Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    ধূসর আতঙ্ক – অনীশ দাস অপু সম্পাদিত

    April 24, 2026

    সমুদ্র কন্যা – আশাপূর্ণা দেবী

    April 24, 2026

    নিশিডাকিনী – তৌফির হাসান উর রাকিব সম্পাদিত

    April 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    ধূসর আতঙ্ক – অনীশ দাস অপু সম্পাদিত

    अनीश दास এক পাতা গল্প144 Mins Read0
    ⤷

    খাদক – আল-মারুফ

    খাদক

    এক

    ‘আমার ভীষণ ভয় করছে!’ স্বামীর কাছে শেষ পর্যন্ত নিজের ভয়ের ব্যাপারটা অকপটে স্বীকার করে ফেলল মিথি।

    ‘দেখো, তোমার এ ধরনের কথা-বার্তা আমার একদম ভাল লাগছে না। আমি তোমাকে এখানে আসতে বলিনি। জোরও করিনি। শুধুমাত্র তোমার সীমাহীন আগ্রহেই আমরা এখানে এসেছি।’

    ‘কিন্তু তখন কি বুঝেছি-এরকম পরিস্থিতিতে পড়তে হবে আমাকে?’

    ‘তুমি শুধু-শুধু কথা বাড়াচ্ছ। তোমাকে স্পষ্টভাবে আমার গ্রামের বাড়িটা সম্পর্কে বলেছি। কী তোমাকে বলিনি-গত পাঁচ বছর ধরে গ্রামের বাড়িতে কেউ থাকে না? খালি পড়ে আছে। নতুন একজন কেয়ারটেকার রাখা হয়েছে। গ্রামে ইলেকট্রিসিটি দূরের কথা, আধুনিক সভ্যতার তেমন ছিটেফোঁটাও নেই। স্টেশন থেকে গ্রামের জঙ্গলের ভেতর দিয়ে প্রায় দশ মাইলের মত যেতে হয়। এসবের কিছুই গোপন করিনি। এরপর তুমিই জেদ ধরেছ গ্রামের বাড়িতে আসবে। আর এখন বলছ ভয় করছে-এটা করছে-সেটা করছে।’

    এবার মিথিও জেদের সাথে জবাব দিল, ‘দেখো, হাসান, দু’বছর আমাদের বিয়ে হয়েছে অথচ এখন পর্যন্ত কোথাও বেড়াতে যাইনি। কখনও গ্রাম দেখিনি বলে তোমার গ্রামের বাড়িটা দেখতে এসেছি। কিন্তু এখন তুমি রাতের ট্রেনে এসে কোথাকার কোন্ কেয়ারটেকারের জন্য রাত দুটোর সময় স্টেশনে ঘণ্টার পর ঘণ্টা বসিয়ে রাখবে আর আমি একটু ভয়ের কথা বলেছি বলে আমার উপর তেজ দেখাবে-এটা ঠিক না।’ কথাগুলো বলে মিথি অন্য দিকে ফিরে বসল।

    হাসান কিছুক্ষণ চুপ থেকে শেষে শান্তি স্থাপনের সুরে বলল, ‘আসলে বুঝতেই পারছ-টেনশনে আছি। কেয়ারটেকারকে বলেছিলাম ভ্যান-ট্যান নিয়ে স্টেশনেথাকতে-তারও কোন দেখা নেই। রাস্তা-ঘাট প্রায় সবই ভুলে গেছি-তার উপর গভীর রাত। একটা মানুষও তো দেখলাম না। কী যে করি…’

    হাসান কথা শেষ করতে পারেনি এমন সময় খুব কাছ থেকে কে যেন ভয়ার্ত গলায় চিৎকার করে উঠল। রক্ত হিম করা সে চিৎকার রাতের নিস্তব্ধতাকে ভেঙে খান খান করে দিল। মিথি প্রায় উড়ে এসে হাসানকে জড়িয়ে ধরল। ভীত গলায় ফিফিসিয়ে বলল, ‘ও-ও-ওখানে কে-এ-এ? হা-সা-আ-আন?’

    হাসানও প্রথমে হক্‌চকিয়ে গিয়েছিল। একটু পরেই ব্যাপারটা বুঝতে পেরে হেসে উঠল। ‘হাঃ হাঃ হাঃ ও কিছু না। এরকম ‘ডাকডুক’ গ্রামে রাতের বেলা সবসময়ই শোনা যায়। কত ধরনের প্রাণী আছে! খাটাস, শিয়াল, পেঁচা—কত কী! তুমি দেখছি ভয়ে একেবারে আধমরা হয়ে গেছ। হাঃ হাঃ-আরে এত ভয় পেলে গ্রামে থাকবে কী করে!’

    হাসানের কথা শুনে ওকে ছেড়ে দিয়ে মিথি কিছুটা স্বাভাবিক হলো।

    ‘আসলে-আমি ঠিক….

    হাসান হেসে বলল, ‘ওকে, আমি বুঝতে পেরেছি-তবে আবার ওভাবে একটু জড়িয়ে ধরো না!’

    ‘উঁহ, শখ কত!’

    আবার কিছুক্ষণ নীরবতা। দু’জনেই চুপচাপ। শেষে মিথিই কথার খেই ধরে, ‘তোমাদের এখানে কারেন্ট নেই বলেই জানতাম-কিন্তু ওই যে লাইটপোস্ট দেখতে পাচ্ছি।’

    ‘শুধু স্টেশনে—আর ওই উত্তরে আছে।’

    হাসানের কথাটা শেষ হওয়ার আগেই ওদেরকে অন্ধকারে ডুবিয়ে দিয়ে বালবটা ‘ঠাস্’ করে শব্দ করে ভেঙে গেল। হঠাৎ আলো থেকে অন্ধকার হওয়ায় হাসান কিছুই দেখতে পেল না। শুধু বুঝতে পারল মিথি আবারও আগের চেয়ে শক্ত করে ওকে জাপটে ধরেছে। জড়িয়ে ধরার সময় ছোটখাট একটা চিৎকারও দিয়ে ফেলেছে।

    সবকিছু শান্ত। মিথি কাঁপা কাঁপা কণ্ঠে ফিফিসিয়ে বলল, ‘হাসান-এটা কেন হলো, বলো তো?!’

    হাসান আশ্চর্য হলেও তৎক্ষণাৎ যুক্তি দাঁড় করিয়ে ফেলল। ‘কোন বাদুড়- টাদুড় হবে।’

    ‘উঁহু, অসম্ভব! বাদুড় চোখে দেখতে না পেলেও ওদের পথ চলা মানুষের চেয়েও নির্ভুল। এটা বাদুড়ের কাজ হতেই পারে না। নিশ্চয়ই ভূত-ভূতের কাজ! হা-সা-আ-আন! …আমার ভয় কর-ছে-এ-এ!’

    ‘আরে! ধ্যেৎ। যুক্তি দিয়ে ব্যাপারটা বুঝতে চেষ্টা করো। সম্ভবত অন্য কোন প্রাণী, কিংবা হয়তো বালবটা ঠিক মত লাগানোই হয়নি!’

    ‘কিন্তু তাই বলে আমরা বালবের কথা বলা মাত্র এরকম ঘটল কেন?’

    ‘তাই বলে এটা ভূতের কাজ বলতে চাচ্ছ?! আশ্চর্য! স্রেফ কাকতালীয় ব্যাপার।’

    মিথি আর কিছু বলল না। আবার খানিকক্ষণ নীরবতা। হঠাৎ মিথি বুঝতে পারল হাসান কিছু একটা করছে। অন্ধকারে ঠিক মত ঠাহর হচ্ছে না।

    ‘কী করছ?’

    ‘অ্যা-কিছু না। পেয়েছি। টর্চ লাইট। যাক বুদ্ধি করে এনেছিলাম।’

    মিথি শান্ত সুরে বলল, ‘বুদ্ধিটা তোমার না জনাব, আমার। শুধু টর্চই ভ নিনি। এক্সট্রা এক ডজন ব্যাটারিও এনেছি। আর টর্চ একটা নয়, দুইটা।’

    ‘বাহ! তোমার তো অনেক বুদ্ধি। তোমার মার এত বুদ্ধি কেন ছিল না বলো তো?’

    ‘কেন?! এ কথা কেন বলছ?’

    প্রশ্নটা শুনে হাসান মাথা চুলকাতে চুলকাতে বলল, ‘না মানে, তোমার বাবা তো এখনও দেউলিয়া হয়নি, তাই!’

    হাসান ভেবেছিল মিথি হয়তো রাগে ফেটে পড়বে। কিন্তু আসলে তা হলো না। মিথি হেসে উঠল। হাসানও মিথির সাথে হেসে ফেলল। হাসান টর্চটা জ্বালতে যাবে-এসময় মিথি ফিফিসিয়ে বলে উঠল, ‘হাসান, শুনতে পাচ্ছ?’

    ‘কী শুনব?!’

    ‘ওই যে, শব্দটা শুনতে পাচ্ছ?’

    হাসানও শুনতে পেল। ‘হুঁ; সম্ভবত কেউ আসছে এদিকে।’

    অন্ধকারে দু’জনেই শব্দের উৎসের দিকে তাকিয়ে থাকল। শব্দটা আস্তে আস্তে জোরাল হচ্ছে। মিথি চাঁদের আবছা আলোয় একটা মানুষের অবয়ব বুঝতে পারছে। এমন সময় হাসান সরাসরি লোকটার মুখে টর্চের আলো ফেলল।

    দাড়ি ভর্তি কালো একটা মুখমণ্ডল। নাকটা ভোঁতা। চোখ দু’টি বড় বড়। মুখে একধরনের হাসি। ধরনটা কী রকম হাসান ঠিক বুঝতে পারছে না। আশ্চর্যের ব্যাপার হচ্ছে তীব্র আলোতেও লোকটার মুখ এতটুকু কুঁচকায়নি। লোকটা খুঁড়িয়ে খুঁড়িয়ে ওদের দিকে এগিয়ে আসছে। হাসান টর্চের আলো অন্য দিকে সরিয়ে নিল।

    ‘তুমি কে?’

    প্রশ্নের উত্তরে লোকটা গা জ্বালানো হাসি দিয়ে বলল, ‘হেঃ হেঃ হেঃ, সার, আমি। আপনেগোর নতুন কেয়ারটেকর।’

    হাসান টর্চের আলোয় ঘড়ি দেখে বলল, ‘তোমাকে কয়টায় থাকতে বলেছি আর তুমি কয়টায় এলে?’

    ‘হেঃ হেঃ হেঃ, সার, আইতে আইতে দিরং অইয়া গেল, হেঃ হেঃ হেঃ…’

    ‘দেরি হয়েছে তো হাসছ কেন?’ রাগ রাগ গলায় বলল হাসান।

    ‘হেঃ হেঃ হেঃ, সার, ভুল অইয়া গেছে। হেঃ হেঃ, ভুল তো মাইনষেরই অয়, হেঃ হেঃ হেঃ।’

    হাসান এবার উচ্চস্বরে ধমকে উঠল, ‘আবার হাসছ? Nonsense.’

    লোকটা এবার কাঁচুমাচু ভঙ্গিতে চুপচাপ মাটির দিকে তাকিয়ে থাকল। হাসান শান্ত স্বরে জানতে চাইল, ‘ভ্যান-ট্যান কিছু এনেছ?’

    লোকটা আবারও আগের মত হেসে বলল, ‘হেঃ হেঃ হেঃ, সার; আর কইয়েন না। ওই হালারপুতের লাইগ্যাই তো দিরংটা অইল। হাইন্দার হময় গেছি ভ্যানের লাইগ্যা-হেঃ হেঃ, গিয়া দেহি হালায় বউয়ের লগে ইস্টিংফাইট করতাছে। হালায় মারে এডা-তয় বউয়ে মারে চাইড্ডা, হেঃ হেঃ! এইডা এডা দিরিশ্য! আফনে না দেহলে বুঝবার পাইতেন না। হগলের লগে খাড়য়ে খাড়য়ে দেহলাম। হময় বুইজ্যা বাড়ির পিছেথ্যে রশি খুইল্যা আমি নিজেই ভ্যান লইয়া আইয়া পড়ছি-হেঃ হেঃ।’

    অবাক হয়ে মিথি জিজ্ঞেস করল, ‘তোমার তো পায়ে সমস্যা। ভ্যান চালালে কী করে!’

    ‘হেঃ হেঃ হেঃ, মেমসাব-এইডা অইল আরেক হিস্টরি। আমার ডাইন পাওডা বায়েরডার চাইতে এট্টু খাড়া। হেঃ হেঃ হেঃ!’

    মিথি বুঝতে পারল না, এর মধ্যে হাসির কী আছে!

    ‘হেঃ হেঃ, সার, দেন-ব্যাগ দুইডা আমারে দেন,’ বলেই লোকটা যেদিক থেকে এসেছিল ব্যাগ দুটো দু’হাতে নিয়ে সেদিকে রওনা হলো। ‘হেঃ হেঃ, সার, আয়েন। আমার লগে লগে আয়েন, সার।’

    লোকটার গমন পথের দিকে হাসান বিস্ময়ভরা দৃষ্টিতে চেয়ে থাকল। এও কি সম্ভব! ওই ব্যাগ দুইটা এত ভারী যে ট্রেন থেকে নামানোর সময় আরেক লোকের সাহায্য লেগেছিল। অথচ লোকটা অবলীলায় ব্যাগ দুইটা নিয়ে খুঁড়িয়ে খুঁড়িয়ে হেঁটে যাচ্ছে। যেন এটা কোন বোঝাই না।

    ‘অবিশ্বাস্য!’ মৃদু স্বরে বলে উঠল হাসান।

    .

    দুই

    ‘হেঃ হেঃ হেঃ, সার, আফনের টর্চ মারুন লাগত না। এই সড়ক আমার চোউক্কের হামনে বাসতাছে। অ্যান্দারেই বালা দেহি। হেঃ হেঃ হেঃ।’

    লোকটার কথা শুনে হাসান টর্চ নেভাল। পাশ থেকে মিথি তীব্র স্বরে বলে উঠল, ‘না-না; টর্চ জ্বালাও। অন্ধকারে কখন কোন্ গাছের সাথে ধাক্কা খায়।’

    হাসান আবার রাস্তায় টর্চের আলো ফেলল।

    রাত ক্রমেই বাড়ছে। আকাশে তারা খুব একটা নেই। একফালি চাঁদ দেখা যাচ্ছে শুধু। মিথি এসব যতই দেখছে ততই মুগ্ধ হচ্ছে। মাঝে মাঝে রাতের নিস্তব্ধতাকে খান খান করে ভেঙে দিচ্ছে খাটাস কিংবা শিয়ালের ডাকে। ঝিঁঝি পোকার এলোমেলো পথচলায় রাতের পরিবেশটা মিথির কাছে আরও সুন্দর লাগছে। ‘রাতের এই পরিবেশে হাসান অভ্যস্ত হলেও মিথির কাছে অভিজ্ঞতা একেবারেই নতুন।

    হাসান কিছুক্ষণ চুপচাপ থেকে অনেকটা সময় কাটানোর উদ্দেশ্যেই লোকটার সাথে কথা বলতে শুরু করল। ‘আচ্ছা তোমার নামটা যেন কী?’

    লোকটা ভ্যান চালাতে চালাতেই উত্তর দিল, ‘হেঃ হেঃ হেঃ, আমার নাম হাসেম আলী। হগলে ডাহে হাসু। হেঃ হেঃ, জইন্মের হময় বইলে আমার কান্দুনডা হাসির লাহান লাগছিন। হেঃ হেঃ, হেল্যাইগ্যাই হগলে আমার নাম রাখছে হাসু। হেঃ হেঃ হেঃ।’

    হাসান স্পষ্টই বুঝতে পারছে হাসুকে একটা প্রশ্ন করলে দশটা উত্তর দেয়। অবশ্য এখন শুনতে খারাপ লাগছে না। তবে পরে অবশ্যই খারাপ লাগবে। খারাপ লাগারই কথা। অতিরিক্ত কথা বলা লোক হাসানের একেবারেই সহ্য হয় না। লোকটাকে ধমক দিতে হবে কথা কম বলার জন্য। তবে এখন না। পরে।

    ‘শুনেছি, আমাদের আগের কেয়ারটেকারটার নাকি অস্বাভাবিক মৃত্যু হয়েছিল। তুমি কিছু জানো?’

    ‘হেঃ হেঃ হেঃ, জাইনতাম না কেন? বালামতই জানি। হেঃ হেঃ, রাইতের বেলায় একলা পিসাব কইরবার বাইরোছিন। কেয়া বলে হেরে মাইরা বুকমুক চিইরা কইলজা খাইয়া আলাইছিন। একদিন বাদে লাশ পাওয়া গেছিন। হেঃ হেঃ, পিসাবটা শেষ কইরবার পায় নাইকা। হেঃ হেঃ হেঃ।’

    ‘কইলজা খেয়ে ফেলেছে মানে?!’

    ‘হেঃ হেঃ হেঃ, এইডা তো হগলেরই পরশ্ন। খাইলে তো হগল কিছুই খাইব, খালি কইলজা খাইব কেন? তয় আমার মন কয় যিডা খাইছে ওইডা খালি কইলজাই খায়।’

    ‘লাশ একদিন পরে পাওয়া গেল কেন?’

    ‘হেঃ হেঃ বাড়িত তো হে একলা থাকত। বউ বাফের বাড়িত গেছিন।’

    ‘তা হলে তুমি জানলে কী করে সে প্রস্রাব করতে গিয়েছিল?’

    ‘হেঃ হেঃ হেঃ, হেরে পিসাবখানার কাছাকাছি পাওয়া গেছিল কিনা হেল্যাইগ্যা। হেঃ হেঃ হেঃ।

    হাসান বুঝতে পারছে কলিজা-লাশ প্রসঙ্গ উঠতেই মিথি কেমন যেন ভীত হয়ে পড়ছে। সে দ্রুত প্রসঙ্গ পাল্টাল, ‘তুমি আগে কী কাজ করতে?’

    ‘হেঃ হেঃ, এইডা না হুনাই বালা। হগলে সউয্য কইরতে পায় না। হেঃ হেঃ তয়’ আফনেরা শহরের মানুষ, শিক্ষিত-হগলের লাহান না। আমি মানুষ কাডাছিড়ার কাম করতাম। হেঃ হেঃ হেঃ।’

    হাসান চমকে উঠল, ‘মানে?!’

    ‘হেঃ হেঃ, হাসপাতালের ডোমের চাহরি, হেঃ হেঃ। লাশগরে ডাহতারের কতা মত লাশ কাটতাম, হেঃ হেঃ হেঃ।’

    মিথি ঝট্ করে হাসানের দিকে তাকাল। হাসান চাঁদের আলোয় মিথির চোখের ভাষা বেশ ভালই বুঝতে পারল। মিথি যেন বলছে, ‘তোমার আক্কেল দেখে আমি হতবাক। এই রকম একটা লোককে তুমি কেয়ারটেকার বানিয়েছ?!

    হাসান জিজ্ঞেস করল, ‘আগের চাকরিটা ছাড়লে কেন?’

    ‘হেঃ হেঃ হেঃ, হাসপাতালে লাশের শইলের অনেক কিছু চুরি অইয়া যাইত। হেল্যাইগ্যা ডাহতার আঙ্গর হগলের চাহরি নট্ কইরা দিছে। হেঃ হেঃ হেঃ।’

    হাসান মিথির দিকে তাকাল। সাথে সাথে অবাক হয়ে গেল। এ কী! ভয়ে মেয়েটা ফোঁপাচ্ছে। হাসান ভ্যান থামাতে বলল। হাসু ভ্যান থামিয়ে অবাক হয়ে ওদেরকে দেখতে লাগল।

    ‘হা-সা-আন, পানি খাব।’

    হাসান দ্রুত পানির বোতলটা বের করল। এহহে, হে! পানি তো ট্রেনেই শেষ হয়ে গেছে। বোতল খালি। হাসুর দিকে তাকাতেই হাসু বোতলটা ছোঁ মেরে নিয়ে বলল, ‘কাছেই এডা কুয়া আছে। বালা পানি পাওয়া যায়। হেঃ হেঃ, আফনে বহেন, আমি লইয়া আইতাছি। হেঃ হেঃ হেঃ…’

    হাসু জঙ্গলের ভেতর খুঁড়িয়ে খুঁড়িয়ে হেঁটে অদৃশ্য হয়ে গেল। এদিকে মিথি কিছুটা স্বাভাবিক হয়েছে। হাসান মিথিকে সাহস দেয়ার জন্য বলল, ‘তুমি এত বোকা! এত ভয় পেলে হয়? আরে, মানুষই তো ডোমের চাকরি করে নাকি?

    কথাটা বলার সাথে সাথেই কাছেই কোথাও থেকে হাসুর গলার স্বর শোনা গেল, ‘হেঃ হেঃ হেঃ, সার, কুয়ার বালতিটা এট্টু দরুন লাগব। একলা বতুল বরুন যায় না। হেঃ হেঃ, সার, জলদি আইয়েন, আমি বালতি দইরা রাখছি। হেঃ হেঃ।’

    হাসান মিথিকে ছেড়ে টর্চটা নিয়ে নামতে যাবে এমন সময় মিথি ওর হাতটা খপ্ করে ধরে ফেলল।

    ‘না, তুমি যাবে না। আমি পানি খাব না।’

    ‘আরে! পাগলামি কোরো না, লক্ষ্মীটি। পানি এখন না লাগলেও পরে তো লাগবে। তুমি শান্ত হয়ে বসো। আমি এখনি আসছি।’

    .

    তিন

    হাসান যাওয়ার কিছুক্ষণ পর একটা চিৎকার শুনেছে মিথি। কিন্তু বুঝতে পারছে না-এটা কীসের চিৎকার। একটা বিশ্রী সন্দেহ মনে উঁকি দিয়েছে বটে কিন্তু সেটাকে গুরুত্ব দিল না। ভয় আর আঁধার ওকে দারুণভাবে গ্রাস করে ফেলছে। দ্রুত ব্যাগ হতে অপর টর্চটা বের করে ফেলল। একা একা ভয় লাগছে। হাসান যেদিকে গেছে সেই মেঠো পথে পা বাড়াল মিথি। টর্চের অল্প আলোতে চারদিকটা কেমন যেন অন্যরকম লাগছে মিথির। এ-এক ভিন্ন ধরনের রোমাঞ্চ। এখানে না আসলে এই অনুভূতিটা কখনোই বুঝতে পারত না মিথি। দু’ধারে প্রচুর নাম না জানা গাছপালা-ঝোপঝাড়। হঠাৎ সামনেই কী যেন একটা শব্দ শুনল মিথি। যেন কেউ কিছু একটা শব্দ করে খাচ্ছে। ‘গজ-গজ-কচ্-কচ্-সরুপ-সরুপ’ এ ধরনের একটা শব্দ। শব্দের উৎসের দিকে আলো ফেলতেই রক্ত হিম করা আর্তচিৎকার দিয়ে উঠল মিথি।

    হাসান মাটিতে পড়ে আছে-আর বুকের উপর বসে হাসু লাল একটা মাংসপিণ্ড টেনে বের করে চিবিয়ে খাচ্ছে। হাসুর মুখমণ্ডল, কাপড়-চোপড় লাল রক্তে মাখামাখি। বীভৎস দৃশ্য! হাসুর মুখ থেকে লালার মত রক্ত গড়িয়ে পড়ছে। টর্চের আলো ফেলতেই মিথির দিকে লোভাতুর চোখে তাকাল নরপিশাচটা।

    ‘হেঃ হেঃ, মেমসাব, শহরের মাইনষের কইলজা, আফনে না খাইলে বুঝবেন না। হেঃ হেঃ হেঃ।’

    কখন দৌড় দিয়েছে মিথি নিজেও জানে না। শুধু বুঝতে পারছে পেছনে নরপিশাচটাও আসছে। ধাওয়া করেছে ওকে। মিথি দৌড়াচ্ছে আর দু’চোখ দিয়ে অনবরত অশ্রু ঝরছে। বাবা-মার অতি আদরের সন্তান ও। কোন দিন বাবা-মা কোন কষ্ট দেয়নি ওকে। হাসানও ওকে খুব ভালবাসত। হাসানের কথা মনে আসতেই চোখের অশ্রু আরও দ্বিগুণ বেগে ঝরতে লাগল। হাসান, আমার হাসান। কোন দিন জানতে পারবে না ওর সন্তান এসেছে আমার গর্ভে। কোথা দিয়ে দৌড়াচ্ছে কিছুই বলতে পারবে না মিথি। পায়ের শক্তিও যেন লোপ পেয়ে যাচ্ছে। আর দৌড়ানো সম্ভব না। চারদিকে গাছপালা, মানুষের কোন চিহ্নমাত্রও নেই কোনদিকে। আর দৌড়াতে পারছে না ও। কিন্তু তবুও দৌড়াতে হবে। হাসানের সন্তানের জন্য দৌড়াতে হবে। বাঁচতে হবে নরপিশাচটার হাত থেকে। কিন্তু বেঁচে কী হবে! হাসান তো আর নেই। হাসান, আমি তোমাকে খুব ভালবাসতাম।

    হঠাৎ করে হোঁচট খেয়ে পড়ে গেল মিথি। পেছনে কোন শব্দ নেই। মাটিতে পড়া অবস্থায় পেছনে তাকাল মিথি। নেই, পেছনে কেউ নেই। নরপিশাচটা নেই। কিন্তু মিথি স্পষ্ট বুঝতে পারছে-পেছনে কেউ না থাকলেও সামনে কেউ একজন আছে। আস্তে আস্তে খুঁড়িয়ে খুঁড়িয়ে ওর দিকেই এগিয়ে আসছে…

    আল-মারুফ

    ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleসমুদ্র কন্যা – আশাপূর্ণা দেবী
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    अनीश दास
    मौलाना शाह वलीउल्लाह
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিজ্ঞান রায়চৌধুরী
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অশোককুমার মিত্র
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেইল লোনডেস
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্মরণজিৎ চক্রবর্তী
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ধূসর আতঙ্ক – অনীশ দাস অপু সম্পাদিত

    April 24, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ধূসর আতঙ্ক – অনীশ দাস অপু সম্পাদিত

    April 24, 2026
    Our Picks

    ধূসর আতঙ্ক – অনীশ দাস অপু সম্পাদিত

    April 24, 2026

    সমুদ্র কন্যা – আশাপূর্ণা দেবী

    April 24, 2026

    নিশিডাকিনী – তৌফির হাসান উর রাকিব সম্পাদিত

    April 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }