Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    বিশেষ দ্রষ্টব্য – নীললোহিত (সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়)

    August 10, 2026

    কৈশোর – নীললোহিত (সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়)

    August 10, 2026

    অর্ধেক মানবী – নীললোহিত (সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়)

    August 10, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    অর্ধেক মানবী – নীললোহিত (সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়)

    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায় এক পাতা গল্প190 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    অর্ধেক মানবী – ১০

    ১০

    খুনীরা নাকি অকুস্থলে একবার না একবার ঠিক ফিরে যায়। নির্যাতিতরাও কি যায় না? একবালপুর-খিদিরপুরের মাঝামাঝি একটা নির্জন জায়গায়, পুকুরধারে দুটি সাইকেল আরোহী গুণ্ডা আমাকে মেরেছিল। সেখানেই হাঁটতে হাঁটতে চলে এলুম সন্ধেবেলা। এবার আর পথ ভুল করে নয়, পথ চিনে।

    আমার কাছে আজ ঘড়ি নেই, একশো টাকা নেই, কিছুই নেই। গুণ্ডারা আমার কী করবে? ওদের কথা আমি চিন্তাও করছি না। মনটা খারাপ হয়ে আছে নানা কারণে।

    মানুষ মানুষকে কেন এত ভুল বোঝে?

    বিকেলে হঠাৎ দীনেন বসুর যমজ বাচ্চাদুটোর কথা মনে পড়ছিল বারবার। কেন মনে পড়ছিল কে জানে! মনের ওপর তো শাসন চলে না!

    দুটি ফুটফুটে যমজ শিশু, এক বছর কয়েক মাস মাত্র বয়েস, এখন বাবা—মায়ের কাছ থেকে কত আদর পাবার কথা। কিন্তু বাবাটি সারাদিন বিছানায় শুয়ে থাকে, মা যখন তখন কাঁদে। বাবাটি স্ত্রী-পুত্রদের ছেড়ে সন্ন্যাসী হয়ে যাবার চেষ্টা করেছিল। সামান্য একটা চাকরিকে উপলক্ষ করে স্বামী-স্ত্রীর সম্পর্কটা বিষিয়ে গেছে।

    মানুষের জীবনে চাকরি এত গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠল কবে থেকে? এ কী ধরনের সমাজ গড়ে তুলেছি আমরা?

    দীনেন বোস চাকরিটা ফিরে পেয়েছে কিনা, সেটা জানার দারুণ কৌতূহল হচ্ছিল। ঐ অফিসে আর জীবনে কখনো পা দেব না প্রতিজ্ঞা করেছি, কিন্তু দীনেন বোসের বাড়িতে যাওয়ার তো কোনো বাধা নেই। মানুষ কি মানুষের বাড়িতে সৌজন্য বিনিময় করতে যায় না?

    ঝোঁকের মাথায় একবালপুরের সেই গলিঘুঁজির মধ্যে দীনেন বোসের বাড়ি খুঁজে উপস্থিত হয়েছিলুম সাড়ে পাঁচটার সময়। ট্যাক্সি নিয়ে যাবার কোনো প্রশ্ন ওঠে না। বাস থেকে নেমে পায়ে হেঁটে।

    দোতলায় উঠে সেই দরজাটায় টক টক করতে আগের দিনের মতনই খুলে দিল সেই বিষণ্ণ রমণী। প্রথমে আমাকে চিনতেই পারল না।

    আমি নমস্কার করে বললুম, আমার নাম নীললোহিত, আমি একদিন এসেছিলুম ব্যানার্জিবাবুদের সঙ্গে। একবার দীনেনবাবুর সঙ্গে কথা বলতে পারি?

    দরজার অন্য পাল্লাটা খুলে মহিলাটি বলল, দীনেন এখন নেই। বেরিয়েছে।

    আমি জিজ্ঞেস করলুম, আমি কি অপেক্ষা করব, না চলে যাব?

    —আপনার বিশেষ কিছু দরকার ছিল?

    –না, সেরকম কিছু না। আপনার কাছ থেকেই জেনে নিতে পারি। দীনেনবাবু আবার চাকরিতে জয়েন করেছেন?

    -ভেতরে আসুন।

    তিনতলার সিঁড়ি দিয়ে কেউ একজন নামতে নামতে থেমে গিয়ে হাঁ করে আমাদের দেখছে, সেইজন্যই বোধহয় মহিলাটি আমায় ভেতরে ডাকলেন। লোকটির মুখে খোঁচা খোঁচা দাড়ি, চোখের দৃষ্টি সুবিধের না।

    মহিলাটি দরজা বন্ধ করে দিল। ঘরের ভেতরটা আগের দিনের মতন ততটা অগোছালো মনে হলো না। বোধ হয় এদের অবস্থা ফিরেছে। তবে তো খুব ভালো কথা।

    পাশের’ ঘর থেকে হামাগুড়ি দিয়ে বেরিয়ে আসছে যমজের মধ্যে একটি। আমি কোনো কিছু না ভেবেই তাকে কোলে তুলে নিলুম। খুব ভদ্র বাচ্চা। মুখের কাছে আঙুল নিলেই খটখটিয়ে হাসে। চেনা-অচেনা নেই। এক একটা বাচ্চা অচেনা কারুর কোলে গেলেই ভ্যাঁ করে কেঁদে ফেলে, সে বড় বিশ্রী ব্যাপার হয়!

    দীনেনের স্ত্রীর নাম মণিকা। তার সঙ্গে চোখাচোখি হতেই আমি হাসলুম। কিন্তু ওঁর মুখে হাসি নেই। খানিকটা ধারালো গলায় বলল, আপনি তো আরও ভালো পোস্ট পেয়েছেন?

    আমি খানিকটা থতমত খেয়ে গিয়ে বললুম, হ্যাঁ, মানে, খুব ভালো বলা যায় না। তবে আমাকে আর একটা জায়গায় বসান হয়েছে। দীনেনবাবু কি অফিস থেকে এখনো ফেরেননি?

    মণিকা বলল, ও অফিস যাচ্ছে কে বলল আপনাকে? ওকে তো অফিস থেকে ডাকেনি!

    —সে কি। এখনো ডাকেনি?

    —আপনার গিল্টি ফিল করার কোনো দরকার নেই। আপনি তো এখন ওর চেয়ারে আর বসছেন না!

    —না, সেজন্য নয়। দীনেনবাবুকে এখনো ডাকেনি কেন?

    —এখন শোনা যাচ্ছে, চিঠি দুটো আসলে দীনেন হারায়নি। সব চিঠিই দীনেনের রিসিভ করার কথা, কিন্তু সেই সময় দীনেন সীটে ছিল না। চিঠি দুটো রিসিভ করেছিল পরিতোষ, দীনেনের নাম করে রেখেছিল। তারপর পরিতোষ সে চিঠি দুটোর কথা ভুলে যায়। কিংবা ইচ্ছে করে কোনো কারণে চেপে গিয়েছিল। কিন্তু কয়েকজন জেনে ফেললেও কেউ আর এখন পরিতোষের নাম ডিসক্লোজ করতে চায় না। তাহলে পরিতোষকে সাসপেণ্ড করা হবে। দীনেনও সেটা চায় না। ইউনিয়ানও চায় না। একজনের বদলে আরেকজনকে সাসপেণ্ড করিয়ে লাভ কী? দীনেনের তুলনায় পরিতোষ অনেক বেশি অ্যাকটিভ।

    আমি বাচ্চাটিকে কোল থেকে নামিয়ে খাটের ওপর বসিয়ে দিয়ে বললুম, কী সাঙ্ঘাতিক কথা! দীনেনবাবু কোনো অন্যায় করেননি, তবু তিনি চাকরি খোয়াবেন?

    মণিকা তীক্ষ্ণ গলায় বলল, যারা চাকরি করছে, তারা বুঝি সবসময় ন্যায়—নীতি মেনে চলে?

    আগের দিন মনে হয়েছিল, আমার প্রতি মণিকার খানিকটা সহানুভূতি আছে। কিন্তু আজ মনে হচ্ছে, আমাকে সে আঘাত করতে চায়। দীনেনের চেয়ারে আমি বসছি না বটে, কিন্তু আমার অন্য চাকরি পাওয়াটাও যেন খুব দোষের!

    চল্লিশ-পঁয়তাল্লিশ লাখ বেকারের মধ্যে হঠাৎ একজন-দুজনের চাকরি পেয়ে যাওয়াটাও বোধহয় খুব ভালগার ব্যাপার। যেন একদল অভুক্ত মানুষের সামনে দেখিয়ে দেখিয়ে কারুর সন্দেশ-রসগোল্লা খাওয়া!

    মণিকা দেওয়ালের দিকে ফিরে বলল, দীনেন আজ সকালে বেরিয়েছে আমার সঙ্গে ঝগড়া করে। দুপুরে খেতেও আসেনি। সে আর ফিরবে কি না কে জানে!

    —সে কি? কোনো খোঁজ করেননি? ব্যানার্জিদের কোনো খবর দেননি? ঠিকানা পেলে আমি ওঁদের কারুকে বলে আসতে পারি।

    —আপনি আমার ছেলেটাকে হঠাৎ কোলে তুলে আদর করলেন কেন?

    –কেন? একটা বাচ্চাকে আদর করার মধ্যে কি এরকম প্রশ্ন আসে? আমার ঠিক জানা ছিল না!

    —আপনি ভালো চাকরি পেয়েছেন। তারপর দেখতে এসেছেন আমরা কী অবস্থায় আছি! দয়া? দয়া করতে চান আমাদের?

    –না, না, আপনি আমাকে ভুল বুঝছেন।

    দেয়ালের দিক থেকে মুখ ফিরিয়ে মণিকা আমার দিকে জ্বলন্ত চোখে তাকাল। চুলগুলো খোলা, আঁচলটা লুটোচ্ছে মাটিতে, তাকে দেখাচ্ছে উন্মাদিনীর মতন।

    সে বলল, সেদিন আমার ভাই বলেছিল, আপনি চাকরি পেয়েছেন….দীনেন যদি কোথাও চলে যায়, তাহলে আপনাকে ভার নিতে আমাদের ছেলেদের, আমার, এই সংসার! বলেনি? আপনি সেইজন্য এসেছেন?

    —না, না।

    -তবে কেন এসেছেন? বলুন! বলুন! উত্তর দিন! চুপ করে রইলেন কেন, বলুন?

    আমি কোনো উত্তর দিতে পারিনি। ক্ষমা চেয়ে বেরিয়ে এসেছি।

    সত্যিই তো। আমি কেন গিয়েছিলুম ওদের বাড়িতে, তা বুঝিয়ে বলা খুব শক্ত। যা ভাষায় বুঝিয়ে বলা যায় না, তাও কি কেউ বুঝবে না?

    রাগে-দুঃখে-অভিমানে মাথার ঠিক নেই মণিকার। তাকে কোনো সান্ত্বনা দেবার ভাষাও আমার জানা নেই। আমি সান্ত্বনা দেবার কে!

    ট্রামে-বাসে, রাস্তায় কত বেকার ছেলে দেখি, তাদের গায়ে শক্তি আছে, দু-একটা ডিগ্রিও আছে, কিন্তু কোনো কাজ নেই। তাদের অনেকেরই যোগ্যতা নিশ্চিত আমার চেয়ে বেশি। তারা যদি জানতে পারে, আমি দৈবাৎ আমার মামার জোরে একটা চাকরি পেয়ে গেছি, তা হলে তারা পাথর ছুঁড়ে ছুঁড়ে আমাকে পিটিয়ে মেরে ফেলবে!

    সেই বাড়ি থেকে আমি আজ রাস্তা চিনে ট্রাম লাইনে ফিরে যেতে পারতুম। কিন্তু আগের দিনের ভুল করে হারিয়ে যাওয়া রাস্তাটাও এখন আমার জানা হয়ে গেছে।

    সেই নির্জন জায়গা, দূরে দূরে ছাড়া ছাড়া বাড়ি, একদিকে একটা মস্ত বড় পুকুর কিংবা খাল, আজও সেখানে একটা নৌকো বাঁধা আছে।

    এইখানেই নীলা প্রথম আমার সঙ্গে কথা বলেছিল। আমি তাকে ছুঁয়ে দেখেছিলুম যে সে রক্তমাংসের নারী, তার শরীরে উত্তাপ আছে।

    দিকশূন্যপুর কি এই নির্জন জায়গার কাছাকাছি? এই সব অঞ্চল ভালো চিনি না, এখানে কোনো বিরাট শূন্যতা থাকতে পারে। নীলা এখানে খুব সাবলীলভাবে মিলিয়ে গিয়েছিল অন্ধকারে।

    সেই পুকুরের ঘাটলাটায় গিয়ে বসলুম।

    কে আসবে—গুণ্ডারা, না নীলা?

    আজ আর মাথা নয়, আমার গলার কাছে ব্যথা-ব্যথা করছে। কথা বলতে ইচ্ছে করছে না। আমার বুঝি অভিমান হতে পারে না?

    এটা দীঘি কিংবা খাল যাই-ই হোক, অন্ধকারে ওপরের দিকটা অস্পষ্ট। দু’ পাশে জন্মে গেছে অনেক আগাছা। জলের রঙ কালো। মাঝে মাঝে ঘাই মারছে মাছ। আজ একজনও মানুষ দেখা যাচ্ছে না।

    একটু বাদে দেখতে পেলুম, পুকুরের ডান ধার দিয়ে এদিকের রাস্তার দিকে হেঁটে আসছে একটি মেয়ে। যারা জানে না, তারা ভয় পেতে পারত। এরকম সন্ধেবেলা, এত নির্জন, গুণ্ডা-অধ্যুষিত জায়গায় কোনো একা মেয়ে কি আসে? অপার্থিব কেউ হতেও পারে।

    কিন্তু নীলা সত্যিই তো অপার্থিব। আমি বুঝে গেছি, সে এই পৃথিবীর কেউ নয়। মাঝে মাঝে বেড়াতে আসে। সবচেয়ে বড় কথা, সে শুধু আমার জন্য আসে। আমার এই সাতাশ বছর বয়সের মধ্যে এমন পুরস্কার তো আমি আগে কখনো পাইনি!

    এজন্য আমার কিছু ত্যাগ করা উচিত। শুধু পাওয়া ভালো নয়। সঙ্গে সঙ্গে কিছু ছেড়ে দিতেও হয়। এই মুহূর্তে আমার কাছে আর তো কিছু নেই, তাই চটি জুতোজোড়া ঠেলে ফেলে দিলুম জলের মধ্যে।

    আগের দিনে গুণ্ডারা আমার হাতের ঘড়ি আর একশো টাকার নোট নিয়ে ঠিক কাজই করেছিল। সেও তো ত্যাগ।

    ও কি নীলা, না কেউ? হয়তো কোনো বাড়ির কাজের মেয়ে বাড়ি ফিরছে। কাজের মেয়েদের বিশেষ ভয়-ডর থাকে না। অন্ধকারে বোঝা যাচ্ছে না শাড়ির রঙ।

    মেয়েটি আমার কাছে এসে বসল। একটা গন্ধ পেয়েই বুঝলুম, এ নির্ঘাৎ নীলা। নীলার নিজস্ব একটা সৌরভ আছে, যা কোনো পারফিউম নয়।

    নীলা বসেছে আমার পিছন দিকে। তবু আমি ঘাড় ঘোরালুম না, দেখলুম না তাকে, কথা বললুম না তার সঙ্গে।

    এ কি বিচিত্র ব্যাপার! নীলার প্রতীক্ষাতেই এখানে এসে বসে থাকা, অথচ আমি তাকে এত কাছে পেয়েও দেখছি না। আমার গলার মধ্যে বাষ্প আটকে গেছে।

    কয়েক মুহূর্ত বাদে নীলা আরও সরে এসে আমার পিঠে হাত রেখে জিজ্ঞেস করল, তোমার কী হয়েছে, নীললোহিত? তুমি আমার দিকে তাকাচ্ছ না কেন? আমি দু’তিনটে বড় বড় ঢোক গিলে পরিষ্কার করে নিলুম গলা। তারপর বললুম, নীলা, আমার কষ্ট হচ্ছে, খুব কষ্ট হচ্ছে, মাথায় নয় বুকে নয় গলায় নয়। ঠিক জানি না কোথায়, কিন্তু খুব কষ্ট হচ্ছে।

    নীলা বলল, কেন তোমার এত কষ্ট হচ্ছে, নীললোহিত?

    আমি বললুম, কেন যেন মনে হচ্ছে, তুমি আমায় ভালোবাসো না।

    নীলা বলল, আমি তো ভালোবাসা ছাড়া আর কিছুই জানি না, নীললোহিত।

    -তবে কেন সকালবেলা, তোমাকে দাঁড়াতে বললুম, তবু তুমি চলে গেলে?

    -অনেকক্ষণ ধরে যে কুকুরের ডাক শুনতে পাচ্ছিলুম, তাই আমার শরীর কেঁপে উঠল।

    —কুকুরের ডাক! তুমিও বুঝি কুকুরে ভয় পাও?

    -না তো! কিন্তু তোমার মনের মধ্যে একসময় কুকুর ছাড়া আর কিছু ছিল না। আমি ছিলুম না। তাই আমি আর থাকতে পারলুম না। আমাকে চলে যেতে হলো।

    -মনের মধ্যে কুকুর! দা সারকামসাইজড ডগ! তাহলে কি প্রত্যেক মানুষের মধ্যেই একটা কুকুর আছে? আমাদের ফ্ল্যাটে তখন সত্যিকারের কোনো কুকুর ঢোকেনি, ওটা মনের কুকুর? আই টুক বাই দা থ্রোট দা সারকামসাইজড ডগ…

    —তুমি কী বলছ, বুঝতে পারছি না!

    —ও কিছু না। বোধহয় আমার মাথা খারাপ হয়ে যাচ্ছে। তাই আমি হঠাৎ এই উদ্ধৃতি দিচ্ছি।

    —এখানে শুধু শুধু বসে ছিলে কেন? এই জায়গাটা ভালো না। আগেরদিন দুটো লোক তোমাকে বিশ্রীভাবে মেরেছিল। কেন আবার এলে!

    –আমি আগে দীনেন বোসের বাড়িতে গিয়েছিলুম। তুমি ওকে চেন না।

    —প্রথমদিন চাকরিতে যার চেয়ারে তুমি না জেনে বসেছিলে, সেটা তো তোমার দোষ হতে পারে না!

    —তুমি এখবরও জান? কিন্তু নীলা, আমি যে না জেনে দীনেনের চেয়ারে বসেছিলুম এটা কেউ বিশ্বাস করতে চায় না। সবাই কেন আমাকে এতটা স্বার্থপর ভাবে! আমার খুব কষ্ট হয়।

    —তুমি আমার চোখের দিকে তাকাও। তুমি কষ্ট পেয়ে আমাকেও কষ্ট দিও না আর।

    —নীলা, তুমি না এলে আমি আজ এখানে সারারাত বসে থাকতুম।

    —তুমি যদি চাও, আমাকে ধরে রাখ, তাহলে আমিও সারারাত বসে থাকতে পারি এখানে।

    –তুমি আমাকে দিকশূন্যপুরে নিয়ে যাবে বলেছিলে!

    -এখন যাবে?

    —এখান থেকে যাওয়া যায়?

    —যে কোনো জায়গা থেকেই তো যাওয়া যায়।

    —চলো, চলো। এক্ষুনি চলো। কিসে যাব? হেঁটে, না কোনো গাড়ি ভাড়া করতে হবে?

    —হেঁটে যেতে পারি। ইচ্ছে করলে এই নৌকোটাতেও যাওয়া যায়।

    —নৌকোয় যাব? এটা তো একটা পুকুর?

    –না, পুকুর নয়। এটার শেষ নেই। তুমি নৌকো চালাতে জান, নীললোহিত?

    —আমি এরোপ্লেন ছাড়া সব চালাতে জানি। সাইকেল জানি, নৌকো জানি, একবার হাজারিবাগে গিয়ে ট্যাক্সি-ড্রাইভার হব ঠিক করে গাড়ি চালাতেও শিখেছিলুম। রিকশাও টেনেছি কয়েকদিন। শুধু প্লেন আর মহাশূন্যের রকেট জানি না। অবশ্য শুনেছি, রকেট চালাবার জন্য বিশেষ কিছু শিখতে হয় না, তলা থেকেই সবকিছু কন্ট্রোল করে।

    –এসো, আমরা নৌকোটায় উঠি।

    —এটা কার নৌকো? কেউ কিছু বলবে না?

    —এখনো তোমার এত প্রশ্ন! দিকশূন্যপুর যাবার জন্য তো প্রশ্ন লাগে না। এটা বারোয়ারি খেয়ার নৌকো। এর কোনো মালিক নেই।

    —তবে চলো, নৌকোতে যাই। আমি নৌকো উল্টে দেব না। তবু, তুমি সাঁতার জান তো নীলা?

    –তুমি জানলেই তো হবে।

    আমরা দুজনে চড়ে বসলুম নৌকোয়। দুটো বৈঠা রাখা আছে, কোনো অসুবিধে নেই। অনেক দিনের অনভ্যেস, প্রথমে একটু টালমাটাল হলো। বাচ্চা মেয়ের মতন জলের মধ্যে হাত দিয়ে খেলা করতে লাগল নীলা।

    তারপর নৌকোটা বেশ সহজ ভাবে চলা শুরু করল, যেন একটা চোরা স্রোত আছে এই জলে। একটু বাদেই কোথা থেকে কুয়াশা ঘিরে ফেলল আমাদের। তার মধ্যেও নৌকো চলে এল তরতর করে।

    এক সময় নীলা বলল, এবার বাঁধো।

    আমি খানিকটা অবিশ্বাসের সুরে বললুম, এত কাছে?

    নীলা বলল, এ আমার নিজস্ব দিকশূন্যপুর। এর কোনো জায়গা লাগে না। যেখানে ইচ্ছে বানিয়ে নেওয়া যায়।

    পাড় বা ঘাট দেখা যাচ্ছে না, তবু নৌকোটা ঠেকল কোনো শক্ত জায়গায়। বৈঠা নামিয়ে রেখে উঠে দাঁড়িয়ে আমি নীলার দিকে হাত বাড়িয়ে বললুম, এসো।

    নীলা বলল, এখানে তুমি কিছু চিনবে না। আমিই তোমাকে নিয়ে যাব।

    আমি বললুম, কুয়াশায় যে কিছুই দেখা যাচ্ছে না। গরম কালের রাতে এমন কুয়াশা এল কোথা থেকে? নাকি ধোঁয়া?

    নীলা বলল, ফুঁ দাও, একটু একটু করে সরে যাবে।

    ওপরটা বেশ পিছল। ঠিক কাদা নেই, তবু যেন পায়ের তলা সড়সড় করে। আমার খালি পা। আমি শক্ত করে ধরে রইলুম নীলাকে।

    যেন আমরা শিশু হয়ে গেছি, পৌঁছেছি এক রূপকথার জগতে। সামনে কিছু দেখতে পাচ্ছি না, ফুঁ দিয়ে সরাচ্ছি কুয়াশা।

    আমি জিজ্ঞেস করলুম, এখানে আর কেউ আসে না?

    নীলা বলল, এই তো তুমিই এলে প্রথম!

    —আমি আর ফিরে যাব না। চাকরিটাকরি কিছু আর ভালো লাগে না আমার তোমাকে ছেড়ে এক মুহূর্তও অন্য কোথাও থাকতে চাই না।

    –আমিও তোমাকে ছেড়ে আর থাকতে পারি না, নীললোহিত। বার বার কাচের টুকরোর মতন ভেঙে ভেঙে যেতে আমার ভালো লাগে না।

    -এখানে বাড়ি আছে? কোনো গাছপালা আছে?

    —আমার একটা ছোট্ট বাড়ি আছে। সেখানে নিয়ে গিয়ে তোমাকে খুব মজার একটা জিনিস দেখাব। তুমি নির্ঘাৎ চমকে যাবে।

    —কী দেখাবে নীলা? কী দেখাবে?

    —আগে পৌঁছোই! হ্যাঁ, এখানে গাছও আছে। পাশেই তো একটা, তোমার হাতটা বাড়াও!

    কুয়াশায় দেখা যাচ্ছে না, তবু হাত দিয়ে আমি ছুঁতে পারলুম একটা গাছ বেশ বড়। গুঁড়িটা টের পাচ্ছি, পাতা খুঁজে পাচ্ছি না।

    —এটা কী গাছ?

    —এটা একটা চাঁপা ফুলের গাছ। ঊর্বশী চাঁপা। বারোমাস ফুল হয়। ভারি সুন্দর গন্ধ।

    —চাঁপা ফুল আমার খুব প্রিয়। ফুল পাড়া যাবে না?

    —অনেক উঁচুতে ফুল। কুয়াশা সরে যাক, তারপর চেষ্টা করো।

    আমি নীলার হাতটা আমার মুখের কাছে এনে তার আঙুলগুলোতে চুমু খেলাম। আমার শরীর কাঁপছে। আমার অন্তরাত্মা কাঁপছে। বিকেল ও সন্ধের মধ্যে এত তফাৎ!

    গাছতলায় একটুক্ষণের জন্য দাঁড়ালুম আমরা।

    বিকেলবেলার দৃশ্যটা আমার চোখের সামনে ফিরে এল। ফুঁ দিয়ে কুয়াশা সরানো যায় কিন্তু সেই মনের ছবিটা সরান যায় না। অপমানিত হয়ে আমি মাথা নীচু করে বেরিয়ে আসছি একটা বাড়ি থেকে

    আমি বললুম, দীনেন বসুর স্ত্রী মণিকা আমাকে বড্ড কষ্ট দিয়েছে আজ। আমার উদ্দেশ্যটাকে কেন অবিশ্বাস করল! একটা শিশুকেও আদর করা দোষের! চাকরি পেয়েছি বলে আমি যেন একটা দুর্বৃত্ত। আমার নোংরা হাতে একটা শিশুকেও স্পর্শ করা যায় না।

    নীলা বলল, ও কথা আর মনে রেখো না!

    আমি বললুম, ভুলতে পারছি না যে! আমার খুব কষ্ট হচ্ছে!

    নীলা বলল, আমি আদর করে তোমার কষ্ট ভুলিয়ে দেব!

    আমি বললুম, দাও আদর দাও। এ পর্যন্ত আমি তোমার কাছে কিছু চাই নি। শুধু একবার…..আমি কি বোকা, বাজারের মধ্যে দাঁড়িয়ে তোমার কাছে কুড়ি টাকা চেয়েছিলুম!

    খিলখিল করে হেসে নীলা বলল, আহা রে, সেই কুড়ি টাকার শোক! দিকশূন্যপুরে এসে টাকার কথা বলতে নেই, তা জান না?

    আমি অসহায়ভাবে বললুম, মনটা কিছুতেই পরিষ্কার হতে চায় না। এইসব ছোটখাটো কথা ঘুরে ফিরে আসে। তুমি আদর দিয়ে ভুলিয়ে দাও।

    নীলা আমার সামনে চলে এল।

    কুয়াশায় আর কিছু দেখা যাচ্ছে না। শুধু অকূল সমুদ্রে লাইটহাউসের মতন দেখতে পাচ্ছি তার উজ্জ্বল মুখ। এখন সেই মুখখানি দারুণ চেনা মনে হচ্ছে। তার চিবুকের ডৌল, তার কানের লতি, তার উড়ন্ত ভুরু, সবই খুব চেনা।

    আমার ঠোটে ঠোঁট রাখল নীলা। তার মুখের মধ্যে চাঁপা ফুলের গন্ধ।

    চুম্বনটি অসমাপ্ত রেখেই সে ছিটকে সরে গিয়ে উৎকণ্ঠিতভাবে বলল, একী, তুমি কাঁপছ, নীললোহিত? তোমার জ্বর হয়েছে নাকি?

    আমি বিপন্ন গলায় বললুম, কাঁপছি? না, না, আমার জ্বর হয়নি। মনে হচ্ছে যেন ঝড় উঠেছে।

    নীলা বলল, তা হলে সত্যি ঝড় উঠেছে। আমার হাত ধরে থাকো। তুমি চলে যেও না। তুমি চলে যেও না।

    আমি বললুম, আমি যেতে চাই না। আমায় ধরে থাকো

    কিন্তু হাত বাড়িয়েও ‘আমি নীলাকে আর ধরতে পারলুম না। একটা সত্যিকারের প্রবল ঝড় আমাকে ঠেলে সরিয়ে দিচ্ছে। শোঁ শোঁ শব্দ হচ্ছে গাছপালার। নীলাকে আর দেখতে পাচ্ছি না।

    আমি বলতে লাগলুম, নীলা, আমাকে যেতে দিও না, আমি যেতে চাই না! অনেক দূর থেকে নীলার গলা শোনা গেল, নীললোহিত, চলে যেও না, চলে যেও না!…

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleবাড়ির খবর – নীললোহিত (সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়)
    Next Article কৈশোর – নীললোহিত (সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়)

    Related Articles

    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    বিশেষ দ্রষ্টব্য – নীললোহিত (সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়)

    August 10, 2026
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    কৈশোর – নীললোহিত (সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়)

    August 10, 2026
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    বাড়ির খবর – নীললোহিত (সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়)

    August 10, 2026
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    ফুলমণি-উপাখ্যান – নীললোহিত (সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়)

    August 10, 2026
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    নীললোহিতের চোখের সামনে – নীললোহিত (সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়)

    August 7, 2026
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    নীললোহিতের অন্তরঙ্গ – নীললোহিত (সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়)

    August 7, 2026
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    अनीश दास
    मौलाना शाह वलीउल्लाह
    रेवरेंड के. के. जी. सरकार
    অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত
    অঁতোয়ান দ্য সাঁত-এক্সুপেরি
    অনন্যা পাল
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অনীশ দেব
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অবনীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    অভিজ্ঞান রায়চৌধুরী
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক দত্ত
    অভীক সরকার
    অমরেন্দ্র চক্রবর্তী
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অরিন্দম দেবনাথ
    অর্পিতা সরকার
    অশোককুমার মিত্র
    অসম্পূর্ণ বই
    আখতারুজ্জামান ইলিয়াস
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুর রহমান আল-আরিফি
    আবদুল হালিম
    আব্দুল মালেক আলী আল-কুলাইব
    আব্দুল হামীদ ফাইযী
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    কৌশিক সামন্ত
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোপেন্দ্র বসু
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভট্টাচার্য
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যজ্যোতি মজুমদার
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বাণ রায়
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পরিমল ভট্টাচার্য
    পরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিয়োদর দস্তইয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণু শর্মা
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাসরুর আরেফিন
    মাহতাব উদ্দিন
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রণদীপ নন্দী
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রশীদ করীম
    রাজর্ষি দাশ ভৌমিক
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    রাফিক হারিরি
    রেভারেণ্ড কে. কে. জি. সরকার
    লীলা মজুমদার
    লেইল লোনডেস
    লেখক
    শওকত আলী
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শঙ্কর চ্যাটার্জী
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শহীদুল্লা কায়সার
    শাক্যজিৎ ভট্টাচার্য
    শাক্যজিৎ ভট্টাচাৰ্য্য
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শৈবাল মিত্ৰ
    শ্যামল গঙ্গোপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রীপারাবত
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঙ্গীতা বন্দ্যোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সন্দীপন চট্টোপাধ্যায়
    সন্মাত্রানন্দ
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমীরণ গুহ
    সমুদ্র পাল
    সম্পাদনা : শৈলেন্দ্র হালদার
    সরদার ফজলুল করিম
    সরোজকুমার রায়চৌধুরী
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সায়ক আমান
    সায়ন্তনী পূততুণ্ড
    সায়ন্তনী পূততুন্ড
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুব্রত গুহ
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সেলিনা হোসেন
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৈয়দ মুস্তাফা সিরাজ
    সৈয়দ শামসুল হক
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বপ্নময় চক্রবর্তী
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্মরণজিৎ চক্রবর্তী
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হরিশংকর জলদাস
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    অনুরাধা

    January 4, 2025
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    অনুরাধা

    January 4, 2025
    Our Picks

    বিশেষ দ্রষ্টব্য – নীললোহিত (সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়)

    August 10, 2026

    কৈশোর – নীললোহিত (সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়)

    August 10, 2026

    অর্ধেক মানবী – নীললোহিত (সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়)

    August 10, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }