের বৈজ্ঞানিক বস্তুবাদও হলো পুরনো শ্ৰেয়োবোধকে রক্ষা করার প্রচেষ্টা, যা বন্ধু এবং শত্রু সমানভাবে গ্রহণ করতে পারে নতুন মতবাদ হিসাবে। নিউটনের মৌলিক আনুপ্রেরণা পশ্চিমের বুর্জোয়া বৈজ্ঞানিকদের মধ্যে বৈজ্ঞানিক সংশয়বাদের জন্ম দিয়েছে। বিজ্ঞানকে ক্রিয়াপদ্ধতি হিসাবে রাষ্ট্র স্বীকার করে নিয়েছে এবং রাষ্ট্র বিজ্ঞানের উৎসাহদাতা হয়ে দাঁড়িয়েছে। টেনেসি রাজ্যের মতো রাষ্ট্র যেখানে প্রাকবৈজ্ঞানিক স্তর অতিক্রম করতে পারে নি, সেখানে ছাড়া রাজনৈতিকভাবে অন্যান্য রাষ্ট্র রক্ষণশীল হয়ে পড়েছে। পূর্বের অবস্থা রক্ষা করাই আজকের বিজ্ঞানের অধিকাংশ মানুষের বিশ্বাসের মূল কেন্দ্রবিন্দু হয়ে দাঁড়িয়েছে। ফলতঃ তারা বিজ্ঞানের যা প্রাপ্য তার চেয়ে বেশি কিছু দাবি করতে ইচ্ছুক নন। ধর্মের মতো রক্ষণশীল শক্তির চাইতে বিজ্ঞানের দাবি যে বেশি, তা তারা স্বীকার করেন না।

    সে যা হোক তারা এক মস্ত বিপদের সম্মুখীন হয়ে পড়েছেন। বিজ্ঞানের মানুষেরা এখন মুখ্যতঃ রক্ষণশীল হলেও বিজ্ঞান আজ পর্যন্ত পৃথিবীর দ্রুত পরিবর্তনের শ্রেষ্ঠতম মাধ্যম।

    .

    এ পরিবর্তনের ফলে আফ্রিকা, এশিয়া, ইউরোপের শিল্পাঞ্চলের মানুষের মনে যে আবেগের সঞ্চার করেছে তা অনেক সময় রক্ষণশীল মনোভাবাপন্ন মানুষদের অসন্তে ষের কারণ হয়ে দাঁড়ায়। সুতরাং বিজ্ঞানের মূল্য সম্বন্ধে এক ধরনের গড়িমসি মনোভাবের সৃষ্টি হয়েছে, যার ফলে পুরোত এবং ধর্মযাজকদের মধ্যে সংশয়বাদের উদয় হয়েছে। তা যদি একা হতো তা হলে তত বেশি প্রয়েজনীয় হতো না, কিন্তু প্রধান বুদ্ধিবৃত্তিক অসুবিধাগুলো এর সঙ্গে যুক্ত এবং তা যদি অনতিক্ৰমণীয় হয়ে দেখা দেয়। তাহলে বৈজ্ঞানিক আবিস্ক্রিয়ার উপর যবনিকাও টেনে দিতে পারে। একথার মানে আমি এ বলতে চাচ্ছি যে খুব শিগগিরই তেমন কিছু ঘটবে। প্রতীচ্য যে বিশ্বাস হারিয়ে ফেলেছে, এশিয়া এবং রাশিয়া আরো শতবছর হয়ত সে বৈজ্ঞানিক বিশ্বাসকে আঁকড়ে থাকতে পারে। শিগগির হোক অথবা দেরিতে হোক এ বিশ্বাস বর্জন করার বিরুদ্ধে যুক্তি প্রবল হয়ে দেখা দেবে এবং লোকসাধারণকে যে কোনভাবেই প্রভাবিত করবে; তার ফলে তারা ক্ষণিকের জন্য ক্লান্ত হয়ে পড়লেও পূর্বের সে আনন্দিত বিশ্বাসে ফিরে আসতে পারবে না। সুতরাং বিজ্ঞানের বিশ্বাসের বিরুদ্ধে যুক্তিগুলো সযত্ন পরীক্ষার দাবি রাখে।

    বৈজ্ঞানিক বিশ্বাসের নামে আমি এ কথা বলছি না যে তা শুধু যুক্তিগতভাবে প্রয়োগক্ষম, শুধু যে অর্থে বিজ্ঞান সত্য; কিন্তু আমি বলছি এমন কিছু যা অধিকতর উৎসাহব্যঞ্জক এবং কম যুক্তিনির্ভর। নাম করে বলতে গেলে সে সমস্ত আবেগ এবং বিশ্বাসের পদ্ধতি যা মানুষকে শ্রেষ্ঠ বৈজ্ঞানিক আবিষ্কারক হতে অনুপ্রাণিত করে। এখন কথা হলো এ সমস্ত বিশ্বাস এবং আবেগ বুদ্ধিবৃত্তিসম্পন্ন মানুষের মধ্যে স্থায়ীভাবে বিরাজ করতে পারে কিনা এবং বুদ্ধিবৃত্তিক মুক্তি ছাড়া কি বৈজ্ঞানিক আবিষ্কার অসম্ভব?

    এ সমস্যার প্রকৃতি অনুধাবন করতে হলে সাম্প্রতিক দুটো চিত্তাকর্ষক বই আমাদেরকে প্রভূত সাহায্য করবে। বই দুটো হলো বার্ট এর ‘মেটাফিজিক্যাল ফাউণ্ডেশানস অব মডার্ন সায়েন্স’; প্রকাশকাল ১৯২৬ এবং হোয়াইটহেডের সায়েন্স অ্যাণ্ড দ্যা মডার্ন ওয়ার্ল্ড’; প্রকাশকাল ১৯২৬। এ দুটোর প্রত্যেকটাতেই আধুনিক পৃথিবী কোপার্নিকাস, কেপলার, গ্যালিলিও এবং নিউটনের কাছ থেকে যে ধারণা পদ্ধতি পেয়েছে তার সমালোচনা করেছে। প্রথমটা ঐতিহাসিক দৃষ্টিকোণ থেকেই লেখা হয়েছে। ড. হোয়াইটহেডের বইটিই অধিকতর দরকারি, কেননা তা শুধু সমালোচনা নয় ওতে গঠনমূলকও অনেক কিছু রয়েছে, ভবিষ্যতের বিজ্ঞানের জন্য বুদ্ধিবৃত্তিসম্মত ভিত্তি দেওয়ার চেষ্টাও তাতে করা হয়েছে। অধিকন্তু বইটাতে বিজ্ঞানবাদে মানুষের সাধারণ আশা-আকাঙ্ক্ষা সম্পর্কে আবেগদীপ্ত অনেক কিছুই রয়েছে। ড. হোয়াইটহেড তার থিয়োরির যে অংশকে আনন্দদায়ক আখ্যা দিয়ে যুক্তির অবতারণা করেছেন, আমি তা সমর্থন করতে পারি না। বৈজ্ঞানিক ধারণাক্রিয়ার বুদ্ধিবৃত্তিসঞ্জাত ধারণা গঠনের প্রয়োজনীয়তা স্বীকার করে নিয়েও আমি মনে করি যে আমাদের বুদ্ধিবৃত্তির সঙ্গে সম্পর্কহীন আবেগ বিজ্ঞানের দিকে প্রবল টান ব্যতিরেকে পুরনো ধারণার মতো নতুন ধারণাকেও গ্রহণ করতে পারবে না এর সমর্থনে কি যুক্তি আছে, এখন আমরা তা তলিয়ে দেখছি।

    .

    ঐতিহাসিক দৃষ্টিকোণ থেকে দেখতে গিয়ে, ড. হোয়াইটহেড নির্দিষ্ট প্রাকৃতিক পদ্ধতির সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ বস্তুপুঞ্জে সুসমঞ্জস সমাহারের প্রতি প্রবৃত্তিগত ব্যাপক বিশ্বাস ব্যতিরেকে জীবন্ত বিজ্ঞান বলতে কিছুই থাকতে পারে না। বিজ্ঞানের জন্ম দিয়েছেন একমাত্র তারাই যাদের এ বিশ্বাস ছিল। সুতরাং বিশ্বাসের মৌল উৎস প্রাক-বৈজ্ঞানিক। নিশ্চিতভাবে বিজ্ঞানের আবির্ভাবের জন্য যে মিশ্র মনোভাবের প্রয়োজন ছিল তাতে অন্যন্য উপাদানও মিশ্রিত হয়েছিল। তার মতে জীবন সম্বন্ধে গ্রিকদের ধারণা ছিল নাটকীয়, সূচনার চাইতে সমাপ্তিকেই জোর দেয়া হতো বেশি। বিজ্ঞানের দৃষ্টিতে বিচার করতে গেলে এটাও একটা বিচ্যুতি। অন্যদিকে গ্রিক বিয়োগান্ত নাটকে নিয়তির ধারণা থেকে প্রত্যেকটা ঘটনার যে প্রাকৃতিক নিয়মের উপর নির্ভরশীল তার উদ্ভব হয়। গ্রিক নাটকের নিয়তির ধারণা আধুনিক চিন্তায় প্রাকৃতিক বিধান বলে রোমান সরকার (অন্ততঃ থিয়োরিগতভাবে হলেও) প্রাচ্যের স্বেচ্ছাচারী শাসকদের মতো খেয়ালখুশী মতো শাসনকার্য পরিচালনা করে নি, বরঞ্চ পূর্বনির্ধারিত আইনকানুন অনুসারেই তারা শাসন-শৃঙ্খলা পরিচালনা করেছে। অনুরূপভাবে খ্রিস্টধর্মও আইনানুসারে ভগবানের ধারণা করেছে যদিও সে আইনগুলো ভগবানেরই স্থিরীকৃত। এসবের ফলে প্রাকৃতিক আইনের সৃষ্টির পথ পরিষ্কার হয় এবং তা বৈজ্ঞানিক মনোভঙ্গীর একটা অত্যন্ত প্রয়োজনীয় বৈশিষ্ট্য।

    যে সমস্ত অবৈজ্ঞানিক বিশ্বাস ষোড়শ এবং সপ্তদশ শতাব্দীর অগ্রদূতদের অনুপ্রাণিত করেছিল, ড. বার্ট সেসব খুবই প্রশংসনীয়ভাবে অজ্ঞাত অনেক মৌলিক উৎসের সাহায্যে উপস্থাপন করেছেন। উদাহরণস্বরূপ, কেপলারের অনুপ্রেরণার মূলে ছিল জরথুস্ত্রীয়দের সূর্য উপাসনা যা তিনি যৌবনের গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্তে বরণ করে নিয়েছিলেন। প্রাথমিকভাবে সূর্যকে দেবতা জ্ঞান করে ব্রহ্মাণ্ডের কেন্দ্রবিন্দুতে স্থাপন করার পদ্ধতি হিসাবে গ্রহণ করতে অনুপ্রাণিত করেছিল। রেনেসাঁর যুগে খ্রিস্টিয় ধর্মবিশ্বাসের প্রতি বিরোধ প্রাথমিকভাবে প্রাচীন আদিমতার প্রশংসার মধ্যে যার অঙ্কুর নিহিত ছিল, সর্বত্রই পরিলক্ষিত হতো। নিয়মের মাধ্যমে এর বহিঃপ্রকাশ ঘটেনি খোলাসাভাবে, কিন্তু জ্যোতির্বিদ্যা ইত্যাদির যে পুণঃপ্রচলন হয়েছে, তার ফলে তা উদাহরণ হিসেবে নেয়া যেতে পারে। গির্জা শারীরিক নির্যাতন করে তার বিরুদ্ধে উঠে পড়ে লেগেছিল। খ্রিস্টধর্মের বিরুদ্ধে যে বিদ্রোহ তার সঙ্গে মিশেছিল কুসংস্কার যেমন বিজ্ঞানে কেপলারের ব্যাপারেও ছিল অঙ্গাঙ্গীভাবে কুসংস্কার বিজড়িত।

    কিন্তু তার একটি অসুবিধা আছে, তাহলো অপ্রতিরোধ্য এবং কর্কশ সত্যের প্রতি স্পৃহা, যার প্রয়োজন একইভাবে অপরিহার্য, মধ্যযুগে তা অনুপস্থিত ছিল এবং প্রাচীনকালে তা সাধারণত দৃষ্টিগোচর হতো না। রেনেসাঁর আগে বস্তুর প্রতি অনুসন্ধিৎসা ব্যক্তিবিশেষের মধ্যে দেখা যেত। উদাহরণস্বরূপ সম্রাট দ্বিতীয় ফ্রেডারিক এবং রোজার বেকনের নাম করা যেতে পারে। কিন্তু রেনেসাঁর সময়ে তা বুদ্ধিমান লোকদের মধ্যে পরিব্যাপ্ত হয়ে পড়ে। প্রাকৃতিক আইনের প্রতি অনাসক্ত মতের লেখার মধ্যেও তা দেখা যায়; অথচ মতে বিজ্ঞানের মানুষ ছিলেন না। সাধারণ অথবা বিশেষ আকর্ষণের আশ্চর্য রসায়ন ঘটেছিল বিজ্ঞানের ব্যাপারে। বিশেষ বিশেষ বিষয় এই আশায় পড়া হতো যে তার ফলে সাধারণ বিষয়সমূহের উপর আলোকসম্পাত করা যাবে। মধ্যযুগে এটা ভাবা হতো যে সাধারণ নীতি মেনে বিশেষ সিদ্ধান্তে আসা যায়। রেনেসাঁর সময়ে তা প্রবল সমালোচনার সম্মুখীন হলো। ঐতিহাসিক পুরাতত্ত্ব সম্পর্কে আগ্রহ তাদেরকে বিশেষ বিশেষ ঘটনার প্রতি প্রবল আগ্রহী করে তোলে। মনের এই স্পৃহা যা গ্রিক রোমান এবং ঐতিহ্যাশ্রয়ী জ্ঞানের মাধ্যমে শিক্ষিত এবং সঞ্জীবিত হয়ে উঠেছিল, যা গ্যালিলিও কেপলারের অভ্যুত্থানকে সম্ভবপর করে তুলেছিল! স্বভাবতঃই এই আবহাওয়ার কিছুটা তাদের কাজকে বেষ্টন করেছিল এবং তা তাদের আজকের দিনের উত্তরাধিকারীর মধ্যে চলে এসেছে। বিজ্ঞান কখনও পরবর্তী রেনেসাযুগের ঐতিহাসিক বিদ্রোহ যা বিজ্ঞানের উৎসমূল তাতে নাড়া দেয় নি। প্রধানতঃ তা ছিল অবিবেচনাপ্রসূত একটি আন্দোলন এবং যা জনসাধারণের প্রচলিত বিশ্বাসেরই উপর ছিল প্রতিষ্ঠিত এবং যে অনুমানের অভাব ছিল, তাতে আর অভাব মিটান হলো অঙ্কবিদ্যা হতে ধার করে। এ অনুমান ছিল অবরোহপদ্ধতি অনুসারে গ্রিক হেতুবাদের প্রচলিত অপভ্রংশ। বিজ্ঞান দর্শনের সম্পর্ক অস্বীকার করল। অন্য অর্থে বলতে গেলে এর বিশ্বাসকে যাচিয়ে দেখা অথবা অর্থ ব্যাখ্যা করার এত যত্ন নেয় নি, হিউমের দ্বারা বর্জিত হয়েও আড়ালে অগোচরে রয়ে গেল।

    শৈশবে যে যে কুসংস্কারের ক্রোড়ে লালিত হয়েছে তা থেকে বিচ্ছিন্ন করলে বিজ্ঞান টিকে থাকতে পারবে কিনা? অবশ্য দর্শনের প্রতি বিজ্ঞানের নিস্পৃহতার কারণ হচ্ছে বিজ্ঞানের অত্যাধিক সাফল্য, তা মানবশক্তির ধারণাকে বহুগুণে বাড়িয়ে দিয়েছে। মাঝে মাঝে গোড়া ধর্মমতের সঙ্গে সংঘাত ছাড়া প্রায় সর্বাংশে মানুষের কাছে গ্রহণীয় হয়ে উঠেছে। তাহলেও হালে বিজ্ঞান নিজের সমস্যার গরজেই দর্শনের প্রতি আগ্রহশীল হয়ে পড়েছে, যা থিয়োরি অব রিলেটিভিটির মধ্যে সত্য হিসেবে দেখা দিয়েছে; বিশেষভাবে যার ফলে স্থান এবং কালকে স্থান-কাল একক সত্তা বলে স্বীকার করা হয়েছে। গতির বিচ্ছিন্নতার আপাতঃ প্রয়োজনীয়তার মধ্যে কোয়ান্টামতত্ত্বেও তা সত্য বলে স্বীকার করা হয়েছে। অন্যদিকে শারীরবিদ্যা এবং জৈব রসায়নবিদ্যা মনস্তত্ত্বের শিকড় প্রসারণের সঙ্গে সঙ্গে দর্শনেরও ভয়ঙ্কর ভীতির কারণ হয়ে পড়েছে। ড. ওয়াটসনের ব্যবহারবাদ হলো তার মধ্যে সবচেয়ে তীক্ষ্ণতম, তাতে দর্শনের ঐতিহ্যের প্রতি শুধু অসম্মান দেখান হয় নি। পক্ষান্তরে ব্যবহারবিদ নিজস্ব একটি নতুন দর্শনের উপর প্রতিষ্ঠিত। এ সকল কারণে বিজ্ঞান ও দর্শন দীর্ঘকাল ধরে সশস্ত্র নিরপেক্ষতা বজায় রাখতে পারবে না। তাদেরকে পরস্পরের বন্ধু অথবা শত্রু দু’টোর একটা হতেই হবে। বিজ্ঞান যতদিন দর্শনের বক্তব্যের মধ্যে যে-সকল প্রশ্ন তুলে ধরবে, পাশ না করা পর্যন্ত একে অপরের পরিপূরক অথবা বন্ধু হতে না পারলে, একে অপরকে অবশ্যই ধ্বংস করবে; কিন্তু একা একটি যে প্রভুত্ব করবে তারও কোন সম্ভাবনা নেই।

    ড. হোয়াইটহেড বিজ্ঞনের দার্শনিক বিচারের জন্য দু’টি বিষয়ের অবতারণা করেছেন। একদিকে তিনি নতুন ধারণা দিয়েছেন, যার সাহায্যে রিলেটিভ বা আপেক্ষিক পদার্থবিদ্যা এবং কোয়ান্টামকে অতীতের নিরেট পদার্থবাদ দিয়ে গঠন করার চাইতে অধিকতর সন্তোষজনক বুদ্ধিগ্রাহ্য উপায়ে গঠন করবার পদ্ধতি বাতলে দিয়েছেন। তার কীর্তির এ অংশে যা আমরা প্রত্যাশা করেছিলাম, সম্পূর্ণভাবে বিকশিত হয়ে উঠে নি, যদিও বিজ্ঞানের ব্যাপক ধারণার মধ্যে ভূণ হিসাবে তা রয়ে গেছে। সাধারণ পদ্ধতি সমূহের সাহায্যে যাচাই করা যায়, যা কিছু বস্তুর সঙ্গে অন্য বস্তুর সম্বন্ধের থিয়োরিগত বিশ্লেষণের দিকে আমাদের প্রচেষ্টাকে পরিচালিত করে। কারিগরি দিক দিয়ে দেখলে তা খুব জটিল এবং এ সম্পর্কে আর কিছু বলছি না। আমাদের বর্তমান দৃষ্টিভঙ্গি অনুসারে ড. হোয়াইটহেডের গ্রন্থের উল্লেখযোগ্য দিক হলো এর অতিদার্শনিক অংশ: তিনি শুধু উৎকৃষ্টতর বিজ্ঞানকে দেন নি, এমন একটি দর্শন দিয়েছেন যা বিজ্ঞানকেও যুক্তিসিদ্ধ করতে সক্ষম; কিন্তু তা এই অর্থে যে ঐতিহ্যিক বিজ্ঞান হিউমের পূর্বে কখনো যুক্তিনির্ভর ছিল না। তার দর্শন অধিকাংশ ক্ষেত্রে বের্গসঁনের দর্শনেরই সমগোত্রীয়। আমি নিজে অসুবিধা বলে যা মনে করছি তা হলো এ পর্যন্ত ড. হোয়াইটহেডের যে ধারণা তাকে ফর্মুলাবদ্ধ করে যে কোন সাধারণ বৈজ্ঞানিক বা যুক্তির পরীক্ষায় ফেলে যাচাই করা যায়, কিন্তু তার দর্শনের মধ্যে তার কোন উল্লেখ নেই। সুতরাং দর্শনের অন্তর্নিহিত তাৎপর্যকে অবশ্যই গ্রহণ করতে হবে। বিজ্ঞান সত্যকে স্বীকার করে শুধু এ কারণে আমরা তা গ্রহণ করব না, এ কারণেও গ্রহণ করব যে তা বিজ্ঞানকেও যুক্তিসম্মত করে তোলে। প্রত্যক্ষভাবে আমাদের পরীক্ষা করে অবশ্যই জেনে নিতে হবে যা সত্য মনে হয় আদতে তার বাস্তব সমর্থন আছে কিনা এবং এখানেই আমরা পুরনো সকল রকমের হতবুদ্ধির শিকার হয়ে পড়ি।

    আমি শুধু একটা বিষয়কে নিচ্ছি, তা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। সকলেই জানেন, বের্গসঁন মনে করতেন স্মৃতিতে অতীত জীবিত থাকে এবং মনে করতেন আদতে মানুষ কিছুই ভুলতে পারে না। এ সকল দিকে তার সঙ্গে ড. হোয়াইটহেডের মতের মিল রয়েছে। এ হলো কাব্যের জন্য খুবই সুন্দর কিন্তু বৈজ্ঞানিকভাবে তার সাহায্যে যথাযথ বাস্তব কিছু নির্দেশ করা যায় না (অন্তত আমার তাই-ই চিন্তা করা উচিত)। আদি যদি অতীত কোন ঘটনাকে স্মরণ করি, উদাহরণস্বরূপ যেমন আবার চীনে আগমন, তাহলে তা শুধু কথার কাঠামো যে আমি আবার চীনে আগমন করছি। যখন আমি স্মরণ করি তখন কিছু সংখ্যক শব্দ বা প্রতাঁকের প্রয়োজন হয়। কার্যকারণ সূত্র এবং যৌক্তিক সমতার চাইতে কিছু বেশি অংশে কী স্মরণ করছি তার সঙ্গে সম্পর্কশীল। স্মৃতিকে যদি আমরা অতীত ঘটনার অনুরণন বলতে চেষ্টা করি, তাহলেও কিন্তু অতীত ঘটনা স্মরণ করবার বৈজ্ঞানিক সম্বন্ধ অটুট থেকে যায়। যদি আমরা তা বলি তা হলেও স্বীকার করে নিতে বাধ্য হব সময়ের ব্যবধানে ঘটনাটির পরিবর্তন হয়েছে এবং এ পরিবর্তন কেননা হয় তার কারণ আবিষ্কার করতে গিয়ে বৈজ্ঞানিক সমস্যার সম্মুখীন হব। আমরা স্মৃতিতে নতুন ঘটনা অথবা বহুলাংশে পরিবর্তিত পুরনো ঘটনা বললেও তাতে বৈজ্ঞানিক সমস্যাটির কিছুই হয় না।

    হিউমের সময় পর্যন্ত বিজ্ঞানের দর্শনের প্রধানতম আপবাদ ছিল কার্যকারণ এবং আরোহ পদ্ধতি। আমরা সকলেই দুটোতেই বিশ্বাস করি। কিন্তু হিউম দেখিয়ে দিলেন যে আমাদের বিশ্বাসসমূহে অন্ধতার কোন যৌক্তিক ভিত্তি নেই। ডঃ হোয়াইটহেড বিশ্বাস করেন তার দর্শন হিউম দর্শনের একটি জবাববিশেষ। কান্টও তাই করেছেন। আমি নিজে কিন্তু এ দু-উত্তরের কোনটাকেই গ্রহণ করতে পারিনে। তা সত্ত্বেও অন্যান্য মানুষের সঙ্গে মত মিলিয়ে বিশ্বাস করতে বাধ্য হই যে অবশ্যই একটা উত্তর থাকতে হবে। এ জাতীয় ক্রিয়াকলাপ মোটেই সন্তোষজনক নয়, বিজ্ঞানের মতো দর্শনের সঙ্গে জড়িত হয়ে পড়ে। আমাদেরকে অবশ্যই বিশ্বাস করতে হবে যে একটা জবাব পাওয়া যাবে, কিন্তু সে জবাব পাওয়া গেছে একথা মানতে আমি মোটেই রাজি নই।

    বর্তমানের বিজ্ঞানের কিছু অংশ আমাদের প্রিয় এবং কিছু অংশ প্রিয় নয়। পরিবেশকে নিয়ন্ত্রণ করার শক্তি দান করে বলে প্রায় বুদ্ধিবৃত্তিক সন্তষ্টি দান করতে পারে বলে খুবই অল্প সংখ্যক মানুষের কাছে তা গ্রহণীয় হয়ে থাকে। তা অপ্রিয়, এ কারণে যে, যতই আমরা সত্যকে ঢেকে রাখতে চেষ্টা করি না কেন, থিয়োরি গতভাবে মানুষের কাজকে পূর্বাহ্নে নির্ধারিত করার শক্তিতে বিশ্বাস করে থাকে এবং এ ক্ষেত্রে দেখা যায় যে তা মানুষের শক্তির স্বল্পতা সাধন করেছে। সভাবতঃই মানুষ বিজ্ঞানের অপ্রিয় দিকটিকে বাদ দিয়ে প্রিয় দিকটিকে গ্রহণ করতে চায়। সে জন্যে এ পর্যন্ত যতরকমের চেষ্টা করা হয়েছে তার প্রত্যেকটিই বিফলমনোরথ হয়েছে। যদি আমরা এ সত্যের উপর জোর দেই যে আরোহ এবং কার্যকারণ পদ্ধতির উপর আমাদের যে বিশ্বাস তা সম্পূর্ণ অযৌক্তিক, তাহলে আমাদের অনুমান করতে হয় যে আমরা-বিজ্ঞানকে সত্য বলে মানি না এবং যে কারণে বিজ্ঞান আমাদের কাছে প্রিয় যে কোন মুহূর্তে প্রকৃতিকে নিয়ন্ত্রণ করার শক্তি এর পরিবর্তে যে মতবাদ এখন সম্পূর্ণভাবে থিয়োরিগত আধুনিক মানুষ তা এখন বাস্তবে প্রয়োগ করতে পারে না। পক্ষান্তরে যদি আমরা বৈজ্ঞানিক পদ্ধতির দাবিকে মেনে নেই তাহলে আমরা এ উপসংহার কিছুতেই এড়াতে পারব না যে আরোহ এবং কার্যকারণ পদ্ধতিকে অন্যান্য সবকিছুর মতো মানুষের সংকল্পেও প্রয়োগ করা যায়। বিংশশতাব্দীর পদার্থ, শারীরবিদ্যা এবং মনস্তত্ত্ব যা কিছু ঘটেছে সবকিছু একসঙ্গে এই উপসংহারকে বলবৎ করেছে। এর ফলাফল সম্ভবত এ দাঁড়াতে পারে যে, যদিও বিজ্ঞানের যুক্তিসম্মত মূল্যায়নের থিয়োরি অপর্যাপ্ত, তবু বিজ্ঞানে এমন কোন পদ্ধতি নেই যাতে করে বিজ্ঞানের অপ্রিয় দিকটি বাদ দিয়ে প্রিয় দিকটি গ্রহণ করা যায়। অবস্থার পরিপ্রেক্ষিতে যে যুক্তি তা দিয়ে হয়ত আমরা তা করতে পারি, কিন্তু তা করলে বিজ্ঞানের উৎসমূলকে আমরা শুকিয়ে ফেলব অথচ তাই হলো পৃথিবীকে বুঝবার একমাত্র আকাঙ্ক্ষা’ ভবিষ্যতে এ জটিল সমস্যার সন্তোষজনক সমাধান পাওয়া যাবে এটা আশা করা যায়।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleসূর্য তুমি সাথী – আহমদ ছফা
    Next Article সাম্প্রতিক বিবেচনা : বুদ্ধিবৃত্তির নতুন বিন্যাস – আহমদ ছফা

    Related Articles

    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়ের প্রেমের গল্প – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    May 16, 2026
    আশাপূর্ণা দেবী

    সমুদ্র কন্যা – আশাপূর্ণা দেবী

    April 24, 2026
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    আমাদের মহাভারত – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    March 20, 2026
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়

    বিপিনের সংসার – বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়

    January 8, 2026
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    ভয় সমগ্র – হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    December 9, 2025
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    কিশোর অ্যাডভেঞ্চার সমগ্র – হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    December 9, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    अनीश दास
    मौलाना शाह वलीउल्लाह
    रेवरेंड के. के. जी. सरकार
    অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিজ্ঞান রায়চৌধুরী
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমরেন্দ্র চক্রবর্তী
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অরিন্দম দেবনাথ
    অর্পিতা সরকার
    অশোককুমার মিত্র
    অসম্পূর্ণ বই
    আখতারুজ্জামান ইলিয়াস
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    কৌশিক সামন্ত
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোপেন্দ্র বসু
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যজ্যোতি মজুমদার
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণু শর্মা
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহতাব উদ্দিন
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    রেভারেণ্ড কে. কে. জি. সরকার
    লীলা মজুমদার
    লেইল লোনডেস
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শঙ্কর চ্যাটার্জী
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শাক্যজিৎ ভট্টাচাৰ্য্য
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্যামল গঙ্গোপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সন্দীপন চট্টোপাধ্যায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সম্পাদনা : শৈলেন্দ্র হালদার
    সরদার ফজলুল করিম
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সায়ন্তনী পূততুন্ড
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৈয়দ মুস্তাফা সিরাজ
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্মরণজিৎ চক্রবর্তী
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মাহতাব উদ্দিন : জীবন ও গান

    May 18, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মাহতাব উদ্দিন : জীবন ও গান

    May 18, 2026
    Our Picks

    মাহতাব উদ্দিন : জীবন ও গান

    May 18, 2026

    পরমপুরুষ শ্রীশ্রীরামকৃষ্ণ ২ – অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত

    May 18, 2026

    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়ের প্রেমের গল্প – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    May 16, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }